ঝুরং রোভার মঙ্গলে অবতরণ করল চীনের মহাকাশ

 

 সফলভাবে অবতরণ করল চীনের ঝুরং রোভার মঙ্গলের মাটিতে । শুক্রবার মাঝরাতে লাল গ্রহের বায়ুমণ্ডলের বাধা পেরিয়ে প্যারাস্যুটের সাহায্যে ইউটোপিয়া প্ল্যানিশিয়া লাভাভূমিতে নেমেছে। আমেরিকার পারসিভারেন্স রোভারের পরে চীনের ঝুরং রোভার দ্বিতীয় প্রতিনিধি হিসেবে মঙ্গলের মাটি চষে বেড়াবে। চীনের এই মিশনের নাম দেয়া হয়েছিল নিহাও মার্স।

ইতিহাস সৃষ্টি করেছে চীন। প্রথম মিশনেই সফলভাবে প্রদক্ষিণ, অবতরণ এবং রোভিং করাতে পেরেছে তারা। এর আগে মঙ্গলের কক্ষপথে পৌঁছতে পেরেছে শুধুমাত্র রাশিয়া ও আমেরিকা।

মহাকাশে কীর্তিস্থাপনে ক্রমেই বড় শক্তি হয়ে উঠেছে চীন। আগে যা রাশিয়া এবং আমেরিকার একচ্ছত্র আধিপত্যে ছিল এখন তাতে ভাগ বসিয়েছে এশিয়ার দেশ। মহাকাশে মানুষ পাঠানো, চাঁদে যান পাঠানো এবং এবার মঙ্গলে পাড়ি, সব বড় কৃতিত্বই তাদের সারা। চাইনিজ উপকথার অগ্নিদেবতার নামে নামাঙ্কিত ঝুরং রোভারকে নিয়ে মঙ্গলের উদ্দেশে গত বছর জুলাইতে পাড়ি দিয়েছিল তিয়ানওয়েন-১ মহাকাশ যান।

লালগ্রহের কক্ষপথে ঢুকে পড়েছিল এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে। কয়েক মাস প্রদক্ষিণ করে এবার মাটি ছুঁল তার ল্যান্ডার। ঝুরং এবার মঙ্গলের মাটিতে ঘুরে বেড়িয়ে পাথর সংগ্রহ করবে। তুলে ধরবে অনেক অজানা তথ্য।

অনলাইন ডেস্ক।।

—————————-

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আজ গাজায় আল-জাজিরার কার্যালয় গুঁড়িয়ে দিল ইসরায়েল: দেখুন ভিডিও

আজ গাজায় আল-জাজিরার কার্যালয় গুঁড়িয়ে দিল ইসরায়েল: দেখুন ভিডিও

 

 ইসরায়েলি বাহিনী এবার কাতার ভিত্তিক আন্তর্জাতিক টিভি চ্যানেল আল-জাজিরার কার্যালয় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে। জানা গেছে, গাজায় যে ভবনে আল-জাজিয়া টিভির কার্যালয় ছিল সেখানে শক্তিশালী বোমা মেরে তা পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।

 

আজ শনিবার ইসরায়েলি জঙ্গিবিমান থেকে উচ্চ ধ্বংস ক্ষমতাসম্পন্ন বোমা ফেলা হয় ভবনটিতে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বোমা হামলার পর ভবনটি মাটিতে ভেঙে পড়ছে। ভবনটির ধ্বংসস্তূপ চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছি কিনা, তা এখনো জানা সম্ভব হয়নি।

 

গাজার এই ভবনের কার্যালয়ে ১১ বছর ধরে কর্মরত ছিলেন আলজাজিরার সাংবাদিক সাফাওয়াত আল খালুত। তিনি ভবনটিতে হামলা প্রসঙ্গে বলছেন, দুই সেকেন্ডের মধ্যেই ভবনটি মাটির সঙ্গে মিশে যায়। উল্লেখ্য, ধ্বংস হওয়া ওই ভবনটিতে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস বা এপি’র কার্যালয়ও ছিল। এছাড়া সেটি আবাসিক ভবন হিসেবেও ব্যবহার করা হত।

 

ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বোমা হামলার পর ভবনটি মাটিতে ভেঙে পড়ছে। ভবনটির ধ্বংসস্তূপ চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছি কিনা, তা এখনো জানা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, হুমকির পর ভবনটি সম্ভবত খালি করে দেওয়া হয়।

 

এই ঘটনায় বিবৃতি দিয়েছে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সোসাকি টুইট বার্তায় বলেছেন, আমরা সরাসরি ইসরায়েলিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। একই সঙ্গে জানিয়েছি, সাংবাদিক ও স্বাধীন গণমাধ্যমের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রধান দায়িত্ব।

এদিকে, ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজায় অবস্থিত আল জাজিরার কার্যালয় গুঁড়িয়ে যাওয়ার পর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, তারা চুপ করে থাকবে না।

 

আল জাজিরার জেরুজালেম ব্যুরোর প্রধান ওয়ালিদ আল-ওমারি বলেছেন, এটা স্পষ্ট যে যারা যুদ্ধ করছে তারা গাজায় শুধু ধ্বংস আর মৃত্যুই বাড়িয়ে চলছে না, তারা গণমাধ্যমগুলোকেও চুপ করিয়ে দিতে চায় যারা এগুলো প্রত্যক্ষ করছে, তথ্য সংগ্রহ করছে ও সত্যের প্রতিবেদন করছে যে গাজায় ঠিক কী ঘটছে। কিন্তু এটি অসম্ভব। আমরা চুপ করে থাকব না।

 

১৩ তলা বিশিষ্ট জালা টাওয়ার ভেঙে পড়ার পর এ কথাগুলো সরাসরি সম্প্রচারে বলেন ওয়ালিদ। এসময় তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলি সেনারা গাজা উপত্যকায় যেসব অপরাধ নিয়মিত করে চলছে এটি তারই অংশ।

 

গাজার এই ভবনের কার্যালয়ে ১১ বছর ধরে কর্মরত ছিলেন আলজাজিরার সাংবাদিক সাফাওয়াত আল খালুত। তিনি ভবনটিতে হামলা প্রসঙ্গে বলছেন, দুই সেকেন্ডের মধ্যেই ভবনটি মাটির সঙ্গে মিশে যায়। উল্লেখ্য, ধ্বংস হওয়া ওই ভবনটিতে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস বা এপি’র কার্যালয়ও ছিল। এছাড়া সেটি আবাসিক ভবন হিসেবেও ব্যবহার করা হত।

 

এদিকে, টানা ষষ্ঠ দিনের মতো ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত মোট ১৪০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া হামলায় আহত হয়েছেন হাজারের বেশি মানুষ। পাশাপাশি বহু ফিলিস্তিনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  অপরদিকে হামাসের রকেট হামলায় এ পর্যন্ত ৯ জন ইসরায়েলি নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

 

 

// অনলাইন ডেস্ক //

——————————

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সিরিয়া ও লেবানন থেকেও ইসরাইলে রকেট হামলা চালানো হচ্ছে

ভারতের গঙ্গায় হাজারো মৃতদেহ ভাসিয়ে দিচ্ছে কে বা কারা বা কেন…? এর উত্তর নেই…!

 

ভারতের গঙ্গায় হাজারো মৃতদেহ ভাসালে মোক্ষলাভ হবে— এই ধর্মীয় বিশ্বাসে সেখানে আধাপোড়া মৃতদেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়। প্রায় ২০০ টন আধাপোড়া মৃতদেহ এভাবেই ভেসে চলে গঙ্গায়। বারাণসীর মণিকর্ণিকা ও হরিশ্চন্দ্র ঘাটে আবার প্রতি বছর গড়ে ৩২ হাজার মৃতদেহ দাহ করা হয়। সেই সৎকারের পরে প্রায় ৩০০ টন ছাই পড়ে গঙ্গায়, যা গঙ্গা দূষণের অন্যতম কারণ।

বছর পাঁচেক আগে জাতীয় পরিবেশ আদালতে এই মর্মেই হলফনামা জমা দিয়েছিলেন এক আইনজীবী। যার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকার ও উত্তরপ্রদেশ সরকারকে তীব্র ভাষায় ভর্ৎসনা করেছিল পরিবেশ আদালত।

কিন্তু তার পরেও যে পরিস্থিতির বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি, তা সাম্প্রতিক ঘটনাতেই স্পষ্ট। যেখানে কোভিডে আক্রান্ত মৃতদেহ দাহ না করে গঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের একাধিক রাজ্যের নদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা। তাদের বক্তব্য,মহামারীর কারণে গঙ্গায় মৃতদেহ ভাসার বিষয়টি নিয়ে শোরগোল হচ্ছে। কিন্তু এমনি সময়েও এমন ঘটনা ঘটে থাকে। যেখানে মরদেহের সম্মানজনক অন্ত্যেষ্টি-পর্ব ব্রাত্যই থেকে যায়!

উত্তরপ্রদেশের গঙ্গা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা এ ক্ষেত্রে ২০১৫ সালে উন্নাও জেলার একটি ঘটনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করছেন। যেখানে ওই জেলা সংলগ্ন গঙ্গায় প্রায় ১০০টি মরদেহ ভাসতে দেখা গিয়েছিল। নদীর তীরে আটকে যাওয়া মরদেহ ঘিরে রেখেছিল কুকুর-শকুনের দল।

 

সেই ঘটনারই যেন পুনরাবৃত্তি হচ্ছে করোনাকালে। কানপুরের বাসিন্দা, নদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তথা তথ্যের অধিকার নিয়ে কাজ করা সমাজকর্মী (আরটিআই অ্যাক্টিভিস্ট) শঙ্কর বলছেন, “কোভিডে মৃতের প্রসঙ্গ উঠলেই তো প্রশাসন তথ্য চেপে যাচ্ছে। এদিকে, গঙ্গায় মরদেহ ভেসে যাচ্ছে।”

ওই রাজ্যেরই আরেক নদী আন্দোলনকারীর বক্তব্য, “কোভিডে মৃতদেহের সৎকার যাতে সম্মানজনকভাবে হয়, সে কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে তার কোনও প্রতিফলন নেই।”

বারাণসীর গঙ্গা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা জানাচ্ছেন, অনেক জায়গায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, কোভিড-মরদেহ সৎকারের জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও আবার জায়গা পাওয়া গেলেও মরদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পর্যাপ্ত লোক নেই। ফলে রাতের অন্ধকারে ওই মৃতদেহ গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে। আবার অনেক জায়গায় গঙ্গার পাড়েই কিছুটা গর্ত করে মরদেহ পুঁতে দেওয়া হচ্ছে।

নদী আন্দোলন-কর্মী বল্লভচার্য পাণ্ডের কথায়, ‘‘গঙ্গায় পানি বাড়লেই বালিতে পোঁতা মৃতদেহ বেরিয়ে আসছে। তার পরে গঙ্গার স্রোত তা টেনে নিয়ে যাচ্ছে।”

গবেষণা জানাচ্ছে, শুধু বারাণসীর ঘাটেই প্রতি বছর প্রায় তিন হাজার মরদেহ গঙ্গায় ভাসতে দেখা যায়। দিনে গড়ে ৮-১০টি মৃতদেহ গঙ্গায় ভেসে যাচ্ছে, এমন ঘটনা হামেশাই ঘটে। করোনা সংক্রমণ সেই বিষয়টিকেই আলাদা মাত্রা দিয়েছে।

বিহারের গঙ্গা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের বক্তব্য, গ্রামীণ এলাকায় অনেকে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু তারা সংক্রমণের শুরুতে চিকিৎসা করাচ্ছেন না। ফলে যেটা হচ্ছে, একটা শ্রেণি নিজেরাই সুস্থ হয়ে উঠলেও যারা পারছেন না, তাদের শেষ মুহূর্তে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এক নদী আন্দোলনকারীর বক্তব্য, “কিন্তু তাতে দেরি হওয়ায় তাদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠেরই মৃত্যু হচ্ছে।”

“এর সঙ্গে যোগ হয়েছে শ্মশানঘাটগুলোতে কাঠের অপ্রতুল জোগান। সৎকারের উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই। তাই মরদেহ গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে,” বলছেন পটনার বাসিন্দা, নদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মী আশিস রঞ্জন।

 

ফলে মোক্ষলাভ না করোনার সময়ে দাহ করার পর্যাপ্ত কাঠের অভাবে মৃতদেহ গঙ্গায় ফেলা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।

 

তবে কারণ যা-ই হোক, অনেকের বক্তব্য, গঙ্গায় মৃতদেহ ফেলা যাবে না, এ বিষয়ে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। এও বলা হয়েছে, গঙ্গায় মরদেহ দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনকেই তার সৎকারের উপযুক্ত ব্যবস্থা করতে হবে। যার পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গের নদী আন্দোলন-কর্মী গৌতম দে সরকার বলছেন, “গঙ্গাকে দূষণমুক্ত রাখার অনেক নির্দেশ, কেন্দ্রীয় প্রকল্প থাকলেও পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে করোনাকালে তা ধুয়েমুছে গিয়েছে!”

ফলে প্রায় ২৫৩২ কিলোমিটার যাত্রাপথে আরও কত কোভিডে মৃতের দেহ বহন করতে হবে গঙ্গাকে, সেই আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। সূত্র: আনন্দবাজার

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

হিন্দুদের মৃতদেহ সতকারে মুসলিমরা…

 

ঈদের দিন ভারতের হুগলিতে হিন্দু পড়শির দেহ সৎকার করলেন মুসলিম প্রতিবেশীরা

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সুনামি বইছে ভারত জুড়ে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে লাগামহীনভাবে।করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি এখনও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়।তাছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে তো অবস্থা আরও খারাপ। মৃত ব্যক্তিটির  স্বাভাবিক সৎকার করার লোকও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।তেমনি একটি ঘটনা ঘটছে হুগলি জেলার পোলবা- দাদপুর ব্লকের বাবনাম গ্রামে।

 গ্রামের হরেন্দ্র সাধু খাঁ(৭২) নামক ব্যক্তিটি গত তিনদিন যাবত জ্বরে ভুগছিলেন।করোনা পরীক্ষার আগেই তার মৃত্যু হয়। পরিবারের কারো মৃত্যুর পরে সেই পরিবারের লোকেরা কতটা শোকাতুর থাকে সেটা যেকারো কাছে অনুমেয়। কিন্তু ঐ পরিবারের নিকট এই শোকের পরে আরও অপরিসীম  শোক হয়ে দেখা দিল যখন তারা দেখলেন, করোনা সংক্রমনের ভয়ে কেউ তাদের বাড়ির চৌকাঠে পা রাখছেন না। মৃতের একমাত্র ছেলে চন্দন দিশেহারা হয়ে সৎকারের জন্য প্রতিবেশী হিন্দুদের সহযোগিতা চেয়েছেন কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি সৎকারের কাজে সাহায্য করতে।

 

 হিন্দু পড়শির দেহ সৎকার করলেন মুসলিম প্রতিবেশীরা

 

গতকাল ছিল মুসলমানদের সর্ব বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ইদুল- উল- ফিতর।ইদের নামাজ পড়ে উৎসব পালনের জন্য সকলে যার যার মতো বের হচ্ছিলেন তারা। এরই মধ্যে মুসলিম প্রতিবেশীরা হঠাৎ খবর পেলেন মৃতের সৎকার করার জন্য কোন লোক পাচ্ছেন না তার ছেলে চন্দন।

মৃতের ছেলের এই অসহয়তার কথা শুনে উৎসব শিকেয় তুলে ধর্মীয় সংকীর্ণতা ভুলে পাশে দাঁড়াতে বেরিয়ে পড়েন মুসলিম প্রতিবেশী আশিক মোল্লা, গোলাম সুবানী,গোলাম সাব্বার,শেখ সানিসহ আরও অনেকে।

করোনার ভয় উপেক্ষা করে হাজির হলেন মৃতের বাড়িতে। নিজেরা খাট বেঁধে, ফুলের মালা দিয়ে সাজিয়ে তোলেন মৃতের দেহ। চার ভিন্নধর্মী মানুষের কাঁধেই শেষ যাত্রায় যান হরেন্দ্রনাথ সাঁধুখাঁ। শ্মশানে কাঠ জোগাড় থেকে শুরু করে দাহ করার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পিতৃহারা সন্তানের পাশে ছিলেন তারা।

 

এযেন মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত। আমরা যদি সকলেই ধর্মীয় শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারতাম তাহলে হয়তো ধর্মীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে সত্যিকারের মানুষ হয়ে হিংসা বিদ্বেষ ভুলে একে অপরের বিপদ- আপদে,সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে পারতাম।আর তাহলে হয়তো  আগামী প্রজন্মের জন্য একটা সুন্দর পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব হতো।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক// 

————————————–

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সিরিয়া থেকে রকেট হামলা….

 

 

সিরিয়া ও লেবানন থেকেও ইসরাইলে রকেট হামলা চালানো হচ্ছে

 

সিরিয়া ও লেবানন থেকে ফিলিস্তিনের গাজায় নিরপরাধ সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে বোমা বর্ষণের প্রতিবাদে গাজা থেকে পাল্টা হামলায় এ পর্যন্ত দেড় সহস্রাধিক রকেট হামলা চালিয়েছে হামাস।

এছাড়া দক্ষিণ লেবানন থেকেও বৃহস্পতিবার ইসরাইলের দিকে রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে।

এবার ইসরাইল অভিমুখে হামলা চালানো হয়েছে সিরিয়া থেকে।

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে শুক্রবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম হারেজ ও এপিনিউজ জানিয়েছে, সিরিয়া থেকে ইসরাইলের দিকে অন্তত তিনটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। রকেটগুলোর দুটি গোলান মালভূমি অতিক্রম করতে পারেনি। সেখানে খোলা জায়গায় পতিত হয়েছে। অন্যটিও সিরিয়া সীমান্ত অতিক্রম করতে পারেনি। তার আগেই ভূমিতে পতিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ইসরাইলের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, লেবানন সীমান্তের নাকৌড়ার উত্তরে ক্লাইলেহ অঞ্চল থেকে তিনটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছিল, যা গালীল উপকূলে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়।

 ইসরাইলের ধারণা, লেবানন ভূখণ্ড থেকে তাদের শত্রু হিজবুল্লাহ এ হামলা চালিয়েছে।

গত কয়েক দিনের হামলায় দিশেহারা ইসরাইল বৃহস্পতিবার রিজার্ভ থেকে জরুরিভিত্তিতে আরও ৯ হাজার সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দেয়।

গত সোমবার থেকেই উত্তপ্ত ইসরাইল-ফিলিস্তিন। গাজায় ইসরাইলের অব্যাহত বিমান হামলায় এখন পর্যন্ত ১২২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

অপরদিকে হামাসের পাল্টা রকেট হামলায় এখন পর্যন্ত আটজন ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দুই শিশু, একজন ভারতীয়, একজন বয়স্ক নারী ও এক ইসরাইলি সেনাসদস্য রয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Corona Indian Variant…

পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের সিদ্ধান্তের উদ্যোগে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীকে লিগ্যাল নোটিশ

 

সংবিধান ও মানবাধিকার লংঘন করে সরকার কর্তৃক জনগণের ওপর পুলিশকে লাঠিপেঠার নির্দেশ ও বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা প্রদানের উদ্যোগের খবর প্রকাশের পর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

ন্যাশনাল ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস এম জুলফিকার আলী জুনু বৃহস্পতিবার ই-মেইলের মাধ্যমে এই নোটিশ পাঠিয়েছে বলে আজ শুক্রবার তিনি জানিয়েছেন।

লিগ্যাল নোটিশে দেশের প্রচলিত সংবিধান ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে সরকার জনগণের ওপর পুলিশ দ্বারা লাঠিপেটার নির্দেশ ও বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দেয়ার সিদ্ধান্তের উদ্যোগ কেন বেআইনি ও সংবিধানবিরোধী হবে না তা জানতে চাওয়া হয় নোটিশে।

 

গণমাধ্যমে সংবিধানবিরোধী বক্তব্য দেয়া কেন সংবিধান লঙ্ঘন ও মন্ত্রী হিসেবে নেয়া শপথ ভঙ্গের শামিল হবে না তাও জানতে চাওয়া হয় নোটিশে এবং ওই ধরনের সংবিধানবিরোধী কার্যকলাপ নেয়ায় মিডিয়ার মাধ্যমে মন্ত্রীকে রাষ্ট্রের মালিক জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ মর্মে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হলো।

 

নোটিশে বলা হয়েছে, ‘আপনাকে অত্র লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে জানানো যাচ্ছে যে- অদ্য বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি যে, সরকারের নির্দেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা ও জনগণের ওপর লাঠিপেটার নির্দেশ দেয়ার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার।’ নোটিশে বাংলা নিউজে প্রকাশিত সংবাদে প্রতিমন্ত্রীর উদ্ধৃতিসহ নিউজটি উল্লেখ করা হয়।

 

‘জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীকে জনস্বার্থে লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে জানানো যাচ্ছে যে, আপনি সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হয়ে রাষ্ট্রের মালিক জনগণের ওপর পুলিশের লাঠিপেটা করার নির্দেশের উদ্যোগ নিতে পারেন না। গণমাধ্যমে দেয়া আপনার এরূপ বক্তব্য সংবিধানবিরোধী। অতএব মন্ত্রী হিসেবে সংবিধান লঙ্ঘনের উদ্যোগ নেয়া মন্ত্রী হিসেবে নেয়া শপথ ভঙ্গের শামিল।

 

‘অতএব পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা প্রদান ও রাষ্ট্রের জনগণের ওপর লাঠিপেটার সিদ্ধান্তের উদ্যোগ বন্ধের অনুরোধ জানাচ্ছি এবং মন্ত্রী হিসেবে নেয়া শপথ ভঙ্গ অর্থাৎ সংবিধানবিরোধী বক্তব্য গণমাধ্যমে দেয়ায় জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আবেদন করছি।’

 

লিগ্যাল নোটিশ প্রাপ্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সংবিধানবিরোধী কার্যকলাপ ও সিদ্ধান্ত বন্ধ করা না হলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় যথাযথ নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

অনলাইন ডেস্ক।।

————————-

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মিতু হত্যাকাণ্ড নিয়ে এবার বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন সাবেক এসপি বাবুলের সোর্স মুসার স্ত্রী পান্না আক্তার।….

 

 

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট: ডিএনসিসি হাসপাতালে ২ রোগীর শরীরে পাওয়া গেছে

 

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে ঢাকার ডিএনসিসির ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে দু্ই রোগীর শরীরে ।

শুক্রবার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির।

তিনি বলেন, ভারত থেকে আসা দু’জনের মধ্যে আমরা ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের করোনা ভাইরাস পেয়েছি। নির্দেশনা মোতাবেক তাদের টেস্ট হাসপাতালে (বক্ষব্যাধি হাসপাতাল) পাঠানো হয়েছে। ভারত থেকে যারা আসছেন তাদের আমরা কঠোর নজরদারির মধ্যে রেখেছি।

তিনি সবাইকে করোনা সম্পর্কে সচেতন হতে আহ্বান জানান। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন। এ ছাড়া ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়লে তা ভয়াবহ হবে বলেও জানান।

এর আগে (৮ মে) এভারকেয়ার হাসপাতালের একটি নমুনায় এই ধরন পাওয়া গেছে।

ওই সময়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইডিসিআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এএসএম আলমগীর।

সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) জানিয়েছে, ভারতে প্রথম শনাক্ত ‘বি.১.১৬৭’ নামে করোনার ধরনটি বিশ্বের ৪৪টি দেশে শনাক্ত হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বেগম খালেদা ও রওশন এরশাদের ঈদ…

 

ঈদ মানে খুশি: যশোরের সম্মানিত পুলিশ সুপার ঈদ উদযাপন করলেন এতিম শিশুদের সাথে

 

 ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ।  ঈদ মানে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।।সেখানে থাকবে না কোন ছোট- বড়, ধনী-গরিব,উঁচুনিচু ভেদাভেদ।  ঈদের আনন্দ প্রতিটি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করাই হচ্ছে  ঈদের প্রকৃত সার্থকতা।

আর তাই আজ ১৪ এপ্রিল-২০২১ রোজ শুক্রবার বিকাল ৪ঃ০০ ঘটিকায় যশোর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব প্রলয় কুমার জোয়ারদার, বিপিএম( বার), পিপি মহোদয় বাসায় রান্না করে খাবার নিয়ে উপস্থিত হন সরকারি শিশু পরিবার( বালিকা), যশোরে অবস্থানরত প্রায় ১২০ জন এতিম শিশুদের জন্য।

পুলিশ সুপার ঈদ উদযাপন করলেন এতিম শিশুদের সাথে

 

তিনি সেখানে এতিমশিশুদের মাঝে কিছু সময় কাটান এবং তাদের সাথে ঈদের আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত অতিবাহিত করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আজ ঈদ…

 

 

 

গাজা এলাকায় আকাশ থেকে বোমা, ভূমি থেকে ট্যাংকের গোলা ছুড়ছে ইসরাইল

 

গাজা এলাকায় আকাশ থেকে ইসরাইলি বাহিনীর হামলার পঞ্চম দিন চলছে।গাজা সীমান্তে ইসরাইলি বাহিনী আকাশ থেকে গোলা এবং ভূমি থেকে আর্টিলারি ফায়ার ও ট্যাংক দিয়ে গোলা ছুড়ছে।এতে হামাসের কয়েকটি ভূগর্ভস্থ টানেল ধ্বংস হয়ে যায়। এদিকে ইসরাইলে হামাসের রকেট হামলা অব্যাহত রয়েছে।

বিবিসি বলছে, গাজা শহরের রাতের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে ইসরাইলি বাহিনী আর্টিলারি ফায়ার, গান বোটস ও বিমান হামলায় রাতের আকাশ আলোয় ভরে উঠেছে।

সোমবার থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ১১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। প্রায় হাজার খানেক আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৩১ শিশু রয়েছে। এ ছাড়া ৪ শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে ইসরাইলি বাহিনী। অন্যদিকে ইসরাইলের এক সেনাসদস্যসহ ৭ জন নিহত হয়েছে।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলছে, শুক্রবার তাদের পদাতিক বাহিনী হামলায় অংশগ্রহণ করেছে। পাশাপাশি বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। তবে তারা সীমান্ত পেরিয়ে গাজায় ঢোকেনি।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গ্যানতেজ গাজায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য ৯ হাজার রিবার্ভ সেনাসদস্য মোতায়েন করেছে।

 

https://twitter.com/i/status/1393139895405789185

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আজ ঈদ….

সোর্স মুছার স্ত্রী পান্না মিতু হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন পিবিআইকে

 

 খুনের ৫ বছর পর চট্টগ্রামের সাবেক এসপি পত্নী মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ড নিয়ে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য একে একে বেরিয়ে আসছে। মিতু হত্যাকাণ্ড নিয়ে এবার বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন সাবেক এসপি বাবুলের সোর্স মুসার স্ত্রী পান্না আক্তার।

 

 

হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামি কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুসার স্ত্রী পান্নার দাবি, বাবুল তার স্বামীকে দিয়ে মিতুকে খুন করতে বাধ্য করেন। হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল মুসার ফোনে ফোন করে তাকে সাবধানে থাকতে বলেছেন। মুসাকে শেল্টার দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেন পুলিশের সেই সময়কার ক্ষমতাধর এই কর্মকর্তা। এতদিন বাবুলের ভয়ে বিষয়টি গোপন করেছেন বলে দাবি পান্নার।

 

‘সন্তান, পরিবার ও আমার নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আগে কথা বলিনি। আমি বাবুল আক্তারকে ভয় করতাম। বাবুল আক্তারের পরিচিত কিছু পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনার পর থেকে আমাকে হুমকি দিতেন, আমি তাদেরকে ভয় পেতাম।’

 

মুসা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত স্বীকার করে তার স্ত্রী বলেন, মুসা এ ঘটনায় জড়িত; সেজন্য ভয় পেতাম। সব মিলিয়ে আমি আগে মুখ খুলিনি। কিন্তু এভাবে আর কতদিন? আজ পাঁচ বছর আমার স্বামী নিখোঁজ। তার সন্ধান চাই আমি। মামলার জন্য হলেও তো মুসাকে দরকার। কারণ সে সবকিছু জানে।

 

পান্না আক্তার দাবি করেছেন, সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের নির্দেশে তার স্বামী এই হত্যাকাণ্ডে যুক্ত হতে বাধ্য হয়েছিলেন।

 

পান্না আক্তারের ভাষ্য, ‘মিতু হত্যাকাণ্ডের পর আমার বাড়িতে পুলিশ এসেছিল। তারপর আমি এ হত্যার বিষয়ে মুসার কাছে কয়েকবার জানতে চেয়েছিলাম। প্রথমে মুসা কিছু বলে নি। পরে এক সময় মুসা আমাকে জানায়, বাবুলের নির্দেশে সে হত্যাকাণ্ডে জড়িত হতে বাধ্য হয়েছে।’

 

বৃহস্পতিবার বিকালে মুসার স্ত্রী পান্না গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি মুসার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, তোমরা কেন এমন একটি জঘন্য কাজ করলে? এখন আমার সন্তানদের কী হবে? আমার কী হবে? তখন মুসা জানিয়েছিল, বাবুল আক্তার তাকে শেল্টার দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বাবুল আমার স্বামীকে চিন্তা না করতে বলেছেন। কিন্তু তারপর আমার স্বামীকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেল। সেখান থেকে আজ পাঁচ বছর আমি মুসার কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। আমি মুসার খোঁজ চাই।’

 

বাবুল মুসাকে সব ধরনের সহযোগিতা করতেন বলেও দাবি করেন স্ত্রী পান্না।

 

মুসার স্ত্রী দাবি করেন, ঘটনার পর ২০১৬ সালের ২৫ জুন তিনি একটি সংবাদ সম্মেলন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাবুল আক্তারের ঘনিষ্ঠ দুই কর্মকর্তা সংবাদ সম্মেলন করতে নিষেধ করেছিলেন। তারপরও তিনি ওই বছরের ৫ জুলাই আবার সংবাদ সম্মেলন করতে চেয়েছিলেন। তখনও করতে দেওয়া হয়নি। সে সময় তিনি বাবা ও শ্বশুরের বাড়ি রাঙ্গুনিয়াতে থাকতেন।

 

পান্নার ভাষ্য, ‘আমাকে চট্টগ্রামও যেতে নিষেধ করা হয়েছিল। আমি এ ব্যাপারে কথা বললে আমাকে জঙ্গি বানিয়ে গ্রেফতার করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। আমি প্রচণ্ড ভয়ে থাকতাম।’

 

পিআইবিকে সব তথ্য জানিয়েছেন দাবি করে পান্না আক্তার বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত বছরের নভেম্বর মাসে মুসার ব্যাপারে জানতে পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা আমার বাড়িতে এসেছিলেন। আমি যা যা জানি আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন। যা যা আমি জানতাম, সবই আমি বলেছিলাম। তারপর থেকে মূলত আমি চিন্তা করা শুরু করি, এ ব্যাপারে আমি কথা বলব। এখন বাবুল আক্তার জেলে। আমার ক্ষতি হবে না বলে আমি মনে করছি। সেজন্য এখন কথা বলছি।’

 

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় সড়কে খুন হন পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু।

 

পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদরদফতরে যোগ দিতে ওই সময় ঢাকায় ছিলেন বাবুল। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত ছিলেন।

 

হত্যাকাণ্ডের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন বাবুল। তবে পুলিশ তদন্তে তার সম্পৃক্ততার গুঞ্জন ছিল আগে থেকেই।  মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন তার মামলায় অভিযোগ করেন, মিতু পরকীয়ায় বাধা হওয়ায় তাকে খুন করেন বাবুল।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আ্ররও পড়ুন…