ভারতের গুজরাটে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৮ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে

 

ভারতের গুজরাটে একটি হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আগুন লেগে কমপক্ষে ১৮ রোগী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজ্যের ভারুচ শহরের প্যাটেল ওয়েলফেয়ার হাসপাতালে ওই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।খবর এনডিটিভির।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও স্থানীয়রা মিলে প্রায় ৫০ জন রোগীকে উদ্ধার করেছেন।

ভারুচ পুলিশের এসপি রাজেন্দ্র সিং চুদাসামা জানিয়েছেন, হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসাধীন ১৮ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি।

ভারুচ-জাম্বুসর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত চারতলা এই হসপাতালটি কেবল করোনা রোগীদের চিকিৎসার কাজেই ব্যবহার করা হচ্ছিল।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা শৈলেষ সানসিয়া জানিয়েছেন, হাসপাতালটির নিচতলায় করোনা ওয়ার্ডে প্রথমে আগুন লাগে। তবে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং প্রায় ৫০ জন রোগীকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী অন্য আরেকটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

প্রথমে নিহতের সংখ্যা ১২ জন বলা হলেও ভোর সাড়ে ৬টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিহতের সংখ্যা ১৮ বলে জানায়।

উল্লেখ্য, গত ১০ দিনে ভারতে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের তিনটি ঘটনা ঘটলো।

 

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…

‘অল্প পরিমাণে ওজন বাড়লেও করোনায় জটিলতার ঝুঁকি বেড়ে যায়

 করোনায় (কোভিড-১৯) বিধ্বস্ত ভারত

 

সেখ হসিনার নির্দেশে খুলনার রূপসা উপজেলা যুবলীগের নেতৃত্বে বিভিন্ন ইউনিয়নে ধান কর্তন

রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের সামন্তসেনা গ্রামের কৃষকদের ধান কেটে দিলেন নৈহাটি ইউনিয়ন যুবলীগ নেতৃবৃন্দ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক, আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপির ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রিয় যুবলীগের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি গ্রহন করা হয়। আজ ৩০ এপ্রিল দুপুরে প্রচন্ড তাপদাহ উপেক্ষা করে রোজা থাকা অবস্থায় অর্ধশতাধিক যুবলীগ নেতাকর্মী এ কাজে অংশ গ্রহন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম কামরুজ্জামান, জেলা যুবলীগ নেতা নাসির হোসেন সজল, আশিষ কুমার রায়, উপজেলা যুবলীগ নেতা এমপি কো অর্ডিনেটর নোমান ওসমান রিচি, নৈহাটি ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক বাদশা মিয়া, যুবলীগ নেতা শাহনেওয়াজ কবীর টিংকু, শেখ আ: মজিদ, মারুফ খান, ইলিয়াজ হোসেন, সাইফুল ইসলাম শাওন, মহিউদ্দিন মানিক, মাসুম শেখ, তরিকুল ইসলাম বাদল, শাহজাদা, ওমর ফারুক, নাহিদ শেখ, আলতাফ শেখ, ইমান শেখ, ওলিয়ার শেখ, ফরহাদ শেখ, তুষার দাস, জাহিদুর রহমান, রহিম মিনা, আব্দুল্লাহ, নাজমুল শেখ, বিল্লাল শেখ, রুবেল। নেতৃবৃন্দ এসময় ইকবাল ফৌজদারের ২ বিঘা জমির ধান কেটে ঘরে তুলে দেন।
 
 

 

 

ঘাটভোগ ইউনিয়ন

রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের নতুনদিয়া গ্রামের কৃষক অনিল বিশ্বাসের ১০ বিঘা জমির ধান কেটে দিলেন রূপসা উপজেলা যুবলীগ। গত ২৯ এপ্রিল সকালে নরনিয়া বিলের নতুনদিয়া দাড়ির মাথা নামক স্থানে প্রায় ৫ কিলোমিটার পায়ে হেটে যুবলীগ নেতা মোঃ নোমান ওসমানী রিচির নেতৃত্বে অর্ধশত যুবলীগ নেতৃবৃন্দ এ ধান কর্তন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন। প্রচন্ড তাপদাহ উপেক্ষা করে রোজা থাকা অবস্থায় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক এবং কেন্দ্রীয় যু্বলীগের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ ধান কর্তনে অংশগ্রহন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লা অহিদুজ্জামান মিজান, জেলা যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা নাসির হোসেন সজল, উপজেলা যুবলীগ নেতা আশিষ কুমার রায়, সুব্রত বাগচি, সরদার আবুল কালাম আজাদ, শারাফাত হোসেন উজ্জ্বল, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আঃ মজিদ শেখ, বাদশা মিয়া, কৃষকলীগ নেতা রহমত আলী শেখ, যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন মানিক, তুষার দাস, হাবিবুর রহমান, আবুল হাসান, এহতেশামুল হক অপু, ইমান আলী মোল্লা, জনি ফকির, সাইফুল ইসলাম শাওন, বাপ্পারাজ, হিমেল, জাহিদুর রহমান, আঃ রহিম মিনা, মুরাদ শেখ প্রমূখ।

 

   

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো //

আরও পড়ুন…

 

মোটা বেশি মানুষের করোনা পজিটিভ হলে জটিলতা বেশি: গবেষক পিয়েরনাস

 

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক কারমেন পিয়েরনাস বলেন, ‘অল্প পরিমাণে ওজন বাড়লেও করোনায় জটিলতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ওজন যত বাড়ে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার পর জটিলতা তত বেশি বাড়ার ঝুঁকি থাকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘৪০ বছরের নিচে যাদের বয়স অতিরিক্ত ওজনের কারণে তাদের মধ্যে করোনার জটিলতার ঝুঁকি বেশি থাকে। তবে ৮০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে করোনায় জটিলতার সঙ্গে ওজনের তেমন কোনো সম্পর্ক থাকে না।

এ কারণে যাদের ওজন বেশি, তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়া উচিত।’

বিখ্যাত ব্রিটিশ চিকিৎসা সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট ডায়াবেটিস অ্যান্ড এন্ড্রোক্রাইনোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, ‘যাদের ওজন বেশি তারা করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার পর গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি বেশি থাকেন। এমনকি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তির ঝুঁকিও বেশি থাকে।’

গত বছরের ২৪ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ ও গবেষণা করেন গবেষকরা। এ বিষয়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, ‘ওজন বেশি থাকার কারণে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার পর ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে বড় কোনো পরিসরে এ ধরনের গবেষণা এই প্রথম।’

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ৬৯ লাখের বেশি মানুষের ওপর এই গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রথম ঢেউয়ের সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অথবা মারা গেছেন এমন ২০ হাজারের বেশি করোনা রোগীর তথ্য এ গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

গবেষকরা আরও বলছেন, ‘বিএমআইয়ের (উচ্চতা অনুসারে ওজন) সূচকে যাদের ওজন প্রতি বর্গমিটারে ২৩ কেজির বেশি, তাদের করোনায় গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি বেশি থাকে।

বিএমআইয়ের সূচকে প্রতি এক ইউনিট ওজন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি ৫ শতাংশ বেশি থাকে। আর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তির ঝুঁকি ১০ শতাংশ বেশি থাকে।’

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…

 

আজব মানুষ: বরিশালে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও গাঁজা সহ পিতা-পুত্র আটক

বরিশাল নগরীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অফিসার ইনচার্জ কোতোয়ালি মডেল থানা বিএমপি মোঃ নুরুল ইসলাম পিপিএম’র নেতৃত্বে এসআই রিয়াজুল -১, এসআই মেহেদী, এসআই অলিপ সহ সঙ্গীয় অফিসারবৃন্দ বরিশাল নগরীর মীরা বাড়ির পোল সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযান পরিচালনায় কোতোয়ালি মডেল থানাধীন ১৪ নং ওয়ার্ডস্থ মিরাবাড়ি পোল সংলগ্ন এলাকার ভাড়াটিয়া, ঝালকাঠি জেলা নলছিটি থানাধীন ৭ নং সূর্য পাশা ইউনিয়নের মৃত চেরাগ আলী সরদারের ছেলে মোঃ শাহজাহান সরদার (৫৫) ও তার ছেলে ইমরান সরদার (২৪) কে গাঁজা ও দেশীয় অস্ত্র সহ গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামী পিতা পুত্রের বিরুদ্ধে ধৃত সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন চলছে ।

গজারিয়ার হোসেন্দিতে ইভটিজিং ঘটনায় প্রতিপক্ষের হাতে যুবক গুলিবিদ্ধ

 

 মুন্সীগঞ্জে গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নে আশ্রাফদী গ্রামে পূর্ব প্রেম ও ইভটিজিংয়ের ঘটনার জের ধরে প্রতিপক্ষের হাতে সোহাগ বাবু (২৮) নামের এক যুবক কে গুলিবিদ্ধ করে আহত করার খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানা যায় একই গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে বাবু ওরফে (করিম বাবু) ও খোরশেদ আলম খসরু ছেলে রাসেল মিয়া গত (২৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার রাতে বাবুল সরকারের ছেলে সোহাগ বাবুকে ডেকে নিয়ে পায়ে গুলি করে আহত করে।

ডান পায়ের হাটুর নীচে গুলিবিদ্ধ বাবুকে গুরতর জখম আশংঙ্খাজনক অবস্থায় গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।দায়িত্বরত চিকিৎসক জানিয়েছে বাবুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে পরবর্তি চিকিৎসা চলছে অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় গুলিবিদ্ধ সোহাগ বাবু হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের ০৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার বাবুল সরকারের ছেলে। ঘটনার বিবরনে জানা যায় খোরশেদ আলম খসরু’র কলেজ পড়ুয়া মেয়ের সাথে অতীতে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বাবুল সরকারে’র ছেলে সোগাহ বাবুর।

সম্প্রতি সময়ে মেয়েটির অন্যত্র বিয়ে হয়ে যায়।বিয়ের পরও সোহাগ সুযোগ পেলেই বিরক্ত করছিল।এমন অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় মসজিদে নামাজ আদায় শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাসেল মিয়া ও তার সহযোগী বাবু (করিম) ভিকটিম সোহাগ বাবু’কে ডেকে নিয়ে পায়ে গুলি করে জোড়পূর্বক উঠিয়ে নিয়ে গুম করার পায়তারা চালায়।

সে সময় আহত সোহাগের আর্ত-চিৎকারে অন্যরা এসে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এ বিষয়ে গজারিয়া থানার কর্তব্যরত অফিসার এস.আই আনিসুর রহমান অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে,তদন্ত চলছে।তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।

সৈয়দ মোঃ শাকিল (প্রতিনিধি) গজারিয়া,মুন্সীগঞ্জ।

আরও পড়ুন…

 

অবিশ্বাস্য হলেও… আইনস্টাইনের সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল…!

 

তেত্রিশ বছরের জীবনে এমন কথাও শুনতে হবে কস্মিনকালেও ভাবিনি। বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খেতে পারে! শিয়াল-কুকুর এক সঙ্গে ডিনারে শামিল হতে পারে! পিঁপড়ার কামড়ে হাতি আহত হতে পারে! গন্ডারকে কাতুকুতু দিলে সঙ্গে সঙ্গেই হাসতে পারে! মানুষ হেঁটে হেঁটে আকাশে গমন করতে পারে! এসব তবু বিশ্বাস করা যায়!

কিন্তু আহসান যেটা বলল সেটা কেউ বিশ্বাস করবে এমনটা হতে পারে না। কিন্তু আহসান বলছে, কথাটা নাকি বিশ্বাসযোগ্য! সে অবশ্য শিরোনামটুকু বলেছে। এখনো বিস্তারিত আসেনি। সম্ভবত আহসানের বিস্তারিত সংবাদটা কিছুক্ষণ পরে আসে। না হলে শিরোনাম বলে এভাবে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকার কোনো মানে হয় না। ও আসলে কী করছে সেটাও ঠিক বুঝতে পারছি না। পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছি দুজন। অথচ আহসান স্ট্যাচু অব লিবার্টির মতো স্থির দাঁড়িয়ে মোবাইলে কিছু একটা দেখছে। আমি আহসানকে বললাম, ‘বন্ধু, কিছু একটা বল। তুই যে কথা বলেছিস সেটা তো বিশ্বাসযোগ্য নয়। যদি আমাকে বিশ্বাস গ্লাসে করে গুলিয়ে খাওয়ানো হয়, তবুও বিশ্বাস করব না।’

‘সেটা তোর বিষয়। তবে আমি যেটা বলেছি সেটা একবিন্দু মিথ্যা না। যাহা বলিব সত্য বলিব, সত্য ছাড়া মিথ্যা বলিব না।’

আমি কিছুটা হতাশ হলাম। এমন হতাশ অতীতে হয়েছি বলে মনে করতে পারলাম না। কিন্তু আহসানের কথার সত্যতা না পাওয়া পর্যন্ত আমি যেতে চাইছি না।

‘আচ্ছা দোস্ত, দেখ তো এই লোকটাকে তুই চিনিস কিনা?’ মোবাইলটা আমার দিকে এগিয়ে দিল আহসান। আমি কৌতূহল নিয়ে তাকালাম মোবাইলের দিকে। ছবিটা ঝাপসা। তবে খুবই চেনা মুখ। মনে হচ্ছে কোথায় যেন দেখেছি। কিন্তু এ মুহূর্তে ঠিক মনে করতে পারছি না। মাথায় উশকোখুশকো চুল। বড় গোঁফ। চেহারায় চিন্তার স্পষ্ট রেখা বিদ্যমান। মাথা চুলকাতে লাগলাম আমি। গভীর মনোযোগের সহিত লোকটাকে চেনার চেষ্টা করছি। পথে-ঘাটে, রাস্তায়, কোনো চায়ের দোকানে কিংবা রেল স্টেশন অথবা বাস স্ট্যান্ডে দেখেছি কিনা মনে করতে পারছি না। কিংবা আমাদের কোনো পূর্বপুরুষ! হতে পারে আমাদের মহল্লার কোনো মুরব্বি। নাহ, কোনোভাবেই তো মনে করতে পারছি না।

অতঃপর ব্যর্থ হতে হলো আমাকে। বললাম, ‘লোকটা কে রে? আমাদের বন্ধুদের বয়স তো এত হওয়ার কথা না। লোকটাকে অনেক বয়স্ক মনে হচ্ছে। আবার এটাও মনে হচ্ছে লোকটা খুবই টেনশনে আছেন। চুলগুলোর অবস্থা দেখেছিস? চেহারাও কেমন যেন বিক্ষুব্ধ। মনে হচ্ছে লোকটার শরীরের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেছে।’

‘তুই কি বলছিস! ও আমার বন্ধু মানুষ! তার মানে তোরও বন্ধু। তবে সম্ভবত তোর সঙ্গে কথা হয়নি লোকটার। না হলে আমি যে কথাটা বলেছি সেটা তুই অবশ্যই বিশ্বাস করতি।’

‘ওহ হো, হ্যাঁ মনে পড়েছে। লোকটাকে আমি বইয়ের পাতায় দেখেছি। বিজ্ঞানী আইনস্টাইন! তাই না রে বন্ধু?’

‘ইউরেকা! এই তো তুই মনে করতে পেরেছিস। আমাদের বন্ধু মানুষ! তাকে তুই চিনতে পারছিস না এটা ভেবেই তো আমার খারাপ লাগছিল।’

‘তুই জানিস উনি কত আগে মারা গিয়েছেন? তিনি আমাদের বন্ধু হয় কীভাবে বল তো! আইনস্টাইন স্যার কোন কালে আমাদের বন্ধু ছিল?’ কিছুটা টিপ্পনি কাটি আমি।

‘না রে দোস্ত, তুই কিন্তু ভুল বুঝছিস। তোকে শিরোনামেই তো বললাম, আইনস্টাইনের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে! তুই তো বিশ্বাসই করতে চাইছিস না। আজ থেকে নয়। সেই অনেক দিন আগে থেকেই সে আমার বন্ধু। জানিস দোস্ত, লোকটা খুব ভালো কথা বলে। অনেকটা উপদেশমূলক কথাবার্তা।’

বিরক্ত ধরে গেল আমার। মনে হচ্ছে আহসান ব্যাটার পশ্চাৎদেশে কষে একটা লাথি মারি। আইনস্টাইনের সঙ্গে ওর নাকি কথা হয়েছে! চিৎকার করে বললাম, ‘পাগল কি গাছে ধরে রে আহসান! বিজ্ঞানী আইনস্টাইন তোর বন্ধু হলো কীভাবে! আর উনার সঙ্গে তোর কথাই বা হলো কীভাবে?’

এবার আহসান তার মোবাইলটা আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘দেখ দোস্ত, আইনস্টাইন আমার ফেসবুক বন্ধু। আমি যখন ফেসবুক ব্যবহার শুরু করি তখন থেকেই আমার ফ্রেন্ড লিস্টে আইনস্টাইন আছে। চ্যাটিংয়ে আমি আর বন্ধু আইনস্টাইন অনেক কথা বলেছি। চ্যাটিং লিস্টটা দেখ। লোকটা কত উপদেশ দিয়েছে আমাকে। এই যে এখানে দাঁড়িয়ে থেকেও তো চ্যাটিং করলাম।’

আমি আহসানের মোবাইলে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলাম। সেই ২০১০ সাল থেকে আইনস্টাইন আর আহসান বন্ধু! ওরা দুজন ফেসবুক ফ্রেন্ড!

// বিনোদন কালেকশন //

 

আরও পড়ুন…

সুপার এ্যাকশান সিনেমা…. রাধে

বিশুদ্ধ পানির জন্য RO Filter ব্যবহার করুন…

 

উচ্চ আদালতের রায় পেয়েও মাছ ধরতে পারছেনা যশোর অভয়নগরের পুড়াখালি বাওড় কমিটি

 উচ্চ আদালতের রায় পেয়েও অভয়নগর উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালী বাওড় মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্পের সদস্যরা মাছ ধরতে পারছে না।
জীবিকা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে শতশত মৎস্যজীবী। বিভিন্ন প্রজাতীর মাছ মরে যাওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চাষিরা। দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতের রায় বাস্তবায়নের জন্য যশোর জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে।
জানা গেছে, শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালী গ্রামে ৫৭ হেক্টর জমির মধ্যে ৫৪ হেক্টর জমিতে পুড়াখালী বাওড় মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ও ইফাদের মধ্যে ৫০ বছর মেয়াদে একটি চুক্তি রয়েছে। চুক্তি মোতাবেক উক্ত মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প গত ৩০ বছর যাবৎ ভোগদখল ও ব্যবহার করে আসছে।
জেলা জলমহল কমিটি ২০২০ সালের ১০ মার্চ তৃতীয় দফা চুক্তি নবায়ন না করে মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এ ঘটনায় পুড়াখালী বাওড় মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্পের সদস্যরা চরম বিপাকে পড়েছে। মাছ ধরা, সংরক্ষণ ও চাষ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করে। আদালত চলতি বছরের ১ এপ্রিল মাছ ধরা ও বাজারজাত করার অনুমোদন দেন।
এ ব্যাপারে পুড়াখালী বাওড় মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্পের সভাপতি আব্দুর রহমান জানান, উচ্চ আদালতের রায় পেয়ে চুক্তি মোতাবেক বাংলা ১৪২৭ সালের ইজারার বাবদ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা, ভ্যাট ১৪ হাজার ১৩১ টাকা ও আয়কর বাবদ ৪ হাজার ৭১১ টাকা (মোট ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৮ টাকা)
গত ১১ এপ্রিল সোনালী ব্যাংক নওয়াপাড়া শাখায় সরকারি রাজস্ব খাতে জমা দেওয়া হয়। এরপর আমরা মাছ ধরতে গেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস বাধা প্রদান করে। গরমে প্রতিদিন বাওড়ে বিপুল পরিমান মাছ মরছে। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শতাধিক মৎস্যচাষী।

তাদের দিন কাটছে অর্ধাহারে-অনাহারে। সঠিক সময়ে মাছ ধরে বিক্রি করতে পারলে আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে উঠানো সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরো জানান, বৈশাখ মাসে মাছের ডিম থেকে পোনা আহরণ করা হয়। বৈশাখ মাস শেষ হতে চলেছে, জল মহল কমিটির অবহেলার কারণে মাছের পোনা আহরণ ও সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি।

যে কারণে লাভজনক উন্নয়ন প্রকল্পটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে চলেছে। মাছ ধরার অনুমতি চেয়ে গত সোমবার (২৬ এপ্রিল) জেলা জলমহল কমিটির আহবায়ক জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদনপত্র জামা দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে উচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়ন করা হোক। তবে পুড়াখালী বাওড় ব্যক্তিস্বার্থে নয়, সমষ্টিগতস্বার্থে ব্যবহার হওয়া দরকার।

 
যশোর জেলা জলমহল কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান জানান, বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 
//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধিঃ যশোর//

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে তিন মামলা: বাবুনগরী ও মীর হেলাল আসামী

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে হেফাজতে ইসলামের অবরোধকে ঘিরে সংঘটিত ঘটনায় নতুন করে আরো তিনটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। তৎমধ্যে দুইটি মামলায় হেফাজতে ইসলামীর সদ্য বিলুপ্ত কমিটির আমীর ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির আমীর জুনাইদ বাবুনগরী। ও অপর মামলায় বিএনপির নেতা মীর হেলাল ও জামায়েতের উপজেলা আমীরকে আসামী করা হয়েছে।

মামলা তিনটি গত বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) দায়ের করা হলেও গত মঙ্গলবার তা জানাজানি হয়। তিন মামলার দুইটিতে বাদী দুই জন পুলিশ কর্মকর্ত। অপরটির বাদী গোয়েন্দা শাখার এক কনস্টেবল। মামলা তিনটিতে ১৪৮ জনের নাম উলে­খ করা হয়েছে। সকলে হেফাজতে ইসলাম, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও দল সমুহের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী। তা ছাড়া মামলা গুলোতে তিন হাজার জনকে অজ্ঞাত নামা আসামী হিসাবে উলে­খ করা হয়েছে।

হাটহাজারী থানায় পৃথক পৃথক ভাবে দায়েরকৃত মামলা তিনটির বিবরনে জানা যায়, গত ২৬, ২৭ ও ২৮ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ আগমনকে কেন্দ্র করে ঢাকার ঘটনার রেশ ধরে হাটহাজারী  উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি অফিস, উপজেলা সহকারী কমিশনারের(ভূমি) কার্যালয়, হাটহাজারীতে অবস্থিত জেলা পরিষদের ডাকবাংলো ভাংচুরের ঘটনায় গোয়েন্দা শাখার (ডিএসবি) কনস্টেবল মোহাম্মদ সোলাইমানকে আটক করে হাটহাজারী মাদরাসায় আটক রাখা ও হত্যার হুমকি দেয়ায় এ মামলা করা হয়।

গোয়েন্দা শাখার কনস্টেবল মোহাম্মদ সোলাইমান বাদী হয়ে দায়েরকৃত মামলায় হেফাজত নেতা জুনাইদ বাবুনগরী, মীর ইদ্রিস, নাছির উদ্দিন, জাকারিয়া নোমান, আহসান উল্যাহ । আরও  ১৬ জনের নাম উলে­খ এবং অজ্ঞাত নামা দেড় থেকে দুইশত জনকে আসামী করা হয়েছে।

২৬ মার্চ হাটহাজারীতে দায়িত্ব পালন কালে এই কনস্টেবলকে ডাকবাংলো থেকে ধরে মাদরাসায় নিয়ে আটক। এবং হত্যার হুমকী দেওয়া হয়েছে বলে মামলার আরজিতে উলে­খ করা হয়।

  অন্যদিকে হাটহাজারী থানার উপ- পরিদর্শক হারুন আর রশিদ বাদী হয়ে দায়েরকৃত আপর মামলায় বিএনপির কেন্দ্রিয় কমিটির নেতা মীর হেলাল উদ্দিন, উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ইকবাল। হেফাজতের হাটহাজারী উপজেলার যুগ্ন সম্পাদক এমরান সিকদারসহ ৫৮ জনের নাম উলে­খ করা হয়েছে। তা ছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে আরো দুই থেকে তিনশত জনকে।

 এদিকে একই থানার উপ পরিদর্শক আমির হোসেন বাদী হয়ে দায়েরকৃত আপর মামলায় জুনায়েদ বাবুনগরী, জাকারিয়া নোমান । উপজেলা জামায়েতে ইসলামীর আমীরসহ ৭৪ জনের নাম উলে­খ করে তাদের আসামী করা হয়েছে।

এই মামলায় অজ্ঞাত নামা আড়াই থেকে তিন হাজার জনকে আসামী করা হয়েছে। হেফাজতের ডাকা হরতালে হাটহাজারী রাউজান মহাসড়ক অবরোধ, ইছাকুর বাজারে অগ্নি সংযোগ, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, সরকারী বিভিন্ন দফতরে হামলা। এবং অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের উপর হামলা, কর্তব্য কাজে বাধাদান প্রভৃতি অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।

এদিকে একই ঘটনার একই অভিযোগে আগে সাতটি মামলা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ এক মাস পর নতুন করে তিনটি মামলা দায়ের হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তাহারা কোন ধরনের মন্তব্য করতে রাজী হন নি।

// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৪ জনকে জরিমানা

চলমান লকডাউনে সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে স্বাস্থবিধি না মানার কারণে বোয়ালখালীতে ৪ জনকে ১৯শ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

জানা যায় গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা সদর ও গোমদন্ডী ফুলতল এলাকায় অভিযানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুন নাহার কতৃক এই জরিমানা করা হয়।

অভিযানকালে মাস্ক বিতরণসহ শপিং মল মালিক সমিতি ও সর্বসাধারণকে করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রাণ পেতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

মো. হামিদুর রহমান সাকিল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ//

খুলনার রূপসায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় কম্বাইট হারভেস্টার রিফার মেশিন প্রদান

 

রূপসা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকী করণ শির্ষক প্রকল্পের আওতায় ৫০% ভর্তুকি মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি (কম্বাইট হারভেস্টার রিফার মেশিন) বিতরণ অনুষ্ঠান গত ২৮ এপ্রিল দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। রিফার মেশিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) খান মাসুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ ফরিদুজ্জামানের পরিচালনায় বিষেশ অতিথি ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বাপী কুমার দাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আরিফ হোসেন, কৃষি সম্প্রসারন অফিসার শিউলি মজুমদার, এস এম ফেরদৌস, সহকারি মাধ্যমিক শিা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোরশেদুল আলম বাবু, এমপির প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ নোমান ওসমানী রিচি, সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লা অহিদুজ্জামান মিজান, এসিআই মটরস্ এর মার্কেটিং ম্যানেজার অপূর্ব কুমার সাহা, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মমতাজ উদ্দিন, আঃ রহমান, রাম প্রসাদ বালা, হিমাংশু, হিমাদ্রি বিশ্বাস, জিহাদুল ইসলাম, মোঃ সোহেল রানা, যুবলীগ নেতা আঃ মজিদ শেখ, বাদশা মিয়া প্রমূখ। উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের দেয়াড়া গ্রামের কৃষক মোঃ আজমির হোসেনকে এসিআই মটরস্ খুলনা জেলা হতে ইয়ানমার কম্বাইট হারভস্টার AG600A মডেলের (ধান কাটা) মেশিনটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় প্রদান করা হয়।

 //আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

আরও পড়ুন…