খুলনার রূপসা উপজেলার রাজু বাহিনীর প্রধান রাজু বন্দুকের বাটসহ গ্রেফতার

 

সুন্দরবনের বনদস্যু রাজু বাহিনীর প্রধান রাজু মোল্লা (৪৯) কে রূপসা থানা পুলিশ বন্দুকের বাটসহ গ্রেফতার করেছে। তার নামে হত্যা, চাদাবাজি, অস্ত্রসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানাযায়, থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন,ওসি তদন্ত সিরাজুল ইসলাম ও এস আই বাবলা দাস সহ সঙ্গীয় ও ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৮ এপ্রিল বিকালে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গেফতার করে।

পরে তার বসত বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশী তৈরী বন্দুকের বাট ও একটি অস্ত্রের বোল্ট উদ্বার করে। ২০১৭ সালে খুলনায় র্যাবের হাতে অস্ত্র জমা দিয়ে রাজু ও তার বাহিনীর সদস্যরা আত্মসমর্পন করে।

কিছুদিন পূর্বে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে না এসে পূর্বের জীবনে ফিরে যাবার জন্য দল সংগঠিত করার চেষ্টা করছে বলে পুলিশ জানায়।

রাজু উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের আলাইপুর গ্রামের শাহাদাত মোল্লার ছেলে। এব্যপারে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করা হ য়েছে। যার নং-১৩,তাং-১৮/৪/২১ইং।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

PDF ও Photoshop উদ্ভাবক চার্লস গ্যাসকি মারা গেছেন

 

 সফটওয়্যার কোম্পানি Adobe সহপ্রতিষ্ঠাতা চার্লস গ্যাসকি মারা গেছেন। ১৬ এপ্রিল,২০২১ইং শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।

 তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। ১৯৮২ সালে তিনি এডোবির প্রতিষ্ঠা করেন। Portable Document Format  বা PDF উদ্ভাবনেও সহায়তা করেন গ্যাসকি।

তবে বছর দশেক পরে তিনি পত্রিকার খবরের শিরোনাম হন। তখন বন্দুকের নলের মুখে তাকে অপহরণ করে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

যদিও চার দিনের অগ্নিপরীক্ষার পর তিনি অক্ষত ফিরে আসতে সক্ষম হন।

Adobeর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শান্তানু নারায়ন বলেন, ডেস্কটপ প্রকাশনায় তিনি বিপ্লব এনে দিয়েছেন। তার মৃত্যু পুরো এডোবি পরিবার ও প্রযুক্তি শিল্পের জন্য বড় ক্ষতি। গত কয়েক দশক ধরে তিনি ছিলেন এ জগতের নির্দেশক ও নায়ক।

তিনি আরও বলেন, গ্যাসকি ও জন ওয়ারনক এমন সফটওয়্যার উদ্ভাবন করছেন, যা সবকিছু বদলে দিয়েছে। মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে যা বিপ্লবী ভূমিকা রেখেছে।

PDF, Acrobat, Illustrator, Premiere Pro ও Photoshop এর  মতো Software উদ্ভাবনে তারা ভূমিকা রেখেছেন।

২০০৯ সালে গ্যাসকি ও ওয়ারনককে জাতীয় প্রযুক্তি মেডেল দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

গ্যাসকির স্ত্রী ন্যান বলেন, তিনি ছিলেন খুবই বিনয়ী একজন মানুষ। তার সফলতার জন্য তিনি গর্বিত।

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

সাবধান! আপনার ফোন নম্বর হ্যাক হতে পারে যেকোন সময়

বর্তমান এই তথ্য-প্রযুক্তির যুগে হ্যাকাররা খুব সহজেই অন্যের ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিজের আয়ত্তে নিতে পারে। আপনাকে টাকা দেয়ার লোভ দেখানোর জন্য হ্যাকারের কাছে উপায়ের অভাব নেই। তবে এর জন্য মূল যে জিনিসটি দরকার সেটি আপনার ফোন নম্বর। চলুন জেনে নেই যেসব উপায়ে আপনার ফোন নম্বর হ্যাক হতে পারে-

 

১. বেশ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যা অর্থের বিনিময়ে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যে কারো কাছে সরবরাহ করতে পারে। প্রথমত এই ওয়েবসাইটগুলো আপনার তথ্য কিনে আপনার ফোন নম্বরসহ হ্যাকারের কাছে বিক্রি করবে। এতে আপনার নাম ঠিকানা, পরিবারের সদস্যদের নাম ঠিকানা, আপনার অপরাধমূলক রেকর্ড ইত্যাদির মত জিনিস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। আর এই তথ্যগুলোর মাধ্যমে ব্ল্যাক হ্যাকাররা আপনাকে ব্ল্যাকমেইল, লাঞ্ছনা, হেনস্তা করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার চেষ্টা করতে পারে।

 

২. হ্যাকারের পক্ষে আপনার ফোন প্লান সরবরাহকারীর সন্ধান করা বেশ সহজ। এজন্য প্রথমে তারা আপনার ফোন প্লান সরবরাহকারীকে আপনার বেশ ধরে কল দিবে এবং আপনার নাম্বারটি তাদের ফোনে পুনর্নির্দেশ করে নিবে। অতঃপর একজন হ্যাকারের পক্ষে আপনার ই-মেইল অ্যাকাউন্ট অ্যাক্সেস করা খুবই সহজ হবে। যদিও আপনার পাসওয়ার্ড তাদের কাছে থাকবে না। কারণ তাদের কাছে যেহেতু আপনার নম্বরটাই আছে তখন তারা খুব সহজেই ফরগট পাসওয়ার্ড দিয়ে পাসওয়ার্ড রিসেট করে নিতে পারে। এভাবে তারা আপনার ই-মেইল নিজের আয়ত্তে আনতে পারলে সেখান থেকে অন্য যেকোন অ্যাকাউন্টের আয়ত্ত নেয়া খুবই সহজ হবে।

৩. স্পুফিং এর মাধ্যেমে। স্পুফিং অর্থ হলো কেউ আপনার ফোন নম্বরটি নকল করতে পারে। যদি কোন হ্যাকারের কাছে আপনার নম্বর থেকে থাকে তবে তারা খুব সহজেই আপনি সেজে আপনার বাবা-মা বা ছেলে-মেয়ে অথবা আপনার পরিচিতজনদের কে কল দিয়ে টাকা চাইতে পারে।

 

৪. ধরুন আপনি আপনার ব্যাংক অথবা আপনার চিকিৎসকের কাছ থেকে আপনার ফোনে কোনো বার্তা অর্থাৎ টেক্সট ম্যাসেজ পেলেন যেখানে আপনাকে কিছু তথ্য পূরণ করতে বলা হয়েছে বা তাদেরকে কিছু অর্থ প্রদানের জন্য বলা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে স্ক্যামার বা হ্যাকাররা আপনার বিশ্বাসযোগ্য কেউ হওয়ার ভান করে থাকে এবং আপনার বিভিন্ন তথ্য যেমন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড বিবরণ ইত্যাদি তাদেরকে প্রদানের জন্য নানা কলাকৌশল চালাতে থাকে।

সূত্র: ঢাকা টাইমস

//দৈনিক বিশ্ব অনলাইন ডেস্ক//

‘কঠোর লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে

 

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ প্রতিরোধে আরও এক সপ্তাহের জন্য ‘কঠোর লকডাউনের’ সুপারিশ করেছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

গতকাল রোববার রাতে কমিটির এক ভার্চ্যুয়াল সভায় এ সুপারিশ করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা।

সারাদেশে করোনার উচ্চ সংক্রমণ ও ক্রমবর্ধমান মৃত্যুতে উদ্বেগ জানিয়ে চলমান এক সপ্তাহের লকডাউন শেষ হওয়ার আগে সংক্রমণের হার বিবেচনা করে আবার সিদ্ধান্ত নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।

এছাড়া ধীরে ধীরে লকডাউন শেষ করার পূর্ব পরিকল্পনা তৈরির রাখার পরামর্শও দিয়েছে কমিটি।

সোমবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ১৪ এপ্রিল থেকে লকডাউন চলছে। ২১ এপ্রিল তা শেষ হওয়ার কথা। তার আগেই কমিটি এই পরামর্শ দিল।

এদিকে লকডাউন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্যোগে সভা হওয়ার কথা। সেখানে পরিস্থিতি বিবেচনা করে লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হবে কি না সেটা ঠিক হওয়ার কথা ।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে থেকে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। মার্চের শুরু থেকে সংক্রমণ তীব্র হয়।

সংক্রমণ ঠেকাতে ৫ এপ্রিল থেকে প্রথম দফায় সাত দিনের ‘লকডাউন’ শুরু হয়। তবে তার ধারাবাহিকতা চলে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত।

এরপর ১৪ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় দফয় কঠোর লকডাউন দেয় সরকার, যা চলবে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি কমপক্ষে দুই সপ্তাহের জন্য পূর্ণ লকডাউন সুপারিশ করেছিল। সরকার ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের লক ডাউন ঘোষণা করায় কমিটি সন্তোষ প্রকাশ করে।

সংবাদ বিজ্ঞপিতে বলা হয়, ‘বৈজ্ঞানিকভাবে দুই সপ্তাহের কম লকডাউনে কার্যকর ফলাফল আশা করা যায় না। দেশের অর্থনীতি সচল রাখার স্বার্থে শিল্প-কলকারখানা খোলা রাখার বিষয়টি কমিটি উপলব্ধি করে। তবে, বেসরকারি দপ্তর, ব্যাংক খোলা রাখা, ক্রমবর্ধমানভাবে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল, ইফতার বাজারে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ভিড় লকডাউনের সাফল্যকে অনিশ্চিত করে।

লকডাউনের সময় স্বাস্থ্যসেবা, ফায়ার সার্ভিস ও অন্যান্য জরুরী সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি। খোলা রাখা যাবে এমন জরুরি সেবার তালিকা প্রকাশ করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে।

‘অন্যথায় বিরূপ পরিস্থিতির আশংকা রয়েছে। চলমান লকডাউনে চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের চলাচলে বাধা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটনা ঘটেছে।’

কাঁচা বাজার আবারও উন্মুক্ত স্থানে বসানোর প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় কমিটি।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

 

ইরান চীনের সাথে তেল-যুদ্ধবিমান বিনিময় করতে চায়, কেন…?

 

ইরান চীনের সাথে তেল-যুদ্ধবিমান বিনিময় করতে চায়।

নগদ অর্থ না থাকায় তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বিনিময়ে ইরান চীনের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান অস্ত্র নিতে চাইছে বলে দাবি করেছেন সামরিক গবেষকরা।

তারা বলছেন, চীনের কাছ থেকে জে-১০সি লাইটওয়েট ফাইটার জেট নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরান। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এ খবর জানিয়েছে।

বেইজিংভিত্তিক সামরিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট ইউয়ান ওয়াং থিংকট্যাংকের গবেষক ঝো চেনমিং বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, ইরানের কাছে চীনকে দেওয়ার মতো নগদ ডলার বা ইউরো নেই। অস্ত্রের বিনিময়ে তারা তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস দিতে আগ্রহী। ঝো চেনমিং আরও বলেন, ‘চীনের কাছে যথেষ্ট জ্বালানি সঞ্চিত রয়েছে। আর ব্যবসা হলো ব্যবসাই। অস্ত্রচুক্তির মূল বিষয়টিই হলো অর্থ উপার্জন। তাই, চীন এ ধরনের অলাভজনক দর কষাকষিতে আগ্রহী নয়।’

ইরানের ওপর আরোপ করা জাতিসংঘের ১৩ বছরের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা গত বছরের অক্টোবরে শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই ফাইটার জেটের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে তেহরান। কয়েক মাস ধরেই চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে এমন আলোচনা হচ্ছে।

এর আগে অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম সিনা নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, কাতারের কাছ থেকে পাওয়া তিন বিলিয়ন অর্থ সহায়তার অর্ধেক ব্যবহার করে চীনের ৩৬টি ফাইটার জেট কিনতে পারে ইরান।

গত বছরের জানুয়ারিতে তেহরানে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এই অর্থ সহায়তার কথা বলেছিলেন কাতারের আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানি।

ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জন্য অর্থনৈতিক ইস্যু মোকাবিলায় বেইজিং ও তেহরানের মধ্যে গত মার্চে স্বাক্ষরিত ২৫ বছরের কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তির অংশ হিসাবে নিরাপত্তা বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেখা গেছে।

আকাশপথে যুদ্ধের জন্য চীনের একক-ইঞ্জিন দ্বারা চালিত হালকা, বিভিন্ন দক্ষতার জে-১০ জেটের উন্নত সংস্করণ হলো জে-১০ সি।

সাংহাইভিত্তিক সামরিক বিশেষজ্ঞ নি লেক্সিয়ং বলেছেন, ‘২০১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য যুদ্ধ করোনা মহামারির মধ্যেও চলমান রয়েছে। এর মধ্যে চীনকে তার নিজস্ব অর্থনৈতিক বিবেচনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।’

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্রের কেনোশা কাউন্টির একটি বারে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩

 

যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের কেনোশা কাউন্টির একটি বারে বন্দুকধারীর গুলিতে তিন ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসময় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

স্থানীয় সময় রোববার বেলা ১২টার পর শেরিডান রোডের ১৫ নম্বরের সোমারস হাউসে এ ঘটনা ঘটে। খবর এনবিসি নিউজ।

প্রাথমিকভাবে হতাহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। ঘাতক বন্দুকধারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

//আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক//

পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দাবি মেনে নিল সরকার

 

সড়ক পরিবহন আইন পুরোপুরি বাস্তবায়নের আগেই এতে সংশোধনের প্রস্তাব আনা হয়েছে। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের দাবির মুখে আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধনের খসড়া করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। এতে সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যুর ঘটনাসহ বিভিন্ন অপরাধে সাজা কমানো হচ্ছে। সম্প্রতি এ খসড়া ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও জনসাধারণের মতামত চাওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে সড়ক পরিবহন আইনটি পাশ হয়। কিন্তু এটি কার্যকর হয় ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে। ওই সময় পরিবহন নেতাদের চাপে কয়েকটি ধারা প্রয়োগ না করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এরপর পরিবহন নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর সড়ক পরিবহন আইনের এ খসড়া তৈরি করা হয়।

খসড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে তা অজামিনযোগ্য ধারায় বহাল রাখা হয়েছে। তবে মারাত্মক আহত হওয়া শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আর্থিক দণ্ড পাঁচ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে তিন লাখ টাকা করা হয়েছে। কারাদণ্ড ৫ বছর আগের মতো রয়েছে। এতে সড়ক দুর্ঘটনায় কেউ মারা গেলে এ ধারায় বিচার করা যাবে। কিন্তু মারাত্মক আহত হলে সেটি এ ধারার অপরাধ হিসাবে বিবেচ্য হবে না। শুধু তাই নয়, বিদ্যমান ৮৪ ও ৯৮ নম্বর ধারা দুটি জামিনঅযোগ্য বিধান থেকে কমিয়ে জামিনযোগ্য করা হয়েছে। ৯৮ ধারায় ওভারলোডিং বা নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চালানোর কারণে দুর্ঘটনায় মানুষ আহত হওয়ার বিধান রয়েছে। আর ৮৪ ধারায় মোটরযানের আকার পরিবর্তন সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।

মোটরযান চলাচলের সাধারণ নির্দেশনাবলি ধারা-৪৯(১) লঙ্ঘনের অপরাধে সাজা ৩ মাস কারাদণ্ড থেকে কমিয়ে এক মাস কারাদণ্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে অর্থদণ্ড আগের মতো ১০ হাজার টাকা বহাল রাখা হয়েছে। মোটরযান পার্কিং ও যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার সাজাও কমানো হয়েছে। এ অপরাধে বিদ্যমান আইনে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার বিধান থাকলেও খসড়া আইনে তা কমিয়ে এক হাজার টাকা করা হয়েছে।

খসড়ায় ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে শিথিলতা আনা হয়েছে। তিন চাকার গাড়ির চালকের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিবর্তন করে অষ্টম শ্রেণির পরিবর্তে পঞ্চম শ্রেণি করা হয়েছে। অন্য পরিবহনগুলো চালানোর জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা অপরিবর্তিত থাকবে। তবে একজন সহকারী বা সুপারভাইজারের ১০ বছরের গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা থাকলে এবং ড্রাইভিং সক্ষমতা বোর্ড পাশ করলে তার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ কয়েকটি শর্ত মানা প্রয়োজন হবে না বলে খসড়া আইনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া খসড়ায় ফিটনেস দেওয়ার ক্ষেত্রে কর্মচারীদের প্রত্যক্ষ সাজা বাদ দেওয়া হয়েছে। ২৫(২) ধারা অনুযায়ী ফিটনেসের অনুপযোগী কোনো মোটরযানের ফিটনেস সনদ দেওয়ার সঙ্গে কোনো কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু খসড়ায় এটি বাদ দিয়ে বলা হয়েছে, ত্রুটিপূর্ণ মোটরযানকে কোনোভাবেই ফিটনেস সনদ দেওয়া যাবে না।

ট্রাফিক সাইন ও সংকেত লঙ্ঘনের অপরাধে সাজা কমিয়ে শুধুমাত্র এক হাজার টাকা জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও বিদ্যমান আইনে এ অপরাধে এক মাসের কারাদণ্ড ও অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে। একইভাবে কনট্রাক্ট ক্যারিজের মিটার অবৈধভাবে পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ভাড়া দাবি বা আদায়, গণপরিবহনে ভাড়া চার্ট প্রদর্শন বা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সংক্রান্ত অপরাধেও সাজা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

// অনলাইন ডেস্ক //

চট্টগ্রামে কোটি টাকা মুল্যের ৩৮ হাজার ইয়াবা সহ আটক-২

চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া এলাকায় একটি ট্রাকে অভিযান চালিয়ে প্রায় এক কোটি টাকার মূল্যের ৩৮ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব।

গত শুক্রবার দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া উপজেলার হাসমতের দোকান এলাকায় একটি চেক পোস্ট বসিয়ে তাদের আটক করা হয়। সে সাথে তাদের ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন ট্রাক চালক আবুল হোসেন (৩২) ও তার সহকারী মানিক মিয়া (২৯)।

 র‍্যাব সূত্র জানায়, কক্সবাজার থেকে ট্রাক যোগে বিপুল পরিমান ইয়াবা আসছে- এমন খবরের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া হাসমতের দোকান এলাকায় র‍্যাব কতৃক একটি চেক পোস্ট বসানো হয়। চেক পোস্টে চট্টগ্রাম গামী বিভিন্ন গাড়ী তল্লাশির এক পর্যায়ে একটি ট্রাককে থামানোর সংকেত দিলে সেটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

পরে সেটিকে ধাওয়া করে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ট্রাকের চালক ও হেলপার ইয়াবা বহনের কথা ম্বীকার করে এবং সিটের পেছনে লুকিয়ে রাখা ইয়াবা বের করে দেয়। তাতে ৩৮ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেলে তাদের আটক করা হয়। ঘটনায় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।

র‍্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) আনোয়ার হোসেন ভূইয়া বলেন, উদ্ধারকৃত ইয়াবার বাজার মূল্য আনুমানিক ১ কোটি ১৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। আটককৃতদের বিরুদ্ধে সাতকানিয়া থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা করা হয়েছে।

আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো :

খুলনা ফুলতলায় মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

 

খুলনার ফুলতলায় দু’টি মোটরসাইকেলের মুখোমুখী সংঘর্ষে সৈয়দ হাবিবুর রহমান (৫৫) নামে এক কোম্পানী প্রতিনিধি নিহত হয়েছেন।

১৮ এপ্রিল দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে খুলনা-যশোর মহাসড়কের ফুলতলা দামোদর প্রাইমারী স্কুল এলাকায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সৈয়দ হাবিবুর রহমান তার মোটরসাইকেল (খুলনা-মেট্রো-হ-১৩-৬৯০৪) যোগে হেলমেট বিহীন অবস্থায় যশোরের দিকে যাচ্ছিলেন। দামোদর প্রাইমারী এলাকায় পৌছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি মোটরসাইলের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনি রাস্তার উপর ছিটকে পড়েন। এ সময় তার মাথায় গুরুতর জখম ও রক্তক্ষরণ হয়। দ্রুত তাকে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। পরে হাইওয়ে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।

নিহত হাবিবুর খালিশপুর নেভি কলোনী এলাকার মৃত সৈয়দ মোকছেদুর রহমানের ছেলে ও যশোর সেফটি টার্নিং পেট্রোলিয়াম লিমিটেড কোম্পানীর সুপারভাইজার।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও আইন বর্হিভূত যান চলাচলে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন

 

করোনার বৈশ্বিক মহামারী নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ডাক্তার, নার্সসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। প্রত্যেকে স্বস্ব অবস্থান থেকে দেশ ও দেশের আপামর জনগণকে ভাল রাখার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছে। করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে অবহিত করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের এই আপ্রাণ চেষ্টার মধ্যে কিছু মানুষের অসহযোগিতার জন্য বারে বারে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে।

“করোনা মহামারীর সংক্রমণ এড়াতে, ঘরের বাইরে না যাওয়া অতি প্রয়োজন”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ ১৮ এপ্রিল -২০২১ রোজ রবিবার সকাল থেকে ০৫ম দিনের মতো লকডাউন বাস্তবায়নের কাজ করছে জেলা প্রশাসন যশোর ও যশোর জেলা পুলিশ। যশোর জেলার বিভিন্ন বাজার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মনিটরিং করা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসানো এবং প্রয়োজন ব্যাতীত বাইরে বের হলে আইনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

 

যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্র ও ব্যস্ততম স্থান দড়াটানা মোড়ে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও আইন বর্হিভূত যান চলাচল ঠেকাতে জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ও থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। এ সময় জনগণকে ঘুর মুখী করতে সচেতনতামূলক প্রচারণা,অনুমতি বিহীন যানবাহন আটকসহ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

আসুন আমরা সকলে সম্মিলিতভাবে করোনার সুনামি থেকে দেশ ও জনগণকে রক্ষা করতে প্রশাসন ও পুলিশের কঠোর নজরদারির বাইরে না যাই। নিজ নিজ পরিবার, সমাজ থেকে আরো বেশী সচেতন হই, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি,অতিপ্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে না বের হই।আর যদি নিতান্তই ঘর থেকে বের হতে হয় তাহলে মাস্ক ব্যবহার ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার নিয়ম মেনে বের হই।

একমাত্র সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সম্ভব এধরণের মহামারী থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করা।

 //নিজস্ব প্রতিনিধি//