লেবুর বাড়তি দামে বেজায় খুশি দক্ষিণ চট্টগ্রামের কৃষক মহল

চলমান করোনা মহামারী মোকাবেলায় স্বাস্থ্যের জন্য ফলদায়ক লেবু। আর পাশাপাশি চলমান রমজানে লেবুর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় লেবুর কদর অনেকাংশে বেড়েই চলছে। চলতি মৌসুমে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় লেবুর ফলন ভালো না হলেও উৎপাদিত লেবুর চাহিদা বাড়তি হওয়ায় দক্ষিণ চট্টগ্রামে প্রতিটি লেবু ১০-১৫ টাকা ও প্রতি ডজন ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার   খরনা, শ্রিমাই, লালাখিল, হাইদগাঁও, বোয়ালখালী উপজেলার  জৈষ্টপুরা, কানুঙ্গুপাড়া, পাহাড়ীয়া এলাকা চন্দনাইশ উপজেলার লালুটিয়া, লট এলাহাবাদ, কাঞ্চননগর, ধোপাছড়ি পাহড়ীয়া এলাকা, আনোয়ারা উপজেলার    মোহসেন আউলিয়া, চাতুরী চৌমুহুনীর পাহাড় ও কাপকোর এলাকাধিন পাহাড়, লোহাগাড়া উপজেলার, পুটুবিলা, চরম্বা, ফাসিয়ালী, চুনুতী, বড় হাতিয়া পাহাড়িয়া এলাকা, সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জত, কেউচিয়া, মাদার্শা, ছদাহা, বাজালিয়া পাহাড়িয়া এলাকা, বাঁশখালি উপজেলার কালিপুর পাহাড়ীয়া এলাকায় ছোট বড় ৪ শাতধিক লেবুর বাগান রয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়।

লেবুর প্রতি ভার ১ হাজার থেকে ১২শ টাকায় বিক্র হচ্ছে। লেবুর বাগানের পাশাপাশি আদা, ও অন্যান্য শাক সবজির চাষ একই সাথে হয়ে থাকে তবে চলতি মৌসুমে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় অন্যান্য চাষাবাদ তেমন একটা না হলে ও লেবুর কদর কোন আংশে কমেনি। করোনা মহামারি থেকে পরিত্রাণের জন্যে মুসলিম সমাজ প্রতিদিন লেবুর শরবত, অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

কৃষকরা এলাকায়  হিমাগার নির্মাণের জন্য সরকারের যথাযথ কতর্ৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন। হিমাগার নির্মিত হলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধসহ সস্তা দামে লেবুর চাহিদা পূরণ হবে অভিজ্ঞ মহল জানিয়েছেন।

//মোঃ হামিদুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি //

বোয়ালখালীতে জমি বিরোধে নিহত ১

 

 

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে জমি বিরোধের জের ধরে পতিপক্ষের হামলায় ১জন নিহত হয়েছেন। জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল দুপুরে বোয়ালখালী পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের তাজুল মুল্লুকের বাড়ীতে এই ঘটনা ঘটে। ই

সমত আলী ও তার ভাইপুতের জায়গা জমির পরিমাপ করার সময় পতিপক্ষের হামলায় ইসমত আলী (৫৫) গুরুতর আহত অস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কম্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎচক চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে রেপার করেন। সেখানে চিকিৎসাধিন অবস্থায় সন্ধ্যায় মারা যায় বলে জানা যায়।

এ ব্যাপারে বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুল করিম ইসমত আলী মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পটিয় সার্কেল) মোঃ তারেকুল ইসলাম ও বোয়ালখালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মোঃ হামিদুর রহমান,  চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি দক্ষিণ।

চট্টগ্রামে দেশী অস্ত্রসহ ৬জনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ

 

চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড এলাকা থেকে অস্ত্রসহ ৬ জনকে আটক করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন (সিএমপি) পুলিশ।

গতকাল (মঙ্গলবার) তাদের আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমপির গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের পরিদর্শক আলমগীর মাহমুদ।

আটককৃতরা হলো – মো. শাহ আলম (৪২), মো. সোহেল (২৩), আল আমিন (২৪), মো. শহিদুল আলম সানি (৩১), মো. শফিকুল ইসলাম (২০) ও মো. সুজন (২১)।

সিএমপির গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের পরিদর্শক আলমগীর মাহমুদ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //

 

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিক আজাহার উদ্দিনের মৃত্যু 

বাড়ীর টিনের ছাউনি মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর রেলওয়ে ব্রিজের নির্মাণ শ্রমিকদের বাসায়। নিহত শ্রমিকের নাম আজহার উদ্দিন (৪২)। সে উপজেলার আধুনগর সর্দারনি পাড়ার সদা শেখের ছেলে। মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়,  নিহত আজাহার সহ কয়েকজন আধুনগর রেলওয়ে ব্রিজের পাইল ভাঙার কাজ করতেন। তারা কন্টাকটারের অধীনে শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত টিনের ছাউনিযুক্ত বাসায় থাকতেন। সে বাসা যাতে কাল বৈশাখী ঝড়ে নষ্ট না হতে পারে সে জন্য রশি দিয়ে বাসার টিনের ছাউনি বেধে রাখছিলেন। এ সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে গুরুতর আহত অবস্’ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চমেক পুলিশ ফঁাড়ির এএসআই শিলব্রত বড়ুয়া জানান, লোহাগাড়া থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারাত্মক আহত এক শ্রমিককে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //

চট্টগ্রামের গন্ডামারায় নিহত মাহমুদ রেজার পরিবারকে জামায়াতের আর্থিক সহায়তা

বাঁশখালীর গন্ডামারায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত মাহমুদ রেজার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে জামায়াতে ইসলামী। আজ মঙ্গলবার  (২০ এপ্রিল) সকালে জামায়াত আমীরের পক্ষে নিহতের পরিবারকে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা তুলে দেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা জাফর সাদেক।

এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা জাকারিয়া, বাঁশখালী উপজেলা দক্ষিণ সেক্রেটারী মাওলানা আরিফ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোখতার হোসাইন সিকদার, উপজেলা কর্ম পরিষদ সদস্য মরতুজা আলী, সাবেক ইউপি সদস্য মাওলানা ফারহাদ, মোহাম্মদ উল্লাহ প্রমুখ।

এসময় নেতৃবৃন্দ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে নিহতের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

// আ: জব্বার, বাঁশখালী প্রতিনিধি//

বরিশালে রিক্সা উল্টো করে চলমান লকডাউন পলন করছে পুলিশ। ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তীর আন্দোলনের মুখে আটক রিক্সা ছারতে হলো প্রশাসনকে

 

 

চলমান লকডাউনকে কেন্দ্র করে বরিশালের বিভিন্ন শরকে রিক্সা উল্টো করে রাখে পুলিশ।এসময় রিক্সার ছিট খুলে নিয়ে আটকে রাখে।

আটকানোর এক পর্যায়ে খবর পেয়ে ছুটে আসেন ডা.মুনীষা চক্রবর্ত্তী। এসে রিক্সা চালাক দের নিয়ে সেখানকার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন। কথা বলার এক পর্যায়ে ডা.মুনীষা চক্রবর্ত্তী ও রিক্সা চালাক দের আন্দোলনের মুখে আটক রিক্সার ছারতে বাধ্য হয় পুলিশ।

এব্যাপারে ডা.মুনীষা চক্রবর্ত্তী বলেন,আমরা চলমান লকডাউনকে মেনি নিলাম কিন্তু যেখানে প্রাইভেটকার-সহ অন্য অন্য যান্ত্রিক যান চলে সেখানে খেটে-খাওয়া মানুষেরা রিক্সা কেন চালাতে পারবেনা। যদি না চলাতে পারে তবে তাদের বাসায় বাজার করে দিয়ে আসুক সরকার।তবেই আমারা লকডাউনকে সাধুবাদ জানাই।

এনিয়ে রিক্সার চালাকা বলেন আজকে আমরা ডা.মুনীষা চক্রবর্ত্তীর কারনে আমাদে রিক্সা ফিরে পেয়েছি।

চালকরা আর-ও বলেন আমাদের বসায় বাজার নেই এক বেলা যেন রিক্সা চালাতে পারি সরকারের কাছে আবেদন। এবং সরকার যেন আমাদের ত্রানের ব্যাবস্থা করেন।

//মোঃ তুহিন শরীফ, নিজস্ব প্রতিনিধি//

যশোরে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামিতে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ। এই বিপর্যয় কাটানোর জন্য আজ আবারও লকডাউনের নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

করোনার ঢেউয়ে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ঢাকায় সবসময় বেশি হলেও সেই সংখ্যা বিভাগ ও জেলায় ক্রমানয়ে গাণিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০ এপ্রিল-২০২১ রোজ মঙ্গলবার যশোর জেলার সকল উপজেলার জনগণের নমুনা বিভিন্ন ল্যাবরেটরীতে পরীক্ষা করা হয়।নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায় মোট আরটি. পিসিআর নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৪০৭ জনের। তাদের মধ্যে করোনা পজেটিভ এসেছে ৯৫ জনের এবং নেগেটিভ এসেছে ৩১২ জনের। আক্রান্তের হার ২৩.৩৪%। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে ৩৬২ নমুনা পরীক্ষায় পজেটিভ এসেছে ৯২ জনের। আক্রান্তের হার ২৫.৪১%।খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় কোন করোনা পজেটিভ পাওয়া যাইনি। যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এন্টিজেন টেষ্ট করা হয় ২৬ জনের।

আক্রান্ত হয়েছে ০৩ জন।আক্রান্তের হার ১১.৫৩%। করোনায় আক্রান্তের হার যে হারে বৃদ্ধি হচ্ছে তাতে করোনার বিরুদ্ধে প্রত্যেকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে নিজে সচেতন হওয়া ও আশেপাশের সকল সচেতন করা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা,মাস্ক ব্যবহারে উদ্ধুদ্ধ করা ছাড়া কোন উপায় নেই।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ডায়রিয়ায় ১১ জনের মৃত্যু

 

প্রচন্ড গরম, লবণাক্ত পানির ব্যবহার ও বাহিরের খাবার খাওয়ার ফলে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ডায়রিয়ার প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

গত তিনদিনে (১৭ – ১৯ এপ্রিল) ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরীসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। তবে এদের মধ্যে কেউ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ছিলেন না বলে জানা যায়।

তবে মৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই পঞ্চাশোর্ধ।মৃত ব্যক্তিরা হলেন, মাধবখালী ইউনিয়নের কাঠাঁলতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ও সমাদ্দারকাঠী  গ্রামের রাকিব খন্দকারের মেয়ে সাহারা সানফুল (১৫), উত্তর মাধবখালী গ্রামের মৃত মহবত আলী হাওলাদারের ছেলে মন্নাফ হাওলাদার (৫০), মাধবখালী গ্রামের মৃত্যু বন্দে আলী সিকদারের ছেলে মোঃ নুর মোহাম্মদ সিকদার (৮০), উত্তর মাধবখালী গ্রামের দেনছে আলী সিকদারের স্ত্রী কহিনুর বেগম (৫৫), মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মৃত ফরমান সিকদারের ছেলে আলীম উদ্দিন সিকদার(৭৫), একই গ্রামের মৃত গনি হাওলাদারের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৭০), মৃত করিম নেগাবানের মেয়ে ফরিদা বেগম(৫০), ভাজনা কদমতলা গ্রামের মৃত আজাহার হাওলাদারের ছেলে সোবাহান হাওলাদার(৫৬) পিপড়াখালি গ্রামের ইউনুস সরকারের স্ত্রী কদভানু বেগম(৭০), ঘটকের আন্দুয়া গ্রামের রাখাল চন্দ্র মালির স্ত্রী বিরেন মালী(৫৫) ও মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের তারাবুনিয়া গ্রামের মৃত একরাম সিকদারের ছেলে আলেক সিকদার (৫০)। সোমবার (১৯ এপ্রিল) বিকাল ০৩ টা পর্যন্ত স্থানীয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা গেছে।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৫০ শয্যার উপজেলা হাসপাতালে বেড সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে রোগীদের বারান্দার মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেককে ডাস্টবিনের পাশে ও ময়লাযুক্ত স্থানে শয্যা পেতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালের বারান্দায়সহ টয়লেটেও নোংরা অবস্থায় দেখা গেছে।

 

প্রতিদিনই আসছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী। অপরদিকে হাসপাতালে ও বাইরে কলেরা স্যালাইনের মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। জরুরি প্রয়োজনেও স্যালাইন পাওয়া যাচ্ছে না এমন অভিযোগ রোগীর স্বজনদের।

 

মির্জাগঞ্জ উপজেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে ৯৩ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭২ জন। এ নিয়ে গত ৭ দিন উপজেলায় ডায়রিয়ার আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪২ জনে দাড়িয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ২৬১ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে ।

 

মির্জাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুল হক লিটন শিকদার জানান, আমার ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি ঘরেই ডায়রিয়ার রোগী রয়েছে। নদ-নদীর লবণাক্ত পানি ব্যবহার করার ফলে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

 

মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, হাসপাতাল ভর্তি কোন ডায়রিয়ার রোগী এখন পর্যন্ত মারা যায়নি। তবে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কর্মীদের মাধ্যমে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে কয়েকজন রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তিনি আরো জানান, বিগত বছরগুলোতে কখনো এতো পরিমান ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালে আসে নাই। রোগীর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালে স্যালাইন সংকট দেখা দিয়েছে। তবে স্থানীয়ভাবে কিছু স্যালাইন সংগ্রহ করা হয়েছে ও চাহিদা অনুযায়ী সংগ্রহ করার চেষ্টা চলছে।

//মোঃ তুহিন শরীফ, নিজস্ব  প্রতিনিধি //

ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৬ দোকানকে জরিমানা করেছে

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে ১৯ এপ্রিল সোমবার লকডাউনের ৬ ষষ্ঠ তম দিনে করোনা ভাইরাস রোধে লকডাউনের সময় দোকান পাট খোলা রাখায় ও মাস্ক ব্যাবহার না করার অপরাধে ৬ টি মামলায় ৬ দোকানদার মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হয় ।

এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ । এদিন পৌর শহরে অভিযান চালিয়ে ৬ ব্যাক্তিকে ৩৬০০ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ।

এছাড়াও গরীর ,অসহায় ও প্রতিবন্ধী পথচারীদের মাঝে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করেন ইউএনও স্টিভ কবির। ভ্রাম্যমাণ আদালত চলা কালে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মচারী, সাংবাদিক, পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মী । জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান নির্বাহী কর্মকর্তা ।

 //মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

পটুয়াখালীতে দুই সন্তানের জননী যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন:  থানায় অভিযোগ

 

পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মোঃ নাসির চৌকিদার (৫৫) এর মেয়ে মোসাম্মদ সাথী আক্তার (২৬) কে স্বামী মোঃ কামাল মৃধা (৪০) শারিরীক নির্যাতন করেন। বর্তমানে সাথী  ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট  হাসপাতালে  সার্জারি ওয়ার্ড ২০ নাম্বার বেডে ভর্তি আছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে সাথী- কামাল ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ  হয়। পটুয়াখালি সদর উপজেলা মাদারবুনিয়া  ইউনিয়নের বোতলবুনিয়াগ্রামের মোঃসিদ্দিক মৃধার ছেলে মোঃ কামালের সাথে। সাথি দুটি সন্তান নিয়ে স্বামীর ঘর সংসার করে আসছে। সাথী কে যৌতুকের টাকার জন্য প্রতিনিয়াত মারধর করে আসছে বিবাহের ১ বছর যেতে না যেতেই, স্বামী কে বিদেশ যাওয়ার জন্য  টাকা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে আসার পরেও একে একে কয়েক বার বাবার বাড়ি থেকে সাধ্যমত টাকা এনে দিলেও  স্বামীর মন মতো না হলে সাথী কে  বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার করত, তারপরেও সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে অন্যায় অত্যাচার সহ্য করে আসছে।সাথীর বিবাহের পরেও  বাবা মা প্রতি মাসেই চাল ডাল সাথীর গায়ের পোশাক দিতেন যাতে মেয়ের উপরে  নির্যাতন না করে।

১৮ এপ্রিল রোজ রবিবার সকল ১০ ঘটিকার সময় সাথীকে বাবার বাড়ি থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে আসতে বলেন স্বামী কামাল মৃধা। সাথী টাকা বিষয় অপারগতা প্রকাশ করায়,  স্বামী কামাল ক্ষিপ্ত হয়ে পরনের প্যান্টের বেল্ট খুলে অমানবিক নির্যাতন করেন।  জীবন বাঁচাতে ঘরের বাহির হলে সাথীকে  ধারালো  দাও দিয়ে কুপিয়ে মেরেফেলার উদ্দেশ্য ধাওয়া করে, সাথী পালিয়ে   প্রতিবাসির ঘরে গিয়ে আশ্রয় নেয়। প্রতিবাসিরা উদ্ধার করে সাথীর বাবা মা’য়ের কাছে পৌঁছে দেয়।

ভুক্তভোগি সাথীর বাবার সাথে কথা হয় দৈনিক বিশ্ব পটুয়াখালী  প্রতিনিধিকে বলেন,, আমার মেয়ে কে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করেছেন, সাথী  অনেক অসুস্থ ,পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট  হাসপাতালে ভর্তি আছে আমি পটুয়াখালী প্রশাসনিক আইনে সহযোগিতার মাধ্যমে  সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিচার দাবি করছি।

সাথী নিজে বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় লেখিত অভিযোগ দায়ের  করেন,,

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন মোঃ কালাম মৃধা (৪০), মোঃ দুলাল মৃধা (৫০) পিতা মোঃ সিদ্দিক মৃধা,মোঃ ছোরাব (৫৫) বোতল বুনিয়া গ্রাম, মাদারবুনিয়া ইউনিয়ন।

এ বিষয় পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  জনাব  আকতার মোরশেদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে  সত্যতা যাচাই  করে  আইনগত ব্যবস্থা  নেয়া হবে।

//মোঃ তুহিন শরীফ, নিজস্ব প্রতিনিধি//