২,০০,০০০ টন ওজনের এভারগ্রীণ জাহাজ সুয়েজ খাল থেকে কিভাবে সরানো হলো…..!!!

 

দুই লাখ টন ওজনের কন্টেইনারবাহী জাহাজ প্রায় এক সপ্তাহ সময় সুয়েজ খালে আটকে থাকার পর  এভারগ্রিনকে শেষ পর্যন্ত মুক্ত করা হয়েছে। জাহাজটি এখন তার গন্তব্যে রওনা হয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচলের পথে এভার গিভেন বেশ কয়েক দিন যাবত আড়াআড়িভাবে আটকে ছিল। এর ফলে অন্যান্য জাহাজকে ভিন্ন পথ ব্যবহার করতে হয়।

কিভাবে জাহাজটিকে মুক্ত করা হলো

২১ মার্চ মিশরের মরুভূমিতে যে ঝড় হয়েছিল সেই ঝড়ের প্রবল বাতাস আর খালের পানিতে জোয়ারের চাপে ৪০০ মিটার দীর্ঘ জাহাজটি তার যাত্রাপথ থেকে সরে যায় এবং ঘুরে গিয়ে আড়াআড়িভাবে খালের পথ আটকে ফেলে।

প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৫০টি জাহাজ বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই জাহাজ পথটি ব্যবহার করে। কিন্তু এই ঘটনার পর সুয়েজ খালের দুই মুখে তৈরি হয় এক বিশাল যানজট।

রবিবার পর্যন্ত পাওয়া এক হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৪৫০টি মালবাহী জাহাজ ১২০ মাইল লম্বা এই খালের দু’দিকে সাগরে এবং পার্শ্ববর্তী পোর্ট সাঈদে আটকা পড়ে ছিল। অনেক জাহাজ ভিন্ন পথে চলে যেতে বাধ্য হয়। খালটি এখন চালু হলেও এই জট ছাড়তে সাড়ে তিন দিন সময় লেগে যাবে বলে মিশরের কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন।

মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথরিটি সুয়েজ খালের তদারক করে । এভারগ্রিনকে মুক্ত করতে এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা প্রথমে ব্যবহার করেন টাগবোট। জাহাজ থেকে মোটা মোটা রশি ফেলে টাগবোট দিয়ে টেনে জাহাজটিকে মোড় ঘোরানোর চেষ্টা করা হয়। একই সাথে জাহাজের যে অংশটি খালের চাড়ায় আটেক গিয়েছিল তা মুক্ত করতে ব্যবহার করা হয় মাটি খোঁড়ার ডিগার।

টাগবোটগুলো যখন দানবাকৃতির এই জাহাজটিকে ঠেলে সরাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল তখন আনা হয় মাটি খোঁড়ার ডিগার এবং ড্রেজার। ডিগার দিয়ে জাহাজের যে অংশটি তীরে ঠেকে গিয়েছিল সেই জায়গার মাটি কেটে ফেলা হয়। আর ড্রেজার দিয়ে জাহাজের তলা এবং আশেপাশের কাদা ও বালি সরিয়ে ফেলা হয়।

ম্যারিটাইম বিশেষজ্ঞ স্যাল মার্কোগ্লিয়ানো বলছেন, এই ধরনের ড্রেজার সুয়েজ খালে হরদম ব্যবহার করা হয়। এদের কাজ খালের নাব্যতা বজায় রাখা। ড্রেজারগুলো থেকে লম্বা পাইপগুলো জলের তলায় গিয়ে মূলত কাদা আর বালি শুষে তুলে বাইরে ফেলে দেয়।

ড্রেজারগুলো দিয়ে জাহাজের তলা থেকে প্রায় ৩০ হাজার টন বালি ও কাদা সরানো হয়।

মিশরের অর্থনীতি সুয়েজ খালের ওপর বহুলাংশে নির্ভরশীল। করোনা মহামারির আগে মিশরের জিডিপির প্রায় ২% আয় হতো সুয়েজ খাল থেকে পাওয়া মাশুল থেকে।

সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, খাল বন্ধ থাকায় তাদের প্রতিদিন গড়ে এক কোটি ৫০ লাখ ডলার লোকসান হয়েছে।

অন্যদিকে, লয়েডস লিস্টে প্রকাশিত পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, শত শত মাল ভর্তি জাহাজ আটকে থাকায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৯৬০ কোটি ডলারের ব্যবসা বন্ধ ছিল।

টাগবোট আর ড্রেজার ব্যবহার করেই শেষ পর্যন্ত এভারগ্রিনকে মুক্ত করা হয়। এটা ব্যর্থ হলে তৃতীয় একটি উপায়ও বিবেচনার মধ্যে ছিল। তা হলো সব মালামাল এবং জ্বালানি তেল সরিয়ে ফেলে জাহাজটিকে হালকা করে ফেলা।

সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, আটকে পড়া জাহাজটিকে সরিয়ে নেয়ার পর খাল দিয়ে মোট ১১৩টি জাহাজ চলাচল করেছে।

মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকে সাথে নিয়ে করা এক সংবাদ সম্মেলনে ভাইস এডমিরাল ওসামা রাবি বলেন, মঙ্গলবার মাঝরাতের মধ্যে আরো ১৪০টি জাহাজ সেখান দিয়ে যাবে।

।।আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক।।

১২নং বিছালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম আনিসুল ইসলামের বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের অপপ্রচার

 

নড়াইলে ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার। নড়াইলের সদর উপজেলার ১২নং বিছালী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নৌকার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান এস এম আনিসুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে একের পর এক মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এস এম আনিসুল ইসলাম।

গত বছরের (৮নভেম্বর) ২০২০ সালে কিছু কুচক্রী মহল সাংবাদিকদের ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করায় এবং চলতি বছরের (২৪-২৫-২৬মার্চ) শুক্রবার পুনরায় সংবাদটি আবারো শেয়ার হওয়ায় চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলামসহ ইউনিয়ন বাসীর নজরে আসে।এমন মিথ্যা, ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা জানান ইউনিয়ন বাসি।

এদিকে, মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার হয় যে, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, উন্নয়ন মুলক কাজের অর্থ আত্মসাৎ সহ চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলামের পিতা মরহুম এস এম কোবাদ হোসেন এর নামে অহেতুক মিথ্যা রাজাকার খেতাব দিয়ে চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিলের জন্য এবং তার সন্মান ক্ষুন্ন করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি কুচক্রী মহল।মির্জাপুর গ্রামে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় বা জানা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী গ্রুপের পর্নোগ্রাফি ব্যবসায়ী বেনজীর সাংবাদিকদের অসত্য তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করিয়ে আনিসুল ইসলামকে ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নৌকা প্রতিক যেন না পায় এজন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যার জন্য আনিসুল ইসলামের সন্মান নষ্ট করতে ব্যস্ত।

এদিকে মির্জাপুর গ্রামের বীর মুক্তীযোদ্ধা গাজী আব্দুর রহমান খোকা, কাজি সাইদুর রহমান, কাজি তবিবুর রহমানসহ তার স্ত্রী আমেনা বেগম সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান বিছালি ইউপি চেয়ারম্যানের বাবা এস এম কোবাদ হোসেন মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মির্জাপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধাদের সকল প্রকার রসদ সরবরাহ করতেন এবং তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সকল প্রকার সহযোগী হিসাবে কাজ করতেন এস এম কোবাদ হোসেন। মুক্তিযোদ্ধারা আরো জানান, এস এম কোবাদ হোসেন বিগত কিছুদিন আগে মারা গেছেন এবং কোবাদ হোসেনের ছেলে আনিসুল ইসলাম বর্তমান বিছালী ইউনিয়নের চেয়াম্যানন হিসাবে সুনামের সাথে ইউনিয়ন বাসির সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সুখে দুখে চলেন বলে কিছু বিএনপি জামাত ও রাজাকার পন্থি অপ-রাজনিতী বিদরা আনিসুল ইসলামের সন্মান ক্ষুন্ন করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।

বিছালি ইউনিয়ন ঘুরে জানা যায়, বর্তমান চেয়ারম্যান নৌকার মাঝি আনিসুল ইসলাম বিগত করোনা কালীন সময়ে বিছালি ইউনিয়নের অসহায় দিন মুজুর মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্য বাড়ি বাড়ি সরকারী ত্রান সহ নিজ অর্থ দিয়ে চাল, ডাল, আলু, তেল, সাবান সহ সাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রতিনিয়ত বিতরন করেন। এদিকে, স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, বর্তমান চেয়াম্যান একজন সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বান্ধব চেয়ারম্যান। আনিসুল ইসলাম চেয়ারম্যান হওয়ার পরে এ পর্যন্ত কোন সংখ্যলঘু পরিবার কোন সন্ত্রাসীকে কোন প্রকার চাঁদা দিতে হয়নি বলেও জানান।কিন্তু বিগত দিনের চেয়ারম্যানের আমলে এসব সংখ্যালঘু পরিবারদের উপরে হামলা মামলা সহ বিভিন্ন ভাবে চাঁদা দিতে বাধ্য করাসহ সংখ্যালঘু পরিবারের মধ্যে হাঙ্গা-দাঙ্গামা চালিয়ে শালিশ করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

১২নং বিছালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নৌকার মাঝি এস এম আনিসুল ইসলাম বলেন, আমি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মানস কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নীতি ও আদর্শে অনুপ্রণীত হয়ে তার নেতৃত্বে আওয়ামী-লীগ সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে আমি বদ্ধপরিকর। তিনি আরো বলেন, আমি কেমন মানুষ বা কেমন চেয়াম্যান সেটা ঠিক করবে আমার ইউনিয়ন বাসি। আমি আমার রাজনীতি করি অসহায় গরিবদের জন্য, আমি চেয়ারম্যান হয়েছি ইউনিয়ন বাসীর দাবি আদায়ের জন্য। আমার ইউনিয়ন বাসীর সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা সরকারের কাছ থেকে এনে দেয়ার জন্য আমি এ চেয়ারে বসেছি। তিনি সাংবাদিকদের আরো জানান, ভালো কাজ করলে আমার চেয়ারম্যানের চেয়ার কেউ নিতে পরবে না বা দলীয় মনোনয়ন নৌকা প্রতীক আমি ছাড়া কেউ পাবে না বলে আমার নামে বিভিন্ন ভাবে সাংবাদিকদের ভুল তথ্যদিয়ে হয়রানী মুলক মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করিয়ে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করতে বিভিন্ন অপ-কৌশল অবলম্বন করছে।আমি জনগন নিয়ে রাজনীতি করি। জনগন আমাকে ভালোবাসলে কোন কুচক্রী মহল আমার কিছু করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ বলেও তিনি জানান।

এছাড়াও কুচক্রীমহল স্থানীয় সামাজিক ব্যক্তিত্ব শেখ আরশীদ, স্থানীয় মেম্বার শেখ আজিম এবং ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুন্সি ইমরান এর বিরুদ্ধেও অপপ্রচার চালায়, যা প্রতিহিংসা ও আওয়ামী লীগ বিরোধিতা ছাড়া কিছু নয়। সকলেই এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

// নড়াইল রিপোর্টার //

২২ লাখের বেশি জাল টাকাসহ হাতিরঝিলে গ্রেফতার ২

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা ওয়ারি বিভাগ রাজধানীর হাতিরঝিল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাল টাকাসহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে ।

গ্রেফতারকৃতদের নাম- মলয় মন্ডল (৩৬) ও জনি ডি কস্তা (৩২)। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ২২ লাখ ২৫ হাজার জাল টাকা, টাকা তৈরির স্ক্রিন ফ্রেম ১০টি, কাঠের বোর্ড ২টি, রং এর বোতল ৬টি, রং এর কৌটা ৫টি, টাকা তৈরির কাগজ ২ বান্ডিল, ফেবিকল গাম ১ কৌটা, লেমিনেটিং মেশিন ১টি, প্রিন্টিং ব্রাশ ২টি ও ১টি এন্টি কাটার উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ খলিলুর রহমান জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় রামপুরার পশ্চিম উলন এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে জাল টাকা প্রস্তুতকালে তাদেরকে গ্রেফতার করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক নিয়ন্ত্রণ টিম।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থানায় মামলা হয়েছে।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

সূত্র: ডিএমপি নিউজ

ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি’-এর পরিচালকের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো আজ

 

ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির অবদান বাংলাদেশের সার্বজনীন শিক্ষার আলোক বর্তিকা হিসাবে  অনস্বীকার্য। ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রম দিয়ে শুরু হলেও পরবর্তীতে ননফরমাল ও ফরমাল প্রাথমিক শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রমসহ গণকেন্দ্র লাইব্রেরির মতো কার্যক্রম প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে হাওড়,বাওড়,হিল ও সমূদ্র তীরবর্তী দুর্গম এলাকায় পৌঁছে গেছে।

এছাড়াও করোনার এই মহামারীর সময় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা যখন সংসদ টিভি, রেডিও নির্ভর ছিল সেই সময় ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির কার্যক্রম নতুন নতুন উদ্যোগ নেয়।

তার মধ্যে ছিল ফোন কল,হোম ভিজিট, মা ও শিশু পাঠশালা,রিমেডিয়াল ক্লাস,পিবিএল( প্রজেক্ট বেজ লার্নিং),সিএলজি ( চাইল্ড বেজ লার্নিং গ্রুপ),মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক,শিক্ষিকাদের জন্য অনলাইনে প্রশিক্ষণ যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে ছিল খুবই যুগোপযোগী।

আর ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির এই শিক্ষা বিপ্লবের ধারক এবং বাহক আর কেউ নয় তিনি ড. শফিকুল ইসলাম, পরিচালক,ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি। আজ ৩১মার্চ-২০২১ রোজ বুধবার সকাল ১০:০০ ঘটিকায় ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির শিক্ষক,লাইব্রেরিয়ানসহ সকল স্তরের কর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হল ভার্চুয়াল বিদায় অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক, কর্মসূচি প্রধান, কর্মসূচি ব্যবস্থাপকসহ সর্বস্তরের কর্মীরা অংশ গ্রহন করেন এবং বিদায়ী পরিচালকের কর্মময় জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন।

ড. শফিকুল ইসলাম ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির সমন্বয়কারী হিসাবে ১৯৯৫ সালে ও পরবর্তীতে পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করে অদ্যাবধি সুন্দর সুচারুভাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮৫ সালে হাঙ্গেরিয়ান অ্যাকাডেমি অফ সাইন্সেস থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৭ সালে ব্র্যাকে যোগদানের পূর্বে সেন্টার ফর ইনটিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক( সিরডাপ)- এ সহযোগী গবেষক হিসাবে কাজ করেছেন।

ব্র্যাকে যোগদানের পর বিভিন্ন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি ব্র্যাকের মূল্যায়ন ও গবেষণা বিভাগের জ্যেষ্ঠ গভেষক হিসাবে এবং অবলোকন বিভাগের কর্মসূচি সমন্বয়কারী হিসাবে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭-৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি ইউনিসেফ – পাকিস্তানে কর্মরত ছিলেন। সে সময় তিনি পাকিস্তানের উত্তর- পশ্চিম প্রদেশের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের পরামর্শক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১- ২০০২ সাল পর্যন্ত তিনি সিডার কর্মকর্তা হিসাবে বাংলাদেশ সরকারের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর বিশেষ দায়িত্ব পালন করেন। ড. শফিকুল ইসলাম সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের কমিটির পাশাপাশি এডুকেশন ফর অল( ইএফএ) – এর কান্ট্রি রিভিউ কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

স্বাস্থ্যবিধি (করোনা) মেনে ৪টি পৌরসভার ভোট গ্রহণ চলছে…

স্বাস্থ্যবিধি মেনে  ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ৪ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ চলছে। বুধবার সকাল ৮টার দিকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

চলবে একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

যশোর ও ঠাকুরগাঁও সদর এবং মাদারীপুরের কালকিনি ও চাঁপাইনাবগঞ্জের শিবগঞ্জ- এই চার পৌরসভার দুটি সাধারণ ও বাকি দুটি ওয়ার্ডে উপনির্বাচন হচ্ছে।

গত বছর করোনা সংক্রমণের কারণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনসহ বেশ কয়েকটি নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল।

ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানিয়েছেন, আগে থেকেই নির্ধারিত পৌরসভাগুলোর ভোটগ্রহণ আজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। বাকি পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কবে হবে, তা আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) ইসি বৈঠকের পর জানাবেন।

দেশে মোট পৌরসভা রয়েছে ৩২৯টি। প্রথম ধাপের তফসিল অনুযায়ী ২৮ ডিসেম্বর ২৪টি পৌরসভায় ইভিএমে ভোট হয়।

১৬ জানুয়ারি দ্বিতীয় ধাপে ৬১ পৌরসভায় ভোট হয়েছে। আর তৃতীয় ধাপে ৬৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হয় ৩০ জানুয়ারি।

চতুর্থ ধাপে ১৪ ফেব্রুয়ারি এবং পঞ্চম ধাপে ২৮ ফেব্রুয়ারি অন্য পৌরসভাগুলোতে ভোটগ্রহণ হয়।

।।নিউজ ডেস্ক ।।

বৃহস্পতিবার থেকে চলবে ট্রেন। ফাঁকা থাকবে অর্ধেক আসন ।।

 

করোনা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার বিভিন্ন জনগুরুত্বমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছেন।

করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে আগামী বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) থেকে সব ট্রেনে ৫০ শতাংশ যাত্রী পরিবহন করা হবে।

যার অর্ধেক কাউন্টারে ও বাকি অর্ধেক অনলাইনে বিক্রি করা হবে। মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। রেলওয়ের বিজ্ঞপ্তিতে যাত্রীদের উদ্দেশে কিছু নির্দেশনাও দেওয়া হয়। যার মধ্যে রয়েছে- ট্রেনে ভ্রমনিচ্ছুক যাত্রীদের নিজ নিজ টিকিট নিশ্চিত করেই কেবল ট্রেনে ভ্রমণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, বিশেষ প্রয়োজন ব্যতীত রেল ভ্রমণ করবেন না, টিকিটবিহীন কোনো যাত্রী স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারবেন না। । অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মাস্ক ব্যতীত কোনো যাত্রীতে স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে দেওয়া হবে না।

 সুমাইয়া আক্তার শিখা।।

 

এক স্থানে বালুমহল ইজারা নিয়ে অন্য স্থানে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে নড়াইলে

 

বড়দিয়া নৌ বন্দর নড়াইল, এরই পাশে এক স্থানে বালুমহল ইজারা নিয়ে অন্য স্থানে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। ফলে শত বছরের নদী বন্দর বড়দিয়া মাহাজন বাজার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ কয়েকশত ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এছাড়া নদীর তীর রক্ষায় এখানে জিও ব্যাগ এবং ব্লক স্থাপন করা হলেও তা হুমকির মুখে পড়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র্য।

সংশ্লিস্ট সুত্রে জানা গেছে, মা বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজের নামে নবগঙ্গা-মধুমতি নদীর সংযোগস্থলের বড়দিয়া তেলকাড়া মৌজার মধুমতির চর বালুমহলটি গত ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ১৩লাখ ৮০ হাজার টাকায় ১বছরের জন্য ইজারা নেয়।

সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, বালি মহলের নির্দিষ্ট স্থানের বাহিরে গিয়ে বড়দিয়া-মহাজন বাজারের উত্তর পূর্ব পাশের্ব সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ৭/৮ টি ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তলন করা হচ্ছে।

ইজারাদার বড়দিয়া বাজারের পূর্ব উত্তর পাশের তেলকাড়া গুচ্ছ গ্রামের সামনে ২ হাজার বর্গফুট এলাকার মধ্যে বালু কাটার নিয়মথাকলেও তারা এই সিমানার বাইরে গিয়ে বড়দিয়া মহাজন বাজারের সন্নিকটে এসে বালু কাটছে।

এ বিষয়ে খান আবদুল কায়ুম অভিযোগ করে বলেন, কতিপয় ইজারাদার বড়দিয়া বাজারের উত্তর পাশে অবস্থিত তেলকাড়া গুচ্ছ গ্রাম, সেই গুচ্ছ গ্রামের উত্তর পূর্ব প্রান্তের সামনে থেকে ৭৫০ ফুটের ভীতরে ড্রেজার দিয়ে বালু কাটার কথা থাকলেও তারা তার বাইরে বড়দিয়া মহাজন বাজারের কাছে দিনে ও রাত ১২টার পর থেকে বাজারের একদম সন্নিকটে ৭/৮টা ড্রেজার এনে বালু কাটে।

এতে নদীর পাঁড় ভাঙ্গনের ফলে বাজারসহ এলাকার ঘরবাড়ি বিলীন হতে চলেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করে ও কোন ফল হচ্ছেনা। তিনারা যে কর্মকর্তাদের ভাঙ্গন ও বালু কাটার এলাকায় পাঠান। তারা ঠিকাদারের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে চলে যায়।

পরে একই ভাবে ইজারাদার অবৈধভাবে বালু কাটে। বড়দিয়া বাজার বনিক সমিতির সাধারন সম্পাদক জগদিস কুমার সরকার বলেন,অনেক পুরানো বড়দিয়া বাজার নদী ভাঙ্গনের কারনে শেষ হয়ে গেছে,যেটুকু আছে সেটা রক্ষার জন্য সরকার কোটি টাকা দিয়ে ব্লক দিয়ে রক্ষা করার চেষ্টা করছে।

কিন্তু এক শ্রেনীর ঠিকাদারদের অত্যাচারের কারনে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারনে এই বাজার রক্ষার প্রচেষ্টা তা নষ্ট হতে চলেছে। কারন উপরের পাশে ব্লক দিয়ে যদি তার নিচে বা কাছে বালু উত্তোলন করা হয় তাহলে এই ব্লক তো ভেঙ্গে পড়বেই। যে কারনে শুধু বাজার ধ্বংস হচ্ছে না সরকার ভাংগন প্রতিরোধে যে কোটি কোটি টাকা ব্যায় করছে তা পুরোটাই অপব্যয় হচ্ছে।নবগঙ্গা মধুমতি নদীর সংযোগ স্থলে বাড়ি বিকাশ দাস ও বিধান দাস বলেন, বাজারের পাশে চর পড়েছিল যেখানে আমরা দাড়িয়ে নিয়মিত গোসল করতাম কিন্তু ড্রেজার দিয়ে বালু কাটার ফলে এখানে গভীর হয়েছে।

যে কারনে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে ব্লক ও ধসে পড়ছে।তাছাড়া এতে করে জীব বৈচিত্র ভয়ঙ্কর ভাবে হুমকির মুখে। এই বিষয়ে বড়দিয়ার যুব সমাজের সাথে কথা হলে তাদের মধ্য থেকে মোঃ রাসেল খান (জনি) বলেন বড়দিয়া বাজার আশে পাশের ৫০টি গ্রামের সমন্বয়ে সৃষ্ট একটি নাম বা একটি রূপ।

এখানে ২টি স্কুল ১টি কলেজ মসজিদ,মাদ্রাসা,মঠ,মন্দির আছে। এই বাজারে ৩টি জেলার কয়েক শত ব্যবসায়ী ব্যাবসা বানিজ্য করে জীবিকা নির্বাহ করে। তাই সরকারের কাছে বিনীত দাবী এই বাজারকে রক্ষা করার জন্য সরকার অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করবে এবং ভবিষ্যতে যাতে আর কোনোভাবে ইজারা দেয়া না হয় সে বিষয়ে বড়দিয়া বাসির পাশে থাকবে।

বড়দিয়া মাদ্রাসার সাধারন সম্পাদক খান আজাদ আলী বলেন, অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন বন্দ না করলে এই মাদ্রাসাসহ বাজার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। সরকার একদিকে কোটি কোটি টাকা দিয়ে ভাঙ্গন রোধ করার চেষ্টা করছে অন্য দিকে কয়েক লক্ষ টাকায় নদীতে বালু কাটার ইজারা দিচ্ছে।

তাতে সরকারেরই ক্ষতি বেশি হচ্ছে। বড়দিয়া গৌড়ীয় মঠের সার মহারাজ বলেন.বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মঠ হলো বড়দিয়া গৌড়ীয় মঠ। বর্তমানে ড্রেজার দিয়ে বালু তোলার কারনে নবগঙ্গা মধুমতি নদী ভাংতে ভাংতে প্রায় মঠের ধারে চলেএসেছে।

এই মঠকে বাচাতে হলে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে হবে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান খাঁন রাসেল সুইট বলেন,বৈধভাবে ইজারা নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে বালু না উত্তোলন করে অন্যায়ভাবে বালু কাটা হচ্ছে।

আমি ইউএনও ও ডিসি মহোদয়ের কাছে বিষয়টি জানিয়েছি,তাহারা ব্যবস্থা নিয়ে বালু উত্তোলন ও বন্ধ করেছিলেন,কিন্তু আবার কিভাবে এই অন্যায় কাজ হচ্ছে আমার বোধগম্য নয়। সব সম্ভবের দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মা বাবার দোয়া এন্টার প্রাইজের ঠিকাদার মোঃ গাউস মোল্যা রাতের আধারে বালু উত্তোলনের কথা অস্বীকার করে বলেন,আমি সঠিক সময়ে নির্দিষ্ট স্থানেই বালু উত্তোলন করছি। কিন্তু সরেজমিনে দেখা গেছে নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে ৭/৮ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন,আমি খোজ নিব এবং ইউএনও কে বলবো বিষয়টির খোজ নেওয়ার জন্য। সত্যিই যদি এ রকম কোন ঘটনা ঘটে থাকে তার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় সেটার ব্যবস্থা নিব। মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী ।

।। স্টাফ রিপোর্টার ।।

অনিয়ন্ত্রিত করোনা ।। যেকোন সময় কাতারে পূর্ণাঙ্গ লকডাউন।।

 

গত দুই সপ্তাহ ধরে কোনওভাবেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে না কাতারের করোনা । ফলে আবারও পূর্নাঙ্গ লকডাউনের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি। যে কোন সময় কার্যকর হবে এই নির্দেশনা।

অভিবাসীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে ভ্যাকসিনও দিচ্ছে কাতার। এতে করে প্রতিদিন নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সারাদেশে পূর্ণাঙ্গ লকডাউন দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কাতারের স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মকর্তা আহমেদ আল মোহাম্মদ।

সোমবার (২৯ মার্চ) তিনি বলেছেন, প্রথম দফা সংক্রমণ বা প্রথম ঢেউয়ের পর কাতারে করোনা সংক্রমণ উচ্চ পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে। নতুন সংক্রমিতের মধ্যে বহু শিশু আছে। যাদের বয়স ১৪ বছরের নিচে।

উল্লেখ্য, কাতারে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিক অবস্থান করছেন। কাতারজুড়ে লকডাউন দেয়া হলে তাদের কি অবস্থা দাঁড়াবে তা নিশ্চিত নয়। তবে তাদের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেতে পারে এমনটা আশঙ্কা করা যায়।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আহমেদ আল মোহাম্মদ বলেছেন, আইসিইউতে ফেব্রুয়ারিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫৩। কিন্তু এখন সেই সংখ্যা তিন শতাধিক। কয়েক মাসের মধ্যে এই সংখ্যা কিভাবে লাফিয়ে বেড়েছে সেদিকে দৃষ্টি দিন।

তিনি আরও বলেছেন, এমনকি গত বছর করোনা মহামারির পিক সময়েও আমরা আইসিইউতে এত রোগী পাইনি।

মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) কাতারে নতুন করে ৭২০ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছে। মারা গেছেন তিন জন। করোনা মহামারি শুরুর পর কাতারে কমপক্ষে ১৭ লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ২৮৯ জন।

আহমেদ আল মোহাম্মদ বলেন, গত গ্রীষ্মে আমরা যখন পূর্ণাঙ্গ লকডাউন দিয়েছিলাম তখন রাস্তাঘাট ছিল একদম ফাঁকা। মানুষজন বাড়িতে বসে কাজ করছিলেন। এবারও ভাইরাসের বিস্তারকে রোধ করতে সেটাই হবে উত্তম উপায়।

তিনি আরও বলেন, যতদিন মানুষে মানুষে দেখা-সাক্ষাত হবে, কাজে যোগ দেবেন, কোনো অনুষ্ঠানে সমবেত হবেন, ততদিন এই ভাইরাসের বিস্তার অব্যাহত থাকবে। প্রথম করোনা ভাইরাসের ঢেউয়ের সময় আমরা এত মানুষ আক্রান্ত দেখতে পাইনি।

তিনি বলেন, ২০২০ সালের মে মাসে প্রথম সংক্রমণের পিক সময়ে আমাদের আইসিইউতে ছিলেন মাত্র ২২০ জন রোগী। কিন্তু এবার তা অনেক বেড়েছে। এ থেকে পরিষ্কার হয় যে, মানুষজন অসুস্থ হচ্ছে এবং দ্বিতীয় ঢেউয়ে আরো কঠিন লক্ষণের মুখোমুখি হচ্ছে।

কাতারের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক মন্ত্রণালয় বলেছে, বৃটিশ ভ্যারিয়েন্টের বিস্তারের ফলে কাতারে করোনা রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। গত সপ্তাহে শিক্ষা, অবসর, ব্যবসায়ী কর্মকা-ের মতো খাতে করোনা সংক্রান্ত ধারাবাহিক বিধিনিষেধ আরোপ করে কাতার। এমনকি বন্ধ করে দেয়া হয় জিম। রেস্তোরাঁয় সক্ষমতার ওপর বিধিনিষেধ দেয়া হয়।

।। আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক ।।

ফিফা টি 23 মহিলা বিশ্বকাপের আয়োজক শহর প্রকাশ করে

 

ফিফার ২০২৩ টি মহিলা বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের অপেক্ষায় অস্ট্রেলিয়ান শহরগুলির জন্য বৃহস্পতিবার ডি-ডে হিসাবে দেখবে।

অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড যৌথভাবে মহিলাদের সকারের জন্য প্রথম 32-দেশের শোপিস ইভেন্টটি হোস্ট করবে।

"বৃহস্পতিবারের ঘোষণা ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ ২০২৩ এর পথে একটি বড় মাইলফলক উপস্থাপন করে," ফুটবল অস্ট্রেলিয়ার সিইও জেমস জনসন বলেছিলেন।

“চূড়ান্তভাবে কোন শহর ও স্টেডিয়াম নির্বাচন করা হোক না কেন, ফুটবল অস্ট্রেলিয়া দেশের প্রতিটি কোণায় এবং সম্প্রদায়ের ভক্তদের কাছে পৌঁছেছে এবং অস্ট্রেলিয়ানদের ভবিষ্যত প্রজন্মের উপভোগ করার উত্তরাধিকার তা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


"ফিফার পাশাপাশি এবং নিউজিল্যান্ডে আমাদের সহযোগীদের সাথে, প্রচারমূলক ও উত্তরাধিকার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, ফ্যান উত্সব, সম্প্রদায় কার্যক্রম এবং প্রাক-টুর্নামেন্টের ম্যাচের মাধ্যমে আমরা একটি টুর্নামেন্ট সরবরাহ করব যা ফুটবলের প্রতি আমাদের আবেগকে জাগিয়ে তোলে, জাতিকে itesক্যবদ্ধ করে এবং একটি গভীর এবং অস্ট্রেলিয়ায় ফুটবলের স্থায়ী উত্তরাধিকার। ”

২০১২ বিশ্বকাপের জন্য ফ্রান্সে নয়টি স্টেডিয়াম ব্যবহৃত হয়েছিল তবে ২০২৩ সালে রেকর্ড সংখ্যক ম্যাচ খেলতে হবে, জনসন বলেছিলেন যে চূড়ান্ত বাছাইয়ে তাদের দৃ presence় উপস্থিতি আশাবাদী।

আয়োজক শহর ও স্টেডিয়ামগুলির ঘোষণা বৃহস্পতিবার ভোরে (এইডিটি) ফিফা দ্বারা করা হবে।

ফিফা আরও অন্যান্য অবস্থানের বিশদ নিশ্চিত করতে পারেনি, যেমন দেশজুড়ে দল প্রশিক্ষণ ঘাঁটিগুলি যা টুর্নামেন্টে খুব বেশি অংশ নেবে।






প্রার্থী শহর
অ্যাডিলেড - হিন্দ্মর্ষ স্টেডিয়াম

অকল্যান্ড - ইডেন পার্ক

ব্রিসবেন - ব্রিসবেন স্টেডিয়াম

ক্রিস্টচর্চ - ক্রিস্টচর্চ স্টেডিয়াম

ডুনেদিন - ডুনেডিন স্টেডিয়াম

হ্যামিল্টন - ওয়াইকাটো স্টেডিয়াম

লঞ্চেস্টন - ইয়র্ক পার্ক

মেলবোর্ন - মেলবোর্ন আয়তক্ষেত্রাকার স্টেডিয়াম

নিউক্যাসল - নিউক্যাসল স্টেডিয়াম

পার্থ - পার্থ আয়তক্ষেত্রাকার স্টেডিয়াম

সিডনি - স্টেডিয়াম অস্ট্রেলিয়া এবং সিডনি ফুটবল স্টেডিয়াম

ওয়েলিংটন - ওয়েলিংটন স্টেডিয়াম।

আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক।।
সূত্র: দ্যা নিউ ডেইলি

এক শিশু নিজের অজান্তে মার্কিন পারমাণবিক কমান্ডের অ্যাকাউন্ট থেকে টুইট করে


 কেউ কেউ রসিকভাবে ক্রিপ্টিক টুইটটি বলেছিলেন, ";l;;gmlxzssaw," was a US nuclear launch code. Others, that the Pentagon had been hacked.
এখন মার্কিন স্ট্র্যাটেজিক কমান্ড, যা দেশটির শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র বাহিনী পরিচালনা করে, বলেছে যে তার টুইটার অ্যাকাউন্টে প্রকৃতপক্ষে ছদ্মবেশী পোস্টিং একটি ছদ্মবেশী শিশুর হাত থেকে এসেছে।
অফব্যাট বিমান বাহিনী বেস, নেব্রাস্কা সদর দফতর, স্ট্রাটকম মার্কিন সেনাবাহিনীর কৌশলগত বিপর্যয় পরিচালনাকারী - যে, বিশাল শক্তিধর পারমাণবিক অস্ত্র বাহিনী এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা, যা অন্য শক্তি দ্বারা দেশের বিরুদ্ধে যে কোনও আক্রমণকে নিরুৎসাহিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
সুতরাং এর বর্তমান প্রতিরক্ষা অবস্থানের কোনও পরিবর্তনের লক্ষণগুলির জন্য এর মিডিয়া মন্তব্যগুলি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তবে স্ট্রাটকম ডেইলি ডটের প্রতিবেদক মিকেল থ্যালেনকে বলেছিলেন যে টুইটটি কোনও গোপন বার্তা নয়, এবং তার পরিবর্তে এটি স্ট্র্যাটকমের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পাদকের বাড়ি থেকে কাজ করা ফলাফল।
"কমান্ডের টুইটার ম্যানেজার, একটি টেলিফোনের স্থিতিতে, মুহূর্তের সাথে কমান্ডের টুইটার অ্যাকাউন্টটি উন্মুক্ত এবং অপ্রত্যাশিতভাবে ছেড়ে দিয়েছিলেন His তার খুব ছোট বাচ্চা পরিস্থিতিটির সুযোগ নিয়ে চাবিগুলি নিয়ে খেলতে শুরু করেছে এবং দুর্ভাগ্যক্রমে এবং অজান্তেই টুইট পোস্ট করেছে," স্ট্রাটকম সরকারী কেন্ডাল কুপার একটি চিঠিতে জানিয়েছেন থ্যালেন অনলাইনে পোস্ট করেছেন।
"নিখুঁতভাবে খারাপ কিছু ঘটেনি, অর্থাত্ আমাদের টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং করা হয়নি।"
ত্রিশ মিনিট পরে স্ট্র্যাটকম আগের টুইটটিকে উপেক্ষা করার জন্য টুইট করেছিলেন এবং তারপরে সেই দুটি বার্তা মুছে ফেলা হয়েছিল। স্ট্র্যাটকম প্রথমবারের মতো নয় যে সোস্যাল মিডিয়ায় সমস্যায় পড়েছেন।
ডিসেম্বর 2018 এ, নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ার নববর্ষের প্রাক্কালে বল-ড্রপের কথা উল্লেখ করে এটি টুইটারে রসিকতা করেছিল যে এটি বি -2 স্টিলথ বোম্বারের দু'টি বোমা ফেলে দেওয়ার ভিডিও সহ "আরও অনেক বড়" কিছু ফেলে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে about পালসিং মিউজিকের বীট
কয়েক ঘন্টা পরে এটি সেই টুইটটিকে মুছে ফেলে এবং ক্ষমা চেয়েছিল যে এটি "খারাপ স্বাদে"।
আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক।।
সূত্র: ইন্ডিয়ান টাইমস ।