টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও শিশু দিবস পালিত

 মোঃ আল-আমিন শেখ টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

আনন্দ উৎসবে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরেও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়েছে। গতকাল বুধবার (১৭ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সকালে অনুষ্ঠানের শুরুতেই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে উপজেলা প্রশাসন, সরকারি-বেসকারি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক নেতৃত্ববন্দ, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক নেতৃত্ববন্দসহ স্থানীয় সামাজিক সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো পুষ্পস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা জানান। এরআগে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করেন। পরে আলোচনা সভা শেষে রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল-০২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, ছোট মনির। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত জাহানের সভাপতিত্বে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় অংশ নেন- উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল হালিম এডভোকেট, ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলিফ নূর মিনি, সহকারী কমিশনার (ভূূূমি) আবদুল্লাহ আল রনি, থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল ওহাব, ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ্ আলম প্রামাণিক প্রমুখ।

এদিকে, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদের নেতৃত্বে দলীয় কার্যালয়েও নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

রাশিয়া ‘থ্রেট’, পরমাণু অস্ত্র বাড়াবে যুক্তরাজ্য

আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক : 

পরমাণু অস্ত্র বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। রাশিয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে দাবি। তীব্র নিন্দা মস্কোর।

রাশিয়া সবচেয়ে বড় থ্রেট। তাই পরমাণু অস্ত্রের পরিমাণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। বুধবার যুক্তরাজ্য বিবৃতি দিয়ে এই সিদ্ধান্ত জানানোর পরে কড়া প্রতিক্রিয়া জানালো রাশিয়া। ক্রেমলিনের বক্তব্য, যুক্তরাজ্য যে কথা জানিয়েছে, তা ভিত্তিহীন। রাশিয়া মনে করে, পরমাণু অস্ত্র বাড়ানো নয়, অস্ত্র কমানোই এখন সকলের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

 

করোনার ক্রমোবর্ধমান বৃদ্ধি রোধে সারাদেশে লকডাউনসহ ১২টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

গত কয়েক মাস যাবত করোনার প্রার্দুভাব সম্পূর্ণ না হলেও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকায় জনজীবন অনেকাংশে স্বাভাবিক হয়ে আসছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তাঁর দূরদর্শিতার ফলে কিছুটা সতর্কমূলকভাবে বলেছিলেন, করোনা মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে আবারও কিছুটা বাড়তে পারে আর তাই তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঈদের পরে খোলার বিষয়ে মতামত রেখেছিলেন।

কিন্তু সাধারণত জনগনের অদূরদর্শী মতামত, ‘দেশের সব কিছু স্বাভাবিকভাবে চললেও শুধু মাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অচল রেখে শিক্ষার্থীদের চরম শিক্ষা সংকটে ফেলা হচ্ছে।’-জনগণের এই কথার সাথে আগুনে ঘি ঢালার কাজটি করছে ইউনিসেফসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থা। তারাও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে মতামত দেওয়ার ফলে সরকার অনেকটা অনিচ্ছাকৃতভাবে ৩০ মার্চ-২০২১ তারিখে খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে সেই অনুযায়ী পাঠবিভাজন ও পাঠপরিক্রমা তৈরি করে এবং এরই মধ্যে গত ১৪ মার্চ-২০২১ রোজ রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্কুল খোলার পূর্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেরামত ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরি, শিক্ষক- শিক্ষিকাদের টীকার ব্যবস্থা নিশ্চিত, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ দ্বারা বিদ্যালয় পরিদর্শন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয় মনিটরিং করানো , এসএসসি শিক্ষার্থীদের ৬০ কর্মদিবস ও এইচএসসি শিক্ষার্থীদের ৮০ কর্মদিবসের সিলেবাস তৈরি করা হয়ে গিয়েছিল কিন্তু মার্চ মাসে গত কয়েকদিন যাবত করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা পূর্বের থেকে অনেকাংশেই বেশী।

বুধবারে ২৪ ঘন্টায় মোট সনাক্ত ১৮৬৫ ও মৃতের সংখ্যা ১১ জন।এর আগে ১৫ ডিসেম্বর সনাক্ত হয়েছিল ১৮৭৭।

বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে গত মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ‘ কোভিট-১৯ প্রতিরোধ ও বর্তমান সময়ে করণীয়’- সম্পর্কে আলোচনায় করোনার বর্তমান ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধিরোধ ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১২ টি প্রস্তাব গ্রহন করে, প্রস্তাবসমূহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রী পরিষদ বিভাগে পাঠান।

করোনা সংক্রমণ রোধে পাঠানো প্রস্তাব সমূহঃ

১. সম্ভব হলে সম্পূর্ণ লকডাউনে যেতে হবে তা না হলে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সমন্বয় রেখে যে কোনো জনসমাগম বন্ধ করার সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

২.কাঁচাবাজার, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট,শপিংমল, মসজিদ, রাজনৈতিক সমাগম, ভোট অনুষ্ঠান, ওয়াজ মাহফিল, রমজান মাসের ইফতার মাহফিল ইত্যাদি অনুষ্ঠান সীমিত করতে হবে।

৩. যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে সেগুলো বন্ধ রাখতে হবে এবং অন্যান্য কার্যক্রমও সীমিত করতে হবে।

৪. যেকোনো পাবলিক পরীক্ষা ( এসএসসি, এইচএসসি, মাদ্রাসা,দাখিল,বিসিএসসহ) নেওয়া বন্ধ রাখতে হবে।

৫. কোভিট-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তিদের আইসোলেশন করার পদক্ষেপ নিতে হবে।

৬. যারা রোগীদের সংস্পর্শে আসবে তাদের কঠোর করেন্টাইনের ব্যবস্থা করতে হবে।

৭. বিদেশ থেকে বা প্রবাসী যারা আসবেন তাদের ১৪ দিনের কঠোর কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।প্রয়োজনে এ ব্যাপারে সামরিক বাহিনীর সহায়তা নিতে হবে।

৮. আগামী ঈদের ছুটি কমিয়ে আনা যেতে পারে। ৯.স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে আইন আরও জোরালোভাবে কার্যকর করতে হবে।

১০ পোর্ট অফ এন্ট্রিতে জনবল আরও বাড়াতে হবে এবং নজরদারীর কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।

১১. সব ধরনের সভা ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে করার উদ্যোগ নিতে হবে।

১২. পর্যাটন এলাকায় চলাচল সীমিত করতে হবে।

এছাড়া ইতিপূর্বে ১৩ মার্চ সারাদেশে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করা,স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উল্লেখিত বিষয়াবলি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও করোনা নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

রামপালে বঙ্গবন্ধু’র জন্ম শত বার্ষিকী পালন

এ এইচ নান্টু, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি||

রামপালে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শত বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে, ভোর ৬ টায় ২১ বার তোপধ্বনি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কেক কাটা, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা, আলোচনা সভা, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সকাল ১০ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার মো. আসাদুজ্জামানের সঞ্চালনায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা শোভন সরকার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নূরুল হক লিপন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আ. জলিল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ আ. ওহাব, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণা রানী মন্ডল, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো. জাহিদুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো জিয়াউল হক, পিআইও মো. মতিউর রহমান, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাদী প্রমুখ।

বাসাইলে মাইক্রোবাসে ভয়াবহ আগুন, বেঁচে গেলো তাবলীগের ১৭ প্রাণ

 টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের বাসাইলে চলন্ত মাইক্রোবাসে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে গাড়িতে থাকা তাবলীগের ১৬ সাথীসহ ১৭ জন। মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) রাত ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের  উপজেলার গুল্লাহ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মাইক্রোবাসের চালক আব্দুর রউফ বলেন,‘ঢাকা থেকে তাবলীগের ১৬ সাথী নিয়ে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যাচ্ছিলাম। গুল্লাহ এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ করে গাড়ি থেকে গন্ধ বের হয়। এসময় দ্রুতই গাড়ি থেকে নেমে যাই। মুহূর্তের মধ্যেই গাড়িতে আগুন ধরে যায়। টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম এ তথ্যটি জানিয়েছেন। রেজাউল করিম বলেন, খবর পেয়ে দ্রুতই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এর আগেই গাড়িটি পুড়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে ওয়ারিং তারের লাইনে ছিদ্র থাকায় গাড়ির ইঞ্জিনের সঙ্গে সংযোগ হয়ে স্পার্ক করে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরে পুরো গাড়িতে আগুন ছড়িয়ে যায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজে আগুন, ৩ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক : 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) করোনা ইউনিটে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৭ মার্চ) সকাল সোয়া ৮ টার দিকে নতুন ভবনের করোনা ইউনিটে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

অগ্নিকাণ্ডের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিভিন্ন ওয়ার্ডে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। ভেতরে থাকা প্রায় অর্ধ শতাধিক রোগীকে নিরাপদে স্থানে সরিয়ে নেওয়া সময় তিন জনের মৃত্যু হয়। তারা করোনা ইউনিটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাৎক্ষনিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার কামরুল ইসলাম রাইজিংবিডিকে বলেন, ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।  সকাল ৮ টা ৫৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করেছি।

বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস-২০২১ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ম্যুরালে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজকের এইদিনে বাঙালি জাতির মুক্তির ত্রাতা হিসাবে পৃথিবীতে এসেছিলেন। দিবসটিকে জাতির মনের মনিকোঠায় ধরে রাখার জন্য মহামানবের জন্মদিনে তাঁর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস হিসাবেও পালন করা হয়ে থাকে। বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস-২০২১ উপলক্ষে রাষ্ট্রীয়ভাবে, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং ব্যক্তিগতভাবে দিবসটি পালনের জন্য স্ব স্ব পর্যায়ে নানা কর্মসূচি গ্রহন করেছে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী

তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিন উপলক্ষে জেলা পুলিশ যশোরের পক্ষে সকাল ০৮ঃ০০ ঘটিকায় শহরের বকুলতলা মোড় সংলগ্ন বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান পুলিশ সুপার জনাব প্রলয় কুমার জোয়ারদার বিপিএম ( বার) পিপিএম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

জয় বাংলা বাংলার জয় ।। আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন

ডেস্ক নিউজ।।

আজ ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস। মুক্তিযুদ্ধের এই মহানায়ক ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত সেই শিশুটি পরবর্তী সময়ে হয়ে ওঠেন নির্যাতিত-নিপীড়িত বাঙালি জাতির মুক্তির দিশারি। গভীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আত্মত্যাগ ও জনগণের প্রতি অসাধারণ মমত্ববোধের কারণেই পরিণত বয়সে হয়ে ওঠেন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা।

জাতি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আজ দিবসটি উদ্‌যাপন করবে। দিনটিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ঢাকা, টুঙ্গিপাড়াসহ সারা দেশে বিস্তারিত কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণসহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

শেখ মুজিবুর রহমান কিশোর বয়সেই সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। গোপালগঞ্জের মিশন স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগদানের কারণে প্রথমবার কারাবরণ করেন। ১৯৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিণত হন। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে যখন অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে পরিচালিত করছিলেন, তখনই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার হাতে সপরিবারে নিহত হন তিনি। বাণী বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এক বাণীতে বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের চিরন্তন প্রেরণার উৎস। তাঁর কর্ম ও আদর্শ চিরকাল আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবে।’ তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কেবল বাঙালি জাতির নন, তিনি বিশ্বে নির্যাতিত, নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের স্বাধীনতার প্রতীক, মুক্তির দূত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেন, ‘আসুন, দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব শিশুদের কল্যাণে আমাদের বর্তমানকে উৎসর্গ করি। সবাই মিলে জাতির পিতার অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলি। আজকের দিনে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’

 

ট্র্যাফিক সিগন্যাল না মানায় মেরে ব্যবসায়ীর ৫টি দাঁত ভেঙ্গে দিল পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক : 

ট্র্যাফিক সিগন্যাল না মানায় নাটোরে বন্দুকের বাট দিয়ে কামরুল হাসান ওরফে মিন্টু নামে এক মাটি ব্যবসায়ীর ৫টি দাঁত ভেঙ্গে দিয়েছে এক পুলিশ সদস্য। গতকাল মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হরিশপুর রহিমের পেট্রোল পাম্প এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যবসায়ী কামরুল হাসান ওরফে মিন্টু কে বেসরকারী ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মিন্টু শহরের হরিশপুর কামারপাড়া এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। এ ঘটনায় ওই পুলিশ সদস্যের বিচার দাবিতে নাটোর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাটি ব্যবসায়ী মিন্টু মোটরসাইকেল যোগে শহরতলীর দত্তপাড়া এলাকা থেকে হরিশপুর যাচ্ছিল। এসময় নাটোর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শওকত মেহেদি সেতুর নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছিলেন। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতে থাকা পুলিশ সদস্য অনিক হাসান মাটি ব্যবসায়ী মিন্টুকে সিগন্যাল দেয়। কিন্তু মিন্টু না থামিয়ে দ্রুত মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

 

পরে কিছু দুরে গিয়ে মাটি ব্যবসায়ী মিন্টু মোটরসাইকেল থামিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে আসে। এসময় ওই পুলিশ সদস্যদের সাথে তার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্য়ায়ে পুলিশ সদস্য অনিক হাসান তার কাছে থাকা বন্দুকের বাট দিয়ে মিন্টুর মুখে আঘাত করে। এতে করে মিন্টুর ৫টি দাঁত ভেঙ্গে যেয়ে তার শরীর রক্তাক্ত হয়। এরপর স্থানীয়রা পুলিশ সদস্য অনিক হাসানের বিচার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

মিন্টুর ভাই মিজানুর রহমান মিঠন জানান, খবর পাওয়ার পর ভাইকে উদ্ধার করে প্রথমে শহরের আলসান হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে এশিয়া ডেন্টালে নেওয়া হয়েছে। বন্দুকের বাটের আঘাতে ৫টি দাঁত ভেঙ্গে গেছে।

এ বিষয়ে নাটোর জেলা পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সময় মাটি ব্যবসায়ীকে পুলিশ সদস্য সিগনাল দিলে, সে অমান্য করে চলে যায়। যেহেতু মোটরসাইকেলটি স্পিডে চলানোর সময় পড়ে গিয়ে মাটি ব্যবসায়ীর ঠোট কেটে গেছে এবং দাঁতে আঘাত পেয়েছে। তারপরও আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। পুলিশ সদস্য দোষী হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মওদুদ আহমেদ: বিএনপি নেতা ও আইনজীবী সিঙ্গাপুরে মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলাদেশের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এবং সিনিয়র আইনজীবী মওদুদ আহমেদ মারা গেছেন।

তিনি বিরোধী দল বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবীর বিবিসি বাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।

১৯৪০ সালের ২৪শে মে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন মওদুদ আহমেদ।

বেশ কিছুদিন ধরে তিনি নানা রকম শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সর্বশেষ তিনি সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে কিডনি ও ফুসফুস রোগে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং সেখানেই বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যে ৬.৩০ মিনিট নাগাদ মারা যান।

বাংলাদেশের বর্ণাঢ্য রাজনীতিবিদদের একজন ব্যারিস্টার আহমেদ দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং আইন, সংসদ ও বিচার বিষয়কমন্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অসুস্থ অবস্থায় গত ১লা ফেব্রুয়ারি তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছিল।

শায়রুল কবীর জানিয়েছেন, মি. আহমেদের নরওয়ে প্রবাসী মেয়ে সিঙ্গাপুরে আসার পর পারিবারিকভাবে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা এবং তার দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

মওদুদ আহমেদের স্ত্রী হাসনা মওদুদ তার সঙ্গে সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন এবং বর্তমানে তিনি সেখানেই রয়েছেন।

দলের শীর্ষস্থানীয় নেতার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “তার মৃত্যু দলের জন্য এবং বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি দলের একজন অভিভাবক হিসেবেও ছিলেন। তার মৃত্যুতে বিএনপি খুবই শোকাহত।”

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরও মি. আহমদের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন।

রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী মওদুদ আহমেদ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে অভিজ্ঞ একজন সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় মি. আহমেদ দেশের দুইটি রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে অন্যতম একজন আইনজীবী ছিলেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

পরে বিএনপি ছেড়ে দিয়ে তিনি সামরিক শাসক জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন এবং প্রধানমন্ত্রী ও ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। সূত্র: বিবিসি বাংলা