৬০ কেজি হরিণের মাংসসহ ৩ পাচারকারী কোষ্টগার্ডের হাতে আটক 

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

শনিবার (৬ এপ্রিল) খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার শিবসা নদীর মারগীর বাওন সংলগ্ন সুন্দরবন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬০ কেজি হরিণের মাংসসহ ৩ হরিণ শিকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।

কোষ্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রা ও নলিয়ান খুলনা জেলার দাকোপ থানাধীন শিবসা নদীর মারগীর বাওন সংলগ্ন সুন্দরবন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ঐ এলাকা থেকে আনুমানিক ৬০ কেজি জবাইকৃত হরিণের মাংস, ০৩ টি মাথা, ৮ টি পা, ৩ টি মোবাইল ফোন ও ১টি কাঠের নৌকাসহ ৩ জন হরিণ শিকারীকে আটক করে।

তিনি আরও বলেন, আটককৃত হরিণ শিকারী ও  হরিণের মাংসসহ সকল আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাকোপ থানায় হস্থান্তর করা হয়েছে।

মোংলায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার দিগরাজ থেকে পনের কেজি গাঁজাসহ এক নারী মাদক ব‍্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

আটককৃত মাদক কারবারি দিগরাজ কাপালিরমেঠ গ্রামের বিল্লাল হকের স্ত্রী ফাতেমা খাতুন।

আটক ফাতেমাকে বাগেরহাট বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইন্সপেক্টর স্বপন রায় জানান, শনিবার (৬ এপ্রিল) ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম বাগেরহাটের মোংলায় দিগরাজ কাপালীরমেঠ এলাকায় বিল্লাল হকের বাড়ির রান্নাঘরে অভিযান পরিচালনা করে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবৈধ মাদক দ্রব্য ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন। এ সময় ফাতেমা খাতুন নামের এক নারী মাদক কারবারিকে আটক করতে সক্ষম হয়। অপর আসামি নারী মাদক কারবারির স্বামী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, এ ব্যাপারে মাদক দ্রব্য আইনে পালাতক স্বামী ও আটক স্ত্রী দুজনের নামে একটি মামলা দায়ের করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

জেলা ডিবি পুলিশ ৫২ পিচ ইয়াবাসহ এক জনকে গ্রেফতার করেছে

//আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), খুলনার বিশেষ অভিযান চালিয়ে রূপসা থানা এলাকা হতে ৫২  পিচ  ইয়াবা ট্যাবলেট ’সহ  এক জনকে গ্রেফতার করেছে।

জানাযায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান পিপিএম (বার) স্যারের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ নাসির উদ্দিন ইনচার্জ জেলা ডিবি, খুলনার নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) আল আমিন ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার-ফোর্স নিয়ে  রূপসা থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার সংক্রান্তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানকালে রূপসা থানাধীন রহিমনগর কলোনী জামে মসজিদের সামনে হতে  রাত ১০.৫৫ মিনিটের সময় আসামী  রিয়াজুল ইসলাম (৩৫) কে আটক করে।

আটককৃত রিয়াজুলের হেফাজত হতে ৫২ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। এ সংক্রান্তে এসআই(নিঃ) আল আমিন বাদী হয়ে রূপসা থানায় আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেন।

আসামী একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তার নামে উল্লেখিত মামলাসহ সর্বমোট ০৬ টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

মাগুরায় আল-সাবা ক্লিনিকে অপচিকিৎসায় এক সিজারিয়ান মায়ের মৃত্যু

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা//

মাগুরায় আলসাবা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডাঃ রাকিবুল ইসলাম এর অপচিকিৎসায় সাবিনা (২৭) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে । জানা গেছে, বুধবার সকাল ছয়টায় সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাহাতপুর গ্রামের মোঃ মনিরুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ সাবিনা খাতুন ভর্তি হন আলসাবা ক্লিনিকে ।

এসময় ডাক্তার রাকিবুল ইসলাম সিজারিয়ান অপারেশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সকাল সাড়ে সাতটায় সাবিনা খাতুনকে  অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে সিজার করেন এবং একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সন্তান সুস্থ থাকলেও মায়ের আর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় না একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের না জানিয়ে দুই-তিনব্যাগ রক্ত দিয়ে রোগীকে সুস্থ করার চেষ্টা করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। এভাবে সারাদিন রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় বিকাল ৫ টায় রোগীর নিশ্চিত মৃত্যু জানতে পেরে তড়িঘড়ি করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করা হয় এবং সাবিনা কে নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগ আছে ডাক্তার রাকিবুল ইসলাম বরাবরই রোগীকে আল্ট্রাসাউন্ড না করেই অপারেশন করেন।

উল্লেখ্য এক পর্যায়ে রোগী স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে মৃতদেহ নিয়ে  আল-সাবা ক্লিনিকের সামনে এসে  হট্টগোল শুরু করলে ক্লিনিক মালিক সমিতির  মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকায়  দফারফা হয় বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ডাক্তার রাকিবুল ইসলাম এর সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

মোংলায় প্রায় ৭ কেজি গাঁজাসহ আটক- ৬

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের মোংলায় প্রায় সাত কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি দুই নারী ও চার যুবকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আটককৃতরা হলো, মোংলার রুদ্র মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ সড়কের সানোয়ার হোসেনের মেয়ে ও সাইদুল ইসলাম আকাশের স্ত্রী সানু বেগম (২৭), রামপালের কালিগঞ্জ ডাকরা এলাকার মৃত জাহাঙ্গীরের মেয়ে তমা খাতুন (২০), চাঁদপাই ইউনিয়নের উত্তর কাইনমারী এলাকার মৃত আ. ছাত্তারের ছেলে গফুর (৩২), নারিকেলতলা আবাসন প্রকল্পের আসলাম মোল্লার ছেলে রফিকুল ইসলাম বাবু (২৯), পিরোজপুরের শিয়ালবাড়িয়া এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মুছা খাঁ (২৩), মোড়েলগঞ্জ বাঁশবাড়িয়া এলাকার মোকছেদ আলী শেখের ছেলে সাইফুল ইসলাম শেখ (৩০)।

সোমবার (১ এপ্রিল) সকালে মোংলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বাগেরহাটের মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়নের উত্তর কাইনমারী এলাকার গফুরের বাড়ির পেছনে টয়লেটের পাশ থেকে এক কেজি গাঁজাসহ দুজন, মোংলার বাসস্ট্যান্ড ও দিগরাজ ব্যাংক রোড এলাকা থেকে ৫ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছি। এসময় তাদের কাছে থাকা মোট সাড়ে ছয় কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে বাগেরহাট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

আমতলীর দুই ইউপি সদস্য সহ চার জুয়ারি কারাগারে

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে আঠারগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) দুই সদস্যসহ চার জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে আমতলী থানা পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা হয়েছে।

আজ শুক্রবার পুলিশ তাদের আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতে হাজির করে। আদালতের বিচারক মো. আরিফুর রহমান গ্রেপ্তারদের জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে গাজীপুর বন্দর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সোলেমান মৃধা, ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল বাতেন দেওয়ান, ইউসুফ ও আব্দুল আউয়াল।

জানা গেছে, গাজীপুর বন্দরের একটি ঘরে দুই ইউপি সদস্যসহ ৮/১০ জন জুয়া খেলছিল। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই ঘর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় অন্য জুয়াড়িরা পালিয়ে যেতে চেষ্টা করে। পরে ইউসুফ ও আব্দুল আউয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে তাস ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আমতলীতে কিশোরীকে অপহরণ শেষে গণধর্ষণ, তিন ধর্ষক গ্রেপ্তার!

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে কিশোরীকে তিন বখাটে অপহরণ শেষে পালাক্রমে  গণধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ওই রাতেই নাঈম, বেল্লাল ও নয়ন নামের তিন ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের লোদা গ্রামে।

জানা যায়, চাওড়া কালিবাড়ী গ্রামের এক কিশোরী বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে বাসার সামনে ঘুরাঘুরি করছিল। ওই সময় তিন বখাটে নাঈম,বেল্লাল ও নয়ন কিশোরীর চোখ বেঁধে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তারা পার্শ্ববর্তী লোচা এলাকার মাঠে মুগডালের খেতে নিয়ে তাকে হাত-পা বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ওই কিশোরীর মা জানতে পেরে আমতলী থানা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপুর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পুলিশ গণধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে। পরে তার দেয়া তথ্য মতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত নাঈম, বেল্লাল ও নয়নকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় এদের বিরুদ্ধে আমতলী থানায় গণধর্ষণ আইনে মামলা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে পুলিশ তাদের আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করেছে। আদালতের বিচারক মোঃ আরিফুর রহমান তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ গণধর্ষণের শিকার কিশোরীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরন করেছে।

গণ ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী বলেন, আমি বাসার সামনে  ঘুরাঘুরি করতেছিলাম এমন মুহুর্তে নাঈম, বেল্লাল ও নয়ন এসে আমার চোখ বেঁধে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তারা আমাকে পার্শ্ববর্তী একটি মুগডালের খেতে নিয়ে হাত পা বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে। আমি অনেক অনুনয় বিনয় করেও তাদের নির্যাতন থেকে রক্ষা পাইনি। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

কিশোরীর মা বলেন, আমার মেয়েকে বাসার সামনে থেকে তিন বখাটে এসে অপহরণ করে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে। আমি ওই বখাটের শাস্তি দাবী করছি।

আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন,খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক চাওড়া ইউনিয়নের লোদা গ্রামে অভিযান চালিয়ে গণধর্ষণের শিকার কিশোরীকে উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছি। এ ঘটনার তাদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ আইনে মামলা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আসামী নাঈম,বেল্লাল ও নয়নকে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ফকিরহাটে নারীসহ ৩ কারবারি ৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের ফকিরহাট থেকে চার কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার দিগরাজ (কালিবাড়ি) গ্রামের আরমান তালুকদারের কন‍্যা মোসাঃ মিম (২০), একই গ্রামের আবু সাইদ শেখের পুত্র মো. আলমগীর হোসেন (২২) এবং ভাটারাবাদ গ্রামের আব্মোদুস সালাম শেখের পুত্র সোহেল শেখ (১৯)।

বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার রায় জানান, বৃহস্পতিবার (২৮মার্চ) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফকিরহাট উপজেলার পিলজংগ ইউনিয়নের টাউন-নওয়াপাড়া মোড় এলাকায় শিশু মেলা কিন্ডার গার্টেন এর সামনে পাকা রাস্তার উপর আটককৃত মাদক কারবারিরা অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি অভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই মাদক কারবারিরা দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। অভিযানে এক নারী সহ তিন মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেন। এসময় তাদের কাছে থাকা পলিথিনের ব্যাগ তল্লাশি করে চার কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের নামে নিয়মিত মামলা রুজু করে ফকিরহাট মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।#

ফকিরহাটে বাগান থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের ফকিরহাটে একটি বাগান থেকে ষাটোর্ধ এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে পুলিশ নারীর মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত নারী ফকিরহাট সদর ইউনিয়নের জাড়িয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার আ. লতিফ মোড়লের স্ত্রী আম্বিয়া বেগম(৬২)।

পুলিশ জানান, বৃহস্পতিবার (২৮মার্চ) সকালে জাড়িয়ার পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি বাগানে কাঁঠাল গাছের সাথে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ওই নারীর দেহ ঝুলতে দেখে স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

বাগেরহাটের ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নারীর মরদেহটি বাগেরহাট সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে মৃত্যুর কারণ জানার জন‍্য তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।

গভীর রাতে তালতলীতে ডিবির অভিযান, ২ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক ১

মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

বরগুনার তালতলী উপজেলার ঠংপাড়া এলাকা থেকে ২ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ মোঃ শহিদুল (৩৫) নামের ১ যুবককে আটক করেছে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

রবিবার ২৪ মার্চ গভীর রাতে তাকে আটক করা হয়। আটক শহীদুল ওই এলাকার দেনছের আলীর ছেলে।

জেলা ডিবি পুলিশের এসআই জ্ঞান কুমার বলেন,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি শহিদুলের বাড়িতে গাজা আছে। এ সময় তার বাড়িতে অভিযান চালালে বাড়ির পিছনে একটি কালো পলিথিনে ২ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। গাজাসহ তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের হবে।

তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,শহিদুলকে সোমবার ২৫ ফেব্রুয়ারি আদালতে সোপর্দ করা হবে।