পাঠাও-এর প্রতিষ্ঠাতা ফাহিমকে হত্যা করে তার পিএ হাসপিল- চুরি করে নেয় মিলিয়ন ডলার – জানুন বিস্তারিত

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে নিজ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাও-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ২০২০ সালের ১৪ জুলাই তার লাশ উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী টায়রেস হাসপিল (২৫) দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

সোমবার (২৬ জুন) নিউইয়র্কের ম্যানহাটন সুপ্রিম কোর্টের বিচারকেরা হাসপিলকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।

আদালতের এই রায়ের আগে হাসপিল দাবি করেছিলেন, ফরাসি প্রেমিকাকে খুশি করার জন্য দামি উপহার কেনার জন্য ফাহিমের টাকা চুরি করেন। চুরির কথা প্রকাশ পেলে প্রেমিকা তাকে ছেড়ে চলে যেত—তাই তিনি ফাহিমকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। তবে বিচারকেরা তার এই দাবি খারিজ করে দিয়েছেন।

তবে কেন বিচারকেরা হাসপিলের দাবি খারিজ করে দিয়েছেন তা হত্যার দীর্ঘ পরিকল্পনা ও হত্যাকাণ্ডের ধরনেই বোঝা যায়। হাসপিল কতটা শীতল রক্তের অধিকারী ছিলেন তা তার পরিকল্পনা ও হত্যার কায়দায় ফুটে উঠেছে। আদালতের রায়ের বিবরণীতে সেসব বিস্তারিত উল্লেক করা হয়েছে।

হত্যার পরিকল্পনা

টাইরেস হাসপিল ২০১৮ সালে ফাহিম সালেহের টাকা চুরি করার পরিকল্পনা শুরু করেন। কিন্তু ২০২০ সালের জুলাইয়ে এসে তার পরিকল্পনাটি হত্যার সিদ্ধান্তে রূপ নেয়।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসপিল ফরাসি প্রেমিকার জন্য দামি উপহার কেনার জন্য সালেহের কোম্পানি থেকে টাকা চুরি করেন।

হাসপিল টাকা চুরির জন্য একটি ভুয়া করপোরেট আইডি এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছিলেন। তবে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে সালেহ টাকা চুরির বিষয়টি বুঝতে পারেন। হাসপিল তখন চুরির টাকা পরিশোধে সম্মত হন। তবে পরে তিনি সেই অবস্থান থেকে সরে আসেন। একটি ভুয়া পেপ্যাল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ফাহিমের আরও টাকা চুরি করা শুরু করেন। এভাবে তিনি প্রায় ৪ লাখ মার্কিন ডলার চুরি করেন। একপর্যায়ে তিনি ফাহিমের সব টাকা নিয়ে বিলাসবহুল জীবনের আশায় তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

হাসপিল সোশ্যাল মিডিয়াতে সালেহের অবস্থানের ওপর নজরদারি শুরু করেন। হত্যাকাণ্ড গোপন করার জন্য কয়েক সপ্তাহ প্রযুক্তি, অস্ত্র, টেজার এবং রক্ত পরিষ্কার নিয়ে গবেষণা করেন। পরিচয় গোপন করার জন্য বিশেষ ধরনের পোশাক কেনেন, যাতে সালেহ তাঁকে চিনতে না পারেন।

অন্তত তিনটি পৃথক অনুষ্ঠানে জনাব সালেহকে হত্যার পরিকল্পনা করে হাসপিল। ২০২০ সালের মার্চে নাইজেরিয়ার লাগোসে সে ছুরি নিয়ে সালেহর পিছু নিয়েছিল। তবে হত্যা করেনি। এরপর নিউইয়র্কে ফিরে সালেহকে দুইবার হোপওয়েল জংশনেও পিছু নেন। সালেহর বাড়ি পুড়িয়ে ফেলার বা দৌড়ানোর সময় তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পাঠাওয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিম হত্যায় ব্যক্তিগত সহকারী দোষী সাব্যস্তপাঠাওয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিম হত্যায় ব্যক্তিগত সহকারী দোষী সাব্যস্ত

২০২০ সালের মে মাসে হাসপিল সালেহকে তাঁর বাড়িতে হত্যা করবেন বলে ঠিক করেন। তিনি ঘাড়ে ছুরিকাঘাতে নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। ১৭ জুন হাসপিল হোম ডিপো ঠিকাদার ব্যাগ, একটি সুইফার ওয়েটজেট এবং একটি করাত কেনেন।

হাসপিল সালেহের বাসা থেকে রাস্তার অপর পার্শ্বের বিল্ডিংয়ে একটি খালি অ্যাপার্টমেন্টের কৌশলে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি এমনভাবে নেস্ট ক্যামেরা বসান যাতে সালেহের বিল্ডিংয়ের যাবতীয় কিছু নজরদারি করা যায়।

হত্যাকাণ্ডের আগের দিনগুলোতে হাসপিল জাঁকজমকপূর্ণভাবে প্রেমিকার জন্মদিন পালন ও তাকে উপহার দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। তিনি পার্টি বেলুন, বড় কেক, বিলাসবহুল হ্যান্ডব্যাগ, জুতা, প্রাইভেট ইয়ট ট্যুর এবং চুরি করা টাকা দিয়ে সোহোতে একটি বিলাসবহুল এয়ানবিএনবি ভাড়া নেন।

হত্যাকাণ্ড

২০২০ সালের ১৩ জুলাই হাসপিল প্লাস্টিকের হেলমেট, বেসবল ক্যাপ এবং সানগ্লাস পরে সালেহের সঙ্গে তাঁর অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ের লিফটে প্রবেশ করেন। এ সময় বেচারা সালেহ হাসপিলের এমন পোশাক দেখে কোভিড সতর্কতা নিয়ে তাঁর সঙ্গে রসিকতা করেছিলেন। তবে লিফটের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই হাসপিল আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন।

হাসপিল প্রথমে পেছন থেকে ফাহিম সালেহকে টেজার মেশিনের শক দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলেন। এরপর তার ঘাড়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করতে থাকেন।

হত্যাকাণ্ড গোপন করতে হাসপিল মিনি ভ্যাকুয়াম মেশিন দিয়ে অ্যান্টি-ফেলন আইডেন্টিফিকেশন ডিস্ক (এএফআইডি) শূন্য করে ফেলেন। কেননা ওই ডিস্কে একটি সিরিয়াল নম্বর থাকে যা অপরাধীকে শনাক্ত করতে পারে।

এরপর আনুমানিক বেলা ৩টায় হাসপিল অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে একটি উবারে করে নিউজার্সিতে যান। হাডসন নদীর জল কতটা গভীর ও সেখানে কীভাবে আলামত ডুবিয়ে দেওয়া যেতে পারে—তা নিয়ে তিনি আগেই গবেষণা করেন। ওই নদীতে তিনি পরের দিন একটি আবর্জনার ক্যানে অনেক আলামত ফেলে দেন।

হাসপিল পরের দিন ১৪ জুলাই সালেহর মরদেহ টুকরো টুকরো করতে এবং ঘটনাস্থল পরিষ্কার করতে অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে আসেন। তারপরে তিনি করাত দিয়ে সালেহের শরীরকে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলেন এবং সেগুলো আগেই কিনে রাখা ব্যাগে ভরেন। এ সময় করাতের ব্যাটারি ফুরিয়ে গেলে তিনি চার্জার কিনতে চলে যান।

হাসপিল যখন বাইরে যান তখন সালেহর কাজিন তাকে দেখতে এসেছিল কারণ বিগত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর কোনো সাড়া পায়নি। এ সময় তিনি অ্যাপার্টমেন্টে চাচাতো ভাইয়ের টুকরো টুকরো এবং শিরশ্ছেদ করা দেহ আবিষ্কার করেন এবং পুলিশকে ডাকেন।

এদিকে হোম ডিপো থেকে ফিরে আসার পর হাসপিল সালেহের অ্যাপার্টমেন্টে পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্য করেন এবং প্রেমিকার জন্মদিনের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

হত্যার পরের দিনগুলোতে হাসপিল ‘খণ্ডিত দেহ’, ‘ফাহিম সালেহ’ এবং ‘নিউইয়র্কে টেক সিইওর হত্যা’ লিখে ওয়েব সার্চ করেন। এবং গ্রেফতারের আগ পর্যন্ত হাসপিল সালেহর পেপাল থেকে টাকা আত্মসাৎ করতে থাকেন।

ফকিরহাটের লকপুরে দেশি-বিদেশি অস্ত্র গোলাবারুদ সহ গ্রেফতার- ১

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি || 

বাগেরহাটে ফকিরহাট অস্ত্রসহ ৩০ মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তারকৃত ডাকাত ইমরান (৩০) উপজেলার লখপুর ইউনিয়নের ছোটখাজুরা নিকারী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

ফকিরহাটের লকপুরে দেশি-বিদেশি অস্ত্র গোলাবারুদ সহ গ্রেফতার- ১

ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইমরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, চাঁদাবাজী, অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক, মাদক, চুরি, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ ৩০ টি মামলা রয়েছে। তিনি বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত থাকায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করার তৎপরতা অব্যাহত রাখে। পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে ইমরান বাড়িতে অবস্থান করছেন। বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।

 

এ সময় তার নিকট থেকে একটি দেশিয় পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি ও চায়না রাইফেলের গুলি এবং বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুল আলম বলেন, ডাকাত ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি একজন দুর্ধর্ষ প্রকৃতির লোক। তার বিরুদ্ধে পূর্বের ৩০টি ও বর্তমানের একটিসহ (আরও একটি অস্ত্র মামলা) মোট ৩১টি মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

রামপালে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ কারবারি গ্রেফতার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো: মিরাজুল ইসলাম (২২) নামের এক জন মাদক কারবারি কে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারি কে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

আটক মো: মিরাজুল ইসলাম উপজেলার শ্রীকলস গ্রামের দাউদ শেখ এর ছেলে।

রামপাল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,  সোমবার (২৩জুন) মাদক,অস্ত্র,জুয়া বিরোধী অভিযান পরিচালনা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব সোমেন দাশ এর তত্বাবধানে এস আই  হুসাইন আহমেদ সংগীয় ফোর্স সহ  রামপাল উপজেলার শ্রীকলস গ্রামের বাচ্চু সরদারের বাড়ির পিছনে ইটের রাস্তার ওপর থেকে মিরাজুল ইসলাম কে ৪০ গ্রাম (চল্লিশ) গ্রাম মাদকদ্রব‍্য গাঁজা সহ হাতেনাতে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস সাংবাদিকদের বলেন,  অভিযানে গাঁজা সহ এক জন মাদক কারবারি কে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা রুজু করে আটক মাদক কারবারি কে বাগেরহাট বিজ্ঞআদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক,অস্ত্র,জুয়া বিরোধী আমাদের  অভিযান অব‍্যহত রয়েছে।

রামপালে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার- ১

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মুন্না মুহাম্মাদ রকি (২০) নামের এক জন মাদক কারবারি কে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারি কে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
আটক মুন্না মোহাম্মদ রকি উপজেলার গিলাতলা গ্রামের মোল্লা আল মামুনের ছেলে।

রামপাল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,  শনিবার (২২ জুন) মাদক,অস্ত্র,জুয়া বিরোধী অভিযান পরিচালনা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব সোমেন দাশ এর তত্বাবধানে এস আই  নিকুঞ্জ রায় সংগীয় ফোর্স সহ  রামপাল উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের হাওলাদার লিয়াকত আলীর বাড়ির সামনে অভিযান পরিচালনা করে মুন্না মুহাম্মদ রকি কে ৪৫ গ্রাম (পয়তাল্লিশ) গ্রাম মাদকদ্রব‍্য গাঁজা সহ হাতেনাতে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস সাংবাদিকদের বলেন,  অভিযানে গাঁজা সহ এক জন মাদক কারবারি কে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা রুজু করে আটক মাদক কারবারি কে বাগেরহাট বিজ্ঞআদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক,অস্ত্র,জুয়া বিরোধী আমাদের  অভিযান অব‍্যহত রয়েছে।

রামপালে দেশী-বিদেশি মদ সহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তুহিন শিকদার(২৪), গাজী ইমরুল কায়েস (২৬) ও মনোজিৎ ঢালী (২৬) নামের তিন জন মাদক কারবারি কে দেশী ও বিদেশী মদ সহ গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত তিন মাদক কারবারি কে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলো, বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের আনসার শিকদারের ছেলে তুহিন শিকদার, একই গ্রামের আব্দুল মজেদ গাজীর ছেলে ইমরুল কায়েস ও ওড়াবুনিয়া গ্রামের মনোরঞ্জন ঢালীর ছেলে মনোজিৎ ঢালী।

রামপাল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,  শুক্রবার (২১ জুন ) মাদক,অস্ত্র,জুয়া বিরোধী অভিযান পরিচালনা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব সোমেন দাশ এর তত্বাবধানে এস আই লিটন কুমার বিশ্বাস এর নেতৃত্বে সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ অভিযান পরিচালনা করে রামপাল সদরের হাজী এনায়েতউল্লাহ মাদ্রাসার সামনে থেকে তিন বোতল বিদেশী মদ ও এক বোতল দশীয় মদ সহ তুহিন শিকদার, ইমরুল কায়েস ও মনোজিৎ ঢালী কে হাতেনাতে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস সাংবাদিকদের বলেন,  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা অভিযান চালিয়ে তিন জন মাদক কারবারি কে দেশি ও বিদেশী চার বোতল মদ সহ গ্রেফতার করেছি। মামলা রুজু করে আটক তিনজন মাদক কারবারি কে বাগেরহাট বিজ্ঞআদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক,অস্ত্র,জুয়া বিরোধী আমাদের   অভিযান অব‍্যহত আছে।

রামপালে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ কারবারি গ্রেফতার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো: মোরসিলিন শেখ (২০) নামের এক মাদক কারবারি কে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারি কে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

আটক মোরসালিন খুলনা জেলার বোটিয়াঘাটা উপজেলার নোয়াইলতলা গ্রামের মো:কেরামত শেখ এর ছেলে।

রামপাল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,  বৃহস্পতিবার (১৩ জুন ) মাদক,অস্ত্র,জুয়া বিরোধী অভিযান পরিচালনা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব সোমেন দাশ এর তত্বাবধানে এস আই নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে সংগীয় ফোর্স সহ রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা এলাকায় খানজাহান আলী মাধ‍্যমিক বিদ‍্যালয়ের মেইন গেটের সামনে রাস্তার উপর থেকে মোরসালিন কে ৫০ (পঞ্চাশ) গাঁজা সহ হাতেনাতে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস সাংবাদিকদের বলেন,  আমাদের নিয়মিত অভিযানে মোরসালিন নামের এক মাদক কারবারি কে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা রুজু করে আটক মাদক কারবারি কে বাগেরহাট বিজ্ঞআদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক,অস্ত্র,জুয়া বিরোধী আমাদের অভিযান অব‍্যহত আছে।

রামপালে প্রবীণ দম্পতিদের মারপিট করে টাকা ছিনতাই

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপাল জমির বিরোধে প্রবীণ দম্পতিকে মারপিট করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অবশেষে রামপাল থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। শুক্রবার (৩১ মে) রাতে মামলাটি করেন, আহত আসমা বেগম (৫২)। আহত অন্যজন হলেন সামসুর রহমান (৬২)।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ছোট নবাবপুর গ্রামের সামসুর রহমান গরু কেনাবেচার ব্যবসা করেন। তিনি গত ইংরেজি ৪ মে ভোর সাড়ে ৫ টায় গরু কেনার জন্য বাড়ী থেকে বের হয়ে হাটের উদ্যেশ্যে রওনা দেন। কিছুদূরে গেলে একই গ্রামের আসামী মো. বজলুর রহমানের বাড়ীর সামনে গেলে ফজলুর রহমান মোল্লা, বাবলুর রহমান মোল্লা, আশিকুর রহমান, রাসেল মোল্লা, ওসমান মোল্লা, আসিয়া খাতুন, কাকলী বেগম, শাওন শেখ ও খাদিজা বেগমসহ অজ্ঞাত ৩/৪ জন হামলা করে। তারা রামদা, রড, লাঠি ও হাতুড়ি নিয়ে হামলা করেন। ওই সময় সকলে মিলে মারপিট গুরুতর আহত করেন। তার ডাক চিৎকারে তার স্ত্রী আসিয়া বেগম ছুটে এলে আসামীরা তাকেও মারপিট করে আহত করেন। ওই সময় আসামীরা গরু ক্রয়ের ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ওই ঘটনায় কোন মামলার করলে দেখে নেওয়ার ও হুমকি দেয়। এতে তারা মারাত্মকভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেন।

দীর্ঘ প্রায় একমাস পরে চিকিৎসা শেষে গত শুক্রবার রাতে রামপাল থানায় মামলা করেন। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, মামলা করায় আসামীরা আবারো মারপিটের হুমকি দিচ্ছে।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি সোমেন দাশের কাছে জানতে চাইলে তিনি এজাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের ধরার জোর চেষ্টা চলছে।

রামপালে বখাটে রবিউলের বিরুদ্ধে ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালে বখাটে রবিউল গাইন (৩০) এর বিরুদ্ধে এসএসসি পাশ ছাত্রীকে ফুসলিয়ে অপহরণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা জিল্লুর রহমানের পিতা বাদী হয়ে রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার রাজনগর গ্রামের জিল্লুর রহমানের এসএসসি পাশ কন্যা গত ইং ৩০ মে ভাগা যায় কম্পিউটার শিখতে। তার যাওয়া আসার পথে রবিউল প্রায়ই উত্যাক্ত করতো। ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টার সময় ভাগা বাজারে রওনা দেয় সুমাইয়া। ওই সময় রাজনগর থেকে রবিউলের মাতা রহিমার সহায়তায় রবিউল সুমাইয়াকে অপহরণ করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের মাতা গত ২ দিন ধরে মূর্ছা গেছে।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি সোমেন দাশ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ভিকটিম উদ্ধারে কাজ চলছে। আশা করি শিগ্র উদ্ধার হবে।

বেনজীর আহমেদ কি তাহলে লাপাতা……!

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে কোথায় আছেন তা কেউ বলতে পারছে না। গত কদিন ধরে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। তিনি দেশে আছেন, নাকি দেশ ছেড়ে অন্য দেশে পাড়ি জমিয়েছেন, এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কেউ কিছু বলতে পারছে না।

সরকারি দপ্তরগুলোও এ ব্যাপারে নিশ্চুপ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের কেউ বলছে, তিনি চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে গেছেন, কেউ বলছে দুবাইয়ে আছেন, আবার কেউ বলছে দেশেই আছেন। তবে বিভিন্ন সূত্র থেকে তাঁর দেশের বাইরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনার কথাই বেশি বলা হচ্ছে। কিন্তু বেনজীর আহমেদের অবস্থান নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছে না।

সাবেক এই আইজিপি অবসর গ্রহণের পর গুলশানের একটি বাড়িতে থাকতেন এবং এই বাড়িতে তিনি চারটি ফ্ল্যাট কিনে বাড়ি হিসেবে ব্যবহার করতেন। সেই বাড়িতেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। রাজধানীর র্যাংকন আইকন টাওয়ারে বেনজীর আহমেদের খোঁজ নিতে গেলে জানানো হয়, তিনি সেখানে নেই। তাহলে বেনজীর আহমেদ কোথায়?

বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র বলছে, তাঁর যে ৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে, ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলোয় উল্লেখ করার মতো টাকা-পয়সা নেই।

অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো ফ্রিজ করা হতে পারে, আগেই এমন অনুমান থেকে বেনজীর আহমেদ সব টাকা তুলে নিয়েছেন।

এ ছাড়া কয়েকটি ক্রোক হওয়া জমি বেনজীর আহমেদ বিক্রি করে দিয়েছেন বলেও তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। অনেকের ধারণা, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর পরই তিনি দেশে তাঁর সম্পদ গুটিয়ে, ব্যাংকের সব টাকা সরিয়ে বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে নিশ্চিত তথ্য কেউ দিতে পারেনি।

২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বেনজীর আহমেদ।

এর আগে তিনি ডিএমপির কমিশনার ও র্যাবের ডিজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সরিয়ে নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, সরিয়ে নেওয়া এই টাকার পরিমাণ কয়েক শ কোটি হতে পারে। আর তা সরানো হয়েছে আদালতের আদেশে দুদক কর্তৃক বেনজীর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করার আগে।

এদিকে বেনজীর আহমেদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জমি, ফ্ল্যাটসহ বিভিন্ন খাতে বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগের উত্স খুঁজতে তাঁদের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে শিগগিরই আদালতে আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের একজন কর্মকর্তা।

বেনজীর আহমেদের দেশের বাইরে যেতে কোনো নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হবে কি না জানতে চাইলে গত ২৭ মে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেছিলেন, বিষয়টি দুদকের অনুসন্ধানকারী দল দেখছে। তারা সিদ্ধান্ত জানালে তবেই আদালতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হবে। প্রয়োজন মনে করলে আদালতে বেনজীরের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চাইবেন তদন্ত কর্মকর্তারা। তবে সেটি তদন্ত সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে। তাঁর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলমান। অনুসন্ধান শেষ হলে সব কিছু বিশদভাবে বলা যাবে।

Daily World News

কচুয়ায় দিন মজুরের বসত ঘরে আগুন লেগে ভস্মিভুত

মাগুরায় জাহান প্রাইভেট হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ও জরিমানা

//শ্যামল বিশ্বাস,  বিশেষ  প্রতিনিধি//

মাগুরায় জাহান প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও পরিবেশের লাইসেন্স না থাকায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার দুপুরে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের পূর্বপাশে অবস্থিত জাহান ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো: ছামিউল ইসলাম এসময় জাহান ক্লিনিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ব্যবহার ও পরিবেশের লাইসেন্স না থাকায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার ( ২৯ মে) বিকালে জাহান ক্লিনিকের মালিক ডাঃ মাসুদুল হক সিজারিয়ান অপারেশন করেন সীমু খাতুন নামে এক প্রসূতির। এসময় একটি কন্য শিশুর জন্ম দেন সীমু খাতুন। তবে প্রসবের পরে সীমু খাতুন মারা যায়। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলার কারনে রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন ডা: মাসুদুল হকের বিরুদ্ধে। স্বজদের অভিযোগের প্রক্ষিতেই বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।