খুলনার ডুমুরিয়ায় দুর্বৃত্তরা মুদি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে

//জাহিদুর রহমান বহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া খুলনা//

খুলনার ডুমুরিয়ায় বড় বাজার এলাকার বিষ্ণু রাহা (৪৩) নামের  মুদি দোকান ব‍্যবসায়ীকে  শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে  একদল দূর্বৃত্ত কুপিয়ে জখম করেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী  সুত্রে জানা উপজেলা সদরের আরাজি ডুমুরিয়া গ্রামের অনিল কৃষ্ণ রাহার ছেলে ছোট পুত্র বিষ্ণু রাহা  দীর্ঘ দিন ধরে বড় বাজার এলাকায় মুদি দোকানের ব‍্যবসা করে আসছিল তিনি সাপ্তাহিক বাজার  কৈয়া  ও বটিয়াঘাটা বাজারে ভ্রাম্যমান দোকান দিয়ে ব‍্যবসা করে আসছিল ১৯ ফেব্রুয়ারি   শনিবার কৈয়া বাজারের দোকানদারি করে  রাতে  ফিরে এসে ডুমুরিয়া বাজারে তার দোকান খোলে হিসাব নিকাশ করছিল ।

এসময এক দল দুর্বৃত্ত তার দোকানে এসে এলোপাথাড়ি ভাবে  মাথায় কুপিয়ে  জখম করে  ফেলে রেখে  চলে যায় । রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাজারের নাইটগার্ড খালেক বিষুর দোকানের সামনে গেলে  রক্তাক্ত্ব অবস্থায় দেখতে পেয়ে পাশের  এক চায়ের দোকান দারকে খবর দেয়  রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে প্রথমে ডুমুরিয়া হাসাপাতালে নেওয়া হয। সেখান থেকে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন ঢাকায় নেওয়া হয। তার অবস্থা আশংকা জনক।

এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ওবাইদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই ঘটনাস্থালে যাই। তবে কে-বা-কারা করেছে এখনো জানা যায়নি। তার দোকান থেকে টাকা নিছে কিনা সেটাও বোঝা যাচ্ছে না।  পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত দের খুজে বের করতে মাঠে নেমেছে।  বিষুর পরিবার থেকে থানায় অভিযোগ দেয়নি এখনো।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

বিএনপি থেকে বহিষ্কার মেজর আখতারুজ্জামান এখন কি করবেন শুনুন

মায়ের সাথে কথা বলাই ছিল মুক্তিপণ না দেয়ায় নিহত মিঠুর শেষ ইচ্ছা

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

‘তোরা বোধ হয় আমাকে আর বাঁচাতে পারলি না। আমার শেষ ইচ্ছা, মায়ের সঙ্গে একটু কথা বলিয়ে দে।’ মুক্তিপণ না দেয়ায় মিঠু হোসেন নামে এক কলেজছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করেছে অপহরণকারীরা। হত্যার আগে মোবাইল ফোনে বড় বোনকে ফোন করে এমন কথা বলেন মিঠু ।

নরসিংদীর মনোহরদীতে একটি বাড়ির খড়ের পালার নিচ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তার পরিচয়  নিশ্চিতের পর এমন কথা জানিয়েছে নিহতের বড় বোন।

নিহত মিঠু হোসেন (২৪) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রায়পুর এলাকার মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে। তিনি সিরাজগঞ্জের একটি ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের বিএ প্রথম বর্ষে পড়াশোনার পাশাপাশি অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা করতেন।

পুলিশ জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে মনোহরদীর একদুয়ারিয়া ইউনিয়নের হুগলিয়া পাড়া গ্রামের রূপচাঁন মিয়ার বাড়ির খড়ের পাড়ার নিচে মিঠুর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে  পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে।

পরে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ দেখে রাতেই সিরাজগঞ্জ থেকে মিঠু হোসেনের পরিবারের সদস্যরা মনোহরদী থানায় আসেন। রাত ১২টার দিকে পুলিশের কাছে থাকা ছবি দেখে লাশ শনাক্ত করেন মিঠুর বড় বোন মিনু আক্তার।

অপহরণের পর নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগে ওই রাতেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন নিহত ব্যক্তির বড় বোন মিনু আক্তার।

নিহত স্বজনরা জানিয়েছেন, নিহত মিঠু বিভিন্ন হাট থেকে শাড়ি সংগ্রহ করে অনলাইনে বিক্রি করলেও নরসিংদীর বাবুরহাটের কাপড় বিক্রির ইচ্ছা ছিল তার। এই জন্য বুধবার সকালে সিরাজগঞ্জ থেকে নরসিংদীর উদ্দেশে রওনা হন। ঢাকায় পৌঁছার পর তিনি এক আত্মীয়ের বাড়িতে দুপুরের খাবার খান।

পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে নরসিংদী পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন করে পৌঁছানোর খবর জানান। তবে নরসিংদীতে কাদের কাছে তিনি গিয়েছিলেন, তা কেউ জানেন না।

বাবার মৃত্যুর পর থেকে পড়াশোনার পাশাপাশি অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা করে সংসার চালাতেন মিঠু। তিনি বাবুরহাটের শাড়ি সম্পর্কে ধারণা নিতে প্রথমবারের মতো নরসিংদীতে আসে। ফেসবুকে পরিচয় হওয়া দুই বন্ধুর ভরসায় নরসিংদীতে আসার পর অপহরণের শিকার হন তিনি।

মামলার বাদী ও মিঠুর বড় বোন মিনু আক্তার বলেন, বুধবার রাত ৮টার দিকে মিঠু ফোন করে জানায় তাকে আটকে রেখে মারধর করছে অপহরণকারীরা। তার বিকাশ নম্বরে দ্রুত এক লাখ টাকা পাঠানোর কথা বলেন।  নইলে ‘তারা আমাকে মেরে ফেলবে’ বলে হুমকি দিচ্ছে। তখন অপহরণকারী ফোনে আমাকে জানায় এখন যদি এক লাখ টাকা পাঠান, তাহলে আপনার ভাইকে ছেড়ে দেব। নইলে মেরে ফলবো।

মিনু আক্তার আরও বলেন, রাত ১২টার দিকে মিঠুর সঙ্গে যখন শেষ কথা হয়, তখন সে বলছিল- ‘আপু, তোরা বোধ হয় আমাকে আর বাঁচাতে পারলি না। আমার শেষ ইচ্ছা, মায়ের সঙ্গে একটু কথা বলিয়ে দে।’

তিনি বলেন, মায়ের সঙ্গে মিঠু কথা বলার পর থেকেই সারা রাত তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। এরপরই সিরাজগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করি আমরা। এর পর আমরা গণমাধ্যমের মাধ্যমে তার মৃত্যুর সংবাদ পাই। পরে মনোহরদী থানায় এসে তা নিশ্চিত হই। আমি আমার ভাই হত্যার বিচার চাই।

মনোহরদী থানার ওসি মো. আনিচুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, মিঠু হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

সাকিব বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে যাওয়ায় ফ্র্যাঞ্চাইজিকে বিসিবির নোটিশ

 

বরগুনার তালতলীতে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূ

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনার তালতলীতে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষনে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন এক গৃহবধূ আজ (শুক্রবার) দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেছেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ বছর পূর্বে উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ৮০ বছরের এক বৃদ্ধের প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ায় সন্তানরা ওই বৃদ্ধকে আবার দ্বিতীয় বিয়ে করান। দ্বিতীয় পক্ষের সংসারে তাদের চারটি ছেলে সন্তান হয়। কয়েক বছর পূর্বে ওই বৃদ্ধ প্যারালাইসিস হয়ে অসুস্থ্য হলে সংসারের হাল ধরতে হয় ওই গৃহবধূর। ফকিরহাট মাছ বাজারে শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালাতেন তিনি। গত বছর বাংলা পৌষ মাসে ওই গৃহবধূর সাথে পরকিয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পরেন ওই মাছ বাজারের অপর শ্রমিক কদম মুন্সির ছেলে মোজাম্মেল মুন্সি (৩০)। কিছুদিন পরে ওই গৃহবধূর শারীরিক অবস্থার পরিবর্তনের বিষয়টি নজরে পরে প্রথম স্ত্রীর মেয়ের চোঁখে। তিনি ওই বিষয়টি জানতে চাইলে মোজাম্মেল মুন্সির সাথে তার পরকীয়ার সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন এবং ওই গৃহবধূ সন্তান সম্ভবা বলে স্বীকার করেন।

এ বিষয়ে ভূক্তভোগী ওই গৃহবধূ আইনের আশ্রয় নিতে চাইলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা টাকা পয়সা দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে বলে স্থাণীয় সূত্রে জানা গেছে ।

অন্তঃসত্ত¡া ওই গৃহবধূ জানায়,স্বামী বার্ধক্যজনিত কারনে বিছানায় প্রায় দু’বছর এ জন্য তিনি স্বামী সন্তানদের জন্য ফকিরহাট মাছ বাজারে শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালাতেন। অভাবের এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে তার সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়েন স্থানীয় মাছ বাজারের শ্রমিক কদম মুন্সির ছেলে মোজাম্মেল মুন্সি। বিয়ের প্রলোভনে আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করায় বর্তমানে আমি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত¡া। মোজাম্মেলকে বিয়ের কথা বলার পরেও সে এ বিষয়ে কোন কর্ণপাত করেননি। অবশেষে আমি লাজলজ্জা ফেলে আপনাদের (সাংবাদিক) কাছে জানাইলাম।

অন্তঃসত্ত¡া ওই গৃহবধূর স্বামী (৮০) জানান, প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সন্তানরা আমাকে দেখা শুনার জন্য  দ্বিতীয় বিয়ে করায়। কয়েক বছর আগে আমি অসুস্থ্য হলে, দ্বিতীয় স্ত্রী ফকিরহাট মাছ বাজারে শ্রমিকের কাজ করে উপার্যন করে চার সন্তানসহ আমাকে খাওয়াতো। এখন এ রকম ন্যক্কারজনক কাজ করায় আমার স্ত্রী কাজে যেতে পারছেনা। আমরা এখন না খেয়ে মরার অবস্থার মধ্যে আছি। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যে ঘটনা ওই ভূক্তভোগী গৃহবধূর সাথে ঘটেছে এতে করে নি¤œ আয়ের মানুষরা তাদের মা বোন ও স্ত্রীদেরকে আর  ফকিরহাট মাছ বাজারে কাজে পাঠাবেনা। আমরা এই ঘটনার কঠিন শাস্তি দাবি করছি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আঃ ছালাম হাওলাদার বলেন, বৃদ্ধের পরিবারটি ওই গৃহবধূর আয়ের উপর বেঁচেছিল। ওইই ঘটনার পর তাদের রুটিরুজি বন্ধ হয়ে গেছে। এলাকার মা বোনেরা ফকিরহাট বাজারে এখন কাজ করতে চায়না। আমি এ ঘটনার কঠিন বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শ্রমিক মোজাম্মেলের ব্যবহৃত মুঠোফোনে (০১৭৭৭৩৩৬৫৪৪) কল দিলেও তিনি রিসিফ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাখাওয়াত হোসেন (তপু) মুঠোফোনে বলেন, এ বিষয় আমাদের কাছে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

আমতলীতে ২৬টি উপজেলার অংশগ্রহনে এমপি কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট (এসিএল) সিজন- ২ উদ্বোধন

খুলনার ডুমুরিয়ায় গাজাঁ সহ দু মাদক ব‍্যবসায়ী গ্রেফতার

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া  সংবাদদাতা//

ডুমুরিয়ার চুকনগর এলাকা থেকে  ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই জন মাদক ব‍্যবসায়ীকে  গ্রেফতার করেছ পুলিশ।

১৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। থানা পুলিশ সুত্রে জানা গেছে,  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ উপজেলার আটলিয়া গ্রামের  রোস্তমপুর গ্রামের ইবাদুল আলি সরদারের ছেলে মোঃ ইব্রাহিম হোসেন সরদার (৩২) ও নরনিয়া গ্রামের ইয়াকুব আলি মোড়লের ছেলে  ইসরাফিল মোড়ল (২৫)কে  গত বুধবার রাতে চুকনগর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছে লুকিয়ে রাখা ৫০০ গ্রাম গাজা উদ্ধার করা হয়।

থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান জানান, ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপরাধ মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

দুদকের মো. শরীফ উদ্দিনকে চাকরিচ্যুত করা নিয়ে উদ্বেগ টিআইবির

৪দিন আটকে রেখে কলেজছাত্রীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

ঢাকার লালবাগ এলাকা থেকে তুলে নিয়ে চার দিন আটকে রেখে এক কলেজ ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশের কাছে সে জানিয়েছে, কয়েক জন যুবক তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। সেখানে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে তার চিকিৎসা চলছে।

ভুক্তভোগী ঐ ছাত্রী জানায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য সে বাসা থেকে বের হয়। পথে লালবাগের ১০ নম্বর গলিতে পৌঁছালে শুভ ও আলামিন নামের দুইজন তাকে তুলে নিয়ে যায় অজ্ঞাত স্থানে। সেখানে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে তাকে ধর্ষণ করে ওই দুইজন।

ভুক্তভোগী ছাত্রী আরও জানায়, শুভ ও আলামিন মিলে চার দিন ধরে তার ওপর বর্বর নির্যাতন চালিয়েছে। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে বুধবার বিকেলে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি রাজু ভাস্কর্যের সামনে রেখে পালিয়ে যায় ওই দুজন। সেখান থেকে এক নারী তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

টিএসসি থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা শামীমা আক্তার নামে এক পথচারী বলেন, ওই মেয়ে জানিয়েছে তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেছে কয়েকজন। পরে ধর্ষকরা টিএসসি এলাকায় ফেলে গেছে। আমি পুলিশের সহয়তায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসি।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুত হাওলাদার বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, এক মেয়েকে অসুস্থ অবস্থায় টিএসসি থেকে উদ্ধার করা হয়। মেয়েটি অসুস্থ। আগে তার চিকিৎসার দরকার। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মেয়েটি শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ হলে বিস্তারিত জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি, মেয়েটির বাড়ি লালবাগ কেল্লার মোড় এলাকায়।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

হাজার হাজার এটিএমে সাইবার হানায় ইউক্রেনে বিপর্যয়

র‌্যাবের ৭২ ঘণ্টার অভিযানে কামাল বাহিনীর প্রধান সহ গ্রেপ্তার ৫

কফিহাউজ গানের জন্মকাহিনী আদ্যপান্ত

হাজার হাজার এটিএমে সাইবার হানায় ইউক্রেনে বিপর্যয়

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

Cyber Attack: মুহূর্তে অচল দেশের হাজার হাজার এটিএম! বৃহত্তম সাইবার হানায় ইউক্রেনে বিপর্যয়

  • এই ধরনের সাইবার হানাকে পরিভাষায় বলা হয় ‘ডিট্রিবিউটেড ডিনায়াল অব সার্ভিস’ (ডিডিওএস)’ ।
  • এর আগেও একাধিকবার ইউক্রেনে সাইবার হানা চালিয়েছে রাশিয়া বলে জানা যাচ্ছে।
  • কিন্তু এ বারে সাইবার হানার ব্যাপ্তি আরও ব্যাপক।
  • কার্যত যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে এত ব্যাপক সাইবার হামলায় বিপর্যস্ত কিয়েভ।

ব্যাঙ্কের সঙ্গে মূল সার্ভারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন। অচল এটিএম। দেশের ইন্টারনেট পরিষেবাও থমকে। বন্ধ সরকারি কাজকর্ম। বৃহত্তম সাইবার হানার কবলে পড়ল ইউক্রেন। সন্দেহের তির রাশিয়ার দিকে।

শিয়রে দাঁড়িয়ে রাশিয়া। যে কোনও মুহূর্তে হামলা হতে পারে। আপৎকালীন তৎপরতায় জনজীবন যতটুকু পারা যায় গুছিয়ে নেওয়ার মরিয়া চেষ্টা ইউক্রেনে। এটিএমের সামনে লম্বা লাইন। কিন্তু আচমকাই অচল সবকিছু। মোবাইলে ইন্টারনেট আছে কিন্তু তা দিয়ে কোনও কাজ করা যাচ্ছে না। এমনকি, স্তব্ধ দেশের প্রতিরক্ষা দফতরের সরকারি ওয়েবসাইটও। একাধিক ব্যাঙ্কে মূল সার্ভারের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন। এ যাবৎকালের বৃহত্তম সাইবার হানার মুখে পড়ল ইউক্রেন। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে হ্যাকের পিছনে রয়েছে পুতিনের দেশ।

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছে, তাদের ওয়েবসাইটেও হানা হয়েছে। ফলে কোনও ভাবেই তাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারছেনা না কেউ। এই ধরনের সাইবার হানাকে পরিভাষায় বলা হয় ‘ডিট্রিবিউটেড ডিনায়াল অব সার্ভিস (ডিডিওএস)’। এর আগেও একাধিকবার ইউক্রেনে সাইবার হানা চালিয়েছে রাশিয়া বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু এ বারে সাইবার হানার ব্যাপ্তি আরও ব্যাপক।

এ দিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র জানান, দক্ষিণ ও পশ্চিম প্রদেশের সেনা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট মহড়া শেষ হওয়ায় তারা নিজ নিজ ঘাঁটিতে ফিরে যাচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা গিয়েছে, তাদের বাহিনী ইউক্রেন সীমান্ত ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে ঠিক বাহিনীর কত অংশ সরছে তার হিসেব দেয়নি পুতিন সরকার। এই ঘটনায় যুদ্ধের উত্তেজনা খানিকটা হলেও কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু ইউক্রেনে এমন সাইবার হানা ফের একবার উত্তেজনার পারদ চড়াতে পারে। সূত্র: আনন্দবাজার

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

কফিহাউজ গানের জন্মকাহিনী আদ্যপান্ত

 

৯ ছাত্রের পেটে এক্স-রে করে মিললো ২৪ হাজার ইয়াবা

//অনলাই নিউজ//

স্কচটেপে ইয়াবা পেঁচিয়ে সেগুলো গিলে ফেলে। পরে গন্তব্য পৌঁছে ইয়াবাগুলো পেট থেকে বের করে পাচার করে। এমনভাবে ইয়াবা পাচারের সাথে জড়িত ৯ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। তাদের পেট থেকে বের করা হয় ২৩ হাজার ৯৯০ পিস ইয়াবা।

সোমবার গ্রেপ্তার করা শিক্ষাথীদের মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‍্যাব-১১ কুমিল্লার কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন।

মেজর সাকিব জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা আমতলী বিশ্বরোড এলাকায় চেকপোস্ট বসায় র‍্যাব। এ সময় একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ওই ৯ শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে এক্স-রে করলে ওই ৯ শিক্ষার্থীর পেটের ভেতর অস্বাভাবিক বস্তু ধরা পড়ে। পরবর্তীতে চিকিৎসকের পরামর্শে বিশেষ পদ্ধতিতে ওই শিক্ষার্থীদের পেটের ভেতর থেকে ২৩ হাজার ৯৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার চরপাড়াতলা গ্রামের তোফায়েল আহমেদ (১৯) (এইচএসসি পরীক্ষার্থী), একই গ্রামের আশিকুল ইসলাম (১৯) (সদ্য এইচএসসি পাশ), ময়মনসিংহের পাগলা থানার দত্তের বাজার গ্রামের মিনহাজুল ইসলাম রিফাত (২২) (এইচএসসি পরীক্ষার্থী), একই উপজেলার বাকশি (পাঠানবাড়ী) গ্রামের রিশাত পাঠান (২২) (ডিগ্রী পরীক্ষার্থী), নয়াবাড়ী গ্রামের মো. গোলাপ (২২) (ডিগ্রী পরীক্ষার্থী) ও বাগশি গ্রামের মোঃ সেলিম (২২) (এইচএসসি পরীক্ষার্থী), পটুয়াখালী সদরের পশুরবুনিয়া গ্রামের সোহেল (২১) (এসএসসি পাশ), নেত্রকোণার কেন্দুয়া থানার পিজাহাতি গ্রামের মিতুল হাসান মাহফুজ (২২) (ডিগ্রী পরীক্ষার্থী), গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার আমবাগ (কোনাবাড়ী) গ্রামের সিয়াম ইসলাম (১৯) (এইচএসসি পরীক্ষার্থী)।

মাদক মামলা দায়ের শেষে তাদের কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদুর রহমান জানান, ওই তরুণদের আদালতে নেয়া হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে গ্রেপ্তারকৃতরা জানান, ময়মনসিংহের এক বড় ভাই মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত। তিনি এই পদ্ধতি অনুসরণ করেই তিন টেকনাফ থেকে ইয়াবা বহন করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করতেন। তার গ্রুপের কয়েকজন ২০২০ সালের ডিসেম্বরে গ্রেপ্তার হয়। পরবর্তীতে সে এলাকার তরুণদের টার্গেট করে। প্রথমে আসামিদের মধ্যে সেলিমকে ম্যানেজ করার পর তার মাধ্যমে আসামি রিফাত, গোলাপ, রিশাদ, তোফায়েল ও আশিককে এ কাজে আসতে বাধ্য করে।

অপরদিকে জনৈক মাদক ব্যবসায়ীর মহাখালীর বন্ধুর মাধ্যমে প্রথমে আসামি সোহেলকে এবং আসামি সোহেলের মাধ্যমে আসামি মিতুল ও সিয়ামকে মাদক পরিবহনের কাজে সম্পৃক্ত করা হয়। প্রথমে তাদের গাঁজা ও ইয়াবা ফ্রিতে সরবরাহ করা হয় এবং মাদকের আসরে আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে তাদেরকে ধীরে ধীরে মাদকাসক্ত করে ফেলা হয়।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

২৬ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন ।। লক্ষ্য এক কোটি ডোজ

 

পূর্বের শত্রুতার জেরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে চোখ উপরে দিয়েছে জিল্লুরের

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

মাগুরার মহম্মদপুরের ৫নং বালিদিয়া ইউনিয়নের চর বড়রিয়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের এক সমর্থকের দুই  চোখেই ভমড় দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। আহত ব্যক্তি হলেন মোঃ জিল্লুর রহমান (৪৪)

এলাকাবাসির  বিবিন্ন সূত্রে জানা গেছে,সোমবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টার দিকে  জিল্লুর রহমান বাড়ি থেকে মাগুরা যাওয়ার উদ্দেশ্য রওনা করেন। চর বড়রিয়া পল্লী টাউন ক্লাবের সামনের রাস্তায় পৌছালে ষড়যন্ত্র ভাবে তার উপর হঠাৎ আক্রমন করা হয়।বেশ কয়েক জন মিলে হাত পা বুকের উপর বসে ভমড় দিয়ে দুই চোখ খুঁচিয়ে দেওয়া হয় এবং একটি চোখ উপড়ে ফেলা হয়।

জানা গেছে ৬ জন মিলে তাকে গুরুতর আহত করে ১.মিলন বিশ্বাস( ৩৫) পিতা- মৃত সহিদ বিশ্বাস ২.সুন্দর আলী (২৭) পিতা-ওহাব মাস্টার ৩.চুন্নু মোল্ল্যা(৩২) পিতা-মৃত আবির মোল্ল্যা ৪.লিঠু মোল্ল্যা(২৬) পিতা- লিয়াকত ৫. নজরুল মোল্ল্যা (৩৫) পিতা- আবু মোল্ল্যা ৬.  লিপু মোল্ল্যা, আহত ব্যক্তি পান্নু বিশ্বাসের দলের লোক।ঘটনা স্থলে আহত ব্যক্তিকে  উদ্ধার করেন  এরশাদ মীর(৩৫) পিতা – ছলেমান মীর।

ঘটনার সূত্রে চরম উত্তেজনা বিরাজ করে দুই পক্ষের মাঝে।আহত জিল্লুর রহমান কে সংগে সংগে মহম্মদপুর সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার ফরিদপুর নেওয়ার পরামর্শ দেন।

ওই গ্রামে চরম উত্তেজনার মুহুর্তে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হোন রাজু মোল্ল্যা(১৩) পিতা- পিকুল মোল্ল্যা এবং উভয় পক্ষের বেশ কিছু বাড়ি ঘর ভাংচুর করা হয়।

ওই গ্রামের পান্নু বিশ্বাস গ্রুপের ৪ টি বাড়ি ভাংচুর হয়,

১. জিল্লুর রহমান ২.কাবুল মোল্ল্যা ৩. নজরুল মোল্ল্যা ৪. বাঁশি মোল্ল্যা এবং

রান্নু মোল্ল্যা গ্রুপের ৬ টি বাড়ি ঘর ভাংচুর চালিয়েছে,

১. পিকুল মোল্ল্যা ২.ইকবল মোল্ল্যা ৩.উজ্জল মোল্ল্যা ৪. মিলন মোল্ল্যা ৫.  মনিরুল বিশ্বাস ৬.ভিকু মোল্ল্যা, আহত জিল্লুর রহমান  বর্তমানে ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

আহত ব্যক্তির পরিবার ও উভয় পক্ষের সূত্রে উপরোক্ত তথ্য পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ  মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন,চর বড়রিয়া গ্রামে  সংঘর্ষের খবর পেয়েই ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়,পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।এ বিষয়ে এখনো কোনো মামলা করা হয়নি মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ইউক্রেন// পরিস্থিতি খুবই বিপজ্জনক, আমরা সবাই খাদের কিনারায়- বরিস জনসন

 

জেলা ডিবি পুলিশের হাতে তেরখাদা এলাকা হতে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

 //আ: রাজ্জাক, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান এর দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার অফিসার ইনচার্জ  উজ্জ্বল কুমার দত্ত এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ মনিরুল ইসলাম সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ তেরখাদা থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান পরিচালনাকালে ১২ ফেব্রæয়ারী রাত ১০.৪০ টার সময়  তেরখাদা থানাধীন  সাচিয়াদাহ ইউনিয়নের নলিয়ারচর গ্রামস্থ’ কদমতলা ব্রীজের দক্ষিন-পূর্ব পাশ হতে আসামী  মোঃ বাবলু শেখ (৪০), পিতা-মিলু শেখ, সাং- পহরডাঙ্গা, থানা-নড়াগাতী, জেলা-নড়াইলকে ধৃত করে।

ধৃত পূর্বক আসামীর হেফাজত হতে ১০০ (একশত) পিচ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

হাইমচরে অসহায় পরিবারকে বসতভিটা জোরপূর্বক দখলের পায়তারা থানায় অভিযোগ

//হাইমচর প্রতিনিধি//

হাইমচর উপজেলার ৩ নং আলগী দক্ষিণ ইউনিয়ন গন্ডামার গ্রামে সুশীল চন্দ্র মজুমদারের পৈত্রিক সম্পত্তির উপর নির্মিত বসতভিটা একই বাড়ির প্রান কৃষ্ণ সীল ও তার পরিবারের লোকজন জোরপূর্বক অসহায় পরিবারের বসতভিটা দখলে পায়তারা করছে। এ ব্যাপারে সুশীল চন্দ্র মজুমদার বাদী হয়ে হাইমচর থানায় একটি অভিযোগ দ্বায়ের করেন। গত রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারী) হাইমচর উপজেলার গন্ডামারা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযোগ সুত্রে জানা হাইমচর উপজেলার আলগী দক্ষিণ ইউনিয়নের গন্ডামারা গ্রামের সুশীল চন্দ্র মজুমদার পৈত্রিক সম্পত্তির ১২ শতাংশের জমির উপর তার বসত বাড়ি নির্মান করে বসতবাস করে আসছে। একই বাড়ির মৃতঃ নন্দ লাল সীলের পুত্র প্রান কৃষ্ণ সীল ও তার পরিবারের লোকজন সুশীল চন্দ্র মজুমদারের সম্পত্তির জোরপূর্বক দখল নিয়ে ঝগড়া – বিবাদ চলে আসছে। সুশীল চন্দ্র মজুমদার কে তার বসতভিটার থেকে উচ্ছেদ করা পায়তারা করছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজন সুশীল চন্দ্র মজুমদার বসত ঘরে সামনে দিয়ে বাউন্ডারি দেওয়াল নির্মান করতে গেলে বাঁধা দিলে প্রানকৃঞ্চ সীলে লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে তাদের উপর হামলা চালায় এতে সুশীল চন্দ্র মজুমদার স্ত্রী সন্ধ্যা রানী, মেয়ে শ্যামলী মজুমদার, অর্থই মজুমদার, গৌরি রানী স্বামী ফনি ভূষণ মজুদার, ফনি ভূষণ মজুদারসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়।

এ ব্যাপারে সুশীল চন্দ্র মজুমদার জানান গন্ডামারা মৌজায় আমার পৈত্রিক সম্পত্তির ১২ শতাংশ। যার দাগ নং ৫২৯০ ও খতিয়ান নং ৩৯৯। এ সম্পত্তি আমার, আর তারা জোরপূর্বক দখল করে নিবে এ মর্মে আমাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। তারা আমার ঘরের সামনে আমার জমিতে বাউন্ডারি দেওয়াল নির্মানের জন্য ইট, বালু সিমেন্ট এনে রেখেছে। আপনারা হয়তো দেখেছেন দেওয়াল নির্মানের চক কেটে রেখেছে। ঐদিন আমি ব্যবসায়িক কাজে বাড়ির বাহিরে ছিলাম তারা স্ত্রী, কন্যা ও আমার পরিবারের লোকজনের উপর হামলা চালায়। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ সঠিক তদন্তের করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ জন্য জোর অনুরোধ করছি।

এ ব্যাপারে প্রান কৃষ্ণ সীল জানান আমাদের জমিতে আমরা দেওয়াল নির্মান করতে গিয়েছি তারা উল্টো বাঁধা দিয়েছে। আমরা তার কাছ থেকে আরো জমিন পাবো। তাদের ঘরের সান সীট আমাদের জমিতে এসেছে। আমাদের দাদা তাকে ৯ শতাংশ জমি দান করেছে এখন সে নিজে জমি বলে দাবি করেন।

পাড়ুন দৈনিক বিশ্ব

Daily World News

রামপাল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মজনু’র মৃত্যুতে নেতৃবৃন্দের শোক