রামপালে বিএনপি-জামায়াতের ৩০ নেতার নামে নাশকতার মামলা, আটক-৮

এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের রামপালে নাশকতার অভিযোগে বিএনপি ও জামায়েতের ৩০ জনসহ অজ্ঞাত ১৫/২০ জনকে আসামী করে নাশকতার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ফয়লাহাটের পু্লিশ ফাড়ির ইন-চার্জ এসআই খন্দকার আব্দুল মবিন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) রামপাল থানায় মামলাটি করেন।

মামলায় নাশকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর উদ্যেশ্যে সমবেত হয়ে বিষ্ফোরক পদার্থ মজুদ করা, হোফাজতে রাখা এবং বিষ্ফোরণ ঘটানোসহ সহায়তা করার অপরাধ করেছে আসামীরা এমনটি উল্লেখ করা হয়েছে।

আটক আসামীরা হলেন, উপজেলার হুড়কা গ্রামের বাবুল শেখ (৫৫), সোনাতুনিয়া গ্রামের মো. আল আমিন শেখ, গোবিন্দপুর গ্রামের আ. কাদের মোল্লা (২৮), শ্রীরম্ভা গ্রামের মো. হেমায়েত শেখ (৪৫),কালিকাপ্রসাদ গ্রামের মোজাম্মেল শেখ ((৪৩), প্রসাদনগর গ্রামের মো. নাজিবর শেখ (৪৬), প্রসাদনগর গ্রামের মো. আ. হালিম (৪৬),চাকশ্রী গ্রামের মো.হুমায়ুন কবির সাগর (২৮)।

বুধবার (২৬ জুলাই) রাতে উপজেলার পশ্চিম গোবিন্দপুর গ্রামের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে আসামীদের আটক করে পু্লিশ। এছাড়াও আসামী করা হয়েছে,  উপজেলা বিএনপির সদস্য শেখ ফিরোজ কবির, আমিরুল ইসলাম কুটি, মুজিবর জোয়ারদার, আকবর হোসেন আকো, আলী আকবর সম্রাট, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মল্লিক জিয়াউল হক জিয়া, সদস্য সচিব আলমগীর কবির বাচ্চু, ছাত্র দলের আহবায়ক মোল্লা তারিকুল ইসলাম শোভন, সদস্য সচিব মো. রবিউল ইসলামসহ নেতৃবৃন্দকে।

আটক আসামীদের দখলে থাকা ৪ টি অবিষ্ফোরিত ককটেল, ২ টি বিষ্ফোরিত ককটেলে অংশ, ১৮ টি রড, ২৩ টি বাঁশের লাঠি, ২ টি হাসুয়া ও ১১ জোড়া স্যান্ডেল জব্দ করা হয়েছে।

মামলা দায়ের, আলামত জব্দ ও ৮ জন আসামীকে আটক করে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম।

রামপালে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ অভিযান চালিয়ে মো.তাজুল ইসলাম (৪০) নামের ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে।

সোমবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৯ টায় রামপাল থানা পু্লিশ বড় সন্নাসী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে তাজুল কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত তাজুল সন্নাসী গ্রামের সৈয়াদ আলী হাওলাদারের পুত্র। রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম বলেন, গ্রেফতারী পরোয়ানামূলে ২ বছরের জিআর ৬৫/০৫ নং মামলার আসামীকে আটক করা হয়েছে। আটক তাজুল কে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

অভয়নগর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ওয়ারেন্ট ভুক্ত বিভিন্ন মামলার ১৩জন আসামি গ্রেফতার

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

যশোরের অভয়নগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছেন থানা পুলিশ।

গত শনিবার (২২জুন) গভীর রাতে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামিদের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে আটক করা হয়। থানা সূত্রে জানা গেছে, অভয়নগর থানার অফিসার্স ইনচার্জ এবিএম মেহেদী মাসুদের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ওই আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হল, উপজেলার কোটা গ্রামের মোঃ মহইর শেখের ছেলে আজিজুর রহমান শেখ(৩৪), শংকরপাশা মন্দির বটতলা গ্রামের মোঃ ইব্রাহিম বিশ্বাসের ছেলে তুহিন বিশ্বাস,নওয়াপাড়া মাছ বাজার এলাকার মৃত- হেদায়েত বিহারীর ছেলে শুকুর আলী, ধোপাদী নতুন বাজার এলাকার মৃত- আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে এসএম রিপন(৩৫), বুইকরা গরুর হাট এলাকার আমজেদ গাজীর স্ত্রী মোছাঃ মাহফুজা বেগম, একতারপুর তালতলা গ্রামের শহিদুল ইসলাম ওরফে সাঈদ শেখের ছেলে মাজেদুল ইসলাম ওরফে নয়ন, ও চয়ন শেখ, চেঙ্গুটিয়া গ্রামের ইউনুস জোয়াদ্দারের ছেলে ইমরান জোয়াদ্দার, একতারপুর গ্রামের মোঃ হেলাল মোড়লের ছেলে মোঃ রুবেল মোড়ল(২৮), রাজঘাট মোয়াল্লেমতলা গ্রামের আফছার আলী মল্লিকের ছেলে মোঃ আল আমিন মল্লিক ওরফে লাভলু, বুইকরা গ্রামের আব্দুর ছাত্তারের ছেলে শেখ জাহিদ হাসান পান্না(৪৫), গুয়াখোলা গ্রামের মোঃ জাকির বিশ্বাসের ছেলে মোঃ সুমন বিশ্বাস, পায়রা গ্রামের রমজান আলী মোল্লার ছেলে মোঃ রুবেল। এবিষয়ে অভয়নগর থানার অফিসার্স ইনচার্জ এবিএম মেহেদী মাসুদ বলেন বিজ্ঞ আদালতের বিভিন্ন মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা থানায় প্রপ্ত হয়ে বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে ১৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করে ২৩ জুলাই বিচারের জন্য বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে, এমন অভিযান অব্যহত থাকবে।

রামপালে মৎস্য দপ্তরের অভিযানে অবৈধ নেটজাল ভস্মিভূত

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অভিযান চালিয়ে নদী থেকে ২ টি অবৈধ বেহেন্দি জাল জব্দ করেছেন। বুধবার (১৯ জুলাই) সন্ধায় উপজেলার বগুড়া ও কুমারখালি নদীতে অভিযান চালান। জব্দকৃত জাল দুটি রামপাল খেওয়াঘাটে রেখে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযানে অংশ নেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা। তাকে সহযোগীতা করেন রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলমসহ সংগীয় ফোর্স। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামপাল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা।

রামপালে খালে অবৈধভাবে নেট-পাটা ও জাল দিয়ে কেউ মাছ শিকার করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

রামপালে গ্রেফতার হয়েছে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ অভিযান চালিয়ে ইউনুস আকন (৫৪) নামের ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে বাগেরহাটের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটক ইউনুস উপজেলার কালিকাবাড়ী গ্রামের মৃত মহিউদ্দিন আকনের পুত্র।

পু্লিশ জানায়, আটক ইউনুস একজন ড্রারাইভার। গাড়ী চালানোর সময় সে এক ব্যক্তিকে চাপা দেয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হলে সে আত্মগোপনে চলে যায়।

এরপরে তার অনুপস্থিতিতে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে ৭ বছরের সাজা হয়। পু্লিশ গত বুধবার (১৯ জুলাই) বিকেল ৫ টায় তার গ্রামের বাড়ী কালিকাবাড়ী এলাকা থেকে আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় তাকে বাগেরহাটের আদালতে প্রেরণ করা হয়। গ্রেফতারী পরোয়ানামূলে সাজাপ্রাপ্ত আসামী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম।

খুলনার রূপসা থানা পুলিশ অস্ত্রগুলি সহ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে

রূপসা প্রতিনিধি:
খুলনার রূপসা থানার আইচগাতি ক্যাম্প পুলিশ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র গুলিসহ শামীম শেখ (৪৩) নামে এক যুবক গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত শামীম রূপসা উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নের দেয়াড়া গ্রামের রস্তুম শেখ এর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানাযায়, আইচগাতি ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ এসআই নকিব ইকবাল গত ১৯জুলাই ১১-৫০মিনিটের দিকে মাদকদ্রব্য, অস্ত্র উদ্ধার গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল করার লক্ষে অভিযানে বের হয়ে সেনেরবাজার এলাকায় পৌছালে গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে আইচগাতি গ্রামস্থ ইউপি সদস‍্য
কওসার মল্লিক ওরফে সোহেল এর বাড়ির পাশে ইটের সলিং রাস্থার উপর অস্ত্র ক্রয় বিক্রয় করছে।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত এলাকায় পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেলে এক ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।

এসময় শামীম নামে এক যুবক কে আটক করে। আটককৃত যুবকের নিকট থেকে ওয়ান শুটার গান লোহার বাট যাহা ৯.৫ ইঞ্চি ও এম এম রাইফেলের কাতুর্জ ৩টি জব্দ করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এস আই নকীব ইকবাল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন। যার নং ১৭, তাং- ২০/৭/২৩ ।

বাগেরহাটের রামপালে সাজাপ্রাপ্ত আসামী সুমন গ্রেফতার

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ অভিযান চালিয়ে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে। আটক মো. সুমন মল্লিক উপজেলার জিয়লমারী গ্রামের মোশারেফ মল্লিকের পুত্র।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে বুধবার সকাল ১০ টায় বাগেরহাটের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) রাত ১০ টায় অভিযান চালিয়ে সুমনকে তার গ্রাম জিয়লমারী থেকে আটক করে পু্লিশ। বিজ্ঞ আদালতে সে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। সাজাপ্রাপ্ত সুমনকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম।

২৫ কোটি টাকার মাদক জাতীয় দ্রব্য ধ্বংস করেছে যশোর বিজিবি

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের সীমান্ত এলাকা থেকে বিভিন্ন সময়ে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি যশোর ৪৯ ব্যাটালিয়ন। এসব মাদকদ্রব্যের মধ্যে ভারতীয় ফেনসিডিল, মদ, গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবা, সাপের বিষ, অ্যানাগ্রা, ভায়াগ্রা, সেনেগ্রা রয়েছে।

বুধবার ১২ জুলাই দুপুরে ৪৯ বিজিবি যশোর দপ্তরের বাস্কেট গ্রাউন্ড প্রাঙ্গণে এই মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। এদিন যশোরে ৬ বছর ধরে জব্দ করা মাদক দ্রব্য একসঙ্গে ধ্বংস করা হয়।

মাদকদ্রব্য ধ্বংস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজিবির খুলনা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মামুনুর রশীদ। উপস্থিত ছিলেন ৪৯ বিজিবি যশোর ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেনান্ট কর্নেল আহমেদ হাসান জামিল, ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পরিচালক মেজর মো. সেলিমুদ্দোজা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত সরকার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ইউসুফ মিয়া, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সাধারণ সম্পাদক এসএম তৌহিদুর রহমান প্রমুখ।

বিজিবির খুলনা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মামুনুর রশীদ বলেন, মাদকাসক্তের কারণে একটি সমাজ দেশ ও জাতি ধ্বংস হয়। তাই বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় জেলার সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবির সদস্যরা গত ২০১৭ সালের ১ মে থেকে চলতি বছরের ১ মে পর্যন্ত ৬ বছরের বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। ধ্বংসকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ২৫ কোটি টাকা।

ধ্বংসকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে ফেনসিডিল ৭৫ হাজার ৫ বোতল, বিভিন্ন প্রকার মদ ৫ হাজার ৫১৩ বোতল, গাঁজা ১ হাজার ৭০৩ কেজি, হেরোইন ৭ কেজি ৯৮২ গ্রাম, ইয়াবা ট্যাবলেট ২১ হাজার ৫ পিস, ভারতীয় ভায়াগ্রা ট্যাবলেট ৬৯ হাজার ৫০ পিস, বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় নিষিদ্ধ ট্যাবলেট ৩ হাজার ৭ পিস, সিরাপ ১ এবং সাপের বিষ ১ পাউন্ড।

Daily World News

কচুয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা যুবদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

কচুয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

//শুভংকর দাস বাচ্চু , কচুয়া, বাগেরহাট প্রতিনিধি॥:

কচুয়ায় অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক ড্রেজার মালিককে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

উপজেলার বাধাল ইউনিয়নের সাংদিয়া এলাকায় মঙ্গলবার ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে একই এলাকার আক্কাছ খানের ছেলে রাব্বি খান(২০)কে আটক করে। পরে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এ ৫(১) ধারা লংঘনের দায়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী হাকিম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো.জাকির হোসেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো.জাকির হোসেন বলেন,অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে রাব্বি খান নামের এক ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সরকারী নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।#

 

ফিফার বরাদ্দকৃত অর্থের তদন্তের উপর স্থিতাবস্থার আদেশ

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ //

বিগত ১৫.০৫.২০২৩ইং তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দুদক সহ অন্যান্য সংস্থাকে ফিফা এবং সরকারের বরাদ্দকৃত অর্থের উপর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এখানে উল্লেখ্য যে,মহামান্য হাইকোর্ট কোন ব্যাক্তির উপর দূর্নীতি অনুসন্ধানের আদেশ প্রদান করেনি।

উপরোক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এর পক্ষে জনাব কাজী মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন (সভাপতি) এবং জনাব আব্দুস সালাম মূর্শেদী,এমপি (জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি) মহামান্য চেম্বার জাজ আদালতে একটি আপীল দায়ের করেন।

উক্ত আপীল শুনাণীর দিন জনাব কাজী মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন তার নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় জনাব আব্দুস সালাম মূর্শেদী বাফুফের পক্ষে আপীল পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেন।
পরবর্তীতে সকল পক্ষদয়ের শুনানী অন্তে মহামান্য চেম্বার জাজ আদালত গত ২৫.০৬.২০২৩ইং তারিখে ফিফার বরাদ্দকৃত অর্থের তদন্তের উপর স্থিতাবস্থার আদেশ প্রদান করেন।

আজ ০৯.০৭.২০২৩ইং তারিখে মহামান্য আপীলেট ডিভিশন উভয় পক্ষের শুনানী অন্তে ফিফার বরাদ্দকৃত অর্থের তদন্তের উপর স্থিতাবস্থার আদেশ বর্ধিত করেন।

উক্ত আদেশের কারনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ফিফা কর্তৃক বাফুফের নিকট বরাদ্দকৃত অর্থের উপর কোন তদন্ত করা থেকে বিরত থাকবেন।