শান্তিতে নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মদিকে আরও ১৫ মাসের কারাদণ্ড

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

শান্তিতে নোবেলজয়ী মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদিকে আরও ১৫ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ইরানের একটি আদালত।

বিভিন্ন অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে নার্গিস মোহাম্মদি এরই মধ্যে ১২ বছর কারাভোগ করেছেন। নতুন এ সাজার কারণে তাঁকে আরও ১৫ মাস কারাবন্দী থাকতে হবে।

নার্গিস মোহাম্মদির বিরুদ্ধে দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি কারাগারে থাকা অবস্থায় এ অপপ্রচার চালিয়েছেন বলে অভিযোগ সরকারের।

নতুন করে এ সাজা ঘোষণার সমালোচনা করেছে নার্গিস মোহাম্মদির পরিবারের সদস্যেরা। তাঁরা জানান, ২০২১ সালের মার্চের পর থেকে এ নিয়ে নার্গিস মোহাম্মদির বিরুদ্ধে পাঁচবার দণ্ডাদেশ দেওয়া হলো।

এবার বিচার ও রায় ঘোষণার সময় নার্গিস মোহাম্মদিকে আদালতে হাজির করা হয়নি।

কয়েক দশক ধরে মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করছেন নার্গিস মোহাম্মদি। এসব কাজের জন্য গত দুই দশকে তাঁকে বেশ কয়েকবার কারাগারে যেতে হয়েছে। মোট ১৩ বার আটক হয়েছেন তিনি। নার্গিস মোহাম্মদিকে মোট ৩১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

নার্গিস মোহাম্মদিকে বর্তমানে তেহরানের আলোচিত এভিন কারাগারে রাখা হয়েছে। তবে নতুন সাজায় বলা হয়েছে, কারাভোগের পাশাপাশি তাঁকে দুই বছরের জন্য তেহরানের বাইরে থাকতে হবে। ফলে এখন তাঁকে তেহরানের বাইরে নেওয়া হবে।

আদালত আরও বলেছেন, সাজাভোগের পর নার্গিস মোহাম্মদি দুই বছর দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। তিনি কোনো রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারবেন না। এমনকি ওই সময় মুঠোফোন ব্যবহার করা থেকেও বিরত থাকতে হবে নার্গিস মোহাম্মদিকে।

৫১ বছর বয়সী মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদি গত বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ইরানে নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই করায় তিনি সম্মানজনক এ পুরস্কার পান।

কারাবন্দী থাকায় নার্গিস মোহাম্মদি নিজে উপস্থিত হয়ে নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেননি। নরওয়ের রাজধানী অসলোর সিটি হলে নার্গিস মোহাম্মদির সন্তান তাঁর পক্ষে নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করে। ওই সময় তাঁর কিশোর সন্তান জানায়, কয়েক বছর সে তার কারাবন্দী মায়ের দেখা পায়নি।

 

নির্বাচনে ব্যাপক প্রস্তুতি: মূল্যবান ভোটের অপেক্ষায় প্রার্থী

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা, খুলনা//

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৭ জানুয়ারী। খুলনা-৪ আসনে ৩টি উপজেলার মধ্যে- রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া এলাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভোট কেন্দ্র প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ সকল ভোট কেন্দ্রে ১২জন প্রার্থীর মধ্যে ৭জন দলীয় প্রার্থী, ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী’র অংশগ্রহনের মধ্যে, ভোটারদের ভোট গ্রহন হবে।

খুলনা- ৪ আসনের মধ্যে রূপসায় ভোটার সংখ্যা ১,৫৫,৪৮০ জন, ভোটকেন্দ্র ৫৯টি। তেরখাদা উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ১,০২,১৭১ জন, ভোটকেন্দ্র ৩৬টি এবং দিঘলিয়া উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ৯৭,৫০২ জন, ভোটকেন্দ্র ৩৮টি। এ সকল কেন্দ্রে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনে ব্যাপক প্রস্তুতি মূল্যবান ভোটের অপেক্ষায় প্রার্থী

এক্ষেত্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সরকারী ভাবে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে স্বতস্ফুতভাবে ভোটারগণ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট দিতে পারবে। এ সকল ভোট কেন্দ্রে যাচ্ছে- প্রিজাইডিং ও পলিং কর্মকর্তা, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি মহিলা-পুরুষ সদস্যগণ। পাশাপাশি অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ও পুলিশের টহল টীমের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, র‌্যাব এবং বিজিবি টীম টহল দিতে থাকবে।

নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীগণ হলেন- আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম মূর্শেদী প্রতীক- (নৌকা)। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন এস এম আজমল হোসেন প্রতীক- (নোঙ্গর)। বাংলাদেশ কংগ্রেস মনিরা সুলতানা প্রতীক- (ডাব)। জাতীয় পার্টি মো: ফরহাদ আহমেদ প্রতীক- (লাঙ্গল)। ন্যাশনাল পিপলস পার্টি মো: মোস্তাফিজুর রহমান প্রতীক- (আম)। ইসলামী ঐক্যজোট রিয়াজ উদ্দিন খান প্রতীক- (মিনার)। তৃণমূল বিএনপি শেখ হাবিবুর রহমান প্রতীক- (সোনালী আঁশ)। তাছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীগণ হলেন- এইচ এম রওশান জামির প্রতীক- (কাঁচি)। এম, ডি, এহসানুল হক প্রতীক- (সোফা)। এস এম মোর্ত্তজা রশিদী দারা প্রতীক- (কেটলি)। মো: জুয়েল রানা প্রতীক- (ট্রাক)। মো: রেজভী আলম প্রতীক- (ঈগল) এ ভোট যুদ্ধে অংশগ্রহন করছেন।

আদম তামিজী হককে রিহ্যাবে পাঠিয়েছে ডিবি

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এলোমেলো কথা বলায় আলোচিত ব্যবসায়ী আদম তমিজী হকের মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসার জন্য আবারো রিহ্যাব সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। মানসিক হাসপাতালে ৯ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে নিয়ে একটি বোর্ড গঠন করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, আদম তমিজী হক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্য লেখায় তার বিরুদ্ধে ডিএমপির দক্ষিণখান থানায় একটি মামলা হয়। এ মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছিল। গ্রেফতারের পর তার আচরণ ও কথাবার্তায় সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। মাদকাসক্ত হওয়ায় তাকে মাদক নিরাময় কেন্দ্র বা রিহ্যাবে পাঠানো হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, তাকে রিহ্যাবে ভর্তি করিয়ে বিষয়টি আদালতে জানানো হয়। তমিজী হকের এলোমেলো কথাবার্তায় ডিবির মনে হয়েছে তার চিকিৎসার প্রয়োজন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে জাতীয় মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। মানসিক হাসপাতালে ৯ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে নিয়ে একটি বোর্ড গঠন করা হয়। এই বোর্ডের সামনে তাকে হাজির করা হয়।

তিনি বলেন, বোর্ডের সদস্যরা তাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে একটা মতামত দিয়েছেন; যা আমরা আদালতে জানাব।

বোর্ডের সদস্যদের মতামত জানতে চাইলে হারুন বলেন, তমিজী এখনো মানসিকভাবে সুস্থ না। তাকে আরও চিকিৎসা দিতে হবে।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন স্ট্যাটাস দেওয়ার বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গত বছর ১০ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসা থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদম তমিজী হককে আটক করে ডিবি।

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ৪ টি অস্ত্র ও ১৩ টি ককটেল উদ্ধার

জেনিভা প্রিয়ান, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার টাউন-নওয়াপাড়া পানবাজার এলাকা থেকে ১৩টি ককটেল সহ ১টি বিদেশী পিস্তল, ৩টি ওয়ান শুটার গান, ৫টি পিস্তলের গুলি ও ১টি পিস্তলের কভার উদ্ধার করেছে খুলনা র‌্যাব-৬ এর একটি অভিযানিক দল।

উদ্ধার করা ককটেলগুলো ডিসপোজাল করা হয়েছে।

রোবিবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার সময় র‌্যাব-৬ এর পরিচালক লেফট্যালেন্ট কর্নেল ফিরোজ কবীর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফকিরহাট উপজেলার টাউন-নওয়াপাড়া পানবাজার এলাকায় র‌্যাব-৬ এর একটি অভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করেন।

এসময় পরিত্যাক্ত অবস্থায় ১৩টি ককটেল সহ ১টি বিদেশী পিস্তল, ৩টি ওয়ান শুটার গান, ৫টি পিস্তলের গুলি ও ১টি পিস্তলের কভার উদ্ধার করেন। র‌্যাবের উপস্থিততি টের পেয়ে দুস্কৃতকারীরা পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান চলছে।

এদিকে রোবিবার সাড়ে ১১টার দিকে বোমা ডিসপোজাল দল টাউন-নওয়াপাড়া এলাকার একটি মাঠে উদ্ধার হওয়া ককটেলগুলো ডিসপোজাল করেন।

প্রবাসে থেকেও মামলার আসামি বরগুনার জহিরুল

সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

টানা সাত বছর সৌদি আরব থেকেও মামলার ৩ নাম্বার আসামি হলেন জহিরুল ইসলাম নামের বরগুনার এক প্রবাসী। মামলা সূত্রে জানা যায়,প্রবাসীর পরিবারের কাছে টাকা পাওনা বলে দাবী করে তার পরিবারসহ প্রতিবেশী ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন উড়বুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এক সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমান। তবে ওই প্রবাসীর পরিবারের দাবী তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অসত্য এবং তাদের কাছে কোন টাকাই পাবেন না শিক্ষক।

শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) এমনটা জানান বরগুনা সদর উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের উড়বুনিয়া গ্রামের প্রবাসী জহিরুল ইসলামের পরিবার।

জহিরুলের বাবা হাবিবুর রহমান মৃধা বলেন,আমাদের কাছে সাড়ে সাত লাখ টাকা পাবেন বলে দাবী করে প্রথমে লিগ্যাল নোটিশ ও পরে আমার প্রবাসী ছেলেসহ আট জনকে আসামি করে বরগুনার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত অক্টোবরে একটি মামলা করেছেন প্রতিবেশী শিক্ষক মিজানুর রহমান। তিনি সম্পূর্ণ অসত্য অভিযোগ এনেছেন। আমি দীর্ঘদিন তার বাড়িতে কাজ করে আসছি। সেই সুবাদে তার কাছে আমি টাকা পাবো। এছাড়া আমার বাড়ির পাশে তার একটি জমি বিক্রি করবে বলে আড়াই লাখ টাকা দিয়েছি। পরে সে জমি বিক্রি করেনি। সেই টাকা চাইতে গেলে বিভিন্ন তালবাহানা করেন। তার সাথে আমার এমন সু-সম্পর্ক ছিলো যে আমার ঘর জরাজীর্ণ থাকায় বিভিন্ন জায়গা থেকে পানি পড়তো তাই গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পাতিসহ চেক বই ও বাড়ির জমির দলিলও তার কাছে বিশ্বাস করে রেখেছিলাম। তিনি আমার দলিল দিয়েছে,কিন্তু চেক বইটি দেয়নি। সেই চেক বই গায়েব করে আমাদের নামে মামলা করে। প্রশাসনের কাছে আমাদের জোর অনুরোধ বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হোক।

জহিরুলের মা মাজেদা বেগম বলেন,মিজানুর রহমান আমাদের একটি চেকের মামলা দিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা করছেন। তার দাবী আমার ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর জন্য তার কাছ থেকে আমি সাড়ে সাত লাখ টাকা এনেছি এবং এর বিপরীতে আমার সাক্ষরিত একটি চেক দিয়েছি, যা ডিজঅনার হয়েছে বলেও দাবী তার। এসবই অসত্য। এমন কিছুই হয়নি, তিনি কোন টাকাই পাবেন না। আমার ছেলে দেশের বাইরে থাকে তাকেও মামলার আসামি করছে। এছাড়া আমার বাসে প্রতিবেশী তাকেও এই মামলার আসামি করেন। এ থেকে আমরা দ্রুত প্রতিকার চাই।

এ বিষয় বাদী মিজানুর রহমান বলেন, আমার অভিযোগ আমি আদালতে জানিয়েছি। সত্য মিথ্যা যাচাই করে আদালত এর সঠিক সমাধান দেবেন।

এ বিষয় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নাসির মজলিস বলেন,উভয় পরিবারের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে এমন কোন দেনা পাওনা আছে কিনা জানার চেষ্টা করছি,থাকলে উভয় পক্ষকে নমনীয় ভাবে বিষয়টি সমাধানের জন্য অনুরোধ করবো।

নির্বাচন উপলক্ষে শীঘ্রই মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে সেনাবাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফদের সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা সশস্ত্র বাহিনী সদস্যরা কিভাবে সহায়তা করতে পারবে সেই বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে সার্বিক সহায়তা করার জন্য একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য নির্বাচন কমিশন অনুরোধ জানিয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন হোক সেটা নির্বাচন কমিশন চায়। এটা একটা প্রারম্ভিক আলোচনা। কিভাবে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হবে, কোথায় কোথায় তারা কিভাবে কাজ করবে সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মূলত সেনা মোতায়েনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করবেন, তার ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত দিলে অবশ্যই নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হবে। আমি নির্বাচন কমিশনকে আশ্বস্ত করেছি, তারা যেভাবে সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তা চাইবেন, সেভাবে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন চায় সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হোক। এ ব্যাপারে আমার সামান্যতম সন্দেহ নেই। একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন খুবই সিরিয়াস। রাষ্ট্রপতির নির্দেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হলে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব; যেন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে।

লে. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আরও বলেন, অতীতের নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হয়েছে। এবারো রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে ইনশাআল্লাহ সেনা মোতায়েন হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবারো ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হবে।

সেনা সদস্যরা কিভাবে মোতায়েন হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, এ বিষয়ে আজকের সভায় আলোচনা হয়নি। আমরা প্রারম্ভিক আলোচনা করেছি। রাষ্ট্রপতি সেনা মোতায়েনে সম্মতি দিলে আমরা কর্মপরিকল্পনা তৈরি করব। সেনা মোতায়েনে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব পাঠানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কতদিনের জন্য সেনা মোতায়েনের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে? জানতে চাইলে লে. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য মোতায়েনের জন্য মোটামুটি আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে আলোচনা শুনে মনে হয়েছে, উনারা (ইসি) চাচ্ছেন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চান। আমরা আশ্বস্ত করেছি, সশস্ত্র বাহিনী থেকে যেভাবে সহায়তা চান, সেভাবেই দেওয়া হবে।

স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা নামছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এত বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ৩৫ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন ছিল। এবারের নির্বাচনে যদি বেশি প্রয়োজন হয়, তাহলে বেশিসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করব।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে সেনা সদস্য মোতায়েনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা- অতীতে যেভাবে মোতায়েন হয়েছে, সেভাবেই বিদ্যমান আইন অনুযায়ী হবে।

হক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদম তমিজী হককে আটক করেছে ডিবি

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

ব্যবসায়ী আদম তমিজী হককে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ শনিবার রাত আটটার দিকে তাঁকে গুলশানের বাসা থেকে আটক করে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদম তমিজীর বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা রয়েছে। তিনি হক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

আদম তমিজী হক ২০২০ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।

গত সেপ্টেম্বরে ফেসবুক লাইভে তাঁর নিজের পাসপোর্ট পুড়িয়ে এবং আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। এরপর তাঁকে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। আদম তমিজীর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে।

ফৌজদারি আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিল চেয়ে রিট আবেদন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

দেশের ফৌজদারি আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছেন এক আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান এ রিট আবেদন দায়ের করেন।

এতে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগের সচিব এবং সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে বিবাদী করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে ১১২টি দেশ মৃত্যুদণ্ড নিষিদ্ধ করেছে উল্লেখ করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডকে অসাংবিধানিক ঘোষণার আবেদন করেছেন তিনি।

আইনজীবী ইশরাত বলেন, অনেক উন্নত দেশসহ প্রতিবেশী দেশ ভুটান ও নেপালে মৃত্যুদণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ মৃত্যুদণ্ডের বিধান নিষিদ্ধ করার পক্ষে আন্তর্জাতিক দলিলে স্বাক্ষরকারী দেশ। সে হিসেবে সেসব দলিল অনুসরণ করাই আন্তর্জাতিক আইনের রীতি।

তবে কবে এ আবেদনের শুনানি করা হবে সেই প্রশ্নে তিনি কোনো সময় উল্লেখ না করে বলেন, “ভ্যাকেশনের আগে আছে কয়েকটা দিন। তাই এর মধ্যে শুনানি করব না কি জানুয়ারিতে করব তা ঠিক বলতে পারছি না।”

আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে দুই সপ্তাহের ছুটি শুরু হবে সুপ্রিম কোর্টে।

আমতলীতে আইন-শৃঙ্খলা, সন্ত্রাস দমন ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

উপজেলা পরিষদের আয়োজনে বরগুনার আমতলীতে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা,সন্ত্রাস দমন ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির  সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ৫ই ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম এর এর সভাপতিত্বে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা,সন্ত্রাস দমন ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট এম এ কাদের মিয়া,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান,সহকারী কমিশনার (ভুমি) আবদুল্লাহ আবু জাহের,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম মৃধা,আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী শাখাওয়াত হোসেন তপু,উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাগণ,সদর উপি চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা,কুকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন আহমেদ মাসুম তালুকদার, চাওড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আখতারুজ্জামান বাদল খান,আড়পাংগাশিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সোহেলী পারভীন মালা,আঠারোগাছিয়া ইউপি মোঃ রফিকুল ইসলাম রিপন,হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক,আমতলী প্রেসক্লাবের সভাপতি খায়রুল বাশার বুলবুল,সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি জসিম উদ্দিন সিকদার,আমতলী রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি পারভেজ রানা,বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাব আমতলী উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বিপ্লব কুমার দাস সহ সাংবাদিক,সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করন এবং উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকলে একযোগে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

টেকনাফ স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানি বন্ধ, ২০গাড়ি শুটকি পুরিয়ে পেলে বার্মার নাসেগা বাহিনী

  //সৈয়দ আলম, টেকনাফ, কক্সবাজার//

টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে আজ ৮দিন ধরে।। ১৪ নভেম্বর থেকে মিয়ানমারের রাখাইনের মংডু শহর থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে কোনো পণ্য আসছে না। একইভাবে টেকনাফ থেকে পণ্য মিয়ানমারে যাচ্ছে না। টেকনাফ স্থলবন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সংঘর্ষ। এ কারণে রাখাইনের আকিয়াব জেলা শহর মংডু থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে পণ্য আসা বন্ধ হয়ে গেছে। আজ জুৃমাবার  ১০দিন ধরে এ বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম মূলত বন্ধই রয়েছে। এতে করে প্রতিদিন গড়ে তিন কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশ  সরকার।

সর্বশেষ ১৩ নভেম্বর মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দর থেকে ৪৭ টনের একটি হিমায়িত মাছের চালান টেকনাফে এসেছিল। মিয়ানমারের মংডুর অবস্থান টেকনাফের উল্টো পাশে নাফ নদীর ওপারে। টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে শহরটির দূরত্ব মাত্র পাঁচ কিলোমিটার। টেকনাফ-মংডু সীমান্ত বাণিজ্য অচল হয়ে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন এ বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসায়ীরা। টেকনাফ স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) মোঃ  জসিম উদ্দিন চৌধুরী তিনি বলেন, দশ  দিন ধরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও আগে আসা আদা, নারিকেল, আচার, সুপারি, শুঁটকিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিভাগীয় ও জেলা শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে।

সরেজমিনে টেকনাফ স্থলবন্দরে গিয়ে দেখা যায়, বন্দরের জেটি ফাঁকা পড়ে আছে। কোনো কার্গো ট্রলার বা জাহাজ নেই। কার্যক্রম না থাকায় বন্দরের কর্মরত শ্রমিকেরা অলস সময় পার করছেন। এদিকে এ স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে টেকনাফ-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে গড়ে ওঠা অর্ধশতাধিক দোকানপাটও প্রায় বন্ধ। স্বাভাবিক সময়ে বন্দরের প্রধান ফটকে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের জটলা দেখা গেলেও  আজ কোনো যানবাহন চোখে পড়েনি। নাফ নদীতেও নেই পণ্যবোঝাই ট্রলার-জাহাজ। তবে বন্দরের খোলা জায়গা ও ওয়্যারহাউসে মিয়ানমার থেকে আগে আসা বিভিন্ন ধরনের কাঠ, আদা, শুকনা সুপারি, শুঁটকি, নারিকেল, আচারসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য মজুত রয়েছে।টেকনাফ স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুর রহমান বলেন, মিয়ানমারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে শুনেছি, তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। কবে নাগাদ চালু হবে তা–ও বলা যাচ্ছে না। এতে করে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ বন্দরকেন্দ্রিক এক ব্যবসায়ী বলেন, ১৩ নভেম্বর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের আকিয়াব শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন জায়গায় সামরিক বাহিনীর সঙ্গে ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংঘর্ষ চলছে। দেশটির স্থানীয় প্রশাসন আকিয়াব শহরের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। স্থলবন্দরের শ্রমিকনেতা  আজগর মাঝি বলেন, বন্দরে মালামাল ওঠা–নামার কাজের জন্য ছয় শতাধিক শ্রমিক রয়েছেন। টানা দশ  দিন কাজ বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন এসব শ্রমিকরা  আয় না থাকলে অনেকের ঘরে চুলা জ্বলে না। মিয়ানমার থেকে হিমায়িত মাছ আমদানিকারক এম কায়সার বলেন, হঠাৎ করে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মিয়ানমারে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের বেশ কিছু পণ্য আটকা পড়েছে ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমদানি কারক।  তার মধ্যে রয়েছে হিমায়িত মাছসহ পচনশীল নানা পণ্য। এসব পণ্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আনতে না পারলে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের লোকসানের মুখে পড়তে হবে। মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ, আদা, শুঁটকি ও সুপারি আমদানি করেন সিএন্ডএফ এজেন্ট  ওমর ফারুক। তিনি বলেন, চলতি মাসের শুরুতে ১ হাজার ৩০০ টন পেঁয়াজ ও আদা আমদানি হয়েছে মিয়ানমার থেকে। এর বাইরে আরও ৬০০ টন পেঁয়াজ, ৪০০ টন আদা কিনে রাখা হয়েছিল আমদানি কারকের  এখন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় এসব পচনশীল পণ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা জনক  তৈরি হয়েছে। এর বাইরে ৪০০ টন শুঁটকি ও সাড়ে ৫০০ টন সুপারি মিয়ানমারে আটকে আছে।  এই ব্যাপরে কর্মকর্তা থেকে জানতে চাইলে টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা এ এস এম মোশাররফ হোসেন  তিনি বলেন, হঠাৎ করে পণ্য পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজস্ব আদায়ও বন্ধ হয়ে গেছে। এতে দিনে তিন কোটি টাকার বেশি রাজস্ব হারাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধের কারণে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  পাশাপাশি

এমএইচ ট্রেডিং সিএন্ডএফের প্রধান  এমএ হাসিম ও কর্মচারী নেজাম বলেন মিয়ানমার সরকারি কর্মরত ব্যক্তিরা   মাছের  গাড়ি  লোড করার অনুমতি  দিলেও বাংলাদেশ আশার জন্য অবশেষে   ২৩নভেম্বর বৃহস্পতিবার  দুপুরে ২০টি মাছের গাড়ি পুড়িয়ে দিল মিয়ানমার বিজিবি ও নাসেগা) মংডুর  রহমতের সহ চার জনের মালামাল