মিসরের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ্য সংঘাত শেষে ইসরাইল-ফিলিস্তিন যুদ্ধবিরতি কার্যকর

 

মিসরের মধ্যস্থতায়  ১১ দিনের রক্ত ঝরানো সংঘাত শেষে ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে যুদ্ধবিরতির সন্ধি হয়েছে।  বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা থেকে (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর ৫টা) এটি কার্যকর হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

এ চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী ইসরাইল ও হামাস উভয়পক্ষ বলেছে— অস্ত্রবিরতি চুক্তির কোনোরূপ লঙ্ঘন হলেই শক্ত জবাব দেওয়া হবে। মধ্যস্থতাকারী মিসর জানিয়েছে, অস্ত্রবিরতি পর্যবেক্ষণে দুই জায়গায় দুটি প্রতিনিধিদল পাঠাবে তারা।

অন্যদিকে ১১ দিনের হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজায় মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

গাজায় গত ১১ দিন ধরে ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলি হামলার আশঙ্কায় উৎকণ্ঠায় পার করছেন প্রতিটি মুহূর্ত- এই বুঝি আবার হামলা আসে…।  অস্ত্রবিরতির খবরে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।  তারা গাজার রাস্তায় নেমে আসেন।  মসজিদগুলোর মাইকে মাইকে ঘোষণা করা হয়, ইসরাইলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের বিজয় অর্জিত হয়েছে।

ফিলিস্তিন সরকার অস্ত্রবিরতির উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ।  গত ১১ দিনের হামলা চলাকালে ফিলিস্তিন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ভূমিকা অনেকটাই গুরুত্বহীন ছিল। হামাস ফাতাহ দ্বন্দ্বে পশ্চিমতীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ক্ষমতাসীন ফাতাহ দলের নিযুক্ত ফিলিস্তিন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শাতায়েহ বলেন, ‘মিসরের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক শক্তির যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সাফল্যকে আমরা স্বাগত জানাই।’

ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে এবারের সহিংসতায় ২৪৪ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। গাজা ও পশ্চিমতীরে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ২৩২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০০ জনের বেশি নারী ও শিশু।  নিষ্পাপ ৬৫ শিশুকে হত্যা করেছে তারা।  আহত হয়েছে এক হাজার ৭০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি।

ইসরাইলের দাবি, গাজায় তাদের হামলায় কমপক্ষে ১৫০ জন ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছে।  অবশ্য ইসরাইলি হামলায় সংগঠনের সদস্যদের প্রাণহানির বিষয়ে হামাস কোনো তথ্য দেয়নি। ইসরাইলের ভাষ্য, সংঘাতে গাজা থেকে প্রায় চার হাজার রকেট ছোড়া হয়েছে।  রকেটে দুই শিশুসহ অন্তত ১২ ইসরাইলি নিহত হয়েছে। আর আহত হয়েছে অন্তত ৩৩০ জন।

সংঘাতে ইসরায়েল ও হামাস উভয় পক্ষ ননিজেদের জয় দাবি করেছে।  যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরই গাজার রাস্তায় নেমে আসেন ফিলিস্তিনিরা।  তারা স্বস্তি ও উল্লাস প্রকাশ করেন।

ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।  তিনি বলেছেন, অগ্রগতির ক্ষেত্রে এই যুদ্ধবিরতি প্রকৃত সুযোগ এনেছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ইসরাইলের রাজনৈতিক নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রিসভার বৈঠকে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার ব্যাপারে ঘোষণা আসে।  তার পরই হোয়াইট হাউসে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেন বাইডেন।

ইসরাইলি মন্ত্রিসভার বিবৃতিতে বলা হয়, মিসরের দেওয়া সমঝোতা প্রস্তাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতিতে তারা সম্মত। তবে এই যুদ্ধবিরতি হবে ‘দ্বিপক্ষীয় ও শর্তহীন’।

তার আগে হামাসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছিলেন, তারা দু-এক দিনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হতে পারে বলে মনে করছেন।

সম্প্রতি ইসরায়েল ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে আল জাররাহ এলাকা দখলে নেওয়ার প্রচেষ্টা চালায়। এ নিয়ে সেখানকার ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের মধ্যে থেমে থেমে উত্তেজনা চলে আসছিল।  গত ৭ মে জুমাতুল বিদা আদায় করতে বিপুল মুসল্লি আল-আকসা মসজিদে সমবেত হলে ইসরাইলি বাহিনী তাদের ওপর চড়াও হয়।  মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে ইসরায়েলি বাহিনী।

এর দুদিন পর শবেকদরেও আল-আকসা মসজিদে ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে মুসল্লিদের সংঘর্ষ হয়।  এর প্রতিবাদে গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ শুরু হয়।  পরে গত ১০ মে থেকে গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরাইল।  হামাসও পাল্টা জবাব দিতে থাকে।  ১১ দিন টানা ঘাত-প্রতিঘাতের পর যুদ্ধবিরতিতে পেৌছল দুপক্ষ।

ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে এবারের সংঘাতকে বলা হচ্ছে ২০১৪ সালের পর সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত। ২০১৪ সালের ওই সংঘাতে দুই হাজার ২৫১ ফিলিস্তিনি নিহত হন। ইসরাইলের পক্ষে প্রাণহানি ছিল ৭৪, যাদের অধিকাংশই সেনাসদস্য।

//আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সন্তানের সামনে বাবাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা: আসামি মানিক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

 

কোয়াড বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক পরিষ্কার করল চীন

 

যুক্তরাষ্ট্রের জোট কোয়াডে যোগ দেওয়া-না দেওয়া নিয়ে কোয়াড বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে চীন। সম্প্রতি চীনা রাষ্ট্রদূতের কোয়াডের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সেই বক্তব্যের তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনইং মন্ত্রণালয়ের এক নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতিতে দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

বিশ্বে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আসা চীন কেন কোয়াডের বিরোধিতা করছে, সেই ব্যাখ্যাও দেন তিনি।

চীন বলছে, তাকে লক্ষ্য করেই যুক্তরাষ্ট্র ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে কোয়াড্রিলেটেরাল সিকিউরিটি ডায়ালগ- কোয়াড নামে পরিচিত ওই জোট গড়েছে।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বড় অংশীদার চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং গত সোমবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বলেন, ওই জোটে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ‘ক্ষতি’ করবে।

তিনি উত্তরে বলেন, এটা আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, চীন ও বাংলাদেশ খুবই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। আমরা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচটি মূলনীতির উপর ভিত্তি করে আমাদের সম্পর্ক তৈরি করেছি।

মুখপাত্র বলেন, আমরা একে অন্যকে সবসময় সম্মানের দৃষ্টিতে দেখি এবং মৌলিক স্বার্থ এবং উদ্বেগের মূল বিষয়গুলোতে পরস্পরকে সহযোগিতা করি।

কোয়াড নিয়ে তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি কোয়াড কী ধরনের কাঠামো। কয়েকটি দেশ বিশেষ একটি জোট করে চীনের সঙ্গে আঞ্চলিক দেশগুলোর যে সংঘাত উসকে দিতে চায়, চীন সেটার বিরোধিতা করে।

// অনলাইন ডেস্ক //

————————–

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ঈদ- উল ফিতর পালন

 

ইরান চীনের সাথে তেল-যুদ্ধবিমান বিনিময় করতে চায়, কেন…?

 

ইরান চীনের সাথে তেল-যুদ্ধবিমান বিনিময় করতে চায়।

নগদ অর্থ না থাকায় তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বিনিময়ে ইরান চীনের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান অস্ত্র নিতে চাইছে বলে দাবি করেছেন সামরিক গবেষকরা।

তারা বলছেন, চীনের কাছ থেকে জে-১০সি লাইটওয়েট ফাইটার জেট নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরান। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এ খবর জানিয়েছে।

বেইজিংভিত্তিক সামরিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট ইউয়ান ওয়াং থিংকট্যাংকের গবেষক ঝো চেনমিং বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, ইরানের কাছে চীনকে দেওয়ার মতো নগদ ডলার বা ইউরো নেই। অস্ত্রের বিনিময়ে তারা তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস দিতে আগ্রহী। ঝো চেনমিং আরও বলেন, ‘চীনের কাছে যথেষ্ট জ্বালানি সঞ্চিত রয়েছে। আর ব্যবসা হলো ব্যবসাই। অস্ত্রচুক্তির মূল বিষয়টিই হলো অর্থ উপার্জন। তাই, চীন এ ধরনের অলাভজনক দর কষাকষিতে আগ্রহী নয়।’

ইরানের ওপর আরোপ করা জাতিসংঘের ১৩ বছরের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা গত বছরের অক্টোবরে শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই ফাইটার জেটের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে তেহরান। কয়েক মাস ধরেই চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে এমন আলোচনা হচ্ছে।

এর আগে অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম সিনা নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, কাতারের কাছ থেকে পাওয়া তিন বিলিয়ন অর্থ সহায়তার অর্ধেক ব্যবহার করে চীনের ৩৬টি ফাইটার জেট কিনতে পারে ইরান।

গত বছরের জানুয়ারিতে তেহরানে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এই অর্থ সহায়তার কথা বলেছিলেন কাতারের আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানি।

ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জন্য অর্থনৈতিক ইস্যু মোকাবিলায় বেইজিং ও তেহরানের মধ্যে গত মার্চে স্বাক্ষরিত ২৫ বছরের কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তির অংশ হিসাবে নিরাপত্তা বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেখা গেছে।

আকাশপথে যুদ্ধের জন্য চীনের একক-ইঞ্জিন দ্বারা চালিত হালকা, বিভিন্ন দক্ষতার জে-১০ জেটের উন্নত সংস্করণ হলো জে-১০ সি।

সাংহাইভিত্তিক সামরিক বিশেষজ্ঞ নি লেক্সিয়ং বলেছেন, ‘২০১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য যুদ্ধ করোনা মহামারির মধ্যেও চলমান রয়েছে। এর মধ্যে চীনকে তার নিজস্ব অর্থনৈতিক বিবেচনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।’

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

দুবাইয়ে কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে পাক-ভারত গোপন বৈঠক

 

বহুবিতর্কিত হিমালয় অঞ্চল কাশ্মীর  নিয়ে সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আনতে ভারত-পাকিস্তানের গোপন বৈঠক হয়েছে।

গত জানুয়ারিতে দুবাইয়ে তাদের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও আলজাজিরা এমন খবর দিয়েছে।

দুই দেশের সরকার কাশ্মীরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কূটনৈতিক চ্যানেল ব্যবহার করতে চাইছে।

সামনের কয়েক মাসে এ বিষয়ে ভালো সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

দুই ব্যক্তিকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স বলছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের সহযোগিতায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীও রয়টার্সের অনুরোধে কোন সাড়া দেয়নি।

পাকিস্তানের নামকরা প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক আয়েশা সিদ্দিকির বিশ্বা- কয়েক মাস ধরেই ভারত-পাকিস্তানের কর্মকর্তারা অন্য দেশে বৈঠক করছেন।

তিনি বলেছেন, আমার মনে হয় থাইল্যান্ডে বৈঠক হয়েছে, দুবাইতে হয়েছে, হয়েছে লন্ডনেও।

 

// আন্তর্জাতিক ডেস্ক //

উইঘুর ইস্যুতে চীন যুক্তরাজ্যে ওপর পাল্টা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে…

আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক।।

মানবাধিকার চরম লঙ্ঘনের প্রতিবাদ হিসেবে যুক্তরাজ্য উইঘুর প্রসঙ্গে সোমবার (২২ মার্চ) চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। এর পাল্টা জবাব দিয়ে যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ এনে পাঁচ সংসদ সদস্যসহ নয় নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চীন।

ব্রিটেনের এই নয় নাগরিক বরাবরই চীনের মানবাধিকারের লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার। তারা এ বিষয়ে একাধিক কমিটিতে কাজ করতেন। নিষেধাজ্ঞায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যে সাবেক কনজারভেটিভ নেতা স্যার ইয়ান ডানকান স্মিথ। তিনি বলেন, ‘এই নিষেধাজ্ঞা ‘সম্মানসূচক ব্যাজের মতো’ পরিধান করবেন।’

এক টুইট বার্তায় এই নয় নাগরিকের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, ‘চীন যদি অভিযোগ অস্বীকার করতে চায়, তাদের উচিত শিনজিয়াংয়ে জাতিসংঘের প্রবেশে অনুমতি দেওয়া।’

 

শিনজিয়াংয়ের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের শিবিরগুলোতে চীন উইঘুরদের আটকে রেখে নির্যাতন, জোরপূর্বক শ্রম ও যৌন নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে বারবার। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে চীন একে পুনঃশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেছে।

নিষেধাজ্ঞা থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন গবেষক ছাড়াও আরও আছেন টরি এমপি নুসরাত গানি ও টম ট্যুগেনডাট। নিষেধাজ্ঞার ফলে তারা চীনে প্রবেশ করতে পারবেন না।

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যই ছাড়াও শিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশটির কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও কানাডা।

যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরে প্রার্থনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

অনলাইন ডেস্ক।।

রাজা লক্ষণ সেনের আমলে প্রতিষ্ঠিত সাতক্ষীরার যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরে প্রার্থনায় অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশে সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এর আগে হেলিকপ্টারযোগে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে যান নরেন্দ্র মোদি।

নরেন্দ্র মোদি সাতক্ষীরা সফর শেষে সেখান থেকে যাবেন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। সেখানে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তিনি। নরেন্দ্র মোদি টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছার আগেই সেখানে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনিই ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সেখানে স্বাগত জানাবেন।

 

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে নরেন্দ্র মোদি একটি গাছের চারা রোপণ করবেন বলে জানা গেছে।
এরপর সেখান থেকে তিনি যাবেন কাশিয়ানীর ওড়াকান্দিতে। সেখানে তিনি হরিচাঁদ ঠাকুরের বাড়িতে শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের মন্দিরে পূজা-অর্চনা করবেন। পরে তিনি মতুয়া প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এরপর আবার ঢাকায় ফিরে আসবেন মোদি।

যুক্তরাষ্ট্রে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ২ প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, নতুন নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক।।

অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র সামরিক বাহিনীর বর্বরোচিত দমন-পীড়নের ঘটনায় চাপ বাড়াতে মিয়ানমার জান্তার সরকারের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করল ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র।

ইকোনমিক করপোরেশন ও মিয়ানমার ইকোনমিক হোল্ডিংস লিমিটেডের ওপর ব্যবসায়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব বিভাগ।

এ নিষেধাজ্ঞার ফলে মিয়ানমার সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান দু’টির যুক্তরাষ্ট্রে থাকা যেকোনও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিষিদ্ধ ঘোষিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য বা ব্যবসায়িক লেনদেন রাখতে পারবে না। খবর বিবিসির।

 

এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেছেন, মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী, সেনাবাহিনীর অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং সামরিক বাহিনীর বর্বরোচিত দমন-পীড়নে সমর্থনকারীদের অর্থপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মিয়ানমার ইকোনমিক হোল্ডিংস লিমিটেডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে যুক্তরাজ্যও। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিকি রাব বলেছেন, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞায় মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর গণনিপীড়নে ব্যবহৃত অর্থের উৎসে টান পড়বে।

এর আগে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানে জড়িত বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল মার্কিন প্রশাসন। অবশ্য তারও আগে থেকেই মিয়ানমার সেনাপ্রধান মিন অং হ্লেইং মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকাভুক্ত। সোমবার মিয়ানমার সেনাসংশ্লিষ্ট ১১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও।

এদিকে মিয়ানমারে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবারও দেশটির শহরে শহরে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা তিনশ ছাড়িয়েছে। গত বৃহস্পতিবারই এ তালিকায় যোগ হয়েছেন অন্তত আরও নয়জন।

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নরেন্দ্র মোদির শ্রদ্ধা

অনলাইন ডেস্ক।।

গোপালগঞ্জে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে তিনি হেলিকপ্টারে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

শনিবার সকালে যশোরেশ্বরী কালিমন্দিরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে তিনি রওয়ানা দেন।

 

এরপর গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর ওড়াকান্দির ঠাকুরবাড়ির মতুয়া মন্দির পরিদর্শন ও প্রার্থনা করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী।। সকাল হলেই আসছেন মোদি- পাবেন লালগালিচা সংবর্ধনা।।

অনলাইন ডেস্ক।।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দুই দিনের এক রাষ্ট্রীয় সফরে আগামীকাল ঢাকা আসছেন। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর পাশাপাশি বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের ৫০ বছর পূর্তিতে মোদির এ সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

জানা গেছে, ২৬ মার্চ সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানাবেন। বিমানবন্দরে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হবে। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতার পর, তিনি সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর, তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে যাবেন।

বিকেলে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন হোটেল শেরাটনে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করবেন। পরে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ২৬ মার্চ বিকালে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানমালার দশম দিনের অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে যোগ দেবেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করবেন। সন্ধ্যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে যৌথভাবে উদ্বোধন করবেন ‘বঙ্গবন্ধু-বাপু যাদুঘর’। সেখানে মোদি তার সম্মানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আয়োজিত রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় যোগ দেবেন।

সফরের দ্বিতীয় দিন, ২৭ মার্চ সকালে নরেন্দ্র মোদি গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ পরিদর্শন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। তিনি সাতক্ষীরার শ্যামনগরের ঈশ্বরিপুরে অবস্থিত যশোরেশ্বরী দেবী মন্দির পরিদর্শন এবং গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলায় ওরাকান্দি মন্দির পরিদর্শন করবেন।

বিকেলে, মোদি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। এ সময় দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ভার্চুয়ালি যৌথভাবে বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধনের কথা রয়েছে। পরে, বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

নরেন্দ্র মোদি ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় প্রস্তুত সাতক্ষীরা

অনলাইন ডেস্ক।।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাতক্ষীরায় আগমন উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলাজুড়ে ইতিমধ্যে সকল ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থেকে শুরু করে পৃথক ৪টি হেলিপ্যাড প্রস্তুত করা হয়েছে।

নরেন্দ্র মোদির সফরকে ঘিরে ইতিমধ্যে ভারতীয় হাইকমিশনার, র‍্যাব মহাপরিচালক ও সেনাবাহিনীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তরা সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রাজা প্রতাপাদিত্যের রাজধানী ধুমঘাট এলাকা ও ঈশ্বরীপুর যশোরেশ্বরী কালী মন্দিরসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেছেন।

এছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন শ্যামনগরে। নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়েছে ঈশ্বরীপুর।

প্রশাসন সূত্র জানায়, মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২৬ মার্চ বাংলাদেশ সফরে আসবেন নরেন্দ্র মোদি। পরদিন ২৭ মার্চ তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের দেবীর ৫১ শক্তিপীঠের মধ্যে অন্যতম পবিত্র শক্তিপীঠ হিসাবে পরিচিত সুন্দরবন সংলগ্ন ঈশ্বরীপুর যশোরেশ্বরী কালী মন্দিরটি পরিদর্শন করবেন। তার আগমনে সকল ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

ঈশ্বরীপুর যশোরেশ্বরী মা কালী মন্দির পরিদর্শন করবেন মোদি

মতুয়া সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান হিসাবে পরিচিত এই মন্দির দর্শন করতেই নরেন্দ্র মোদি ঈশ্বরীপুর যশোরেশ্বরী মা কালী মন্দিরের পূজা অর্চনায় যোগ দেবেন। ফলে মতুয়া সম্প্রদায় ও মন্দিরসংলগ্ন এলাকায় চলছে উৎসবের আমেজ।

ইতিমধ্যে ইশ্বরীপুর ও সোবহান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠসহ পৃথক মোট ৪টি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে। চারদিকে সাজসাজ রব চলছে। এলজিইডির তত্ত্বাবধানে মন্দিরের মাঠ ও সংলগ্ন রাস্তাঘাটসহ সাতক্ষীরা থেকে শ্যামনগর অভিমুখী রাস্তাগুলো কার্পিটিং দিয়ে সংস্কার করা হয়েছে। এছাড়া যশোরেশ্বরী মা কালীমন্দিরের আশপাশের ছোট-বড় বাজারঘাট পাকা করা হয়েছে।

মোদির আগমনে প্রস্তুত হ্যালিপ্যাড

ভারত ও বাংলাদেশের পৃথক নিরাপত্তা টিমসহ ভারতীয় হাইকমিশনার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া স্থানীয় এমপি জগলুল হায়দার, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল, পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ মোস্তাফিজুর রহমান, শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আতাউল হক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর গিফারীসহ প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত এলাকায় গিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন।

শ্রী শ্রী যশোরেশ্বরী কালী মন্দিরের পুরোহিত দিলীপ মুখার্জী জানান, হিন্দু ধর্মালম্বীদের মধ্যে শ্রী শ্রী যশোরেশ্বরী কালী মন্দির একটি অন্যতম পবিত্রপীঠ স্থান। বিশ্বের মধ্যে অন্যতম এটি। শক্তির দেবী মা কালী। তার দেহকে খণ্ড-বিখণ্ড করে শ্রীলংকা, নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেয়া হয়েছিল। ৫১টা স্থানে তার শরীরের অংশ বিশেষ পড়েছিল।

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় প্রস্তুত সাতক্ষীরা

বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাসহ প্রশাসন থাকছে নিরাপত্তায়

তিনি আরও বলেন, এই শ্যামনগরে মায়ের করকমল পড়েছিল। সেই সময় থেকে এখানে এই শ্রী শ্রী যশোরেশ্বরী কালী মন্দির প্রতিষ্ঠিত। আদিকাল থেকে এখানে বহু ভক্তের সমাবেশ ঘটে। প্রতি কার্তিক মাসে এখানে শ্যামা পূজা হয়। বহু ভক্তবৃন্দ তাদের ভক্তি নিবেদনের জন্য এখানে আসেন। তেমনি বিশ্বনন্দিত নেতা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মদি ভক্তি নিবেদনের জন্য দেবী মায়ের চরনতলে আসছেন।

পুরোহিত আরও বলেন, মোদির আগমনে বাংলাদেশসহ পুরো শ্যামনগরবাসী আনন্দে উচ্ছ্বাসিত। তার আগমনে মন্দিরটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পাবে আরো পরিচিতি। তাই তার আগমনে ব্যাপক উৎফুল্ল ঈশ্বরীপুর মতুয়া সম্প্রদায়।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদি যোগদানের একদিন পরেই সাতক্ষীরায় আগমন করবেন। এটি সাতক্ষীরাবাসীর খুবই গৌরবের বিষয়। তার আগমনে হ্যালিপ্যাড থেকে মন্দির পর্যন্ত সাতক্ষীরার ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সুন্দরবনের জীব-বৈচিত্র ফুটিয়ে তোলা হবে। সেজন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সকল ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন।