খুলনার রূপসায় ভাইয়ের আঘাতে ভাইয়ের মৃত্যু

//রূপসা প্রতিনিধি//

খুলনার রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়ন শিয়ালী মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত নীরধ বালার ছেলে চিত্তরঞ্জন বালা (৬২) চাচাতো ভাইর আঘাতে মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, বেশ কিছুদিন ধরে প্রায়ই ঝগড়া করতে দেখা গেছে। গত ২৩ এপ্রিল সকাল ১১ টায় নিজ বাড়িতে পূর্নরায় কথা কাটাকাটির সৃষ্টি হয়। এ সময় চাচা সমীর কুমার বালা (৮০) ও তার দুই ছেলে সনত বালা (৪৫) এবং সুলভ বালা (৩৫) এর সাথে ১ শতক জমি নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যয়ে তার হাতে বাড়ি লাগে এবং আঘাতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তাৎক্ষণিক তাকে ধরাধরি করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাঃ অভিজিত রায় মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এস আই মোস্তফা কামাল জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের  জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

মামলার প্রস্তুতি চলছে।

হাইমচরে পূর্ব শত্রুতার জেরে নিরীহ পরিবারের উপর বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলা, আহত ২

মোঃ হোসেন গাজী।।

হাইমচরের জনতা বাজার সংলগ্ন পূর্ব দিকে মিজি বাড়িতে রসু মিজি ও তাহার সন্ত্রাসী বাহিনীরা,নিরীহ মমিনা বেগম,স্বামীঃ আব্বাস মিজি-কে হত্যার চেষ্টায় মারধর করে রসু মিজির সন্ত্রাসী বাহিনীরা,,,

হাইমচর উপজেলার ৩’নং দক্ষিণ আলগী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের,জনতাবাজার মিজি বাড়িতে পূর্ব শত্রুতার জেরধরে নিরীহ পরিবারের উপর বর্বরোচিত সন্ত্রাসী স্টাইলে হামলা চালায়।

২৩’শে এপ্রিল শনিবার বিকাল ৪ টায়  মিসেস মমিনা বেগম,স্বামীঃআব্বাস মিজি’এর উপর অতর্কিত হামলা করেন,,,উগ্র ও বেপরোয়া রসু মিজি, আনোয়ার মিজি,আমজাদ মিজি,রুবি বেগম সহ আরো অনেকেই-সর্বসাং পূর্ব চর কৃষ্ণপুর।

মমিনা বেগম’কে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ধারা আঘাত করলে গুরুতর আঘাতের কারণে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে মমিনা বেগম।প্রতিবেশীদের সাহায্যে স্বামীঃ আব্বাস মিজি মমিনা বেগম’কে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান,আমেনার মাথায় গুরুতর আঘাত ও ক্ষত রয়েছে,এলোপাথাড়ি মারধর এর কারণে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম রয়েছে।

আমেনার স্বামী বলেন,রসু মিজির অত্যাচারে আমরা আমাদের বসদ ভিটা বিক্রিকরে অন্যত্র চলে যাবার চিন্তা করছি।আমরা রসু মিজি ও তাহার পরিবারের ভয়ে মুখ খুলে জোরে কথাটুকু বলতে পারিনা,আজ আমার স্ত্রী’কে তারা ৫/৭জন একত্রে এলোপাথাড়ি মারধর করে,,,অত্র এলাকার চেয়ারম্যান ও মেম্বার দের কাছে গীয়ে ও আমরা বিচার পাইনি।আমরা এখন আইনের মাধ্যমে এই বর্বরোচিত  হামলার ন্যয় বিচারের প্রার্থনা করছি।

এবিষয়ে রসু মিজি গং দের বাড়িতে গেলে তারা বাড়িতে নেই বলে সংবাদকর্মীদের কিছু বলবেনা বলে এড়িয়ে যান।এবিষয়ে হাইমচর থানায় একটি অভিযোগ করেন মমিনা বেগমের স্বামী আব্বাস মিজি।

স্পেনে নোভাটেকের সাবেক শীর্ষ ব্যবস্থাপক, তার স্ত্রী ও মেয়েকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

নোভাটেকের প্রাক্তন শীর্ষ ব্যবস্থাপক সের্গেই প্রোটোসেনিয়ার মৃতদেহ এবং তার স্ত্রী ও কন্যার মৃতদেহ স্পেনের ললোরেট ডি মার শহরের একটি বাড়িতে পাওয়া গেছে।

টেলিসিনকো টিভি চ্যানেলের মতে, স্পেন তিনজনের মৃত্যুর তদন্ত শুরু করেছে – প্রোটোসেনিয়া, তার স্ত্রী এবং মেয়ে। কাতালোনিয়ার পুলিশ বিশ্বাস করতে আগ্রহী যে লোকটি তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে এবং তারপর আত্মহত্যা করেছে।

Telecinco এবং El Punt Avui এর মতে, সের্গেই প্রোটোসেনিয়ার স্ত্রী ও মেয়ের দেহে ছুরিকাঘাতের ক্ষত ছিল। তাদের বিছানায় পাওয়া গেছে, যখন বাগানে লোকটির লাশ পাওয়া গেছে। তার পাশে একটি কুড়াল ও একটি ছুরি পাওয়া গেছে।

প্রাক্তন নোভেটেক ম্যানেজারের ভাগ্য অনুমান করা হয়েছিল 400 মিলিয়ন ইউরো।

প্রোটোসেনিয়া ফ্রান্সে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। পরিবারটি ইস্টার ছুটিতে স্পেনে এসেছে।

18 এপ্রিল, গাজপ্রমব্যাঙ্কের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিস্লাভ আভায়েভ, তার স্ত্রী এবং মেয়েকে মস্কোতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশের ধারণা, ব্যবসায়ী তার স্ত্রী ও মেয়েকে গুলি করে হত্যা করেন এবং পরে আত্মহত্যা করেন।

PJSC Novatek প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে নিযুক্ত একটি কোম্পানি। উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে এটি রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম কোম্পানি।

মাগুরা মহম্মদপুরে পারিবারিক সংঘাতে কবির নামে এক ব্যক্তি খুন

সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধিঃ

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের মোবারেকপুর গ্রামে প্রতিপক্ষের আঘাতে কবির (৫১)  নামে এক ব্যক্তি খুন হয়েছে। নিহত ব্যক্তি ঐ এলাকার মৃত রইজউদ্দীনের ছেলে বলে জানা যায় ।

নিহতের পরিবার ও এলাকা সূত্রে জানা যায়, ১৯ এপ্রিল মঙ্গলবার দিবাগত রাত অনুমান ১.৩০ ঘটিকার দিকে খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এর আগে গত শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজনের আঘাতে আহত হয়ে  প্রথমে পার্শ্ববর্তি নড়াইল জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়।অবস্থার অবনতি ঘটলে সেখান থেকে খুলনায় নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মারা যায়।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে দুই পরিবারের ছেলেদের মাঝে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়।এর থেকেই উভয় পরিবার বড় ধরনের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে নিহত কবির ও তার ভাই আরব আলী মারাত্মক আহত হয়। স্থানীয়রা দ্রুত তাদেরকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। নিহত কবিরের অবস্থা বেশি খারাপ হলে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

এঘটনায় এলাকার পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ কলিম উল্লাহ,সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাফিজুর রহমান,মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোঃ ইকরাম হোসেন, তদন্ত ওসি এবিএম দোহা সহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্য।

নহাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জনাব মোঃ হুমায়ুন কবির বলেন, আমরা ঘটনা শুনার পরপরই সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি। দুই পরিবার যদি প্রাথমিক অবস্থায় পুলিশের শরণাপন্ন হতো তাহলে এমন ঘটনার সূত্রপাত হতোনা। এলাকার পরিবেশ শান্ত আছে।এলাকায়  সার্বক্ষনিক পুলিশ টহল চলছে। মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এখনো পর্যন্ত কাওকে আটক করা হয় নি।

English Dainikbiswa

বরিশালে ভুয়া পুলিশ আটক

 

আফগানিস্তানের সেহ ডেকান মসজিদে বিস্ফোরণ- নিহত ৫

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরীফের সেহ ডেকান মসজিদে বিস্ফোরণে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫০ জনেরও বেশি।

আফগানিস্তানের টোলো নিউজ অনলাইনের বরাত দিয়ে চীনের সিজিটিএন এ খবর জানিয়েছে। বিস্ফোরণে আহতদের হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

এক তালেবান কমান্ডার জানান, যে মসজিদটিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, সেটিতে সংখ্যালঘু শিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন নামাজ পড়েন।

মাজার-ই-শরীফে তালেবান কমান্ডারের মুখপাত্র মোহাম্মদ আসিফ ওয়াজেরি বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানান, শিয়া মসজিদে ওই বিস্ফোরণে ২০ জনের বেশি হতাহত হয়েছেন।

তবে প্রাদেশিক স্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র জিয়া জেনদানি বলেন, বিস্ফোরণে অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন; আহত হয়েছেন ৫০ জনের বেশি।

তাৎক্ষণিকভাবে এ হামলার দায় কেউ স্বীকার করেনি। তবে সন্দেহের তীর আইএসকেপির (ইসলামিক স্ট্যাট অব খোরাসান প্রোভিন্স) দিকে।

এ হামলার ঘটনার দুইদিন আগেই আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের পশ্চিমে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বোমা হামলায় অন্তত ৬ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন ১১ জন।

বাগেরহাটের রামপালে চাচাতো ভাইকে কুপিয়ে হত‍্যা, আটক-১

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

বাগেরহাটের রামপালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাবা-ছেলের হামলায় মল্লিক দিদারুল আলম (৫০) নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। বুধবার (২০ এপ্রিল) তারাবির নামাজের পরে রামপাল উপজেলার কুমলাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, আ. সাত্তার মল্লিক ও তার ছেলে আবু বক্কর মল্লিকের পিটুনি ও দায়ের কোপে গুরুতর আহত হন দিদারুল। পরে তাকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় হামলাকারী আ. সাত্তার মল্লিককে (৬৩) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে তার ছেলে আবু বক্কর ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।

নিহত মল্লিক দিদারুল আলম কুমলাই গ্রামের ইউনুস মল্লিকের ছেলে। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুদ্দিন বলেন, আ. সাত্তারের স্ত্রী নেই। তার বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ রয়েছে। এই সমস্যার সমাধান করতে তাকে ফের বিয়ে করিয়ে দেওয়ার জন্য ছেলে আবু বক্করকে পরামর্শ দেন মল্লিক দিদারুল আলম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাবা-ছেলে মিলে মল্লিক দিদারুল আলমের ওপর হামলা করে। তার শরীরে বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্রের কোপের চিহ্ন রয়েছে।

এঘটনায় নিহতের ভাই দেলোয়ার মল্লিক বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল)  সকালে একটি হত‍্যা মামলা দায়ের করেছে।

ওসি আরো বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সকালে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।  হামলাকারী আ. সাত্তারকে গ্রেফতার করেছি এবং ছেলে আবু বক্করকে গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব‍্যাহত আছে।

English Dainikbiswa

রাজধানীর নিউ মার্কেটে সংঘর্ষে ২য় যুবকের মৃত্যু

রাজধানীর নিউ মার্কেটে সংঘর্ষে ২য় যুবকের মৃত্যু

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত আরেক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম মোরসালিন (২৬)। তিনি নিউ মার্কেটের একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এর আগে ঘটনার দিন রাতেই নাহিদ (১৮) নামে আরো এক যুবকের মৃত্যু হয়। তিনি এলিফ্যান্ট রোডে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন।

নিয়ে সংঘর্ষে দুজনের মৃত্যু হলো

নিহত মোরসালিনের বাড়ি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দির কালাই নগর গ্রামে। বর্তমানে কামরাঙ্গীরচর পশ্চিম রসুলপুরে দুই মেয়েসহ পরিবার নিয়ে থাকতেন। তার বাবার নাম মৃত মোঃ মানিক মিয়া।

তার স্ত্রী অনি আখতার মিতু জানান, নিউ মার্কেটে একটি শার্টের দোকানে চাকরি করতেন মোরসালিন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার মধ্যরাতে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেও মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের দফায় দফায় শুরু হয় সংঘর্ষ। যা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। বুধবারও ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। তিন দিনের এ ঘটনায় উভয়পক্ষের শতাধিক আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।

 

খুলনার রূপসায় পাওনা টাকা চাওয়ায় হৃদয় নিহত, আহত ২

//রূপসা প্রতিনিধি//

রূপসায় পাওনা টাকা চাওয়ার অপরাধে হৃদয় নামেএক যুবক ছুরিকাঘাতে নিহত, আহত- ২

রূপসায় পাওনা টাকা চাওয়ার অপরাধে হৃদয় শেখ (১৯) নামে এক যুবক ছুরিকাঘাতে নিহত ও দুইজন আহত হয়েছে।

আহতরা হলো বাগমারা গ্রামের মৃত আবুল কালাম সরদারের ছেলে মিঠু (২২) ও বাগমারা আদর্শ গলির ফল ব্যবসায়ী আফসার শেখ এর ছেলে নাজমুল শেখ (২২)।

আজ সন্ধ্যায় পূর্ব রূপসা বাসস্ট্যান্ড পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এঘটনা ঘটে। আহত মিঠু খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও নাজমুল রূপসার স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

খুলনার রূপসায় পাওনা টাকা চাওয়ায় হৃদয় নিহত, আহত ২

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে বাগমারা গ্রামের মীর বাড়ির মৃত আবুল কালাম সরদারের ছেলে মিঠু সরদার ও তার খালাতো ভাই হারুন শেখ এর ছেলে হৃদয় পূর্ব রূপসা বাসস্ট্যান্ড পুলিশ ফাঁড়ির সামনে চায়ের দোকানদারি করে আসছিলো। গত কয়েক মাস ধরে পূর্ব রূপসা বাজারের আড্ডা গলির মৃত পলাশের ছেলে হৃদয় ও অন্তর মিঠুর দোকানে বাকিতে চা ও অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী খায়।

বুধবার ২০ এপ্রিল দুপুরে হৃদয় ও অন্তরের নিকট পাওনা টাকা  মিঠু চাইলে উভয়ের মধ্যে বাক-বিতন্ডা হ য়।

ওই ঘটনার জের ধরে সন্ধ্যার দিকে হৃদয় ও অন্তর,তুহিনসহ ১০-১২ জন দোকানে এসে মিঠুকে মারপিটসহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে ধরে নিয়ে যেতে  থাকে। এসময় মিঠুকে তাদের কবল থেকে রক্ষা করতে খালাতো ভাই হৃদয় এগিয়ে গেলে তার পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় তারা।

এসময় নাজমুল প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়। পরে হৃদয়ের পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা রক্তাক্ত জখম অবস্থায় আহত মিঠু ও হৃদয়কে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হৃদয়কে মৃত ঘোষণা করেন।

এখবর পেয়ে রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।  দুইজনকে জিজ্ঞসাবাদের জন‍্য আটক করা হয়েছে।

এঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক সার্কেল রাজু আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ঘটনার সাথে জড়িত যুবকদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

English Dainikbiswa

নিউমার্কেটের সংঘর্ষে রামদা হাতে বেপরোয়া হেলমেটধারীকে ধরতে মাঠে নেমেছে পুলিশ

রূপসায় স্কুল ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অপরাধে যুবকের কারাদণ্ড

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে পুকুরে ডুবে প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যু

মাহাবুব আলম,রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার লেহেম্বা ইউনিয়নের গোগর ঝাড়বাড়ি গ্রামের একটি পুকুর থেকে ( ২০ এপ্রিল বুধবার) দুপুরে এক মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। মৃত শিশুটির নাম দুর্জয় কর্মকার(৯)। সে গোগর ঝাড়বাড়ি গ্রামের চুনু কর্মকারের ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুর্জয়  একজন মানসিক প্রতিবন্ধী। (গত  ১৯ এপ্রিল মঙ্গলবার)  বিকেলে সে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। সন্ধায় বাড়িতে ফিরে না এলে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায় নি। এ নিয়ে ওই রাতেই দুর্জয়ের বাবা রাণীশংকৈল থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করেন।  পরদিন বুধবার ২০ এপ্রিল  দুপুরে স্থানীয়রা ওই গ্রামের কাতিয়া নামক পুকুরে  দুর্জয়ের লাশ দেখতে পায়। তারা ফোনে রাণীশংকৈল থানা পুলিশের অনুমতি নিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

এদিকে মৃত দুর্জয়ের মা তাপসী রাণী  রাণীশংকৈল ও পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের নামে অভিযোগ করে বলেন আমি গতকাল ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে ফোন দিই কিন্তু তারা শিশুটি পুকুরে পড়ছে কিনা বিষয়টি নিশ্চিত না করলে তারা আসতে পারবে না বলে জানান।

এ ব্যাপারে রাণীশংকৈল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নাসিম ইকবাল বলেন , মৃত দুর্জয় কর্মকারের পরিবার গতকাল ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে এসেছিল। তারা শিশুটি নিখোঁজ হবার কথা জানান এবং পুকুরে পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেন নি।তাই আমরা ঘটনা ও ঘটনাস্থল নিশ্চিত না হওয়ায় সেখানে যেতে পারিনি।

রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ এস এম জাহিদ ইকবাল জানান, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ সৎকারের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

নিউমার্কেটের সংঘর্ষে রামদা হাতে বেপরোয়া হেলমেটধারীকে ধরতে মাঠে নেমেছে পুলিশ

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় খাবার দোকানের তুচ্ছ ঘটনার জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় বুধবার বিকাল পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। তবে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টির পেছনে ‘একাধিক গোষ্ঠির’ উসকানির তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তাদের সম্পর্কে নিশ্চিত হতে সন্দেহভাজন অন্তত ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতের সংঘর্ষ ও ধাওয়াপাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ছিল তাৎক্ষণিক। তবে মঙ্গলবার দিনভর থেমে থেমে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের নেপথ্যে উসকানি দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ঢাকা কলেজের বেশ কয়েকটি ছাত্র সংগঠনের নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে নিউমার্কেট এলাকা থেকে বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে- তা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ফুটেজে ঘুরে ফিরে বেশ কয়েকজন যুবককে অতিমারমুখি দেখা গেছে। মঙ্গলবার দুপুর দুইটার দিকে ঢাকা কলেজ এলাকায় রামদা হাতে বেপরোয়া হেলমেটধারীকে ধরতেও মাঠে নেমেছে পুলিশের একটি দল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা গেছে, উসকানিদাতাদের সঙ্গে যোগসূত্র থাকায় কাউকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে সন্দেহভাজন যে ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তাদের বেশিরভাগই হকার ও দোকান কর্মচারী। এ ছাড়া ঢাকা কলেজের কয়েকটি ছাত্র সংগঠনের কয়েক নেতার গতিবিধির ওপর নজর রাখছে গোয়েন্দারা।

এদিকে, ব্যবসায়ী-কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনার পর বুধবার পরিস্থিতি শান্ত হলেও পুরোপুরি সচল হয়নি নিউমার্কেট এলাকা। সেখানকার সব মার্কেটের দোকানপাট বুধবার সারাদিন বন্ধ ছিল। ঢাকা কলেজের প্রধান ফটক ছিল তালাবদ্ধ। নতুন করে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। পুরো এলাকায় মোতায়েন আছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ।

মঙ্গলবারের মতো আজ (বুধভার) ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের রাজপথে কোনো ধ্বংসাত্মক তৎপরতা ছিল না। শিক্ষার্থীরাও সারাদিনে রাস্তায় নামেনি। কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরের পরিবেশ ছিল থমথমে। ক্যাম্পাসের ভেতর দুই-চারজনকে চলাচল করতে দেখা গেছে। প্রশাসনিক ভবনের সামনে ছিল কর্মচারীদের অবস্থান। কলেজের প্রধান ফটক ছিল তালাবদ্ধ। তবে সকালের বৃষ্টিতে ভিজে ধানমণ্ডি আইডিয়াল কলেজের একদল শিক্ষার্থী ঢাকা কলেজের ছাত্রদের পক্ষে সহাবস্থান জানাতে নিউমার্কেট এলাকায় যায়। বৃষ্টিতে ভিজে তারা সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করে। পরে পুলিশ বুঝিয়ে তাদের ফেরত পাঠায়।

প্রসঙ্গত, সোমবার তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে হোটেল কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঝামেলার সূত্রপাত হয়। পরে তা রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। পুরো নিউ মার্কেট এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সোমবার রাতে শুরু হয় সংঘর্ষ থেমে থেমে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত চলে। কটি কুরিয়ার সার্ভিসের ডেলিভারিম্যান নাহিদ দুপক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন। ঢাকা কলেজ কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে সব ছাত্রাবাস বন্ধ ঘোষণা করেন এবং শিক্ষার্থীদের ছাত্রাবাস ছাড়ার নির্দেশ দেন।