ঝালকাঠিতে লঞ্চে আগুন।। মৃত্যু ৪২। ২দর্শকের মৃত্যু। ছবিসহ বিস্তারিত জানুন…

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে বরগুনা গামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের  ঘটনায় আজ পর্যন্ত ৪২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দগ্ধ শতাধিক ও নিখোঁজ রয়েছেন ৪৬ জন। ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬জন,বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬২জন, ঢাকা পাঠানো হয়েছে ৮জন। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া  জানাযায়নি।

ঝালকাঠিতে লঞ্চে আগুন।। মৃত্যু ৪২। ২দর্শকের মৃত্যু। ছবিসহ বিস্তারিত জানুন...
এমভি অভিযান-১০

২৪/১২/২০২১ইং তারিখ শুক্রবার রাত ৩টার দিকে সুগন্ধা নদীর দিয়াকুল নামক এলাকায় ঢাকা থেকে বরগুনা গামী লঞ্চটিতে আগুন লাগে। এক সূত্রে জানা যায়,  লঞ্চটির ইঞ্জিন কক্ষ থেকে আগুনের সূত্র পাত হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এ খবর পেয়ে বরিশাল, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠির কোস্ট গার্ডসহ ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট উদ্ধার কাজ করছেন।

বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক কামাল হোসেন ভূঁইয়া এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঝালকাঠিতে লঞ্চে আগুন।। মৃত্যু ৪২। ২দর্শকের মৃত্যু। ছবিসহ বিস্তারিত জানুন...
উদ্ধার কর্মী , অসংখ্য দর্শক

খবর পেয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বিকাল তিনটায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জন প্রতি নিহত পরিবারকে দেড়লাখ টাকা ও দাফনের জন্য ২৫ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষনা দেন। এবং অগ্নিদগ্ধদের চিকিৎসার সকল ব্যায় সরকার বহন করবে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।

ঝালকাঠিতে লঞ্চে আগুন।। মৃত্যু ৪২। ২দর্শকের মৃত্যু। ছবিসহ বিস্তারিত জানুন...
জীবন বাঁচাতে লঞ্চের উত্তপ্ত ডেকে হেটে পায়ের তল পুড়ে গিছে

এসময় অগ্নিকান্ডের ঘটনায়  নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিবকে প্রধান করে ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি কে আগামী ৩ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান ।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর অগ্নিকান্ডের প্রকৃত কারন উদঘাটনের পর র্দূঘটনার জন্য দায়ীকে বা কারো দায়িত্বে অবহেলা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঝালকাঠিতে লঞ্চে আগুন।। মৃত্যু ৪২। ২দর্শকের মৃত্যু। ছবিসহ বিস্তারিত জানুন...
আগুণ লাগা এমভি অভিযান-১০ লঞ্চ

এদিকে জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলী জানায়, দূর্ঘটনার কারন অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক কে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্তটিম গঠন করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত লাশ স্বজনদের শনাক্তের জন্য পৌর মিনিপার্কে রাখার পর এ পর্যন্ত ৬ জনকে শনাক্ত করেছে।

ঝালকাঠিতে লঞ্চে আগুন।। মৃত্যু ৪২। ২দর্শকের মৃত্যু। ছবিসহ বিস্তারিত জানুন...
সারিবদ্ধ মৃতদেহ

হাজার খানেক যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি ঢাকা থেকে বরগুনা যাচ্ছিল। ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে থাকা অবস্থায় লঞ্চটিতে আগুন লাগে। লঞ্চের একাধিক যাত্রী জানান, রাত ৩টার দিকে লঞ্চের ইঞ্জিন রুমে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো লঞ্চে। এসময় লঞ্চে বেশ কয়েকজন যাত্রী দগ্ধ হন। প্রাণে বাঁচতে অনেক যাত্রীই নদীতে ঝাঁপ দেন।সাইদুর নামের এক যাত্রী জানান, ‘রাতে ঢাকা থেকে বরগুনা ফিরছিলাম। লঞ্চটি ঝালকাঠি এলাকায় পৌঁছালেই ঞ্জিন রুমে আগুন লেগে যায়।

ঝালকাঠিতে লঞ্চে আগুন।। মৃত্যু ৪২। ২দর্শকের মৃত্যু। ছবিসহ বিস্তারিত জানুন...
পুড়ে যাওয়া মৃতদেহের অংশ

এরপর সে আগুন পুরো লঞ্চে ছড়িয়ে পড়ে। অসংখ্য মানুষ অগ্নিদগ্ধ হয়। প্রাণে বাঁচতে নদীতে ঝাপ দেন অনেক যাত্রী। নদী পাড়ে অপেক্ষায় থাকা আমেনা খাতুন জানান, ‘তার ভাই ঢাকা থেকে এ লঞ্চে রওনা দিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাচ্ছিনা। আমার ভাইয়ের সন্ধান চাই।’তবে লঞ্চের কেবিন গুলোতে অনেক মৃত্যু যাত্রীদের হাড় ও মাথার খুলি দেখা গেছে।

ঝালকাঠিতে লঞ্চে আগুন।। মৃত্যু ৪২। ২দর্শকের মৃত্যু। ছবিসহ বিস্তারিত জানুন...
পুড়ে যাওয়া মৃতদেহের অংশ

এদিকে চলন্ত লঞ্চে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ বাতাস ভারিহয়ে উঠেছে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর তীর। সকাল থেকে নদীতীরের গাবখান ধানসিঁড়ি এলাকায় অগ্নিদগ্ধদের স্বজনরা ভিড় করেন।লঞ্চটিকে বর্তমানে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের দেউড়ি সাইক্লোন শেল্টারের পাশে (বিষখালী নদীর তীরে) নোঙর করা হয়েছে।

 

মঠবারিয়া থানার নির্বাহী কর্মকর্তা প্রাণ বাঁচাতে তার স্ত্রীকে নিয়ে ঝাপ দিয়ে তারা দুজনেই প্রাণে বেঁচে যান কিন্তু তার স্ত্রীর পা ভেঙ্গে যায় । তিনি ঝালকাঠি হাসপাতালে চিকিৎসাথিন আছেন।

ঝালকাঠিতে-লঞ্চে-আগুন।। মোটরসাইকেলে দেখতে আসা যুবক দুর্ঘটনায় মুত্যু
দেখতে আসা দর্শকের মৃত্যু

মোটরসাইকেলে দেখতে আসা ঝালকাঠির ২ যুবক এক্সিডেন্টে নিহত।

ঝালকাঠিতে-লঞ্চে-আগুন।। দেখতে আসা দর্শকের মৃত্যু
দেখতে আসা দর্শকের মৃত্যু

//সায়েদ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মাগুরার প্রাণপুরুষ আসাদুজ্জামান এমপি’র মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে নিজ এলাকায় ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন

 

ঝালকাঠিতে লঞ্চে ভয়াবহ আগুন, ৩৯ লাশ উদ্ধার

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ”এমভি অভিযান-১০”  নামে একটি লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত ৩৯ জনের লাশ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে।

লঞ্চটি ঢাকা থেকে ৩১০ জন যাত্রী নিয়ে  বরগুনা যাচ্ছিল। ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে পৌঁছলে এতে আগুন ধরে যায়। বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ৩টার দিকে লঞ্চটিতে আগুন লাগে।

শুক্রবার সকালে ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. ফিরোজ কুতুবী যুগান্তরকে জানান, এখন পর্যন্ত ৩৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। উদ্ধারকাজ চলছে।

ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৭২ জন যাত্রী। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

লঞ্চটি বর্তমানে সুগন্ধা নদীর দিয়াকুল পাড়ে ভেড়ানো রয়েছে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।

 

ছাতকে প্রবাসীর বাড়ীতে হামলা

অনলাইন নিউজ ::

সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের ভুলাখালী গ্রামের মৃত ফজলুল হক মাষ্টারের বড় ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাবেক শিবির নেতা মো: আসয়াদুল হকের বাড়ীতে আওয়ামীলীগ , ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কিছু উশৃংখল নেতা কর্মীরা হামলা করে এবং তার অসুস্ত বৃদ্ধা মা এবং ছোট ভাইকে হুমকি দিয়ে যায়।

তারা কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে তার মাকে বলে যায় মোঃ আসাদুল হক যেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে লেখালেখি বন্ধ  করে, তা না হলে তার বিরুদ্ধে আমরা মামলা করব এবং সে যখনি দেশে আসবে তাকে এয়ারপোর্ট থেকে গুম করে দিব।

তারা আরো বলে আমরা ফেইসবুকের মাধ্যমে দেখেছি সে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে লংমার্চ নেতৃত্ব দিয়েছে যা বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে ।

মো: আসয়াদুল হক বিগত কয়েক বছর ধরে লন্ডনে বসবাস করে আসছেন।

দেশে থাকা কালিন সময়ে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন এবং পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের বিভিন্ন মেয়াদে  দায়িত্ব পালন করেন।

লন্ডনে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং মানবাধিকার সংগঠন “নিরাপদ বাংলাদেশ চাই” ও “জাস্টিস ফর ভিকটিমস” এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের অন্যায়,অত্যাচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে  কথা বলছে।

কলকাতা-দিল্লির টর্চার সেলের সন্ধান জানাল র‌্যাব

ইউরোপ-অষ্ট্রেলিয়ার পাঠানোর কথা বলে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানবপাচার হতো ভারতে। তারপর সেখানকার কলকাতা ও দিল্লির টর্চার সেলে চলত অকথ্য নির্যাতন। সেই নির্যাতনের ভিডিও ভিকটিমদের আত্মীয়দের কাছে পাঠিয়ে আদায় করা হতো লাখ লাখ টাকা। এমন সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়েনের (র‌্যাব) সদস্যরা।

রাজধানীর মিরপুর থেকে আটকদের কাছ থেকে নকল পাসপোর্ট, ভিসা ও দলিল দস্তাবেজ জব্দ করা হয়। সোমবার রাতে রাজধানীর পল্ল­বী ও উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে র‌্যাব-৪ এর একটি দল।

আটকরা হলেন- চক্রের মূলহোতা মলি­ক রেজাউল হক ওরফে সেলিম (৬২), তার দুই সহযোগী মো. বুলবুল আহমেদ মলি­ক (৫৫) ও নিরঞ্জন পাল (৫১)।

কলকাতা-দিল্লির টর্চার সেলের সন্ধান জানাল র‌্যাব

 

আটকরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদেশ যেতে ইচ্ছুক মানুষজনকে টার্গেট করে তাদের অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখাত। এ প্রলোভনে যারা রাজি হতো তাদের কাছ থেকে ১২-১৫ লাখ টাকা করে নিত। পরে চক্রটি প্রবাসে যেতে ইচ্ছুকদের বলত, বাংলাদেশ থেকে ভিসা পাওয়া জটিল, তাই তাদের ভারতে নিয়ে খুব সহজে কাঙ্ক্ষিত দেশে পাঠাবে। কারণ হিসেবে ভারত থেকে ভিসা পাওয়া সহজ বলে ভিকটিমদের জানায় চক্রটি।

তারা আরও জানায়, ভারতে নিয়ে গিয়ে ভিকটিমদের প্রথমে সেইফ হাউসে রাখা হতো। তারপর তাদের ওপর চলত অমানবিক নির্যাতন। এসব নির্যাতন চিত্রের ভিডিওধারণ করে বাংলাদেশে থাকা ভিকটিমদের পরিবারকে পাঠাত চক্রটি। পরিবারকে তারা এসব ভিডিও দেখিয়ে বলত, ১২-১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ না দিলে ভিকটিমকে মেরে ফেলবে। পরে ভিকটিমদের পরিবারগুলো প্রিয়জনকে বাঁচাতে সর্বস্ব বিক্রি করে চক্রটির সদস্যদের হাতে টাকা তুলে দিত।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে অবস্থিত র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক।

মোজাম্মেল হক বলেন, গত বছরের নভেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে জাহাঙ্গীর নামে এক ব্যক্তিকে ভারত পাচার করে দেয় চক্রটি। পাচার হয়ে যাওয়ার পর বেশ কিছুদিন ভারতের কলকাতায় আটক থাকেন জাহাঙ্গীর। আটক অবস্থায় কলকাতার টর্চার সেলে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। পরে নির্যাতনের এসব ভিডিও দেখিয়ে দেশে থাকা তার পরিবারকে চাপ দিয়ে অর্থ আদায় করে পাচারকারী চক্রটি। দেশে এসে ভিকটিম জাহাঙ্গীর চক্রটির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আমাদের কাছে। তার দেওয়া তথ্য ও অভিযোগ যাচাই করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে গতকাল (সোমবার) রাতে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে নকল পাসপোর্ট, পাসপোর্টের কপি, নকল ভিসা, আবেদনপত্র, বায়োডাটা, ছবি, মোবাইল, মোবাইল সিম একং নগদ টাকাসহ মানবপাচার সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জব্দ করা হয়।

তিনি বলেন, এ চক্রের মূলহোতা মলি­ক রেজাউল হক সেলিম ও তার সহযোগী বুলবুল আহমেদ মলি­ক এবং নিরঞ্জন পালসহ তাদের সহযোগী হিসেবে দেশে আরও ৫-৭ জন সদস্য রয়েছে। তাছাড়া ভারতেও তাদের বেশ কয়েকজন সহযোগী রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কলকাতার রাজিব খান, মানিক ও দিলি­র রবিন সিংদের নাম পাওয়া গেছে। বিগত কয়েক বছর ধরে এই চক্রটি সক্রিয়ভাবে মানব পাচারের করে আসছে। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদেশে গমন প্রত্যাশী নিরীহ মানুষকে টার্গেট করে। তাদের অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে (যেমন- পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, রোমানিয়া, গ্রিস, ফ্রান্স এবং মালটা) উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের পাঠানোর কথা বলে ভারতে পাচার করে দিত।

অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোতে ভারত থেকে ভিসা পাওয়া সহজ, এ কথা বুঝিয়ে তাদের বৈধ এবং অবৈধ পথে ভারতে পাচার করে দেয়। তবে পাচারের পর ভিকটিমদের আর ওইসব দেশে পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা নেয় না চক্রটি। তারা ভিকটিমদের সে দেশে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনসহ মেরে ফেলার হুমকি ও তা ভিডিও করে তাদের পরিবারের সদস্যদের দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ মুক্তিপণ হিসেবে আদায় করে আসছিল।

র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক বলেন, কলকাতা থেকে ভিকটিমদের নেওয়া হতো দিল্লির একটি টর্চার সেলে। পরে কলকাতার টর্চার সেলের দায়িত্বে থাকত ভারতীয় নাগরিক রাজিব খান ও মানিক এবং দিল্লি­র টর্চার সেলের দায়িত্বে থাকত রবিন সিং। পরে ওইসব টর্চার সেলে ভিকটিমদের ওপর চলত অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। এসব নির্যাতনের ভিডিওধারণ করে প্রত্যেকটি টর্চার সেলের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ চক্রটির মূলহোতার কাছে পাঠানো হতো। পরে মূলহোতা মলি­ক তার সহযোগীদের মাধ্যমে ভিডিও ভিকটিমদের পরিবারের কাছে পাঠাত। ভিকটিমদের পরিবারগুলো যে পর্যন্ত তাদের মুক্তির জন্য ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ না দিত সেই পর্যন্ত তাদের ওপর অমানসিক নির্যাতন চলতেই থাকত। এই চক্রটি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় সক্রিয় রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা আরও জানায়, ভিকটিমদের ফেনী, কুমিল্লা, নবাবগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর এবং ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করে ইউরোপে উন্নত চাকরি দেওয়ার নামে বৈধ এবং অবৈধ পথে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার করে। এ চক্রের অন্যান্য হোতাদের আটকে র‌্যাব-৪ এর অভিযান চলমান রয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে রূপনগর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সূত্র: যুগান্তর

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুরে দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার, বাদ যায়নি কোন ফাঁকা জায়গা

বাগেরহাটের রামপালে আ.লীগ নেতা ফিরোজ হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৫ গ্রাম পুরুষশূন্য, উত্তেজনা

বাগেরহাটের রামপালে আ.লীগ নেতা ফিরোজ হত্যার ঘটনায় ৫ গ্রামে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। উত্তেজিত জনতা আসামীদের বাড়িতে চড়াও হয়ে বসতঘর ও দোকানঘার ভাংচুর করায় আরও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা রামপাল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। উত্তেজনা প্রশমনের জন্যে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুরুষশূন্য গ্রামগুলি হলো ভাগা, কাদিরখোলা, সুলতানিয়া, কাষ্টবাড়িয়া ও চিত্রা। এ সব গ্রামের কতিপয় সন্ত্রাসীরা মূলত সংঘবদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ ঢালীকে হত্যা করে। সূত্র জানায়, একজন প্রভাবশালী রাজনীতিক ও তার অনুসারীরা রামপাল সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জামীল হাসান জামুকে কোনঠাসা করার চেষ্টা করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় কাষ্টবাড়িয়ার কথিত আওয়ামী লীগ নেতা সন্ত্রাসী ও রামপাল থানা পুলিশের দালাল বলে খ্যাত বেলাল বেপারীকে সামনে নিয়ে আসেন। তাকে ও তার ভাই বিএনপি নেতা আক্তার চেয়ারম্যানের হত্যাসহ বহু মামলার আসামি বাকি বেপারীগংদের সৃষ্টি করেন। তারা একের পরে এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করে। মৎস্যঘের দখল, চাঁদাবাজী, বহু মানুষকে মারপিট করে পঙ্গু করে দেয়াসহ নানান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে।

এরা উপজেলা পর্যায়ের এক নেতার সেন্টারে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তারা সাবেক চেয়ারম্যান জামুকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে হত্যার চক কষতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা ব্যার্থ হয়ে জামুর সহকারী ফিরোজ কে হিট করে। এ ঘটনায় রামপাল থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন শেখ এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হল তিনি জানান, এটা খুবই দুঃখজনক। প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে এবং কেউ হয়রানির শিকার না হয় সেটিও লক্ষ রাখার জোর দাবী করেন।

অভিযোগের বিষয়ে রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন বলেন, বাড়িঘর ভাংচুরের একই লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এ ব্যাপারে মোংলা সার্কেলের এএসপি আসিফ ইকবাল এর মোবাইল ফোনে বার বার চেষ্টা করেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে অসুস্থ থাকায় এমপি সালাম মুর্শেদীর খোঁজখবর

জাতীয় জাদুঘরে কবি জমির উদ্দিন মিলন সহ পনেরো লেখককে সংবর্ধনা

পটুয়াখালীর গলাচিপায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারি আহত দুই।

পটুয়াখালীর গলাচিপায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামরিতে দুইজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতরা হলেন উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জয়মানিক গ্রামের মৃত. মতলেব হাওলাদারের ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (৪৪) ও তার স্ত্রী মোসা. পিয়ারা বেগম (৩৮)।

আহতদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার সাইফুল ইসলাম জানান, আনোয়ার হোসেনের শরীরে কালো কালো দাগ আছে। তার বাম হাতে ও বাম পায়ে ফুলা জখমের চিহ্ন আছে। তার স্ত্রী পিয়ারা বেগমের বাম কানের লুতরি ছিড়ে যায় এবং শরীরে বিভিন্ন অংশে ফুল জখম রয়েছে।

আহত আনোয়ার হোসেন জানান, গত বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে ধান সিদ্ধ করাকে কেন্দ্র করে পাশর্^বর্তী ইউনিয়নের ছলেমান, মো. জুয়েল, মো. নিজাম, মো. সোহেল একত্রিত হয়ে আমাকে ও আমার স্ত্রীকে মারধর করে। পরে এলাকাবাসী আমাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

এ বিষয়ে আহত পিয়ারা বেগম জানান, আমার চিৎকারে এলাকার লোকজন না আসলে ওরা আমাকে মেরে ফেলত। প্রতিপক্ষ ছলেমানের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, পরস্পর আমরা আত্মীয়। বিষয়টি স্থানীয়দের সাথে বসে মীমাংসার ব্যবস্থা করতেছি।

এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে গলাচিপা থানায় মামলা করবেন বলে জানান। গলাচিপা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমআর শওকত আনোয়ার বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

//মোঃ তুহিন শরীফ, পটুয়াখালী প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাগেরহাটের রামপালে আওয়ামীলীগের প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১ আহত ২

 

বাগেরহাটের রামপালে আওয়ামীলীগের প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১ আহত ২

আধিপাত্যকে বিস্তার করে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষের হামলায় ফিরোজ ঢালী (৫০) নামের ১ ব্যক্তি নিহত ও ২ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, আওরঙ্গ (৪৫) ও হানিফ (৩০)। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত কাষ্টবাড়ীয়ার হানিফকে খুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ ৬ জনকে আটক করেছে। জানা গেছে, উপজেলার কাদিরখোলা গ্রামের ঘের ব্যবসায়ী ফিরোজ ঢালীর সাথে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও কথিত পুলিশের দালাল বলে খ্যাত বিল্লাল বেপারীর সাথে বিরোধ চলে আসছিলো।

ঘটনার দিন শুক্রবার বেলা ১১টায় ভাগা-কাদিরখোলা রাস্তার আবু সাইদ ও সামছুর বাড়ীর সামনে বিল্লাল বেপারী, মাহাজিব, বাবু, ইনাম, রুবেল, মামুন, আফছার, শাহাজান, রেজা, জনো, আলম, সজিব, সুমনসহ ২৫/৩০ জনের একটি দল চাপাতি, রড, রাম দা, চাইনিজ কুড়াল নিয়ে ওৎ পেতে থাকে বলে প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান। ওই সময় ফিরোজ ঢালী, হানিফ ও আওরঙ্গসহ সঙ্গীয় কয়েকজনকে সাথে নিয়ে ভাগা বাজার থেকে কাদিরখোলাস্থ বাড়ীতে ফিরছিলেন।

এসময় তাদের উপর এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। গুরুতর আহতদের প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা ফিরোজ ঢালীকে মৃত বলে ঘোষনা করে।

এ বিষয়ে জানার জন্য রামপাল থানার ওসির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি ওই সময় এসপি মহোদয়ের সাথে কথা বলছিলাম। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত জনতা মাহাজিবের দোকানঘর ভাংচুর করে।

এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ॥

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

‘একখান ঘর দেন, মরে গেলে নিয়ে নিয়েন’- রাস্তায় ঘুমানো এক বৃদ্ধা

জগন্নাথপুরে জাতীয় পার্টি নেতা মতছির আলী সাদ্দাম আর নেই

জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের হাছনফাতেমা পুর গ্রামের বাসিন্দা, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ সাধারণ সম্পাদক  মোঃ মতছির আলী সাদ্দাম (৬০) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

সোমবার দিবাগত রাতে সিলেট নগরীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।  মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, সন্তান সহ অসংখ্যা আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। (১৪ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার বিকেল ২ টা ১৫ মিনিটে স্থানীয় মসজিদ প্রাঙ্গনে মরহুমের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

জানাযায় রাজনৈতিক, সামাজিক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন শ্রেণী- পেশার মানুষ অংশ নেন।

এদিকে, জগন্নাথপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ সাধারণ সম্পাদক মতছির আলী সাদ্দামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন জগন্নাথপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান, সহ- সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম মাষ্টার, সহ সভাপতি মোঃ দিলু মিয়া, মানিক মিয়া তালুকদার, মোঃ মোফাজ্জল খান, প্রবীন নেতা ও মরহুমের বড় ভাই আতাউর রহমান আলতাব, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া, উপজেলা জাতীয় পার্টি নেতা মাহমদ আলী, সৈয়দ ছালিক মিয়া, এরশাদ মিয়া,আব্দুল কাহার, দুদু মিয়া, কাবুল চৌধুরী, আব্দুস শহীদ, ফিরোজ রানা, আবদাল মিয়া, আব্দুর রহমান, ছুরাব আলী, আরব আলী, বাদশা মিয়া, আখলিছ আলী, উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির আহবায়ক আলী আফছার, সদস্য সচিব মোঃ রফিক উদ্দিন, মস্তফা আলী, সুহেল আহমদ, রুপন আহমদ, সাহাব উদ্দীন, ইলিয়াছ মিয়া,আমীর আলী ও রনি মিয়া প্রমূখ।

নেতৃবৃন্দ জাতীয় পার্টি নেতা মতছির আলী সাদ্দামের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, তিনি ছিলেন জাতীয় পার্টির একজন পরিক্ষিত ও ত্যাগী নেতা। এরশাদ প্রেমিক হিসাবে পার্টির জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন। এ শুন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

// মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নোয়াখালী নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: ১৩ আসামির দশ বছরের দণ্ড

 

 শক্তিশালী ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ায়, সুনামি সতর্কতা

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

মঙ্গলবার ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে  ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর জেরে ওই এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল পূর্ব নুসা টেঙ্গারা প্রদেশের ফ্লোরস দ্বীপের উত্তরে।

পূর্ব ফ্লোরস এলাকার আন্দোনারার বাসিন্দা নুরাইনি বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমি মাঠে ছিলাম। লোকজন আতঙ্কে দৌড়ে পালাচ্ছে। আমি এখনও আতঙ্কে কাঁপছি।’

তাৎক্ষণিকভাবে ভূমিকম্পের প্রাণহানী ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে জানা যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপের (ইউএসজিএস) তথ্যে এ ভূমিকম্পে প্রাণহানীর শঙ্কা কম বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউএসজিএস বলছে, সম্প্রতি ওই এলাকায় আরও কয়েকটি ভূমিকম্প হয়েছিল। এ কারণে ক্ষতির ঝুঁকি কম রয়েছে। তবে ভূকম্পনের জেরে সুনামি ও ভূমিধস হলে তাতে ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

এক প্রতিবেদনে জানা যায়, প্রথম ভূকম্পন আঘাত হানার কিছুক্ষণ পর ৫ দশমিক ৬ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্পন আঘাত হানে।

এর আগে ২০০৪ সালে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় ৯ দশমিক ১ মাত্রার ভূকম্পন আঘাত হানে। এর জেরে যে সুনামি দেখা দেয় তাতে ২ লাখ ২০ হাজার মানুষের প্রাণহানী হয়। এরমধ্যে কেবল ইন্দোনেশিয়ায়ই মারা যান ১ লাখ ৭০ হাজার।

 

খুলনায় গৃহবধুকে কুপিয়ে হত্যা, জখম ২

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় দুর্বৃত্তের হামলায় তিলোত্তমা মন্ডল পুতুল (৪৫) নামের এক গৃহবধু নিহত হয়েছেন ৷ মারাত্মক আহত হয়েছেন একই পরিবারের আরও দুইজন। উপজেলার হাটবাড়িয়া খৈয়াতলা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার দিবাগত গভীর রাতে। সোমবার সকালে নিহত লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। নিহত পুতুল বটিয়াঘাটা উপজেলার বিত্তিশালুয়া বয়ারডাঙ্গা গ্রামের মৃত মহেন্দ্র মন্ডলের কন্যা। গত দুইদিন আত্মীয় প্রকাশ মিস্ত্রির বাড়িতে রয়েছেন তিনি। জখম হয়েছেন- প্রকাশ মিস্ত্রী ও তার স্ত্রী দীপিকা মিস্ত্রি।

ঘটনাস্থলে থেকে বটিয়াঘাটা থানার এস আই প্রভাস কুমার জানান, গত রাত ৩টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের ওপর আক্রমণ করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে পুতুলকে আক্রমণ করে। পুতুলের মুখে ও হাতে কুপিয়ে জখম করা হয়। এরপর ঘরে থাকা অপর দু’জন প্রকাশ মিস্ত্রি ও দীপিকা মিস্ত্রিকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। দীপিকা মিস্ত্রির অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। কি কারণে তাদের ওপর এ হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা তা এখনও জানা যায়নি। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বটিয়াঘাটার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহ জালাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গভীর রাতে কে বা কারা একই পরিবারের সবাইকে কুপিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করে। একজন নিহত হলেও দু’জনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযান চলছে।

//খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

এবার অস্ট্রেলীয় এমপি খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠাতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি