সোনারায়ে ঐতিহ্যবাহী ৫৩তম বার্ষিকী ইছালে ছাওয়াব মাহফিল ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের কিসামত সোনারায়  জামিরবাড়ী পীর সাহেবের বাড়ীতে  ৫৩ তম বার্ষিকী একরামিয়া ,মাহবুবিয়া , হাফিজুলিয়া ও আফজাজুলিয়া   ইছালে ছাওয়াব মাহফিল ২৯ও ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

উক্ত ইছালে ছাওয়াব মাহফিলে সভাপতিত্ব করবেন আওলাদে রাসূল (সা:)  সৈয়দ খন্দকার মোঃ এরফানুল হক  এম,এম গদ্দিনসিন পীর সাহেব, সহ- সভাপতিত্ব করবেন সৈয়দ খন্দকার মোঃ একরামুল হক (বাদশা হুজুর) আরবি প্রভাষক ,জামিরবাড়ী একরামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা।

 

ইছালে ছাওয়াবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বীরমুক্তিযোদ্ধা জনাব মোঃ আফতাব উদ্দিন সরকার, এম,পি নীলফামারী- ১ ও প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় জনাব মোঃ আজিজুর রহমান , চেয়ারম্যান গোপালগঞ্জ ইউপি, শ্যামপুর বদরগঞ্জ। জনাব মোঃ মমিনুল হক (রব্বু) বিশিষ্ট সার ব্যবসায়ী, ডোমার।

(২৯ ডিসেম্বর) বাদ আছর থেকে ওয়ায়েজ করবেন ফজরের নামাজের পূর্ব পর্যন্ত আল্লামা আবু সাঈদ আনসারী সাতক্ষীরা,  হযরত মাওলানা মুফতি সৈয়দ খন্দকার মোঃ এজহারুল হক (সাজু) আরবি প্রভাষক ,জামিরবাড়ী একরামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা, হযরত মাওলানা রজব আলী মাসুম লালমনিরহাট, হযরত মাওলানা আবেদ আলী ফারুকী , হযরত মাওলানা মোঃ মাজহারুল হক জিহাদী ও শিশু বক্তা মোঃ  নাজিরুল হক (নাহিদ) কিসামত সোনারায়।

একরামুল হক বাদশা হুজুর বলেন, বিগত বছর গুলোতে পার্শ্ববর্তী জেলা সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে  হাজার হাজার মুরিদ ইছালে ছাওয়াবে আসে। প্রথম দিন (২৯ডিসেম্বর ) বাদ আছর হতে আমন্ত্রিত মাওলানাগন তাফসির পেশ করবেন  (৩০ ডিসেম্বর) ফজরের নামাজের পূর্ব পর্যন্ত। ফজরের নামাজের পর আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিলের সমাপ্ত ঘোষণা করা হবে ।

//নীলফামারীর প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে গিয়ার প্রদান

সৌদি আরবে জুমার খুতবায় তাবলিগ জামাতের সমালোচনার নির্দেশ

সৌদি আরবে জুমার খুতবায় তাবলিগ জামাতের সমালোচনার নির্দেশনা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, সৌদি আরবের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স দপ্তরের মন্ত্রী ডা. আব্দুল লতিফ আল শাইখের জারি করা এক নির্দেশনায় জুমার খুতবায় তাবলিগ জামাতের বিরুদ্ধে কথা বলতে বলা হয়। তাবলিগ জামাত নিয়ে মানুষকে সতর্ক করতে মসজিদের ইমামদের নির্দেশনা দেওয়া হয় এতে।

সৌদির ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স দপ্তরের এক টুইটে মন্ত্রণালয় কর্তৃক লিখিত আরবি খুতবাতে তাবলিগ জামাতের কাজের নিন্দা করা হয়েছে। পাশাপাশি এ জামাতের ওপর দেওয়া হয়েছে কিছু অভিযোগ।

সৌদি সরকারের ওই ঘোষণায় বলা হয়, এটি (তাবলিগ জামাত) সন্ত্রাসবাদের একটি প্রবেশপথ। এদের বিপদ সম্পর্কে মানুষকে বোঝান। এদের ভুলগুলো তুলে ধরুন।

তাবলিগ জামাতের পাশাপাশি দাওয়া নামে আরেকটি সংগঠনের ব্যাপারে সতর্ক করা হয়। মন্ত্রী টুইটে জানিয়েছেন, মসজিদে ইমামদের তাদের ভাষণে উল্লেখ করা উচিত এরা কীভাবে সমাজের জন্য বিপজ্জনক। ১৯২৬ সালে দাওয়া নামে এ সংগঠনটি গঠিত হয়।

উইকিপিডিয়া বলছে, তাবলিগ জামাত ভারতীয় উপমহাদেশকেন্দ্রিক একটি ধর্মপ্রচার আন্দোলন, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে— মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকা এবং যা মুসলিমদের ও নিজ সদস্যদের সেভাবে ধর্মচর্চায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করে, যেভাবে নবী মুহাম্মাদের (সা.) জীবদ্দশায় তা চর্চা করা হতো।

বিশ্লেষকরা বলছেন, তাবলিগ জামাত ভারতের দেওবন্দভিত্তিক সুন্নি মুসলিমদের সংগঠন। অন্যদিকে সৌদি আরবের ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী কট্টর ওয়াহাবি ও আহলে হাদিস মতাদর্শের অনুসারী। তাই সৌদিতে প্রকাশ্যে তাবলিগ জামাতের কাজ করা যায় না এবং সৌদি সরকার মাঝেমধ্যেই এ দলটি সম্পর্কে সতর্ক করে খুতবা দেয়। কিন্তু এ বছরই প্রথম অহিংস এ সংগঠনটিকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ করা হয়েছে।

সৌদি সরকারের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স দপ্তরের এমন নির্দেশনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিম স্কলাররা।

ভারতের বিখ্যাত আলেম শায়খ সালমান হুসাইনি নদবী এ বিষয়ে সৌদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তাৎক্ষণিক আরবি ও উর্দু ভাষায় এর প্রতিবাদ করেছেন।

তিনি বলেন, মোহাম্মদ বিন সালমানের এ সৌদি সরকার আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদী শক্তির এজেন্ট হয়ে যে মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে কাজ করছে সেটি এমন নির্দেশনায় আরও স্পষ্ট হলো। তবে এ বিষয়ে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

বাংলাদেশের গবেষক আলেম মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী বলেন, সৌদি সরকারের ফরমান, অভিযোগ ও খুতবা প্রচারের বিষয়ে আমার মূল্যায়ন দেশটির বড় আলেমদের কাছে পৌঁছানো হবে। শাসক পর্যায়েও পৌঁছে যাবে ইনশাআল্লাহ। ২০ জন আরব আলেমকে নিয়ে আমরা জুম মিটিং করছি। এ ধারা চলতে থাকবে। তারা কারেকশন দিতে পারেন কিন্তু শতবর্ষী একটি দীনি আন্দোলনকে এভাবে একতরফা নিন্দা ও নিরুৎসাহিত করতে পারেন না। মিথ্যা প্রচারণা শুনে তাবলিগি কাজের বিরুদ্ধে অপবাদ দিতে পারেন না।

তিনি বলেন, সৌদি সরকারের প্রজ্ঞাপনটির বক্তব্যে ব্যক্তিগতভাবে খুবই মর্মাহত হয়েছি। তারা এ কথা কোথায় পেলেন যে, তাবলিগিরা কবরকে সেজদার স্থান বানায়? দুনিয়ার কোথাও এমন নেই, হতে পারে না। তাদের এ কথা তুলে নিতে হবে। সাবকন্টিনেন্টের আলেমদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে। বিশ্বের কোটি কোটি তাবলিগ সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অবশেষে দেশেই ফিরছেন ডা. মুরাদ হাসান

চলছে দীপাবলির প্রস্তুতি

//পলাশ চন্দ্র দাস : বরিশাল প্রতিনিধি//

আসছে আগামী ১৬ কার্তিক,১৪২৮,বাংলা ৩ নভেম্বর ২০২১ বুধবার চতুর্দ্দশী পুন্যতিথিতে। উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী সর্ববৃহৎ দিপালী উৎসব ও ১৭কার্তিক,৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাত্রি বরিশাল কাউনিয়া মহাশশ্মশানে শ্রী শ্রী কালিপূজা হতে যাচ্ছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব শুভ দীপাবলি উৎসব। এশিয়া উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় এই দীপাবলি উৎসব। মহা শশ্মান রক্ষা কমিটির সভাপতি শ্রী কুডু মুখার্জি জানান, শশ্মান দীপালি উৎসবে প্রধান পুষ্টোপ্রষক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিসিসি’র মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

শশ্নান কমিটির সাধারন সম্পাদক তমাল মালাকারের কাছ থেকে জানাগেছে, দীপাবলিতে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও ব্যাপক নিরাপত্তা দিবেন র‍্যাব,পুলিশ, ডি বি’র কর্মকর্তারা।আরো থাকবে শশ্নান কমিটির সেচ্ছাসেবকবৃন্দ।

শ্মশান পরিষ্কার করতে আসার নির্মল বণিক জানান প্রতিবছর আমি আমার বাবা মার শ্মশান পরিষ্কার করতে আসি। এটি হচ্ছে উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী মহাশ্মশান।

বরিশালের এই ঐতিহ্যবাহী দিপালী উৎসবে
প্রতিটি শশ্নানে তাদের আত্নিয়-স্বজনরা তাদের শশ্নানে মোমবাতি দিয়ে আলোকিত করে তুলে তাদের আত্নার শান্তি কামনায় প্রার্থনা করা হবে।

এ উৎসব বাঙ্গালীর হ্নদয়কে আন্দোলিত করে মহাউৎসবে পরিনত করে তুলবে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘর-মন্দিরে হামলায় প্রতিবাদে বরিশালে ২৩ তারিখ বিক্ষোভ সমাবেশ

আগামী ২৩ অক্টোবর বরিশাল জেলা ও মহানগর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের  নেতৃত্বে  সাড়া বাংলাদেশে চলমান সনাতন ধর্মালম্বীদের বাড়িঘর পূজা মন্ডপ, মঠ মন্দির হামলা ভাংচুর। অগ্নিসংযোগ নারী নির্যাতনপূজারী হত্যা লুটপাট ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের প্রতিবাদে। বরিশালে ২৩ অক্টোবর সকাল ৯ ঘটিকার সময় অশ্বিনী কুমার টাউন হল চত্বরে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বরিশাল জেলা ও মহানগর এর নেতৃত্বে  বিক্ষোভ প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত  হবে।

আর এটাই হবে হিন্দুদের সর্বশ্রেষ্ঠ আন্দোলন। জেগেছে হিন্দু,জেগে উঠেছে হিন্দুত্ব,আর নই থেমে থাকা,অন্যায়কে সহ্য করা,এইবার কঠোর প্রতিবাদ ও প্রতিহত করতে হবে।বলেছেন বরিশাল হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ । একিইসাথে  ইসকন মন্দিরের হামলার প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় বরিশাল ইসকন মন্দির থেকে  বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। বরিশার ইসকন মন্দিরের একাধিক ভক্তরা বলেন।

সাড়া দেশের মধ্যে বরিশালে ইসকন মন্দির থেকে আমরাও বিশেষ ভাবে মনে করি।  বাংলাদেশের  সবাই ২৩ তারিখ  ছোট,বড়, সবাই এই বিক্ষোভে ও প্রতিবাদ অংশ নিবে এবং সফল করবে আমাদের এই বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ। আন্দোলন নইতো এমন দিন আর পাবে না চুপ করে ঘরের কোণায় বসে কেহ থাকবে না।সবাই নিজ দায়িত্বে এই বিশাল বিক্ষোভে অংশ নিবে এবং সফল করবে এই বিক্ষোভ জাত -পাত দ্বন্দ, সংগঠনের দ্বন্দ ভুলে সবাই এক হয়ে পালন করবে। কারণ যে,যতই দ্বন্দ করুন না কেন দিনশেষে আপনি আমি একজন মানুষ আর এটা আমার আপনার কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।

আমরাও যে ধর্মের হই এই ধরণীতে জন্মগ্রহন করেছি,যে ধর্মকে আকড়ে এই ধরণীতে বেচে আছি সেই ধর্মকে যখন বিনাশ করার চেষ্টা চলছে তখন আমাদের ধর্মকে রক্ষা করা কর্তব্য আমাদের।

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শচীনের চোখে পড়া বরিশালের আসাদুজ্জামান সাদিদের দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসক

 

আন্দোলনকারীরা ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লো

কুমিল্লা ও রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপে হামলা-ভাঙচুর এবং হিন্দুদের বাড়িতে আগুন দেয়ার সাথে সংশ্লিষ্টদের শাস্তি নিশ্চিতসহ দাবি আদায়ের জন্য ২৪ ঘণ্টা আল্টিমেটাম দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ।

সোমবার বেলা সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে রাখেন তারা। অবরোধের কারণে শাহবাগ থেকে পল্টন, সায়েন্স ল্যাব, বাংলামোটর ও টিএসসি অভিমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে ‘সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় করতে হবে’, ‘মন্দিরে হামলা কেনো, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘তুমি কে? আমি কে? বাঙালি বাঙালি’, ‘দুনিয়ার হিন্দু, এক হও এক হও’, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নেই’ ইত্যাদি বিক্ষুব্ধ শ্লোগান দিতে থাকেন তারা।

আন্দোলনকারীরা ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লো

আন্দোলনের সমন্বয়ক ও জগন্নাথ হল ছাত্র সংসদের সদ্যসাবেক সাহিত্য সম্পাদক জয়দ্বীপ দত্ত বলেন, আমাদের সাত দফা দাবি রয়েছে। ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে আমরা তা জানিয়েছি। আমাদের এ দাবিগুলোর প্রতি বিভিন্ন সংগঠন, শিক্ষক ও প্রগতিশীল সমাজ সংহতি প্রকাশ করেছেন। তাই আমাদের দাবি মেনে নিতে আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে অনুরোধ করছি। সেজন্য আমরা ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছি। যদি আমাদের দাবি মেনে না নেয়া হয় এবং কোনো ধরনের আশ্বাস দেয়া না হয়, তাহলে আমরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবো।

অবরোধ ও দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে সনাতনী বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কুশল বরণ চক্রবর্তী বলেন, আফগানিস্তানে যেহেতু তালিবান ক্ষমতায় আছে। তাই এ দেশের মৌলবাদী শক্তিগুলো ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। আজ মৌলবাদী শক্তিগুলো ঘাপটি মেরে আছে। মৌলবাদী এই অপশক্তিগুলোর বিষদাঁত উপড়ে না ফেলতে পারলে তারা শিকড় গেঁড়ে বসবে।

আন্দোলনকারীরা ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের চেয়ারম্যান ললিতা মণ্ডল বলেন, যে কোনো দেশে সংখ্যালঘু হয়ে জন্মগ্রহণ করা পাপ। কিন্তু আমাদের দেশে একে একে আমরা যেভাবে নিগৃহীত হচ্ছি, তা আমাদেরকে খুব জ্বালাতন করছে। আমরা আর সহ্য করতে পারছি না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, মা (প্রধানমন্ত্রী) আমরা সকলে আপনার জন্য প্রার্থনা করি। অনেকে আপনার বদনাম ও দুর্নাম করতে চায়। কিন্তু আমরা জানি আপনি কে! আপনি আমাদের মায়ের সমতুল্য। আপনি চাইলে সব সম্ভব। অতিদ্রুত হামলাকারী ও দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই।

তাদের দাবিগুলো হলো:

  • * হামলার শিকার মন্দিরগুলো অতি শিগগিরই প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে।
  • * বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
  • * ধর্ষণ ও হত্যার শিকার পরিবারগুলোকে স্থায়ী ক্ষতিপূরণ দিতে হবে; দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
  • * জাতীয় সংসদে আইন প্রয়ণের মাধ্যমে মন্দির ও সংখ্যালঘুদের বাসাবাড়িতে সাম্প্রদায়িক হামলার দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
  • * সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় ও সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করতে হবে।
  • * হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের আধুনিকায়ন করে ফাউন্ডেশনে উন্নীত করতে হবে।
  • * জাতীয় বাজেটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য জিডিপির ১৫% বরাদ্দ রাখতে হবে।

সূত্র: বিডিজা।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে পালিত হয় শেখ রাসেলের জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি

 

আগামীদিন শ্রীশ্রী কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা      

//পলাশ চন্দ্র দাস//

বাংলায় শারদীয়া দুর্গোৎসবের পর আশ্বিন মাসের শেষে পূর্ণিমা তিথিতে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার আরাধনা করা হয়।  কাল ১৯ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর রাত ৮ ঘটিকা পর্যন্ত পূর্ণিমা তিথিতে  লক্ষ্মী পূজা করা হবে।

এসো মা লক্ষ্মী বোসো ঘরে, আমার এই ঘরে থাকো আলো করে” এই প্রার্থনা প্রায় সব বাঙালির।

সাধারণত কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে সারারাত জেগে থাকার বিধি আছে৷ ‘কোজাগর ’ অর্থাৎ ‘কে জেগে আছে’। পূর্ণিমা তিথিতে লক্ষ্মীদেবীর আরাধনা করতে রাত জাগার বিধান রয়েছে। তাই একে কোজাগরী পূর্ণিমা বলা হয়। ‘ঘুমিয়ে লক্ষ্মী হন বিরূপা, জাগরণে লক্ষ্মীর কৃপা। নইলে কেন জাগে কোজাগরে’।

লক্ষ্মী পূজা,বাঙ্গালি হিন্দুদের  ঘরে ঘরে এক চিরন্তন প্রার্থনা। প্রায় প্রতি ঘরে ঘরেই দেবী লক্ষ্মীর পুজো হয়ে থাকে। লক্ষ্মী হলেন ধন সম্পত্তির দেবী। ধন সম্পদের আশায় ঘরে ঘরে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা হয়ে থাকে।নারী পুরুষ উভয়েই এই পুজোয় অংশ গ্রহণ করেন।  অনেকেই সারা বছর প্রতি বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীর পুজো করে থাকেন। এছাড়া শস্য সম্পদের দেবী বলে ভাদ্র সংক্রান্তি, পৌষ সংক্রান্তি ও চৈত্র সংক্রান্তিতে এবং আশ্বিন পূর্ণিমা ও দীপাবলীতে লক্ষ্মীর পুজো হয়ে থাকে।

লক্ষণীয় বিষয় হল-খারিফ শস্য ও রবি শস্য ঠিক যে সময় হয় ঠিক সেই সময় বাঙালি হিন্দু মেতে ওঠে লক্ষ্মীর আরাধনায়। তবে পুজোর উপাচারে পরিবর্তন হয় মাস ভেদে।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসায় চারটি ইউনিয়নে ২০ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

 

বরিশালে বিসর্জনের মধ্যদিয়ে দুর্গোৎসবের সমাপ্তি

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

প্রতীমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে বরিশালে শেষ হলো দুর্গোৎসব।

শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হয় বিসর্জনের কার্যক্রম। এর আগে মন্ডপগুলোতে আয়োজন করা হয় সিঁদুর খেলার। এই উৎসবে হিন্দু সধবা নারীরা প্রতিমায় সিঁদুর পরিয়ে দেন। পরে নিজেরা একে অন্যকে সিঁদুরে রাঙিয়ে চলে মিষ্টিমুখ। ঢাকের তালে তালে নাচ-গান ছবি তোলা শেষে বিসর্জনে অংশ নেন ভক্তরা।

মন্ডপের পুরোহিতরা জানায়,  দশমী পুজা হচ্ছে। এই দিনে দর্পন বিসর্জন, নারায়ন পুজা, দূর্গা পুর্জা ও বিসর্জনের মধ্যদিয়ে নিয়ম অনুযায়ী দেবীকে বিদায় দিতে হবে।

বিদায় বেলায় তারা করোনা মহামারি থেকে বিশ্ববাসীর মুক্তির জন্য মায়ের কাছে প্রার্থনা জানিয়েছেন।

অভয়নগরে পূঁজা মন্ডপ পরিদর্শণ করেন পৌর মেয়র

 

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে যশোরের অভয়নগর উপজেলার সার্বজনীন পূঁজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন, নওয়াপাড়া পৌরসভার মেয়র সুশান্ত কুমার দাস (শান্ত) বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার ৫নং শ্রীধরপুর ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড শংকরপাশা  সার্বজনীন পূঁজা মন্ডপ পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ তহবিলদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নওয়াপাড়া পৌরসভার মেয়র ও অভয়নগর উপজেলা পূঁজা পরিষদের সাধারণ-সম্পাদক সুশান্ত কুমার দাস( শান্ত) ৷

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নওয়াপাড়া পৌর পূঁজা পরিষদের সাধারণ-সম্পাদক প্রসেনজিৎ দাস সঞ্জিত , ৫নং শ্রীধরপুর ইউনিয়ন পূঁজা পরিষদের সহ-সভাপতি রামকৃৃৃৃষ্ণ ভৌমিক ও সহ-সাধারণ-সম্পাদক মোহন্ত বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী প্রচার সম্পাদক আঃ মান্নান মোল্যা ছাত্রলীগ নেতা শেখ আব্দুল্লাহ , অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শংকরপাশা সার্বজনীন পূঁজা পরিষদের সভাপতি সাগর কুমার দত্ত ও সাধারণ-সম্পাদক কৃৃষ্ণ মল্লিক ,পার্থ প্রীতমসুর, উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য-নিতাই রায়, কালীদাস সরকার, কৃষ্ণ খা, বিধান খা প্রমুখ ৷

 

উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে মহম্মদপুর দুর্গাপূজা

 

শ্যামল বিশ্বস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

মাগুরা জেলার মহম্মদপুরে ১৩২ টি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হয়েছে। আসা করি শান্তিপূর্ণভাবে এ উৎসব সম্পন্ন হবে।

করোনাকালীন পরিস্থিতিতে আর্থিক এবং শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে মা দুর্গার কৃপা কামনা করছেন সব পূজা মন্ডপেএর ভক্তরা ।

এছাড়া করোনায় মৃতদের আত্মার শান্তি এবং দেশ ও জাতীর মঙ্গল কামনায় মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেন ভক্তরা। শারদীয় দুর্গা উৎসব উপলক্ষে মন্দিরগুলো সাঁজানো হয়েছে নবসাঁজে।

উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরের পুরোহীত জানান, মঙ্গলবার কার্তিক গনেশ সহ সকল প্রতীমার বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ষোড়ষ উপাচারে পূজার মাধ্যমে করানো হয় বিশেষ স্নান। এ সময় ভক্তরা অঞ্জলী প্রদান এবং প্রসাদ গ্রহণ করেন।

করোনার কারনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজা উদযাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে বিভিন্ন মন্দিরের কমিটি জানান। উপজেলার সবগুলো পূজা মণ্ডপে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।এছাড়াও সর্বক্ষণ টহলরত আছেন আইন-শৃংখলা রক্ষাকারি বিশেষ টিম।

আজ মহা সপ্তমীর মধ্যে দিয়ে শুরু দুর্গা পূজা

 

//পলাশ চন্দ্র দাস ::বরিশাল প্রতিবেদক//

গতকাল সন্ধ্যায় ষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে বরিশাল নগরীতে পূজা মন্ডবগুলোতে সর্বজনীন দুর্গপূজার শুভ সূচনা হয়।

করোনাকালীন সময়ে ব্যায় কিছুটা সংকোচন করা হলেও গত বছরের ন্যায় এবারো পূজা মন্ডবগুলো সাজসজ্জায় কমতি রাখেনি আয়োজক কমিটি।
বেজে উঠেছে দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা, দেবি দূর্গা ঘটকে আগমন দোলায় গমন করিবেন। শরতের শুভ্র আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, শরতের শিউলী ফুলের সুগন্ধ মনকে করে বিমোহিত আর কাশফুলের দোলায়। দোলা মনকে করে দোলায়িত,এমনি এক মনোরঞ্জিত সময় মনকে আরো আন্দোলিত করে বাঙালীর প্রানের উৎসব শারদৎসব। নেচে উঠে প্রতিটি বাঙালি জাতির সনাতনধর্মীদের মন।

কিন্তু করোনার কারনে যেহেতু কোন উৎসব হচ্ছে না তাই এবার শারদউৎসব না বলে বলা হচ্ছে দুর্গা পূজা।ঢাকে পড়েছে কাঠি, বেজে উঠেছে বাদ্য। কারণ হিমালয়ের কৈলাশ শিখরের স্বামীগৃহ ছেড়ে এরই মধ্যে যে সন্তানসহ মর্ত্যে নেমে এসেছেন দুর্গতিনাশিনী দেবী মা দুর্গা।

আজ মহা সপ্তমীর মধ্যে দিয়ে হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ঢাকের বাদ্য, সানাই-শঙ্খ-উলুধ্বনি আর ভক্তকুলের আহ্বানের মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে শুরু হয়েছেন শারদীয় দুর্গাউৎসব।