আইনুন নিশাত মনে করেন- যশোর, গোপালগঞ্জ, চাঁদপুর, ফেনীর কিছু অঞ্চল সমুদ্রের অংশ হয়ে যাবে

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

১০০ বছরের মধ্যে যশোর থেকে গোপালগঞ্জ, গোপালগঞ্জ থেকে চাঁদপুর ও চাঁদপুর থেকে ফেনী—এসব অঞ্চলের দক্ষিণাংশ সমুদ্রের অংশ হয়ে যাবে বলে মনে করেন পানিসম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তন–বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আইনুন নিশাত। তাঁর আশঙ্কা—এ পরিবর্তন ৫০ বছরের মধ্যেও হয়ে যেতে পারে। এমনকি ঢাকার চারপাশের জমিও লবণাক্ত হয়ে যেতে পারে।

‘উপকূলের জীবন ও জীবিকা: সংকট ও করণীয়’ শীর্ষক এক জাতীয় সংলাপে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত এসব কথা বলেন। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এ সংলাপের আয়োজন করে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)।

সংলাপে জাতিসংঘের সংস্থা ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (আইপিসিসি) একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন আইনুন নিশাত। ১৯৫টি দেশ একমত হওয়ার পর ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে আইপিসিসি।

রাজশাহী থেকে সিরাজগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ থেকে কিশোরগঞ্জের ভৈরব—এই সারির মধ্যাঞ্চল লবণাক্ত হয়ে যাবে বলে উল্লেখ করেন জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক এই বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন, ঢাকা শহর খুব উঁচু। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা ২৫ ফুট। ঢাকা শহরের চারপাশ লবণাক্ত হয়ে যাবে। কামরাঙ্গীরচর বা জিঞ্জিরার উচ্চতা পাঁচ থেকে ছয় ফুট। এসব এলাকা পানির তলায় চলে যেতে পারে।

লবণাক্ততা একটি গুরুতর সমস্যা উল্লেখ করে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক এই বিশেষজ্ঞ বলেন, বাংলাদেশ ভারতকে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের সম্মতি দেওয়ার মধ্য দিয়ে লবণাক্ততা সমস্যার শুরু। উজান থেকে পানি আসা বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে লবণাক্ততা বাড়া শুরু হয়েছে।

অধ্যাপক আইনুন নিশাত বলেন, নদী পানির সঙ্গে পলিমাটিও নিয়ে আসে। সরকার নদী খননের নামে কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ করছে। এসব টাকা কোনো কাজে আসবে না। কারণ, খনন করার পর আবার পলি এসে দু-এক বছরের মধ্যে তা ভরাট হয়ে যায়।

সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী এবং বেসরকারি সংস্থা ব্লু প্ল্যানেট ইনিশিয়েটিভের গবেষণা ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন ব্যবস্থাপক মো. ইকবাল ফারুক।

সংলাপে সভাপতিত্ব করেন ধরার উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ও রোমান ক্যাথলিক চার্চ ঢাকার আর্চবিশপ বিজয় নিসফরাস ডি’ক্রুজ। এ সময় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার, ধরার সহ–আহ্বায়ক শারমীন মুরশিদ, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের বেসরকারি উপদেষ্টা ও ধরার সহ–আহ্বায়ক এম এস সিদ্দিকী।

ধরার সদস্যসচিব শরীফ জামিলের সঞ্চালনায় সংলাপে স্বাগত বক্তব্য দেন ধরার সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার উপকূলীয় অঞ্চলের ভুক্তভোগীরাও এ সময় কথা বলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন খুলনার দাকোপ উপজেলার ঢাংমারীর ইস্রাফিল বয়াতী, পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মুহাম্মদ আল-ইমরান, বরগুনার তালতলীর আরিফুর রহমান প্রমুখ।

ডুমুরিয়ায় আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক ও মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ মার্চ  বৃহস্পতিবার সকালে  অফির্সাস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সভায়  সভাপতিত্ব করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহমেদ। সভায় বক্তব্যদেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন,

উপস্থিত ছিলেন  সহকারি কমিশনার (ভূমি) এস,এম আশিষ মোমতাজ,উপজেলা স্বাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কাজল মল্লিক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক,উপজেলা প্রকৌশলী মোহাঃ রবিউল ইসলাম,থানা অফিসার ইনচার্জ সুকান্ত সাহা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম মানিক,অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ ওয়ালিদ হোসেন, উপজেলা প্রকল্প  বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আশরাফ হোসেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ্বাস, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান, ইন্সট্র‍্যাক্টার মোঃ মনির হোসেন ,মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রীনা মজুমদার,  উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা সরদার জাহিদুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান গাজী হুমায়ুন কবির বুলু,  মোল্লা মাহাবুবুর রহমান, গোপাল চন্দ্র দে,গাজী তৌহিদুজ্জামান বিএম জহুরুল হক, কলেজ অধ্যক্ষ শেখ শহিদুল ইসলাম প্রমূখ। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ উপস্হিত ছিলেন। এর আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় পূর্বের তুলনায় ডুমুরিয়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো উল্লেখ করে আসন্ন ঈদ কে সামনে রেখে  জাল টাকা রোধ কল্পে  সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান এবং ডুমুরিয়া সদর বাজার সহ গুরুত্বপূর্ণ বাজার,রাস্তা সমুহে  যানজট নিয়ন্ত্রণে অটো রিকসা, মাহিন্দ্রা ও ভ্যান চালকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে   যত্রতত্র গাড়ী পার্কিং না করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশের নিয়মিত টহল জোরদার করার নির্দেশনা দেয়া হয়।

রামপালে জলবায়ু বিপদাপন্নতা শীর্ষক আলোচনা সভা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের রামপালে জলবায়ু বিপদাপন্নতা ও দায়বদ্ধতা শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ্যাক্টিভিষ্টা রামপালের উদ্যোগে ও বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থা এবং একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। একশন ফর ট্রান্সফরমেশন প্রকল্পের আওতায় বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুর ১২ টায় উপজেলার কনফারেন্স রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রহিমা সুলতানা বুশরা এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন।

বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার প্রকল্প সমন্বয়কারী মুসফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন, রামপাল সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সমীর কুমার বিশ্বাস, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অসিম কুমার ঘোষ, উপজেলা কৃষি অফিসার ওয়ালিউল ইসলাম, বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা হোসনেয়ারা জামিল সুমনা, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তান মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন, প্রভাষক মোস্তফা কামাল পলাশ, পেড়িখালি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রাজিব মজুমদার, বাঁধনের প্রকল্প কর্মকর্তা সানি জোবায়ের প্রমূখ।

সভায় বক্তারা বলেন, জেলার রামপাল ও মোংলা উপজেলার সরকারি পুকুর ও খালগুলোকে দখলমুক্ত করে পুনঃখননের ব্যবস্থা করতে হবে এবং এর জন্য এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণকে এগিয়ে আসতে হবে। এছাড়াও স্থানীয় যুব সমাজকে এলাকাভিত্তিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। এই অঞ্চলের শতকরা নিরানব্বই ভাগ মানুষই সুপেয় পানি থেকে বঞ্চিত। জলবায়ু পরিবর্তনের ধারা বলছে, ঝুঁকিতে থাকা মানুষ অদূর ভবিষ্যতে আরো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের সেই প্রভাব মোকাবিলায় তাই সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়েছে।

ডুমুরিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন  উপলক্ষে  মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে  ডুমুরিয়া  প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আওয়ামী, বিএনপিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাষ্কৃতিক সংগঠন শহীদ বেদীতে পুষ্প মাল‍্যা অপর্ণ ও আলোচনা সভাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ডুমুরিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

সকালে স্বাধীনতা চত্বরে স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করে ভূমি মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি’র পক্ষে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, থানা পুলিশ প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা আওয়ামী লীগ  সহ অঙ্গ সংগঠন, বিএনপি তার অঙ্গ সংগঠন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, ডুমুরিয়া মহাবিদ‍্যালয়, শহীদ স্মৃতি মহিলা কলেজ,ডুমুরিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, ডুমুরিয়া সরকারী  বালিকা বিদ্যালয়,  এনজিসি এন্ড এনসিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয় উপজেলা স্বাস্থ‍্য কমপ্লেক্স,  খেলা ঘর আসর, সাজিয়াড়া সরকারী মড়েল প্রাথমিক বিদ‍্যালয়,  ডুমুরিয়া প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক কল‍্যান সমিতি, নিরাপদ সড়ক চাই, পল্লী বিদুৎ সমিতি, সহ  বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

এরপর আনুষ্ঠানিক ভাবে ডুমুরিয়া কলেজ মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের কে সম্বর্ধনা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমীন এর সভাপতিত্বে সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে  অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহমেদ, বক্তব‍্য দেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মানিক, চন্দ্র কান্ত তরফদার, ডুমুরিয়া  কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ‍্যক্ষ মোঃ মনিরুল ইসলাম ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) এস,এম আশিষ মোমতাজ,উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল কবির,সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রবিউল ইসলাম, থানা অফিসার ইনচার্জ সুকান্ত সাহা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ্বাস,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান, ইন্সট্রক্টর মোঃ মনির হোসেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আশরাফ হোসেন, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস,উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা সরদার জাহিদুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রীনা মজুমদারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ সুধী সমাজের নেতৃবৃন্দ।শেষে  বিভিন্ন প্রতিযোগীতায়  বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। উপজেলা  আওয়ামী লীগ সহ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে  দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আমতলীতে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা//

আমতলী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে মঙ্গলবার স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করা হয়েছে।কর্মসূচীর মধ্যে ছিল ৩১ বার তোপধ্বনি,জাতীয় পতাকা উত্তোলন,স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ,কুচকাওয়াজ,চিত্রাঙ্গণ ও রচনা প্রতিযোগীতা,দোয়া মোনাজাত ও আলোচনা সভা।

মঙ্গলবার প্রভাতে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচী শুরু হয়। পরে সুর্যোদ্বয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৯ টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণের শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে উপজেলা প্রশাসন, আওয়ামীলীগ, পৌরসভা, যুবলীগ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আমতলী সাংবাদিক সংগঠন সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন পুস্পস্তবক অর্পণ করেছে। পরে আমতলী উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ মাঠে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কাদের মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ রুহুল আমিন,উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মজিবর রহমান,নারী ভাইস চেয়ারম্যান মোসাঃ তামান্না আফরোজ মনি, ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক জিএম ওসমানী হাসান।

বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার ঈশা, উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন আহমেদ মাসুম তালুকদার,সোহেলী পারভীন মালা,আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক ও এ্যাড. এইচ এম মনিরুল ইসলাম মনি প্রমুখ।

নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে কচুয়ায়  মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে বাগেরহাটের কচুয়ায় মহান স্বাধীনতা দিবস-২০২৪ পালিত হয়েছে। সূর্য উদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনি ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনটির শুভ সুচনা করা হয়।

এরপর সকাল ৯টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  ম্যুরালে একে একে পুস্পস্তবক অর্পন করে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা আওয়ামীলীগ,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কচুয়া প্রেসক্লাব, উপজেলা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ রাজনৈতিক সংগঠন।

নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে কচুয়ায়  মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

এদিন সুর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ১০টায় সরকারি সিএস পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে,আলোচনা সভা ও বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।এসময়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার,নির্বাহী অফিসার রাখী ব্যানার্জী, বীরমুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।এর আগে দিন গণহত্যা দিবস উপলক্ষে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা সহ রাত ১০টার পর ১ মিনিট  প্রতিকী ব্লাক আউট করা হয়।

রামপালে ৩ টি সরকারি খাল দখল করে মাছ চাষ; মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেলে নাব্যতা সংকটের আশংকা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি  ||

মোংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেল সংলগ্ন তিনটি সরকারি খাস খাল দখল করে মাছ চাষ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নাব্যতা হারানো খালগুলো প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিশেষ বরাদ্দে পানি উন্নয়ন বোর্ড খনন করলেও প্রভাবশালীরা মাছ চাষ করে আসছেন। এতে মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেলের নাব্যতা সংকটের আশংকা করছেন এলাকাবাসী। এ ঘটনায় রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে জানা গেছে,  উপজেলার সাতপুকুরিয়া-আড়ুয়াডাঙ্গা গ্রামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত তিনটি সরকারি খাস খাল প্রভাবশালীরা দীর্ঘ দিন ধরে দখল করে মাছ চাষ করে আসছেন। খালগুলো হলো সাতপুকুরিয়ার পাঁজাখোলার খাল, আড়ুয়াডাঙ্গার ইয়াছিন খাল ও আদুর খাল। খালগুলো মোংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেল সংলগ্ন হওয়ায় এবং চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হওয়ায় বাগেরহাটের পানি উন্নয়ন বোর্ড খনন করে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে সাতপুকুরিয়া গ্রামের তৈয়ব মাঝির ছেলে আনিস মাঝি, আরশাদ আলীর ছেলে নজরুল মাঝি, রাজেন মন্ডলের ছেলে সুজন মন্ডল, হাকিম শেখের ছেলে সাইফুল শেখ, হাসেম আলী ফকিরের ছেলে আফতাব ফকির, মোস্তফা মোসাল্লির ছেলে রফিকুল মোসাল্লি, রহিম পিয়াদার ছেলে আলাউদ্দিন পেয়াদাসহ ২০/২৫ জন সরকারি খাল দখল করে মাছ চাষ করে আসছেন। অভিযোগকারী মো. গিয়াসউদ্দিন ও রীনা বেগম দাবী করেন, প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বরাদ্দে খালগুলো খনন করা হয়। সেই খাল দখল করে মাছ চাষ করা হচ্ছে। খালগুলো উম্মুক্ত করা হলে মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধি পাবে। এলাকার পরিবেশ ঠিক থাকবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র সদস্য মোল্লা আ. সবুর জানান, সুন্দরবন, মোংলা বন্দর ও এ এলাকার পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষায় সরকারি সংস্থা খালগুলো খনন করে। খালগুলো বেদখল হওয়ায় চ্যানেলের পানির প্রবাহ কমে নাব্যতা সংকট সৃষ্টি হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন এমনটাই আশা করছেন ওই পরিবেশবাদী নেতা।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আনিস মাঝির কাছে জানতে চাইলে তিনি খালে মাছ চাষের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, গ্রামবাসীদের সাথে নিয়ে মাছ চাষ করছি, অভিযোগ হলে মাছ চাষ করবো না।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওখানে তহশিলদার পাঠিয়ে তদন্ত করে দ্রুত খালগুলো উম্মুক্ত করা হবে। কেউ সরকারি রাস্তা কেটে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ডুমুরিয়ায় গনহত্যা  দিবস পালিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

২৫ মার্চ গনহত্যা  দিবস উপলক্ষে সোমবার  ডুমুরিয়া  উপজেলা  প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা  নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল -আমিন এর সভাপতিত্বে  ও শিক্ষক শফিকুল আলমের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য  দেন যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মানিক,  ডেপুটি কমান্ডার চন্দ্র কান্ত তরফদার,  উপজেলা  প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আরশাফুল আলম, প্রাথমিক  শিক্ষা অফিসার হাবিবুর  রহমান,  মাধ‍্যমিক শিক্ষা অফিসার দেবাশিষ বিশ্বাস, সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুব‍্রত বিশ্বাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো; আশরাফ হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রীনা রানী মজুমদার,  ইন্সষ্ট্রক্টর মো; মনির হোসেন, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম, সমবায় কর্মকর্তা সরদার জাহিদুল ইসলাম, বিআরডিবি কর্মকর্তা হাসান ইমাম, সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

রামপালে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও বিনম্র শ্রদ্ধায় গণহত্যা দিবস পালন

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের  রামপালে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও বিনম্র শ্রদ্ধায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন করা হয়েছে। রামপাল উপজেলা চত্বরে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যে দিয়ে দিবসের সূচনা করা হয়। সোমবার বেলা ১১ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা এর সভাপতিত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন। রামপাল সরকারি কলেজের প্রভাষক সাংবাদিক মোস্তফা কামাল পলাশের সঞ্চালনায বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নূরুল হক লিপন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিউল ইসলাম, রামপাল থানার ওসি সোমেন দাশ, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ারুল কুদ্দুস, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান, পিআইও মো. মতিউর রহমান, উপজেলা ইন্জিনিয়ার মো. গোলজার হোসেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহিনুর রহমান, সহকারী প্রোগ্রামার কর্মকর্তা রনিক হালদার, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন, এআরডিও মো. হাবিবুর রহমান, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোল্লা আ. রউফ,  বীর মুক্তিযোদ্ধা কালিপদ অধিকারী, ভাগা সুন্দরবন মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ ইজারাদার নাহিদুল ইসলাম, রামপাল মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাওলাদার আ. মান্নান, ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাদী প্রমুখ।

বক্তাগণ পাকিস্তানি বর্বর হানাদার বাহিনীর নৃশংস হত্যাযজ্ঞের ঘটনা তুলে ধরে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়।

তবুও বাঙালীকে দাবিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। বাঙালি দামাল ছেলেরা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে দেশকে স্বাধীন করেন।

কচুয়ায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীরমুক্তিযোদ্ধা আঃ রশিদ শেখ এর দাফন

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়ায় বীরমুক্তিযোদ্ধা আঃ রশিদ শেখ (৮২) ইন্তেকাল করেছেন। তিনি রবিবার বেলা ১২টার দিকে বার্ধক্যজনিক কারনে ইন্তেকাল করেন (ইন্না —-রাজেউন। উপজেলা সদরের মৃত ময়জদ্দিন শেখের ছেলে তিনি। মৃত্যুকালে এক স্ত্রী,তিন ছেলে, তিন মেয়ে রেখে গেছেন।

রবিবার আছর নামাজ বাদ জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়েছে। এসময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাখী ব্যানার্জী,থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহসীন হোসেন, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি খোন্দকার নিয়াজ ইকবাল, বীরমুক্তিযোদ্ধাসহ রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।