শীতে কাঁপছে- এবছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রির নিচে নেমেছে। প্রবল শীতে কাঁপছে সেখানকার জনপদ। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে জেলার আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, ভোর ৬টায় পাঁচ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

সপ্তাহজুড়ে জেলাটিতে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় ৬ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। উত্তর দিক থেকে ধেয়ে আসা হিমেল বাতাসে তাপমাত্রা কমেছে। কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। এতে জেলার দরিদ্র, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এদিকে বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তর সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার (৩ দিন) পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

এতে আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত আছে।

বৃহস্পতিবারের পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ এবং সড়ক পরিবহণ চলাচল ব্যাহত হতে পারে। নওগাঁ জেলাসহ রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) পূর্বাভাসে জানানো হয়, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ এবং সড়ক পরিবহণ চলাচল ব্যাহত হতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় জানানো হয়, এ সময়ের শেষের দিকে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

জনগণের শক্তিই বড় শক্তি নির্বচনের মধ্যদিয়ে আবার প্রমাণিত হয়েছেঃ সালাম মূর্শেদী এমপি

//আব্দুর রাজ্জাক শেখ, খুলনা//

খুলনা ৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন,  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ  আবারো ক্ষমতায় আসার কারণে বাংলাদেশের সমৃদ্ধির পথে অগ্রগতিতে কেউ বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না।

 নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ এককভাবে ২২২টি আসনে জয়লাভ করেছে।

 আমি বিশ্বাস করি আওয়ামী লীগ আজকে ক্ষমতায় ফিরেছে বলেই বাংলাদেশের যে অগ্রযাত্রা সেই অগ্রযাত্রা আর কেউ ব্যাহত করতে পারবে না।

 নির্বাচনে ভোট নিয়ে মানুষের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনার কমতি ছিল না।

আমি মনে করি, বাংলাদেশের জনগণ অনেক আনন্দিত এবং নির্বাচন যারা পর্যবেক্ষণ করেছেন, মতামত দিয়েছেন সেটা উপযোগী। সেই জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সবসময় এটাই চেষ্টা ছিল নির্বাচনটাকে সুষ্ঠু করা। মানুষের যে ভোটের অধিকারটা অর্থাৎ সে যাকে চায়, কে সরকারে থাকবে, সেটা মানুষই সিদ্ধান্ত নেবে। সেই জন্য নির্বাচনের ব্যবস্থাকে সংস্কার করেছি।

“নির্বাচন চলাকালীন সময়ে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, সবাইকে নির্বাচন কমিশনের অধীনস্ত করে মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা- সেটাই লক্ষ্য ছিল।”

তিনি  আরো বলেন, নির্বাচন কমিশনকে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতার জন্য সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।

তিনি গণমাধ্যমে সাংবাদিকদেরও ধন্যবাদ জানান প্রত্যেকটা জিনিস পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে তুলে আনার জন্য। ফলে মানুষের মাঝে সচেতনতা বেড়েছে।

 আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। যে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ শিক্ষা-দীক্ষা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে স্মার্ট হবে।  উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলবো।

‘জনগণের শক্তিই বড় শক্তি’ সেটা এই নির্বচনের মধ্যদিয়ে আবার প্রমাণিত হয়েছে।

 আজ ২৪ জানুয়ারি বিকালে  রূপসা উপজেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা  ও সমন্বয় কমিটির সভায় অফিসার্স ক্লাব  মিলনায়তনে  জুম করফরেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা,ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ যোবায়ের,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা,উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শেখ শফিকুল ইসলাম,রূপসা থানা অফিসার্স ইনচার্জ তদন্ত মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

বক্তৃতা করেন প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার,মৎস্য কর্মকর্তা বাপী দাস, কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা প্রকৌশলী এসএম ওয়াহিদুজ্জামান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভিন,সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান,মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসি রানী রায়,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ বজলুর রহমান, নির্বাচন কর্মকর্তা মুরাদ হোসেন,ইউআরসি ইনসট্রাক্টর মোঃ নজিবুর আহম্মেদ,পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ,খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সুজিত কুমার মুখার্জি,জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ রাসেল,পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার,সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা,সাবেক জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য আঃ মজিদ ফকির, ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল,মোল্যা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি  সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু,প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ আওরঙ্গজেব স্বর্ন,সহকারী প্রধান শিক্ষক কমল চন্দ্র সানা, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক শেখ,কাজদিয়া বাজার বনিক সমিতির সভাপতি জুলফিকার আলী,ইউপি সদস্য মাসুম শেখ,আজমল ফকির,ফরিদ শেখ প্রমূখ।

ডুমুরিয়ায় ডেইরী খামারীদের  “ব্যবসা পরিকল্পনা প্রণয়ন” বিষয়ক প্রশিক্ষণ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর ও  ভেটোনারি হাসপাতাল এর সহযোগিতায়: প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি) বাস্তবায়নে জিপি নন জিপি  খামারীদের দুই  দিন ব্যাপী “ব্যবসা পরিকল্পনা প্রণয়ন” বিষয়ক প্রশিক্ষণ সোমবার  ২২ জানুয়ারি সকাল ১০টায়  উপজেলা প্রাণিসম্পদ এর হলরুমে অনুষ্কঠিত হয়।

প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা  মোঃ আশরাফুল কবিরের সভাপতিত্বে  প্রশিক্ষণে   প্রশিক্ষক হিসেবে বক্তব্য দেন  খুলনা ভেটোনারি অফিসার ডাক্তার এস এম আইয়ুব আলী, খুলনা জেলা ট্রেনিং অফিসার ডাক্তার এফ এম মান্নান কবীর, ডুমুরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ  কর্মকর্তা সায়রা গুলশান,   উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা চঞ্চল মন্ডল, সহ ৪০জন ডেইরী  খামারী   উপস্হিত ছিলেন প্রমুখ।।

 

আমতলীতে বোরো ধানের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সমলয়ে কার্যক্রমের মাধ্যমে ধানের চারা রোপন রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন বরগুনা  জেলা প্রশাসক মুহাঃ রফিকুল ইসলাম।

আজ মঙ্গলবার উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ এর আয়োজনে আমতলীর মানিকজুড়িতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে  অনুষ্ঠানে  সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মাদ আশরাফুল আলম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহাঃ রফিকুল ইসলাম,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন,উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. এম এ কাদের মিয়া,ড. আবু সৈয়দ মো: জোবাইদুল আলম,উপ পরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,খামার বাড়ী বরগুনা,এসএম বদরুল আলম অতিরিক্ত উপ পরিদর্শক (শস্য) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ী,বরগুনা, মো: ইকবাল হোসেন অতিরিক্ত উপ পরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (পিপি) খামারবাড়ী বরগুনা, সিএম রেজাউল করিম অতিরিক্ত উপ পরিচালক (উদ্যান) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ী বরগুনা,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো: মজিবুর রহমান,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তামান্না আফরোজ মনি,সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা। বক্তব্য রাখেন কৃষিবিদ মোঃ ইছা উপজেলা কৃষি অফিসারসহ স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষকরা। কৃষি জমিতে যন্ত্রের ব্যবহার সহজতর করতে শুরু হলো সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধানের চাষাবাদ। বিশেষ এই পদ্ধতিতে কৃষক উৎপাদিত ধানের চারা যন্ত্রের মাধ্যমেই রোপন ও যন্ত্রের মাধ্যমেই কাটা শেষে ফসল ঘরে তুলতে পারবে।

কৃষি বিভাগ বলছে এই পদ্ধতিতে শ্রমিক সংকট ছাড়াও উৎপাদন খরচ কমবে। রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে শ্রমিক ছাড়াই বোরো ধানের চারা রোপন করা হচ্ছে। সনাতন পদ্ধতিতে মাটিতে ধানের চারা রোপন করতে নানা প্রতিবন্ধকতায় পড়তে হয়। কিন্তু সমলয় পদ্ধতিতে যন্ত্রের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে সঠিক পরিমাপে ও দূরত্বে চারা রোপন সম্ভব হয়। এই পদ্ধতিতে একদিকে যেমন শ্রমিক সংকট দূর হবে, অন্যদিকে একর প্রতি উৎপাদন খরচ কমছে প্রায় ৫০ ভাগ। শুধু তাই নয়,এই পদ্ধতিতে ফসলি জমিতে পোকা মাকড়ের বিস্তার রোধ, রোগ-বালাই দমন সহজ হবে। চলতি মৌসূমে কৃষি বিভাগের সহায়তায় সমলয় পদ্ধতিতে সদর উপজেলার ৫০ জন কৃষকের ৫০ একর জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হচ্ছে।

সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষের জন্য উপজেলা ৫০ কৃষককে বীজ, সার, ধানের চারা রোপন ও কর্তনের কাজ করে দেবে কৃষি বিভাগ।

ব্যারিস্টার সুমন উপস্থিতি উপজেলা আওয়ামী লীগের মতবিনিময় ও বর্ধিত সভায়

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের মতবিনিময় ও বর্ধিত সভায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ সায়েদুল হককে (ব্যারিস্টার সুমন) আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু তাঁর উপস্থিতি নিয়ে হট্টগোল করেছেন আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা। আজ রোববার বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ ঘটনা ঘটে। অবশ্য পরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উত্তপ্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

আওয়ামী লীগের একাংশের নেতা–কর্মীরা সভাপতির কাছে প্রশ্ন রাখেন, সৈয়দ সায়েদুল হক আওয়ামী লীগের কেউ নন। তাঁকে দল এখনো গ্রহণ করেনি। এমন পরিস্থিতিতে দলের বর্ধিত সভায় তাঁকে কেন ডাকা হলো?

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বর্ধিত সভা ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করে চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগ। অনুষ্ঠানে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সৈয়দ সায়েদুল হককে প্রধান অতিথি করা হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকবর হোসেন ওরফে জিতুর সভাপতিত্বে বিকেল চারটায় শুরু হয়। সভার একপর্যায়ে সংসদ সদস্যের বক্তব্য দেওয়ার আগমুহূর্তে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাথী মুক্তাদির চৌধুরী দাঁড়িয়ে সভাপতির উদ্দেশে বলেন, ‘আজকের বর্ধিত সভায় সংসদ সদস্যের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের যে মতবিনিময় সভার আহ্বান করা হয়েছে, সেটি দলীয় কোনো সভার সিদ্ধান্ত ছিল কি না? ব্যারিস্টার সুমনকে দল (আওয়ামী লীগ) গ্রহণ করেছে কি না? না হয়ে থাকলে তাঁর সঙ্গে মতবিনিময় কেন?’ সাংস্কৃতিক সম্পাদকের ওই প্রশ্নের পরপরই নেতা–কর্মীরা হট্টগোল শুরু করেন।

সূত্র জানায়, হট্টগোল শুরুর পর সভাপতি আকবর হোসেন হাতে মাইক নিয়ে নেতা–কর্মীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। জেলা আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তে আজকের সভা আহ্বান করা হয়েছে বলে তিনি জানান। এ ছাড়া সংসদ সদস্য নিজে সবার সঙ্গে মতবিনিময় করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তখনো নেতা–কর্মীরা হট্টগোল থামাননি। একপর্যায়ে সংসদ সদস্য নিজেই মাইক নিয়ে নেতা–কর্মীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার অভিভাবক। এখানে অনেক নেতা আছেন, যাঁদের রাজনীতির অভিজ্ঞতা আমার বয়সের চেয়ে বেশি। আমি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হলেও আওয়ামী লীগের একজন কর্মী। নেত্রীর কথা অনুযায়ী প্রার্থী হয়েছি। আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে আপনারদের সঙ্গে আজ মতবিনিময় করতে এসেছি।’ তাঁর বক্তব্যের সময় নেতা–কর্মীরা একে অপরের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে থাকেন। পরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

সভায় চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল কাদির লস্কর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তাহের, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক সরকার, উপজেলা মহিলা লীগের সভাপতি আবেদা খাতুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভার বিষয়ে কথা বলতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকবর হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি ধরেননি।

 প্রথম দেখায় আমি নেত্রীর পা ধরে সালাম করেছি- এমপি ব্যারিস্টার সুমন

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামনে দাঁড়ানো তাঁর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সে মুহূর্তে দুজনের মধ্যে কী কথা হয় তা জানতে বেশ আগ্রহী হয়ে ওঠে সুমনের ভক্ত-সমর্থক ও তাঁর এলাকার ভোটাররা। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথম দেখা নিয়ে মুখ খুললেন আলোচিত এই সংসদ সদস্য।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, ‘নেত্রী আপনাকে সালাম করার জন্য আমাকে দুই লাখ ভোট পেতে হয়েছে।’

শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় নানা শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা জানান।

সভায় বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, “প্রথম দেখায় আমি নেত্রীর পা ধরে সালাম করেছি। এরপর নেত্রী আমাকে বলেছেন, ‘কী খবর তোমার?’ তখন বুঝলাম তিনি আগে থেকেই আমাকে চিনেন।

সুমন আরো বলেন, ‘নেত্রী আমাকে কেউ আপনার কাছে আসতে দেয় না। আপনাকে সালাম করার জন্য আমার দুই লাখ ভোট পেতে হয়েছে। তখন নেত্রী হাসিমুখে আমাকে দোয়া করে দিয়েছেন। এই দোয়া সামনের পথ পারি দিতে সহযোগিতা করবে।

ব্যারিস্টার সুমন প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা হওয়ার ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করে উল্লেখ করেন, ‘আমি আওয়ামী লীগ করি, কিন্তু কোনো দিন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সাথে এভাবে দেখা হয়নি। অনেকেই বলেছিলেন দেখা করাবেন। কিন্তু সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো কেউ কথা রাখেনি। অবশেষে আমার স্বপ্ন গতকাল পূরণ হয়েছে। আমার রাজনৈতিক জীবনে এটা অবশ্যই বড় পাওয়া।

একই দিন বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা শেখ রেহানার ও মহামান্য রাষ্ট্রপতির দোয়া নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। রাজনৈতিক জীবনে ১১ জানুয়ারি তাই আমার সবচেয়ে স্মরণীয় দিন।’

মতবিনিময়সভায় মাধবপুর উপজেলার সর্বত্র বেশি করে ফলের গাছ লাগানোর পাশাপাশি মাদক প্রতিরোধে আন্তরিকভাবে কাজ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ কে এম ফয়সালের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মাধবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. শাহজাহান, পৌরসভার মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক, সাবেক মেয়র শাহ মো. মুসলিম প্রমুখ।

কচুয়ায় জমে উঠেছে বীজপাতার হাট

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়ার বাধালে বীজপাতার (পাতো) হাট জমে উঠেছে। প্রতি রবি ও বৃস্পতিবার কাক ডাকা ভোর থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত ক্রেতা বিক্রতার হাকডাকে মুখরিত হয়ে থাকে এ বীজপাতার হাট।

বাগেরহাট-পিরোজপুর মহাসড়কের পাশে অবস্থীত এ হাটে দুর দরান্ত থেকে ক্রেতা বিক্রেতারা ব্যবষায়ীরা বীজপাতা ক্রয়-বিক্রয় করতে আসে। প্রতি বছর পৌষমাসের শুরু থেকে মাঘ মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত এ হাটে বীজপাতা ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে। শতাধীক ব্যবসায়ী বীজপাতার ব্যবসা করে লাভবান হচ্ছে। প্রতি বছর তার  কৃষকদের বীজতলা থেকে বীজপাতা  ক্রয় করে এ হাটে এনে বিক্রয় করে । উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ২১ টি ব্লকে হাইব্রীড জাতের ৬ হাজার ৮শ হেক্টর এবং উফশী জাতের ১ হাজার ৯শ হেক্টর জমি বোরো ধান চাষের আওতায় আনার লক্ষ্য মাত্রা আছে। এ মৌসুমে প্রায় ৪ শত ৯০ হেক্টর জমিতে বীজপাতা তৈরী করা হয়েছে।

বাধালের বীজপাতার হাট ঘুরে দেখাগেছে, প্রতি পোন বীজপাতা (৮০মুটি) প্রকার ভেদে ২৯০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকায় পর্যন্ত বিক্রয় হচ্ছে। ১কেজি বীজ ধানে ১২০ থেকে ১৩০ মুটি বীজপাতা হয়ে যার বর্তমান বাজার মূল্য ৬/৭শত টাকা। কচুয়া, মোড়েলগঞ্জ,বাধল, রঘুদত্তকাঠী, মসনী, গোপালপুর, বলভদ্রপুর, বিষখালী, রামচন্দ্রপুর, কচুবুনিয়া সহ পাশবর্তী জেলার কৃষক ও এহাটে এসে বীজপাতার ক্রয় করছে। চলতি মৌসুমে বীজপাতার দাম কম থাকায় চাহিদা বেড়ে গেছে। অনেক কৃষক তাদের জমি রোপনের পর অতিরিক্ত বীজপাতা হাটে এনে বিক্রয় করে লাভবান হচ্ছে। ক্রেতারা ভালো মানের বীজপাতা  ক্রয় করতে পারছে।

বীজপাতা ব্যবষায়ী নাদের শেখ বলেন, ব্যবসার উদ্দেশ্যে ১০ হাজার টাকার বীজ ধান ক্রয় করে বীজতলা তৈরী করে চারা উৎপাদন করেছেন। সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ১৫/১৬ হাজার টাকা। বীজতলা থেকে চারা তুলে বাজারে আনা পর্যন্ত খরচ হয় প্রতি পোন ৪শত থেকে ৫শত টাকা। এবছর বীজপাতার দাম কম থাকায়  লাভ হবে না। তার পরেও  চাহিদা আছে। কৃষক কালাম শেখ বলেন, চলতি মৌসুমে বীজ পাতার চাহিদা কম সেই জন্য দামও কিছুটা কম। ৩ পোন বীজপাতা(পাতো) ক্রয় করার জন্য হাটে আসছি। এক পোন বীজ পাতা থেকে ৩/৪ কাঠা জমি রোপন করা যায়।

কচুয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মামুনুর রশিদ বলেন, কৃষি প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের বিনা মূল্যে বীজ সার  বিতরণ সহ কৃষকদের প্রশিক্ষনের ও  বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করে থাকি। এখন বরো মৌসুম আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের মাঠপর্যা বীজতলা পরিদর্শন করে থাকে। অনেক কৃষক  বাজার থেকে বীজ ক্রয় করে বীজতলা তৈরী করে চারা উৎপাদন তাদের জমিতে লাগিয়ে উদ্বৃত্ত চারা বাধাল বাজারে বিক্রয় করে লাভবান হচ্ছে। অনেক কৃষকের বীজতলা নষ্টহয়ে গেছে তার বাজার থেকে এই চারা ক্রয় করে সঠিক সময়  তাদের জমিতে রোপন করতে পারছে।

Daily World News

ডুমুরিয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের আয়োজনে কর্মশালা

ডুমুরিয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের আয়োজনে কর্মশালা

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিবেদক//

ডুমুরিয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের আয়োজনে  ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি) বাস্তবায়নে ব্যবসা পরিকল্পনা প্রণয়ন” বিষয়ক  খামারীদের নিয়ে ২ দিন  প্রশিক্ষণ ব‍্যাপী কর্মশালা। উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উদ্বোধন করেন ভূমি মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি।

শনিবার ২০ জানুয়ারি সকালে প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত PG ও Non-PG খামারীদের  প্রশিক্ষণে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল কবিরের সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠিত হয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন  জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার  মোঃ শরিফুল ইসলাম, প্রশিক্ষক হিসেবে বক্তব্য দেন  উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারন কর্মকর্তা সায়রা গুলশান,   ৩০জন ডেইরী  খামারী   উপস্হিত ছিলেন প্রমুখ।।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শায়িত হলেন তালতলীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ

//তামান্না ইসলাম, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চির নিদ্রায় শায়িত হলেন বরগুনার তালতলী উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ (৭৪)।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারী ) বিকেলে উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের তুলাতলী গ্রামের নিজ বাড়িতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তুলাতুলি মুজিব কিল্লায় অনুষ্ঠিত জানাযার নামাজের পূর্বে রাষ্ট্রের পক্ষে গার্ড অফ অনার প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত আনোয়ার তুমপা ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শহিদুল ইসলাম খান সহ পুলিশের চৌকস সদস্যবৃন্দ।প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সশস্ত্র সালাম ও জানাযার নামাজ শেষে বড়বগী ইউনিয়নের তুলাতলী গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মৃত্যুকালে তিনি,স্ত্রী,দুই ছেলে, এক মেয়ে,নাতি-নাতনী রেখে গেছেন।বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ যুদ্ধ পরবর্তী কালিন সমেয় অগ্রণী ব্যাংকের কেয়ারটেকার হিসেবে চাকরি থেকে অবসর নেন। মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণকারী এ বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে এলাকার মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দেশের সব অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগস্টিক গুলোকে বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছি -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, দেশের আনাচে-কানাচে গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগস্টিক সেন্টারসহ অবৈধ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে বন্ধ করে দিতে আজ (বুধবার) সকালেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছি।

তিনি বলেন, আমি কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চেয়েছি দেশে প্রকৃতপক্ষে কতগুলো অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র আছে। যতগুলোই সংখ্যায় থাকুক, এসব অবৈধ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দিতে আমাদের অভিযান শীঘ্রই শুরু করা হবে। এরমধ্যেই অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর মালিকেরা নিজেরাই যদি বন্ধ করে দেয় ভালো, নাহলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

বুধবার দুপুরে বনানী কবরস্থানে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাল্যবন্ধু শেখ কামালসহ অন্যান্য শহিদদের কবর জিয়ারত ও পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এবার স্বাস্থ্যসেবাকে গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে কাজ করব। ঢাকা মেডিকেলে যে মানের ডাক্তার চিকিৎসা দিচ্ছে সে মানের ডাক্তার জেলা-উপজেলা হাসপাতালে পাঠানো গেলে তো কাজটি সহজ হয়ে যায়। আর ডাক্তারদের সুযোগ-সুবিধা ভালো করলে তারাও নিশ্চয়ই জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কাজ করতে আগ্রহী হবেন। সব মিলিয়ে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কাজ করা এবং সেটা আমরা করব।

বাল্যবন্ধু জাতির পিতার বড় ছেলে শেখ কামাল প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার বড় ছেলে শেখ কামাল বেঁচে থাকলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনার হাত নিঃসন্দেহে আরও অনেক বেশি শক্তিশালী হতো। শেখ হাসিনা সেই শক্ত হাতে বাংলাদেশকে আরও দ্রুততম সময়ে উন্নত দেশে পরিণত করতে পারতেন। কিন্তু ঘাতকরা অনেক বড় ক্ষতি করে দিয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ সময় ছেলেবেলার স্মৃতিচারণ করে বলেন, শেখ কামাল দেশকে নিয়ে অনেক ভাবতেন। আমরা কয়েকজন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলাম। আমরা দেখেছি, তিনি (শেখ কামাল) খেলাধুলার উন্নতির প্রতি খুবই আগ্রহী ছিলেন। বাংলাদেশ যেন বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে পারেন এজন্য তিনি খেলাধুলায় উৎসাহ দিতেন এবং পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। আজ তিনি বেঁচে থাকলে খেলাধুলাসহ সবদিকে বাংলাদেশ আরও দ্রুত এগিয়ে যেত।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ সম শেখ কামালের ছোটবেলার বন্ধু বাদলসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।