আমেরিকা বাংলাদেশকে খেলার মাঠ বানিয়ে ভারতকে ডমিনেট করতে চায়  : ইনু

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

দিল্লিকে (ভারত) ডমিনেট করতেই আমেরিকা বাংলাদেশকে খেলার মাঠ বানাতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু।

তিনি বলেন, ‘দিল্লিকে আমেরিকা আর দোনোমোনো খেলতে দেবে না। ক্লোজ এলাই হিসেবে পাশে চায়। ক্লোজ এলাই হিসেবে পুরোপুরি পাশে না পেলে তারা ভারতের পার্শ্ববর্তী বন্ধু দেশ বাংলাদেশ মানে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে তাদের পছন্দের পুতুল কাউকে ক্ষমতায় বসাতে চেষ্টা করবে।’

সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে ইনু বলেন, ‘সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে হঠাৎ বাংলাদেশকে নিয়ে আমেরিকা অতি উৎসাহী হয়ে উঠছে। নানা বিবৃতি দিচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ আমেরিকার এত উৎসাহ কেন? তারা গণতন্ত্র টার্ম ইউজ করছে। অথচ পৃথিবীতে এমন একটি দেশের নামও কেউ বলতে পারবে না যেখানে আমেরিকা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। বরং আমেরিকা যখন কোনো দেশের গণতন্ত্রের ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে ওঠে, তখন সেই দেশের সরকার বা বিরোধী দলের চেয়ে জনগণের জন্য বেশী দুর্ভোগ বয়ে আনে। আমাদের এখন ভাবার সময় এসেছে আমেরিকার হঠাৎ এই অতি উৎসাহের হেতু কী? গণতন্ত্র নাকি সেন্টমার্টিন দ্বীপ!’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার সাবেক এই সদস্য বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের পুরোনো কৌশল প্রয়োগ করছে। সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে, আঙুল বাকা করতে চেষ্টা করবে। দিল্লি তথা ভারতকে ডমিনেট করতে ভারতের বন্ধু দেশ বাংলাদেশকে প্রেশারাইজ করে ভারতকে কাবু করতে চেষ্টা করবে। দর কষাকষি হচ্ছে মূলত আমেরিকা আর ইন্ডিয়ার মধ্যে। পলিটিক্যাল জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে খুবই ছোট, যা থেকে আমেরিকা খুব বেশি বেনিফিটেড হবার কোনো সম্ভাবনা নেই।’

তিনি বলেন, ২০ হাজার মাইল দূরের কেউ এসে আমাদের দেশকে খেলার মাঠ বানাবে আমরা সেটা হতে দেবো না। বাংলাদেশকে আমরা দাম দিয়ে কিনেছি। কারো দানে পাওয়া নয়। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে সঠিক সময়ে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। এটাই মোদ্দা কথা।

ইনু বলেন, বিএনপি-জামায়াত যারা নিজেরা নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে না পেয়ে বিদেশি বিভিন্ন মহলের কাছে গিয়ে ধর্না দিয়ে খাল কেটে কুমির আনছে তারা দেশের শত্রু, জনগণের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু।

বিএনপির সঙ্গে আলোচনার ইস্যুতে মন্ত্রীদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা কী বলবেন, আর কী করছেন- তা সরকারের পক্ষ থেকে তদারকি থাকা জরুরি প্রয়োজন নয় কি? তাদের বক্তব্যে মনে হচ্ছে, দেশটার মধ্যে ব্যাড়াছ্যাড়া লেগে গেছে।

তিনি আরও বলেন, কয়লার বিল বাকি ৪ হাজার কোটি টাকা, বিমান সংস্থার বাকি ২১ হাজার ডলার। সরকারি প্রতিষ্ঠানের বাকি ১৭ হাজার কোটি টাকা। আমার প্রশ্ন হচ্ছে এত বাকি কেন? কীভাবে? দেশটার মধ্যে কি ব্যাড়াছ্যাড়া লেগে আছে!

জাসদ সভাপতি বলেন, যে কোনো মূল্যে নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা ধরে রাখতে হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত বাখতে হবে। দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে।

সরকার জরুরি ভিত্তিতে কুইক রেন্টাল করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, যখন অন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র আসা শুরু করল তখন এদের বসিয়ে রেখে ১০ বছরে ৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ কেন দেবেন? দেশের কতিপয় র্শীষ কোম্পানিকে গত ৯ মাসে কুইক রেন্টাল কনসেপ্টের ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা।

ইনু বলেন, কতিপয় বিদেশি মহল জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘোঁট পাকাচ্ছে। আর বিএনপি-জামায়াত ও তাদের সঙ্গীদের ভাব দেখে মনে হচ্ছে, তারা নির্বাচনের আগেই ক্ষমতার প্রশ্ন ফয়সালা করতে চায়।

বিএনপিকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের ট্রেনে উঠুন, নির্বাচন ঠেকাতে এলে ট্রেনে কাটা পড়বেন। কলার ভেলায় চড়ে সাগরে ভেসে যাবেন। এই দেশে ১৯৭৫, ১৯৮২ বা এক-এগোরোর মতো ভূতের সরকার, সামরিক সরকার হবে না।

বাগেরহাটের রামপালে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালের মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৮ জুন) বিকাল সাড়ে ৪ টায় উপজেলার মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নের বড়ো সন্নাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভা কক্ষে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাবির আহমেদ তালুকদারের সভাপতিত্বে ও তুষার কান্তি মৃধার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, মল্লিকেরবেড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার মুজিবর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট আবুল হোসেন, সন্নাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার পাল, এসআই রিফাজ উদ্দিন, এসআই শ্রীবাস কুন্ডু, এসআই লিটন কুমুর, এসআই সুবীর কুমার, ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান, ইউপি সদস্য সুমন হাওলাদার প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় অত্র ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, ব্যাবসায়ী, মহিলা জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, গ্রাম পুলিশসহ বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মাদক, কিশোর গ্যাং, চুরি-ছিনতাই, বাল্যবিবাহ রোধ, নারী ও শিশু নির্যাতন, ক্রিকেট জুয়া, রাত ৯ টার পর ক্যারাম বোর্ড বন্ধ ও জুয়াসহ নানা অপরাধ দমনের বিষয়ে আলোচনা করেন বক্তাগণ। এ সময় আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম সকলের সুস্বাস্থ ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন, সকল প্রকার সমস্যার সমাধান আপনারাই করতে পারেন। পুলিশের সেবা প্রদানে বিলম্ব হলে সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করবেন।

আপনাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকলে রামপাল থানার মানুষদের নিরাপদ রাখা সম্ভব হবে। মাদক কারবারী ও সন্ত্রাসীদের সাথে কোন আপোষ করা হবে না। আলোচনা সভায় মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নের বিপুল সংখ্যক বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটের কচুয়ায় ম্যাপ অনুযায়ী খাল খননের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশে

// বিশেষ প্রতিনিধি, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়া থানার গোপালপুর ইউনিয়নে বলেশ্বর নদী থেকে মালিপাটন-ফুলতলা খাল খননে মালিকানা বাগান বাড়ি ও রাস্তা বিলিন হচ্ছে। এসএ ও বিআরএস রেকড অনুযায়ী খাল খননের দাবিতে গতকাল শনিবার সকালে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার ফুলতলা বাজারে স্থানীয়রা এক প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন,এসএ ও বিআরএস রেকর্ড ও ম্যাপে ৪০ ফুট খাল আছে। বৃদ্ধি করে ৬০ ফুট খনন করা হচ্ছে। এছাড়াও ভেকু চলা ও মাটি রাখার জন্য পাশে ১৫ফুট করে বৃদ্ধি করে খনন করা হচ্ছে। যাহার ফলে দুই পাশের মালিকানা বাগান, বাড়ি ঘর, গাছ পালা,কবর স্থান, চলাচলের ইটের সলিং রাস্তা বিলিন করা হচ্ছে।

প্রতিবাদ সমাবেশ উপস্থিত ছিলেন,চর মালিপাটন, ফুলতলা ও মালিপাটন গ্রামের নারায়ন মন্ডল, জয়নাত বিবি, মিরাজ শেখ, অনিল ডাকুয়া, ছত্তার শেখ, মনো রঞ্জন পাইক সুনিল পাইক, আবুল শিকদার ওমর আলী শেখ,ফারুক শেখ, ফিরোজ শিকদার, ইব্রাহিম শেখ, আলম শেখ অহিদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, আজগর শেখ, সারাফত হোসেন, হেলেনা বেগম, বিজয় কৃষ্ণ মৃধা, আঃ গফফার শেখ, বিপ্লব মৃধা প্রমূখ।

 

 

খুলনার ডুমুরিয়ায় মৎস্য চাষীদের ক্লাস্টার ম্যানেজমেন্টে গুড অ্যাকুয়াকালচার অনুশীলনের উপর এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

//বিশেষ প্রতিনিধি ডুমুরিয়া//

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে মৎস্য চাষীদের নিয়ে ক্লাস্টার ম্যানেজমেন্টে গুড অ্যাকুয়াকালচার অনুশীলনের উপর  এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৪ জুন বুধবার দিন ব্যাপি উপজেলা পরিষদের  সম্প্রসারিত ভবনের  হল রুমে টেকসই উপকূলীয় এবং সামুদ্রিক মৎস্য প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শরীফ আসিফ রহমান। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিকি’র সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যদেন খুলনা বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি’র বক্তব্যদেন সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রজেক্ট খুলনার উপ-প্রকল্প পরিচালক সরোজ কুমার মিস্ত্রী,সলিডাটি ড্যাড এর কর্মকর্তা মোঃ মশিউর রহমান।

কর্মশালায় ভোক্তার জন্যে নিরাপদ ও মানসম্পন্ন চিংড়ি উৎপাদন,রোগ জীবানু দ্বারা চিংড়ি যাতে সংক্রমিত না হয় তার ব্যবস্হা করা, ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক বা অনুরুপ ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যাদি দ্বারা চিংড়ি যাতে দূষিত না হয় তার ব্যবস্হা করাসহ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সচেতনতা মূলক আলোচনা করা হয়।

খুলনার ডুমুরিয়ায় জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্ত ও গনতন্ত্রের মুক্তি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি ডুমুরিয়া :

বঙ্গবন্ধু কন‍্যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার  কারা মুক্ত ও গনতন্ত্রের মুক্তি  দিবস উপলক্ষ্যে ১১ জুন  রবিবার বিকেলে ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ‍্যেগে দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক শাহানেওয়াজ হোসেন জোয়াদার এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব‍্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এ‍্যাড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, জেলা  আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোস্তফা কামাল খোকন, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এম এম সুলতান আহম্মেদ, প্রভাষক জিএম ফারুক হোসেন, খান আবু বক্কার, মোল্ল‍্যা জাহিদুল ইসলাম, মোল্ল‍্যা সোহেল রানা, শেখ ইকবাল হোসেন, গাজী আ: ছালাম, সুরজ্ঞন ঘোষ, যুবলীগের  আহবায়ক প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষ, প্রভাষক অমিত বিশ্বাস অপু, রাজিউল বারী সৈকত, কাজী মেহেদী হাসান রাজা, হামিদ সরদার, ইউপি সদস‍্য মনোজ সরকার মাহাবুব আলম সোহাগ, কৃষকলীগের অরিন্দম মল্লিক, মহিলা আওয়ামী লীগের  তহমিনা বেগম, শোভা রানী হালদার, সেচ্ছাসেবক লীগের গাজী সোহেল আহম্মেদ লিটন, শ্রমীকলীগের এরশাদ মোল্ল‍্যা,  ছাত্রলীগের খান আবুল বাশার ও শেখ মাসুদ রানা,

বাগেরহাটের কচুয়ার শ্রেষ্ঠ পাঁচ জয়িতার জীবন সংগ্রাম

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট প্রতিনিধি//

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার জীবনযুদ্ধে জয়ী পাঁচ সংগ্রামী নারীকে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা দিয়েছে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। সমাজের নানা প্রতিকুলতা ও নির্যাতন পেরিয়ে তারা সফলতা অর্জন করেছেন। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বৃহস্পতিবার (০৮ জুন) জানান, জীবনসংগ্রামে সফল হওয়া উপজেলার পাঁচজন নারীকে সরকার জয়িতা অন্বেষনে বাংলাদেশ কর্মসূচির আওতায় সম্মানজনক এই পদক দেয়। তাদের সংগ্রামী জীবন কাহিনী অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী ও শিক্ষণীয়।

পাঁচজন নারীর সংক্ষিপ্ত জীবন সংগ্রাম নিম্নরূপ-

১। অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী: কচুয়া উপজেলা সদরের মো. ইয়াছিন আরাফাতের স্ত্রী আমিনা আক্তার মিনার ১৬ বছর বয়সে বিয়ে হয়। তখন তার স্বামী বেকার। বিয়ের কিছুদিন পর সংসারে আার্থিক সংকট দেখা দেয়। মিনা তখন দর্জির কাজ ও বাড়ি বাড়ি ঘুরে শিশুদের প্রাইভেট পড়ানো শুরু করেন। লোকনিন্দায় শ^াশুড়ি তাতে নিষেধ করেন। পরে নিজের গহনা বিক্রি করে কম্পিউটার কিনে কম্পোজের কাজ করেন। তার আয়ে সংসার চালানো কষ্টকর। একপর্যায়ে সে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে কাজ শিখে বাড়ি ফিরে একটি দোকান দেন। ২০১২ সালে স্বামীর দুর্ঘটনায় ব্যবসাটি বন্ধ হয়। কিছুদিন পর হাঁস-মুরগী ও কোয়েল পাখি পালন ব্যবসা শুরু করেন। তাতেও বাধা আসে। এরপর মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আইজিএ প্রশিক্ষণে ব্লক-বাটিকের কাজ শিখে ব্যবসা শুরু করেন। এতে তিনি আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়ে নিজের জমিতে বসতবাড়ী করেন। নানা প্রতিকুল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জন করায় আমিনা আক্তারকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সম্প্রতি শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা-২০২২ পদক প্রদান করেছে।

২। শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সফল নারী: দরিদ্রতা কচুয়ার টেংরাখালী ইউনিয়নের টেংরাখালী গ্রামের শিকদার মো. মাসুমের স্ত্রী আনজুমানারা খাতুনের লেখাপড়ার অদম্য ইচ্ছাকে ঠেকাতে পারেনি। আনজুমানারা খাতুন জানান, এইচএসসি পাশের পর দরিদ্র মা-বাবা তাকে বিয়ে দেয়। বিয়ের কিছুদিন পর স্বামীর পরিবারেও আর্থিক অনটন দেখা দেয়। এই অভাব মেটাতে তিনি দর্জি কাজ, প্রাইভেট পড়ানো, প্রাইভেট স্কুলে কাজ করেন। পাশাপাশি লেখাপড়াও চালিয়ে যান। সমাজের নানা বাধা পেরিয়ে তিনি বিএ পাশ করেন। এরপর আন্ধারমানিক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। সংসারের হাল ধরে যখন সবাইকে নিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেন, তখন তার স্বামী এবং সন্তানের কিডনি রোগ ধরা পড়ে। এদিকে নিজেও হার্র্টের রোগী। তবু তিনি জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সফল নারী হওয়ায় তার সংগ্রামী জীবনকে সম্মান জানাতে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর তাঁকে সম্প্রতি শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা-২০২২ পদক প্রদান করেছে। এই সম্মাননা পেয়ে তিনি বলেন, ‘নবজীবন পেলাম। সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

৩। সফল জননী: কল্পনা রানী বসু স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি দুই সন্তান নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন। তবু মনোবল হারাননি। নানা প্রতিকুলতার মধ্যেও তিনি সন্তানদের উচ্চশিক্ষিত করেছেন। এজন্য মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর তাঁকে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা–২০২২ প্রদান করেছে। তিনি কচুয়া সদর উপজেলার প্রয়াত দেবু প্রসাদ বসুর স্ত্রী। কল্পনা জানান, তাদের নিজস্ব তেমন কোন জায়গাজমি ছিল না। বিবাহিত জীবনে ১৬ বছর পর স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি অসহায় হয়ে পড়েন। দুই সন্তানকে লেখাপড়া শেখানো ও প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সীমাহীন পরিশ্রম করেন। এখন তার মেয়ে তপা বসু বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার এবং বর্তমানে সাব-রেজিষ্ট্রার হিসেবে কচুয়া উপজেলায় দায়িত্ব পালন করছেন। ছেলে পল্লব বসু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে মাষ্টার্স এবং বিসিএস ৪০তম ব্যাচ (শিক্ষা ক্যাডার)।

৪। নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে নতুন উদ্যমে জীবন শুরুকারী নারী : নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করেন আজিজুন নেছা। তিনি কচুয়া উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মৃত শেখ মোজাহারুল ইসলাম ও কামরুন্নেছা বেগমের মেয়ে। আজিজুন নেছা জানান, এসএসসিতে লেখাপড়াকালে তার বিয়ে হয়। প্রথম সন্তান গর্ভে আসলে স্বামী তাকে গোপনে গর্ভপাত করান। এরপরে আর সন্তান না হওয়ায় স্বামী, ননদ ও শশুর-শাশুরীর অত্যাচার শুরু করে। তার স্বামী পরনারী আসক্ত হয়ে পড়ে। এরি মধ্যে একটি কন্যা সন্তান হয়। স্বামীর পরনারী আসক্তির ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বারদের কাছে নালিশ জানিয়ে বিপদ বেড়ে যায়। বাধ্য হয়ে স্বামীর বাড়ী থেকে বাবার বাড়ি চলে আসেন। একটি কসমেটিকস দোকান দেন। তাই দিয়ে মেয়ের পড়ালেখাসহ সকল চাহিদা মিটিয়ে বর্তমানে ভাল আছেন। তার মেয়ে ঢাকা ইসলামী আরবি বিশ^বিদ্যালয়ে বিবিএ অনার্স পড়ছে। এমন সাহসী জীবন সংগ্রামের জন্য মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সম্প্রতি তাকে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা-২০২২ পদক দিয়েছে।

৫। সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানকারী নারী: কচুয়া উপজেলার মসনী গ্রামের গোপীনাথ দাসের স্ত্রী বনলতা রানী দাস ১৫ টির বেশী বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ করেছেন। কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়নে তিনি একাধিকবার মহিলা ইউপি সদস্য। এছাড়াও তিনি বাধাল ইউনিয়নের মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি। এলাকার গর্ভবতী মায়েদের সেবাদান, গরিব অসহায় মেয়েদের শিক্ষাবৃত্তি দেয়া, কর্মঠ নারীদের হাঁস-মুরগী প্রতিপালনের মাধ্যমে স্বাবলম্বীর ব্যবস্থা করা সহ নানাভাবে সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখছেন। ব্র্যাকের মাধ্যমে নারীদের আইনগত সহায়তা দেন। সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখায় তাঁকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সম্প্রতি শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা- ২০২২ পদক দিয়েছে।

ডুমুরিয়ার কালিকাপুর গ্রামের এক কৃষক কন্দাল ফসল মিষ্টি আলুর উৎপাদন করে আশার আলো দেখছেন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি ডুমুরিয়া //

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষকরা  দিন দিন কন্দাল ফসল উৎপাদনে ঝুকে পড়ছে। উৎপাদন খরচ কম, সল্প জমিতে অধিক  ফসল, এক জমিতে অধিক ফসল ফলানো  সম্ভব।

এক সময়ে এ ফসল গ্রামের ঘরে ঘরে চাষাবাদ হতো। জন সংখ‍্যার বৃদ্ধি ভিটে ডাঙ্গা জমির উপর জন বসতি বাড়ি এ সকল সংকটে কন্দাল জাতিয় ফসল চাষাবাদ কমতে থাকে। এর মধ‍্যে কৃষি মন্ত্রালয় গ্রামীন এ ফসলকে আধুনিক  ও প্রযুক্তি সমৃদ্ধি চাষাবাদের  ল‍ক্ষ‍্য নিয়ে কন্দাল ফসল উন্নযন প্রকল্পের মাধ‍্যমে  ব‍্যাপক হারে প্রদর্শনী, কৃষক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। উপজেলার শরাফপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর ব্লকে কৃষক  অলিয়ার রহমান শেখ, প্রদর্শনী ২০ শতক  জমিতে মিষ্টি আলুর চাষ করে ৩০ মণ আলু পেয়েছে। এতে খরচ বাদে ১৮  হাজার টাকা লাভ পেয়েছে ।

এছাড়া পরবর্তী তে সে কাটিং সংরক্ষণ করে এবং নিজ উপজেলা সহ তালা উপজেলায় কাটিং বিক্রি করে২৫ হাজার ৫০০টাকা বিক্রি করেন। তাছাড়া ১৫-২০জন এলাকার কৃষককে  কাটিং সম্প্রসারণ করেছেন।

তিনি বলেন কৃষি অফিসের উপ সহকারী করুনা মন্ডলের মাধ‍্যমে মিষ্টি আলু চাষে উদ্বদ্ধ হয়ে সল্প পরিসরে  অল্প জমিতে চাষ করি।  সল্প খরচে ভাল ফলন ও ভাল দাম পেয়ে আমি খুশি। আমার দেখা দেখি অনেকে মেটে আলু চাষে আগ্রহ হচ্ছে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা করুনা মন্ডল বলেন কৃষি আমাদের সম্পদ। কৃষকদের মুটিভিশন করে কন্দাল জাতীয় ফসল উৎপাদন করা সম্ভব। এতে কৃষক অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হবে। পাশাপাশি পুষ্টির চাহিদা পুরন করা সম্ভব।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন এক সমযে গ্রামীন জনপদে ব‍্যাপকহারে মেটে আলুর চাষ হতো। কৃষকরা ঠিকমতো দাম না পাওয়ায় অন‍্য চাষে দিকে ঝুকে পড়ে।  কৃষি বান্ধব সরকার কন্দাল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকল্পের মাধ‍্যমে কৃষকদের উৎজ্জিবিত করেছে। এ চাষে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। এ বছর উপজেলায় ৭০ হেক্টর জমিতে মিষ্টি আলুর চাষ হয়েছে। মিষ্টি আলু ব‍্যানিজিক ভাবে চাষাবাদ করার জন‍্য কৃষকদের মোটিভেশন করা হচ্ছে।

ডুমুরিয়ায় কন্দল ফসলের উপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

//বিশেষ প্রতিনিধি  খুলনা //

ডুমুরিয়ায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জুন )  সকালে উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আয়োজিত প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইনসাদ ইবনে আমিন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ওয়ালিদ হোসেন ও আরাফাত জামিল । প্রশিক্ষণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৩০জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

পদ্মা সেতুর কারণে মোংলা বন্দর দিয়ে বাড়ছে গার্মেন্টস পন্য রপ্তানি”

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় দক্ষিনবঙ্গের যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম উল্ল্যেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি
পেয়েছে তার মধ্যে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ অন্যতম।

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার সাথে সাথেই এবন্দর দিয়ে রেডিমেইড গার্মেন্টস পন্য রপ্তানি শুরু হয়েছে।
পদ্মা সেতু চালুর পরে মোংলা বন্দর দিয়ে সর্বপ্রথম গার্মেন্টস পন্য রপ্তানি হয় ২০২২ এর ২৭ জুলাই।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ এ ৬ জুন ঢাকার ফকির নিটওয়ার লিঃ, এপেক্স লিংগারি লিঃ, এপেক্স স্পিনিং লিঃ, নিট কনসার্ন লিঃ, ফ্লামিংগো ফ্যাশান লিঃ, অনন্ত গার্মেন্টস লিঃ,লিবার্র্টি নিটওয়ার লিঃ,এ কে এম নিটওয়ার লিঃ, স্টালিং ডেনিমস লিঃ,
স্টালিং স্টাইলস লিঃ মোট ১০ টি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির বাচ্চাদের পোশাক, হেয়ার ব্যন্ড, লেগিংস , ট্রাওজার, সহ বিভিন্ন গার্মেন্টস পন্য নিয়ে M.V. Maersk Qinzho নামক সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী ৭.৫ মিটরি ড্রাফট এর একটি জাহাজ পোল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা করার লক্ষ্যে মোংলা বন্দরের 5 নং জেটিতে অবস্থান করছে।

এছাড়া ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায় আগামী ২২
জুন M.V. Maersk Mongla নামক আরো একটি জাহাজে করে একই ধরনের রেডিমেইড গার্মেন্টস পন্য রপ্তানির জন্য প্রক্রিয়াধীন আছে।

পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় ঢাকা থেকে মোংলা বন্দরের দূরত্ব ১৭০ কি. মি. সেখানে ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম বন্দরের দূরত্ব ২৬০ কি. মি.। মোংলা বন্দরে জাহাজ হ্যান্ডলিং দ্রুত ও নিরাপদে হয়। একই সাথে ঢাকার সাথে দূরত্ব কমে যাওয়ায় সময় ও অর্থ দুয়েরই সাশ্রয় হওয়ার কারণে ব্যবসায়িরা মোংলা বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি করায় আগ্রহী হচ্ছে। মোংলা বন্দরে দ্রুত জাহাজ
হ্যান্ডলিং করা, জেটি অভ্যন্তরে কন্টেইনার স্টাফিং সুবিধা, Cut Of Time
এর নিয়ম অনুসরণ না করা, পর্যাপ্ত ইকুইপমেন্ট সুবিধা ও নিরাপদ বন্দর হওয়ায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হচ্ছে মোংলা বন্দর।

ডুমুরিয়ায় দলিতের উদ্যোগ সামাজিক গণমাধ্যম ব্যবহার ও নাগরিক অধিকার বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি  খুলনা

খুলনার ডুমুরিয়ায় দলিতের উদ্যোগে ও ক্রিসটিয়ান এইড বাংলাদেশের অর্থায়নে সামাজিক গণমাধ্যম ব্যবহার ও নাগরিক অধিকার বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৪ জুন রোববার বিকেলে  রঘুনাথপুর  ইউনিয়নের ‌‌ঋষি পাড়ায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন কম্পিউটার প্রশিক্ষক বাঁধন পাল, উজ্জ্বল দাস। সভায় পূর্বের সভার শিক্ষণীয় বিষয় সম্পর্কে পূর্ণরায় আলোচনা করা হয় এবং নতুন করে গণমাধ্যমে বন্ধু নির্বাচন , ছবি শেয়ার ও কমেন্ট বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

এছাড়া বর্তমান আইটি সেন্টার , আসন্ন বেসিক কম্পিউটার কোর্স ও ফ্রিল্যান্সিং কোর্স সম্পর্কে অবগত করা হয়।