বাগেরহাট কারাগার থেকে ৬৪ ভারতীয় জেলে মুক্তি পেয়েছে

//বিশে ষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশের দায়ে বাগেরহাট কারাগারে আটক ৬৪ ভারতীয় জেলেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া এসব জেলেদের বিশেষ নিরাপত্তায় কোস্টগার্ডের বাসে করে মোংলায় নেয়া হয়েছে। একই দিন পটুয়াখালী কারাগার থেকেও মুক্তি দেয়া হয়েছে ৩৩ জন ভারতীয় জেলেকে।

বাগেরহাট ও পটুয়াখালী কারগার থেকে মুক্তি পাওয়া  এই ৯৭ জেলেকে ভারতে হস্তান্তরের জন্য মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন তাদের হেফাজতে নিয়েছে। ভারতীয় এসব জেলেকে দুই দেশের বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় আগামী ৫ জানুয়ারি বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ ও ভারত জলসীমার শুন্যরেখায় ভারতীয় কোস্টগার্ডের হস্তান্তর করা হবে। একই সময়ে ভারতের কারাগারে আটক থাকা বাংলাদেশী ৭৮ জন জেলেকে মুক্তি দিয়ে ভারতীয় কোস্টগার্ড তাদের বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তরের কথা রয়েছে।

মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট বি এন মুশফিক-উস সালেহীন এতথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশের দায়ে গত বছরের ১৮ অক্টোবর ৪৮ জন ও ২১ নভেম্বর ১৬ জন ভারতীয় জেলেকে আদালতে মাধ্যমে বাগেরহাট কারাগারে আটক রাখা হয়।

একই ভাবে বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশের দায়ে ৩৩ জন ভারতীয় জেলেকে আদালতে মাধ্যমে পটুয়াখালী কারাগারে আটক রাখা হয়। বাংলাদেশ-ভারত বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় বাগেরহাট ও পটুয়াখালী কারাগারে আটক থাকা ৯৭ ভারতীয় জেলেকে সরকারের নির্দেশে বৃহস্পতিবার দুপুরে মুক্তি দিয়ে তাদের হস্তান্তরের জন্য কোস্টগার্ডের কাছে দেয়া হয়েছে।

এখন ৯৭ ভারতীয় জেলেকে মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের হেফাজতে রেখে তাদের দুই দেশের বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় আগামী ৫ জানুয়ারি বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ ও ভারত জলসীমার শুন্যরেখায় ভারতীয় কোস্টগার্ডের হস্তান্তর করা হবে। এসময়ে ভারতের কারাগারে আটক থাকা বাংলাদেশী ৭৮ জন জেলেকে মুক্তি দিয়ে ভারতীয় কোস্টগার্ড তাদের বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তরের কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট কারাগারের সামনে উপস্থিত থাকা ভারত থেকে আসা এসব করামুক্তি জেলেদের স্বজনরা বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

শুরু হতে যাচ্ছে মোংলা নদীর ওপর কাঙ্খিত সেতু নির্মাণ

বিশেষ প্রতিনিধি: জেনিভা প্রিয়ানা||

চলতি বছরেই মোংলা নদীর ওপর সেতু নির্মাণে কাজ করছে সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগ। দ্রুত সমীক্ষা চালিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে এই জনপদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমিয়েও আনতে চায় সংস্থাটি। এ লক্ষ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে সওজ।

বুধবার (১ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় মোংলার দিগরাজে সড়ক ও জনপদের বাংলোতে হাইডোলজি ও মরফোলজি স্টাডি রিপোর্ট ও সেতুর অবস্থান চূড়ান্ত করতে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় সড়ক ও জনপদের খুলনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে স্থানীয় প্রশাসন, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, ইপিজেড ও বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা সুবিধাজনক স্থানে মোংলা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের ওপর মত প্রকাশ করেন। মোংলা নদীর মাঝে ২০০ কিলোমিটার বাকি রেখে দুই পাড়ে দুটি পিলারের ওপর সেতুটি নির্মাণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয় সভায়। এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি বছরেই সমীক্ষা চালিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানায় সড়ক ও জনপদ বিভাগ।

সেতুটি নির্মাণ হলে এই অঞ্চলের জনপদের দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ দূর হবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপদের বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিক, সেতু বিভাগ ঢাকার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল আলম ও সেতু নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ-৪ ঢাকার নির্বাহী প্রকৌশলী স্বপ্না বেগমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

বরগুনায় তরুণ্যের ভাবনা শীর্ষক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত

//এইচ এম দেলোয়ার,আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বাংলাদেশ বিনির্মানে উৎসবমুখর আয়োজনের মধ্য দিয়ে বরগুনায় তারুণ্যের ভাবনা শীর্ষক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সকাল ১০ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে একশনএইড এর সহযোগিতায় এনএসএস এর আয়োজনে ইয়োথ ইন সিপিং এজেন্ডা বাংলাদেশ ২.০ বিষয়ে ৩ শতাধিক তরুণ সদস্যদেরকে নিয়ে এই যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বরগুনায় তরুণ্যের ভাবনা শীর্ষক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সমাবেশ উদ্বোধন করেন বরগুনা জেলা প্রশাসক মো: শফিউল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মাহবুব রব্বানী,প্রফেসর আহমেদ পারভেজ,কৃষি বিভাগের উপপরিচালক ড. আবু সৈয়দ যোবায়দুল আলম,বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মোঃ শামীম মিয়া,বরগুনা প্রেসক্লাব সভাপতি এ্যাডভোকেট সোহেল হাফিজ,সমাজসেবা অফিসার মো: হেমায়েত উদ্দিন ও এনএসএস এর পরিচালক শাহাবুদ্দিন পান্না।

সমাবেশে তরুনদের নতুন বাংলাদেশ তৈরীতে সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় জেলায় কি পরিমাণ ক্ষতি হচ্ছে তা নিয়ে ” লবন জলে,জীবন জলে” নামে একটি মঞ্চনাটক অনুষ্ঠিত হয়। এর মাধ্যমেই বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও সুপারিশ করে থাকেন অংশগ্রহণকারী তরুণ ও অতিথিরা।

ডুমুরিয়ায় শোলমারী নদীর সাথে সম্পর্কিত বিল ও আবাসিক এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন শীর্ষক প্রকল্পের  গনশুনানী অনুষ্ঠিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

খুলরার জেলার ডুমুরিয়া ও বটিয়াঘাটা উপজেলার শোলমারী নদীর সাথে সম্পর্কিত বিল ও আবাসিক এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন শীর্ষক প্রকল্পের ওপর ২৮ ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে এক গনশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত সম্মেলন কক্ষে বিকেল ৪ টায় অনুষ্ঠিত গণশুনানীতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন।

অনুষ্ঠানে  প্রধান  অতিথি ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব আব্দুল্লাহ আল আরিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কৃষি মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব মাকসুদা ইয়াসমিন, বাপাউবো’র যশোর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক  প্রকৌশলী বিএম আব্দুল মোতিন, বিএডিসি খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল ফারুক, খুলনা পওর-১ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া ও পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী ইশতিয়াক।

বক্তৃতা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ আসাদুর রহমান, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের  এস এম জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যাপক জিএম আমান উল্লাহ, সাংবাদিক কাজী আব্দুল্লাহ ও এম এ এরশাদ,  ফুলতলা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাসার, রঘুনাথপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনোজিৎ বালা, ইউপি চেয়ারম‍্যান গাজী হুমাউন কবির বুলু, এম জহুরুল হক,  উপজেলা বিএনপির সদস‍্য সচিব  সরদার আব্দুল মালেক, জামায়াত নেতা আবু ইউসুফ মোল্যা, ভুমি ও পানি কমিটির নেতা সেলিম আক্তার স্বপন, মুফতি আব্দুল কাইয়ুম জমাদ্দার,  এড. আলমগীর হোসেন প্রমুখ।

৫০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত প্রকল্পের প্রস্তাবিত ভৌত কাজ সমুহ হলো, শোলমারী নদী ও কাজিবাছা নদীর সংযোগ থেকে ভদ্রা নদী পর্যন্ত মোট ১৫.৫ কিলোমিটার ড্রেজিং, শোলমারী নদী সিস্টেমের সাথে সম্পর্কিত ২৪টি খাল পুনঃখনন, শোলমারী ১০ ভেন্ট রেগুলেটর দেশকুলে ২টি পাম্প স্থাপনসহ আপার শোলমারি নদীর ২.৮ কিলোমিটার খনন ও রামদিয়া ৯ ভেন্ট রেগুলেটরের দেশকুলে ৩টি পাম্প স্থাপনসহ সংযোগ খাল খনন।

উল্লেখ্য, গত বর্ষা মৌসুমে ডুমুরিয়াসহ বিলডাকাতিয়া এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। ২৭টি বিলসহ অন্তত ২০টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে মাছ ও সবজির ব‍্যাপক ক্ষতি হয়।

নবাগত নির্বাহী অফিসারকে সংবর্ধনা ও প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসায় নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে সংবর্ধনা ও রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির পরিচিতি সভা গত ২৫ ডিসেম্বর বিকেলে ক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু। তিনি বক্তৃতায় বলেন- সাংবাদিকতা পেশা একটি মহৎ পেশা। আপনারা সাংবাদিকদের লেখনির মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ আমরা পত্র পত্রিকায় জানতে পাই। নিজস্ব পেশাগত নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা বজায় রেখে তথ্য সংগ্রহ, সত্য অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে বাস্তব চিত্র তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। সাংবাদিকরা জনগণের সামনে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য উপস্থাপন করে যাচ্ছে। যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করে থাকে। সরকারের নীতিমালা ও কর্মকান্ডের উপর সাংবাদিকরা নজর রাখে এবং অনিয়ম প্রকাশে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। সঠিক তথ্যের প্রচার এবং জনগণের আস্থার ভিত্তিতে সাংবাদিকতাকে এগিয়ে নিতে পরামর্শ প্রদান করেন।

সভায় সম্মানিত অতিথির বক্তৃতা করেন- ক্লাবের উপদেষ্টা বাবলু কুমার আঁশ।

প্রেসক্লাবের সভাপতি জিএম আছাদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইউশা মোল্লার পরিচালনায় আমন্ত্রিত অতিথির বক্তৃতা করেন- কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রভাষক মেজবাহ উদ্দিন খান, পিঠাভোগ ডি.জি.সি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণপদ রায়।

নতুন কমিটির বিভিন্ন পদের সাংবাদিকরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি এম মুরশীদ আলী, সহ সভাপতি মো. মোশারেফ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম বাবু, কোষাধ্যক্ষ মো. নাহিদ জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ: মজিদ শেখ, দপ্তর সম্পাদক বিএইচ বাকি, প্রচার সম্পাদক নাজিম সরদার, আইসিটি সম্পাদক মুন্সি রায়হান, ক্রীড়া সম্পাদক মাসুম সরদার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মিলন মোল্লা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আজিজুল ইসলাম, মহিলা সম্পাদিকা জাফরিনা মোড়ল, বাকি সদস্য- মারুফ হোসেন, মিলন সাহা, আব্দুল মান্নান, আনিসুর রহমান, আহাম্মদ হোসেন প্রমূখ।

রামপালে ১৭ বছর পরে বিএনপির বিজয় শোভাযাত্রা

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

দীর্ঘ ১৭ বছর পরে রামপাল উপজেলা বিএনপি বিজয় শোভাযাত্রা করেছে। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৪ টায় উপজেলার খুলনা-মোংলা মহাসড়কের  ফয়লাহাট এলাকায় এ বিরাট শোভাযাত্রা বের করা হয়। নেতৃত্ব দেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।

শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, জুলাই বিপ্লবে তারুণ্যের বিজয় অর্জিত হয়েছে। এ অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে হবে। তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে ৩১ দফার যে রূপরেখা দিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন করতেই হবে। সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আমাদের অর্জিত স্বাধীনতা বাস্তবায়নে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে হবে। সভায় আগত মায়েদের উদ্দেশে বলেন, সন্তানদের প্রাথমিক শিক্ষায় বেশি মনোযোগী হবেন। কারণ প্রাথমিক থেকেই শিশুরা যদি সুশিক্ষা পায় তবে জাতি গঠনে তারা বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবে।

দলীয় নেতা-কর্মীদের বলেন, দলের ঐক্য ধরে রাখতে বিশৃঙ্খল পরিবেশ থেকে দূরে থাকুন। সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হলে দল তার দ্বায় নিবে না। তিনি দেশের জন্যে কাধে কাধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

শোভাযাত্রা শেষে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোস্তফা কামাল পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে স্থানীয় সবুজকুড়ি কিন্ডারগার্টেনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোড়ল লুৎফর রহমান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. আলতাফ হোসেন বাবু, উপজেলা বিএনপির সদস্য মোড়ল মাহাতাব আলী, সদস্য মাষ্টার মুজিবর জোয়ার্দার, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মল্লিক জিয়াউল হক জিয়া, উজলকুড় ইউনিয়ন বিএনপি নেতা জাহিদুল ইসলাম বাবলা, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাজী অজিয়ার রহমান, উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনি, উপজেলা কৃষকদলের সাবেক সভাপতি আব্বাস আলী, উজলকুড় ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা কামাল, বাগেরহাট জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য মোড়ল আক্তারুজ্জামান, রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মোল্লা তরিকুল ইসলাম শোভন, মোফাজ্জল হুসাইন বাদল, পল্লব হোসেন রাজু প্রমুখ। সভায় বিপুল সংখ্যক বিএনপি ও অংগ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং নারীরা উপস্থিত ছিলেন

রূপসায় আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসায় আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা গত ১৮ ডিসেম্বর সকাল ১১ টায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়।

অভিবাসী দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু।

আইসিটি কর্মকর্তা ইমরান হোসেনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম তরফদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ বোরহান উদ্দিন।

এ সময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর কাজী এহতেশামুল হক, টিএসবি ইউনিয়ন (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান মো. আছাফুর রহমান, শ্রীফলতলা ইউনিয়ন (ভারপ্রাপ্ত) চেয়রাম্যান মো. জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, মেরিন ফিসারিজ কর্মকর্তা মো. রাসেল শেখ, সোনিয়া আক্তার, ছাত্র প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম প্রমূখ।

ভাই ভাইয়ের জায়গায় থাকবে, দলের প্রশ্নে তার সাথে কোন সম্পর্ক নেই সংবাদ সম্মেলনে এম এ সালাম

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাট জেলা বিএনপি নেতাদের বিরোধিতার মুখে পড়েছেন দলটির সাবেক জেলা সভাপতি ও বাগেরহাট -২ ( সদর – কচুয়া ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ এইচ, সেলিম।

বাগেরহাট প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এম এ এইচ সেলিমের বিভিন্ন সমলোচনা করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে এম এ এইচ সেলিমকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, বছরের পর বছর দল ছেড়ে নিস্ক্রিয় থাকা কাউকে নেতা কর্মীরা আর গ্রহণ করবে না।

বিরোধিতাকারি নেতৃবৃন্দের মধ্যে এম এ এইচ সেলিমের আপন ছোট ভাই ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম ও রয়েছেন। সালাম বর্তমান জেলা কমিটির সমন্বয়ক পদে রয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে সেলিমের আপন ছোট ভাই এম এ সালাম বলেন, তিনি ( সেলিম ) আমার ভাই, কিন্তু তা বাসায়। ভাই ভাইয়ের জায়গায় থাকবে, সেটি আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক। ২০০৯ সালের পর দলের সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করার পর দলের প্রশ্নে তার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।

তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন, গত ৫ ই আগস্টের পর যে সব নেতারা বিএনপিতে ফেরার চেষ্টা করছেন তাদের কোন অবস্থাতেই দলে জায়গা হবে না। বিএনপিতে বিগত ১৬ বছরে যারা রাজনীতির মাঠে ছিলেন, আন্দোলন করেছেন, জেল খেটেছেন, তাদের দল মূল্যায়ন করবে। তিনি আরো বলেন, সেলিম যখন বিএনপিতে ছিলেন তখন বিএনপি’র দলীয় কর্মকান্ড তার বাড়ি শহরের পুরাতন বাজার মেহেদী কুঞ্জ থেকে পরিচালিত হতো ।

পদত্যাগের পর তিনি বলেন, “আমি যেহেতু এখন দল করি না ,তাই আমার বাড়িতে বসে বিএনপির রাজনীতি পরিচালনা করা যাবে না”। ওই বাড়ি থেকে তাদের নামিয়ে দেয়া হয়েছিল অভিযোগ করে সালাম বলেন, আমি জমি করে সেখানে দলের কার্যালয় স্থাপন করে রাজনীতি কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছি।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতা আসার পর এম এ এইচ সেলিম জেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করে দলীয় কর্মকাণ্ড সম্পৃক্ত না থাকার ঘোষণা দেন।

২০০৭ সালে‌ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তিনি বেশ কয়েকটি দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত হয়ে তিনি জেলখানায় ছিলেন পরবর্তী রাজনৈতিক দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর পর গত ২৫ ও ২৬ সাবেক এই বিএনপি নেতার অনুসারে তার সম্মানে বাগেরহাটে সংবর্ধনা দুইটি সভা আয়োজন করে । এম এ এইচ সেলিম এসব অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠান দুটি তে বিপুল মানুষের সমাগম ঘটে। এরপর থেকে স্থানীয় বিএনপির মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়। আগামীকাল ১৭ ই ডিসেম্বর বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার গোয়ালমাঠ এলাকায় সেলিমের ব্যক্তিগত টাকায় গড়ে তোলা মাজেদা বেগম কৃষি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে তার অনুসারীরা আরো একটি নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজন করেছে।

ওই অনুষ্ঠানের তিনি উপস্থিত থাকবেন বলে বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে বাঘেরহাট জেলা বিএনপির আহবায়ক প্রকৌশলী এ টি এম আকবর হোসেন তালিম অভিযোগ করে বলেন, জেলা বিএনপি পদত্যাগী সাবেক সভাপতি এম এ এইচ সেলিম ৫ ই আগস্ট এর পর গত ২৫ ও ২৬ নভেম্বরে এলাকায় ফিরে বিভিন্ন ভাষায় কথা বলেন। বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এবং নেতৃবৃন্দ সম্পর্কে প্রকাশ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত আপত্তিকর ও উস্কানিক মূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তার বক্তব্যের জন্য বিএনপি প্রতিবাদ জানাচ্ছি ছাড়তে তার ওই বক্তব্যর জন্য অনতিবিলম্বে তাকে আমরা ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানাচ্ছি।

জেলা বিএনপির আহবায়ক বলেন সেলিমের সংবর্ধনার একটি পোস্টারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তার সাথে আমাদের দলের কোন সম্পর্ক নেই। তিনি এই ছবি ব্যবহার করতে পারেন না।

তিনি বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের শাসনামলে তাদের সাথে সুসম্পর্ক রেখে ব্যবসা-বাণিজ্য করে সুন্দর জীবন যাপন করেছেন। তার এই কর্মকাণ্ড জেলা বিএনপি কোনো ভাবেই মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ারিদের এই নেতা। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আইনজীবী ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক খাদেম নিয়ামূল নাসির আলাপ, শেখ শমসের আলী মোহন, আহবায়ক কমিটির সদস্য শেখ শাহেদ আলী রবি, পুরো বিএনপির আহবায়ক এসকান্দার হোসেনসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ রূপসায় এসএসসি ও এইচএসসি’র কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করেছে

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ কর্তৃক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া ৪৪ জন অসচ্ছল এতিম শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান সভা গত ১১ ডিসেম্বর বিকেল ৩ টায় উপজেলা রূপসা অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়।

সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু।

ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ খুলনা জেলা সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার মো. জাকারিয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মো. আহসান হাবীব প্রামানিক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম তরফদার।

শিক্ষার্থী রিয়া আক্তার ও শেখ মনিরুজ্জামান মনির পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন- শাহজাহান সিরাজ, মো. আতাউর রহমান, সুবর্না খাতুন।

রূপসায় বেগম রোকেয়া দিবসে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা প্রদান

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে রূপসায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান গত ১০ ডিসেম্বর সকাল ১১ টায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি বক্তৃতা করেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো. সাইদুর রহমান, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর কাজী এহতেশামুল হক, উইনরক ইন্টারন্যাশনাল (রিজিওনাল কো অর্ডিনেটর) ইকবাল হাসান, রূপসা থানার এস আই জুয়েল।

এ সময় অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন- খুলনা জেলা বিএনপির সম্পাদক মন্ডলীর সাবেক সদস্য ও রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম আসাদুজ্জামান, রূপসা ব্র্যাক ম্যানেজার অশিম কুমার দাস, তথ্য আপা দীলশান আরা, সাংবাদিক কৃষ্ণ গোপাল সেন, সাবেক জয়ীতা রুমানা আক্তার রুপা, ছাত্র প্রতিনিধি মো. তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সভা শেষে ৪ জন জয়িতা সম্মাননা ক্রেস্ট পেলেন- শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ঘাটভোগ ইউনিয়ন পিঠাভোগ গ্রামের- তপতী বিশ্বাস। সফল জননী নারী টিএসবি ইউনিয়ন তালতলা গ্রামের- জাহানারা বেগম। নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যোমে জীবন শুরু করা নারী হলেন শ্রীফলতলা ইউনিয়ন জোয়ার গ্রামের- ফাতেমা খাতুন রুমা। সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী- নৈহাটি ইউনিয়ন ইলাইপুর গ্রামের গোলাপী খাতুন।