রূপসায় চেয়ারম্যান প্রার্থী এসএম হাবিবের গনসংযোগ

//তরুন কান্তি পাইক, নিজস্ব প্রতিবেদক//

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে  উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবিব  ২৯ এপ্রিল বিকালে উপজেলা সদর কাজদিয়া বাজার,থানার মোড় বাজারে গনসংযোগ করেন।

এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি খান শাহাজাহান কবীর প্যারিস,দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক গাজী মোঃ আলী জিন্নাহ, টিএসবি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ হালদার, সহ-সভাপতি মঈন উদ্দীন শেখ, আওয়ামীলীগ নেতা মনোরঞ্জন হালদার,ইউপি সদস্য সৈয়দ আওরঙ্গজেব স্বর্ন,ইনতাজ মোল্যা,দাউদ শেখ, সালাম শেখ,মাসুম সরদার, আওয়ামীলীগ নেতা উৎপল দত্ত,পলাশ হালদার, জামাল শেখ, কাজদিয়া বাজার বনিক সমিতির সভাপতি জুলফিকার আলী, যুবলীগ নেতা সফিকুর রহমান ইমন, রবিউল ইসলাম, সাদ্দাম হোসেন,খায়রুজ্জামান সজল, রউফ শিকদার,শরিফুল ইসলাম সোহাগ,ইমলাক মল্লিক, যুবমহিলালীগের  আসমা বেগম, ছাত্রলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম কাজল, যুবলীগ নেতা জাহিদ শেখ, মুরাদ শেখ, হুমায়ূন কবীর, সোহেল শেখ, রাজু আহম্মেদ, নিলয় হালদার, রাসেল মোল্যা, জ্যাকিব পাইক, মাসুম বিল্লাহ, মহসিন খন্দকার, ইউনুস শেখ সহ অনেকেই।

নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন অধ্যক্ষ সরদার ফেরদৌস আহমেদ

//এম মুরশীদ আলী//

সরদার ফেরদৌস আহমেদ ছিলেন সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের সাবেক  অধ্যক্ষ। তিনি অবসর গ্রহণের পর উপজেলাবাসীর সেবা করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সকলের দোয়া-সমর্থন ও সহযোগীতা কামনা করছেন। এ উপলক্ষে গত ২৮ এপ্রিল বিকেলে, টিএসবি ইউনিয়নের মধ্যে উপজেলা সদরস্থ কাজদিয়া বাজার, থানার মোড়, পাঁচানি কলোনী, ফুলতলা মোড়, গিলাতলা গাজীর দোকান এলাকা ও তালতলা এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন।

নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন অধ্যক্ষ সরদার ফেরদৌস আহমেদ

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা রবিউল ইসলাম মিনা, শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, ইন্দ্রজিৎ অধিকারী, সরদার মামুনুর রশিদ, জন সরদার, বঙ্গবন্ধু কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক জুয়েল সরদার, গাউস সরদার, যুবলীগ নেতা, স,ম, লিটন, ধ্রুব দাস, আলামিন রকি, নিরঞ্জন বিশ্বাস, শেখ আবরার হাসিব বিশ্বাস, সাব্বির আহমেদ, রিফাত হাওলাদার, শেখ সজীব প্রমূখ ।

বাগেরহাটের কচুয়ার গোপালপুর ইউপির উপ-নির্বাচনে লিটন চেয়ারম্যান নির্বাচিত

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়ায় গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনের মোঃ লিটন মোল্লা (মটরসাইকেল প্রতীক) ২৩৩৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

তার নিকট তম প্রতিদ্বন্দ্বী মীর তকদীরউজ্জামান (চসমা প্রতীক) পেয়েছেন ১৫১১ ভোট।

রবিবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বেসরকারিভাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নীং অফিসার হিমাংশু বিশ্বাস। ভোটার উপস্থিতির হার ৬৯.১০, মোট ভাটার ৮৫২৫ জন, উপস্থিত ভোটার ৫৮৯১জন , বাতিল ভোট ৬৫।

এ নির্বাচনে  ৫ জন প্রার্থী  প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এসএম আবু বক্কর সিদ্দিকের মৃত্যু কারনে পদটি শূন্য হলে এই উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

রামাপালে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী জামিল হাসানের গণসংযোগ পথসভা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামাপাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ দলীয় চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী আলহাজ্ব মো. জামিল হাসান জামু ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছন।

তিনি দিনভর উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা, হুড়কা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা, গৌরম্ভা ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) রাজনগর ইউনিয়নে গণসংযোগ ও পথসভা করেন। এসময় তার সাথে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জামিল হাসান  জানান, নিরপেক্ষ ভোট হলে এবং হ্যাভিওয়েট জনপ্রতিনিধিরা কারসাজি না করলে জনগণের বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেখ হাসিনার নির্দেশ অমান্য করা হচ্ছে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনের দলীয় সিদ্ধান্তে

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশ সত্ত্বেও অনেক মন্ত্রী, এমপির আত্মীয়-স্বজন মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেননি। এটাকে চরম ঔদ্ধত্য হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

এখনো কমপক্ষে ১১ জন প্রার্থী আছেন যারা মন্ত্রী বা এমপির ছেলে বা অন্য কোনো নিকটাত্মীয়।

সেরকমই একজন হলেন নোয়াখালী-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য একরামুল কবির চৌধুরীর ছেলে ইশরাক শাবাব চৌধুরী। তিনি সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেননি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও তিনি প্রার্থীতা প্রতাহার করেননি। তার সঙ্গে ফোনে কথা হলেও তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “আমি নির্বাচনি প্রচারে আছি। এখন কথা বলার সময় নেই।” তবে তার বাবা সংসদ সদস্য একরামুল কবির চৌধুরী ডয়চে ভেলেকে  বলেন, “আমার ছেলে প্রার্থী আছে, থাকবে। আর এই কারণে আমার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিলে নেবে। অর্ধেক ভোট করার পর (নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা) বললে তো হবে না।”

তার কথা, ” উনি (ওবায়দুল কাদের) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আমি কোনো পোস্টে নাই। আমি এমপি। আর এমপি তো সহজে কেড়ে নিতে পারবে না। এটা নিতে হলে অনেক প্রক্রিয়া আছে। এরপর হয়ত আমাকে কালো তালিকাভুক্ত করবে। আমাকে আর এমপি পদে মনোনয়ন দেবে না। তখন তো আর আমার ভোট করার সময় থাকবে না।”

সেখানে উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মোট দুইজন প্রার্থী। আরেকজন প্রার্থী হলেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগর সভাপতি খায়রুল আনম চৌধুরী৷ তিনি বলেন, “এমপি একরাম চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও তার ছেলের প্রার্থীতা প্রত্যাহার না করিয়ে ঔদ্ধত্য দেখিয়েছে। কালো টাকার ক্ষমতায় সে কাউকে এখন আর পরোয়া করে না।  সে যা খুশি তাই করে। তার ছেলের অনুসারীরা এখন সন্ত্রাস করছে। সে দুইটি হত্যা মামলার আসামি। পুলিশ প্রশাসন তার পক্ষে কাজ করছে। সে টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছে।”

“দলের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন ব্যবস্থা নেয়া হবে। কখন নেয়া হবে? নির্বাচনের পরে ব্যবস্থা নিয়ে কী হবে!,” বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও সোনাতলায় এমপি সাহাদারা মান্নানের ভাই ও ছেলে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। সারিয়াকান্দিতে প্রার্থী হয়েছেন এমপির ছেলে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাখাওয়াত হোসেন সজল। সোনাতলায় প্রার্থী হয়েছেন এমপির ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, বর্তমান চেয়ারম্যান মিনহাদুজ্জামান লিটন।

মিনহাদুজ্জামান লিটন  বলেন, “আমি বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান। আমার জনপ্রিয়তা আছে বলে আমি নির্বাচন করছি। আমার বোনের কোনো সহায়তা আমি নিচ্ছি না।” তার কথা, “আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হলেও আমি  নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার কোনো নির্দেশ পাইনি।”

এই উপজেলায় আওয়ামী লীগের আরেক প্রার্থী মো. জাকির হোসেন বলেন, “সে (লিটন) উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়ে নেত্রীর নির্দেশনা অমান্য করেছে। সে বলছে, নেত্রী তো সোনাতলায় ভোট করবে না, আমি করবো। আমার বিষয় আমি বুঝবো। সে নেত্রীর আদেশ অমান্য করে ঔদ্ধত্য দেখিয়েছে। তাকে আর আওয়ামী লীগে রাখা উচিত না।” তিনি অভিযোগ করেন, “তার লোকজন এখন আমার কর্মী,সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।”

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক সাবেক মন্ত্রী ও বর্তমান এমপি শাহাব উদ্দিনের ভাগ্নে শুয়েব আহমদ প্রার্থীতা বহাল রেখেছেন। তিনি বড়লেখা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

নরসিংদীর পলাশের এমপি ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপের শ্যালক শরিফুল হক প্রার্থী আছেন। মাদারীপুর সদর উপজেলায় এমপি শাজাহান খানের ছেলে আসিবুর রহমান খান নির্বাচন করেছে। শাহজাহান  খানের সঙ্গে এ নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের রীতিমতো বাহাস হয়েছে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি আলী আজগার টগরের ভাই আলী মুনছুর বাবু দামুড়হুদায় প্রার্থী হয়েছেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সদর আসনের এমপি মাহবুব উল আলম হানিফের চাচাতো ভাই আতাউর রহমান আতা কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। আতাউর রহমান ওই উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান। আতাউর রহমান দাবি করেন, “যারা বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যান আছেন, তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার না করতে বলা হয়েছে।” তবে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন,” আসলে বিষয়টি সেরকম নয়। ওই উপজেলায় আর একজন মাত্র প্রার্থী আছে৷ তিনি বিএনপির। তাই জেলা আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নিয়ে তাকে প্রার্থী হিসেবে রেখে দিয়েছে। তা না হলে ওই উপজেলা তো  বিএনপির হাতে চলে যাবে।”

রাজশাহীর তানোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না আওয়ামী লীগের স্থানীয় এমপি ফারুক চৌধুরীর চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।

পাবনার বেড়ায় ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকুর ছোট ভাই বেড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল বাতেন ও ভাতিজা আবুল কালাম সবুজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, “অধিকাংশই প্রত্যাহার করেছে। অল্প কয়েকজন এখনো আছেন। এটা তাদের ঔদ্ধত্য নয়, তারা হয়তো মনে করছেন নির্বাচনে জিতলে নেত্রী মাফ করে দেবেন। আর ৩০ এপ্রিল ওয়াকিং কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে কথা হতে পারে।”

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, “যেসব জায়গায় এখনো মন্ত্রী বা এমপিদের আত্মীয়-স্বজন প্রার্থী আছেন, তাদের ব্যাপারে সাংগঠনিক সম্পাদকরা তদন্ত করবেন। তারা দেখবে তাদের প্রার্থী থাকার যৌক্তিক কোনো কারণ আছে কিনা। তারা কেন্দ্রে রিপোর্ট দেয়ার পর সেইভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কারণ, কয়েক জায়গায় আমরা দেখেছি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলে অপর প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যায়।  তিনি আবার বিএনপির প্রার্থী।”  “আর প্রত্যাহারের নির্দেশটি দেয়া হয়েছে মনোনয়নপত্র দাখিলের অনেক পরে। ফলে সমস্যা হয়ে গেছে,” বলেন তিনি।

এদিকে সার্বিক বিষয় নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “উপজেলা নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপির স্বজনদের মধ্যে যারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি, তাদের বিষয়ে সময়মতো ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

তিনি বলেন, “যারা প্রত্যাহার করেননি তাদের নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত সরে আসার সুযোগ আছে।”সূত্রঃ ডিডাব্লিউ

কচুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিন পদে ৯টি মনোনয়ন পত্র জমা

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুয়ায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন সোমবার (আজ) বাগেরহাটের কচুয়ায় তিন পদে ৯টি মনোনয়ন পত্র জমা হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী জেলা রিটানিং অফিসার নিকট এ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার, জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কেএম ফরিদ হাসান, জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মীর জায়েসী আশরাফী জেমস ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম মাহফুজুর রহমানের ছেলে মেহেদি হাসান বাবু। ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ   ফিরোজ আহম্মেদ ও উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ সুমন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, মাধবী রানী শীল, হনুফা খাতুন ও মোসা: ইয়াসমিন আক্তার।

বাগেরহাট জেলা নির্বাচন অফিসার  সেক মাহাম্মুদ জালাল উদ্দিন বলেন, চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ তারিখ ১৭ই এপ্রিল, প্রর্থীতা প্রত্যাহার ২২শে এপ্রিল, ভোট গ্রহন ৮ই মে বুধবার।

 

আজ বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএম দেলওয়ার হোসেনের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী

মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জিএম দেলওয়ার হোসেনের আজ চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী।তার মৃত্যুতে মঙ্গলবার দলীয় কার্যালয়ে জাতীয়,দলীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন, মরহুমের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ,কবর জিয়ারত,কোরআানখানী,দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার টুকু এ কর্মসুচীতে অংশ নিবেন। এছাড়াও উপজেলা আওয়ামীলীগ,পৌর আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,সেচ্ছাসেবক লীগ,ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ ও ওলামালীগ সহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন এ সকল কর্মসূচীতে অংশ নিবে।

জানাগেছে,দক্ষিণ জনপদের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জিএম দেলওয়ার হোসেন ২০২০ সালের ৯ এপ্রিল প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুরবণ করেন। তিনি দীর্ঘ ৩২ বছর আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি’র দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুতে আমতলীবাসী একজন অভিভাবক হারিয়েছে। দীর্ঘ ৫৭ বছরের রাজনৈতিক জীবনে যার কাছে মানুষ পেয়েছে অফুরান্ত ভালবাসা। তিনি দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পদে অধিষ্ট হয়ে মানুষের  আস্থা অর্জন করেছেন। কর্মময় জীবনে তিনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুতে আমতলীবাসী হারিয়েছে এক সুর্য্যসন্তানকে। আজও সেই সুর্য্য সন্তানের জন্য আমতলীবাসী কাঁদে।

১৯৬২ সালে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করে ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন তিনি। ছাত্র রাজনীতির শুরুতেই ছাত্র লীগের সভাপতি হন। ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হয়েই কুখ্যাত হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন এবং আর্ন্তজাতিক ক্রোক মিশন বাস্তবায়ন আন্দোলনে অংশগ্রহন করেন। ১৯৬৪ সালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ফাতেমা জিন্নাহর নির্বাচন এবং মুসলিমলীগ বিরোধী কফ্ আন্দোলনে অংশগ্রহন করেন। এই আন্দোলনে অংশগ্রহনের কারনে তৎকালিন সরকারের রাজনৈতিক মামলায় তাকে জেলে যেতে হয়। ১৯৬৫ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সাথে যুক্ত হয়ে গুরুত্ব পদে আসিন হন। ১৯৬৬’র  ছয় দফা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করেন। ৬৮ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রত্যাহারের আন্দোলনে যুক্ত হন।

এ সকল আন্দোলনে অংশগ্রহনের কারনে তিনি জেল হাজতে যান। ১৯৬৯ গণঅভ্যূথান ও ১৯৭০’র নির্বাচনে দলের পক্ষে সংক্রিয়ভাবে কাজ করেন। ১৯৭১ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। গঠন করেন সংগ্রাম কমিটি। আমতলী সংগ্রাম কমিটির সভাপতি হয়ে যুবকদের সুসংগঠিত করে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেন এবং তিনি ভারতের (পিকার ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন ছিপার অধীনে) প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। ১৯৭৫ সালে তৎকালিন সরকারের রাজনৈতিক মামলায় কারাভোগ করেছেন তিনি। কারাগার থেকে বের হয়েই আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক হন। এরপর আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ১৯৮৪ সালে তার দলীয় কর্মদক্ষতার কারনে আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৯১ সালে আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি হন। ওই সময় থেকে মুত্যুর আগ দিন পর্যন্ত তিনি আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।  তার দলীয় কর্মদক্ষতায় সাধারণ মানুষের পেয়েছেন অফুরান্ত ভালোবাসা।

দীর্ঘ ৫৭ বছর রাজনৈতিক জীবনে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ ছাড়া কিছুই পায়নি। শুধু ২০১৪ সালে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ তাকে আমতলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে দলীয় মনোনয়ন দেয়। ওই নির্বাচিত তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। গণ মানুষের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএম দেলওয়ার হোসেন ২০২০ সালের ৯ এপিল সকলকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান। তার জন্য আজও উপজেলার লক্ষ মানুষ কাঁদে। তার শুন্যতা আজও পুরণ হয়নি।

আজ তার চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পারিবারিকভাবে কোরআনখানী,মিলাদ মাহফিল ও গণ ইফতারীর আয়োজন করা হয়েছে।এতে সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অংশ গ্রহনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

Daily World News

আমতলীতে ১৭৭৬৯ জন দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ সম্পন্ন

যুবলীগ নেতা ইমনের উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নিজেকে ঘোষণা,

//মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম//

খুলনার রূপসা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের প্রভাবশালী সদস‍্য মো. শফিকুর রহমান ইমন,রূপসা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।

শফিকুর রহমান ইমন,রূপসা উপজেলা সদর টিএসবি ইউনিয়নের কাজদিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

ইমন এর পিতা গাজী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,টিএসবি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক।

ইমনের, ছোট ভাই আরিফুল ইসলাম কাজল খুলনা
জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও রূপসা উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।

এই রাজনীতি পরিবারের সন্তান মো. শফিকুর রহমান ইমন, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজেকে ঘোষণা দিয়েছেন।

সেই সাথে উপজেলা বাসীকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং উপজেলা বাসীর কাছে দোয়া ও সমর্থন এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন।

টানা তৃতীয়বার মেয়র হিসেবে  শপথ নিলেন জননেতা মতিয়ার রহমানের

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

টানা তৃতীয়বার বিজয়ী হয়ে শপথ পাঠ করলেন আমতলী পৌরসভার মেয়র জননেতা মতিয়ার রহমান।

আজ ১ এপ্রিল বেলা সাড়ে বারোটায় বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের হল রুমে এ  শপথ অনুষ্ঠিত হয়।

বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলা পটুয়াখালী জেলার পটুয়াখালী পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলার এবং পাথরঘাটা পৌরসভার ১জন নির্বাচিত কাউন্সিলরের শপথ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচিত সকলকে শপথ পাঠ করান বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শওকত আলী।

টানা তৃতীয়বার মেয়র হিসেবে  শপথ নিলেন জননেতা মতিয়ার রহমানের

শপথ অনুষ্ঠানে প্রথম শপথ পাঠ করেন আমতলী পৌরসভার টানা তৃতীয়বার নির্বাচিত মেয়র জননেতা মোঃ মতিয়ার রহমান। এরপর নির্বাচিত কাউন্সিলরগন শপথ পাঠ করেন।

শপথ অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শওকত আলী বলেন আমতলী পৌরসভা নির্বাচনে শতকরা ৮০ ভাগ ভোটার উপস্থিতিই  বাংলাদেশে একটি দৃষ্টান্তমূলক। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় তিনি আমতলী পৌরসভার মেয়র সহ নির্বাচিত সকল জনপ্রতিনিধিদের এবং পৌর নাগরিকগনকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

টানা তৃতীয়বার আমতলী পৌরসভা মেয়র পদে শপথ পাঠ করে উপস্থিত বিভিন্ন গণমাধ্যমকে মতিয়ার রহমান বলেন,আমতলী পৌরসভার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আমার অসামপ্ত কাজ সকল পৌর নাগরিককে নিয়ে একটি স্মার্ট পৌরসভা তৈরী করাই আমার ভিষণ।

আমতলীতে ইউপি নির্বাচনে এক চেয়ারম্যান প্রার্থী’র মনোনয়ন পত্র বাতিল

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমততলী সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আজ ছিল বাছাই। বাছাইয়ে ৯ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে   এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

আজ সোমবার আমতলী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মনোনয়নপত্র বাছাইকালে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটানিং কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজা চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আবুল বাশার নয়ন মৃধার মনোনয়ন পত্রের হলফ নামায় স্বাক্ষর না থাকায় তার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল ঘোষনা করেন। আমতলী উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সদর ইউপি নির্বাচনে রিটানিং কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজা বলেন, চেয়াম্যান প্রার্থী মোঃ আবুল বাশার নয়ন মৃধার মনোনয়ন পত্রের হলফ নামায় স্বাক্ষর না থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

আগামী ৯ এপ্রিল প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্ধ দেয়া হবে এবং আগামী ২৮ এপ্রিল আমতলী সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।