গ্রাহককে বোকা বানানোই Evaly এর ব্যবসা// সিইও রাসেল মুক্ত

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ //

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে  মুক্তি পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর জেলার মো. তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকেলে তিনি (মো. রাসেল) কারাগার থেকে মুক্তি পান।

তিনি আরও জানান, মো. রাসেল একাধিক মামলায় কারাগারে বন্দি ছিলেন। সব মামলার জামিনের কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছালে যাচাই-বাছাই শেষে গতকাল সোমবার বিকেলে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আরিফ বাকের নামের এক গ্রাহক গুলশান থানায় ইভ্যালির মো. রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরদিন বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

এদিকে, ইভ্যালির অবসায়ন চেয়ে হাইকোর্টের কোম্পানি আদালতে আবেদন করেন ইভ্যালির গ্রাহক ফরহাদ হোসেন। এতে ইভ্যালি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠনেরও আবেদন জানান। ওই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি ও হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট।

গত বছরের ২১ এপ্রিল চেক প্রতারণার নয় মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেলকে জামিন দেন আদালত। ওই দিন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে জামিন পান তিনি। তবে, তার বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় কারামুক্ত হতে পারেননি রাসেল।

তার স্ত্রী শামীমা নাসরিন বর্তমানে জামিনে আছেন। হাইকোর্টের নির্দেশনায় বর্তমানে তিনি ইভ্যালির দায়িত্বে আছেন। এর আগে তিনি ইভ্যালির চেয়ারম্যান ছিলেন।

ইভ্যালির সম্পদ দায়

২০২১ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সম্পদ ও দায়ের হিসাব দাখিল করে ইভ্যালি। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ইভ্যালির মোট দায় ৫৪৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে এক কোটি টাকা শেয়ারহোল্ডার হিসেবে কোম্পানির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল কোম্পানিকে দিয়েছেন। বাকি ৫৪৩ কোটি টাকাই কোম্পানিটির চলতি দায়।

ইভ্যালির হিসাব অনুযায়ী, দায়ের বিপরীতে এর চলতি সম্পদ রয়েছে ৯০ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আর সম্পত্তি, স্থাপনা ও যন্ত্রপাতি মিলিয়ে রয়েছে ১৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। মোট ১০৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকার এ দুটির যোগফলকে দেখানো হচ্ছে স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে। মোট দায় ৫৪৩ কোটি টাকা থেকে এ অঙ্ক বাদ দিলে বাকি থাকে ৪৩৮ কোটি টাকা। যাকে ইভ্যালি বলছে তার অস্থাবর সম্পত্তি। বিবরণী মেলাতে ইভ্যালি দেখিয়েছে অস্থাবর সম্পত্তি ৪৩৮ কোটি টাকার মধ্যে ৪২৩ কোটি টাকা হচ্ছে ইভ্যালির ব্র্যান্ড মূল্য, আর ১৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা হচ্ছে অদৃশ্যমান সম্পত্তি। কোম্পানিটি নিজের ব্র্যান্ড মূল্য নিজেই নির্ধারণ করে।

গ্রাহকদের সরলতার সুযোগ নিয়ে ব্যবসা করেছে ইভ্যালি

আদালতের নির্দেশে ইভ্যালির ওপর একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটির পর্ষদ। সেখানে বলা হয়, ‌রাসেল ও শামীমা ইভ্যালির ব্যবসা সম্প্রসারণ করলেও তাদের ততটা মেধা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ছিল না। গ্রাহকদের সরলতার সুযোগ নিয়ে ইভ্যালি ব্যবসা করেছে। স্বল্পসংখ্যক গ্রাহককে পণ্য দিলেও বিপুলসংখ্যককে তা দিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

Daily World News

গাজায় যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র হামসকে কিকি শর্ত দিয়েছে

১গ্রাম আইস= ৫০,০০০ টাকা (প্রায়) হিসেবে ৯০ কোটি টাকার আইস জব্দ

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

কক্সবাজারের টেকনাফ মহাসড়কের রামুর মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে লবণবোঝাই একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৯০ কোটি টাকা মূল্যের ১৮ কেজি ২০০ গ্রাম ভয়াল মাদক ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি।

আজ শুক্রবার ভোরে এ অভিযানের সময় ট্রাকচালক ও সহকারীকে আটক করা হয়। বিজিবি সদস্যরা মাদকের চালানের মূল হোতা টেকনাফের সাবরাং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হোছাইন আহমদকে গ্রেপ্তারের জন্য দফায় দফায় অভিযান চালিয়েও ব্যর্থ হয়েছে।

এ সময় আইস ছাড়াও নগদ তিন লাখ ৩৬ হাজার টাকা, এক বোতল বিদেশি মদ, একটি ছোরা ও তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে কক্সবাজারের রামুতে বিজিবি-৩০ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান তানজিদ।

লবণের আড়ালে মাদকের চালানটির সঙ্গে আটককৃতরা হলেন ট্রাকটির চালক টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালিয়া পাড়ার মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে মো. কেফায়েত উল্লাহ (৩৮) এবং টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালিয়া পাড়ার আবু বকরের ছেলে মো. হারুন (২৩)। তারা ট্রাকের চালক ও সহকারী।

লে. কর্নেল সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান তানজিদ বলেন, শুক্রবার ভোররাতে টেকনাফ সীমান্তের সাবরাং এলাকা থেকে মাদকের বড় একটি চালান নারায়ণগঞ্জে পাচারের খবরে বিজিবির রামু উপজেলার মরিচ্যা চেকপোস্টে তল্লাশি জোরদার করা হয়।

একপর্যায়ে টেকনাফ থেকে আসা লবণবোঝাই একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে  লবণের একটি বস্তার ভেতরে কাপড় মোড়ানো অবস্থা থেকে ১৮ কেজি ২০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার করা হয়। এরপর আটককৃতদের হেফাজত থেকে নগদ টাকাসহ অন্যান্য সাগ্রী পাওয়া যায়।

বিজিবির এ কর্মকর্তা বলেন, মাদকের এ চালানটির মূলহোতা টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের ডেইল্যারবিল এলাকার কালা মিয়া প্রকাশ দুবাই কালুর ছেলে হোসাইন আহমদ (৪১)। শুক্রবার তাকে আটক করতে টেকনাফের সাবরাংয়ে ব্যাপক অভিযান চালানো হয়।

তিনি বর্তমানে পলাতক।

বিজিবির এই কর্মকর্তা আরো জানান, হোছাইন আহমদের বিদেশে পলায়ন ঠেকাতে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র জব্দ করা হয়েছে।

এলাকার লোকজন জানিয়েছেন, হোসাইন আহমদ দীর্ঘদিন ধরে লবণের আড়ালে মাদক পাচার করে আসছিলেন। তিনি টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এটা নিশ্চিত করেছেন একই ওয়ার্ডের দলীয় সভাপতি মোহাম্মদ শরীফ মেম্বার এবং সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সোনা আলী।

তারা আরো জানান, হোছাইন আহমদ দুই বছরের মধ্যে বিপুল পরিমাণ সম্পদ কিনেছেন। আটক হওয়া লবণবোঝাই ট্রাকসহ আরো সাত-আটটি গাড়িও রয়েছে তার। প্রতি উৎপাদন মৌসুমে তিনি নিজেও লবণের চাষ করেন এবং সেই সঙ্গে কিনে মজুদও করেন। সারা বছর নারায়ণগঞ্জে লবণ পরিবহন করেন তিনি। আটককৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান বিজিবি কর্মকর্তা।

কুকুরের মাংস দিয়ে বিরিয়ানী বিক্রী || খুলনায় আটক-৪

//বিশেষ প্রতিনিধি//

খুলনায় গরু ও খাসির মাংসের কথা বলে কুকুরের মাংস দিয়ে তৈরি বিরিয়ানি বিক্রির অভিযোগে তিন কিশোরসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার বিকেলে খুলনা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত একটি ভবন থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক সবাই খালিশপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের আশপাশের এলাকার বাসিন্দা। তিন কিশোরের বাইরে আটক অন্যজন হলেন খালিশপুরের বঙ্গবাসী মোড় এলাকার নর্থ জোন-২৩-এর হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. আবু সাইদ (৩৭)।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, এক মাস ধরে কয়েকজন কিশোর এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে কুকুর ধরে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে যেত। বেশ কয়েকবার একই ঘটনা ঘটায় ও পরিত্যক্ত ভবন থেকে কয়েক দিন ধরে দুর্গন্ধ আসায় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়।

গতকাল বিকেলে এলাকার লোকজন কয়েকজনকে একটি কুকুর নিয়ে সেখানে যেতে দেখেন। খবর দিলে পুলিশ এসে তিনজনকে আটক করে। পরে ওই মাংস দিয়ে বিরিয়ানি রান্না করে বিক্রি করে এমন একজনকেও আটক করা হয়। এ সময় সেখানে পা বেঁধে গলা কেটে রাখা একটি কুকুর পাওয়া যায়।

গতকাল রাতে খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিরা জানিয়েছে যে তারা প্রায় এক মাস ধরে কুকুরের মাংস দিয়ে বিরিয়ানির ব্যবসা করছিল। ভবনটি থেকে অনেক কুকুরের চামড়া ও হাড় উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রাণী কল্যাণ আইনে মামলা করা হবে।

কক্সবাজার টেকনাফে বিজিবি পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপূল পরিমাণ অস্ত্র-গোলা-বারুদ ও ইয়াবা উদ্ধার। আটক -২

//সৈয়দ আলম, টেকনাফ. কক্সবাজার//

কক্সবাজার টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়ন জওয়ানেরা সীমান্ত এলাকা ও চেকপোস্টে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপূল পরিমাণ বিভিন্ন প্রকারের অস্ত্র, গোলা-বারুদ ও মাদকদ্রব্য নিয়ে ২জন রোহিঙ্গাসহ বাস চালককে গ্রেফতার করেছে। এসব অবৈধ দ্রব্য বহনে জড়িত থাকায় কাঠের নৌকা ও যাত্রীবাহী বাস জব্দ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১২ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ মহিউদ্দীন (বিজিবিএমএস),উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ শহীদুল ইসলামসহ অধীনস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এতে জানানো হয়,১২ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টারদিকে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের দমদমিয়া বিওপির আওতাধীন বড়ইতলী বক্করের জোড়া নামক এলাকা দিয়ে মায়ানমার হতে অস্ত্র ও মাদকের চালান আসার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়ন সদর এবং দমদমিয়া বিওপির পৃথক ২টি চোরাচালান প্রতিরোধ টহলদল উক্ত স্থানে গিয়ে কয়েকটি উপদলে বিভক্ত হয়ে কেওড়া বাগানের আঁড় নিয়ে কৌশলগত অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর ৪জন ব্যক্তিকে ২টি নৌকাযোগে সীমান্তের শূন্য লাইন অতিক্রম করে বড়ইতলী বক্করের জোড়া নামক এলাকার দিকে আসতে দেখে। উক্ত ২টি নৌকার মধ্যে ১টি নৌকা বক্করের জোড়া খালের ভিতরে প্রবেশ করলে টহলদল উক্ত নৌকায় অবস্থানরত উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ৭নং ক্যাম্পের ব্লক-বি/৩ এর বাসিন্দা মোঃ শরীফের পুত্র মোঃ জুবায়ের {৩০} এবং ২নং ক্যাম্পের ব্লক-ডি/৫ এর বাসিন্দা আমির হোসেনের পুত্র মোঃ আনোয়ার {১৯}কে ঘেরাও করে আটক করতে সক্ষম হয়। পেছনে থাকা অপর নৌকাটি টহলদলের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘুরিয়ে মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরে টহলদল আটক নৌকা তল্লাশি করে ১টি দেশীয় তৈরী ২নলা বন্দুক, ১টি বিদেশী পিস্তল,১টি হাত দা এবং নৌকার পাটাতনের নীচে প্লাস্টিকের ব্যাগের ভেতর হতে ২কেজি ১শ ৪০গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ তথা আইস উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও আটক আসামীদের মধ্যে ১জনের কোমরে পরিহিত বেল্টের সাথে ১টি কাপড়ের ব্যাগ হতে ৮রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১০রাউন্ড এমজির গুলি, ১১রাউন্ড এসএমজির গুলি, ৮টি বন্দুকের কার্তুজ, ১টি আর্জেস হ্যান্ড গ্রেনেড, ৩টি গুলির খালি খোসা এবং বাংলাদেশী নগদ ১শ টাকা উদ্ধার করা হয়।

অপরদিকে একই দিন সকাল সাড়ে ৯টারসময় হোয়াইক্যং বিওপি চেকপোস্টে দায়িত্বরত টহলদল নিয়মিত যানবাহন তল্লাশীর সময় টেকনাফ হতে কক্সবাজারগামী যাত্রীবাহী সমুদ্রতরী বাস চেকপোস্টে আসলে তল্লাশীর জন্য থামানো হয়। পরে উক্ত বাসে তল্লাশী কার্য্যক্রম শুরু করলে বাসের চালকের আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় কর্তব্যরত সৈনিকেরা জিজ্ঞাসাবাদ ও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশীর এক পর্যায়ে বাসের চালকের স্বীকারোক্তিতে সীটের নীচে অভিনব পদ্ধতিতে লুকায়িত অবস্থায় ৪হাজার ইয়াবা উদ্ধারের পর চালক কক্সবাজার দক্ষিণ জানারঘোনার আবুল কাশেমের পুত্র ওমর ফারুক {২০} কে আটক করা হয়। আটক আসামী হতে ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এছাড়া অবৈধভাবে মাদক বহনের দায়ে বাসটি আটক করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়,আটক আসামীদের জব্দকৃত আইস, ইয়াবা, অস্ত্র, গোলা-বারুদ এবং কাঠের নৌকা ও বাসসহ নিয়মিত মামলায় পরবর্তী আইনী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর কার্য্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।।।

টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের  ইটের আঘাতে বৃদ্ধ মৃত্যু

সৈয়দ আলম, টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি।

কক্সবাজার টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় চলাচলের রাস্তার কাজকে কেন্দ্র করে আব্দুস সালাম প্রকাশ আব্দু (৬৫) নামে একজন নিহত হয়েছে।

প্রতিপক্ষ শুক্কুরের পরিবার আব্দুল সালামকে ইটের আঘাত করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৯ডিসেম্বর) সকাল ৮ টার দিকে নয়াপাড়া দক্ষিণ মাথায় এই খুনের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা সূত্রে জানান, শুক্রবার রাতে রাস্তায় চলাচলের বিষয় নিয়ে দুই পরিবারে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তাদের মধ্যে রাতেও এক দফা সংঘর্ষ হয়েছিল। শনিবান সকাল ৭ টার দিকে ফের সংঘর্ষ হলে লাকী আক্তার নামে এক মহিলার ইটের আঘাতে নয়াপাড়ার হোসাইনের পুত্র আব্দুর সালাম প্রকাশ আদ্দু ( ৬৫) গুরুতর আহত হয়। আহত সালামকে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে নিহত হয়।

অভিযুক্তরা হলেন – বাহাদুরের ছেলে আব্দুল্লাহ,শুক্কুরে মেয়ে লাকী আক্তার,ঠান্ডা মিয়ার ছেলে আব্দু শুক্কুর ও বাহাদুরসহ প্রায় ১০ থেকে ১২ জন মিলে সালামের উপর আঘাত করে বলে জানা গেছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) ওসমান গণি বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

একজন পৌর সচিব শতকোটি টাকার মালিক…!

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল পৌরসভার সচিব ছিলেন রফিকুল ইসলাম। চাকরিকালে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

রফিকুলের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের একটি অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান করছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ‘রাইসা বিল্ডার্স’ নামের একটি নির্মাণপ্রতিষ্ঠানের পরিচালক পদে আছেন রফিকুল। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী তাঁর স্ত্রী ইসরাত জাহান। রফিকুল পৌর সচিব থাকাকালে প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়।

রাইসা বিল্ডার্স রাজধানীর মিরপুরের পীরেরবাগে একটি ১০ তলা (আবাসিক-বাণিজ্যিক) ও একটি ৯ তলা ভবন (আবাসিক) নির্মাণ করেছে। পীরেরবাগে প্রতিষ্ঠানটির আরেকটি ১০ তলা আবাসিক ভবন নির্মাণাধীন। এসব ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে কোথাও থেকে ঋণ নিতে হয়নি বলে রফিকুল নিজেই স্বীকার করেছেন।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, চাকরিকালে ঢাকার অদূরে সাভারের আশুলিয়ায় জুতার একটি কারখানা গড়ে তোলেন রফিকুল। বর্তমানে এই কারখানায় প্রায় দুই শ শ্রমিক কাজ করছেন।

বেনাপোল পৌরসভা-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের ভাষ্য, চাকরিকালে পৌরসভার বিভিন্ন কাজের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, অর্থের বিনিময়ে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দেওয়া, কাজ শেষ হওয়ার আগেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা করতেন রফিকুল। এসব করে তিনি বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা পেতেন।

এ ছাড়া তিনি অন্য ঠিকাদারের লাইসেন্সে নিজেই পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করতেন। এভাবে তিনি অবৈধভাবে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

রফিকুলের বাড়ি মাদারীপুর জেলায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তিনি ১৯৯৮ সালে পৌর সচিব পদে চাকরি শুরু করেন। বেনাপোল পৌরসভায় কর্মরত অবস্থায় তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। ২০২১ সালের আগস্টে তিনি চাকরি থেকে ইস্তফা দেন।

দেশে তিন শ্রেণির পৌরসভা আছে। প্রথম (ক) শ্রেণির পৌরসভায় কর্মরত নির্বাহীদের (সাবেক পৌর সচিব) বেতন স্কেল ৯ম গ্রেডের, দ্বিতীয় (খ) শ্রেণির ১০ম গ্রেডের, তৃতীয় (গ) শ্রেণির ১১তম গ্রেডের। বেনাপোল পৌরসভাকে ২০১১ সালে ক শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়।

রফিকুল সচিব থাকাকালে তিনি বেনাপোল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র আশরাফুল আলমের কাছ থেকে নানা অবৈধ সুযোগ পেতেন বলে অভিযোগ আছে। তবে এই অস্বীকার করেছেন সাবেক মেয়র আশরাফুল। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার কাছ থেকে রফিকুল কোনো অবৈধ সুবিধা পাননি।’

পৌরসভার সচিব পদে চাকরি করে কীভাবে এত সম্পদের মালিক হলেন, তা জানতে সম্প্রতি রফিকুলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার যত সম্পদ আছে, সবকিছু আয়কর বিবরণীতে দেখানো আছে।’

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রফিকুল ফোন কেটে দেন। পরে তাঁর স্ত্রী ইসরাতের সঙ্গে কথা হয়। নির্মাণপ্রতিষ্ঠান খুলে একাধিক বহুতল ভবন করার জন্য টাকা কোথায় পেলেন, তা জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি।

জানতে চাইলে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের (যশোর) উপপরিচালক মো. আল আমিন সম্প্রতি  বলেন, ‘রফিকুলের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগটি অনুসন্ধান পর্যায়ে আছে।’

দুদক সূত্র জানায়, অভিযোগ অনুযায়ী, বিভিন্ন ব্যাংকে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ টাকাও রয়েছে রফিকুল-ইসরাত দম্পতির। আছে একাধিক গাড়িও।

আরও অভিযোগ

মিরপুরের পীরেরবাগের ৬০ ফিট সড়কের পাশে ‘রাইসা অ্যান্ড শিকদার টাওয়ার’ নামের একটি ১০ তলা ভবন নির্মাণ করেছে রফিকুল-ইসরাতের রাইসা বিল্ডার্স। তিনজন মালিকের প্রায় আট কাঠা জমির ওপর ২০১৪ সালে ভবনটি নির্মাণ করা হয় বলে জানা যায়। তবে চুক্তি অনুযায়ী জমির মালিকেরা তাঁদের ফ্ল্যাটের অংশ ঠিকঠাক বুঝে পাননি বলে অভিযোগ।

জমির দুজন মালিক প্রথম আলোকে বলেন, নিজের অংশের ফ্ল্যাটের কাজ ঠিকভাবে শেষ করেছেন রফিকুল। কিন্তু জমির মালিকদের অংশের সব ফ্ল্যাটের কাজ শেষ করা হয়নি। এই কাজ রফিকুল করেও দিচ্ছেন না।

জমির তিন মালিকের একজন রেহেনা রউফ। তিনি সম্প্রতি বলেন, ‘চুক্তি অনুযায়ী, জমির মালিকদের ভবনের মোট ফ্ল্যাটের ৫০ শতাংশ দেওয়ার কথা। কিন্তু আমাদের অংশ সঠিকভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। আমার ভাগে দুটি ফ্ল্যাটের কাজ শেষ করা হয়নি। পরে কিছুদিন আগে আমি নিজের টাকায় এই কাজ শেষ করেছি।’

রেহেনা রউফ আরও বলেন, ‘আমাদের অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো মামলা করা হয়েছে। এতে আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি। আমিও আমার পাওনা ঠিকভাবে বুঝে পেতে মামলা করেছি।’ সূত্র : প্রথম আলো

Daily World News

ফৌজদারি আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিল চেয়ে রিট আবেদন

টেকনাফে মালিক বিহীন ১হাজার ৫৯কেজি ক্রিস্টাল মেথ ২লাখ ৬০হাজার পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার

//সৈয়দ আলম, টেকনাফ, কক্সবাজার//

কক্সবাজার-টেকনাফ সীমান্তে পৃথক দুটি অভিযানে চোরাকারবারিদের ফেলে যাওয়া ১ হাজার ৫৯ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) ও ২ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বিজিবি।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) রাতে টেকনাফের সাবরাং ও শাহ পরীর দ্বীপ বিওপির পৃথক দুটি টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে এসব মাদক দ্রব্য উদ্ধারে সক্ষম হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ।

টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, গোপন খবর ছিল মিয়ানমার থেকে সাবরাং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা দিয়ে মাদকের একটি চালান মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসতে পারে। এমন খবরে শুক্রবার রাতে ওই এলাকায় সাবরাং বিওপির একটি টহল দল অবস্থান করেন। পরে বিজিবি টহল দল নাফ নদী পার হয়ে ৪ ব্যক্তিকে কয়েকটি প্লাস্টিকের ব্যাগ নিয়ে সীমান্তের শূন্য লাইন থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বেড়িবাঁধের দিকে আনুমানিক ১ দশমিক ৭ কিলোমিটার আসতে দেখে  চোরাকারবারিরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেলে তারা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ সময় তাদের কাঁধে থাকা ব্যাগগুলো মাটিতে পড়ে যায়। পরবর্তীতে চোরাকারবারিরা রাতে পাশের গ্রামে ঢুকে পড়ে। পরে টহল দল সেখানে তল্লাশি করে চারটি প্লাস্টিকের ব্যাগের ভেতর থেকে দুই লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।’

অধিনায়ক বলেন,একই রাতে শাহপরীর দ্বীপ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবির টহল দল সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চোরাকারবারীর ফেলে যাওয়া একটি প্লাস্টিকের ব্যাগের ভেতর থেকে ১ হাজার ৫৯ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) ও ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

অভিযান পরিচালনাকালে চোরাকারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে এসব চোরাকারবারিদের শনাক্তের জন্য ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দারা কাজ করছেন।’

বরগুনায় ২০ লিটার চোলাই মদসহ আটক ২

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলী উপজেলায় ২০ লিটার চোলাই মদসহ (উপজাতীয় দের তৈরি) ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে তালতলী থানা পুলিশ।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল সোয়া সাতটায় তালতলী উপজেলার নমিশেপাড়া থেকে মাদক কারবারিদের আটক করা হয়।

আটক মাদক কারবারি জয় নমিশে পাড়ার অং লাউয়ের ছেলে। অপরজন একই এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে মামুন।

তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম খান বলেন,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোলাই মদ বিক্রি হচ্ছে এমন তথ্য নিশ্চিত হয়ে ৬নং নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নমিশে পাড়ায় তালতলী থানা পুলিশের একটি টিম ঝটিকা অভিযান চালায়। থানার উপ পরিদর্শক মোঃ মাহাবুব আলমের নেতৃত্বে এএসআই হুমায়ূন কবির ও সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে নমিশেপাড়া থেকে বিশ লিটার চোলাই মদসহ জয় ও মামুন নামক দুই মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করে।

তিনি আরও বলেন,তালতলীতে মাদক নির্মূল অভিযান অব্যাহত থাকবে।চোলাই মদসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে তালতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রাজাপুর বাজারে হামলার শিকার গোবিন্দ সাহা’র চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার রাজাপুর বাজারের পাট ব্যবসায়ী গোপাল সাহা’র বাবা
গোবিন্দ সাহা(৭০)কে গত ২৫ নভেম্বর (শনিবার) রাতে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষ রাজাপুর বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী কেষ্ট সাহা’র নেতৃত্বে তার লোকজন কুপিয়ে গুরতর জখম করে।আজ ১ ডিসেম্বর’২০২৩ শুক্রবার সকাল ৮.৪০ ঘটিকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের ছেলে গোপাল সাহা।

রামপালে নাশকতা ও যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় আটক- ১০

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

রামপালে নাশকতা সৃষ্টি ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতদের বাগেরহাট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বাসের মালিক রূপসা উপজেলার সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে রামপাল থানায় বুধবার (২৯ নভেম্বর ) রাতে একটি মামলা দায়ের করেন। এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা মেট্রো জ-১১-১১০৬ নম্বর সম্বলিত বাস গাড়িটি রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকা অবস্থায় পেট্রোল ঢেলে আগুন জালিয়ে দেয় একদল দূবৃত্তরা। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে বলা হয়েছে।

জানাযায়, গত মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে রামপালের খুলনা মোংলা মহাসড়কের ফয়লাহাট এলাকায় রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকা যাত্রীবাহি বাসে আগুন দেয় আগুন সন্ত্রাস রা। এই ঘটনায় রামপাল থানায় বুধবার রাতে মামলা দায়েরের পরে পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০ জন আসামীকে আটক করে।

আটক আসামীরা হলো, উপজেলার ধলদাহ গ্রামের মৃত হাতেম আলি মোড়ল এর ছেলে মোঃ মাহাতাব মোড়ল (৬৫), সন্তোষপুর গ্রামের আঃ মজিদ শেখ এর পুত্র মোঃ আব্দুল্লাহ শেখ (৩৭), কাপাশডাংগা গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তফা শেখ এর ছেলে মোঃ এসকেন্দার শেখ (৩৮), একই গ্রামের মৃত আঃ জব্বারের ছেলে গাজি মুজিবুর রহমান (৬৮), তালবুনিয়া গ্রামের মোঃ মোজাফফর শেখের ছেলে

মোঃ ইব্রাহিম শেখ (৩০), শ্রীরম্ভা গ্রামের মৃত কওছার শেখের ছেলে মোঃ হেমায়েত শেখ(৪৫), হোগলাডাংগা গ্রামের হাবিবুর রহমান হবি শেখ এর ছেলে মোঃ আল মিরান শেখ (২৩), শ্রীরম্ভা গ্রামের মৃত ওসমান গনির ছেলে মোঃ মোস্তফা মুন্সি(৫৫),

কুমলাই গ্রামের শেখ শাহিনের ছেলে আল মোসাব্বির সাব্বির (২২), সোনাতুনিয়া গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলাম এর ছেলে মোঃ তরিকুল ইসলাম শিমুল (৩০), উভয়ের থানা রামপাল।

রামপাল থানার ওসি এস এম আসরাফুল আলম বলেন, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর এজাহারে উল্লেখ করা আসামীদের আটক করা হয়। আটককৃতদের বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) বাগেরহাট আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। এ ঘনারসাথে জড়িত অন‍্য আসামীদের ধরতে অভিযান অব‍্যহত আছে।