বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইয়ামিন শেখ (২২) ও রাহুল শেখ (১৮) নামের দুই জন মাদক কারবারি কে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃত দুই মাদক কারবারি কে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
আটক ইয়ামিন শেখ (২২) উপজেলার তালবুনিয়া গ্রামের বিল্লাল শেখের ছেলে ও আটক রাহুল শেখ (১৮) উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের শাহিন শেখের ছেলে।
রামপাল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৮মে ) মাদক,অস্ত্র,জুয়া বিরোধী অভিযান পরিচালনা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব সোমেন দাশ এর তত্বাবধানে এস আই মো: কামাল হোসেন এর নেতৃত্বে সংগীয় ফোর্স সহ রামপাল উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামের চন্ডিতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দা থেকে ইয়ামিন ও রাহুল কে ৫৫ (পঞ্চান্ন) গ্রাম গাঁজা সহ আটক করা হয়।
এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলা রুজু করে আটক দুইজন মাদক কারবারি কে বাগেরহাট বিজ্ঞআদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযান চালিয়ে শনিবার ১৮ মে সকালে ডুমুরিয়ার বরাতিয়া এলাকা হতে গাঁজার গাছসহ ইন্দ্রজিৎ মল্লিক (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকাল ১০টার দিকে পুলিশ পরিদর্শক মোঃ নাসির উদ্দিন ও এসআই আল আমিন সঙ্গীয়-ফোর্সসহ উপজেলার বরাতিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন । অভিযানকালে ধৃত আসামী ইন্দ্রজিৎ মল্লিকের বসতবাড়ীর দক্ষিন পাশ হতে তার রোপনকৃত ১টি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়। যার উচ্চতা ৬ ফুট ২ইঞ্চি, গাঁজা গাছের ওজন ১ কেজি ৯শ গ্রাম।সে উপজেলার বরাতিয়া গ্রামের প্রসেনজিৎ মল্লিকের ছেলে।
এসআই আল আমিন বাদী হয়ে ডুমুরিয়া থানায় আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।
বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো: আলী সরদার (২৩) নামের এক জন মাদক কারবারি কে গ্রেফতার করেছে।
এ ঘটনায় রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
আসামি আলী সরদার কে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
আটক আলী সরদার রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা গ্রামের মো: খোকন সরদারের ছেলে।
রামপাল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৩ মে ) মাদক,অস্ত্র,জুয়া বিরোধী অভিযান পরিচালনা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব সোমেন দাশ এর তত্বাবধানে এস আই মো: নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে সংগীয় ফোর্স সহ রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা বাজারেরর খাদ্যগুদামের সামনের রাস্তার উপর থেকে ৪০ ( চল্লিশ) গ্রাম গাঁজা সহ আলী সরদার কে হাতেনাতে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলা রুজু করে আটক মাদক কারবারি কে বাগেরহাট বিজ্ঞআদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। #
বরগুনার আমতলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ পশ্চিম আমতলী (লোচা) গ্রাম থেকে মোসাঃ জেসমিন বেগম নামের এক নারী হেরোইন ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে বরগুনা জেলা ডিবি পুলিশ।
আজ ১৪ই মে বেলা ১২ টার সময়ে অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখা বরগুনার এসআই (নিঃ)/ জ্ঞান কুমার দাস সঙ্গীয় অফিসার/ফোর্সের সহায়তায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ পশ্চিম আমতলী (লোচা) গ্রামের রাসেল হাওলাদারের স্ত্রী মোসাঃ জেসমিন বেগম (২৭) কে হলিউড সিগারেট এর প্যাকেটে ২৫ (পঁচিশ) প্যাকেট হেরোইন ও Vivo Y 17S মোবাইল ফোন সহ গ্রেফতার করে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। উদ্ধারকৃত ৭গ্রাম হেরোইনের আনুমানিক বাজার মুল্য ৭০,০০০ (সত্তর) হাজার টাকা।
বরগুনার ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ বশির আলম বলেন,গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আমতলী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির জের ধরে আপন চাচাতো ভাইয়ের হাতে ভাই খুন হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার রাত আনুমানিক ১০টার সময় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক রসুল মিনা (৪২)কে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
নিহত রসুলের বাড়ি খুলনার রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের বামনডাঙ্গা গ্রামে।
পুলিশ ও এলাকা সূত্রে জানা যায়, বামনডাঙ্গা গ্রামে আপন চাচাতো ভাই আমিনুল মিনা ও রসুল মিনার মধ্যে পূর্ব থেকে ভিতরে ভিতরে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
উল্লেখ্য, বামনডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন আগামী ২৯মে তারিখে অনুষ্ঠিত হবার কথা।
নির্বাচন বিষয় নিয়ে গত ১৩ মে রাতে মিনা বাড়িতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার এক সময় দুই চাচাতো ভাইয়ের গ্রুপের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
পরবর্তীতে উক্ত ঘটনা বামনডাঙ্গা বাজারে এসে হাতুড়ি, লোহার রড়সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে রসুল মিনা (৪২) আতা মিনা(৩৫), জাহিদুল মিনা (৪০), পান্না মিনা(৩৫),ও ফারুক মিনা (৩৮) গুরুতর আহত হন। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে রসুল মিনা মারাত্মক জখম হলে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ ব্যাপারে রূপসা থানার ওসি মো.এনামুল হক জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে ফলে পরিস্থিতি শান্ত আছে।
মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে মোড়েলগঞ্জ উপজেলার ভাটখালী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
নিহত আল ইমরান পিরোজপুরের ইন্দুরকানি উপজেলার চরনিপত্তাশী গ্রামের আব্দুস সামাদ খানের ছেলে।
মোড়েলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ সামছুউদ্দিন বলেন, সোমবার (১৩ মে) রাত ৮টার দিকে মোরেলগঞ্জ উপজেলার আমতলা এলাকায় সড়কে ওভারটেক করা নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়ান ভ্যানচালক নাইম ওরফে ফাহাদ ও অটোচালক আল ইমরান। এক পর্যায়ে ভ্যানচালক ফাহাদের হাতে থাকা চাবি দিয়ে অটোচালকের বুকে আঘাত করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, রাতভর অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ফাহাদকে মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে মোড়েলগঞ্জ উপজেলার ভাটখালী এলাকা থেকে আটক করা হয়। তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় মোরেলগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো: নাজিম শেখ (২৪) নামের এক জন মাদক কারবারি কে গ্রেফতার করেছে।
এ ঘটনায় রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
আসামি নাজিম কে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
আটক নাজিম শেখ মোংলা উপজেলার দিগরাজ গ্রামের (কলেজ রোড ৫ নং ওয়ার্ড) মৃত: নূর আলম শেখ এর ছেলে।
রামপাল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১০ মে ) মাদক,অস্ত্র,জুয়া বিরোধী অভিযান পরিচালনা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব সোমেন দাশ এর তত্বাবধানে এস আই চিন্ময় মন্ডলের নেতৃত্বে সংগীয় ফোর্স সহ রামপাল উপজেলার হুড়কা গ্রামের প্রতাপ কুমার মন্ডল ওরপে টুকেন এর চায়ের দোকানের সামনে রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে মো: নাজিম শেখ (২৪) কে ১০০ (একশত) গ্রাম গাঁজা সহ হাতেনাতে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলা রুজু করে আটক মাদক কারবারি কে বাগেরহাট বিজ্ঞআদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
নানা প্রলোভন দেখিয়ে কম দামে বৈদেশিক মুদ্রা কম দামে বিক্রয়ের কথা বলে মানুষের সাথে প্রতারণা চক্রের মুল হোতা ডলার জালালকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮।
গতকাল ১০ মে রাত ৯:১৫ মিনিটের সময় বরিশাল সদর থেকে ডলার জালালকে গ্রেফতার করে র্যাব-৮।
গ্রেফতারকৃত মোঃ জালাল হাওলাদার ওরফে ডলার জালাল আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের মৃত্যু আজাহার হাওলাদারের ছেলে।
গত ৫ই মে ভিকটিম মোঃ তৌকির খান (৩০) এর কাছে খুব অল্প দামে সৌদি রিয়াল বিক্রির কথা বলে নানাভাবে প্রলুব্ধ করে তাকে ৩,০০০০০/- (তিন লক্ষ টাকা) নিয়ে আসতে বলে এই প্রতারক চক্র। এতো কম দামের কথা শুনে সন্দেহ হলে তৌকির বরগুনা ডিবি পুলিশের সহায়তা নিয়ে ভিকটিম আসামীদের দেওয়া নির্ধারিত স্থানে গেলে আসামীরা কৌশলে সৌদি রিয়ালের পরিবর্তে টাকার মত ভাঁজ করে পত্রিকার কাগজ ও একটি সাবান পোটলা আকারে ভিকটিমের হাতে দেয় এবং দ্রুত চলে যেতে বলে।এ সময় ঐ এলাকায় আগ থেকে অবস্থান নেওয়া বরগুনা ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে গ্রেফতার করলেও অন্যরা পালিয়ে যায়।এ ঘটনায় ভিকটিম মোঃ তৌকির খান (৩০) বাদী হয়ে আমতলী থানায় গত ৬ই মে একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করে যার নং ০৪/২০২৪।
র্যাব-৮ এর দেওয়া ব্রিফিং এ জানানো হয়,গ্রেফতারের পর আসামী উক্ত প্রতারণার সাথে তার সম্পৃক্তার কথা স্বীকার করে এবং জানায় যে,তার নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে জনবল সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতারণামূলক কর্মকান্ড করে থাকে।
পরে গ্রেফতারকৃত ডলার জালাল কে বরগুনা ডিবি পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
বারজান মাজিদ ওরফে স্করপিয়ন—ইউরোপে মানব পাচারে জড়িত কুখ্যাত এক ব্যক্তি। ২০২২ সালে বেলজিয়ামের আদালতে সাজা হওয়ার পর থেকে লাপাত্তা তিনি। ইরাকের এই নাগরিকের সন্ধানে মাঠে নামেন বিবিসির সাংবাদিক সু মিটসেল। দেশে দেশে ঘুরে বহু চেষ্টা–তদবিরের পর শেষ পর্যন্ত দেখা পান স্করপিয়নের। সুযোগ হয় আলাপের। রোমাঞ্চকর সেসব অভিজ্ঞতাই সবার সামনে তুলে ধরেছেন তিনি।
ইরাকের একটি শপিং মল। মুখোমুখি বসে ছিলাম ইউরোপের সবচেয়ে কুখ্যাত মানব পাচারকারীদের একজনের সঙ্গে। তাঁর নাম বারজান মাজিদ। যুক্তরাজ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশের পুলিশের ‘ওয়ান্টেড’ তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে।
মাজিদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল দুই দফায়। ইরাকের ওই শপিং মলে, আর পরদিন তাঁর অফিসে। কত অভিবাসীকে তিনি ইংলিশ চ্যানেল পার করিয়েছেন, সে সম্পর্কে ধারণাও নেই তাঁর। মাজিদ বললেন, ‘তা ১ হাজারও হতে পারে, ১০ হাজারও হতে পারে। আমি আসলে সঠিক জানি না। কারণ, সংখ্যাটা গুনে দেখিনি।’
এই মানব পাচারকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করাটা কয়েক মাস আগেও আমার কাছে একপ্রকার অসম্ভব মনে হতো। তিনি আরেকটা নামেও পরিচিত—‘স্করপিয়ন’ (কাঁকড়াবিছা)। এই নামের মানুষটিকেই প্রথম আমি খুঁজতে বেরিয়েছিলাম। এ কাজে সঙ্গে পেয়েছিলাম রব লরিকে। সাবেক এই সেনাসদস্য এখন অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করছেন।
স্করপিয়ন বা মাজিদ—যে নামেই ডাকা হোক না কেন, বছরের পর বছর ধরে তিনি ও তাঁর দলবল মিলে ইংলিশ চ্যানেল দিয়ে মানব পাচার করে গেছেন। ২০১৮ সাল থেকে গত মাস পর্যন্ত এই চ্যানেল নৌকায় করে পাড়ি দিতে গিয়ে মারা গেছেন ৭০ জনের বেশি। এর মধ্যে ফ্রান্সের উপকূলে সাত বছর বয়সী একটি শিশুসহ মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের।
নৌকায় করে এই যাত্রা বেশ বিপজ্জনক। তবে অর্থ কামানোর জন্য পাচারকারীদের কাছে কাজটি বেশ আকর্ষণীয়। ইংলিশ চ্যানেল পার করাতে জনপ্রতি ছয় হাজার পাউন্ড বা প্রায় ৯ লাখ টাকা নিয়ে থাকেন তাঁরা। ২০২৩ সালে প্রায় ৩০ হাজার অভিবাসী এই চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এ থেকে বোঝাই যায়, পাচারকারীদের লাভের অঙ্কটা কত বড়।
স্করপিয়নের প্রতি আমাদের আগ্রহের শুরু ছোট্ট একটি মেয়েশিশুর সঙ্গে সাক্ষাতের পর। উত্তর ফ্রান্সের একটি অভিবাসী শিবিরে খোঁজ পেয়েছিলাম তার। একটি ডিঙিনৌকায় করে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে গিয়ে প্রাণ যেতে বসেছিল ওই শিশুর। নৌকাটি সাগরে চলাচলের জন্য মোটেও উপযুক্ত ছিল না। এমনকি সেটির ১৯ আরোহীর জন্য কোনো লাইফ জ্যাকেটের ব্যবস্থাও ছিল না।
ভূমধ্যসাগরে শরণার্থীবোঝাই একটি নৌকা এভাবেই ডুবে যাচ্ছিলরয়টার্সের ফাইল ছবি
যুক্তরাজ্যের পুলিশ কর্মকর্তারা যখন অবৈধ অভিবাসীদের আটক করেন, তখন তাঁদের মুঠোফোনগুলো যাচাই–বাছাই করে দেখেন। ২০১৬ সালের পর থেকে সন্দেহজনক একটি নম্বরই বারবার সামনে আসছিল। ওই মুঠোফোনগুলোয় নম্বরটি স্করপিয়ন নামে রাখা ছিল। কখনো কখনো একটি কাঁকড়াবিছার ছবি দিয়েও নম্বরটি সেভ করা হয়েছিল।
এই স্করপিয়ন কে, তা আমাদের কাছে খোলাসা করেছিলেন মার্টিন ক্লার্ক নামের যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির (এনসিএ) একজন জ্যেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা। তিনি বলেছিলেন, তদন্তের এক পর্যায়ে বোঝা যায়, স্করপিয়ন আসলে বারজান মাজিদ নামের এক কুর্দি ইরাকি।
মাজিদ কিন্তু নিজেই পাচারের শিকার হয়েছিলেন। সে ২০০৬ সালের ঘটনা। তখন তাঁর বয়স ২০ বছর। একটি লরিতে করে তাঁকে যুক্তরাজ্যে পাঠানো হয়েছিল। তবে এক বছর পর তাঁকে দেশটি ছেড়ে যেতে বলা হয়। যদিও আরও কয়েক বছর যুক্তরাজ্যে থেকে গিয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যে কিছু সময় নানা অপরাধে কারাগারে থাকতে হয়েছিল তাঁকে।
শেষ পর্যন্ত ২০১৫ সালে মাজিদকে ইরাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর কিছু সময় পর মানব পাচারের জগতে পা রাখেন তিনি। স্করপিয়ন নামে তাঁর পরিচিত বাড়ে। ধারণা করা হয়, বড় ভাইয়ের হাত ধরেই এ অপরাধে জড়িয়েছিলেন তিনি। তাঁর বড় ভাই তখন বেলজিয়ামের কারাগারে সাজা খাটছিলেন।
আমরা রেস্তোরাঁর ব্যবস্থাপকের কাছে মানব পাচার ব্যবসা সম্পর্কে জানতে চাইলাম। তিনি কাছে থাকা একটি বন্দুক দেখিয়ে বুঝিয়ে দিলেন, আমরা বিপজ্জনক সব মানুষকে নিয়ে কাজ করছি।
২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যে মানব পাচার–বাণিজ্যের একটি বড় অংশ মাজিদ ও তাঁর দল নিয়ন্ত্রণ করত বলে মনে করা হয়। এরপর দুই বছর ধরে মানব পাচার রোধে অভিযান চালায় আন্তর্জাতিক পুলিশ। অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া মাজিদের দলের ২৬ সদস্যকে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও বেলজিয়ামের আদালতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তবে মাজিদ ছিলেন পলাতক।
মাজিদের অনুপস্থিতিতেই বেলজিয়ামের একটি আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে বিচারকাজ চলে। মানব পাচারের ১২১টি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন তিনি। ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানা করা হয় ১২ কোটি টাকার বেশি। এর পর থেকেই মাজিদের আর কোনো খোঁজখবর পাওয়া যায়নি। এই রহস্য ভেদ করতেই নেমেছিলাম আমরা।
স্করপিয়নের খোঁজে তুরস্কে
রব লরির এক সূত্র আমাদের ইরানের এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। ওই ইরানি বলেছিলেন, তিনি যখন ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন, তখন তাঁর কথা হয়েছিল মাজিদের সঙ্গে। মাজিদ বলেছিলেন, তিনি তুরস্কে থাকেন। সেখান থেকেই মানব পাচার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন। বেলজিয়ামে মাজিদের বড় ভাইকেও আমরা খুঁজে বের করেছি। তিনি এখন কারাগারের বাইরে। তাঁরও ধারণা, মাজিদ তুরস্কে থাকতে পারেন।
যুক্তরাজ্যে স্থায়ী হতে চাওয়া বেশির ভাগ অভিবাসী আগে তুরস্কে কিছু সময়ের জন্য অবস্থান করেন। কারণ, যুক্তরাজ্যের অভিবাসী আইন অনুযায়ী, আফ্রিকা, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে দেশটিতে প্রবেশের জন্য ভিসা পাওয়া তুলনামূলক সহজ।
একটি সূত্র থেকে আমরা খবর পেয়েছিলাম, মাজিদকে সম্প্রতি তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের একটি রেস্তোরাঁয় দেখা গিয়েছিল। আমরা সেখানে গেলাম। তবে প্রথম দিকে এই অনুসন্ধান অতটা সহজ ছিল না। আমরা রেস্তোরাঁর ব্যবস্থাপকের কাছে মানব পাচার ব্যবসা সম্পর্কে জানতে চাইলাম। তিনি কাছে থাকা একটি বন্দুক দেখিয়ে বুঝিয়ে দিলেন, আমরা বিপজ্জনক সব মানুষকে নিয়ে কাজ করছি।
তবে খোঁজখবরের পরের ধাপে কিছুটা আশার দেখা পেলাম। খবর পেলাম, কাছের একটি মানি এক্সচেঞ্জে সম্প্রতি প্রায় ২৫ কোটি টাকা জমা দিয়েছেন মাজিদ। ওই মানি এক্সচেঞ্জে আমাদের মুঠোফোন নম্বর রেখে এলাম। সেদিন রাতেই রব লরির ফোন বেজে উঠল। তবে কোন নম্বর থেকে ফোন এসেছে, তা দেখা যাচ্ছিল না। ওপাশ থেকে একজন নিজেকে মাজিদ বলে পরিচয় দিলেন।
আমরা এতটাই হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম ফোনকল রেকর্ড করার সময় পাইনি। রবের যেটুকু মনে আছে, ফোনদাতা বলেছিলেন, ‘আমি শুনলাম, আপনারা আমার খোঁজ করছেন।’ এ সময় রব জানতে চান, ‘আপনি কে? স্করপিয়ন?’ জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আপনি কি আমাকে এ নামেই ডাকতে চান? ঠিক আছে ডাকুন।’
ফোনের অপর পাশের ব্যক্তি আসলেই মাজিদ ছিলেন কি না, তা বলা দুষ্কর ছিল। তবে আমরা তাঁর সম্পর্কে যা জানতাম, তার সঙ্গে ওই ব্যক্তির কথাবার্তার মিল পেয়েছি। যেমন তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাজ্য থেকে ইরাকে পাঠিয়ে দেওয়ার আগে তিনি নটিংহামে ছিলেন। তবে বর্তমানে মানব পাচারে জড়িত থাকার বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘এটা সত্যি নয়। গণমাধ্যমের সৃষ্টি।’
পরে ফোনকলটি কেটে গিয়েছিল। ওই ব্যক্তি কোথা থেকে ফোন করেছিলেন, তা–ও জানতে পারলাম না। তিনি আবার কখন ফোন করতে পারেন, সে সম্পর্কেও কোনো ধারণা ছিল না। এরই মধ্যে স্থানীয় এক সূত্রের কাছ থেকে খবর পেলাম, মাজিদ এখন তুরস্ক থেকে গ্রিস ও ইতালিতে মানব পাচার করছেন।
এরপর আমাদের কাছে যে তথ্য এল, তা ছিল ভয় ধরানো। নারী, শিশুসহ প্রায় ১০০ জনকে নাকি নৌকায় করে পাচার করা হচ্ছে। তবে ওই নৌকায় মাত্র ১২ জনকে বহনের লাইসেন্স রয়েছে। আর সেগুলো চালায় অনভিজ্ঞ পাচারকারীরাই। কোস্টগার্ডকে এড়াতে নৌকাগুলো যে পথ ধরে যায়, সেটিও বিপজ্জনক।
পরেরবার যখন মাজিদের ফোন এসেছিল, তখন বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলাম। এবারও তিনি পাচারে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করলেন। তাঁর কথায় এটাই বোঝা গেল, যাঁরা মানব পাচারের সঙ্গে সশরীর যুক্ত থাকেন, তাঁদেরই পাচারকারী বলে মনে করেন তিনি; যাঁরা নিয়ন্ত্রণ করেন, তাঁরা নন।
অবশেষে সাক্ষাৎ
এরই মধ্যে আমাদের এক সূত্র জানালেন, তিনি ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে সুলাইমানিয়া শহরের একটি মানি এক্সচেঞ্জে মাজিদকে দেখেছেন। আমরা সেখানে গেলাম। সিদ্ধান্ত নিলাম, যদি ইরাকে মাজিদের খোঁজ না পাই, তাহলে এ নিয়ে আর এগোব না।
এর এক পর্যায়ে ইরাকে মাজিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল রবের ওই সূত্রের। মাজিদ আমাদের নিয়ে খুবই সন্দেহের মধ্যে ছিলেন। তাঁর ধারণা ছিল, আমরা অর্থ দাবি করব বা তাঁকে ইউরোপে ফিরিয়ে নিয়ে যাব। এরপর আমাদের সঙ্গে মাজিদের বেশ কয়েকবার বার্তা আদান–প্রদান হয়। তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে দেখা করতে রাজি আছেন। তবে সাক্ষাতের স্থান ঠিক করবেন তিনি নিজে। আমরা তা মেনে নিইনি। কারণ, ভয় ছিল, মাজিদ ফাঁদ পাততে পারেন।
তারপরই আমাদের মুঠোফোনে একটি বার্তা এল। লেখা, ‘আপনারা কোথায়?’ আমরা বললাম, কাছের একটি শপিং মলের দিকে যাচ্ছি। মাজিদ আমাদের ওই মলের নিচতলায় একটি রেস্তোরাঁয় দেখা করার জন্য বললেন। ঠিক সেখানেই আমরা তাঁর প্রথম দেখা পেলাম। মাজিদ বেশ দৃষ্টিনন্দন পোশাক পরে ছিলেন। পরনে ছিল নতুন জিনসের প্যান্ট ও হালকা নীল রঙের শার্ট। এরই মধ্যে কাছের একটি টেবিলে গিয়ে বসলেন তিনজন। বোঝাই যাচ্ছিল, তাঁরা মাজিদের নিরাপত্তারক্ষী।
এবারও মাজিদ এখন মানব পাচারে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করলেন। অন্যান্য অপরাধী চক্রের সদস্যরা নাকি নিজেদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁকে জড়াচ্ছেন। তিনি বললেন, ‘তারা যখন গ্রেপ্তার হয়, তখন বলে, আমরা তার (মাজিদ) হয়ে কাজ করি। আসলে তারা কম সাজা পেতেই এটা করে।’
আমরা যখন অভিবাসীদের মৃত্যুর জন্য মাজিদকে দোষারোপ করলাম, তিনি সেই আগের কথাই বললেন, যাঁরা অভিবাসীদের নৌকায় বা লরিতে তুলে দেন, তাঁরাই পাচারকারী। তিনি নিজে কখনো কাউকে নৌকায় তুলে দেননি। তাই নৌকাডুবিতে কারও মৃত্যুর জন্যও তিনি দায়ী নন। তিনি শুধু অর্থ নিয়েছেন আর অভিবাসীদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হবে, তা ঠিক করে দিয়েছেন।
মাজিদের পেছনে থাকা কাচে তাঁর হাতে থাকা মুঠোফোনের স্ক্রিনের সবকিছু ভেসে উঠছিল। মাজিদ টের না পেলেও রব তা দেখতে পেয়েছিলেন।
সেদিন আমাদের কথোপকথন সেখানেই শেষ হলো। এর পরদিন সুলাইমানিয়ার সেই মানি এক্সচেঞ্জে রবকে আমন্ত্রণ জানালেন মাজিদ। ইউরোপে যাওয়ার জন্য সেখানে গিয়ে অর্থ পরিশোধ করেন অভিবাসীরা। রব আমাকে বলেছিলেন, সেখানে নাকি তিনি এক ব্যক্তিকে এক বাক্স অর্থ নিয়ে আসতে দেখেছিলেন।
মাজিদ সেদিন রবকে বলেছিলেন ২০১৬ সালে তিনি কীভাবে এই ব্যবসায় জড়িয়েছিলেন। তখন হাজার হাজার মানুষ অভিবাসী হয়ে ইউরোপে যাচ্ছিল। মাজিদ বলেন, ‘কেউ তাদের ইউরোপে যাওয়ার জন্য জোরাজুরি করেনি। তারা নিজেরাই যেতে চায়। পাচারকারীদের কাছে তারা বলে, দয়া করে আমাদের জন্য এটা করে দিন। কখনো কখনো পাচারকারীদের এটাও বলতে শুনেছি, শুধু সৃষ্টিকর্তার জন্য আমি তাদের সাহায্য করব। এরপর তারা (অভিবাসী) নানা অভিযোগ করে। আসলে এগুলো সত্যি নয়।’
মাজিদ বললেন, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি বেলজিয়াম ও ফ্রান্সে মানব পাচার কর্মকাণ্ডে শীর্ষ দুই ব্যক্তির একজন ছিলেন। সে সময় লাখ লাখ ডলার লেনদেন করেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘আমি তাদের জন্য বহু কিছু করেছি।’
মাজিদ যদিও দাবি করেন, তিনি এখন আর মানব পাচারে জড়িত নন, তবে তাঁর কাজকর্মে উল্টোটাই মনে হয়েছে। যেমন রবের সঙ্গে কথা বলার সময় হাতে থাকা মুঠোফোনের দিকে তাকিয়ে ছিলেন তিনি। মাজিদের পেছনে থাকা কাচে ওই মুঠোফোনের স্ক্রিনের সবকিছু দেখা যাচ্ছিল। মাজিদ টের না পেলেও রব তা দেখতে পেয়েছিলেন।
মাজিদের মুঠোফোনের স্ক্রিনে রব দেখেছিলেন সারি সারি পাসপোর্ট নম্বর। পরে আমরা জানতে পারি, ওই নম্বরগুলো ইরাকের সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে পাঠায় পাচারকারীরা। ওই কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে ভুয়া ভিসা নেওয়া হয়। তারপর ওই ভিসা দেখিয়ে তুরস্কে যান অভিবাসীরা।
সেটিই ছিল মাজিদ ওরফে স্করপিয়নের সঙ্গে আমাদের শেষ দেখা। এরপর তাঁর সঙ্গে এই সাক্ষাতের বিষয়ে আমাদের কথা হয়েছিল বেলজিয়ামের সরকারি কৌঁসুলি অ্যান লুকোউইয়াকের সঙ্গে। মাজিদকে দোষী সাব্যস্ত করার কাজে সংশ্লিষ্ট ছিলেন তিনি। অ্যান বলেন, ‘একদিন না একদিন আমরা তাঁকে পাকড়াও করবই।’ সূত্র: বিবিসি
খুলনার খান জাহান আলী টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ কেজি গাঁজাসহ দুই জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মোঃ মুনতাসীর ইবনে মহসীন শুক্রবার (১০ মে) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (১০ মে) ভোরবেলায় খুলনা জেলার রুপসার খান জাহান আলী টোল প্লাজা এলাকায় বিশেষ অভিযান চলাকালীন খুলনাগামী ফেণী থেকে ছেড়ে আসা একটি বাস তল্লাশী করে ৪ কেজির বেশি গাঁজা সহ দুই জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে কোষ্টগার্ড।
আটককৃত দুই ব্যক্তিকে ও জব্দকৃত গাঁজা রুপসা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।