৬০ বিঘার বেশি জমি সংক্রান্ত নতুন আইনে কি কি আছে….

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

দেশের কোনো ব্যক্তি ৬০ বিঘার বেশি জমির মালিক হতে পারবেন না। যদি কারও একক নামে ৬০ বিঘার বেশি জমি থাকে, তবে সরকার অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণ করতে পারবে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম রয়েছে। ভূমি সংস্কার আইন ২০২৩–এর খসড়ায় এ কথা বলা হয়েছে।

গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জমির মালিকানার ক্ষেত্রে সীমানির্ধারণ ছাড়াও স্থাবর সম্পত্তির বেনামি লেনদেনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা, বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদের ক্ষেত্রে পালনীয় বিষয়, জমির বর্গাদারের অধিকারসহ নানা বিষয় আলোকপাত করা হয়েছে।

১৯৮৪ সালে ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এখন এই অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করা হচ্ছে। তবে নতুন আইনে ওই অধ্যাদেশের অনেক কিছুই অবিকৃত রাখা হয়েছে।

নতুন আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি একক নামে ৬০ বিঘার (১ বিঘা সমান ৩৩ শতাংশ) বেশি জমির মালিক হতে পারবেন না। কারও নামে ৬০ বিঘার বেশি জমি থাকলে অতিরিক্ত জমি সরকার অধিগ্রহণ করতে পারবে। আর এ জন্য সরকার কোনো ক্ষতিপূরণ দেবে না।

তবে কিছু ব্যতিক্রমের কথাও আছে আইনে। যেমন সমবায় সমিতি; চা, কফি, রাবার ও ফলের বাগানমালিক; শিল্প কারখানার কাঁচামাল উৎপাদন হয়, এমন জমির মালিক; রপ্তানিমুখী শিল্প ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতের কাজে ব্যবহার হওয়া জমির মালিক; ওয়াকফ ও ধর্মীয় ট্রাস্টের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

ভূমিসংক্রান্ত আইন ভঙ্গ করলে এক লাখ টাকা জরিমানা অথবা এক মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রাখা হয়েছে নতুন আইনে। এ ছাড়া আইনে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু ও তথ্যভান্ডার তৈরির কথাও বলা হয়েছে।

নতুন আইনে বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন আদালতের আদেশ ছাড়া কোনো কর্মকর্তা বা কোনো কর্তৃপক্ষ জমি থেকে মালিককে উচ্ছেদ করতে পারবেন না।

গ্রামীণ এলাকায় বাস্তুভিটার উপযুক্ত জমি খাস হিসেবে পাওয়া গেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা বা তাঁর পরিবার, ভূমিহীন কৃষক ও শ্রমিকদের বন্দোবস্তের বিষয়ে প্রাধান্য দেওয়া হবে। আইনে বলা হয়েছে, কোনো বর্গাদার বর্গা চুক্তির আগে মারা গেলে চুক্তির মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত বর্গাদারের পরিবারের সদস্যরা ওই জমি চাষ করতে পারবেন।

আইনে আরও বলা হয়েছে, মালিক যদি তাঁর বর্গা দেওয়া জমি বিক্রি করতে চান, তবে প্রথমে বর্গাদারকে জানাতে হবে। বর্গাদার ১৫ দিনের মধ্যে মালিককে তাঁর সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন। আর কোনো বর্গাদার ১৫ বিঘার বেশি জমি চাষ করতে পারবেন না।

বর্গা চুক্তি বাতিলের বিষয়ে কিছু শর্ত রাখা হয়েছে নতুন আইনে। যেমন বর্গাদার যৌক্তিক কারণ ছাড়া জমি চাষ না করলে চুক্তি বাতিল হবে।

এ ছাড়া এলাকায় সাধারণত যতটুকু শস্য হয়, তা আবাদ না করতে পারলে, ভিন্ন কোনো কাজে জমি ব্যবহার করলে, বর্গাদার নিজে চাষ না করলে চুক্তি বাতিল হতে পারে। ভূমির মালিক ব্যক্তিগতভাবে চাষের জন্য জমি চাইলেও চুক্তি বাতিল করা যাবে।

Daily World News

নাটোর-৪  সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস আর নেই

রাশিয়ার ভিতরে হামলা না চালাতে ইউক্রেনের ওপর পশ্চিমাদের চাপ

রামপালে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে দিশেহারা নিন্ম আয়ের মানুষ

১৬০ বিশ্বনেতা ড. ইউনূসের বিচার স্থগিত চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে খোলাচিঠি

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

শান্তিতে নোবেলজয়ী, বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি বাংলাদেশ সরকারের আচরণের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে খোলাচিঠি লিখেছিলেন রাজনীতি, কূটনীতি, ব্যবসা, শিল্পকলা ও শিক্ষাক্ষেত্রের ৪০ জন বিশ্বনেতা। তাদের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, আয়ারল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসন, প্রয়াত মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড এম কেনেডির ছেলে টেড কেনেডি জুনিয়রের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্বরা।

ওই খোলাচিঠির ধারাবাহিকতায় এবার প্রধানমন্ত্রী বরাবর ১০০ জনেরও বেশি নোবেল বিজয়ী সহ ১৬০ জনেরও বেশি বিশ্বনেতা একটি নতুন চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস-হোর্তা, আয়ারল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসন, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুনের মতো ব্যক্তিত্ব। উক্ত চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের একজন, রেজাল্টস অ্যান্ড সিভিক কারেজের প্রতিষ্ঠাতা স্যাম ডেলি-হ্যারিস এক বিজ্ঞপ্তিতে চিঠিটি প্রকাশ করেছেন।

চিঠির শুরুতে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’ সম্বোধন করে লেখা হয়েছে, আমরা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, নির্বাচিত কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের নেতার পাশাপাশি বাংলাদেশের বন্ধু হিসেবে লিখছি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে আপনাদের জাতি যেভাবে প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে আমরা তার প্রশংসা করি।

কিন্তু, সম্প্রতি বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি যে হুমকি দেখেছি তাতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা বিশ্বাস করি যে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া এবং নির্বাচনে প্রশাসন দেশের সব বড় দলের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়াটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগের দুটি জাতীয় নির্বাচনে বৈধতার অভাব ছিল।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে মানবাধিকারের প্রতি যে হুমকি আমাদের উদ্বিগ্ন করে তা হলো- নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের মামলা। আমরা উদ্বিগ্ন যে, সম্প্রতি তাকে টার্গেট করা হয়েছে। এটা ক্রমাগত বিচারিক হয়রানি বলেই আমাদের বিশ্বাস।

আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে, আপনি অবিলম্বে অধ্যাপক ইউনূসের বিরুদ্ধে বর্তমান বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করুন।

তারপর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইন বিশেষজ্ঞদের ভূমিকা রাখার সুযোগ সহ আপনার দেশের মধ্য থেকে নিরপেক্ষ বিচারকদের একটি প্যানেল দ্বারা অভিযোগের পর্যালোচনা করা হবে। আমরা নিশ্চিত যে, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী এবং শ্রম আইনের মামলাগুলোর যে কোনও পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করলে তিনি খালাস পাবেন।

আপনি জানেন যে, ‘কীভাবে সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে শূণ্য দারিদ্র্য, শূণ্য বেকারত্ব এবং শূণ্য নেট কার্বন নিঃসরণ আন্তর্জাতিক অগ্রগতির জন্য একটি শক্তি হতে পারে’ এ নিয়ে প্রফেসর ইউনূসের কাজ আমাদের সকলের জন্য অনুপ্রেরণামূলক।

সাম্প্রতিক দশকগুলোতে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশিরা কীভাবে বৈশ্বিক অগ্রগতিতে অবদান রেখেছেন তিনি তার একটি প্রধান উদাহরণ। আমরা আন্তরিকভাবে কামনা করি তিনি যেনো নিপীড়ন বা হয়রানি মুক্ত হয়ে তার উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

চিঠির শেষে বলা হয়েছে, আমরা আশা করি, আপনি এই আইনি সমস্যাগুলোর সমাধান একটি সমীচীন, নিরপেক্ষ এবং ন্যায়সংগত পদ্ধতি নিশ্চিত করবেন। এর পাশাপাশি আসছে দিনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন এবং সব ধরনের মানবাধিকারের প্রতি সম্মান (প্রদর্শন) নিশ্চিত করবেন। সামনের দিনগুলোতে কীভাবে এই বিষয়গুলোর সমাধান করা হয় তা ঘনিষ্ঠভাবে নজরে রাখার জন্য আমরা বিশ্বের লাখ লাখ উদ্বিগ্ন নাগরিকদের শিবিরে যোগ দেবো’। সূত্র: যুগান্তর

Daily World News

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে সরকার সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন অব‍্যহত রেখেছে: সালাম মূশের্দী এমপি

রামপালে পুলিশের পৃথক অভিযানে তামার তারসহ ২ চোর আটক

সাঈদীর মৃত্যু//  চিকিৎসককে হুমকি দেওয়া শিবির কর্মী তাফসিরুল গ্রেফতার

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর হাসপাতালে মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসককে হুমকি দেওয়া তাফসিরুল ইসলামের পরিচয় পাওয়া গেছে। সে একজন শিবির কর্মী বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সে ‘বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির দ্বারিয়াপুর, মহেশপুর’ এবং ‘বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির দ্বারিয়াপুর, মহেশপুর’ নামে দুটি ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিন বলে জানিয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনী।

এসব তথ্য দিয়ে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, ঝিনাইদহের মহেশপুরে একটি কলেজে স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষে পড়ালেখা করছে তাফসিরুল।

মঈন বলেন, তাফসিরুল স্কুল জীবন থেকেই ছাত্রশিবিরের একজন সক্রিয় কর্মী। সে প্রযুক্তিতে দক্ষ। অনলাইনে ইমেইল মার্কেটিং এর কাজ করে মাসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা আয় করে। পাশাপাশি ফেসবুকে শিবিরের সাংগঠনিক প্রচার চালায়।

উল্লেখ্য, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু দণ্ডিত সাঈদী কারাগারে হার্ট অ্যাটাকা করলে তাকে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে হৃদরোগ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক চৌধুরী মেশকাত আহমেদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ আগস্ট রাতে সাঈদীর মৃত্যু হয়।

তার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলে ছিলেন হৃদরোগ বিভাগের অধ্যাপক এস এম মোস্তফা জামান। প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগ জানিয়ে মঙ্গলবার রাতে ধানমণ্ডি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তিনি।

এ বিষয়ে তদন্তে নেমে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা, র্যাব-২ ও ৬ এর একটি যৌথ দল বুধবার রাতে ঝিনাইদহের মহেশপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৩ বছর বয়সি তাফসিরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।

বৃহস্পতিবার সকালে কারওয়ানবাজার র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি জানান, তাফসিরুলের বাবা রফিকুল ইসলাম রফিও জামায়াতের একজন সক্রিয় কর্মী। ২০১৩-১৪ সালে মহেশপুরে নাশকতার একাধিক মামলায় তার নাম আসে, সে সময় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারেও গিয়েছিলেন তিনি।

র্যাবের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তাফসিরুল ডা. মোস্তাফা জামানের মোবাইল নম্বর খুঁজে বের করে হোয়াটসঅ্যাপে এবং ফেইসবুক মেসেঞ্জারে প্রাণনাশের হুমকি দেন। জামায়াত নেতা সাঈদীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ‘দলীয় ও রাজনৈতিক মতাদর্শ, ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও আক্রোশ থেকে’ তিনি এ কাজ করেন।

মঈন বলেন, তাফসিরুল হুমকির বার্তা পাঠানোর পর হোয়াটসঅ্যাপ থেকে সেটা মুছে ফেললেও তার মোবাইলে ওই মেসেজের ‘স্ক্রিনশট’ পাওয়া যায়।

ডা. এস এম মোস্তফা জামানকে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় এ নিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করা হল। ওই ঘটনায় এর আগে ঢাকার উত্তরা থেকে হাফিজা মাহবুবা বৃষ্টি নামে ৩২ বছর বয়সি এক নারীকে আটক করে সিটিটিসি।

Daily World News

বাগেরহাটের কচুয়ায় শিখন শিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটের কচুয়ায় বঙ্গবন্ধু ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত

বাগেরহাটের কচুয়া প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের সংবাদ সম্মেলন

‘তৃতীয় মাত্রা’র উপস্থাপক জিল্লুর রহমানের সিজিএসের তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে  সিআইডি

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

টক শো ‘তৃতীয় মাত্রা’র উপস্থাপক জিল্লুর রহমানের ব্যাংক হিসাব তলবের পর এবার তাঁর প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) সাবেক ও বর্তমান তিন কর্মকর্তাকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পৃথকভাবে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

তিনজনের মধ্যে সিজিএসের সাবেক একজন কর্মকর্তা রয়েছেন। তাঁর নাম এমিল মাইকেল বটলেরু। অপর দুজন হলেন জুলিয়ান অংকন রোজারিও ও হিমাংশু শেখর কুণ্ডু।

জিল্লুর রহমান গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক। তিনি আজ বলেন, ‘আমার সহকর্মীদের সিআইডি কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে সিজিএসের আর্থিক বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে বিদেশ থেকে অর্থসহায়তা আসে কি না, টাকা কীভাবে খরচ হয়। আমার পারিবারিক নানা বিষয়েও তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।’

জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে জানতে সিআইডির মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজাদ রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই।

এর আগে ৯ আগস্ট জিল্লুর রহমানের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এ বিষয়ে সব ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো চিঠিতে সিজিএসের ব্যাংক হিসাবের তথ্যও চাওয়া হয়।

তার আগে গত বছরের ডিসেম্বরে জিল্লুর রহমানের শরীয়তপুর জেলার গ্রামের বাড়িতে তথ্য সংগ্রহে গিয়েছিল পুলিশ। গত বছরের ২২ ডিসেম্বর রাতে জিল্লুর রহমান এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন, পুলিশ তথ্য সংগ্রহের জন্য শরীয়তপুরে তাঁর পৈতৃক বাড়িতে গেছে। এটা জেনে তিনি বিস্মিত হয়েছেন। তিনি ঢাকায় থাকেন, তাঁর একটি অফিসও রয়েছে। কোনো তথ্য দরকার হলে পুলিশ সদস্যরা সরাসরি তাঁর কাছে যেতে পারতেন বা তাঁকে টেলিফোন করতে পারতেন। তারপরও তাঁরা তাঁর পৈতৃক বাড়িতে গেছেন। জিল্লুর মনে করেন, তাঁকে, তাঁর পরিবার ও প্রতিবেশীদের ভয় দেখানোর জন্য এটা করা হয়েছে। উপস্থাপক হিসেবে তাঁর ভূমিকা এবং সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) কর্মকাণ্ডে প্রতিবন্ধকতা তৈরির উদ্দেশ্যে পুলিশ এটা করেছে।

নতুন করে সিজিএসের কর্মকর্তাদের ডেকে নিয়ে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে জিল্লুর রহমান বলেন, ‘যেকোনো তদন্তে আমার সমস্যা নেই। কিন্তু কোনো গল্প যেন সাজানো না হয়।’ সূত্র: প্রথম আলো

 

ডিবি পুলিশের অভিযানে মোটরসাইকেল ও  গাঁজাসহ গ্রেফতার-১

//আ: রাজ্জাক শেখ//

খুলনার পুলিশ সুপার জনাব, মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান এর নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার ইনচার্জ জনাব মোঃ নিজাম উদ্দীন মোল্লার নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) সৌরভ কুমার দাস সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ খুলনা জেলার রূপসা উপজেলা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান পরিচালনাকালে গত ১৩ আগস্ট রাতে রূপসা উপজেলার ৩ নং নৈহাটি ইউনিয়নের জাবুসা চৌরাস্তার মোড়ের উত্তর পাশে পাঁকা রাস্তার উপর ল্যাম্প পোস্টের নিচ থেকে আসামী মোঃ সাহেদ হোসেন শেখ (৩২)কে তার ব্যবহৃত নীল ও সাদা রংয়ের APACHE 4V ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল ও ১ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ গ্রেফতার করেন।

আসামী একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তার নামে ১টি ছিনতাই মামলা এবং  উক্ত মামলাসহ সর্বমোট ২ টি মামলা রয়েছে।

এ ব‍্যাপারে এসআই সৌরভ কুমার দাস বাদী হয়ে রূপসা থানায় এজাহার দায়ের করেন।

অপরাধ প্রবণতা রোধে শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা

//আ: রাজ্জাক শেখ,খুলনা ব‍্যুরো//

শিক্ষার্থীদের ইভটিজিং, বাল্যবিয়ে রোধ, সাইবার ক্রাইমসহ সামাজিক নানা বিষয়ে সচেতনতা বিষয়ক সভা রূপসার দুটি স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার(১৪ আগষ্ট) সকালে রূপসার নৈহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও শ্রীফলতলা ইউনিয়নের কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট স্কুল হলরুমে এ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সচেতনতামূলক কথা বলেন থানার ওসি তদন্ত মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে জঙ্গিবাদ, মাদক, সাইবার ক্রাইম, ইভটিজিং এবং বাল্য বিবাহ নিয়ে সচেতন করতে রূপসা থানা পুলিশের টিম বিভিন্ন স্কুল-কলেজে গিয়ে এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

শিক্ষার্থীদের সাথে লেখাপড়ার মান উন্নয়ন, ছাত্রীদের বাল্যবিবাহ রোধে ভূমিকা রাখা, মাদককে না বলা, সাইবার ক্রাইম বিষয়ে সচেতনতা এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চারসহ সামাজিক নানা বিষয়ে সচেতন করতে বক্তব্য রাখেন।
এসময় ইন্টারনেট-ফেসবুক ব্যবহারে সচেতন হতে সতর্কতামূলক দিকনির্দেশনা দেন ওসি সিরাজুল ইসলাম।

সচেতনতা বিষয়ে আলাপকালে ওসি মো: সিরাজুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের নানা বিষয়ে সচেতন করতে এবং তাদের দিক-নির্দেশনামূলক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সরাসরি শিক্ষার্থীদের সাথে এভাবে সভা করছি। এতে করে শিক্ষার্থীরা সচেতন হচ্ছে। তারা ব‍্যক্তিগত ভাবে, পরিবার ও আশেপাশের লোকজনদেরও সচেতন করতে পারবে। যাতে করে অপরাধ কমিয়ে আনা সম্ভব বলে আশা করি।’

এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, থানা পুলিশের সদস্য ও ছাত্র ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডুমুরিয়ায় ভ্রাম‍্যমান আদালত- ক্লিনিক সিলগালা- মালিককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

খুলনার ডুমুরিয়ায়  চুকনগরে হালিমা  ক্লিনিক সিলগালা ও  ক্লিনিক মালিককে কারাদন্ড প্রদান করেছে  ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে  হালিমা মেমোরিয়াল ক্লিনিকে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শরিফ আসিফ রহমান এই অভিযান পরিচালনা করেন।

ভ্রাম্যমান আদালত সূত্র জানায়, উক্ত ক্লিনিকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম চলে আসছে। সাম্প্রতি কয়েকদিন আগে ক্লিনিকটিতে ভুল অপরেশনের কারনে এক স্কুলছাত্রী মারা যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ অভিযান চালানো হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকালে সেখানে কোন ডাক্তার , নার্স , আয়া কেউ ছিল না। ওই ক্লিনিকে কোন সার্জন অস্ত্রপচার করেন , কে এ্যানেস্থেশিয়া দেন তার কোন কিছুই ক্লিনিক কতৃর্পক্ষ জানাতে পারেননি। ক্লিনিকের প্রতিটি কক্ষ , বিছানা , আসবাসপত্র নোংরা। তাছাড়া ক্লিনিকের লাইসেন্স ও নবায়ন করা হয়নি। এসব অপরাধে ক্লিনিকটি অনির্দিষ্ট কালের জন্যে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে এবং ক্লিনিক মালিক কামাল হোসেনকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।সময় উপস্থিত ছিলেন , ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মেডিকেল অফিসার ডাঃ রিফাত রহমান , ডাঃ মোঃ মেহবুব হোসেন সাব্বির , ডুমুরিয়া থানার এস আই প্রসেনজিৎ ব্যানার্জি প্রমুখ।

রামপালে ওয়ারেন্টভূক্ত ২ আসামী গ্রেফতার

এ এইচ নান্টু,বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ সোমবার (৭ আগষ্ট) রাতে দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও বিশেষ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামীকে আটক করেছে। আটককৃতদের মঙ্গলবার (৮ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ১০ টায় বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার পেড়িখালী গ্রামের মোসলেম হাওলাদারের পুত্র সিআর ৮৬/২৩ নং মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামী ইয়াহিয়া হাওলাদার (৬০) ও বড়দূর্গাপুর গ্রামের নবুউল্লাহ শেখের পুত্র খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানার জিআর ৭৩/২৩ মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামী মো. রাসেল (৩০)।

রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম জানান, দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও বিশেষ অভিযান চালিয়ে সোমবার রাতে আরও দুই জন আসামী ধরা হয়েছে। গত সোমবারে ৫ জন ও রবিবারও ৪ জন বিভিন্ন মামলার আসামী ধরা হয়েছে। আমাদের অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

১১ বছর/ মামলার ১০০তম ধার্য তারিখ আজ: সাগর-রুনী হত্যা

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনী হত্যা মামলাটির চলমান তদন্তের শততম ধার্য তারিখ আজ। এর আগে র‌্যাবের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে ৯৯ বার সময় নিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। এভাবে ধারাবাহিক এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১১ বছর অর্থাৎ মাসের হিসাবে ১৩৮ মাস ধরে পিছিয়েই যাচ্ছে।

এর আগে ২২ জুন প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন অর্থাৎ আজ ৭ আগস্ট ধার্য করেছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিন।

চাঞ্চল্যকর এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম গত রাতে যুগান্তরকে বলেন, আমি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী। বাধ্য হয়েই পরবর্তী তারিখের জন্য সময় প্রার্থনা করতে হবে। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনীকে হত্যা করা হয়। এরপর রুনীর ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই খুনিদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা হবে। এরপর পেরিয়ে গেছে সাড়ে ১১ বছর। আদালত থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য মতে, এখনো প্রতিবেদন দাখিল হয়নি। প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজ আবারও নতুন দিন ধার্য করা হলে প্রতিবেদন দাখিল ১০০ বারের মতো পেছাবে।

দীর্ঘদিন পরও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় হতাশ সাগর-রুনীর পরিবার। তদন্ত সংস্থা র?্যাব বলছে, গুরুত্ব সহকারে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, মামলার তদন্ত সংস্থা যদি তদন্ত করতে না পারে অন্য কোনো সংস্থা দিয়ে তদন্ত করা যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি গোলাম সাগর সারোয়ার ও তার স্ত্রী এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন নাহার রুনী রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন। তখন বাসায় ছিল তাদের সাড়ে চার বছরের ছেলে মাহির সারোয়ার মেঘ।

 

রামপালে সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ আটক-৩

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ ৩ জনকে আটক করেছে। আটককৃতদের বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলো, উপজেলার বড়দূর্গাপুর গ্রামের তাপস রায়ের পুত্র সিআর মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামী অমিত রায় (২৮), উপজেলার তালবুনিয়া গ্রামের ওহিদ শেখের পুত্র জিআর মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামী জনি শেখ (৩০) ও দেবীপুর গ্রামের শওকাত আলী শেখের পুত্র ৩ মাসের সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামী ইনামুল শেখ (৩০)।

রামপাল থানার অফিসার ইন-চার্জ এস, এম আশরাফুল আলম গ্রেফতারী পরোয়ানামূলে সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ ৩ জনকে আটক করার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাদকসহ সকল প্রকার সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।