৩৫০ সিসি মোটরসাইকেল এখন আপনিও চালাতে পারবেন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

একাধিক প্রতিষ্ঠানের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে দেশের সড়কে ৩৫০ সিসি (ইঞ্জিন ক্ষমতা) পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এত দিন দেশে ১৬৫ সিসির ওপর মোটরসাইকেল বাজারে ছাড়ার সুযোগ ছিল না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল বৃহস্পতিবার এই অনুমতি দিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশে ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের পরিবেশক ও উৎপাদন অংশীদার এসিআই মোটরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এফ এইচ আনসারি। আজ শুক্রবার সকালে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশে ৩৫০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। তবে এ ধরনের মোটরসাইকেল সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় আমদানি করা যাবে না। শুধু বিদেশ থেকে বিযুক্ত অবস্থায় (সিকেডি) আমদানি করে দেশের কারখানায় সংযোজন করে বাজারজাত করা যাবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের জন্য প্রযোজ্য আমদানি নীতিতে সরকার প্রথম মোটরসাইকেলের সিসি সীমা ১৫০ থেকে ১৬৫-তে উন্নীত করে। তারপর সিসি সীমা তুলে নেওয়ার দাবি করে কয়েকটি কোম্পানি। তখন কেউ কেউ সিসি সীমা তুলে দেওয়ার বিপক্ষেও অবস্থান নেয়।

মোটরসাইকেল খাতের দুই সংগঠনের একটি মোটরসাইকেল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ–সংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরি করতে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে (বিটিটিসি) দায়িত্ব দেয়।

২০২১ সালের শুরুতে বিটিটিসি মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন ক্ষমতা বা সিসি সীমা তুলে দেওয়ার সুপারিশ করে। তারা বলে, মোটরসাইকেলের সিসির সঙ্গে গতির কোনো সম্পর্ক নেই। ৩০০ বা ৫০০ সিসির মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ যে গতি তোলা সম্ভব, ১৬৫ সিসি মোটরসাইকেলেও একই গতি তোলা যায়। বিশ্বের কোথায় এমন সিসি সীমা নেই। তবে স্থানীয় শিল্পের কথা বিবেচনা করে প্রতিবেদনে বলা হয়, আপাতত ৩৫০ সিসি পর্যন্ত অনুমোদন দেওয়া যায়, তবে তা ৫০০ সিসি করা এবং একপর্যায়ে সীমা তুলে নেওয়া যেতে পারে।

ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘদিন দেশে মোটরসাইকেলের সিসি সীমা ছিল ১৫৫। ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে সিসি সীমা ১৬৫-তে উন্নীত করা হয়। পুলিশের ক্ষেত্রে সিসি সীমা কার্যকর হয় না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গতকালের সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন টিভিএস ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল উৎপাদন ও বিপণনকারী টিভিএস অটো বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বিপ্লব কুমার রায়। তিনি আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে ৫০০ সিসির মোটরসাইকেল রপ্তানির অনুমতি ছিল। অন্যদিকে আমদানি নীতিতে ৫০০ সিসির যন্ত্রাংশ আমদানির সুযোগ থাকলেও সড়কে এ ধরনের বেশি সিসির মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি ছিল না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এক সভায় দেশের সড়কে ৩৫০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ ধরনের মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ আমদানি ও সংযোজনের একটি নীতিমালা করবে। সেটি হওয়ার পর বলা যাবে, দেশের সড়কে কবে ৩৫০ সিসির মোটরসাইকেল নামবে।

বেশি সিসির মোটরসাইকেলের নিরাপত্তার বিষয়ে প্রশ্ন করলে বিপ্লব কুমার রায় বলেন, উচ্চ সিসির মোটরসাইকেল আধুনিক। এসব মোটরসাইকেলের নিরাপত্তাব্যবস্থাও অনেক বেশি। তিনি আরও বলেন, ‘সব কটি ব্র্যান্ডেরই বেশি সিসির মোটরসাইকেল আছে। আমরাও বাজার বিশ্লেষণ করে বেশি সিসির বাইক বাজারে ছাড়ব।’

যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড রয়েল এনফিল্ড বাংলাদেশের বাজারে আনতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে কারখানা করছে ইফাদ অটোস। তবে এত দিন বেশি সিসির মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি না থাকায় রয়েল এনফিল্ড ৩৫০ সিসির বাইক কবে আসবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পর সেটি ঘুচল বলে জানালেন এই খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

আলাপচারিতায় এসিআই মোটরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এফ এইচ আনসারি বলেন, ‘ইয়ামাহার দুই হাজার সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আছে। আমরাও দেশে উচ্চ সিসির বাইক আনব, তবে একটু ধীরে।’ তিনিও আর বলেন, বেশি সিসির মোটরসাইকেলের নিরাপত্তাব্যবস্থা অনেক ভালো। তাতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে।

Daily World News

বাইডেন, সুনাক, ট্রুডো: জি-২০ তে এসে কে কোথায় থাকবেন

রাশিয়া – বাংলাদেশ লাভের আশা উভয়রই

ডুমুরিয়ায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ‍্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট এর সমাপনী অনুষ্ঠান

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়া বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ‍্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট এর সমাপনী অনুষ্ঠান ৩১ জুলাই  সোমবার বিকেলে যুব সংঘ ফুটবল খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গমাতা  খেলায় বেতাগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ‍্যালয় ও টোলনা মাঝের পাড়া  সরকারী প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ের মধ‍্যকার খেলা নিধারিত সময়ে গোল শুন‍্যভাবে শেষ হয়। পরে ট্রাইব্রেকারে টোলনা মাঝের পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ‍্যালয় ৪-৫ গোলে  জয়লাভ করে চ‍্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

২য় খেলায় ডুমুরিয়া সাজিয়াড়া মড়েল ও গুটুদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ের মধ‍্যেকার খেলায় গোল শুন‍্যভাবে শেষ। ট্রাইব্রেকারে ৩-৫ গোলে সাজিয়াড়া মড়েল সরকারী প্রাথমিক বিদ‍্যালয় চ‍্যাম্পিয়ান হয়।

খেলা শেষে পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব‍্য দেন সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি। উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হাবিবুর রহমান  , ইউ আরসি মনির হোসেন,সহকারী শিক্ষা অফিসার দ্বয় জার্জিস রহমান, নিয়ন্তা ঢালী, নুরু ইসলাম খান, মো: মুস্তাকিম বিল্লাহ, ফিরোজা সুলতানা, নাজমুন নাহার, রাজ মনি

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শেখ জামিল আক্তার লেলিন, প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস‍্য শোভারানী হালদার, মড়েল স্কুলের ম‍্যানেজিং কমিটির সভাপতি  সুল্গনা বসু, প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, দেবাশিষ চন্দ্র চন্দ, গাজী আ: ছালাম, সহকারী শিক্ষক শফিকুল আলম, জাহাঙ্গীর আলম, খেলা পরিচালনা করেন শিক্ষক সমারেশ রায় ও সম নাজমুল বারী।  খেলা শেষে উভয় দলের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন প্রধান অতিথিসহ অতিথিবৃন্দরা।

ডুমুরিয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ অনূর্ধ্ব ১৭ এর ফাইনাল খেলা   অনুষ্ঠিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়ায়  যুব উন্নযন অধিদপ্তরের আয়োজনে ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ড কাপ  ফুটবল টুর্নামেন্ট’ অনূর্ধ্ব ১৭ এর চুড়ান্ত পর্বের  খেলা  ২০ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকাল চারটায় ডুমুরিয়া যুব সংঘ ফুটবল ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়।

চুড়ান্ত  পর্বের এ খেলায় ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়ন বনাম রুদাঘরা ইউনিয়ন ফুটবল একাদশের মধ‍্যে অনুষ্ঠিত হয।  খেলায় নিধারিত সময়ে উভয দল গোল শুন‍্য থাকায় পরে ট্রাইব্রেকারে ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়ন একাদশ জয়লাভ করে চ‍্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলা শেষে উভয় দলের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান। উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: কামরুজ্জামান, যুব সংঘ ক্লাবের সভাপতি মোশাররফ হোসেন কচি, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক শেখ জামিল আক্তার লেলিন, হারুনার রশিদ, খান আনিচুজ্জামান, ইউপি চেয়ারম‍্যান গাজী তৌহিদুজ্জামান প্রমুখ।

সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় তামিমের

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//
গুঞ্জনটা জোরালো হচ্ছিল গতকাল রাত থেকেই। হুট করেই গতকাল রাতে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজ কাভার করতে আসা সাংবাদিকদের নিয়ে এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলন করার কথা জানান তামিম ইকবাল। তখন থেকেই তামিমের অবসর নিয়ে যত জল্পনাকল্পনার শুরু।

শেষ পর্যন্ত তা-ই হলো। আজ চট্টগ্রামের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে তামিম বিদায় জানিয়ে দিলেন সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে। গত বছর ১৬ জুলাই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছেন ৩৪ বছর বয়সী তামিম। এবার ওয়ানডে ও টেস্ট থেকেও অবসরের ঘোষণা দিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ওপেনার।

সংবাদ সম্মেলনে অশ্রুসজল চোখে তামিম বলেছেন, ‘আফগানিস্তানের বিপক্ষে গতকালের ম্যাচটিই আমার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। এই মুহূর্ত থেকে আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছি। সিদ্ধান্তটি হুট করে নেওয়া নয়। অনেক দিন ধরেই আমি এটা নিয়ে ভাবছি। পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেছি এটা নিয়ে।’

জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে কোলাহলের মধ্যে তামিম এসে সবাইকে অনুরোধ করেন, ‘আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে দুইটা মিনিট কথা বলতে দেন।’ এরপর অবসরের ঘোষণার প্রসঙ্গ টেনে তামিম বলেছেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে এটাই সঠিক সময় সরে দাঁড়ানোর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে। সবাইকে ধন্যবাদ জানানো প্রয়োজন।’

এরপর তামিমের গলা ধরে আসে। কান্নাভেজা কণ্ঠে কিছুটা ডুকরে উঠে সময় নিয়ে বলেন, ‘আমি সব সময়ই একটা বলেছি,  আমি ক্রিকেট খেলি আমার বাবার স্বপ্ন পূরণ করার জন্য। আমি জানি না তাকে কতটা গর্বিত করতে পেরেছি এই ১৬ বছরে।’

তামিম এই কথা বলার সময়ও কেঁদেছেন। এরপর বলেছেন, ‘আমি আরও কয়েকজনকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমার সবচেয়ে ছোট চাচা, যিনি ইন্তেকাল করেছেন, তাঁর নাম আকবর খান, যাঁর হাত ধরেই আমি প্রথম ক্রিকেট বলে টুর্নামেন্ট খেলেছি। চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে তপন দা নামের একজন কোচ আছেন, তাঁর কাছে আমি ঋণী।’

তামিম এই কথা বলার সময় পিনপতন নীরবতা নেমে এসেছিল সংবাদ সম্মেলনে। শুধু ক্যামেরার শাটার ক্লিকের আওয়াজ শোনা গেছে আর তামিমের ডুকরে ডুকরে কেঁদে ওঠার শব্দ।

ধরে আসা গলাতেই বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা এই ওপেনার বলেছেন, ‘আসলে আমার খুব বেশি কিছু বলার নেই। আমি একটা জিনিসই বলতে চাই, সেটি হলো, আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি ভালো খেলার। আমি আসলেই নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। আমি কতটা ভালো খেলোয়াড় ছিলাম, আদৌ ভালো ছিলাম কি না, আমি জানি না। তবে আমি সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। আমি যখনই মাঠে নেমেছি, আমি আমার শতভাগ দিয়েছি।’

তামিমের মুখভঙ্গি, চোখেমুখে প্রকাশ পাওয়া আবেগ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল অনেক কিছুই বলতে চান কিন্তু পারছেন না। কথায় সেই শোকতাপের সুর তুলেই বললেন, ‘আমি অনেক কিছু বলতে চাই আসলে, কিন্তু আপনারা দেখছেন, আমি কথাই বলতে পারছি না। আমি আশা করি আপনারা পরিস্থিতিটা বোঝার চেষ্টা করবেন। কথা বলার জন্য এটা খুব আদর্শ পরিস্থিতি নয়। বিশেষ করে এত বছর পর খেলার পর এই খেলাটাকে বিদায় বলাটা খুব সহজ কিছু নয়।’

ওয়ানডে ক্রিকেট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় তামিমের। ২০০৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি কেনিয়ার বিপক্ষে দেশের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলেছিলেন।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিজের ঘরের মাঠে এই সংস্করণেই তাঁর শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেললেন তামিম। ২৪১ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৩৬.৬২ গড়ে ৮৩১৩ রান করেছেন, সেঞ্চুরি ১৪টি, ফিফটি ৫৬টি।

টেস্টে ৭০ ম্যাচে ৩৮.৮৯ গড়ে ৫১৩৪ রান করেছেন তামিম। সেঞ্চুরি ১০টি ও ফিফটি ৩১টি। এই সংস্করণে বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরি করেছেন তামিম।

টি–টোয়েন্টিতে ৭৪ ম্যাচে ১৭০১ রান করেছেন তামিম। এই সংস্করণে দেশের হয়ে শুধু তামিমই সেঞ্চুরি করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৫ সেঞ্চুরি করা তামিম তিন সংস্করণ মিলিয়ে ১৫ হাজারের বেশি রান করেছেন। দেশের আর কোনো ক্রিকেটার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এত রান করতে পারেননি।

 

 

কচুয়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

কচুয়া, বাগেরহাট প্রতিনিধি॥

বাগেরহাটের কচুয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৩ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল উপজেলার মডেল সরকারি সিএস পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এ খেলায় বঙ্গবন্ধু টুর্নামেন্টে গজালিয়া সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয় খলিশাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ৪-০ গোলের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান এবং বঙ্গমাতা টুর্নামেন্টে মাধবকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গজালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ তাসমিনা খাতুন উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার তিরণ করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শিকদার ফিরোজ আহমেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাসলিমা বেগম, কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুল ইসলাম।

খেলা পরিচালনা করেন, দিদার মজিবুর রহমান, খান সুমন, ইকবাল হোসেন, ফারুক হোসেন, মোহাম্মদ হালিম ও শেখ সাইদ।

বর্তমান সরকার ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়ন ও আধুনিক কাঠামোতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন: সালাম মূশের্দী এমপি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, বর্তমান সরকার ক্রীড়াক্ষেত্রের সম্প্রসারণ এবং খেলাধুলার মান উন্নয়নে  অনেক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে তখনি দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন করেছে।  আমরা দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মেলে ধরতে সক্ষম হয়েছি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খেলাধুলার জন্য ছিলেন নিবেদিত প্রাণ। তিনি ফুটবল খেলতে ভালোবাসতেন এবং স্কুল ফুটবল টিমের ক্যাপ্টেন ছিলেন। পরবর্তীতে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতির পিতা দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়ন ও আধুনিক কাঠামোতে রূপান্তরিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে তরুণ প্রতিভাবান ছেলে-মেয়েরা যাতে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পায়, সেজন্য দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, কর্মসূচি, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আমাদের সরকার বিগত ১৩ বছরে খেলাধূলার উন্নয়নে তৃণমূল পর্যায়ে ৩১টি ইভেন্টে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। দেশের ১২৫টি উপজেলায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়েছে এবং বাকি উপজেলা গুলোতেও শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, খেলাধুলার মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়া ক্লাবগুলোতে ক্রীড়াসামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে। কোভিড-১৯ এর ভয়াবহ দুঃসময়ে আমাদের সরকার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের অনুদান দিয়ে সহায়তা করেছে।

ক্রীড়াক্ষেত্রে ছেলে-মেয়েদের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য বৃত্তি প্রদান, অনুদানসহ প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিদেশে উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

আমাদের সময়েই আমরা ক্রিকেটকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছি। ক্রিকেটের মাধ্যমে বাংলাদেশ বহির্বিশ্বে গৌরব ও সুনাম অর্জন করেছে, বিশেষ করে আমাদের তরুণ ছেলেরা যেভাবে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে তা আমাদের জন্য আনন্দের। দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। একমাত্র খেলাধুলাই পারে যুব-সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে।

বৃহস্পতিবার(১৫জুন) বিকালে খুলনার রূপসায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালক (অনূর্ধ্ব -১৭) এর ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে   জুম কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান।

ঝামা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,প্রধান অতিথি এমপি বীরেন শিকদার

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা প্রতিনিধি//
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার ঐহিত্যবাহী ঝামা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দেশকে স্মার্ট করতে তরুনদের স্মার্ট হয়ে আবারও শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে বলে বক্তব্য দিয়েছেন এমপি বীরেন শিকদার।

মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) বিকেলে বিদ্যালয় চত্বরে ২ দিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য , সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড.শ্রী বীরেন শিকদার।

এসময় তিনি তরুণ প্রজন্মকে স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট নাগরিক হওয়ার আহবান জানান। এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য কর্মী হয়ে দেশের সেবায় এগিয়ে আসার আহবানও করেন।

মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয় এর ম্যানেজিং কমিটির সুযোগ্য সভাপতি মোছাঃ বেবী নাজনীনের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রামানন্দ পাল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান,থানার অফিসার ইনচার্জ অসিত কুমার রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশিদ, সাবেক চেয়ারম্যান এম রেজাউল করিম চুন্নু, নহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ তৈয়েবুর রহমান তুরাপ,রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাকিরুল ইসলাম খান, সাবেক চেয়ারম্যান মো: রবিউল ইসলাম,মহম্মদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ আলাউদ্দিন মাহামুদ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক দলের নেতৃবৃন্দ প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সুযোগ্য প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম।

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে দেশের খ্যাত নামা শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।

খুলনার ডুমুরিয়ায় চারু খেলা ঘরের সন্মেলন অনুষ্ঠিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

খুলনার ডুমুরিয়ায় চারু খেলাঘর আসরের ১ম সম্মেলন  গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় শিল্প কলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়। শফিক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় খেলাঘর আসরের কেন্দ্রীয় সদস্য শরিফুল ইসলাম সেলিম, অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জিল্লুর রহমান, কবি তুষার দত্ত, দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ।

সম্মেলনে বক্তারা শিশু -কিশোরদের জন্য একটি জ্ঞানভিত্তিক সাংষ্কৃতিক কেন্দ্র ও মানবিক বাংলাদেশ নির্মাণে শিশু-কিশোর ও অভিভাকদের প্রতি এগিয়ে আসার উদাত্ত আহবান জানানো হয়।

সম্মেলনে মফিজুল ইসলামকে সভাপতি এবং মঞ্জুর আহমেদ রয়েলকে সাধারণ সম্পাদক, জিল্লুর রহমান ও কবি তুষার কান্তি দত্ত কে সহ সভাপতি, লাবনী আক্তার  কে সহ সাধারণ সম্পাদক, দুলাল চন্দ্র বিশ্বাসকে সাংগঠনিক সম্পাদক, কৌস্তভ দেবনাথ অপুকে অর্থ সম্পাদক, মিঠুন কুমার আচার্য্যকে দপ্তর সম্পাদক, আমিশা সিলভাকে সাংস্কৃতিক সম্পাদক, শফিক আহমেদ , বেনজির আহমেদ জুয়েল, লাবণ্যময়ী গোলদার, পরিমল কুমার কর্মকারকে নির্বাহী সদস্য  করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বেনজির আহমেদ জুয়েল ।

 

পেনাল্টির নিয়ম কি এবং কেন বদলে যেতে পারে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রতিপক্ষ ফুটবলারদের পেনাল্টি নেওয়ার সময় বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করার জন্য আলোচনায় এসেছিলেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। তার এ আচরণে পরবর্তী সময়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে গণমাধ্যমে।

এর পর জানা যায়, বদল আসছে পেনাল্টির নিয়মে। স্পট কিক নেওয়ার সময় কোনো গোলরক্ষক যেন ‘মাইন্ডগেম’ খেলতে না পারেন, সে জন্য নতুন নিয়ম আনছে ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড।

মাইন্ডগেম কথাটার মাহাত্ম্য গেল কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে হাড়ে হাড়ে সেটি টের পেয়েছেন ফ্রান্সের ফুটবলাররা। আর যদি বলা হয় কে এই মাইন্ড গেমার? অকপটে বলে দেওয়া যাবে— আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। কাতার বিশ্বকাপে মনস্তাত্বিক লড়াইয়ে শতভাগ সফল এ আর্জেন্টাইন বাজপাখি।

বিশ্বকাপ ফাইনালের টাইব্রেকার শুটআউটে বেশ কিছু ঘটনা ঘটিয়ে মনস্তাত্বিক লড়াইয়ে জিতেছিলেন মার্টিনেজ। শুটআউটের শুরু থেকেই আগ্রাসী মনোভাব দেখান তিনি। শুধু তাই নয়, খেলোয়াড়দের মনোযোগ নষ্ট করতেও অনেক কিছু করেছেন তিনি।

কিংসলে কোম্যানের মনোযোগ নষ্ট করার জন্য পেনাল্টির আগে তাকে অপেক্ষা করিয়ে রাখেন মার্টিনেজ। রেফারির সঙ্গে কথা চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। বারবার রেফারিকে বলতে থাকেন, বল ঠিকমতো জায়গায় বসানো হচ্ছে কিনা, তা যেন রেফারি খেয়াল রাখেন।

কোম্যানের মতো একই ফাঁদে পড়েন রিয়াল মাদ্রিদে খেলা অরেলিয়েন শুয়ামেনি। শট নেওয়ার ঠিক আগেই মার্টিনেজ বল তুলে দূরে ছুড়ে ফেলেন। মনস্তাত্বিক লড়াইয়ে হেরে পেনাল্টি মিস করেন শুয়ামেনি ও কোম্যান দুজনেই। ফলে বিশ্বকাপ জিতে যায় আর্জেন্টিনা। মার্টিনেজের এসব কাজ ঠিক মেনে নিতে পারছে না ফিফা। ভবিষ্যতে যাতে কেউ এমনটি না করতে পারে, সে কারণে পেনাল্টি নিয়মে আনা হতে পারে বড়সড় পরিবর্তন। এমনটিই জানা যাচ্ছে।

অবশ্য নিয়মে বদল হলেও তার কোনো সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন মার্টিনেজ। ইএসপিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আধুনিক নিয়মের সঙ্গে আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। ফিফা যদি নতুন নিয়ম চালু করে, তাতেও আমার কোনো সমস্যা নেই।’

কাতার বিশ্বকাপে গোল্ডেন গ্লোব জেতা এই গোলরক্ষক বলেন, ‘কোপা আমেরিকার পরে আমি বলেছিলাম— আমার পক্ষে আবার পেনাল্টি বাঁচানো সম্ভব কিনা তা আমার জানা নেই। যে শট বাঁচানোর ছিল, তা বাঁচিয়েছি। কুড়ি বছর বাদে আবার আমি পেনাল্টি বাঁচাতে পারব কিনা জানি না। কোপা আমেরিকা ও বিশ্বকাপে আমি পেনাল্টি বাঁচিয়েছি এবং দলকে জিতিয়েছি। এটিই আমার কাছে যথেষ্ট।’

যশোরে তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

: যশোরে তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসা, যশোর শাখার উদ্যেগে ১৩ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবারে শাখা প্রধান জনাব মোঃ আজমল হোসাইন -এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং অনাবাসিক সেকশনের কো-অর্ডিনেটর মো: আসাদুজ্জামান ও শাখার এ্যাসিস্টান্ট কো- অর্ডিনেটর মো: মাহমুদুল হাসান এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, যশোর সদর উপজেলার সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব, মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড় কাউন্সিলর মোঃ রাজিবুল আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ মোদাচ্ছের হোসেন, অধ্যক্ষ, যশোর কালেক্টরেট স্কুল, জনাব বিল্লাল বিন কাশেম, উপ-পরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, যশোর, জনাব আবুল বারাকাত মো: ফখরুদ্দীন, প্রধান শিক্ষক, যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আব্দুল্লাহ আল ফারুক, পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্য, মোঃ মফিজুল ইসলাম, পিপিএম, সাব-ইন্সপেক্টর অব পুলিশ (ডিবি), সদর, যশোর, মোঃ মনিরুল ইসলাম, প্রভাষক (রসায়ন), সরকারি সিটি কলেজ, যশোর। সভাপতিত্ব করেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত ডিরেক্টর ও তানযীমুল উম্মাহ যশোর শাখার ব্রাঞ্চ তত্ত্বাবধায়ক হাফেজ মাওলানা আ. খ. ম মাসুম বিল্লাহ। এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন গার্লস সেকশনের কো- অর্ডিনেটর জনাব, হাফেয হাফিজুর রহমান, অনাবাসিক সেকশনের এ্যাসিস্টান্ট কো- অর্ডিনেটর মাসুম বিল্লাহ, অত্র প্রতিষ্ঠানের আমিনুল হিফয হাফেজ আব্দুল্লাহ আল মামুন, নাযেমে তালিমাত মোস্তফা আল মিসবাহ, সহ: নাজিমে তালিমাত আবুবকর সিদ্দিক, হা: আব্দুস শুকুর, আহমদ আব্দুল্লাহ, হা: আরিফুল ইসলাম, ওসমান গনিসহ অন্যান্য শিক্ষক মন্ডলী, বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম, শিক্ষাবিদ, প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ এবং অভিভাবক-অভিভাবিকা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।