আমতলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এনএসআই কর্মকর্তার মৃত্যু

সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার জেলার আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের খলিয়ান নামক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই’র বরগুনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ আল-আমিন (৩৬) নিহত ও  আবু তাহের (৩৫) নামের ঐ সংস্থার কর্মী আহত হয়েছে।

আমতলী থানা পুলিশ ও এনএসআই বরগুনা জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,গতকাল শুক্রবার (১১ নভেম্বর) রাত পৌনে ৮টার দিকে ওই কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ আল আমিন ও মাঠকর্মী আবু তাহের একটি মোটরসাইকেল যোগে কলাপাড়া থেকে আমতলী আসছিলেন। পথিমধ্যে আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের খলিয়ান নামক স্থানে পৌঁছলে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি খালি ট্রলির পেছনে মোটরসাইকেলটি ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই এনএসআই কর্মকর্তা নিহত হন এবং সঙ্গে থাকা মাঠকর্মী আবু তাহের গুরুতর আহত হন।

সংবাদ পেয়ে আমতলী থানার পুলিশ দূর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় নিহতের মরদেহ ও আহত মাঠকর্মীকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।

ওই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক এনএসআই কর্মকর্তাকে মৃত ঘোষণা করেন ও আহত মাঠকর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ,কে,এম মিজানুর রহমান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় এনএসআই বরগুনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নিহত হয়েছেন এবং তার সাথে থাকা ঐ কার্যালয়ের মাঠকর্মী আহত হয়েছেন।

হাইমচরে বিয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে আসার পথে যুবক কে মারধর 

হাইমচর প্রতিনিধিঃ

হাইমচর উপজেলার ৫ নং হাইমচর ইউনিয়নের ও নীলকমল ইউনিয়নের ডিয়ার বাজারেএকটি বিয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে আসার পথে বিল্লাল গোলদারের ছেলে রমজান আলী,(২৪) তৌহিদুল, সালাহউদ্দিন, ফারুক ঢালী উপর হামলা চালায় স্থানীয় বাসিন্দা চানু পেদার ছেলে ফয়সাল পেদা, মোশাররফ পেদার ছেলে জুয়েল পেদা,রাকিব পেদা গনি পেদা, নাছির গাজী, পিতা আনোয়ার গাজী,হারুন সরদার, আরিফ, আনু ঢালী তাদের পরিবার গং।

১১ নভেম্বর শুক্রবার দুপুরে ডিয়ার বাজারের পূর্ব পাশে একটি বিয়ে  অনুষ্ঠানের দাওয়াত খেয়ে আসার পথে, রমজান গোলদার, সালাহউদ্দিন, হারুন, ফারুকের উপর রেগে গিয়ে বিরোধী পক্ষ  নিষ্ঠুর  ভাবে তাহাদের উপর হামলা চালায়।

রমজান গোলদার, সালাহউদ্দিন  ফারুক এর উপরে নিষ্ঠুরভাবে শারীরিক আঘাত করেছে, সামান্য পূর্বের কথা কাঁটা কাটির মধ্যেই এই হামলা চালায়।

আহতদের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। সেখানে আহত ব্যাক্তির শারীরিক অবস্থার আশংকা দেখাদিলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগন আহতদের চাঁদপুর সদর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন।

এবিষয়ে ইউপি সদস্য রেহান গোলদার বলেন আমি এলাকাবাসী ও হাইমচর থানার সহযোগিতা কামনা করছি এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করছি।

মাগুরার বেথুড়ী গ্রামে বাড়ি ঘর ভাংচুর, আটক-২

///সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউপির বেথুড়ী গ্রামে বাড়ী ঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ ১১/১১/২২ ইং শুক্রবার সকালে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই শিশুর মারামারিকে কেন্দ্র করে আহাদ মেম্বারের সমার্থকেরা বাবু মাষ্টার সমার্থকদের বাড়ীতে হামলা চলিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করেছে।

এসময় তারা সোহেল, আবুল মোল্যা, শাহরিয়া, রেজাউল মোল্যা,হারুন, আমিনুর, শহিদুল মোল্যা, জাফর ও জামালের বাড়ীসহ ২০টি ঘর ভাংচুর করে,এ বিষয়ে বাবু মাষ্টার বলেন, পাশ্ববর্তী খলিশাখালি গ্রাম থেকে লোক ভাড়া করে এনে খুব সকালে আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের বাড়ী ঘরে হামলা করে ব্যাপক ভাংচুর করেছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বাবু সমার্থকেরা আহাদ সমার্থক ওহিদুলের বাড়ীতে হামলা চালিয়ে তার ২টি ঘর ভাংচুর করেছে।উল্লেখ্য এ গ্রামে মাঝে মধ্যেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে থাকে সেটা শুধু মাত্র ঘর বাড়ীর উপর দিয়ে,দু’পক্ষের মুখোমুখী সংঘর্ষের তেমন ঘটনা দেখা যায় না।

এবিষয়ে মহম্মদপুর থানার ওসি তদন্ত মোঃবোরহান উল ইসলাম বলেন,আমি নিজেও ঘটনাস্থলে রয়েছি,নতুন করে সংঘাত এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করে রাখা হয়েছে,পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে,এ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ঘটনাস্থল থেকে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।

চৌদ্দগ্রামে শিক্ষকের বেতের আঘাতে ছাত্র অসুস্থ, শিক্ষক অভিভাকের হাতে লাঞ্চিত

//নিজস্ব প্রতিবেদক, চৌদ্দগ্রাম //

চৌদ্দগ্রামে ধোড়করা হাইস্কুলের শিক্ষকের বেতের আঘাতে এক ছাত্র মারাত্মক জখম হয়েছে। আহত ছাত্রকে প্রথমে ধোড়করা ক্লিনিকে ও পরে চৌদ্দগ্রামের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে পাশ্ববর্তী শুকচাইল স্কুলে ছাত্রদের শাসন করায় অভিভাবকদের হামলায় এক শিক্ষক আহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা চৌধুরী বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার চিওড়া ইউনিয়নের ধোড়করা উচ্চ বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ঘন্টার ইংরেজি ক্লাস চলাকালিন সময়ে শিক্ষক ইকবাল হোসেনের বেতের আঘাতে নবম শ্রেণীর ছাত্র আবদুর রহমান শ্রাবণ মারাত্মকভাবে জখম হয়। তার আত্মচিৎকারে সহপাঠিরা তাকে উদ্ধার শেষে স্থানীয় ক্লিনিকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি দেখে তাকে চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ একটি ক্লিনিকে নেয়া হয়। আহত শ্রাবণ জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের কাকৈরখোলা গ্রামের প্রবাসী বেলাল হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় স্কুল শিক্ষকরা ছাত্রের মায়ের সাথে সমঝোতা করার চেষ্টা করে। এনিয়ে এলাকায় স্কুল ছাত্রদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম বলেন, ‘শিক্ষকের হাতে কোন ছাত্র আহত হয়নি। তবে এক ছাত্র হাঁপানি রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারনে ঘুরে পড়ে যাওয়ায় তাকে ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে’।

অপরদিকে মঙ্গলবার দুই ছাত্রের বিরোধ মেটানোর চেষ্টায় শাসন করায় অভিভাবকদের হামলায় আহত হয়েছেন শুকচাইল স্কুলের শিক্ষক আবদুল গণি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুকচাইল স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র আরাফাতের সাথে ফাহিমের শ্রেণীকক্ষে এবং বিদ্যালয় মাঠে প্রতিনিয়ত ঝামেলা হয়। সহপাঠিদের এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আরাফাত ও ফাহিমকে বিদ্যালয়ে ডেকে শাসন করেন শিক্ষক আবদুল গণি। এরই জের ধরে পরের দিন বিদ্যালয়ে আসার পথে আরাফাতের অভিভাবক দাবি করে আবদুর রহমান বিপ্লব শিক্ষক আবদুল গণিকে কিল-ঘুষি মেরে লাঞ্চিত করে। ঘটনাটি স্কুল কমপ্লেক্সে জানাজানি হলে প্রতিবাদে বুধবার বিকেলে ছাত্র-ছাত্রীরা আবদুর রহমান বিপ্লবের শাস্তির দাবিতে চৌধুরী বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল জলিল বলেন, একজন শিক্ষককে লাঞ্চিত করা দুঃখজনক ও নিন্দনীয় অপরাধ। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে’।

খুলনা ২৭ বছরের নারীর লোমহর্ষক হত্যার মূলরহস্য উদঘাটনঃ মূলহোতা গ্রেফতার

//স্টাফ রিপোটার//

র‌্যাব ফোর্সেস আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির অপ্রতিরোধ্য উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে তরান্বিত করতে এবং সন্মানিত নাগরিকদের জন্য টেকশই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনের আলোকে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে সংগঠিত চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে র‌্যাব জনগনের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।গত কিছুদিন পূর্বে আসামী আবু বক্কর মোল্লার সাথে ভিকটিম কবিতা রানী (২৭), থানা-সোনাডাঙ্গা, কেএমপি খুলনার পরিচয় হয়। এই পরিচয়ের সুবাদে ভিকটিমকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে গত ০৫ নভেম্বর ২০২২ তারিখ রাতে আসামী আবু বক্করের ভাড়াবাড়িতে নিয়ে আসে। সেখানে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয় এবং ভিকটিম উচ্চস্বরে কথা বলতে থাকে।

আসামী আবু বক্কর তাকে নিচু স্বরে কথা বলতে বললেও সে বিরত হয়নি। তখন আসামী আবু বক্কর ভিকটিমকে হত্যার উদ্দেশ্যে খাটের উপর ফেলে ৫/৭ মিনিট মুখ চেপে ধরে। ভিকটিমের জিহ্বা বের হয়ে যায় ও চোখ উল্টে যায়। ভিকটিমের লাশ গোপনের কৌশল বের করার জন্য আসামী তার পরিচিত দুইজন বন্ধুকে ফোন দেয়। এরপর আবু বক্কর প্রথমে ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য ধারালো বটি দিয়ে দেহ হতে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। টুকরা টুকরা করে লাশটি গুম করার উদ্দেশ্যে ধারালো বটি দিয়ে উভয় হাতের কব্জি আলাদা করে। ভিকটিমের পরিধেয় পোশাক আলাদা করে মৃতদেহ একটি বক্সের মধ্যে ঢুকিয়ে বেধে ফেলে এবং মাথা একটি পলিথিনে মুড়িয়ে রাখে। বিচ্ছিন্ন হাতের কব্জি একটি শপিং ব্যাগে ঢুকিয়ে পার্শ্ববর্তী স্থানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।হত্যাকান্ডের শিকার নারীর পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ায় থানা পুলিশ বাদী হয়ে কেএমপির খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনাটি বিভিন্ন মিডিয়ায় বহুল প্রচারিত হয় এবং জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৬ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে এবং আসামী গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় ০৬ নভেম্বর ২০২২ তারিখ র‌্যাব-৬ এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারে যে, উক্ত চাঞ্চল্যকর লোমহর্ষক হত্যা মামলার মূলহোতা গাজীপুর জেলার বাসন থানা এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি অদ্য ০৭ নভেম্বর ২০২২ তারিখ ০১.৩০ ঘটিকার সময় গাজীপুর জেলার বাসন থানাধীন চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হত্যার ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত আসামী ১। আবু বক্কর মোল্লা(২৫), থানা-রামপাল, জেলা-বাগেরহাট, বর্তমান ঠিকানা-শিববাড়ী, গোবরচাকা, থানা-সোনাডাঙ্গা, জেলা-খুলনাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে কেএমপি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তরের কাজ প্রক্রিয়াধীন।

খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধুর দ্বিখন্ডিত লাশ উদ্ধার

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//

খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে স্বপ্না খাতুন(২৪) নামে এক নারীর দ্বিখন্ডিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছে।

পুলিশ জানায়, রবিবার (০৬ নভেম্বর) নগরীর ১ নং গোবরচাকা ক্রস রোড তেতুল তলার রাজুর বাড়ির ভাড়াটিয়ার ঘর থেকে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় বাক্সবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে।
শনিবার রাতের কোনো একসময় হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয় বলে অনুমান করা হচ্ছে।

স্বপ্না খাতুন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ভাগা গ্রামের আইয়ুব আলী সরদারের মেয়ে এবং আবুবক্কার একই গ্রামের জাকির মোল্লা ছেলে।

নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন গোবরচাকা কেডিএ এভিনিউয়ের ১১৩ হোল্ডিংয়ের রাজু খাঁর বাড়িতে স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন আবু বক্কর। দুই থেকে আড়াই বছর আগে আবুবক্কার সোনাডাঙ্গা থানাধীন ওই বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে ওঠেন এবং নগরীর ৫নং ঘাট এলাকার আল আকসা ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিতে ম্যানেজার পদে কর্মরত ছিলেন।
বিচ্ছিন্ন মাথাটি একটি পলিথিনে মোড়ানো ছিল। এ ছাড়া দেহটি একটি বাক্সে আটকানো ছিল।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার সোনালী সেন জানান, আবু বক্কর একটি ট্রান্সপোর্ট কোম্পানিতে চাকরি করতেন। রবিবার সকালে তিনি কর্মস্থলে না যাওয়ায় ও মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় সহকর্মীরা তাকে খুঁজতে বাসায় যায়।
‘বাসাটি তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখার একপর্যায়ে তারা জানালা দিয়ে বিছানায় একটি বাক্স ও আশপাশে রক্ত দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পলিথিনে মোড়ানো মাথা ও একটি কাঠের বাক্সের ভেতর থেকে লাশ উদ্ধার করে। এ সময় সেখান থেকে বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

হত্যার পর শরীর থেকে মাথাটি বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। তবে কী কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে প্রাথমিকমভাবে পুলিশ তা জানাতে পারেনি।

অভয়নগরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

যশোরের অভয়নগরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে চন্দনা রাণী (৩৮) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার ৫নং শ্রীধরপুর ইউনিয়নের শংকরপাশা গ্ৰামের ২নং ওয়ার্ডে তার স্বামীর বাড়িতে এঘটনা ঘটে।

জানাগেছে, শনিবার দিবাগত রাতে তার স্বামীর বাড়িতে বারান্দার আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে ।এর আগে ওইদিন রাতে তার স্বামীর সাথে তার পারিবারিক ঝগড়া হয়। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আব্দূলাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘাটে কাজ করার সময় মৃতা চন্দনা রাণী।ও তার স্বামী মন্টু বিশ্বাসের সাথে সম্পর্ক করে বিয়ে হয়।

আত্মহত্যার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি।

অভয়নগর থানার ওসি একেএম শামীম হাসান সরেজমিনে তদন্ত করে সত্যটা নিশ্চিত করেছেন এবং তিনি বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

লাকসামে প্রকাশ্য দিবালোকে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

//লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি //

কুমিল্লার লাকসামে প্রকাশ্যে কুপিয়ে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার খিলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মনির হোসেন (৩৫) ঐ বাজারের রহমত উল্লাহর স’মিলের শ্রমিক। ঘাতক মাইন উদ্দিন (৩২) একই স’মিলের শ্রমিক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে স’মিলের এ দু’শ্রমিক বাজারের খবির উদ্দিনের হোটেলে ভাত খেতে যায়। খাবার টেবিলে উভয়ের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মাইন উদ্দিন হোটেলের বটি দা নিয়ে মনিরকে কোপাতে যায়। এসময় মনির প্রান বাঁচাতে দোকান থেকে বেরিয়ে কুমিল্লা-নোয়াখালী সড়কে নেমে দৌড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মাইন উদ্দিন পিছনে দৌড়ে এসে সড়কেই মনিরকে বটি দিয়ে কোপায়। এতে মনিরের গলা কেটে গেলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে ঘাতক মাইন উদ্দিন পালানোর সময় লোকজন আটক করে পিটুনি দেয়।
২ সন্তানের জনক নিহত মনির হোসেনের স্ত্রী জরিনা আক্তার তার স্বামীর হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
লাকসাম থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক মাইন উদ্দিনকে আটক করা হয়েছে।

পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

//মোঃতুহিন শরীফ,পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি//

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কলাপাড়া পৌর শহরের নতুন বাজার কার্যালয়ে ৫০-৬০ জন ঢুকে টেবিল-চেয়ারসহ অন্যান্য আসবাব ভাঙচুর করে।

উপজেলা বিএনপি এ ঘটনার জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছে।

কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হুমায়ূন সিকদার বলেন, এ হামলার জন্য আমরা আওয়ামী লীগকেই দায়ী করব। এর কারণ, ওরা একদিকে হামলা করেছে, আরেক দিকে জয় বাংলা স্লোগান   দিয়েছে। পুরো কার্যালয় ওরা ভেঙে লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। হামলা-ভাঙচুরের সময় উপজেলা পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে।

উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. হাফিজুর রহমান বলেন, যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ৫ নভেম্বর বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ নিয়ে উপজেলা যুবদলের নেতা-কর্মীরা আজ বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে সমবেত হয়েছিলেন। সভা শেষ করে যুবদলের নেতা-কর্মীরা যে যাঁর মতো চলে যান এরপরই হামলার ঘটনা ঘটে।

বিএনপির কার্যালয়ে এ হামলার সঙ্গে আওয়ামী লীগ জড়িত নয় দাবি করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব তালুকদার বলেন, ‘কে কখন এ হামলা করেছে, আমরা তা জানি না। হামলাকারী কারা? ভিডিও করে রাখুক, আমরা দেখব।’

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন বলেন, ‘এ রকম একটি খবর আমি শুনেছি। তবে হামলা-ভাঙচুর হয়েছে কি না, তা এ মুহূর্তে বলতে পারছি না। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।

অভয়নগরে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন আওয়ামীলীগ নেতা সৈয়দ আব্দুল হাকিম

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের অভয়নগরে হাজার হাজার মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় বর্ষীয়ান রাজনীতিদীদ অভয়নগরের প্রেমবাগ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আব্দুল হাকিম

যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বিশিষ্ট সমাজ সেবক সৈয়দ আঃ হাকিম(৬৯) ইন্তেকাল করেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া—-রাজিউন। গতকাল সকাল ৮.৩০ মিনিটে ঢাকা একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরন করেন। মৃত্যুকালিন সময় তিনি স্ত্রী, ২ কন্যা ও ১ ছেলে সহ অসংখ্যা গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার জানাজার নামাজ শুক্রবার বাদ মাগরিব প্রেমবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়ে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ সময় উপস্থিত থেকে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন যশোর জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা ফরিদ আহম্মেদ চৌধুরী, জেলা আ’লীগের উপ প্রচার সম্পাদক লুৎফুল কবির বিজু, যশোর জেলা শ্রমিক লীগের সাধাঃ সম্পাদক নাছিরউদ্দিন, যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাধাঃ সম্পাদক তানজিব নওশাদ পল্লব, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আলহাজ¦ এনামুল হক, সাধাঃ সম্পাদক ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান, সরদার অলিয়ার রহমান, উপজেলা আ”লীগের সিনিঃ সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পীরজাদা শাহ ফরিদ জাহাঙ্গীর, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ন সাধাঃ সম্পাদক ও পৌর মেয়র সুশান্ত কুমার দাস শান্ত, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আকতারুজ্জামান তারু, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও যশোর জেলা মহিলালীগের সদস্য ডাঃ মিনারা পারভীন, জেলা পরিষদ সদস্য আঃ রউফ, আ’লীগ নেতা রবীন অধিকারী ব্যাচা, উপজেলা স্বেচ্ছা সেবকলীগের সভাপতি আসলাম বিশ^াস, সাবেক সাঃ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মোল্যা, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম মল্লিক, সাঃ সম্পাদক, মোজাফ্ফার আহম্মেদ, প্রেমবাগ ইউনিয়ন আ;লীগের সভাপতি সরদার বাবুল আকতার বাবু, সাঃ সম্পাদক, শেখ রবিউল ইসলাম মিলন, ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক মফিজউদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান এস,এম সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মতিয়ার রহমান ফারাজী, পৌর বিএনপি সভাপতি আবু নঈম প্রমূখ। মরহুমের জানাজায় জনমানুষের ঢল নামে, শ্রদ্ধা ভালোবাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত হন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবীদ।