বরগুনার আমতলীতে টমটমের চাপায় স্ব-মিল শ্রমিক নিহত

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের অফিস বাজার সড়কের দফাদার ব্রীজ সংলগ্ন স্থানে টমটমের চাপায় স্ব-মিল শ্রমিক মোঃ আবু তালেব নিহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ বৃহস্পতিবার বেলা সারে এগারোটার দিকে।

জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া গ্রামের টমটম চালক  মোঃ বশির মিয়া তার টমটমে গাছ নিয়ে অফিস বাজারের একটি স্ব-মিলে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে দফাদার ব্রীজে ওঠার সময় টমটম আটকে যায়। এ সময় স্ব-মিল শ্রমিক মোঃ আবু তালেব ওই গাছ বোঝাই টমটম ব্রীজে ওঠাতে সহযোগীতা করে।এ সময় টমটম উল্টে খাদে পড়ে গেলে টমটমের চাপায় স্ব-মিল শ্রমিক আবু তালেব ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।

এ ঘটনা শুনে আমতলী থানার এসআই মোঃ সিদ্দিক মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিক আবু তালেবকে উদ্ধার করে। পরে স্বজনদের দাবীর প্রেক্ষিতে নিহত আবু তালেবের মরদেহ ময়না তদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় আমতলী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন বলেন, গাছ বোঝাই টমটমটি ব্রীজে উঠাতে আবু তালেব সহযোগীতা করছিল। কিন্তু টমটমের চাপায় আবু তালেব ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে।

নিহত আবু তালেবের বাবা মোতালেব হাওলাদার কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন,মোর পোলাডা টমটমের তলে ওইরা মইরা গ্যাছে। মুই এ্যাহন নাতি-পুতি লইয়্যা কই যামু?

আমতলী থানার ওসি এ,কে,এম মিজানুর রহমান বলেন, নিহত আবু তালেবের মরদেহ পরিবারের দাবীর প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়।

বাগেরহাটের রামপালে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এ প্রায় ৯ কোটি টাকার ক্ষতি

এ এইচ নান্টু,  বিশেষ প্রতিনিধি ||

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এ রামপালে প্রায় ৯ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। রামপাল উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বরে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এ উপজেলার ১০ ইউনিয়নে ৭৪ টি কাঁচা ঘর সম্পূর্ণভাবে ও ১৪৯ টি আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ১০ হাজার ৭০০ জন। এ উপজেলায় একজন মহিলা আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গাছপালা উপড়ে পড়েছে। কৃষিতে কিছুটা ক্ষতি হলেও আমন আবাদের কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন। হাস-মুরগী মারা গেছে ১ হাজার ১৫০ টি। যার অনুমান মূল্য ৩ লক্ষ ১০ হাজার ৫ শত টাকা। বিদ্যুৎ লাইনের ক্ষতি হয়েছে ৩৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকার। পাকা সড়কের আংশিক ক্ষতি হয়েছে ৩০ লক্ষ টাকার আর আংশিক ক্ষতি হয়েছে ৫০ লক্ষ টাকার। উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্ষতি হয়েছে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার। হাসপাতালের ক্ষতি হয়েছে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার। সব চেয়ে বেশী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে মৎস্য চাষিদের। পুকুর ও জলাশয়ের মাছ ভেসে ৩ কোটি ৫১ লক্ষ টাকার ও বেশি ক্ষতি হয়েছে।

রামপাল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান জানান, আমরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ চলমান রেখেছি। এখনো বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজিবুল আলম এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার জন্য আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলাম। ঝড়ো হাওয়া ও অতিবর্ষণে বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে পড়েছে। কাঁচা ঘরবাড়ি, বিদ্যালয়, কমিউনিটি হাসপাতাল, হাস-মুরগী, সড়কসহ কিছু অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। আমরা প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করেছি যার পরিমাণ প্রায় ৮ কোটি ৮৭ লক্ষ ২৪ হাজার ৫০০ টাকার মতো। উপজেলা  তাৎক্ষণিকভাবে ১০ ইউনিয়নে কিছু ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ দিয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে আমরা ক্ষতি গ্রস্তদের সহয়তা প্রদান করা হবে।#

বাগেরহাটের ফকিরহাট ফলতিতায় মোটরসাইকেল ও পরিবহনের সংঘর্ষে  নিহত ১

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বাগেরহাট ফকিরহাটের ফলতিতায় মোটরসাইকেল ও পরিবহনের সংঘর্ষে  নিহত ১

মোটরসাইকেল এক্সিডেন্ট মারা_গিছে_এখনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।

বাগেরহাটের খুলনা -ঢাকা মহাসড়কের ফকিরহাটের ফলতিতা বাজার এলাকায় কিছুক্ষণ আগে মোটরসাইকেল ও পরিবহনের সাথে সংঘর্ষে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

 

চাঁদপুর সদরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, নগদ টাকা ও স্বর্নালংকার লুট 

//স্টাফ রিপোর্টার//

চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নে প্রবাসী’র বাড়িতে বহিরাগতরা হামল করে নগদ টাকা ও স্বর্নালংকার এবং বাড়ি-ঘর ও দোকান ভাংচুর করে মালামাল লুট করার ঘটনা ঘটেছে।

গত ২১ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যায়, মধ্য গোবিন্দিয়া ৫ নং ওয়ার্ডে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

চাঁদপুর সদরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, নগদ টাকা ও স্বর্নালংকার লুট 

ঘটনার বিরনে ভুক্তভোগী আঃ হাকিম জানান, আমার বাড়ির প্রতিবেশী নুরু খান আমাদের কাছ থেকে টাকা হাওলাত চায় আমরা তা দিতে অস্বিকৃতী জানালে তারা আমাদের পরিবারকে গালমন্দ ও খারাপ আচরণ করে।  শুক্রবার বাড়িতে বিষয়টি মিমাংসার জন্য বসলে সেখান থেকে নুরু খা’র আত্মীয় বিল্লাল পাঠান ও হান্নান ছৈয়ালের নেতৃত্বে মোঃ হানজালা, আমির সৈয়াল, কাদির মিজি সহ একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ঘরে ডুকে হামলা চালিয়ে লাকেস ও সোকেস ভেংগে নগদ ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও সাড়ে ৭ বরি স্বর্নালংকার লুট করেন। এবং ঘর ও দোকান থেকে মালামাল লুট করেন। বিদ্যুৎ এর মিটার ভাংচুর করে। আমরা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে। সন্ত্রাসীদের হামলায় আমার বাবা গফুর খান ও ছোট ভাই ইব্রাহীম আহত হন। আমরা বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান কে অবহিত করেছি এবং থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। থানায় অভিযোগ করায় তারা পুনরায় হামলা করে প্রাননাশের হুমকি দেয়। তারা আমাকে মামলা দিয়ে বিদেশ যাওয়া বন্ধ করবে বলেও হুমকি দেয়। বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

চাঁদপুর সদরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, নগদ টাকা ও স্বর্নালংকার লুট 

এঘটনায় হামলাকারীদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ইউপি সদস্যা সামিনা বেগম জানান, আমার বাড়ির নিকটে খান বাড়িতে ঝগড়ার আওয়াজ শুনে ছুটে আসি। ঘটনাস্থলে এসে দেখি একদল বহিরাগত লোক গফুর খানের ঘরে ও তার ছেলে ইব্রাহিমের দোকানে হামলা ও ভাংচুর চালায়।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রশিদ বলেন, প্রবাসীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ পেয়েছি। বিসয়টি তদন্তনাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বরগুানয় আমতলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১ আহত-৩

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরিশাল- কুয়াকাটা মহাসড়কের আমতলী উপজেলার ছুরিকাটা সৈকত ফিলিং স্টেশন এর সামনে এক সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছে।

আজ সকাল ১০-৩০ মিঃ সময় বরিশাল থেকে কুয়াকাটা যাওয়ার পথে আসা ঢাকা-ব ১৪-৭৭৯৪ সাগর পরিবহনের সাথে অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল এর সাথে লেগে দিলে ঘটনাস্থলেই ১জন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন।

নিহত অটোরিকশা চালক আঃ জব্বার (৬০) আমতলী নাচনাপাড়া গ্রামের কাছেম আলী শরীফের ছেলে।
আহতরা হলেন বরগুনার গাবতলি চৌদ্দঘর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোসাঃ ফাহিমা ( ৪০) স্বামী মোঃ বাদল শরীফ ( ৬০) ও তাদের পুএ বাকীবিল্লাহ (৮) আহত বাদল শরীফ নিজ মটর সাইকেলে বাড়ী যাচ্ছিলেন। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে এ বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ,কে,এম মিজানুর রহমান বলেন,ঘটনাস্হল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং বাসগাড়ীটি আটক করা হয়েছে।

বরগুনার তালতলীতে সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ

সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ
বরগুনার তালতলীতে সাংবাদিক জলিল আহমেদ’র বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাংবাদিক জলিল তালতলী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ও বেসরকারি টেলিভিশন এশিয়ান টিভির তালতলী উপজেলা প্রতিনিধি।

গত (১৭ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার আমতলী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার বিরুদ্ধে মারধরের হুকুমদাতা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন মালেক আকনের ছেলে হিরো আকন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মালেক আকনের দ্বিতীয় স্ত্রী শাহানাজ আক্তারের বাড়ি উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের খোট্টারচর এলাকায়। স্ত্রীকে মারধর করে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেন মালেক। রবিবার (১৬ অক্টোবর) শ্বশুরবাড়িতে বেরাতে এসে আবার শাশুড়ি ও স্ত্রী শাহনাজকে বেধড়ক মারধর করে। ঘটনা শুনে সাংবাদিক জলিল আহমেদ সহ সাংবাদিকরা উপস্থিত হন ঘটনাস্থলে। সাংবাদিকরা উপস্থিত হওয়ার পরও কয়েক দফায় মালেক আকনের শশুর বাড়ির লোকজনের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় সাংবাদিকররা ঘটনার ভিডিও ধারণের সময় মালেক আকন সাংবাদিক জলিলকে হুমকি দেন। কিছুক্ষণ পরে পুলিশ এসে মালেক, তার শ্বশুর মো. নিজাম ও স্ত্রীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। এ অভিযোগ থেকে রক্ষা পেতে উল্টো সাংবাদিক জলিলের নামে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।

এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মালেক আকন তার শাশুড়িকে মারধর করে মাটিতে ফেলে দেয় এ সময় মালেকের শ্বশুর- ও স্ত্রী বাধা দিলে মারধরের ঘটনা ঘটে।

সাংবাদিক জলিল আহমেদ বলেন, আমরা ঘটনাটি শুনে সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিত হয়ে ভিডিও ধারণ করি এ সময় মালেক আমাকে হুমকি-ধমকি দেয় যে, তুই ভিডিও করিস না, তোকেও কিন্তু মামলায় দেব। মালেকর অপকর্ম ঢাকার জন্যই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের সন্ত্রাসী ও নৈরাজ্যমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করাই মালেক ও তার ছেলে হিরুর এখন একমাত্র কাজ।

মালেক আকন বলেন, আমাকে যখন মারধর করেছে তখন সাংবাদিক জলিল ওখানে উপস্থিত ছিল, আমাকে মারধর না ফিরিয়ে তিনি ভিডিও ধারণ করেন এ কারণেই আমি তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছি।

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সাইফুল্লাহ নাসির ও তালতলী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মল্লিক মোঃ জামাল।

নড়াইল সিংগাশোলপুরে সাংবাদিক মিল্টনের উপর অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

নড়াইল সিংগাশোলপুরে সাংবাদিক মিল্টন শেখের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার  (২০অক্টোবর) সিংগাশোলপুর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্নে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নড়াইল সিংগাশোলপুরে সাংবাদিক মিল্টনের উপর অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

বিএম‌এস‌এস এর আয়োজনে খুলনা,যশোর, নড়াইলে অবস্থানরত সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, মহাসচিব (বিএমএসএস) ও ফুলতলা প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ সুমন সরদার ,কেন্দ্রীয় নেত্রী(বিএম‌এস‌এস) সাথি তালুকদার, মোঃ আমিনুর রহমান, মোঃ ডলার, মোঃ রাজা, খুলনা বিভাগীয় (বিএম‌এস‌এস) সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক (বিএম‌এস‌এস)মোঃ শাহিন আহমেদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাঃ মোঃ শরিফুল ইসলাম, আইসিটি সম্পাদক মোঃ নাসিম রেজা , মহিলা বিষয়ক সম্পাঃ মোসাঃ সুমি আক্তার, দৈনিক বাংলা খবর প্রতিদিনের (স্টাফ রিপোর্টার) রাজিয়া

সুলতানা তূর্ণা, অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল , মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ মনির হোসেন, মোঃ জাবেদ শেখ, মোঃ জাহিদ হোসেন লিটন প্রমুখ। অবশেষে বক্তারা বলেন,২৯ সেপ্টেম্বর সিংগাশোলপুর বাজারে সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতন , হামলা-মামলা বন্ধে ও সুরক্ষা আইন প্রনয়নের   বিএম এসএস কেন্দ্রীয় ত্রাণ‌ওপূনবার্সন সম্পাদক সাংবাদিক মিল্টন শেখের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় হামলাকারী সকল আসামীদের গ্ৰেফতারসহ কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সকল জেলার মফস্বল সাংবাদিকবৃন্দ , অন্যথ্যায় পরবর্তীতে কঠোর আন্দোলন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন ।

অভয়নগরে ক্রেন গ্রাফিকের ধাক্কায় এক ঘাট শ্রমিকের মৃত্যু

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের অভয়নগর উপজেলার শংকরপাশা ফেরিঘাট সংলগ্নে আইয়ান-আরিশ ঘাটে,এম ভি থ্রী ফেন্ডস ০১ কার্গো হতে ক্রেনের মাধ্যমে ভূট্টা আনলোড করার সময় ক্রেনের গ্রাফিকের ধাক্কায় নাঈম মোল্লা(২৫), নামে এক  ঘাট শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দুপুর আনুঃ ১২টার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহত নাঈম উপজেলার ৫নং শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালী আমতলা এলাকার ঘটক শের আলী মোল্লার ছেলে।

এবিষয়ে কার্গোর সুকানী মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, ক্রেনের মাধ্যমে আনলোড চলাকালীন নিহত নাইম কার্গোর হ্যাজের ভিতরে সুইপিং এর কাজ করছিল। কার্গোর মধ্যে থেকে গ্রাফিকে যখন ভুট্রা লোড করে উচু করার সাথে সাথে স্বজোরে আঘাত লেগে কার্গোর হ্যাজে তার মাথা চ্যাপ্টা হয়ে যায়। এব্যাপারে নিহতের মামা মোঃ চাচ্চু মোড়ল বলেন, আমার ভাগ্নেকে নিচে নামিয়েছেন ক্রেন কন্ট্রাক্টর জাহিদ হোসেন, সে সিগন্যাল দিতে ভুল করায়, আমার ভাগ্নে মারা গেছে, আজ জোর করেই আমার ভাগ্নে নাঈমকে ওই কন্ট্রাক্টর কার্গোর হ্যাজের মধ্যে নামিয়ে ক্রেন ড্রাইভারকে ভুল সিগনাল দেওয়ায়, লোডের ক্রেন গ্রাফি উপরদিকে টান দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দূর্ঘটনা ঘটার সাথে সাথে স্থানীয় ঘাট শ্রমিকেরা দ্রুত তাকে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহফুজুর রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বরিশাল নগরীতে বাসের ধাক্কায় টহল পুলিশের তিন সদস্য আহত, বাসসহ  চালক আটক

//পলাশ চন্দ্র দাস//

বরিশাল নগরী‌তে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কায় মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি টহল পিকআপের তিন কনেস্টবল আহত হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের বহনকারী পিক আপটিও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডস্থ কালিজিরা ব্রীজ ঢালে৷ বরিশাল -ঝালকাঠি আঞ্চলিক মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ কন‌স্টেবল কুদ্দুস (৪০) কাওসার (২৯) ও চায়না (২৪) কে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কনস্টেবল চায়নার অবস্থা কিছুটা খারাপ বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক।

বরিশাল নগরীতে বাসের ধাক্কায় টহল পুলিশের তিন সদস্য আহত, বাসসহ  চালক আটক

এদিকে ধাক্কা দেয়া ঈগল পরিবহনের বাসসহ এর চালক ইসমাইল হোসেনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল করিম।

তিনি আরও জানান, নগরীর কালিজিরা ব্রিজ এলাকায় টহলে যায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালি মডেল থানার একটি টিম। সেখান থেকে ফেরার জন্য ব্রিজের ঢালে ঘুরতে ছিলো টহল টিমকে বহনকারী পিকআপটি।

এসময় ঢাকা থেকে পিরোজপুরগামী ঈগল পরিবহনের একটি বাস পিকআপের মাঝখান বরাবর আঘাত করে । এতে টহল পিকআপের পিছনে থাকা তিন কনস্টেবল আহত হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রামপালে পুলিশ সদস্যের মায়ের মরদেহ মিললো ট্রাঙ্কের ভেতর

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || বাগেরহাটের রামপালে নিখোঁজের চারদিন পারে পুলিশ সদস্যের মাতা নীহারিকা হালদার (৭০) নামের এক বৃদ্ধা নারীর অর্ধগলিত মরদেহ বাড়ীর ট্রাঙ্ক থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনা তদন্তে বাগেরহাট জেলা পুলিশের বিভিন্ন সংস্থা ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে। রামপাল থানা পুলিশ নিহতের লাশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাটের মর্গে প্রেরণ করেছে।

নিহতের বাড়ি উপজেলার ভোজপাতিয়া ইউনিয়নের বেতকাটা গ্রামে। সে মৃত ক্ষিতীশ হালদারের স্ত্রী। গত শুক্রবার থেকে সে নিখোঁজ হয়। ওইদিন একই গ্রামে তার মেয়ে রাধিকার বাড়িতে বেড়াতে যায়। এরপর সে বাড়িতে ফিরে আসে। পরে তাকে সোমবার সন্ধ্যা ৭ টায় দরজায় তালাবদ্ধ আবস্থাতে ঘরের ট্রাঙ্কের ভেতরে পাওয়া যায়। রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন জানান, ওই বৃদ্ধার বেশকিছু গচ্ছিত টাকা রয়েছে বলে শোনা যায়। তার পুত্র বাবলু হালদার পুলিশের চাকরি করেন। আমাদের বিভিন্ন সংস্থা ইতিমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্লু বের করা সম্ভব হবে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কেউ অভিযোগ পত্র দাখিল করেনি। কি কারণে ও কেন ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করে তার নিজ ঘরের ট্রাঙ্কের ভেতরে তালাবদ্ধ করে রাখে দুর্বৃত্তরা সেটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।