বরিশাল দপদপিয়া ব্রিজে বাস মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৩

 

বরিশালের দপদপিয়া ব্রিজে বাসে পিষ্ট হয়ে ২ জনের মৃত্যু। ১৮ বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেড়িয়ে বাসে পিষ্ট হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আরো একজন মুমূর্ষু অবস্থায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮  ঘটিকায় বরিশাল নগরীর শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সেতুতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, দুর্ঘটনার পরে রুপাতলী বাস মালিক সমিতির রাতুল-রোহান নামক পরিবহনটিকে আটক করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেছেন।

বরিশাল দপদপিয়া ব্রিজে বাস মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৩

নিহত দুজন হলেন বাকেরগঞ্জ পৌর শহরের সুমন হাওলাদারের পুত্র সিয়াম ও জয়দেব দাসের পুত্র চয়ন দাস। এছাড়া রাব্বি নামে আরেকজন মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসা নেয়ার পরে তার মৃত্যুহয়। নিহতের বন্ধু রাকিব ও তপু জানান, আমরা বাকেরগঞ্জ জেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র ৬টি মোটরসাইকেলে ১৮ জন বরিশালে ঘুরতে আসি। ব্রিজে ওঠার সময় পিছন দিক থেকে একটি বাস এসে চয়ন, সিয়াম ও রাব্বিকে বহনকারী মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়।আহতদের উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মাহাতাব হোসেন তাদের ৩ জনকে মৃত ঘোষণা করেন।

//পলাশ চন্দ্র দাস :: বরিশাল প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সংগঠন‌কে শ‌ক্তিশালী কর‌তে ঐ‌ক্যের বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি

অভয়নগরে বোমা বিস্ফোরণে নিহতের সেই বাড়িতে ‌ RAB এর অভিযানে গ্রেনেড বোমা ও গান পাউডার উদ্ধার

জগন্নাথপুর ইউএনও অফিসের সহকারি ফয়সল অবশেষে বদলি : সর্বত্রই স্বস্থি

অভয়নগরে বোমা বিস্ফোরণে নিহতের সেই বাড়িতে ‌ RAB এর অভিযানে গ্রেনেড বোমা ও গান পাউডার উদ্ধার

 

যশোরের অভয়নগর উপজেলায় নিহত সেই বোমা তৈরীর কারিগরের বাড়ি থেকে ৩০টি গ্রেনেট বোমা উদ্ধার করেছে যশোরের র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব-৬) সদস্যরা। এসময় বোমা তৈরির কাজে ব্যবহৃত দেড়কেজি গান পাউডার উদ্ধার করেন র‌্যাবের অভিযানিক এই দল। ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত র‌্যাব যশোর-৬ এর কোম্পানী কমান্ডার পুলিশ সুপার আল আসাদ মাহাফুজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম অভিযান চালিয়ে বোমা তৈরীর কারিগর শপ্পার বাড়ির পাশের

একটি ডোবা থেকে বোমাগুলো উদ্ধার করে। পরে র‌্যাবের বোমা ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমাগুলো নিস্ক্রিয় করা হয়।

অভিযান শেষে বিকাল চারটায় ঘটনাস্থলে প্রেস ব্রিফিং করেন র‌্যাব-৬ খুলনার অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোস্তাক আহম্মেদ। প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, অসৎ উদ্দেশ্যে এবং বড় ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ড ঘটানোর জন্য শক্তিশালী এই ৩০টি গ্রেনেড বোমা তৈরি করেছিলো বোমা কারিগর শফিকুল ইসলাম শপ্পা। র‌্যাবের এ কর্মকর্তা জানান, গত ১৪সেপ্টেম্বর নিজ ঘরে বোমা তৈরিকালে বিস্ফোরণে বোমা কারিগর শপ্পা আহত হয়ে পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় মারা যান। এ ঘটনার পর থেকে বিষয়টির ওপর র‌্যাবের একটি গোয়েন্দা টিম ছায়া তদন্ত শুরু করে।

র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের দেয়া তথ্য মতে র‌্যাব যশোর-৬ এর অভিযানিক দলের সদস্যরা শুক্রবার সকাল থেকে ঘটনাস্থলে ও তার আশপাশে অভিযান শুরু করে। পরে তারা ওই ডোবা থেকে ৩০টি গ্রেনেড বোমা ও দেড়কেজি গান পাউডার উদ্ধার করে। উদ্ধার অভিযান শেষে র‌্যাব সদর দপ্তর থেকে ৫জন বোমা ডিসপোজাল বিশেষজ্ঞ এনে বোমাগুলো নিস্ক্রীয় করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে যশোরের অভয়নগর উপজেলার রাজঘাট কার্পেটিং বাজারস্থ এলাকায় ইব্রাহিম মোল্যার ছেলে বোমা কারিগর শফিকুল ইসলাম শপ্পা (৩৫) বোমা তৈরিকালে তা বিস্ফোরিত হয়ে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। পরদিন ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। এঘটনায় অভয়নগর থানা পুলিশের মামলায় বোমা কারিগরের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার সুইটি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

// মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুর ইউএনও অফিসের সহকারি ফয়সল অবশেষে বদলি : সর্বত্রই স্বস্থি

অভয়নগরে বোমা তৈরী করতে গিয়ে আহত সেই যুবকের মৃত্যু: নিহতের স্ত্রী কারাগারে

 

অভয়নগরে নিজ ঘরের মধ্যে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে গুরুতর আহত শফিকুল ইসলাম ওরফে শপ্পা (৩৫) নামের সেই যুবক মারা গেছেন। ১৫ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকালে ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন অভয়নগর থানার ওসি (তদন্ত) মিলন কুমার মন্ডল।

গত সোমবার রাতে উপজেলার রাজঘাটের কার্পেটিং জুট মিল সংলগ্ন এলাকায় নিজ ঘরের ভেতর বোমা তৈরি করছিলেন শপ্পা। রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার সময় বিকট শব্দে তা বিস্ফোরিত হয়। এতে গুরুতর আহত হন শপ্পা। উড়ে যায় ঘরের টিনের চাল, দেয়ালে সৃষ্টি হয় ফাটলের। ঝলসে যায় তার  মুখমন্ডলসহ শরীরের সামনের সিংহভাগ অংশ।

আহত শপ্পাকে প্রথমে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই রাতেই স্থানান্তরিত করা হয় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার রাতে ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়৷ সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

নিহত শপ্পা কার্পেটিং বাজার এলাকার ইব্রাহিম হোসেন মোল্যার ছেলে। মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে অভয়নগর  থানার ওসি (তদন্ত) মিলন কুমার মন্ডল বলেন, ঘটনার দিন রাতে ওই ঘর থেকে বিস্ফোরিত বোমার স্প্রিন্টার, বোমা তৈরির সরঞ্জামাদি, একটি হাতুড়ি, ক্যান ভর্তি পেট্রোল , অকটেন, ছয়টি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে ৷

আহত শফিকুল ইসলাম ওরফে শপ্পা ও তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার সুইটিসহ অজ্ঞাত নামা ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার দুপুরে বিস্ফোরকদ্রব্য ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে ৷ তার স্ত্রীকে আটক করার পর যশোর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে ৷

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অনিবন্ধিত সব অনলাইন একসঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া সমীচীন হবে না : তথ্যমন্ত্রী

 

২০৪ কোটি টাকার হীরা কপাল কেটে  নিয়ে পালালেন ভক্ত

 

যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় র‌্যাপার  লিল উজি ভার্ট অদ্ভুত সব কাণ্ড করে ভক্ত-অনুরাগীদের বিস্মিত করেন ।

হঠাৎ ইচ্ছা হলো নিজের কপালে অমূল্য হীরা বসাবেন। যেটি কপালের টিপ হিসেবে জ্বলজ্বল করবে।

যেমন খুশি তেমন সাজোর মতোই কাণ্ডটি করলেন। সত্যি সত্যিই কপালের ওপর ছুরি-কাঁচি চালিয়ে বসালেন হীরা। যেনতেন হীরা নয়, ১১ ক্যারেটের ২৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যের গোলাপি হীরা বসালেন তিনি কপালে।

অর্থাৎ লিল উজির হীরার টিপটির মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০৪ কোটি টাকা!

কিন্তু এত দামি হীরা তার কপালে সইল না। এক লাইভ শোয়ে এসেই ২০৪ কোটির হীরা হারিয়ে ফেললেন এই র্যা প সিঙ্গার।

অবশ্য লিল হীরা হারাননি, শোয়ের দর্শকদের কেউ একজন তার কপাল কেটে হীরা নিয়ে চম্পট দিয়েছে।

সম্প্রতি মিয়ামিতে আয়োজিত রোলিং লাউড ফেস্টিভ্যালে শো’য়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন লিল উজি ভার্ট। শো চলাকালীন গান গাইতে গাইতে তিনি নেমে আসেন দর্শকদের মাঝে। আর সেখানেই ঘটে গেল বিপত্তি।

ওই গান পরিবেশনার সময় তাকে ঘিরে ধরেন শ্রোতারা। ভিড়ের মাঝে আচমকাই কেউ লিলের কপাল থেকে হীরা বের করে নেন! প্রথমে কিছু বুঝে উঠতে পারেননি লিল। এর পরই কপালে ব্যথা অনুভব করেন। দর্শকরা দেখেন লিলের কপাল থেকে রক্ত ঝরছে।

শো থামিয়ে চিকিৎসা নেন লিল। লিল এখন সুস্থই আছেন। কিন্তু হীরে হারিয়ে শোকে মুহ্যমান।

কপালে প্রায় ২০৪ কোটি টাকা মূল্যের হীরা বসিয়ে রাতারাতি আমেরিকার সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে এসেছিলেন লিল। এখন হীরা হারিয়ে ফের সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে উঠে এলেন লিল।

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ঠাকুরগাঁওয়ে দুই উপজেলায় পানিতে  ডুবে ৩ নারীর মৃত্যু   

 

ঠাকুরগাঁওয়ে দুই উপজেলায় পানিতে  ডুবে ৩ নারীর মৃত্যু   

//মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল  ও হরিপুর উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকার নাগর নদীতে ২ ও রানীশংকৈল উপজেলার মুনিষগাঁও এলাকায় পুকুরের পানিতে ডুবে ১ নারীর মৃত্যু হয়েছে ১৪  সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার  সকাল ১১ থেকে দুপুর ১টার সময় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, হরিপুর উপজেলার কাঠালডাঙ্গী এলাকার সামিরুদ্দিনের স্ত্রী মাজেদা বেগম (২৬) ও আটঘরিয়া গ্রামের মৃত বুধু মুহাম্মদের মেয়ে রুবিনা বেগম (২৭)ও রানীশংকৈল মূনিষগাও এলাকার নওসের আলীর বাঁক প্রতিবন্ধী মেয়ে দুলালী আক্তার ।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মাজেদা ও রুবিনা ঘাস কাটতে ভারতীয় সীমান্তবর্তী নাগর নদীর পার হচ্ছিলেন। তবে নদীর পানি বেড়ে যাওয়ার কারণে নৌকা ডুবে যায়। কিছুক্ষণ পরে নদীর পাড়ে মাজেদার লাশ দেখতে পেয়ে স্হানীয়রা তাদের পরিবারকে জানায়। পরে আধা কিলোমিটার দূরে রুবিনার লাশও পায় এলাকাবাসী এদিকে পুকুরের পানিতে দুলালীর লাশ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী লাশ উদ্ধার করে ।

হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আওরঙ্গজেব নাগর নদীতে ডুবে দুই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পানিতে ডুবে দুজন মারা যাওয়ার খবর পেয়েই লাশ উদ্ধারে আমরা উদ্ধারকাজের জন্য টিম পাঠিয়েছি । এই ঘটনায় থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। এদিকে রানীশংকৈল উপজেলার দুলালীর লাশ উদ্ধারের ঘটনাটি সত্যতা নিশ্চিত করেছেন থানা পুলিশ ।

খালের পানির স্রোতে গভীরে তলিয়ে তিন ছাত্রীর মৃত্যু, ১ জন নিখোঁজ

 

গাজীপুর সদর উপজেলায় একটি খালে গোসল করতে নেমে তিন ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার ভাওয়াল মির্জাপুর উত্তর পানশাইল এলাকা থেকে নিখোঁজ দুই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়াও শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরেক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এখানো এক ছাত্রী নিখোঁজ রয়েছে।

নিহতরা হচ্ছে, ওই এলাকার হায়েত আলীর মেয়ে ও পাইনশাইল মাদরাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্রী আইরিন আক্তার (১৪), ভাওয়াল মির্জাপুর হাজী জমির হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী ও স্থানীয় মঞ্জুর আলমের মেয়ে মায়া বেগম (১৫)।

এবং স্থানীয় পানশাইল উত্তরপাড়া এলাকার মো. সোলায়মান মিয়ার বড় মেয়ে ও ভাওয়াল মির্জাপুর হাজী জমির হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী সাদিয়া আক্তার রিচি (১৪)।

এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছে সাদিয়া আক্তার রিচির ছোট বোন শম্পা মডেল স্কুলের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া (১০)।

শম্পা মডেল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা শফিকুল ইসলাম জানান, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ওই চার ছাত্রী পাইনশাইল খালে গোসলে নামে। একপর্যায়ে খালের পানির স্রোতে রিচি গভীর পানিতে তলিয়ে যেতে থাকে।

এ সময় তার সঙ্গীরা চিৎকার শুরু করে এবং তাকে উদ্ধারে নেমে তারাও পানিতে তলিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী গুরুতর অবস্থায় রিচিকে উদ্ধার করতে পারলেও অন্যদের সন্ধান পায়নি।

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পারিচালক মো. আব্দুল হামিদ জানান, দুপুরে খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার স্টেশন থেকে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে।

বিকেল সোয়া ৪টার দিকে খাল থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন রিচিও। এখনো একজনকে উদ্ধার করা যায়নি। তাকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে জানান তিনি।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল নগরীর ভাটিখানার প্রধান সড়কটির বেহাল দশা: ভোগান্তিতে হাজার হাজার মানুষ

বরিশাল নগরীর ভাটিখানার প্রধান সড়কটির বেহাল দশা: ভোগান্তিতে হাজার হাজার মানুষ

 

বরিশাল নগরীর ভাটিখানা প্রধান সড়কটি বছরের পর বছর যাবৎ মেরামত না করায় এখন সড়কটি মৃত্যু ফাঁদে পরিনত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ মেরামতের কোন উদ্যোগ না নেয়ায় এ সড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

৪ ও ৭ নং ওয়ার্ডের  ভাটিখানা প্রধান সড়কটি বছরের পর বছর মেরামত না করায় গত কয়েক বছর যাবৎ সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে আছে। এতে সাধারন মানুষ ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভাটিখানার প্রায় সড়কই এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃস্টি হয়ে সড়কটি এখন পুকুরে পরিণত হয়েছে। খোদ ৭.৮.৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর নিজ বাসা এল কে ভবনের গেটে মূখে সড়ক যেন পুকুরে পরিণত হয়ে আছে। ঝুঁকি নিয়ে বছরের পর বছর ওই সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে গাড়ি উল্টে যাত্রীরা প্রতিদিনই কোননা কোন দূর্ঘটনার শিকার  হচ্ছে।

উপোরক্ত সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী সহ সাধারন বাসিন্দারা চলাচল করতে গিয়ে চরম বিরাম্বনার মধ্যে পড়েছেন। সড়কগুলো বিসিসি বছরের পর বছর যাবত মেরামত না করায় বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে খানাখন্দে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সত্তার শরীফ, ইমাম আবু হানীফ সায়েস্তাবাদী, ফার্মিসি ব্যবসায়ী রেজাউল সহ ভাটিখানা এলাকার একাধিক ব্যবসায়ী আক্ষেপ করে বলেন। আমাদের ভাটিখানা এলাকায় ক্ষমতাশীন দলের প্রথম সারির ডজন খানেক নেতা থাকা সত্তেও বছরের পর বছর সড়কটির বেহালদশা হলেও এতে তাদের কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই !

আমাদের মহল্লা ভাটিখানায় উপজেলা চেয়ারম্যান, বিসিসি প্যানেল মেয়র, মহানগর আওয়ামীলীগ সম্মানিত সভাপতি, মহানগর আলীগ প্রভাবশালী নেতা শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক , আলীগ দপ্তর সম্পাদক, তিন তিনবার নির্বাচিত ৭.৮.৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর,মহানগর মহিলালীগ সহ ক্ষমতাশীন দলের আরো অনেক নেতৃবৃন্দরা এই ভাটিখানা বসবাস করেন। তাদের কাছে সাধারন মানুষের প্রানের দাবী ভাটিখানা প্রধান সড়কটি মেরামত কবে হবে।

এই দাবীর মূখে বেশ কয়েক মাস পূর্বে সড়কটি নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্হাপন করেন বিসিসির মেয়র যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। ভাটিখানাবাসী আশায় বুক বাধে তাদের  দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবে রুপনিচ্ছে তাদের দূর্ভোগের অবশান ঘটতে যাচ্ছে।  কিন্তু না আজ পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ করার কোন পদক্ষেপ বাস্তবে দেখা যাচ্ছেনা!

ভাটিখানার বেশিরভাগ সড়কের বেহাল দশার কোনই পরিবর্তন আসছেনা! রাস্তা গুলো সংস্কার না করায় কয়েক দিনের ভাড়ি বর্ষার পানিতে রাস্তা এখন পুকুরে পরিনত হয়েছে। বৃস্টির পানি খানাখন্দকে ভরে থাকায় রিকশা- গাড়ি যাতায়াত করতে গিয়ে কোননা কোন দূর্ঘটনার শিকার  হচ্ছে। শহিদ আরজু মনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী তাবিয়া ভূমি জানায়, প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে রেডি হয়ে ভাটিখানা পূজা মন্দিরের পিছনের সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তা দিয়ে একটি গাড়ি যেতে ছিল।

এসময় রাস্তার গর্তে জমে থাকা পানির উপর দিয়ে গাড়িটি গেলে আমার পুরো শরীর রাস্তার নোংরা পানি ছিটে ময়লা হয়ে যায়। স্কুলছাত্রী আরো বলেন প্রাকৃতিক দূর্যোগ করোনার কারনে আমাদের স্কুল কলেজ দির্ঘদিনবন্ধ ছিলো এখন আমাদের স্কুল কলেজ খোলার হয়ছে  আর স্কুল- কলেজে যাতায়াতের জন্য ভাটিখানা মূল সড়কটি আমাদের একমাত্র ভরসা সড়কটি অনতিবিলম্বে মেরামত করা দরকার। স্কুলছাত্রী ভূমিরমত অসংখ্য সাধারন মানুষ প্রতিদিনই রাস্তায় বেড় হয়ে এভাবে অনাকাঙ্খিত ঘটনার শিকার হচ্ছে।

সূত্রে জানা গেছে, বছর খানেক আগে বিসিসির ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র এ্যাড. রফিকুল ইসলাম খোকন নিজের ব্যাক্তিগত অর্থয়ানে সাময়িকভাবে কয়েকটি শাখা  সড়ক সংস্কার করে দিয়ে ছিলেন। তবে বেশ কয়েক দিনের ভারি বর্ষণের ফলে ভাটিখানার প্রায় সড়কই এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যা সংস্কার করা জরুরী হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়দের দাবী।

এবিষয়ে বিসিসি’র জননন্দিত মেয়র যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুলাহর হস্তক্ষেপ   কামনা করেছেন ভাটিখানার বাসিন্দারা। তাদের দাবী দ্রুতই ভাটিখানার সড়কগুলো বিসিসি মেয়র পরিদর্শন করে সংস্কার করার নির্দেশ দিবেন বলে আশায় বুক বেধে রইলাম। এবিষয়ে ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র এ্যাড. রফিকুল ইসলাম খোকনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেয়র মহোদয় যতেষ্ট আন্তরিক ভাবে বিসিসির রাস্তা গুলো টেকসই এবং পাচঁ বছরের গ্যারান্টি নিয়ে ঠিকাদারদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন।

বর্তমানে আমানতগন্জ সোনালি আইসক্রিম মোড় থেকে মহাবাজ ব্রিজ পর্যন্ত শায়েস্তাবাদ সড়কের কাজ নির্মানাদিন। বর্ষা মৌসুম  শেষ হওয়ার পরপরই আমাদের রাস্তাগুলো পূর্ন নির্মান করা হবে। বর্ষা মৌসুমে  জন্য রাস্তার উন্নয়ন কাজ হাতে নেওয়া যাচ্ছে না।

সাময়িক অসুবিধার জন্য ওয়ার্ড বাসীর কাছে দু:খ প্রকাশ করে এ জনপ্রতিনিধি আরও বলেন, প্রাণপ্রিয় ওয়ার্ড বাসির সুখ দু:খের ভাগিদার আমরা বিসিসি প্রতিনিধিরাও  । তাদের কষ্টে আমরাও কষ্ট পাই।

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Dainik Biswa News

মাগুরার কৃতি সন্তান মিরাজুল সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম এর কেন্দ্রীয় সভাপতি

 

যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে নিহত ৪

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

মাগুরার শালিখায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ঘটনাস্থলে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে যাত্রীবাহী বাসটি যশোর থেকে মাগুরা উদ্দেশ্যে ছেড়ে শালিখা উপজেলার রামনকান্তপুর নামক স্থানে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার শতখালি গ্রামের আনসার সরদারের মেয়ে নাজমা খাতুন(৩০), দীঘলগ্রামের  বারিক বিশ্বাসের স্ত্রী ছহিরণ বেগম(৫৫/ শতখালি গ্রামের মুনতাজ বিশ্বাসের ছেলে সজীব বিশ্বাস (১৪) এবং গাড়িরটির হেলপার মামুন মিয়া। ৩৫/ মাগুরা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মাসুদ সরদারের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের ৪ টি ইউনিট ২ ঘণ্টা চেষ্টা করে নিহতদের উদ্ধার করে।

মাগুরা হাইওয় রামনগর অফিসার ইনচার্জ লিয়াকত হোসেন বলেন, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে ঘটনাস্থলে ৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মাগুরা মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পরে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ঘটনাটা শোনামাত্রই শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মো: বাতেন,শালিখা থানা অফিসার ইনচার্জ হোসেন আল মাহবুবসহ পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া! অত:পর স্ত্রীর আঘাতে স্বামীর মৃত্যু, স্ত্রী আটক

খুলনা ব্যুরো:

খুলনার খালিশপুরে স্ত্রীর আঘাতে স্বামী মোঃ সোহেল (৩৪)এর মৃত্যু হয়েছে। নিহত সোহেল ওই এলাকার শাহ আলমের ছেলে। পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ২টার দিকে নগরীর খালিশপুর থানাধীন আলমনগরের বালিয়ার বিল এলাকার নজরুল ইসলাম বাবুলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্বামী-স্ত্রী ওই বাড়ীর ভাড়াটিয়া ছিলেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী সোনিয়া বেগমকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ।

খালিশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কামাল হোসেন বলেন, ‘রাতে স্বামী-স্ত্রী দুইজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে স্ত্রী লাঠি বা এধরনের কোন বস্তু দিয়ে স্বামীর কপালে আঘাত করে। তাৎক্ষণিক আহত স্বামীকে খালিশপুর ক্লিনিকে নিয়ে যায় তার স্বজনরা। সেখানে তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। একইসাথে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রীকে থানায় নিয়ে আসে।

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী তার স্বামীকে আঘাত করার কথা স্বীকার করেছেন। তবে নিহত স্বামীর কপালে লাঠি বা ভারী বস্তু দিয়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ‘

এঘটনায় স্ত্রী সোনিয়া বেগমকে আটক রাখা হয়েছে। নিহত স্বামীর স্বজনদের সাথে আলোচনা করে মামলা দায়ের করা হবে এবং এ মামলায় স্ত্রী সোনিয়া বেগমকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

ময়লা ফেলে আর ঘরে ফেরা হলোনা রানীশংকৈলের সায়েদা বেগমের

//মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার মীরডাঙ্গী বাজার নামক স্থানে (৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার)  দুপুরে সায়েদা বেগম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা একজন মোটরসাইকেল আরোহীর সাথে সংঘর্ষে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু বরণ করেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে ঘটনার দিন সায়েদা মীরডাঙ্গী বাজার মহা সড়ক সংলগ্ন নিজ বাড়ি থেকে বাড়ির ময়লা ফেলার জন্য পাকা সড়ক অতিক্রম করছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে রাণীশংকৈল থেকে নেকমদর গামী একটি মটর সাইকেলের সাথে সংঘর্ষ লেগে বৃদ্ধা ঘটনাস্থলেই পড়ে যায়। সাথে সাথে গুরুতর অবস্থায় বৃদ্ধাকে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, রোগীর অবস্থার অবনতি দেখে তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

দিনাজপুর যাওয়ার পথিমধ্যে বৃদ্ধার মৃত্যু হয়।দুর্ঘটনায় বিষয়টি নিশ্চিত করে রাণীশংকৈল থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার থেকে কোন অভিযোগ দায়ে করা হয়নি।