অভয়নগরে ইসলামী ফাউন্ডেশন সহজ পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষার আলোকে কোরআন ধরানোর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

 //মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের অভয়নগরে ধোপাদী ইসলামপাড়া বাগে জান্নাত মসজিদের ইসলামী ফাউন্ডেশনের সহজ পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষার আলোকে  কোরআন ধরানোর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৬অক্টোবর (বুধবার) সকাল ৮ টায় ইসলামী ফাউন্ডেশনের সহজ পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা কেন্দ্রের কুরআন ধরানোর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ইসলামী ফাউন্ডেশনের অভয়নগর উপজেলার শাখার ফিল্ড সুপার ভাইজার মোঃ সোয়াইবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নব নির্বাচিত যশোর জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুর রউফ মোল্যা।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক শাহিন আহমেদ । বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী ফাউন্ডেশনের অভয়নগর উপজেলা শাখার কেয়ারটেকার মুন্সি মাহমুদুল হাসান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ নিজাম উদ্দিন বিশ্বাস, কাসেম মুন্সি, কেসমত মল্লিক, শেখ আছর আলী, শহিদুুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, জাহিদুল ইসলাম ,শরিফুল ইসলাম, আব্দুল ওহাব গাজী, পলাশ মল্লিক, আছর মোল্যা, মাসুম মল্লিক প্রমুখ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন মাওঃ মোঃ শামীম হুসাইন।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইকলাস উদ্দিন। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মোঃ আবু মোছা।

বরিশালে মহাসমারোহে মহাশ্মশানে দিপাবলী উৎসব অনুষ্ঠিত

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি//

উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ বরিশাল মহাশ্মশানে অনুষ্ঠিত হয় দিপাবলী উৎসব প্রায় দুইশত বছরের অধিক সময় ধরে এখানে চলে আসছে এ উৎসব। এবারেও উৎসব ঘিরে সকল আয়োজন সুন্দর ও সুষ্ঠ ভাবে শেষ করেছেন মহা শ্মশান রক্ষা কমিটি। ২৩ অক্টোবর রবিবার বিকাল ৫টায় ২৯ মিনিটে ভূত চতুর্দশী তিথিতে শুরু হয় এই দিপাবলী উৎসব । তবে উৎসবের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছেন রবিবার রাতেই। এদিকে, দিপাবলী উৎসবকে ঘিরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছেন। শনিবার থেকেই মহাশ্মশান এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি মহা শ্মশান কমিটির তরফ থেকে ২৬টি সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই সাথে  ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন বরিশাল  মেট্রোপলিটন পুলিশ। জানা গেছে,ভূত চতুদর্শী তিথিতে শুরু হয়ে থাকে হিন্দু ধর্মাবলম্বিদের শ্মশান দিপাবলী উৎসব।

এ উৎসবের দিনে মোমবাতি ও প্রদীপের আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে প্রতিটি শ্মশান মঠ। এদিন মৃত স্বজনদের সমাধিতে প্রদীপ জালিয়ে প্রার্থনা করে থাকেন তাদের আত্মীয় স্বজনরা। আলাপকালে বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির সভাপতি মানিক মুখার্জি কুডু বলেন, ২০২ বছরের অধিক সময় ধরে বরিশাল মহা শ্মশানে দিপালী উৎসব আরম্বর পরিবেশে পালিত হয়ে আসছে। দিন যতো যাচ্ছে আয়োজনের পরিধি ততোই যেন বাড়ছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি ভারত, নেপাল, শ্রীলংকাসহ উপমহাদেশ এবং বাইরের অনেক দেশ থেকে প্রচুর লোকের সমাগম ঘটেছেন এখানে। এসব দেশ থেকে অনেকেই এসেছেন। তাঁরা হোটেল ও আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় অবস্থান করছেন। উৎসব শেষে আবার নিজ নিজ দেশে ফিরে যাবেন। এ স্মশানে প্রকৃতির কবি জীবনানন্দ দাসের পিতা সত্যানন্দ দাশগুপ্ত, পিতামহ সর্বানন্দ দাসগুপ্ত, ব্রিটিশ বিরোধী নেতা বিপ্লবী দেবেন ঘোষ,বিসিষ্ঠ দানবির  অমৃত লাল দের মনোরমা বসু মাসিমাসহ কাঁচা পাকা মিলিয়ে প্রায় ৬৫ হাজারের বেশি সমাধি রয়েছে। যার মধ্যে ৯শ সমাধি রয়েছে, যাদের স্বজনরা থাকেন ভারতসহ বিভিন্ন দেশে। সেইসব সমাধিগুলোকে হলুদ রঙ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সমাধি গুলোতে কমিটির উদ্যোগে দিপাবলী উৎসবের দিন সন্ধ্যায় মোমবাতি, ধূপকাঠি ও প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়েছেন।  ৫ একর ৯৬ শতাংশের এই বরিশাল আদী মহাশ্মশানে প্রতিবছর শ্মশান দিপাবলী উৎসবে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম ঘটে। কেউ উৎসব দেখতে আসেন, আর কেউ স্বজনদের সমাধিতে মোমবাতি এবং প্রদীপ প্রজ্বলন করেন। পাশাপাশি মৃত স্বজনদের প্রিয় খাদ্য দিয়ে স্মরণ এবং আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা করেন থাকেন।

উপ-মহাদেশের সবচেয়ে বড় দীপাবলি উৎসব আজ

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি //

আজ ভূত চতুর্দশীর পূণ্য তিথিতে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরেও আয়োজন করা হয়েছে সনাতন ধর্মালম্বীদের ঐতিহ্যবাহী সর্ববৃহৎ দীপাবলি  উৎসব উদযাপিত হতে যাচ্ছেন। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও এশিয়া উপমহাদেশে ঐতিহ্যবাহী বরিশাল মহাশ্মশানে ভূত চতুর্দ্দশীর পূণ্য তিথিতে দীপাবলি উৎসব পালিত হয়ে থাকে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী মহাশ্মশানে মোমবাতি দিয়ে  আলোয় আলোকিত করে তুলবেন প্রতিটি শ্মশান মঠ। প্রতিবারের ন্যায় এবছরও তাদের আত্মীয়-স্বজনরা বাবা-মার তাদের  আত্মার শান্তি কামনায় জন্য শ্মশান মঠে  বিভিন্ন ফুল, ফল, মিষ্টি, ধুব, দিয়ে তাদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হবে।

এ উৎসব বাঙ্গালীর হ্নদয়কে আন্দোলিত করে মহাউৎসবে পরিনত করে তুলবে। জানাগেছে দীপাবলিতে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও ব্যাপক নিরাপত্তা দিবেন র‍্যাব,পুলিশ,ডি বি’র কর্মকর্তারা আরো থাকবে শশ্নান কমিটির সেচ্ছাসেবকবৃন্দ। এবিষয় কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলের।এশিয়া উপমহাদেশে সবচাইতে বড় বরিশালের মহাশ্মশান। বরিশালে সর্ববৃহৎ এই দীপাবলি উৎসবে কাউনিয়া থানার পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যাবস্থা করা হয়েছে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা ঘটনা না ঘটতে পারে।

শ্মশান কমিটির সাধারণ সম্পাদক তমাল মালাকার বলেন শ্মশান মঠের সামনে বেশি লোক জড়ো করা যাবে না সে বিষয়ে শ্মশান কমিটির সেচ্ছাসেবকবৃন্দ  নজর রাখবে।তিনি বলেন,করোনার কারণে গত দুই বছর মহাশ্মশানে জনসমাগম কম হয়েছিল। প্রবাসের লোকেরা আসতে পারেনি। তাই এ বছর সর্বোচ্চ জনসমাগম ঘটবে বলে আমরা আশা করছি। এক থেকে দেড় লাখ লোকের সমাগম হতে পারে। সেই দিকটি মাথায় রেখে আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

আগত মানুষের নিরাপত্তার জন্য শ্মশানের পক্ষ থেকে এবার ২৬টি সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিকে উপ-মহাদেশের সর্ববৃহৎ দিপালী উৎসব ঘিরে এরি মধ্যে তৎপর রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নিরাপত্তার স্বার্থে এরি মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যা মহাশ্মশানসহ আশপাশের এলাকার টহল ব্যবস্থা জোড়দার করেছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, এশিয়া মহাদেশের মধ্যে এটা সর্ববৃহৎ উৎসব। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে আমাদের পক্ষ থেকে নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তা দেয়া হবে।

Daily World News

বরিশাল নগরীতে ০৯ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৩৯,০০০ হাজার টাকা জরিমানা

 

বরিশাল মহা শ্মশানে চলছে দিপালী উৎসবের প্রস্তুতি

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি//

আগামী ৫ কার্তিক ১৪২৯ বাংলা,২৩ অক্টোম্বর ২০২২ ইং,রবিবার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান শ্মশান দিপালী এ দিন শ্মশানে আলো জালিয়ে পূজা অর্চনার মধ্যে দিয়ে প্রয়াত প্রিয়জনদের স্মরণ করবেন স্বজনরা। প্রতি বারের ন্যায় এবারও এশিয়া উপ মহাদেশের সর্ববৃহৎ বরিশালের মহা শ্মশানে অনুষ্ঠিত হবে এ শ্মশান দিপালী অনুষ্ঠান। আর প্রিয়জনদের সমাধীতে নতুন রূপ দিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন স্বজনরা।

মহা শ্মশান রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তমাল মালাকার জানিয়েছেন, দিপালী উৎসবকে কেন্দ্র করে তাদের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। শশ্মান রক্ষা কমিটির সভাপতি শ্রী কুডু মুখার্জি জানান,দিপাবলী উৎসবে প্রধান পুষ্টোপ্রষক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিসিসি’র মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। বরিশাল নগরীর কাউনিয়াস্থ মহা-শ্মশান ঘুরে দেখা গেছে, প্রিয়জনদের সমাধীকে নতুনভাবে সাজাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্বজনরা। কেউবা মাটির সমাধী তৈরী করছেন, কেউ আবার পাকা সমাধীতে রংয়ের আচর দিচ্ছেন। মা-বাবার সমাধিতে সাজ সজ্জার কাজ করতে আশা নগরীর ভাটিখানার চয়ন রায় জানান, বছরের অন্যান্য সময় শ্মশানে এলেও দিপালী উৎসব উপলক্ষে তিনি তার প্রয়াত মা-বাবা, ঠাকুরমার সমাধীতে নতুন রূপে সাজাতে এসেছেন। আরেক স্বজন গবিন্দ দাস নাথু বলেন, তিনি তার বাবা-মার সমাধী তৈরী করতে এসেছেন।
যাতে দিপালী উৎসবের দিন সেখানে পূজা অর্চনা করতে পারেন। এদিকে শ্মশানে অনেক সমাধী রয়েছে যার কোন স্বজন এখানে আসেন না কিংবা কেউ হয়তো বেঁচেও নেই। তাদের সমাধীতে শ্মশান কমিটির পক্ষ থেকে রংয়ের কাজ করা হচ্ছে। মহা শ্মশানের পুরোহিত সুজয় চ্যাটার্জী জানিয়েছেন, রবিবার বিকেল ৫, ২৯ মিনিটে পর ভু-চতুর্দশী শুরু হবে এবং সোমবার রাত ১২.১ মিনিটে কালিপূজা শুরু হবে।

এদিকে শ্মশান দিপালী উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন, স্বাস্থ্য বিভাগ, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে যৌথ সভা করা হয়েছে। সভায় ধর্মীয় দিপালী অনুষ্ঠানে কঠোরভাবে অনুুষ্ঠান এবং কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়। শ্মশান দিপালী উৎসব উপলক্ষে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) এম আর মুকুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন। এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় দীপাবলি উৎসব হচ্ছে বরিশাল মহাশ্মশানে দীপাবলি উৎসব উপলক্ষে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা ঘটনা না ঘটতে পারে সেই ব্যাপারে কাউনিয়া থানার পক্ষ থেকে দেয়া হবে ব্যাপক নিরাপত্তা। প্রতিটি শশ্নানে তাদের আত্নিয়-স্বজনরা তাদের শশ্নানে মোমবাতি দিয়ে আলোকিত করে তুলে তাদের আত্নার শান্তি কামনায় প্রার্থনা করা হবে। এ উৎসব বাঙ্গালীর হ্নদয়কে আন্দোলিত করে মহাউৎসবে পরিনত করে তুলবে।

বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত

//নিজস্ব প্রতিবেদক ://

বরিশালে শ্মশান দিপালী উৎসব উপলক্ষে  শুক্রবার বিকেল ৫ টায় বরিশাল মহাশ্মশানে অনুষ্ঠিত হয় বার্ষিক সাধারন সভা-২০২২।উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির সাধারন সম্পাদক তমাল মালাকার।

এসময়  উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক মুখার্জী ,মৃনাল কান্তি সাহা, চঞ্চল দাস পাপ্পা,সজ্ঞয় চক্রবর্তী, অমর কুমার পুশিলাল,কিশোর কুমার দে,জয়ন্ত কুমার দাস, এ্যাড.দিলিপ কুমার ঘোষ,বিষু ঘোষ সহ আরো অনেক সদস্য ও নেতৃবিন্দ।

সভায় প্রধান বক্তা তমাল মালাকার বলেন, আগামী ০৫ কার্তিক ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৩ অক্টোবর ২০২২ রবিবার মহাশ্মশানে উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহি শ্মশান দিপালি উৎসব অনুষ্ঠিত হবে এবং ০৬ কার্তিক ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৪ অক্টোবর ২০২২

সোমবার শ্রী শ্রী শ্যামা মায়ের পূজ অনুষ্ঠিত হবে বরিশাল মহাশ্মশানে। তিনি বলেন, আমি সমাজের জন্য কাজ করি ধর্মীয় চেতনাকে সমুন্নত রেখে ভুলে উর্ধ্বে আলোচনার মাধ্যমে সকল সমাধান করটাই যুক্তিযুক্ত।আমি মনে করি গত বছরে যতটুক সফলতা তা সকল নেতৃবিন্দের যৌথ প্রয়াসে হয়েছে এর কৃতিত্ব সবটুই আপনাদের।বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক মুখার্জীর সুচিন্তিত পরামর্শ ও সাহায্য সহযোগিতা এবং কমিটির সকল সদস্যের সহযোগিতা কথা তিনি তার বক্তব্যে তুলে ধরেন।

এসময় তিনি সিটি কর্পোরেশন সকল কর্মকতা,প্রশাসন, মিডিয়া ও সাংবাদিদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বরিশালের পালিত হয়েছে শ্রী শ্রী লক্ষ্মীপূজা      

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি//

বাংঙ্গালীর শারদীয়া দুর্গোৎসবের পর আশ্বিন মাসের শেষে পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয়েছেন সনাতন ধর্মালম্বীদের প্রতিটি  ঘড়ে ঘড়ে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা। এ বছর তিথি অনুযায়ী দিন ব্যাপি লক্ষ্মী পূজার আরাধনা করা হয়েছেন।

লক্ষ্মী পূজা,বাঙ্গালি হিন্দুদের  ঘরে ঘরে এক চিরন্তন।প্রায় প্রতি ঘরে ঘরেই দেবী লক্ষ্মীর পুজো হয়ে থাকে। লক্ষ্মী হলেন ধন সম্পত্তির দেবী। ধন সম্পদের আশায় বাংঙ্গালীর প্রতিটি ঘরে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা আয়োজন করে থাকে।নারী পুরুষ উভয়েই এই পুজোয় অংশ গ্রহণ করেন।  অনেকেই সারা বছর প্রতি বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীর পুজো করে থাকেন।

এছাড়া শস্য সম্পদের দেবী বলে ভাদ্র সংক্রান্তি, পৌষ সংক্রান্তি ও চৈত্র সংক্রান্তিতে এবং আশ্বিন পূর্ণিমা ও দীপাবলীতে লক্ষ্মীর পুজো হয়ে থাকে। লক্ষণীয় বিষয় হল-খারিফ শস্য ও রবি শস্য ঠিক যে সময় হয় ঠিক সেই সময় বাঙালি হিন্দু মেতে ওঠে লক্ষ্মীর আরাধনায়। তবে পুজোর উপাচারে পরিবর্তন হয় মাস ভেদে। ধন সম্পদের অধিষ্ঠাত্রী দেবী লক্ষ্মীর পূজা  সনাতন ধর্মের অনুসারীদের বিশ্বাস,ধন-সম্পদ-ঐশ্বর্যের দেবী লক্ষ্মী। এছাড়া তিনি হলেন জ্ঞান, আলো, সৌভাগ্য, উর্বরতা, দানশীলতা, সাহস ও সৌন্দর্যের প্রতীক।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে আওয়াজ উঠবে- ‘এসো মা লক্ষ্মী বসো ঘরে, আমারই ঘরে থাকো আলো করে’। শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হওয়ার পরবর্তী পূর্ণিমা তিথিতে হিন্দু সম্প্রদায় লক্ষ্মী পূজা উদযাপন করে থাকে সে হিসেবে  রবিবার লক্ষ্মী পূজা অনুষ্ঠীত হয়। বাঙালি হিন্দুদের বিশ্বাস লক্ষ্মী দেবী দ্বিভূজা তিনি ঈশ্বরের পালন রূপ শক্তি নারায়ণী। যাকে ভক্তরা ধন সম্পদের অধিষ্ঠাত্রী, অন্নদাত্রী দেবীরূপে আখ্যায়িত করে পূজা করেন।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, লক্ষ্মী দেবী সন্তুষ্ট থাকলে সংসারে অর্থকষ্ট থাকবে না ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বাড়বে। ঘরে ঘরে মা লক্ষ্মী ধন-সম্পদের দেবী হিসেবে পূজিত হন। ভক্তের ডাকে সাড়া দিয়ে এ দিন লক্ষ্মী মর্ত্যে নেমে আসেন। সঙ্গে থাকে বাহন পেঁচা এবং হাতে থাকে শস্যের ভাণ্ডার।লক্ষী পূজা উপলক্ষে বরিশাল জেলার ও নগরীতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে বাড়িতে মণ্ডপ তৈরি করে লক্ষ্মী প্রতিমা স্থাপন করে পূজা করা হয়।

আমতলীতে পবিত্র ঈদ এ মিলাদুন্নবী পালিত

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস উপলক্ষে বিশাল জশনে জুলুস ও ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হয়েছে।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ চত্বরে বাংলাদেশ জমিয়তে ছাত্র হিযবুল্লাহ আমতলী উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হয়।

আমতলীতে পবিত্র ঈদ এ মিলাদুন্নবী পালিত

এ সময় নবীর সানে হামদ,নাত,আলোচনা সভা বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।শোভাযাত্রাটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ জমিয়তে হিযবুল্লাহ আমতলী পৌর শাখার সভাপতি মোঃ মেনাজ উদ্দিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,আমতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা আবু জাফর মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান,আমতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ও আমতলী পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান,বক্তব্য রাখেন আমতলী বনিক সমিতির সভাপতি মোঃ হারুন অর রশীদ,আমতলী পৌর কাউন্সিলর ও আওয়ামীলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম জুয়েল তালুকদার প্রমুখ।

বরিশালে আনন্দ-অশ্রুতে দেবী দূর্গাকে বিসর্জন

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি //

বিজয়া দশমীতে দেবীর বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব। শুভ শক্তির জয়ের প্রত্যাশা জানিয়ে দেবীর কাছে প্রার্থনা করেছেন ভক্তরা। ছিল পূজার আনন্দের রেশ আর বিদায়ের সুরও আসছে বছর আবার হবে, এই প্রত্যাশায় এবার আনন্দের রেশটুকু থেকে যাবে আগামী সময়ের জন্য। সারা দেশের মতো বরিশালেও নানা আয়োজনে শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বুধবার ৫ অক্টোবর সকালে বরিশাল নগরীর রাম কৃষ্ণ মিশন ভাটিখানা নতুনবাজার স্বরোড কাউনিয়া কালিবাড়ি ঝাউতলা ফলপট্টি চকবাজার মনসাবাড়িসহ বিভিন্ন মন্দির ও মণ্ডপে অঞ্জলি দিতে জড়ো হন পুণ্যার্থীরা। এ সময় দেবী দুর্গার বিদায়ক্ষণ ঘনিয়ে আসায় ভক্তদের চোখে মুখে ছিলো বেদনার ছাপ। সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে  বিদায় নিচ্ছেন দেবী দুর্গা ও তার পরিবার।

এদিকে পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসবের দশমীতে  বুধবার মণ্ডপে মণ্ডপে দশমীর বিহীত পূজার মধ্যে দিয়ে ঘটে সমাপ্তি। অতঃপর দেবীর বিসর্জন আর শান্তিজল গ্রহণ। গত শনিবার বোধনে অরুণ আলোর অঞ্জলি নিয়ে আনন্দময়ী মা উমাদেবীর আগমন ঘটে মর্ত্যে। হিন্দু বিশ্বাসে- টানা পাঁচদিন মৃন্ময়ীরূপে মণ্ডপে মণ্ডপে থেকে ফিরে যাচ্ছেন কৈলাসে স্বামী শিবের সান্নিধ্যে। আর শান্তিজল গ্রহণে শেষ হচ্ছে বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

ধান-দূর্বার দিব্যি, ফের এসো মা তুমি আবার এসো- ভক্তদের এমন আকুতিতে বিদায় নিচ্ছেন দেবী দুর্গা। বুধবার সকাল থেকেই বিহিত পূজার পর ভক্তের কামনা প্রার্থনা আর ঢাক-উলুধ্বনি-শঙ্খনিনাদে হিন্দু রমণীদের পরম আকাঙ্ক্ষিত সিঁদুর খেলায় মুখর হয়ে ওঠে মন্দিরগুলো। একদিকে বিদায়ের সুর। অন্যদিকে উৎসবের আমেজ। নিরঞ্জনে অংশ নিতে সন্ধার পর থেকেই বরিশালের বিভিন্ন এলাকার পূজা মণ্ডপ থেকে ভক্তরা ট্রাক ও ঠেলাগাড়িতে প্রতিমা নিয়ে সমবেত হতে শুরু করেন। শোভাযাত্রার পূর্বে নারীরা দেবীর ললাটের সিঁদুর আপন ললাটে এঁকে নেন। পুরুষরা অশুভ শক্তির বিনাশ কামনা করেন। তাদের অন্তরের কামনা আগামী শরতে আবার বাঙালি হিন্দুর ঘরে ঘরে ফিরে আসবেন মা উমা ।

মন্দির ও শোভাযাত্রার পথে বিপুল সংখ্যক পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছিল র‌্যাব সদস্যদেরও। ট্রাকে প্রতিমা নিয়ে নারী-পুরুষ শিশু কিশোর হেঁটে এবং বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে করে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। বর্ণিল পোশাকে সজ্জিত হয়ে ভক্তরা ঢাক-ঢোল, করতাল ও অন্যান্য বাদ্যযন্ত্রসহ শোভাযাত্রায় যোগ দেয়। রাস্তার দু’পাশে দাঁড়ানো হিন্দু নারীদের উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে চারদিক। প্রতিমা ঘাটে নিয়ে আসার পর ভক্তকুল শেষবারের মতো ধূপ-ধুনো নিয়ে আরতিতে মেতে ওঠেন। শেষে পুরোহিতের মন্ত্রপাঠের মধ্য দিয়ে দেবীকে নৌকায় তুলে বিসর্জন দেয়া হয়। নদীপাড়ে ধর্মীয় রীতি মেনে অপরাজিতা পূজা অনুষ্ঠিত হয়। শেষে বল দুর্গা মায় কি জয় ধ্বনিতে প্রতিমা কির্তণখোলা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দেয়।পানিতে ফেলে গ্রহণ করা হয় শান্তিজল অনেকে ঘরে আনেন সেই শান্তিজল। দুর্গাপূজায় সর্বশেষ রীতিটি হচ্ছে ‘দেবী বরণ’। রীতি অনুযায়ী, সধবা নারীরা স্বামীর মঙ্গল কামনায় দশমীর দিন সিঁদুর, পান ও মিষ্টি নিয়ে দুর্গা মাকে সিঁদুর ছোঁয়ান। দেবীর পায়ে সিঁদুর ছোঁয়ানোর পর সেই সিঁদুর প্রথমে সিঁথিতে মাখান পরে একে-অন্যের সিঁথি ও মুখে মাখেন। মুখ রঙিন করে হাসিমুখে মাকে বিদায় জানানোর জন্যই এই সিঁদুর খেলা। ভক্তদের বিশ্বাস, দুর্গা আগামী বছর আবারো সঙ্গে করে শাঁখা সিঁদুর সঙ্গে নিয়ে আসবেন। সেই শাঁখা সিঁদুর ধারণ করেই স্বামীর মঙ্গল হবে।

Daily World News

আমতলীতে প্রতারণা মামলার আসামি র‌্যাবের হাতে আটক

রামপালে নিরুত্তাপ জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৩ প্রার্থী

ডুমুরিয়ায় কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইন্জিনিয়ার মৃনাল কান্তি জোদ্দার এর  বিভিন্ন পূজা মন্দির পরিদর্শন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির  প্রেসিডিয়াম সদস্য ইন্জিনিয়ার মৃনাল কান্তি জোদ্দার শারদীয় দুর্গা উৎসবের  মহা নবমীতে মঙ্গলবার দিন ব‍্যাপী ডুমুরিয়া  ও ফুলতলা উপজেলার বিভিন্ন পূর্জা মন্দির পরিদর্শন ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ, ভক্তদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এ সময় তার সাথে ছিলেন এর ডুমুরিয়া উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক এডভোকেট আশরাফুল আলম রাজু  শেখ ফজলুল হক লাভলু  কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ জাহাবুর রহমান, যুবলীগ নেতা বিকাশ মন্ডল, প্রসূন বিশ্বাস পম্পি রাজিউল বারী সৈকত ,সাবেক ছাত্রনেতা আসাদুজ্জান মিন্টু, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অভিজিৎ রায় অভি, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ মাসুদ রানা, ,মোস্তাফিজুল হক সাগর, সেচ্ছাসেবক লীগের  শুকুর আহমেদ, মাহবুবুল আলম খালিদ,খর্নিয়া ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি খান চঞ্চল আহমেদ,রংপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক বিপুল মন্ডল,সন্জিত সরকার প্রমুখ।

 

ডুমুরিয়ায় শারদীয় দূর্গা উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা উপহার বিতরন

//ডুমুরিয়া  সংবাদদাতা//
ডুমুরিয়ায় শারদীয় দুর্গা পূজা উৎসব উপলক্ষে ১ অক্টোবর  রবিবার সকালে শহীদ শেখ আব্দুল মজিদ হল রুমে ডুমুরিয়া  উপজেলার ২০৮ পূজা মন্দিরে আর্থিক অনুদান  প্রদান করেছেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের তথ‍্য ও গবেষণা বিষযক সম্পাদক অজয় সরকার ও ফুলতলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম‍্যান শেখ আকরাম হোসেন।
এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক শাহানেওয়াজ হোসেন জোয়ার্দারের সভাপতিত্বে  আছফর হোসেন এর পরিচালনায়  অনুষ্ঠিত হয়।  সভায় বক্তব‍্য দেন ফুলতলা উপজেলা পরিষদের ভাইন্স চেয়ারম‍্যান কে এম জিয়া হাসান তুহিন, ফুলতলা আ’লীগ নেতা আবু তাহের রিপন,  ডুমুরিয়ার আ’লীগ নেতা সরদার আব্দুল গনি, নারায়ন চন্দ মল্লিক, আদিত‍্য মন্ডল, এএইচ এম ওবাইদুল্লাহ, পূজা কমিটির  দিনেশ মন্ডল ও  মিলন মল্লিক, আফরোজা খানম মিতা,মোস্তফা কামাল রিপন,  যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলাম, এস এম আছাদুজ্জামান, পবিত্র  মল্লিক, প্রশান্ত মন্ডল প্রমুখ।  অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইউনিয়নের আগত পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়।