ছবির মানুষটি সামনে আসছে না দূরে যাচ্ছে? উত্তর আপনার মস্তিস্কের বৈশিষ্ট বলে দেবে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

নারী ও পুরুষের মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করে, সে সম্পর্কে কয়েক দশক ধরে গবেষণা চালাচ্ছেন স্নায়ুবিজ্ঞানীরা। প্রখ্যাত স্নায়ুবিজ্ঞানী ড্যাফনা জোয়েল তেল আভিভ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই নিয়ে একটি পাঠ্যক্রমও চালু করেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে একটি দৃষ্টিভ্রমের ছবি।

ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, অন্ধকার সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে একটি আলোর দ্বার। তার মধ্যেই ছুটছে একটি মানুষের অবয়ব। তবে হঠাৎ করে দেখে বোঝার উপায় নেই, এই ছবির অবয়বটি দৌড়ে সামনের দিকে আসছে না দূরে চলে যাচ্ছে।

বিভিন্ন মানুষ এই ছবিটি দেখে ভিন্নমত প্রকাশ করতে পারেন। কারও মনে হতে পারে, দৌড়ে সামনের দিকেই আসছে ওই ছবির মানুষ। আবার কারও মনে হতে পারে সামনে নয়, বরং দৌড়ে দূরে চলে যাচ্ছে ওই ছায়ামানুষ। তবে আপনি কী দেখছেন, তার ওপরেই নাকি নির্ভর করছে মানুষ হিসেবে আপনি কেমন। আপনার ভাবনা-চিন্তাই বা কী রকম।

ছবিটি প্রথম প্রকাশ করে ‘ফ্যাক্ট ফ্যাক্টরিজ’ নামক একটি সংস্থা। এই সংস্থার দাবি, আপনি এই ছবিতে কী দেখছেন তার ওপর নির্ভর করে আপনার মস্তিষ্ক পুরুষের নাকি মহিলার।

ফ্যাক্ট ফ্যাক্টরিজ-এর মতে আপনি যদি দেখেন, এই পুরুষাবয়ব আপনার দিকে ছুটে আসছে তা হলে আপনার পুরুষ-সুলভ মস্তিষ্ক হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এই ছবিতে আপনি কী দেখছেন তার ওপর নির্ভর করছে আপনার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যও। সাধারণত যারা এই মানুষটিকে সামনের দিকে ছুটে আসতে দেখছেন, তাদের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার দক্ষতা অনেক বেশি বলেই মনে করা হয়। যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যবহার করে জীবনের সমস্যার সমাধান করার প্রবণতাও এই মানুষগুলির মধ্যে অনেক বেশি। একই সঙ্গে তারা বিভিন্ন বিষয়ে কৌতূহলীও হন। সমস্ত জিনিস খুব দ্রুত শিখতেও পারদর্শী তারা। পাশাপাশি এই সব ব্যক্তিত্ব জীবনের কঠিন বাধাগুলির মোকাবিলা করতে ভালোবাসেন। কোনো জিনিস হাতের মুঠোয় না আসা পর্যন্ত হাল ছাড়েন না তারা। সমস্ত বিষয়েই প্রকাশ পায় তাদের দৃঢ় মতামত।

অন্য দিকে আপনি যদি দেখেন, ছবিতে থাকা অবয়ব দূরের দিকে দৌড়ে যাচ্ছে তা হলে আপনার মহিলা-সুলভ মস্তিষ্ক হওয়ার প্রবণতা বেশি। তার মানে, এই মানুষগুলির বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা এবং যুক্তি ব্যবহার করার প্রবণতা সর্বোচ্চ। এই ধরনের মানুষেরা তাদের ইন্দ্রিয় এবং যুক্তির ওপর নির্ভর করেন। সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়ও কোনো রকম তাড়াহুড়ো করেন না। এই ধরনের মানুষেরা খুবই সৃজনশীল হন। পাশাপাশি এই মানুষদের একই সঙ্গে অনেকগুলি কাজ করার দক্ষতা থাকে এবং এদের স্মৃতিশক্তিও প্রখর হয়।

তবে নারী ও পুরুষের মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করে, সে সম্পর্কে কয়েক দশক ধরে গবেষণা চালাচ্ছেন স্নায়ুবিজ্ঞানীরা। প্রখ্যাত স্নায়ুবিজ্ঞানী ড্যাফনা জোয়েল তেল আভিভ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই নিয়ে একটি পাঠ্যক্রমও চালু করেন। কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে এখনও বিতর্ক রয়ে গেছে। কিছু বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন, লিঙ্গের ওপর নির্ভর করে মানুষের মস্তিষ্ক কেমন হবে তা বিচার করা উচিত নয় এবং এমন ভাবার মতো যথাযথ প্রমাণ এখনও নেই বলেই বিজ্ঞানীদের একাংশের মত।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

ইউএইচ/

নতুন সিম বিক্রি করতে পারবে না গ্রামীণফোন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

মানসম্মত সেবা (ভয়েস কল ও ইন্টারনেট) দিতে না পারায় দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের সিম বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি।

বুধবার দুপুরে বিষয়টির অনুমোদনের পরে বিটিআরসি এক নির্দেশনা গ্রামীণফোনে পাঠিয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নতুন সিম বিক্রি করতে পারবে না গ্রামীণফোন। গ্রাহকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে পারলেই নতুন সিম বিক্রি করতে পারবে অপারেটরটি।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা চেষ্টা করেও গ্রামীণফোনের সেবার মান ভালো করার কোনো উদ্যোগ নিতে দেখিনি। তারা গ্রাহক বাড়াবে, কিন্তু সেবার মান বাড়াবে না- এটা হতে দেওয়া যাবে না। যতদিন না তারা সেবার মান ভালো করবে এবং তা সন্তোষজনক পর্যায়ে উন্নীত না হবে ততদিন গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি সত্য জানিয়ে বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, অপারেটরটি মানসম্মত সেবা দিতে পারছে না। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা সিম বিক্রি করতে পারবে না।

বিটিআরসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রামীণফোনের বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা (চলতি বছরের মে পর্যন্ত) ৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার।

রোবটের দেহে গজিয়ে উঠেছে মানুষের মতো ‘টিস্যু’

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

টোকিয়োর এক দল বিজ্ঞানী আবিষ্কার করলেন এমন এক প্রযুক্তি যাতে নাকি রোবটের দেহে গজিয়ে উঠেছে মানুষের মতো ‘টিস্যু’ বা কলা।

প্রযুক্তির দিক থেকে বরাবরই বেশ এগিয়ে জাপানি বিজ্ঞানীরা। এ বার টোকিয়োর এক দল বিজ্ঞানী আবিষ্কার করলেন এমন এক প্রযুক্তি যাতে নাকি রোবটের দেহে গজিয়ে উঠেছে মানুষের মতো ‘টিস্যু’ বা কলা। শুধু এখানেই শেষ নয়, এই টিস্যু ও তৎসংলগ্ন ত্বক নাকি নিজে থেকেই সারিয়ে ফেলতে পারে ক্ষত!

রোবটের দেহে গজিয়ে উঠেছে মানুষের মতো ‘টিস্যু’

সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত একটি বিজ্ঞানবিষয়ক পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে টোকিয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল বিজ্ঞানীর এই সাম্প্রতিকতম গবেষণার কথা। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বায়ো-হাইব্রিড নামক একটি পদ্ধতিতে তাঁরা তৈরি করেছেন অবিকল মানুষের মতো টিস্যু ও ত্বক। এই টিস্যু তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে এক ধরনের হালকা কোলাজেন ম্যাট্রিক্স, নাম— হাইড্রোজেল। এই উপাদানটির ভিতর ফাইব্রোব্লাস্ট ও কেরাটিনোসাইট নামক কোষের বিস্তার ঘটানো হয়।

বিজ্ঞানীদের এই দলটির প্রধান শোজি টাকেউজির দাবি, যে হেতু এই ধরনের টিস্যু অবিকল মানুষের মতো, তাই চিকিৎসা শাস্ত্রে এই ধরনের রোবট যুগান্তকারী হয়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এই ধরনের টিস্যু ব্যবহার করে তাঁরা বিভিন্ন ধরনের কৃত্রিম অঙ্গ ও ত্বকও গড়ে তুলতে চান বলে জানান তিনি।

বৈদ্যুতিক পাখা আস্তে চালানো এবং জোরে চালানো কোনটায় খরচ বেশি…?

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

এই প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার জন্য প্রথমেই আমাদের বৈদ্যুতিক পাখার কার্যপ্রণালী সম্পর্কে কিছুটা জেনে নিতে হবে।

সর্বাগ্রে দেখা যাক বৈদ্যুতিক পাখা ঘোরে কীভাবে:

একটি পাখায় একটি বৈদ্যুতিক মোটর এবং কয়েকটি ধাতব ব্লেড (সাধারণত ৩টি), সংযুক্ত থাকে। যখন আমরা একটি পাখার সুইচ অন করি, তখন ভোল্টেজের পার্থক্যের জন্য মোটরটির মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ যায় এবং তার ফলাফল হিসাবেই পাখাটি ঘুরতে থাকে। নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটর মোটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মোটরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুতের পরিমাণ কমিয়ে বা বাড়িয়ে দেয়।

সুতরাং, একটি পাখার ভোল্টেজর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে তার নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটরের ওপর নির্ভরশীল। আর একটি পাখার ভোল্টেজের পরিমাণ তার ঘূর্ণন গতির সমানুপাতী, অর্থাৎ ভোল্টেজ যত বাড়বে, পাখার গতিও ততটাই বাড়বে।

এখন, বিভিন্ন রেগুলেটর ও তাদের কর্মপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা যাক:

এই মুহূর্তে, বাজারে মোটামুটি ২ ধরনের রেগুলেটর পাওয়া যায় ।

ইলেক্ট্রিক রেগুলেটর (Electric Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য রোধ বসানো থাকে। যখন পাখার ভোল্টেজ কমানো হয় তখন রোধটি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আর বিদ্যুৎ সরবরাহ কমার কারণে পাখার গতিও কমে যায়। কিন্তু এর ফলে পাখার ভোল্টেজ তথা গতি কমিয়ে যে বিদ্যুৎ বাঁঁচানো হয়, সেই বিদ্যুৎ এই রোধ-মধ্যস্থ তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত, এই রেগুলেটরের মাধ্যমে পাখার গতি কমিয়ে বিদ্যুৎ খরচ বিশেষ কমে না বললেই চলে।

ইলেকট্রনিক রেগুলেটর (Electronic Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য মূলতঃ ট্রায়াক থাকে যার গেটে ট্রিগার নিয়ন্ত্রণ করে ফ্যানের ভোল্টেজের সাইন ওয়েভকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ভোল্টেজের আরএমএস ভ্যালুকে পরিবর্তণ করে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এইগুলি কখনই গরম হয়ে ওঠে না, ফলে পাখা যখন কম গতিতে চলে তখন যথেষ্ট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। সাধারণত ইলেকট্রনিক রেগুলেটরগুলি ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরগুলির থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশী বিদ্যুতসাশ্রয়ী।

তাই পরিশেষে বলা যেতে পারে, বৈদ্যুতিক পাখা কম গতিতে চালালে বিদ্যুৎ খরচ তখনই কম হবে যখন ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহৃত হবে।

English Dainikbiswa

রাশিয়ার একটি সারমাত ক্ষেপনাস্ত্রই বৃটেনকে ডুবিয়ে দিতে যথেষ্ট

ডুমুরিয়ায় যুবলীগের উদ‍্যেগে দোয়া মাহফিল ও প্রার্থণা সভা অনুষ্ঠিত

জেনে নিন তরমুজ কেন ফ্রীজে রাখবেননা

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

গরমে তরমুজের জুড়ি নেই। শরীরের ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পুষ্টি সরবরাহ করে এই ফল। গ্রীষ্মের গরমে এক ফালা তরমুজ প্রশান্তি এনে দিতে পারে মুহূর্তেই।

তরমুজ স্বাভাবিক তাপামায় দুই তিন সপ্তাহ ভালো থাকে। ঠান্ডা করে খাওয়ার জন্য কিংবা বেশিদিন সংরক্ষণ করার জন্য আমরা অনেক সময় ফ্রিজে তরমুজ রাখি। কিন্তু স্বাস্থ্যবিজ্ঞান বলছে এটি ঠিক না।

পুষ্টিবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে তরমুজে ৯২ শতাংশ পানি রয়েছে, যা গ্রীষ্মকালের খরতা থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

এছাড়া এটি লাইকোপিন, বিটা-ক্যারোটিন এবং ভিটামিন সি-সহ বেশ কয়েকটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল ওয়াটারমেলন প্রোমোশন বোর্ড’য়ের উদ্ধৃতি দিয়ে টেস্টিংটেবল ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেফ্রিজারেইটরে তরমুজ দুটি শর্তের ভিত্তিতে রাখা যায়। একটি হল, এটা শুরু থেকেই রেফ্রিজারেইটরে ছিল অথবা এটা কেটে রাখা হয়েছে।

গোটা তরমুজ রেফ্রিজাইরেটরে সংরক্ষণ করলে এর স্বাদ, আকার ও রংয়ে পরিবর্তন আসে।

তরমুজ সংরক্ষণ করার সঠিক তাপমাত্রা হল- ১০ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এমনকি ঘরের সাধারণ তাপমাত্রায় তরমুজ দশ দিন পর্যন্ত ভালো থাকে।

‘ইউএসডিএ এগ্রিকালচার রিসার্চ সার্ভিস’য়ের করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের সাধারণ তাপমাত্রায় তরমুজে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বেশি থাকে।

গবেষণার সূত্র ধরে ‘মেডিকেল নিউজ টুডে’তে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, রেফ্রিজারেইটরে রাখা তরমুজের তুলনায় সাধারণ তাপমাত্রায় রাখা তরমুজে লাইকোপিন ২০ শতাংশ বেশি থাকে এবং বিটা-ক্যারোটিনের মাত্রা দ্বিগুণ থাকে।

তাই দেখা যাচ্ছে, ঘরে তরমুজ আনা হলে তা কেটে খাওয়ার আগ পর্যন্ত সাধারণ তাপমাত্রাতে রাখাই ভালো।

English Dainikbiswa

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ পিটিভির ১৭ কর্মীকে বরখাস্ত করলেন

দুই কোটি লিটারের বেশি সয়াবিন তেল এসেছে এক জাহাজেই

৩ লক্ষ ৭৪ হাজার কোটি টাকায় টুইটার কিনবেন ইলন মাস্ক

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের কাছেই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার বিক্রি করে দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ। ৪ হাজার ৪০০ কোটি মার্কিন ডলারে মাস্কের কাছে প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। সোমবার এক বৈঠক থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। বাংলাদেশী ৩ লক্ষ ৭৪ হাজার কোটি টাকায় (প্রায়) টুইটার কিনবেন ইলন মাস্ক বলে জানা যাচ্ছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছুদিন আগে টুইটারের ৯ দশমিক ২ শতাংশ শেয়ার কিনেছেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। তখন থেকেই তিনি পুরো টুইটার কিনে নেবেন বলে কানাঘুষা শোনা যাচ্ছিল। এবার সেই জল্পনারই অবসান ঘটল।

এর আগে, মাস্ক টুইটারের পূর্ণাঙ্গ মালিকানা কিনে নিতে ৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এ নিয়ে টুইটারের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে মাস্কের বৈঠক বসে। যদিও টুইটারের পর্ষদ এর আগে মাস্কের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল।

এদিকে, টুইটার বিক্রির খবরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম ইতিমধ্যে ৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ দশমিক ৬২ ডলারে। তবে ইলন মাস্ক শেয়ারপ্রতি ৫৪ দশমিক ২০ ডলার দিতে চেয়েছেন।

টুইটার কেনার বিষয়টির সূত্রপাত হয় এপ্রিলের শুরুর দিকে। মাস্ক প্রথমে টুইটারের ৯ দশমিক ২ শতাংশ শেয়ার কেনেন।

রীতিমাফিক তখন তাকে পরিচালনা পর্ষদে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর ১৪ এপ্রিল মাস্ক হঠাৎই পুরো টুইটার কিনে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে বলেন, সামাজিক মাধ্যমে যে অমিত সম্ভাবনা আছে, তার দ্বার খুলে দিতে চান তিনি।

তবে ইলন মাস্ক টুইটার কেনার পরিকল্পনার করছেন সম্পূর্ণ নিজে। এর সঙ্গে টেসলার কোনো কিছু জড়িত নয়। মাস্ক তার ব্যক্তিগত অর্থ থেকে টুইটার কিনছেন।

টুইটার কিনে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার পরই ইলন মাস্ক বলে আসছেন, আরও উন্নয়নের জন্য এবং বাকস্বাধীনতার প্রকৃত প্ল্যাটফর্ম হওয়ার জন্য ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হতে হবে টুইটারকে।

টুইটার কিনে মাস্ক এই প্লাটফর্মটিতে আমূল পরিবর্তন আনতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

English Dainikbiswa

বরিশালে পুলিশ কর্মকর্তাকে কুপিয়ে জখম করলেন হত্যা মামলার আসামির স্ত্রী

মঙ্গল গ্রহ এলন মাস্কের প্রধান লক্ষ্য নয়- রোগজিন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ান মহাকাশ সংস্থা রোসকসমসের সিইও দিমিত্রি রোগজিন বলেছেন, আমেরিকান উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের আসল লক্ষ্য মঙ্গল গ্রহের উপনিবেশ নয়, শক্তি।

তার মতে, স্পেসএক্সের প্রধান মানবতার মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে চান।

“এই মিডিয়া ইন্টারনেট ব্যবহার করবে, যা তার নিজস্ব রকেট দ্বারা চালু করা তার কক্ষপথ নক্ষত্রমণ্ডল দ্বারা বিতরণ করা হবে। এখানে এটি – একটি “খাদ্য শৃঙ্খল” নির্মাণের পুরো যুক্তি। আমি তার ব্যবসায়িক প্রতিভাকে কৃতিত্ব দিই, যা অন্তত পশ্চিমা বিশ্বে “মনের” মালিক হওয়ার স্বপ্ন দ্বারা চালিত হয়। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি না হয়েও, তিনি প্রকৃতপক্ষে একজন হয়ে উঠবেন, এবং সম্ভবত কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়, “রোগোজিন বলেছিলেন।

তিনি মাস্কের ফ্যালকন ৯ রকেট এবং স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট তৈরিকে শক্তির সাধনাও বলেছেন।

“তিনি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নয়, বিশ্বেও একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ার লক্ষ্য রেখেছেন। আমি মনে করি যে তিনি যদি দক্ষিণ আফ্রিকায় নয়, তবে রাজ্যে জন্মগ্রহণ করতেন, তবে তিনি অবশ্যই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যেতেন এবং নির্বাচিত হওয়ার বিশাল সম্ভাবনা থাকত। তিনি, একজন অ-নেটিভ আমেরিকান হিসাবে, বোঝেন যে এটি অসম্ভব, এবং কর্মের একটি ভিন্ন অ্যালগরিদম বেছে নিয়েছেন, “তিনি বলেছিলেন। সূত্র: প্রাভদা

Google Chrome Browser এর আবিস্কারক Google এর CEO সুন্দর পিচাই

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

আমাদের সকলের জন্য গর্বের বিষয় এই যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোম্পানি গুগলের (Google) সিইও হলেন একজন ভারতীয়। সর্বোপরি, ভারতীয়দের এমন কিছু আছে যা অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। আজকের প্রতিবেদনে আমরা সুন্দর পিচাইয়ের (Sundar Pichai) সাফল্যের গল্প সম্পর্কে কথা বলতে যাচ্ছি, যিনি তামিলনাড়ুর রাস্তায় অলি গলি থেকে বিশ্বের বৃহত্তম কোম্পানির সিইও হয়েছিলেন। সবাই এই উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে না, তবে আপনি যদি আন্তরিকভাবে কিছু করতে চান তবে এই পৃথিবীতে কিছুই অসম্ভব নয়।

সুন্দর পিচাইয়ের আসল নাম সুন্দর রাজন পিচাই(Sundararajan Pichai)। তিনি তামিলনাড়ুর একটি ছোট গ্রামে 1972 সালের 12 জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম রঘুনাথ পিচাই এবং মাতার নাম লক্ষ্মী। সুন্দরের বাবা রঘুনাথ পিচাই ছিলেন একজন বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী এবং তার থেকেই পিচাই প্রযুক্তিতে অংশগ্রহণের জন্য অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।

সুন্দর পিচাই যখন 12 বছর বয়সী তখন তার বাবা বাড়িতে একটি ল্যান্ডলাইন ফোন নিয়ে আসেন। যারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি কোম্পানির শীর্ষে আছেন, তাদের জন্য এটি ছিল প্রযুক্তি সম্পর্কিত প্রথম জিনিস। সুন্দর পিচাইয়ের একটি বিশেষ গুণ ছিল যে তিনি তার টেলিফোনে ডায়াল করা সমস্ত নম্বর সহজেই মনে রাখতে পারতেন। এবং আজও যখন সেই সংখ্যাগুলি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়, তারা সংখ্যাগুলি মনে রাখে।

আসলে, শুধু ফোন নম্বরই নয়, সব ধরনের নম্বরই সহজে শনাক্ত করা করতে পারেন তিনি। তিনি পড়াশোনায় পারদর্শী ছিলেন, একজন ক্রিকেট ভক্তও ছিলেন এবং তার স্কুল ক্রিকেট দলের অধিনায়কও ছিলেন। সুন্দর পিচাই জওহর বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিকুলেশন সম্পন্ন করেন। এর পরে তিনি চেন্নাইয়ের ভানা ওয়াদি স্কুলে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং পরে আইআইটি খড়গপুর থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং অধ্যয়ন করেন।

তিনি তার কঠোর পরিশ্রমের শক্তিতে, তিনি সর্বত্র শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছিলেন এবং আইআইটি-তে রৌপ্য পদক জিতেছিলেন। বৃত্তি পাওয়ার পর, তিনি আরও পড়াশোনা করার জন্য ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং পদার্থবিদ্যায় বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। অবশেষে, তিনি এমবিএ করার জন্য পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্টন স্কুলে যান।

গুগলে যোগদানের আগে, সুন্দর পিচাই ম্যাককিনসে অ্যান্ড কোম্পানি এবং ফলিত সামগ্রীতেও অবদান রেখেছিলেন। পিচাই প্রথম 2004 সালে গুগলে যোগ দেন। প্রাথমিকভাবে, তিনি গুগল সার্চ টুলবারে একটি ছোট দলের সাথে কাজ করেছিলেন। গুগলে কাজ করার সময়, সুন্দর পিচাই তার নিজস্ব ইন্টারনেট ব্রাউজার তৈরি করার জন্য একটি নতুন ধারণা নিয়ে এসেছিলেন।

পিচাই যখন নিজের ইন্টারনেট ব্রাউজার তৈরির বিষয়ে গুগলের সিইওর সাথে কথা বলেন, তখন তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন যে এটি খুব ব্যয়বহুল। কিন্তু পিচাই হাল ছাড়েননি এবং অন্যান্য গুগল পার্টনারদের রাজি করেন। 2008 সালে, সুন্দর পিচাইয়ের সহায়তায়, Google Chrome নামে তার নিজস্ব ওয়েব ব্রাউজার চালু করে। বর্তমানে গুগল ক্রোম বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার।

এটাই ছিল গুগলে সুন্দর পিচাইয়ের টার্নিং পয়েন্ট। তার নিষ্ঠার কারণে, তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রে শীর্ষস্থান পেয়েছেন। এবং শীঘ্রই পিচাইও সিইও(CEO) হওয়ার দৌড়ে যোগ দেন। গুগলের সিইও হওয়ার আগে তিনি মাইক্রোসফ্ট(Microsoft) এবং টুইটার(Twitter) থেকেও অফার পেয়েছিলেন, কিন্তু তার নিষ্ঠা ও পরিশ্রম দেখে গুগল তাকে সেই কোম্পানি গুলির থেকে অনেক টাকা বেশি বোনাস দিয়ে নিজের দিকে টেনে নেয়।

অবশেষে, 10 আগস্ট 2015-এ, সুন্দর পিচাইকে বিশ্বের বৃহত্তম কোম্পানি, Google-এর CEO নিযুক্ত করা হয়। এত বড় সাফল্যের পিছনে সুন্দর পিচাইয়ের সরল প্রকৃতির একটা বড় হাত রয়েছে। সরল প্রকৃতির বলে সবাই তাকে শ্রদ্ধা করত। সুন্দর পিচাই এর জীবনের গল্প সত্যিই প্রেরণার যোগ্য।

English Dainikbiswa

প্রশাসনের সামনেই জিকোর কোপে মারা গেল শেকবর আলী

 

বরিশালের সায়েম কে গুগল সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ডেকেছে

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেক জায়ান্ট গুগলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ডাক পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবু সায়েমকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি লিখেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথমবারের মতো বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেক জায়ান্ট গুগলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে জবের অফার পেয়েছেন আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ। এটা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বড় অর্জন।

তিনি আরও লেখেন, আবু সায়েম টিম রবোট্রাসে হয়ে এর আগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে আইসিপিসি এবং এনসিপিসিতে প্রতিনিধিত্ব করেছে। ২০১৭-২০ সালে এই টিমের অফিসিয়াল কোচ হিসেবে আমি গর্বিত। তার জন্য অভিনন্দন ও শুভকামনা। আশা করি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীও তার পথ অনুসরণ করবে।

আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ বলেন, সিএসইতে যারা পড়ে তাদের সবারই ইচ্ছা থাকে গুগলের মতো কোনো না কোনো জায়গায় জব করার। আমারও এই ইচ্ছাটা ছিল। প্রথম বর্ষ থেকেই কন্টেস্ট প্রোগ্রামিং করতাম। আমি যখন সপ্তম সেমিস্টারে ছিলাম তখন সিঙ্গাপুর থেকে একটা অফার পেয়েছিলাম৷ ওই সময় থেকে ইচ্ছা ছিল যেহেতু একটাতে হয়েছে এখন দেখি আসল টার্গেট গুগলে হয় কিনা।

তিনি আরও বলেন, গুগলের ইন্টারভিউ প্রসেসটা অনেক লম্বা এবং কঠিন। গত নভেম্বরে আমার ইন্টারভিউ শুরু হয়। এই চার-পাঁচ মাসে অনেক রাউন্ড, প্রসেস পার করে ফাইনালি গতকাল অফারটা পেয়েছি। প্রত্যেকটি রাউন্ড শেষেই অনেক টেনশন ছিল এর পর কী হবে না হবে। ফাইনালি সব কিছু পার করে অফার পাওয়ার অনুভূতি বলে বোঝানো যাবে না।

English Dainikbiswa

১০ টাকার নতুন নোটে কিকি থাকছে..

আম্যাজনে যোগ হচ্ছে স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড সেবা

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্টারলিংককে টক্কর দিতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা নিয়ে আসছে জেফ বেজসের অ্যামাজন ইনকরপোরেশন। বিশ্বব্যাপী দ্রুত ইন্টারনেট-সেবা নিশ্চিত করতে মহাকাশে ৩ হাজার স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করবে টেক জায়ান্টটি। এ জন্য সম্প্রতি তিনটি রকেট কোম্পানির সঙ্গে বিশাল অঙ্কের চুক্তি করেছে কোম্পানিটি। ‘প্রোজেক্ট কুইপার’ নামের যৌথ এ প্রকল্পে আগামী পাঁচ বছরে ৮৩টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে অ্যামাজন প্রধান জেফ বেজোস মালিকানাধীন  ব্লু অরিজিন’-এর সঙ্গে।

স্যাটেলাইট ব্যবহার করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ বাড়ানোর এ প্রতিযোগিতা দিনের পর দিন তীব্র হচ্ছে। আর এখানে এখন পর্যন্ত অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে স্পেসএক্স। প্রোজেক্ট কুইপারের প্রথম দুই স্যাটেলাইটের প্রোটোটাইপ এ বছরের শেষ নাগাদ উৎক্ষেপণের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।

‘অ্যামাজন তিনটি চুক্তিতেই শত শত কোটি ডলার খরচ করছে। এটি নভোযান উৎক্ষেপণের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক চুক্তি।’ অ্যামাজন ২০২৬ সালের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ৬০০টির বেশি স্যাটেলাইট স্থাপন করতে পারবে।

এ চুক্তিতে রয়েছে : আরিয়েনস্পেসের ছয়টি আরিয়েন রকেটে ১৮টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, ব্লু অরিজিনের নিউ গ্লেন রকেটে ১২টি উৎক্ষেপণ, যেখানে ১৫টি অতিরিক্ত উৎক্ষেপণের সুযোগ আছে এবং ইউনাইটেড লঞ্চ অ্যালায়েন্স (ইউএলএ)-এর ভালকান সেন্টর রকেটে ৩৮টি উৎক্ষেপণ। লকহিড মার্টিন করপোরেশন এবং বোয়িং কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে কার্যক্রমটি পরিচালিত হবে।

‘এটি আরিয়েনস্পেসের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় স্বাক্ষরিত চুক্তি’-বলেছেন আরিয়েনগ্রুপ প্রধান আন্দ্রে-হুবার্ত রুসেল। ‘এটি আড়াই বছর দীর্ঘ আলোচনার ফলাফল।’ অবশ্য আর্থিক লেনদেনের তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন রুসেল। তবে, ২০২৪ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে উৎক্ষেপণ বাস্তবায়নের বিষয়টি রয়টার্সকে জানিয়েছেন তিনি। প্রোজেক্ট কুইপারের লক্ষ্য, পৃথিবীর নিু কক্ষপথে তিন হাজার স্যাটেলাইট স্থাপন করে দ্রুতগতির ইন্টারনেট গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। পারিবারিক, বাণিজ্যিক এবং সরকারি সংস্থাগুলো এদের সম্ভাব্য গ্রাহক।

English Dainikbiswa

অভিনেতা দেব বিয়ে করছেন এই মাসেই, কাকে জেনে নিন…

পাকিস্তানের পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরুর কিছুক্ষণ পরেই মুলতুবি করা হয়