টিম অ্যাটলাস এর আবিস্কৃত রোবট ডিফেন্ডার আগুণ নেভাবে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

ওয়ার্ল্ড ইনভেনশন কম্পিটিশন অ্যান্ড এক্সিবিশন ২০২৩ (ডব্লিউআইসিই)–এর আইটি অ্যান্ড রোবোটিকস বিভাগে প্রথম হয়ে স্বর্ণপদক জিতেছে বাংলাদেশের দল ‘টিম অ্যাটলাস’। ইন্দোনেশিয়া ইয়ং সায়েন্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশন ও মালয়েশিয়ার মাহশা ইউনিভার্সিটির যৌথ আয়োজনে মালয়েশিয়ায় বসেছিল প্রতিযোগিতার পঞ্চম আসর। ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর—২০টি দেশের চার শতাধিক দল প্রতিযোগিতার পাঁচটি বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। অনলাইন ও অফলাইন—দুইভাবেই অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল। তাই একে বলা হচ্ছে হাইব্রিড মডেলের প্রতিযোগিতা।

টিম অ্যাটলাস কেন আলাদা

আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে ব্রোঞ্জ ও বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াডে গোল্ড মেডেল পাওয়া সানি জুবায়ের স্কুলজীবন থেকেই রোবোটিকসে আগ্রহী। তাঁর নেতৃত্বে বিজ্ঞান ও রোবোটিকসে আগ্রহী কয়েকজন শিক্ষার্থী ২০১৬ সালে গঠন করে ‘টিম অ্যাটলাস’।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিসহ নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫০ জন শিক্ষার্থী এই দলে কাজ করছেন। টিম অ্যাটলাসের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সানি জুবায়ের বলেন, ‘আমার উদ্দেশ্য ছিল আমার মতো বিজ্ঞানমনস্ক শিক্ষার্থীদের নিয়ে একসঙ্গে কাজ করা। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, স্কুল–কলেজের ছেলেমেয়েরাও আমাদের দলের সদস্য হতে পারে৷ বড় দল হওয়ার একটা সুবিধা হলো জ্ঞান ভাগাভাগি ও দক্ষতা প্রয়োগের জায়গাটা অনেক সমৃদ্ধ হয়।’

সদস্যরা শুধু আলাদা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরই নন, তাঁদের পড়ার বিষয়ও আলাদা। দলের নিজস্ব ল্যাবে যে যাঁর মতো করে ভূমিকা রাখেন। বেশ কয়েক বছর ধরে দলটি একসঙ্গে কাজ করেছে। একাধিক প্রতিযোগিতা থেকে এনেছে পুরস্কার।

ডব্লিউআইসিই ২৩–এ প্রথম হয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত দলটি। দলের সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহিম শাহরিয়ার মুঠোফোনে জানান, ‘বিশ্বে প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মাহশা বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। এ রকম জায়গায় প্রথম হওয়া নিঃসন্দেহে বড় আনন্দের বিষয়।’

অগ্নিদুর্ঘটনায় সম্মুখযোদ্ধা যে রোবট

বিশ্বব্যাপী অগ্নিকাণ্ডে যে ধরনের উদ্ধার পদ্ধতি প্রচলিত, সেটিকে কীভাবে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করা যায়, তা-ই নিয়ে কাজ করেছে টিম অ্যাটলাস। এ লক্ষ্যে একটি রোবট নির্মাণ করেছে টিম অ্যাটলাস। নাম ডিফেন্ডার। অ্যাটলাসের সদস্য, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী শিহাব আহমেদ বলছিলেন, ‘কোথাও আগুন লাগলে আমাদের রোবটটি সরাসরি আগুনের উৎস খুঁজে বের করে নেভানোর চেষ্টা করবে। তারপর পর্যায়ক্রমে গুরুত্ব বিবেচনা করে চারদিকে ছড়ানো আগুন নেভানোর কাজ করবে। রোবটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলবে, রিমোট দিয়েও পরিচালনা করা সম্ভব। অর্থাৎ, অগ্নিনির্বাপক দল ঘটনাস্থলের বাইরে থেকেই এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। আটকা পড়া মানুষ রোবটের সঙ্গে থাকা বক্স খুলে প্রাথমিক চিকিৎসার উপকরণও পাবেন।’

এ ছাড়া রোবটটিতে যুক্ত আছে স্মোক ভ্যাকুয়াম, যা কার্বন মনক্সাইডযুক্ত বিষাক্ত ধোঁয়া টিউবের মাধ্যমে বাইরে বের করতে সহায়তা করবে। দলনেতা সানি জুবায়ের যোগ করলেন, ‘অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে নির্মিত এই রোবট প্রায় ১০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কাজ করতে সক্ষম। এ ছাড়া আমরা আমাদের চলমান প্রকল্প নিয়েও প্রতিযোগিতায় কথা বলেছি। সমুদ্রে বা নদীতে হয়তো একটি জাহাজ বিপদে পড়ছে বা জাহাজে জরুরি চিকিৎসা উপকরণ পাঠাতে হবে। কিংবা হয়তো আগুন লেগেছে। রোবট দিয়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে কীভাবে জাহাজে আগুন নেভানো বা উদ্ধারসংক্রান্ত অন্যান্য কাজ করা যায়, সেটিও আমাদের চলমান প্রকল্পের অংশ।’

দলটির পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক সাইফুল ইসলাম। এ ছাড়া ডব্লিউআইসিইতে অংশ নেওয়া টিম অ্যাটলাসের সদস্যরা হলেন সানি জুবায়ের (ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি), শিহাব আহমেদ (নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি), ফাহিম শাহরিয়ার (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), মেহরাব ইসলাম (ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি) ও মেহরান ইসলাম (বিএএফ শাহীন কলেজ)। অনলাইনের মাধ্যমে দলকে সহযোগিতা করেছেন সাকিবুল আহসান (ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি) ও সানজিদা সিদ্দিকা (আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ)।

বছরের অন্যান্য অর্জন

বছরজুড়েই টিম অ্যাটলাসের হাত ধরে বাংলাদেশের ঘরে এসেছে নানা অর্জন। এ বছর মার্চ মাসে ভারতের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি), কানপুরে বসেছিল ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতা—টেককৃতি-২৩। বিভিন্ন দেশের ১৫০০ প্রতিযোগীর মধ্যে টেকনোভেশন বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে টিম অ্যাটলাস।

জুলাই মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হয় রোবোটিকস–সংক্রান্ত প্রতিযোগিতাগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় আয়োজন—ওয়ার্ল্ড রোবোটিকস কম্পিটিশন ২০২৩। যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়াসহ বিশ্বের ২২টি দেশের তিন শতাধিক দল অংশ নেয় রোবোটিকসের এই বিশ্বকাপে। নিজেদের তৈরি রোবটের সক্ষমতা প্রমাণ করে সেখানে টিম অ্যাটলাস হয়েছিল দ্বিতীয়।

Daily World News

বাগেরহাটের কচুয়ায় পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা

আমতলীতে বিভিন্ন কর্মসুচীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালিত

আজ রূপপুরে ইউরেনিয়াম আসছে সড়কপথে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য প্রধান জ্বালানি ইউরেনিয়াম ঢাকা থেকে সড়কপথে ঈশ্বরদীতে আনা হচ্ছে।

সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় ঢাকা-ঈশ্বরদী মহাসড়কে শুক্রবার ভোর থেকে বাস চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবে প্রকল্পে পৌঁছানোর পর এই বিধিনিষেধ থাকবে না।

বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পাবনার পুলিশ সুপার (এসপি) আকবর আলী মুনসী।

তিনি জানান, শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি ইউরেনিয়াম আসবে। যেহেতু ঢাকা-ঈশ্বরদী রুটে অনেক সময় যানজটের সৃষ্টি হয়, সে জন্য যানজট নিয়ন্ত্রণে ও নিরাপত্তার স্বার্থে শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে বাস চলাচল বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। তবে আরিচা-কাজিরহাট হয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় পাবনা রুটে যান চলাচল করতে পারবে।

পাবনা, ঈশ্বরদী থেকে ঢাকাগামী বাস কাউন্টারে টিকিট বিক্রি বন্ধ রয়েছে। দায়িত্বরত কর্মচারীরা জানান, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউরেনিয়াম আসবে, এ জন্য বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকালে রাশিয়া থেকে ঢাকায় শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছায় ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান। শুক্রবার রূপপুরে ইউরেনিয়াম এসে পৌঁছালেও রূপপুর প্রকল্পের কর্তৃপক্ষের কাছে আগামী ৫ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইউরেনিয়াম জ্বালানি হস্তান্তর করবেন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ।

উল্লেখ্য, দেশের সবচেয়ে আলোচিত ও বড় প্রকল্প ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে খরচ হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২২ হাজার ৫২ কোটি ৯১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। রাশিয়া থেকে ঋণ সহায়তা পেয়েছে ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২৪ সালের প্রথমদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করবে দেশের প্রথম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর। পরের বছর দুটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। মোট ২৪শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে এখানে।

অষ্টম মহাদেশ আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

প্রায় ৩৭৫ বছর পর পানির নিচে লুকিয়ে থাকা একটি মহাদেশ আবিষ্কার করেছেন ভূ-বিজ্ঞানীরা। মহাদেশটির নাম জিল্যান্ডিয়া। বিজ্ঞানভিত্তিক বার্তা সংস্থা ফিস ডট ওআরজির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

এতে বলা হয়, সমুদ্রতলে ম্যাপিং, পাথরের নমুনা বিশ্লেষণ ও টেকটোনিক প্লেটের ভূতাত্ত্বিক পরীক্ষার পর এ মহাদেশটির মানচিত্র প্রকাশ করেন বিজ্ঞানীরা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, জিল্যান্ডিয়া ১ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন বর্গ মাইল আয়তনের একটি বিশাল মহাদেশ। এটি আফ্রিকার দেশ মাদাগাস্কারের থেকে প্রায় ছয় গুণ বড়। অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত এ মহাদেশটি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন মহাদেশটির প্রায় ৯৪ শতাংশই পানির নিচে। এখানে নিউজিল্যান্ডের মতো কয়েকটি দ্বীপ রয়েছে।জিল্যান্ড মহাদেশ আবিষ্কারের সঙ্গে জড়িত থাকা নিউজিল্যান্ডের ক্রাউন রিসার্চ ইনস্টিটিউট জিএনএস সায়েন্সের ভূ-বিজ্ঞানী অ্যান্ডি তুলোচ বলেন, একটি স্পষ্ট বিষয় উন্মোচিত হতে কখনো কখনো যে অনেক সময় নিতে পারে, জিল্যান্ডিয়ার আবিষ্কার তার একটি উদাহরণ।

গবেষকরা বলছেন, জিল্যান্ডিয়া প্রায় ৫৫ কোটি বছর আগে গন্ডোয়ানা নামের একটি বৃহৎ মহাদেশের অংশ ছিল। গন্ডোয়ানা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর এটি পানির নিচে তলিয়ে যায়।

 

Google-এর ২৫ বছর

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট একটি ডুডল দিয়ে তার ২৫তম জন্মদিন উদযাপন করছে।

ডুডলটি ‘Google’ শব্দে ’25’ দ্বারা প্রতিস্থাপিত ‘oo’ অক্ষরগুলি দেখায়। গুগল ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ সালে কোফাউন্ডার সের্গেই ব্রিন এবং ল্যারি পেজ দ্বারা চালু হয়েছিল।

২৫ বছরে, Google আমাদের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্যবহার করার উপায় পরিবর্তন করেছে৷ ২০১১ সালের মে মাসে প্রথমবারের মতো Google-এ মাসিক অনন্য দর্শকের সংখ্যা এক বিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়।

এরপর থেকে গুগলকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

আট লক্ষ বছর বয়সের বৃক্ষ

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

থাইল্যান্ডের উত্তর প্রদেশে ফসিল আকারে গাছটি পাওয়া গেছে। গাছটির উচ্চতা ৭২.২ মিটার বা প্রায় ২৩৭ ফুট। ভেঙ্গে পড়ার আগে উচ্চতা ছিল ১০০ মিটার বা ৩২৮ ফুট। গাছটি প্রাগৈতিহাসিক। বয়স আট লক্ষ বছর। নিউজটা দেখার পর থেকেই মাথায় ঘুরছে আট লক্ষ বছর আগে পৃথিবী কেমন ছিল? প্রেম আশেপাশে থাকলে জিগ্যেস করলেই গড়গড় করে বলে দিতো। কিন্তু ভোর পাঁচটা বাজে।

পরিবেশ বিজ্ঞানে যতোটুকু পড়েছিলাম তখন তুষার যুগে শেষ হয়ে প্রকৃতি একটা ট্রানজিশনে যাচ্ছে। থাইল্যান্ডে ট্রপিক্যাল আবহাওয়া। কিন্তু এই বিশাল গাছটি কেন ভেঙ্গে মাটি চাপা পডলো? তারপর যোগসূত্র খুঁজে পেলাম। ৭.৯ লক্ষ বছর আগে লাওস- কম্বোডিয়া এলাকায় একটি বড উল্কাপিন্ড আঘাত হানে যাতে পৃথিবীর দশ শতাংশ ঘন ধুলার আবরণে ঢেকে যায়। হয়তো তখন ভেঙ্গে পড়েছে গাছটি। দূর কল্পনায় সেই প্রগৈতিহাসিক সময়টা ভাবতে ভাবতে অদ্ভূত রকমের অনুভূতি হয়। এই পৃথিবীতে মানুষেরও আগে ডাইনোসর বাস করতো, তারাও উল্কাপিন্ডের আঘাতে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখেছেন প্রতি সাত থেকে আট লক্ষ বছর পর পর বড় কোন উল্কাপিন্ড আঘাত করেছে পৃথিবীকে।

নজরও রাখা হচ্ছে এরকম বড় বড় কয়েকটার দিকে। আবার যে আঘাত হানবে না তার নিশ্চয়তা নাই। ভাবতে ভাবতে মনে হলো, ধুত, আজ শনিবার, ছুটির দিন। এসব না ভেবে আরেকটু ঘুমিয়ে নিই! Quora

চাঁদের বুকে ইসরোর রোভার প্রজ্ঞানের ৬ষ্ঠ দিন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

চাঁদের কক্ষপথে ঢুকেছে ভারতের মহাকাশ যান চন্দ্রযান-৩। দেখতে দেখতে সাত দিন হয়ে গেল। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (ইসরো) রোভার প্রজ্ঞান পৃথিবীর উপগ্রহের মাটিতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে।

গত বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিল তৃতীয় চন্দ্রযানের ল্যান্ডার বিক্রম।

টুইটারে ইসরোর শেয়ার করা ওই ছবি ও ভিডিওতে ল্যান্ডার বিক্রমের ভেতর থেকে রোভার প্রজ্ঞানকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে।

টুইটারে ইসরো প্রায় প্রতিদিনই চাঁদে বিক্রম আর প্রজ্ঞানের গতিবিধি এবং কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রোভারের অবতরণের কথা জানায় ইসরো। এ ছাড়া চাঁদের পরিবেশ সম্পর্কেও ধারণা দিয়েছেন এর বিজ্ঞানীরা।

এর পর শুক্রবার সন্ধ্যায় টুইটে ইসরো জানায়, চাঁদে ৮ মিটার পথ অতিক্রম করেছে প্রজ্ঞান। এর পেলোডগুলো ঠিকঠাক কাজ করছে। আংশিকভাবে প্রজ্ঞানের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বেঙ্গালুরুর অফিস থেকে।

এর আগে শনিবার জানানো হয়, চন্দ্রযান-৩ অভিযানের মূল যে তিনটি লক্ষ্য ছিল, ইতোমধ্যে দুটি পূরণও হয়েছে। চাঁদের মাটিতে সফলভাবে ল্যান্ডারের অবতরণ এবং রোভারকে ওই জমিতে চলাফেরা করানোর পর অভিযানের তৃতীয় উদ্দেশ্য ছিল, চাঁদের মাটিতে অনুসন্ধান চালানো। এখন সেই কাজ চলছে বলে জানায় ইসরো।

এদিকে চন্দ্রযান-৩ চাঁদের যে অংশে অবতরণ করে, সেই জায়গার নামকরণ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

তিনি জানান, অবতরণস্থলের নাম হবে ‘শিবশক্তি পয়েন্ট’। এ ছাড়া চন্দ্রযান-২ যেখানে চার বছর আগে ভেঙে পড়েছিল, তার নাম হবে ‘তেরঙা পয়েন্ট’। ২৩ আগস্ট দিনটিকে ভারতের জাতীয় মহাকাশ দিবস হিসেবেও ঘোষণা করেন মোদি।

রোববার সংস্থাটি জানায়, চাঁদের মাটির উষ্ণতা পরিমাপ করে সেই তথ্য পৃথিবীকে জানিয়েছে প্রজ্ঞান। সেখানে দেখা গেছে, চাঁদের মাটির গভীরে উষ্ণতা অপেক্ষাকৃত বেশি। এর পর দিন সোমবার প্রজ্ঞানকে নিয়ে নতুন তথ্য দেওয়া হয়। যেখানে বলা হয়, চাঁদের মাটিতে চার মিটার চওড়া একটি গর্তের মুখোমুখি হয়েছিল রোভারটি। তবে ইসরোর বিজ্ঞানীরা একে ফিরিয়ে আনেন।

প্রসঙ্গত, বুধবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণ করে চন্দ্রযান-৩। আর সেই সফল অবতরণের সঙ্গে সঙ্গে পুরো বিশ্বে এক অনন্য নজির স্থাপন করে ভারত।

Daily World News

৬০ বিঘার বেশি জমি সংক্রান্ত নতুন আইনে কি কি আছে….

নাটোর-৪  সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস আর নেই

ডুমুরিয়ায় আটলিয়া আইপিএম মডেল ইউনিয়নের কৃষক গ্রুপকে ভ‍্যান ও ক‍্যারেট বিতরন

  //বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা //

ডুমুরিয়ার আটলিয়া আইপিএম মডেল ইউনিয়ন কৃষক গ্রুপের মধ‍্যে ২০ টি পন‍্য পরিবহন  ভ‍্যান ও ৫’ শতটি ক‍্যারেট বিতরন করা হয়। পরিবেশ বান্ধব কৌশলে মাধ‍্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রকল্পের ( প্রথম সংশোধিত) আওতায়  নিরাপদ সবজি পরিবহন জন‍্য এ সকল ভ‍্যান ও ক‍্যারেট বিতরন করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে রবি ও খরিপ -১  মৌসুমে আইপিএম মডেল ইউনিয়নে কৃষকরা দু শত একর জমিতে নিরাপদ সবজি উৎপাদন করেন। এসকল কৃষকদেরকে উপজেলা  কৃষি অফিস  সার্বক্ষণিক প্রশিক্ষণ ও নিরাপদ সবজি উৎপাদনের  প্রর্দশণী প্লট স্থাপন,  পলিমালচ মাধ‍্যমে সবজি উৎপাদন, উন্নত মানের বীজ, জৈব সার, ফেরোমোন ফাঁদ, হলুদ ফাঁদ, নীল ফাঁদ, জৈব‍ বালাই নাশক প্রদান করা হয়।

এছাড়া প্রকল্পের মাধ‍্যমে  পাঁচ শত জন কৃষক হাতে কলমে প্রশিক্ষত হয়েছেন। উপজেলা কৃষি অফিসার ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন উপজেলা  ব‍্যাপক সবজি উৎপাদন হয়। এ উপজেলা কৃষিতে মডেল। পরিবেশ বান্ধব কৌশলে মাধ‍্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রকল্পের  আওতায় কৃষক  যাতে নিরাপদ সবজি উৎপাদন করে সেই লক্ষ্যে কৃষি দপ্তর কাজ করছে। কৃষকরা নেট হাউজের মাধ‍্যমে নিরাপদ ও বিষ মুক্ত সবজি উৎপাদন করতে পেরে  কৃষকরা খুশি। এ ছাড়া এ পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদনে  উপজেলায় ব‍্যপক সাড়া পড়েছে। এ সবজির বাজার মূল‍্যেও  বেশি পাচ্ছেন।

ডুমুরিয়ায় প্রযুক্তি নির্ভর সমন্বিত সম্পদ ব‍্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

  ।। বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা।।

ডুমুরিয়ায় যুব উন্নযন ইমপ‍্যাক্ট প্রকল্প এর আওতায় উপজেলা পর্যায়ে ১ম ব‍্যাচের দারিদ্র বিমোচন লক্ষ‍ে‍ ব‍্যাপক প্রযুক্তি নির্ভর সমন্বিত সম্পদ ব‍্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২৫ মে বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত  হযেছে। উপজেলা প্রশাসনিক কমপ্লেক্স এর হলরুমে আয়োজিত প্রশিক্ষণে

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান এর সভাপতিত্বে  ও যুব উন্নযন কর্মকর্তা মো: কামরুজ্জামান এর পরিচালনায় প্রশিক্ষক কমাশালা উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব‍্য দেন  সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি, উপজেলা  মহিলা ভাইন্স  চেয়ারম‍্যান শারমিনা পারভীন রুমা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতা মো; আরশাফ হোসেন, প্রকল্পের  ক্রেড়িট ও মাকেটিং অফিসার প্রীতিস রায় প্রমুখ।

আমতলীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ বিতরণ

সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বরগুনার আমতলী উপজেলার ১৩৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মধ্যে ১৩৮টি ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়েছে। আজ শ্রক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের হল রুমে এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আশ্রাফুল আলম এর সভাপতিত্বে ল্যাপটপ বিতরনের শুভ উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বরগুনা-১ আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মজিবুর রহমান,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তামান্না আফরোজ মনি ও আমতলী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল আলম প্রমুখ।

কিসিং ডিভাইস….! চীন এটা কি তৈরী করল…!

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ভিডিওকলে সঙ্গীকে চুমু দেওয়া যাবে, আর সেই চুমুতে বাস্তব চুমুর স্বাদও মেলবে, এমন একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেছে চীন। খবর সিএনএনের।

উষ্ণ আর নড়াচড়া করতে পারে এমন সিলিকন ঠোঁটযুক্ত এক অদ্ভুত চীনা ডিভাইস নিয়ে এসেছে চীনের চাংঝো ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট অব মেকাট্রনিক টেকনোলজি।

চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম উইবোতে ডিভাইসটির বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে, যেখানে দূরে থাকা দম্পতি বা প্রেমিক-প্রেমিকারা বাস্তব চুমুর স্বাদ পাবেন।

ডিভাইসটিতে প্রেসার সেন্সর ও সিলিকন ঠোঁট নাড়াতে পারে এমন যন্ত্র রয়েছে। ফলে সেটি ব্যবহারকারী ঠোঁটের চাপ, নড়াচড়া ও তাপমাত্রা অনুযায়ী ‘বাস্তবিক চুম্বনের’ অনুভূতি তৈরি করতে পারে। চুম্বনের সঙ্গে এটি ব্যবহারকারীর শব্দও অনুকরণ করতে পারে।

চীনের নতুন এই ডিভাইস নেটদুনিয়ায় হইচই ফেলে দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ ডিভাইসটি নিয়ে রসিকতা করলেও, অনেকে একে ‘অশ্লীল’ বলেছেন। অপ্রাপ্তবয়স্করাও এটি কিনতে ও ব্যবহার করতে উৎসাহ পেতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অনেকে।

সিএনএন জানিয়েছে, কারো সঙ্গে চুম্বনে প্রথমে ব্যবহারকারীকে একটি মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে এবং ডিভাইসটিকে মোবাইলের চার্জিং পোর্টের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। এর পর অপরপ্রান্তের সঙ্গীর সঙ্গে অ্যাপে যুক্ত হলে উভয়ে ভিডিও কল করতে পারবে এবং চুম্বন আদান-প্রদান করতে পারবে।