পিতার বিচার চাইতে আদালতে সালাম মুর্শেদীর মেয়ে ব্যারিস্টার ঐশী

//আ: রাজ্জাক শেখ//

রিট মামলা বিচারাধীন থাকার পরও খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীকে ক্রিমিনাল, করাপ্ট  বলায় ব্যারিস্টার সুমনের কড়া সমালোচনা করেছেন সালাম মুর্শেদীর মেয়ে ব্যারিস্টার শেহরিন সালাম ঐশী।

রোববার (২৭ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের কাছে তিনি তার বক্তব্যে তুলে ধরেন।

ব্যারিস্টার শেহরিন সালাম ঐশী বলেন, ‘আমার বাবার বিরুদ্ধে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক রিট করেছেন। রিটটি করার পর থেকে দুঃখজনকভাবে তিনি একাধিক লাইভ করেছেন। যেখানে তিনি সম্মানিত সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদীকে বিভিন্ন নামে ট্যাগ দিয়েছেন। তাকে তিনি ক্রিমিনাল ট্যাগ দিয়েছেন, করাপ্ট ট্যাগ দিয়েছেন। এটা দুঃখজনক, তিনি (ব্যারিস্টার সুমন) একজন আইনজীবী। আমি নিজেও একজন আইনজীবী। আমি বুঝতে পারি না, যে ম্যাটারটি মাননীয় আদালতের সামনে বিচারাধীন আছে। আদালতকে অবমাননা করে কেমন করে তিনি বিচারাধীন বিষয় নিয়ে লাইভে দিতে পারেন। এটা দুঃখজনক।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি মনে করি আমাদের সামনে যে সাংবাদিক ভাই-বোন আছে তারা অবশ্যই এটা বিবেচনায় নেবে। আপনাদের হাত দিয়ে সত্যি কথাটাই যাওয়া উচিত। আমরা সব সময় সেটাই দেখে আসছি। সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করছি।

ব্যারিস্টার ঐশী বলেন, ‘আমার বাবা শুধু সংসদ সদস্য নয়। তিনি বাংলাদেশের একজন গৌরবোজ্জ্বল ফুটবলার। যারা ক্রীড়া বিটে কাজ করেন তারা তার সম্পর্কে জানেন। আমি আজ আইনজীবী হিসেবে নয়, আমি একজন মেয়ে হিসেবে এসেছি বাবার জন্য বিচার চাইতে। যারা তাকে ব্যবসায়ী হিসেবে, পলিটিশিয়ান হিসেবে দেখেছেন তারা জানেন তিনি কি ধরনের মানুষ। বাবাকে এভাবে লাইভে যখন হীন করা হয়, তখন দুঃখ লাগে। অনুরোধ জানাবো, প্লিজ পাবলিসাইজ করবেন না। একটা ম্যাটার যখন কোর্টে আছে। কোর্টই সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা মহামান্য আদালতকে সম্মান দিচ্ছি।

এদিকে সরকারের সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে বাড়ি বানানোর অভিযোগে সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে দায়ের করা রিটের পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) দিন ধার্য করেন আদালত।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার অনীক আর হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। সালাম মুর্শেদীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা।

এর আগে ১৩ নভেম্বর সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশানের বাড়ি সম্পর্কিত কাগজপত্র হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। সালাম মুর্শেদীর পক্ষে কাগজপত্র দাখিল করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা।

গত ১ নভেম্বর সরকারের সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে বাড়ি বানানোর অভিযোগে সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না? তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে এ সম্পত্তি সম্পর্কিত সব কাগজপত্র ১০ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) রাজউক, গণপূর্ত বিভাগ ও সালাম মুর্শেদীকে নির্দেশ দেন আদালত।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

তারও আগে সরকারের সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে বাড়ি বানানোর অভিযোগে সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে রিট করা হয়। ৬ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এ রিট দায়ের করেন। রিটে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

Daily World News

সম্পত্তির লোভে স্ত্রী সন্তানের কথা গোপন রেখে বিয়ে, থানায় লিখিত অভিযোগ

বাগেরহাটের রামপালে সাজাপ্রাপ্ত প্রতারক উজ্জ্বলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে চেক প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত উজ্জ্বল কুন্ডু (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। রবিবার সন্ধায় উপজেলার ফয়লাহাট এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। সে উপজেলার দলদাহ গ্রামের মৃত পুলিন বিহারী কুন্ডুর পুত্র।

রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার অভিযানিক দলের এসআই রিফাজ সংগীয় ফোর্সসহ উজ্জ্বল কে রবিবার সন্ধায় গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতের ৫ মাসের কারাদণ্ডাদেশ ও ৫ লক্ষ টাকা জরিমানার আদেশ রয়েছে। আটককৃত উজ্জ্বলকে সোমবার সকলে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

স্ত্রীর মামলায় খুলনা কারাগারে সেই এস আই সোবহান 

//স্টাফ রির্পোটার//

দ্বিতীয় স্ত্রীকে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন ও হত্যা প্রচেষ্টা মামলায়  খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এসআই সোবহান মোল্লাকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) খুলনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক আব্দুস ছালাম খান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ২০২১ সালে ১৫ ডিসেম্বর এস আই সোবহান মোল্লার দ্বিতীয় স্ত্রী বিনতে ফাকের আদালতে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম বলেন, এ বছরের ৬ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক লুৎফর রহমান আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ১৩ সেপ্টেম্বর আদালত এস আই সোবহান মোল্লার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক গ্রেপ্তরী পরোয়ানা জারি করেন। এরপর তিনি উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন লাভ করেন। বুধবার আদালতে তার আত্মসমর্পণ করার দিন ছিল। কিন্তু তিনি সেদিন আদালতে উপস্থিত হননি। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি সশরীরে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

তিনি আরও বলেন, প্রথম স্ত্রীর তথ্য গোপন করে ২০২০ সালের ১২ মে ফারজানা বিনতে ফাকের নামের এক কিশোরীকে বিয়ে করেন সোবহান। সোবহান তখন নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত ছিলেন। বিয়ের পর থেকে দ্বিতীয় স্ত্রীকে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করতে থাকেন তিনি। একাধিকবার স্ত্রীকে মারপিট করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। উপায় না পেয়ে ২০২১ সালের ১৫ ডিসেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ফারজানা বিনতে ফাকের। আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্ত নিয়ে আদালতে দীর্ঘ আলোচনা হয়। সর্বশেষ মঙ্গলবার আদালত সোবহান মোল­ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

এর আগে চলতি বছরের ১৩ ফেব্র“য়ারি খুলনা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে দ্বিতীয় স্ত্রী ফারজানা বিনতে ফাকের (ক্ষমা) বলেছিলেন, এস আই সোবহান মোল­া সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত থাকাকালীন তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে ২০২০ সালের ১২ মে তাকে প্রলুব্ধ করে নগরীর ১৮নং ওয়ার্ডের কাজী অফিসে নিয়ে ৩ লাখ টাকা দেন মোহর নির্ধারণ করে বিয়ে করেন। কিন্তু পরে তিনি জানতে পারেন সোবহান মোল­ার প্রথম স্ত্রী ও দু’টি সন্তান রয়েছে। তখন তিনি এম এম সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থী হওয়ায় তার প্রতারণার বিষয়টি তিনি ধরতে পারেননি। কিন্তু বিষয়টি জানাজানি হলে তার ওপর নেমে আসে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।

এক পর্যায়ে এসআই সোবহান মোল­া তাকে কীটনাশক পানে আত্মহত্যা করতে প্ররোচনা দেন। এ কারণে তিনি মারাত্মক অসুস্থ হয়ে ২০২০ সালের ৩ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এমনকি তাদের বিয়ের প্রমাণ নষ্ট করতে তিনি রেজিস্ট্রার দেখার অজুহাতে ১৮নং ওয়ার্ডের কাজী অফিসে গিয়ে রেজিস্ট্রারের ৬নং ভলিয়মের ১৪নং পাতা ছিঁড়ে ফেলেন। প্রতিবাদ করলে নিকাহ রেজিস্ট্রারকে (কাজী) জীবননাশের হুমকি দেন। এ বিষয়ে কাজীর সহকারী সোনাডাঙ্গা থানায় জিডি করতে গেলে তা গ্রহণ করা হয়নি। ফলে কাজী খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। যদিও থানার ওসির মধ্যস্থতায় ২০২০ সালের ১ ডিসেম্বর আবারও তাদের বিয়ে রেজিস্ট্রি করা হয়।

স্ত্রী ফারজানা বিনতে ফাকের আরও অভিযোগ করেন, তার সুখের জন্য পিতা-মাতা ৫ লাখ টাকার মালামাল দেয়। কিন্তু তারপরও এসআই সোবহান ইন্সপেক্টর হিসেবে প্রমোশনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ৫০ লাখ টাকা ঘুষের ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। মেয়ের সংসারের সুখের জন্য তার পিতা দু’দফায় ১০ লাখ করে তাকে ২০ লাখ টাকা যৌতুক দিতে বাধ্য হন। এরপরও তার কাছে আরও ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। কিন্তু তার পরিবারের পক্ষে আরও যৌতুক দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় বিভিন্ন সময় তাকে নির্যাতন করা হয়। এমন কি কোলের শিশু পুত্রের দুধ কিনে দেওয়ার কথা বলে সোনাডাঙ্গা থানায় ডেকে নিয়েও তাকে পিস্তল দিয়ে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া এবং আসামি পেটানোর লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। এতে তার মাথায় ১২টি সেলাই দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন ফারজানা বিনতে ফাকের।

এসব ঘটনায় তিনি স্বামী এস আই সোবহানের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। এ খবর জানতে পেরে ওইদিনই সোবাহান পুলিশের পোশাক পরিহিত অবস্থায় তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং তার পিতার কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে, না দিলে হুমকি দেয়। এ ঘটনায়ও তিনি ২৭ ডিসেম্বর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (আমলী সোনাডাঙ্গা) আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মাগুরার মহম্মাদপুরে ময়না তদন্তের জন্য ৩৭ দিন পর ধনী বক্কারের লাশ কবর থেকে উত্তলন

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

মাগুরার মহম্মাদপুর উপজেলার বড়রিয়ার গ্রামের আবু বক্কার শেখ ওরফে ধনী বক্কারের লাশ অদ্য বুধবার দুপুরে পোষ্ট মর্টেমের জন্য কবর থেকে উত্তলন করা হয়েছে। চলতি বছর ২ অক্টোবর হৃদরোগে তার মৃত্যু হয়েছে বলে তার লাশ ধোয়ালই গোরস্থানে দাফন করা হয়।

মৃত্যর ১০ দিন পর ১১ অক্টোবর তার পুত্র সাগর বাদী হয়ে
মা সীমা পারভীন সহ ৫ জনের নামে মাগুরা জজ কোর্টে একটি হত্যা মামলা করে। মালায় তার পিতা আবু বক্কারকে চেতনা নাশক ঔষধ সেবন ও শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ আনাহয়। ঐ মামলার প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে একজন ম্যাজিষ্ট্রেট, পুলিশ প্রশাসন ও গণ্যমাণ্য ব্যাক্তি বর্গের উপস্থিতিতে তার লাশ ময়না তদন্তের জন্য উত্তলন করা হয়।তার মৃত্যু কি সাভাবিক ছিল না হত্যা? এখন অপেক্ষা শুধু ময়না তদন্তের রিপোর্ট জন্য।

লাশ উত্তোলনের সময় শতশত উৎসুক জনতা গোরস্থানের আসে পাশে অবস্থান করে।

ডুমুরিয়ার চুকনগরে অনিবন্ধন ক্লিনিকে ভ্রাম্যমান আদালত। ম্যানেজারকে ২ মাসের কারাদন্ড

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

খুলনার ডুমুরিয়ার চুকনগরে নিবন্ধন বিহীন, ডাক্তার-নার্স না থাকা ভ্রাম্যমান আদালত সেবা ক্লিনিক নামে একটি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার কে ২ মাসের কারা দন্ড প্রদান করা  হয়েছে। ৮ নভেম্বর  মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ আসিফ রহমানের আদালত এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন।

আদালত সংশ্লিষ্ট জানা গেছে, ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বাজারে জনৈক আফজাল হোসেন সেবা ক্লিনিক নামে একটি অনিবন্ধিত ক্লিনিক খুলে বিধি অনুযায়ী ডাক্তার-নার্স নিযুক্ত না করে রোগী ভর্তি ও চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন।

বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি গোচর হলে মঙ্গলবার বিকেলে ক্লিনিকে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করে মেডিকেল প্রাক্টিস এন্ড প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ল্যাবরেটরী আইন ১৯৮২ এর ৯ ধারার ১৩ উপধারা লঙ্ঘনের অপরাধে ক্লিনিকের ম্যানেজার নাজমুল হোসেন কে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ প্রদান করা হয় অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাক্তার শেখ সুফিয়ান রুস্তম, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ নাঈম উদ্দীন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আবুজার হুসাইন,থানা পুলিশের সদস্যবৃন্দ।

 

খুলনা ২৭ বছরের নারীর লোমহর্ষক হত্যার মূলরহস্য উদঘাটনঃ মূলহোতা গ্রেফতার

//স্টাফ রিপোটার//

র‌্যাব ফোর্সেস আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির অপ্রতিরোধ্য উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে তরান্বিত করতে এবং সন্মানিত নাগরিকদের জন্য টেকশই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনের আলোকে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে সংগঠিত চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে র‌্যাব জনগনের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।গত কিছুদিন পূর্বে আসামী আবু বক্কর মোল্লার সাথে ভিকটিম কবিতা রানী (২৭), থানা-সোনাডাঙ্গা, কেএমপি খুলনার পরিচয় হয়। এই পরিচয়ের সুবাদে ভিকটিমকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে গত ০৫ নভেম্বর ২০২২ তারিখ রাতে আসামী আবু বক্করের ভাড়াবাড়িতে নিয়ে আসে। সেখানে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয় এবং ভিকটিম উচ্চস্বরে কথা বলতে থাকে।

আসামী আবু বক্কর তাকে নিচু স্বরে কথা বলতে বললেও সে বিরত হয়নি। তখন আসামী আবু বক্কর ভিকটিমকে হত্যার উদ্দেশ্যে খাটের উপর ফেলে ৫/৭ মিনিট মুখ চেপে ধরে। ভিকটিমের জিহ্বা বের হয়ে যায় ও চোখ উল্টে যায়। ভিকটিমের লাশ গোপনের কৌশল বের করার জন্য আসামী তার পরিচিত দুইজন বন্ধুকে ফোন দেয়। এরপর আবু বক্কর প্রথমে ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য ধারালো বটি দিয়ে দেহ হতে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। টুকরা টুকরা করে লাশটি গুম করার উদ্দেশ্যে ধারালো বটি দিয়ে উভয় হাতের কব্জি আলাদা করে। ভিকটিমের পরিধেয় পোশাক আলাদা করে মৃতদেহ একটি বক্সের মধ্যে ঢুকিয়ে বেধে ফেলে এবং মাথা একটি পলিথিনে মুড়িয়ে রাখে। বিচ্ছিন্ন হাতের কব্জি একটি শপিং ব্যাগে ঢুকিয়ে পার্শ্ববর্তী স্থানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।হত্যাকান্ডের শিকার নারীর পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ায় থানা পুলিশ বাদী হয়ে কেএমপির খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনাটি বিভিন্ন মিডিয়ায় বহুল প্রচারিত হয় এবং জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৬ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে এবং আসামী গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় ০৬ নভেম্বর ২০২২ তারিখ র‌্যাব-৬ এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারে যে, উক্ত চাঞ্চল্যকর লোমহর্ষক হত্যা মামলার মূলহোতা গাজীপুর জেলার বাসন থানা এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি অদ্য ০৭ নভেম্বর ২০২২ তারিখ ০১.৩০ ঘটিকার সময় গাজীপুর জেলার বাসন থানাধীন চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হত্যার ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত আসামী ১। আবু বক্কর মোল্লা(২৫), থানা-রামপাল, জেলা-বাগেরহাট, বর্তমান ঠিকানা-শিববাড়ী, গোবরচাকা, থানা-সোনাডাঙ্গা, জেলা-খুলনাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে কেএমপি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তরের কাজ প্রক্রিয়াধীন।

নাঙ্গলকোটে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাড়ির জায়গা দখলের অভিযোগ

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে রায়কোটে দক্ষিণ ইউপির  শ্যামেরখিল গ্রামে জে.আই. ইসলামিক সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির নাম দিয়ে খোদেজা বেগম নামের এক বৃদ্ধার বাড়ির জায়গা দখল করার অভিযোগ উঠেছে আদম ব্যবসায়ী লোকমান শাহ বিরুদ্ধে।

জায়গা উদ্ধারের জন্য খোদেজা বেগম পুলিশ প্রশাসন সহ বিভিন্ন ধারে ধারে ঘুড়িয়ে ভেড়াচ্ছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের শ্যামিরখিল গ্রামের আদম ব্যবসায়ী লোকমান শাহ ৩২ শকত জায়গার ওপর জে.আই. ইসলামিক সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি নামক একটি কারিগরি কলেজ স্থাপন করেন। যার ১৫ শতক জায়গা মালিক হলেন খোদেজা বেগম। তার অংশে সে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। এদিকে প্রতিষ্ঠানটির শুরু থেকে নেই কোন প্রতিষ্ঠানিক শিকার কার্যক্রম। যা কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে ভূমি জটিলতায়ও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ নিয়ে লোকমান শাহ আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালতে নাঙ্গলকোট থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী উভয় পক্ষকে  স্থিতি বজায় রাখাতে নাঙ্গলকোট থানার উপ-পরিদর্শক আবুল খায়ের উভয়কে নোটিশ প্রদান করেন।

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গত কয়েক দিন থেকে লোকমান শাহর লোকজন দিয়ে বাড়িটি দখল নিতে দফায় দফায় টিনসেডের বেড়া ভাংচুর করে করে।

ভুক্তভোগী খোদেজা বেগম বলেন, ৩২ শতক জায়গার মধ্যে খোদেজা বেগম ১৫ শতক জায়গার মালিক। তার অংশে সে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। লোকমান শাহ ভুয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে তার জায়গা জোরপূর্বক দখল চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাড়ির বেড়া ভাংচুর করে। ন্যায় বিচারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত লোকমান শাহ ঢাকায় থাকেন। তার মুঠো ফোনে বার বার কল দিও বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

নাঙ্গলকোট থানার ওসি মোঃ ফারুক হোসেন বলেন, আদালতের আদেশ অনুযায়ী উভয়পক্ষকে স্থিতি বজায় রাখতে নোটিশ প্রদান করি। শীগ্রই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

যশোর জেলা ডিবি পুলিশের সফল অভিযানে ফেনসিডিল উদ্ধার, গ্রেফতার-০১

 

শনিবার (২২ অক্টোবর ২০২২খ্রিঃ) ডিবি যশোরের এসআই (নিঃ) শেখ আবু হাসান, সংগীয় এসআই (নিঃ) মোঃ সোলায়মান আক্কাস, এএসআই (নিঃ) মোঃ শফিউর রহমান, এএসআই (নিঃ) মোঃ নাজমুল ইসলাম ও ফোর্সের সমন্বয়ে একটা চৌকস টিম কোতয়ালী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া উক্ত তারিখ ১৯:৫০ ঘটিকায় যশোর কোতয়ালী থানাধীন নিউমার্কেট সাকিনস্থ সজল অটো নামক দোকানের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর হতে আসামী (১) রায়হান আহমেদ রাব্বি (২৬), পিতা- সুলতান আহম্মেদ, সাং- পিয়ারী মোহন রোড, বেজপাড়া, থানা- কোতয়ালী, জেলা- যশোরকে আটক করা হয়। আটককৃত কে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তার দেওয়া তথ্য মতে কোতয়ালী মডেল থানাধীন পদ্মবিলা সাকিনস্থ যশোর ট্রেডিং এর অভ্যন্তরে ইলা অটো রাইচ মিলের গোডাউনের উত্তর পূর্ব কোনায় বস্তায় ভরা ধানের গুদামের উপর একটি ধানের বস্তার নিচ হতে পৃথক দুটি প্যাকেটে ৫০ (পঞ্চাশ) বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার করেন।

উদ্ধারকৃত আলামতের মূল্য অনুমান ১,৫০,০০০/= (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা।

এ সংক্রান্তে এসআই (নিঃ) শেখ আবু হাসান বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় এজাহার দায়ের করেন।

বরিশাল নগরীতে ০৯ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৩৯,০০০ হাজার টাকা জরিমানা

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল //

বরিশাল নগরীর বাজার রোড,হাটখোলা এবং নতুন বাজার এলাকায় পরিচালিত বাজার তদারকিমূলক অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন,২০০৯ এর বিভিন্ন ধারা লংঘনের অপরাধে ০৯ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৩৯,০০০/- টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়। আজ শনিবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মহোদয়ের অর্পিত ক্ষমতাবলে এবং জেলা প্রশাসক বরিশাল মহোদয়ের নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক জনাব অপূর্ব অধিকারী মহোদয়, সহকারী পরিচালক জনাব সাফিয়া সুলতানা এবং জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জনাব মোঃশাহ্ শোয়াইব মিয়া।

অভিজান চলাকালে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় ০৩ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৮,০০০/- টাকা এবং সরকার নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা অতিরিক্ত মূল্যে খোলা চিনি বিক্রয় করার অপরাধে ০৬ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৩১,০০০/- প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হয়।

সার্বিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি টিম। অভিযান চলাকালে স্থানীয় নাগরিকদের মাঝে ভোক্তা অধিকার আইন সংক্রান্ত লিফলেট বিতরণ করা হয়। জনস্বার্থে বাজার তদারকিমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তারা জানান

বাগেরহাটের রামপালে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মাদকসেবির ৬ মাস কারাদণ্ড

এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে ৩ মাদকসেবিকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দিন দিপু আদালত বসিয়ে এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার এর অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাটের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর মিলন কুমার মুখার্জি সহ একটি টিম নিয়ে উপজেলার কুমলাই ও চাকশ্রী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা থেকে সোয়া ৯ টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে ৩ জনকে আটক করা হয়।

ওই সময়ে তাদের কাছ থেকে মোট ২৫০ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। আটককৃতরা হলো কুমলাই গ্রামের মো. ডালিম শেখ (৩০), চাকশ্রী গ্রামের শেখ রফিকুল ইসলাম (৫০) ও তার পুত্র তরিকুল ইসলাম (২৫)। আটককৃতদের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।