চট্টগ্রামের পটিয়ার নির্মাণাধীন সেতুর গার্ডার ধসে ৩জন আহত

 

চট্টগ্রামের পটিয়ার নির্মাণাধীন সেতুর গার্ডার ধসে ৩ শ্রমিক আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পটিয়া উপজেলার কালারপুল এলাকায়। ঘটনায় আহত শ্রমিকরা হলেন, মোহাম্মদ রবিউল (৩০), ফেরদৌস (৪০), মোহাম্মদ মফিজ (২৮)। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, গত শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে পটিয়ার কালারপুল এলাকায় নির্মানাধীন সেতুর কাজ চলমান অবস্থায় ক্রেনের ত্র“টির করানে তিনটি গার্ডার বিকট শব্দে ধসে নদীতে পড়ে যায়। এ সময় তিন জন শ্রমিক আহত হয়।

এ ব্যাপারে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুমন সিংহ জানান, ভেঙ্গে পড়া গার্ডার গুলোর দুইটির দূরত্ব মাত্র দুই মিটার। সে কারনে বসানের সময় তিনটি গার্ডার নদীতে পড়ে যায়। সেতু নির্মানের কোন ত্র“টির কারনে এটি হয়নি। কোন ধরনের অনিয়মও হয়নি। তবে টিকাদারের ৭৫ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রামের পটিয়া ও কর্ণফুলী উপজেলার সীমান্ত এলাকা কালারপুলে এ সেতুটি নির্মিত হচ্ছে। এটি কালারপুল সেতু নামে পরিচিত। দোহাজারী সড়ক বিভাগের অধীনে নিমাণধীন সেতুটির নির্মাণকাজ পেয়েছে রানা বিল্ডার্স ও হাসান বিল্ডার্স নামে দুটি টিকাদারী প্রতিষ্টান।

তবে পরবর্তীতে হাতবদল হয়ে বর্তমানে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে জাকির এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্টান।

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শাটডাউন বাস্তবায়নে  নাগরিক সম্পৃক্ততা থাকতে হবে: বিসিসি

চলমান লকডাউনে যশোর জেলার সকল এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধ করার নির্দেশ

 

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে নাগর নদী থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল,  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় ইউনিয়নের গত (২৫ জুন শুক্রবার) উপজেলার শাহানাবাদ গ্রামের ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত বাংলাদেশের ২৫০ মিটার পূর্ব দিকে নাগর নদীতে মেইন পিলার ৩৭২/৭ এ থেকে যুবকের ভেসে যাওয়া লাস উদ্ধার। মৃত ব্যাক্তি উপজেলার কাদিহাট ( পাটাগড়া বুকধিরপাড়) গ্রামের জব্বার আলীর ছেলে শাহজাহান (২৫) পুলিশ ও স্থানীয় সুত্র মতে জানা গেছে, মৃত ব্যাক্তি গত ২৪ জুন তার নানির বাড়ি যাওয়ার জন্য সকাল ১১ টার দিকে বেড় হয়ে যায়।

পরদিন ২৫ জুন বিকেলে তার লাস নাগর নদীতে ভেসে বেড়া অবস্থায় পুলিশ ও এলাকাবাসি মিলে উদ্ধার করে। লাসের পরিচয় না পেয়ে গন যোগাযোগ ফেসবুক মাধ্যমে তার ছবি আপলোড দেওয়া হয়।

এরই প্রেক্ষিতে তার বাবা এসে শনাক্ত করে ছেলে আমার। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, মৃত্যুর আসল ঘটনা এখনো জানা যায় নি। ভিকটিমের বাবা থানায় একটি অপমৃত্যু মানলা রুজু করেছে।

লাশ ময়নাতদন্ত জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসার পরে ব্যাবস্তা নেওয়া হবে।

গজারিয়ায় সরকারী জমি উদ্ধার নিয়ে বিভ্রান্তিতে সংঘর্ষ: আহত ৩

 

গজারিয়ায় সরকারী জমি উদ্ধার, মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নে চর বাউশিয়া গ্রামে গতকাল বৃহঃস্পতিবার উভয়মুখী হামলায় সংর্ঘষ ও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষে আহতরা হলেন বাউশিয়া ইউনিয়নের চর বাউশিয়া গ্রামের স্বপন মিয়ার সহধর্মিনী মিনু বেগম (৪০), ছন্দু মিয়ার দুই ছেলে কাজল মিয়া (৩০) ও রুবেল মিয়া (২৬)।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় সংঘর্ষে তিন জন আহত হয়ে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আহতরা এখন অনেকটা শঙ্কামুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বরত চিকিৎসক। খোঁজ নিয়ে জানা যায় উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চর বাউশিয়া গ্রামে বাংলাদেশ সরকারের ১নং খতিয়ান ভুক্ত খাস জমি উদ্ধার করে সেখানে প্রধানমন্ত্রী উপহার ভূমিহীন দের জন্য ঘর নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায় স্থানীয় প্রশাসন।

প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে স্থানীয় জনমনে ছরায় বিভ্রান্তি ফলে স্থানীয়দের মধ্যে মতানৈক্য ও গোলযোগ সৃষ্টি হয়। ভুক্তোভোগি এলাকাবাসী ক্ষোভ নিয়ে বলেন প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে খাস জমি সংলগ্ন বসবাসরত দরিদ্র জমির মালিদের মরার উপর খঁড়ার গাঁ হয়ে ওঠেছে। ফলে জমি সংশ্লিষ্টদের সাথে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে স্থানীয় সরকারি দলের লোকজনের অর্তকিত সংঘর্ষ হয়।

স্থানীয় সুশীল সমাজের লোকজন বলছে হত দরিদ্র ভূমিহীন দের জন্য একটি মহৎ প্রসংশনীয় কাজ বাস্তবায়ন করতে যেয়ে যেন স্থানীয় সাধারন হত দরিদ্রদের আঁতে ঘাঁ না পরে সে বিষয়ে অত্যান্ত আন্তরিক ও সজাগ থাকতে হবে স্থানীয় প্রশাসনকে। তবে স্থানীয়দের সাথে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের ঘটনাটি ন্যক্কার জনক ও অত্যান্ত দুঃখ জনক বটেই।

এমন ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত দাবী জানায় তারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় গত ২৪ জুন সরকারি খাস জমির সাথে স্থানীয় ব্যাক্তি মালিকানা জমি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বিভ্রান্তি ও মতানৈক্য দূর করতে প্রশাসনের পক্ষ হতে স্থানীয়দের নিয়ে আলোচনায় বসেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, গজারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান, বাউশিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ।

সেখানে বিষয়টি সমঝোতার জন্য আগামী রবিবার ২৭জুন গজারিয়া উপজেলা পরিষদে স্থানীয়দের আমন্ত্রন জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় প্রসাশনের বৈঠকটির ভিডিও চিত্র ধারন করেছিলেন অজ্ঞাত একজন। পরে তাকে সেই ভিডিও ডিলিট করতে তাগিদ দেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ এর এক নেতা। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি জের ধরে উপজেলা প্রশাসনে দলটি স্থান ত্যাগ করার পর পরই স্থানীয় উত্তেজিত জনতার সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ কর্মিরা।

সরেজমিনে আহত নারী মিনু বেগম সহ আহত রুবেলের সাথে আলাপকালে তারা বলেন চর বাউশিয়া গ্রামের খোরশেদ বেপারির ছেলে বাউশিয়া ইউনিয়ন ৭নং ওর্য়াডের আওয়ামী লীগ সভাপতি রিয়াজুল হক ভুট্টো (৩৭), চর বাউশিয়া গ্রামের আমান উল্লাহ্ ছেলে খোকন (৪০), আলী মিয়ার ছেলে হান্নান মিয়া (৩৫) সহ প্রায় বিশ পঁচিশ জন আমাদের উপর লাঠি সোটা নিয়ে অর্তকিত সন্ত্রাসী হামলা চালায়।

পরে আহত অবস্থায় আমরা আইনের আশ্রয় নিতে গজারিয়া থানায় যাওয়ার পথে থানা সংলগ্ন গেটে যাওয়া মাত্র অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে চর বাউশিয়া গ্রামের বজলু মিয়ার দুই ছেলে জামাল ও হারুন সহ হারুনের ছেলে রফিক এবং ফরাজী কান্দি গ্রামের তৈয়ব মেম্বারের ছেলে ওসমান। সেখানে তাদের নেত্বিত্রে পুনরায় দশ পনের জনের একটি দল সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আমাদের কে বেদড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে চর বাউশিয়া এলাকায় ভুট্টোর নেত্রীত্বে থাকা স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মিরা।

এ বিষয়ে গজারিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ রইছ উদ্দিন বলেন পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি সুষ্ঠ তদন্ত চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

//সৈয়দ মোঃ শাকিল, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চলমান লকডাউনে যশোর জেলার সকল এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধ করার নির্দেশ

 

 

দ্রুত বাঁধ সংস্কারের দাবিতে পানিতে দাঁড়িয়ে অভিনব মানববন্ধন

 

দ্রুত বাঁধ সংস্কারের দাবিতে উন্নত বিশ্বের অত্যাচার ও অনাচারের ফলে প্রকৃতি ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। বাতাসে কার্বন- ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে গ্রীণ হাউজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়াও আধুনিক নগরায়নের ফলে মোট ভূখন্ডের ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকার কথা থাকলে তা আমরা নিজেরাই নষ্ট করছি।ফলে আমাদের আবহাওয়া ও জলবায়ুর বৈশ্বিক পরিবর্তন হচ্ছে এবং ঝড়,বন্যা, খরা,জলোচ্ছ্বাস, অতিবৃষ্ট,অনাবৃষ্টিসহ ঋতুবৈচিত্রের পরিবর্তন হচ্ছে ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয় পূর্বের থেকে অনেক বেড়ে যাচ্ছে ।

আর তাই অতিদ্রুত একটার পর একটা প্রাকৃতিক দূর্যোগকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে সমুদ্র উপকূলীয় সাতক্ষীরা, খুলনা,বাগেরহাট, বরগুনা, বরিশাল,ভোলা,লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ আরও কয়েকটি জেলাকে। কিছুদিন পূর্বে সংঘটিত ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ফলে সাতক্ষীরাসহ সীমান্তবর্তী জেলা গুলোর যে উপকূলীয় বেড়িবাঁধ আছে সেগুলো অধিকাংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষেরা কমবেশি সংস্কার করলেও এখনও অনেক জায়গায় বাঁধ সংস্কারের কাজ বাকি আছে।ফলে ভরাপূর্ণিমার সময় ভরা জোয়ারের চাপে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ ভেঙে আবারও বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আর তাই ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ দ্রুত সংস্কার ও স্থায়ীভাবে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে আজ ২৪ জুন-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা জেলার প্রতাপ নগর ইউনিয়নের সকল শ্রেণী পেশার কয়েক হাজার মানুষ কোমর পানিতে দাঁড়িয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অভিনব প্রতিবাদ হিসাবে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর সাত্তারের সভাপতিত্বে প্রতাপ নগর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে গ্রামীণ টাওয়ারের সামনে সকাল ১১ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক,ইমাম,ডাক্তার, বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলে পড়ুয়া শিক্ষার্থী, নারীপুরুষ শিশুসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। বক্তরা বলেন, বাংলাদেশে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা চলছে।

উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণের কল্যাণে বাজেট বরাদ্দও বাড়ে কিন্তু উপকূলীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা,ঠিকাদার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ত্রিমূখী সিন্ডিকেটে বেড়িবাঁধ সংস্কারের নামে চলে বিশাল অংকের অর্থের হরিলুট।

তাই উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণের দাবি ১.ত্রাণ নয় পরিত্রাণ ,২. বেড়িবাঁধ মেরামত নয়, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ,৩. উপকূলীয় মানুষের সুরক্ষা,৪. সাইক্লোন সেন্টার নয়, নিরাপদ আশ্রয়, ৫. সুপেয় পানীয় জলের ব্যবস্থা ,৬. সুন্দরবনের সুরক্ষা ও৭. সেনাবাহিনী দ্বারা নদ- নদীর খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ।

উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণকে নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সুদৃষ্টি প্রার্থনা করেন বক্তরা।

// নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন

অসহায় মানুষের পাশে থাকাটাই দুর্যোগকালে আমাদের বড় কর্তব্য: সালাম মূশের্দী

 

গজারিয়ায় পলি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজে এক নির্মাণ শ্রমিকের অপমৃত্যু

 

গজারিয়ায় পলি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজে শ্রমিকের দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে । মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন ভিটিকান্দি আনারপুরা এলাকায় অবস্থিত পলি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজ লি. ভিতরে নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎতায়িত হয়ে এক শ্রমিকের অপমৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় নিহত শ্রমিক জাহিদুল ইসলাম (১৮) ঝিনাইদহ জেলা মেহেরপুর উপজেলা মথুরানগর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

আজ ২৪ জুন বৃহঃস্পতিবার দুপুরে পলি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর ভিতরে নির্মাণাধীন ভবনে কর্মরত অবস্থায় এই অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল পরিদর্শক গজারিয়া থানার এস.আই মাইন উদ্দিন জানান নিহত শ্রমিকের সহকর্মীদের মতামত প্রকাশে জানা যায় কর্মরত অবস্থায় ইলেকট্রিক শকে অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়।

এবিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) তানভীর হাসান বলেন লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করা হবে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এই ঘটনায় সঠিক তদন্ত চলছে, তদন্ত স্বাপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরেজমিনে দূর্ঘটনাস্থল পলি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজ লি. পরিদর্শন করতে গেলে প্রবেশ গেটে নিরাপত্তাকর্মী বলেন সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার অনুমতি নেই। সাংবাদিক প্রবেশ গেটে অবস্থান কালে কোন কোম্পানীর শ্রমিকদেরকে বাহিরে বের হতে দেওয়া হয়নি ফলে সহকর্মিদের তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পলি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজ প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন মুঠোফোনে বলেন নিহত শ্রমিক আমাদের কোম্পানির আওতাভুক্ত কর্মচারি না।

কোম্পানীর একটি নির্মাণাধীন ভবনের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ শ্রমিক নিহত জাহিদুল ইসলাম। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নাম ও অপমৃত্যু এবং শ্রমিক নিরাপত্তাহীন অবস্থায় কাজ করার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

//সৈয়দ মোঃ শাকিল গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সংক্রমনের ঝুকিতে এলাকাবাসী! কঠোর লকডাউনে ও চলছে গ্রামীন ব্যাংকের কিস্তি আদায়

 

সংক্রমনের ঝুকিতে এলাকাবাসী! কঠোর লকডাউনে ও চলছে গ্রামীন ব্যাংকের কিস্তি আদায়

 

সংক্রমনের ঝুকিতে এলাকাবাসী তবুও নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বড়দিয়া বাজারে অবস্থিত গ্রামীন ব্যাংক, খাশিয়াল, কালিয়া শাখার বিরুদ্ধে কঠোর লকডাউনে ও কিস্তি আদায়সহ সামাজিক দুরত্ব না মানার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৪জুন (বৃহস্পতিবার) বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, কিস্তি জমা ও স্কীম করে লোন নেওয়ার জন্য গ্রাহকেরা একত্র হয়েছে। নেই কোন সামাজিক দুরত্বের বালাই, অনেকেই এসেছে মাস্ক ছাড়া।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, গ্রামীন ব্যাংকের ফিল্ড অফিসারেরা এলাকার বিভিন্ন স্পটে তাদের কিস্তি আদায় ও লোনের স্কীম করার জন্য নির্দিষ্ট দিনে ও নির্দিষ্ট সময়ে জড়ো হয়। প্রত্যেকটি কেন্দ্রে ৮০ থেকে ৯০ জন সদস্য আছে। স্থাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব না মেনেই চলে কিস্তি আদায়। এতে মহামারীর সংক্রমণ আরো বেড়ে যাবে বলে তাদের ধারনা।

বৈশ্বিক করোনার সংক্রামন রোধে কেন্দ্রে লোক জড়ো করে কিস্তি আদায় বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন তারা। লকডাউনে সরকার সবাইকে ঘরে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছেন। অথচ গ্রামীন ব্যাংকের লোন নেওয়ার জন্য স্কীম করার পর ব্যাংকে গিয়ে গ্রাহকদের লোন আনতে হয়। সেখানেও সামাজিক দুরত্ব মানা সম্ভব হয়না বলে গ্রাহকরা জানান।

চোরখালী-৫৪ম, শুড়িগাতী-১৪ম ও শুড়িগাতী-২০ম কেন্দ্রের একাধিক সদস্যরা জানান, লকডাউনে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং কোন কাজ না থাকায়, না খেয়েই মরার দশা। কিভাবে কিস্তি দিব ভেবে পাইনা। লকডাউনে কিস্তি আদায় বন্ধ থাকলে ভাল হয়। এ বিষয়ে ফিল্ড অফিসার হাবিবুর রহমান, সেকেন্দার আলী, ওমর ফারুক ও মোঃ ইসমাইল সাংবাদিকদের বলেন, ভাই আমরা চাকুরী করি, ওপরের বশদের নির্দেশনায় আমাদের চলতে হয়।

তবে খুলনা এরিয়ায় লকডাউনের আওতাভুক্ত সকল ব্রান্স বন্ধ আছে। আমরাও চাই করোনাকালে এই লকডাউনে আমরা নিরাপদে থাকি। এ বিষয়ে গ্রামীন ব্যাংক, বড়দিয়া শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ মফিজুর রহমান বলেন, আমাদের শাখা কালিয়া এরিয়ার আওতাভুক্ত। মোট ৮ টি শাখা নিয়ে এরিয়া অফিস।

প্রত্যেকটি অফিসেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস পরিচালনার নির্দেশনা আছে। আমাদের খুলনা এরিয়ায় লকডাউন মুক্ত এলাকায় একটি শাখা খোলা আছে, বাকি সবই বন্ধ। নড়াইলেও কঠোর লকডাউন চলছে, মহামারী করোনার সংক্রমন রোধে এবং অফিসার ও গ্রাহকদের নিরাপত্তার স্বার্থে লকডাউনে ব্যাংক বন্ধ রাখলে ভাল হয়।

এ বিষয়ে আমি এরিয়া ম্যানেজারকে অবহিত করেছি। এরিয়া ম্যানেজার জয়নুল আবেদীন বলেন, জেলা প্রশাসকের দেওয়া প্রজ্ঞাপনে ব্যাংক খুলে রাখার নির্দেশনা আছে। আমাদের ব্যাংকও একটি নিবন্ধিত ব্যাংক, তাই আমাদের কার্যক্রম চলবে।

বিভিন্ন কেন্দ্রে কিস্তি আদায়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক কর্মীকে স্বাস্থ্যবিধি এবং সামাজিক দুরত্ব মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া আছে।

//মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অসহায় মানুষের পাশে থাকাটাই দুর্যোগকালে আমাদের বড় কর্তব্য: সালাম মূশের্দী

 

 

বরিশাল ভাটিখানার বিদ্যুৎ বিশ্বাস এর মৃত্যু মেনে নেয়া যায়না

 

বরিশাল ভাটিখানার বিদ্যুৎ বিশ্বাস এর  ট্রাকচাপায় পিষ্ট হয়ে  মৃত্যুর খবর শুনে বরিশাল নগরীর ভাটিখানা শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হয়েছেন ১ মাছের শিশু সন্তান পিতৃহারা বরিশাল নগরীর আমতলার মোড় এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে।

বুধবার দুপুর ৩টার দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় থেকে ২০০ ফুট দুরত্বে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গোমা এলাকার ডাক্তার বাড়ির বাসিন্দা নিতাই বিশ্বাসের ছেলে বিদ্যুৎ বিশ্বাস (৩০) ও বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া এলাকার বাসিন্দা রাব্বি (২৫)।

তাদের মধ্যে বিদ্যুৎ বিশ্বাস শেভিং ব্লেড প্রস্তুতকারক কোম্পানি জিলেট-এর ডিলার ও বাপ্পি তার বিক্রয় প্রতিনিধি। প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই ট্রাকটি নগরীর রূপাতলী থেকে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিলো।

মোটরসাইকেলে ২৫/৩০ বছরের দুই যুবক একই দিকে যাচ্ছিলো। আমতলার মোড়ে ট্রাক ও মোটরসাইকেলটি একে অপরকে ওভারটেক করতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় ট্রাকের পেছনের বাম চাকার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়।

এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। আটক ট্রাক চালক মো. রবিউল এ ঘটনার পর ট্রাক চালক মো. রবিউল পালানোর চেষ্টা করলে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা ধাওয়া করে আটক করে। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও মোটরসাইকেল পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম জানান, মোটরসাইকেলসহ দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য তাদের মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া এ ঘটনায় ট্রাকচালক রবিউল শেখকে আটক ও ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।

পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

২০ বছর পর ফেসবুকের ‘আপন ঠিকানা’ শাহনাজকে খুঁজে দিল পরিবার

 

বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই যুবক নিহত

 

বরিশালে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৩ জুন) বিকাল ৩টার দিকে নগরীর আমতলার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ট্রাকচালককে আটক করেছে পুলিশ। নিহত এক যুবক বরিশাল নগরী ভাটিখানা সাহাপাড়া বিদ্যুত বিশ্বাস (২৩) অপরজনের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) আব্দুর রহিম বলেন, গ্যাসের সিলিন্ডারভর্তি ট্রাকটি রূপাতলী থেকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ যাচ্ছিল।

আমতলার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে ছিটকে পড়েন দুই আরোহী। সেই সঙ্গে ট্রাকের পেছনের চাকায় পিষ্ট হন তারা।

পুলিশ এসে তাদের লাশ উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম দৈনিক বিশ্ব কে বলেন, এ ঘটনায় ট্রাকটি জব্দ ও চালক রবিউলকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত অপর যুবকের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পলাশ চন্দ্র দাস : বরিশাল //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় ৯৪ জনকে ১ লক্ষ ২১ হাজার ২ শত ৫০ টাকা জরিমানা ও ১৩ জনের জেল

 

অভয়নগরে লকডাউনে কিস্তি আদায়ে ব্যস্ত এনজিও কর্মীরা: দিশেহারা ঋণগ্রহীতারা

 মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

অভয়নগরে লকডাউনে কিস্তি আদায়ে ব্যস্ত এনজিওকর্মীরা, তারা লকডাউনের মধ্যে কিস্তি আদায়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ৷ ফলে বিপাকে পড়েছেন নিন্মআয়ের ঋণ গ্রহীতারা ৷ ঋণের কিস্তি দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা৷ ছোট ছোট বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা ঋণ নিয়ে ব্যবসার কার্যক্রম চালান ৷

এ ছাড়া ও অনেকে এনজিও থেকে সাপ্তাহিক কিস্তিতে ঋণ নিয়ে ইজিবাইক , থ্রি হুইলার ,ভ্যান, ইঞ্জিন ভ্যান ,আলমসাধুসহ বিভিন্ন যানবাহন কিনে চালিয়ে তা থেকে আয়করে জীবিকা নির্বাহ করেন ও ঋণের কিস্তি দেন ৷ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে মৃত্যু ও আক্রান্তের হার বাড়তে থাকায় সরকার দেশজুড়ে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে৷ ফলে সরকারি-বেসরকারি , অফিস আদালত , ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান , শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় ৷ যার ফলে আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে যায় অনেক মানুষের ৷

এমন পরিস্থিতিতে এনজিও ঋণের কিস্তি দিতে হিমশিম খাচ্ছেন নিন্ম আয়ের ঋণগ্রহীতারা ৷ অধিকাংশ এনজিও বিবাহিত নারীদের সমিতির মাধ্যমে ঋণ দিয়ে থাকে ৷ এমন সময়ে এ সকল ভূক্তভোগী খেটে খাওয়া ঋণগ্রহীতা যখন তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন এর মধ্যে বিভিন্ন এনজিও কর্মীরা বাড়ি বাড়ি কিস্তি আদায়ের জন্য ধর্ণা দিচ্ছেন ৷ চাপ সৃষ্টি করে কিস্তি আদায় করা হচ্ছে ৷

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচলের সরকারি নির্দেশনা থাকলে ও এনজিও কর্মীরা ঋণগ্রহীতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিস্তির টাকা আদায় করছেন ৷ কোন কোন এনজিও কর্মী এক বাড়িতে টেবিল-চেয়ার নিয়ে বসে পাড়ার সব নারী গ্রহীতাদের নিকট থেকে কিস্তি আদায় করছেন ৷

এ সময় নারী গ্রহীতাদের মাঝে মাস্ক ব্যবহার বা সামাজিক দূরত্ব মানার কোনো বালাই থাকছেনা ৷ এনজিওর কিস্তি আদায় সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুর রহমানের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন , এ ব্যাপারে কোন নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারছিনা ৷

মুঠোফোনে এসিল্যান্ড নারায়ণ চন্দ্রপালের সঙ্গে এনজিওর কিস্তি আদায় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমার অধিদপ্তরের আওতাধীনে নয় , আপনি ইউএনও সাহেবের সাথে কথা বলেন ৷ অনুরূপভাবে লকডাউন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পঃপঃ কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদুর রহমান রিজভি বলেন , লকডাউন কমিটির কর্মকর্তারা যে সিদ্ধান্ত নিবেন সেটাই আমার সিদ্ধান্ত ৷ অভয়নগর উপজেলার গরীব-অসহায় ভ্যান , রিকশা ,ইজিবাইক চালক ও খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের চোখের পানিতে অঝরে বন্যা বয়ে যাচ্ছে !

কি হবে আমাদের ?

আমরা এখন কিভাবে সংসার চালাবো ? এর সঠিক উত্তর কে দিবে ? একদিকে অন্ন যোগানো আর অপর দিকে কিস্তি চালানো এর উত্তর কোথায় খুঁজে পাবো আমরা ? সমাজের বিত্তশালী, বিবেকবানদের কাছে আমাদের এই বুকভরা কষ্টজনিক প্রশ্ন ৷

আরও পড়ুন:

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসার আইচগাতীতে গ্যাস সিলিন্ডার লিক হয়ে অগ্নিকান্ডে বসত ঘর পুড়ে ছাই

 

 

আজ টাঙ্গাইলে করোনায় মৃত্যু ২, শনাক্ত ১২১

 //মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি//

টাঙ্গাইল জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ২ জনের মৃত্যু সহ নতুন করে আরো ১২১ জন ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।  জেলা সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে, ৩৩৫ টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন রোগী শনাক্ত হয়। জেলায় শনাক্তের হার শতকরা ৩৬ দশমিক ১১ ভাগ।

জেলায় মোট করোনা রোগী ৬ হাজার ৩৯৫ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ১০১ জনের। এদিকে আজ সকাল ৬ টা থেকে টাঙ্গাইল পৌর এলাকা ও কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌর এলাকায় শুরু হয়েছে এক সপ্তাহের লকডাউন। লকডাউনে দুটি পৌর এলাকায় বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। 

কাঁচাবাজার ও ওষুধের দোকান ছাড়া বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। চলামান আছে আইনশৃংখলা বাহিনীর বিশেষ অভিযান।