চালকছাড়া ৭০ কি:মি{ চলল ৫৩বগির পণ্যবাহী ট্রেন

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ভারতের জম্মু-কাশ্মীরে ঘটল এক বিস্ময়কর ঘটনা। একটি পণ্যবাহী ট্রেন চালকবিহীন ছুটে চলল ৪৩ মাইল (৭০ কিলোমিটার)। কিন্তু অবাক করার বিষয়, এতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। খবর দ্য গার্ডিয়ানের

ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের কাথুয়া রেলস্টেশন থেকে রোববার পণ্যবাহী ট্রেনটি চালক ছাড়াই পাঞ্জাব প্রদেশের হোশিয়ারপুরে এসে পৌঁছায়। রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, ট্রেনটি পরে থামানো হয়েছে। এ সময় কোনো দুর্ঘটনা কিংবা কেউ হতাহত হননি।

এদিকে দ্রুতগতির ট্রেনটির ছুটে চলার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, ট্রেনটি না থেমে একের পর এক স্টেশন পেরিয়ে যাচ্ছে। ট্রেনটির গতির কারণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন স্টেশনে থাকা মানুষের মধ্যে।

নুড়িপাথর বোঝাই ৫৩ বগির পণ্যবাহী ট্রেনটি জম্মু থেকে পাঞ্জাবে আসছিল। ক্রুদের দায়িত্ব বদলানোর জন্য কাথুয়া রেলস্টেশনে চালক ট্রেনটি থামান। কর্মকর্তারা জানান, ওই জায়গায় রেললাইনে ঢাল ছিল। চালক ও তার সহকারী নেমে যাওয়ার পর হঠাৎ ট্রেনটি নিজে নিজে চলতে শুরু করে।

একপর্যায়ে চালকবিহীন ট্রেনটি ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার গতিতে চলতে শুরু করে। থামানোর আগে ৭০ কিলোমিটারের বেশি পথে সেটি পাঁচটি স্টেশন পেরিয়ে যায়। খবর পেয়ে ওই পথে অন্য ট্রেনের চলাচল ও রেলক্রসিং বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রেললাইনের ওপর কাঠের ব্লক ফেলে দ্রুতগতির ট্রেনটির গতি কমিয়ে ফেলা হয়। একপর্যায়ে ট্রেনটি থামানো হয়।

এমন অবাক করা ঘটনা কেন ঘটল, তা অনুসন্ধানে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে আর কখনোই না ঘটে, সেটা নিশ্চিত করতে কাজ করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে ভারতীয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

সংগীতশিল্পী পঙ্কজ উদাস আর নেই

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ভারতীয় কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী পঙ্কজ উদাস মৃত্যুবরণ করেছেন।  তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

সোমবার তিনি মারা যান বলে তার মেয়ে নয়াব উদাস ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে জানিয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থায় ভুগছিলেন পঙ্কজ উদাস।

৪০ বছরেরও বেশি সময় বলিউড মাতিয়েছেন বিখ্যাত এই গায়ক। হিন্দি ছবির গানে আশির দশককে মুগ্ধ করেছেন পঙ্কজ। ‘চান্দি জ্যায়সা রং’, ‘না কাজরে কি ধার’, ‘দিওয়ারো সে মিল কর রোনা’, ‘আহিস্তা’, ‘থোড়ি থোড়ি প্যার করো’, ‘নিকলো না বেনাকাব’— পঙ্কজ উদাসের গাওয়া অসাধারণ সব গজল আজও শ্রোতাদের মনে দাগ কাটে।

আমতলীতে পোষ্টার টানানোকে কেন্দ্র করে প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত-৮

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী পৌর নির্বাচনে পোষ্টার টানানোকে কেন্দ্র করে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে ৮জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত পাঁচজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে আমতলী পৌরসভার ফকিরবাড়ীর সামনে।

জানাগেছে, আমতলী পৌর নির্বাচনে ১ নং ওয়ার্ডের উটপাখি প্রতিকের কাউন্সিলর প্রার্থী মীর হাবিবুর রহমানের সমর্থকরা ফকিরবাড়ী এলাকার পোষ্টার টানাতে যায় এমন দাবী কাউন্সিলর প্রার্থীর হাবিবুর রহমানের। এ সময় ডালিম প্রতিকের অপর কাউন্সিলর প্রার্থী হাবিবুর রহমান ফকিরের সমর্থকদের মধ্যে কাটাকাটি হয়। এক পর্যায় উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছে। আহত প্রার্থী মীর হাবিবুর রহমান,মুছা,কুদরাত,মামুন ও ইমরানকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে নিবাচনকে কেন্দ্র করে মিঠাবাজার এলাকার কাজল বেগম প্রতিবেশী হনুফা ও মারিয়াকে পিটিয়ে জখম করেছে।

আহত ইমরান বলেন,কাউন্সিলর প্রার্থী মীর হাবিবুর রহমান ও তার সমর্থকরা আমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

কাউন্সিলর প্রার্থী মীর হাবিবুর রহমান বলেন,পোষ্টার টানাতে গেলে আমার ৬-৭ জন সমর্থককে হাবিবুর রহমান ফকিরের সমর্থকরা পিটিয়ে জখম করেছে।

হাবিবুর রহমান ফকির বলেন,আমার পোষ্টার ছিড়ে মীর হাবিবুর রহমানের সমর্থকরা তার পোষ্টার টানাতে ছিল। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ‌্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায় মীর হাবিবুর রহমান ও তার লোকজন আমার লোকজনকে  কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ‌্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মেহেরীন আশ্রাফ বলেন,আহতদের যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। একজনকে পটুয়াখালী পাঠানো হয়।

আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব‌্যবস্থা নেয়া হবে।

স্যার আমার সন্তানরা আমাকে মারধর করে, আমাকে মেরে ফেলবে, ওদের জামিন দিয়েন না

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন ছেলে হামিদুল হক সোহেল। আর মেয়ে তাসলিমা আক্তার সুমি কাজ করছেন নির্বাচন কমিশনে। তারা দুজনই তাদের মাকে একাধিকবার মেরেছেন। ঘর থেকে বের করেও দিয়েছেন।

রাজধানীর কাফরুলের উত্তর ইব্রাহিমপুরের একটি জমি নিয়ে মূলত মা ও সন্তানদের মধ্যে দ্বন্দ্ব। ওই বাড়িটি তাদের বাবা মারা যাওয়ার পর তারা নিতে চান। যদিও মায়ের ভরণপোষণের কোনো দায়িত্ব ছেলেমেয়ে নেবে না। এই সম্পত্তি দখল নিয়েই মায়ের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ায় দুই সন্তান ও মেয়ের জামাই।

সন্তানদের বিরুদ্ধে মারধর ও হত্যার অভিযোগে মামলা করেন খুরশিদা খাতুন। ছেলে আর মেয়ে আগাম জামিন আবেদন করেছেন হাইকোর্টে। তাদের জামিন ঠেকাতে মাও এসে আদালতে হাজির।

রোববার বিচারপতি রেজাউল হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে তাদের জামিন শুনানি হয়। শুনানিতে বিচারপতির সামনে দাঁড়িয়ে আকুতি জানান, তাদের সন্তানদের জামিন না দিতে। তিনি বলেন, ‘স্যার আমার সন্তানদের জামিন দিয়েন না, স্যার ওরা আমাকে মারধর করে, স্যার ওরা আমাকে মেরে ফেলবে, ওদের জামিন দিয়েন না।’

ভুক্তভোগী নারী খুরশিদা খাতুন বলেন, ‘আমার ৫ লাখ টাকার মতো ওরা নিয়ে গেছে। আমার মুখেও মারছে। আমি কোথাও যাই না, আমার পিছে লোক রেখে দিছে।’

বয়সের ভারে ঠিকমতো হাঁটতে পারছেন না খুরশিদা খাতুন। সন্তানদের মারধরের ভয় তার চোখেমুখে। সন্তানদের নির্যাতনের ভয় তাড়া করছে তাকে, তাই জামিন ঠেকাতে কোর্টের বারান্দায় ঘুরছেন এই নারী।

ভুক্তভোগী নারীর আইনজীবী জসিম উদ্দিন বলেন, বিজ্ঞ আদালত বলেছেন যে, আজকে যদি এদের জামিন দেওয়া হয়, তা হলে সমাজে একটা খারাপ মেসেজ যাবে এবং মায়েদের প্রতি নির্যাতন বেড়ে যাবে। এই যে মাকে মেরেছে তার জন্য মহামান্য আদালত সন্তানদের প্রতি ভর্ৎসনা দিয়েছে এবং তাদের জামিন আবেদন নামন্জুর করেছেন।

 

খুলনার রূপসায় কার্বন ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষতি

এম মুরশীদ আলী, রূপসা।।

রূপসার তিলক এলাকায় মীমকো কার্বন ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গত (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনের লেলিহান শিখায় মুহূর্তের মধ্যে প্রায় ৪০ লক্ষাধিক টাকার পাটখড়ি ভষ্মিভূত হয়। ফায়ার সার্ভিসের ৫ টি ইউনিট প্রায় তিন ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়- আজ রবিবার সকাল ৯টার পর পরই স্থানীয়রা মীমকো কার্বন ফ্যাক্টরিতে আগুন জ্বলতে দেখে, তাৎক্ষনিক ফায়ার সার্ভিস অফিসে সংবাদ দেয়। ফায়ার সার্ভিস টীম খবর পেয়ে অতিদ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছেই আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি।

আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে কারখানা কর্তৃপক্ষ বলেন- চুল্লি থেকে আগুনের ফুলকি বাতাসের সাথে মিশে পাটখড়ির উপর এসে পড়ে অগ্নিকাণ্ডের সূচনা হতে পারে। একই সময় আগুনের ফুলকি উড়ে পাটখড়ি বোঝাই ট্রাকে আগুন লেগেযায়। তখন চালকরা পাশের পুকুরে ৩টি ট্রাকই পানির মধ্যে নামিয়ে দেয় এবং আরো ১টি ট্রাকের আগুনে আংশিক ক্ষতি হয়। তাছাড়া ফ্যাক্টরির মধ্যে ৮ বিঘা জমিতে থাকা পাটখড়ি ও বস্তায় মজুদ অজানা ক্যামিকেল পুড়ে গেছে। তাতে কারখানা কর্তৃপক্ষ আনুমানিক ৩৫/৪০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন।

এ ব্যাপারে ফায়ার সার্ভিস খুলনা সহকারী পরিচালক মো. ফারুক হোসেন ও জেলা কর্মকর্তা মো. সাইফুজ্জামান বলেন, আমরা ৯ টা ১৫ মিনিটে খবর পেয়ে অতিদ্রুত ঘটনাস্থল, সকাল সাড়ে ৯ টায় দিকে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে ১২ টা ৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রন আনতে সক্ষম হই।

এরপরও এই আগুনের শেষ আন্তের শেষ প্রচেষ্টা সারাদিন লাগতে পারে। আমরা একযোগে ফায়ার সার্ভিস বয়রা হেড অফিস, টুটপাড়া ফায়ার সর্ভিসের ২টি টীম ও রূপসা ফায়ার সার্ভিস সম্মিলিত ফায়ার ফাইটার ৪০ জন সদস্য আগুন নেভানোর কাজ করছি। আমাদের ৫টি ইউনিটের ১০টি পানির লাইনে কাজ করা হয়েছে। তবে এখনও নির্বাপনের কাজ চলছে।

Daily World News

বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমার যুদ্ধ করতে চাচ্ছে অনেক আগে থেকেই: র‌্যাব মহাপরিচালক

মায়ের মৃতদেহ দেখার আগেই ইতালির শাহ আলমের মৃত্যু হলো সড়ক দুর্ঘটনায়

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইতালিপ্রবাসী শাহ আলমের (৫০) মা গতকাল বুধবার মারা গেছেন। শেষবারের মতো তাঁর মরদেহ দেখার জন্যই আজ বৃহস্পতিবার শাহ আলম দেশে ফেরেন। ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঁকে আনার জন্য মাইক্রোবাস নিয়ে তিন স্বজন গিয়েছিলেন। ফেরার পথে নরসিংদীর শিবপুরে একটি পণ্যবাহী ট্রাকের সঙ্গে তাঁদের মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে শাহ আলম ও তাঁর এক স্বজন নিহত হন।

আজ দুপুর ১২টার দিকে শিবপুর উপজেলার ঘাসিরদিয়া এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শাহ আলম ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের উত্তর নাটাই এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে। নিহত অপর ব্যক্তির নাম মো. সেলিম (৪৫)। তিনি একই উপজেলার তালশহর অষ্টগ্রাম এলাকার সামসু মিয়ার ছেলে।

হাইওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, মাইক্রোবাসটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ঘাসিরদিয়া এলাকা অতিক্রমের সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পণ্যবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়েমুচড়ে গিয়ে ভেতরে অবস্থান করা চালকসহ চারজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মো. সেলিমের মৃত্যু হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহ আলমও মারা যান। আহত অপর দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক।

মাইক্রোবাসের চালকসহ চারজন গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মো. সেলিমের মৃত্যু হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইতালিপ্রবাসী শাহ আলমও মারা যান।

১০০ শয্যাবিশিষ্ট নরসিংদী জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এ এন এম মিজানুর রহমান বলেন, ‘শিবপুরে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার একজনকে মৃত অবস্থায় আমাদের হাসপাতালে আনা হয়। এ ছাড়া আরেকজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁদের লাশ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।’

মাইক্রোবাসে থাকা সাব্বির মিয়া নামের একজন বলেন, ‘মায়ের মরদেহ শেষবারের জন্য দেখার জন্যই ইতালি থেকে শাহ আলম আজ দেশে ফেরেন। তাঁকে বিমানবন্দর থেকে আনার জন্য মাইক্রোবাস নিয়ে আমরা গিয়েছিলাম। ফেরার পথে ঘাসিরদিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটল। মায়ের লাশ শাহ আলম দাফন করতে পারলেন না। এখন মায়ের সঙ্গে তাঁকেও দাফন করতে হবে আমাদের।’

এ বিষয়ে ইটাখোলা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াস হোসেন জানান, প্রবাসীকে নিয়ে ওই মাইক্রোবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফিরছিল। দুর্ঘটনায় নিহত দুজনের লাশ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। তাঁদের স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপসায় মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন আহত

//আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

রূপসার  ঘাটভোগ ইউনিয়নের আলাইপুর এলাকায়  দুই  মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন আহত হয়েছে। আহতরা হলো ঘাটভোগ ইউনিয়নের  আলাইপুর এলাকার গফফার মির্জার ছেলে

গায়েল মির্জা (২২) ও টিএসবি ইউনিয়নের কাজদিয়া গ্রামের লিটন মীরের ছেলে এনামুল মীর(২৩)।

এলাকাবাসী জানায়, গত ২২ফেব্রুয়ারী দুপুরে আলাইপুর ডিগ্রি কলেজের সামনে পূর্ব দিক থেকে একটি মোটর সাইকেল ব্রিজ থেকে নামার সময়  পশ্চিম দিক থেকে আরেকটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় দুইজনই গুরুতর আহত হয়।

স্থানীয়রা দুজনকে  উদ্বার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং আহত এনামুল মীরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ার কারণে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

মোটরসাইকেল দুটি রূপসা থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

আমতলীতে ঢোল সহরত সহকারে দখলীয় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

মাহমুদুল হাসান, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলী পৌর শহরে রেকর্ডীয় সম্পত্তি অবৈধ দখলে নিয়ে স্থাপনা নির্মাণ করে দীর্ঘদিন বসবাস করার পর আদালতের নির্দেশে ঢোল সহরত সহকারে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

আজ সকাল দশটায় আমতলী পৌর সভার ৪নং ওয়ার্ডের ওয়াপদা সড়কে এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

জানা গেছে,আমতলী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ওয়াপদা এলাকায় আলহাজ্ব ফিরোজা বেগম সিকদারের রেকর্ডকৃত ৭ শতাংশ জমি মৃত আফজাল হোসেন ও সিরাজ উদ্দিন মৃধা দীর্ঘদিন যাবৎ স্থাপনা তৈরি করে বসবাস করে আসছিল।এ নিয়ে জমির মালিক পক্ষ আদালতে মামলা করায় দীর্ঘদিন  পরিচালনার পর বাদী পক্ষ রায় পেয়ে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ তাদের জমির দখল পেয়েছেন।

আজ সকালে অবৈধ দখলে থাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করে   বরগুনা থেকে আসা আদালতের একটি টীম বাদী পক্ষের কাছে জমি বুঝিয়ে দেন।

এ বিষয়ে জমির মালিক ফিরোজা বেগমের জামাতা এড, সিদ্দিকুর রহমান পান্না বলেন,দীর্ঘদিন মামলা চালানোর পর আদালত আমাদের পক্ষে জমিটি বুঝিয়ে দিয়েছেন।

রূপসায় হালকা বৃষ্টিতে একের পর এক সড়ক দূর্ঘটনা।

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

বৈরী আবহাওয়াতে হালকা বৃষ্টির ফলে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে, রূপসার আনন্দনগর-পুটিমারী এলাকার পাকা রাস্তায় রোগীভার্তি আ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস কর্মী মটরসাইকেল ও পথচারীরা দুর্ঘটনায় পতিত হয়।

স্থানীয়রা জানায়, এসবিএম ইটভাটায় ট্রাকে মাটি নেওয়ার সময় অসাবধানতা চলাচলে ট্রাক থেকে মাটি রাস্তায় পড়ে থাকার ফলে, ভোর রাতে হালকা বৃষ্টিতে রাস্তাটিতে স্যাঁত-স্যাঁতে সৃষ্টি হয়। যার কারণে প্রায় ১ কি: মি: রাস্তায় একের পর এক সড়ক দূর্ঘটানা সৃষ্টি হচ্ছে। তাঁরা আরো বলেন- সকালে রোগীভর্তি আ্যাম্বুলেন্সটি পিচলে রাস্তার পাশে নেমে যায় এবং কয়েকটি পিকআপ ও ১২/১৪টি মটোরসাইকেল সহ পথচারীরা এ দূর্ঘটায় পড়ে।

রূপসায় হালকা বৃষ্টিতে একের পর এক সড়ক দূর্ঘটনা।

এব্যাপারে পার্শ্ববর্তী পুলিশ ফাঁড়ির আইসি জানান, তেরখাদা উপজেলা ফায়ার সার্ভিস কর্মী বাগেরহাট যাওয়ার পথে মটরসাইকেলটি পিচলে পড়ে শরীরে মারাত্মক আঘাত সহ রক্তাক্ত অবস্থায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে গেছেন। তাছাড়া মৌখিকভাবে অনেকেই জানিয়েছেন। এরপর আইসি ও টুআইসি’র নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স ইটভাটার মালিক পক্ষদের দিয়ে রাস্তাটি পরিস্কার ব্যবস্থা করা হয়।

এব্যাপারে রূপসা উপজেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নিতে বেশ সময় নেয়। এতে স্থানীয়রা ক্ষুব্দ প্রতিক্রীয়া ব্যক্ত করেছেন।

আমতলীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি!

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা//

বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর পূর্ব তক্তাবুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দিবাগত গভীর রাতে ওই চুরির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির পাশের একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে বিদ্যালয়ের তিন তলায় অবস্থিত দুটি ক্লাশ রুমের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ৮টি সিলিং ফ্যান ও একটি রুমের মধ্যে থাকা পুরাতন ভাঙা বেঞ্চের ৭ থেকে ৮ মন লোহা চুরি করে নিয়ে যায়।

আজ সোমবার সকালে শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে এসে চুরি সংঘঠিত হওয়ার ঘটনা দেখতে পেয়ে বিষয়য়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে জানায়।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহজাহান তালুকদার বলেন,সদ্য সরকারী হওয়ায় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন নৈশ প্রহরী না থাকার সুযোগে চোরেরা বিদ্যালয়ের দুটি ক্লাশ রুমের তালা ভেঙ্গে ৮টি সিলিং ফ্যান ও পুরাতন ভাঙা বেঞ্চের ৭ থেকে ৮ মন লোহা চুরি করে নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশনা অনুযায়ী ইতিমধ্যে আমতলী থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সফিউল আলম ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চুরি সংঘঠিত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে চুরির বিষয়ে আমতলী থানায় অভিযোগ দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন,এ বিষয়ে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।