পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে ঝরলো আরো সাত প্রাণ

নানা সহিংসতার মধ্যদিয়ে শেষ হলো পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এ দিন দেশের বিভিন্ন জেলায় নির্বাচনী সংঘাতে এখন পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চাঁদপুরে দুইজন, চট্টগ্রামে একজন, জামালপুরে একজন, গাইবান্ধায় একজন, মানিকগঞ্জে একজন ও বগুড়ায় একজন রয়েছেন। জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে রিপোর্ট:

চাঁদপুরে দুইজনের মৃত্যু: নির্বাচনী সহিংসতায় চাঁদপুরের কচুয়ার ও হাইমচরে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কচুয়ার সাচার এলাকায় নিহত যুবকের নাম শরীফ হোসেন। তার বাবার নাম শহীদ উল্লাহ। দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষ দেখা দিলে ছুরিকাঘাতের শিকার হন তিনি। হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয় শরীফের।

আরেক ঘটনায় হাইমচরের নীলকমল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাহেরচরে বিকেল সাড়ে ৩টায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী-সমর্থকদের সংঘর্ষে ছুরিকাঘাতে আরেকজন মারা গেছেন। তার নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তিনি পার্শ্ববর্তী শরীয়তপুরের বাসিন্দা বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে ঝরলো আরো সাত প্রাণ

হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব মোল্লা বলেন, নীলকমল ইউনিয়নে একজন মারা গেছেন। তবে তার নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তদন্তে কাজ করছে পুলিশ।

চট্রগ্রামে একজনের মৃত্যু: চট্টগ্রামের আনোয়ারায় দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে অংকুর দত্ত (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার বেলা ১২টায় চাতরী ইউনিয়নের সিংহরা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি বাংলাদেশ জার্নালকে নিশ্চিত করেন আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম শিকদার। নিহত অংকুর দত্ত সিংহরা গ্রামের নেপাল দত্তের ছেলে।স্থানীয়রা জানান, সিংহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে প্রায় দু’শ গজ দূরে বর্তমান মেম্বার রঘুনাথ শিকদার ও অপর প্রার্থী নাজিম উদ্দীনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অংকুর নামের এক যুবক আহত হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জামালপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যু: জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নে নির্বাচনী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে আল আমীন (২২) নামের এক যুবক মারা গেছেন। তার স্বজন সাকিব মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত আলআমিন মেরুর চরের বাঘাডুবা গ্রামের আচ্ছা মিয়ার ছেলে। তিনি আনারস প্রতীকের সতন্ত্র প্রার্থী মনোয়ার হোসেনের সমর্থক।

বুধবার দুপুরের দিকে মেরুরচর ইউনিয়নের মেরুরচর হাছেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক আল আমীন গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় আহত হন পুলিশসহ আরও ৯ জন।

সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া কর্মী-সমর্থকদের দেয়া আগুনে পুলিশের একটি পিকআপ ও তিনটি মোটরসাইকেল পুড়ে গেছে। এছাড়াও আনসারদের বহন করা একটি গাড়ি ভাঙচুর করে উত্তেজিত লোকজন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশি অ্যাকশনের সময় আহত হয়েছে চারজন সাধারণ লোক। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর কর্মীদের আঘাতে আহত হয়েছেন পাঁচ পুলিশ সদস্য। বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে পুলিশ। প্রার্থীর কর্মীদের ছোড়া পাল্টা গুলিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনায় ভোটকেন্দ্রসহ আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে ভোটারসহ আহত সাধারণ মানুষ দৌড়ে পালিয়ে যায়।

আহতরা হলেন, বকশীগঞ্জ থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম সম্রাট, ওসি (তদন্ত) আব্দুর রহিম, কনস্টেবল আব্দুল আলিম (৪০), মো. শাহজাহান (৫৫), আ. মজিদ (৫৭) ও আনসার সদস্য আব্দুল আলিম (২৫)। আহত সাধারণ লোকদের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

ওসি মো. শফিকুল ইসলাম সম্রাট বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া লোকজনের আঘাতে ৫ পুলিশ ও এক আনসার সদস্য আহত হন। উত্তেজিত কর্মীরা গুলি ছুড়লে পুলিশও ছত্রভঙ্গ করতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। তবে আল আমীন পুলিশের গুলিতে মারা যাননি।

গাইবান্ধায় গলাকেটে হত্যা: গাইবান্ধার সাঘাটায় নির্বাচন চলাকালীন সময়ে দুই ইউপি সদস্যের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আবু তাহের (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তাকে ধারালো হাসুয়া দিয়ে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের জুমারবাড়ী আদর্শ ডগ্রি কলেজ কেন্দ্রের বাইরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবু তাহের জুমারবাড়ি গ্রামের ওমর আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, ভোট চলাকালীন বিকেল পৌনে ৩টার দিকে কেন্দ্রের বাইরে মেম্বার প্রার্থী আইজল মিয়ার (টিউবওয়েল) সমর্থক আবু তাহেরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বি মেম্বার প্রার্থী রাসেল আহমেদের (পাখা) কর্মী-সমর্থকদের কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আবু তাহেরকে একা পেয়ে রাসেলের কর্মী-সমর্থকরা ধারালো হাসুয়া দিয়ে তার গলা কেটে ফেলে। গুরুতর আহত রাসেলকে উদ্ধার করে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন আলমগীর। তিনি জানান, কেন্দ্রের বাহিরে এই সংঘর্ষ হওয়ায় নির্বাচনী ফলাফলে এর কোন প্রভাব পড়বে না। সংঘর্ষের এ ঘটনায় ফৌজদারি অপরাধে মামলা করা হবে এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

মানিকগঞ্জে সংঘর্ষের কবলে পড়ে হার্ট অ্যাটাকে নারীর মৃত্যু: মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা ইউনিয়নের বাচামারা ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী সহিংসতায় ছলেমন খাতুন (৫০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে উপজেলার বাচামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ওই নারীর প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, নিহত ছলেমন খাতুন উপজেলার বাচামারা গ্রামের খোরশেদ আলমের স্ত্রী। তিনি দুপুরে ভোট দিতে বাচামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে যান। এ সময় ৫ নং ওয়ার্ডের দুই সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পরে এ ঘটনা দেখে ছলেমন খাতুন হার্ট অ্যাটাক করেন।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরুল হাসান বলেন, বাচামারা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে দুই সদস্য প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই নারী ভোট দিতে কেন্দ্রে আসেন। সংঘর্ষের কবলে পড়ে তিনি হার্ট অ্যাটাক করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নিয়ে গেলে তিনি মারা যান।

বগুড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা: বগুড়ার গাবতলী উপজেলার রামেশ্বরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালীন সময়ে দুই ইউপি সদস্য (মেম্বার) প্রার্থীর মধ্যে বিরোধের জের ধরে জাকির হোসেন (৩৫) নামের একজনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরের দিকে উপজেলার জাইগুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাহিরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত জাকির হোসেন জাইগুলি উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত লয়া মিয়ার ছেলে। তিনি ইউপি সদস্য প্রার্থী সাইদুল ইসলামের (টিউবওয়েল প্রতীক) সমর্থক হিসেবে কাজ করছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উপজেলার জাইগুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের উৎসাহিত করার কাজ করছিলেন সাইদুল ইসলামের টিউবওয়েল প্রতীকের কর্মী সমর্থকরা। এ সময় অপর ইউপি সদস্য (মেম্বার) প্রার্থী মিঠু মিয়ার (ফুটবল প্রতীক) কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে জাকির হোসেনকে প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ৩টার দিকে জাকির হোসেনের মৃত্যু হয়।

গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম বলেন, ইউপি সদস্য (মেম্বার) প্রার্থীদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে ভোট কেন্দ্রের বাইরে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে রাখা হয়েছে, মামলা প্রক্রিয়াধীন।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ডুমুরিয়ার মির্জাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় বারের মত সভাপতি হলেন ইঞ্জিঃ অরুন মহলদার 

 

থামছেই না যেন মাগুরা শ্রীপুরের নাকোল ইউনিয়নে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার ঘটনা

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়নে গত ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন করে আবারো সহিংসতা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। নতুন করে তিন জনের উপর হামলা হয়েছে । মারাত্মকভাবে আহত দুইজনকে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার আনুমানিক বিকাল সাড়ে চারটার দিকে নাকোল বাজারে নির্বাচিত চেয়ারম্যান হুমাউনু্র রশিদ মুহিত এর সমর্থকেরা ইব্রাহিম শিকদার পিতা: রতন শিকদার ও রুমান পিতা: সাহির এর উপর অতর্কিত হামলা চালায়। পরে স্থানীয় পুলিশ এসে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

হাসপাতালে ভর্তি থাকা ইব্রাহিম শিকদার বলেন, নির্বাচনের একদিন পর ২৮ শে ডিসেম্বর নির্বাচিত চেয়ারম্যান মুহিতের সমর্থকরা বাজারে আমার ছোট ভাইয়ের মিষ্টির দোকান ভাঙচুর এবং বাড়িঘরে হামলা করে । আমার চাচা রহমান সিকদার সহ কয়েকজনকে আহত করে তারা। ৩০ ডিসেম্বর আমার ছোট ভাইয়ের ভাংচুরকৃত দোকান মেরামত করার জন্য এবং দোকান খুলে ব্যবসা করার জন্য আমি নির্বাচিত চেয়ারম্যান মুহিতের নিকট অনুরোধ করি। তিনি ব্যবসা পরিচালনা করার জন্যঅনুমোদন দেন কোন সমস্যা হবেনা বলে জানান। মঙ্গলবার ০৪ জানুয়ারি দোকান খুলে পরিস্কার করে ব্যবসা শুরু করলে বিকাল চারটায় দিকে মুহিত চেয়ারম্যানের সমর্থক রায় নগর গ্রামের সোহাগসহ ২-৩ জন আমাদের দোকানের কর্মচারী আকাশকে কান ধরে হেনেস্ত করে এবং দোকানে কাজ করলে কান কেটে ফেলার হুমকি দেয়।

এ ব্যাপারে আমি তৎক্ষণাৎ ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে চেয়ারম্যান সাহেবকে জানায়। চেয়ারম্যান সাহেব বললেন তুমি যাও আমি দেখছি বলে কাকে যেন ফোন দিলেন ।আমি পরিষদ থেকে বের হয়ে ১০০ গজের মধ্যে থাকা অবস্থায় আমার উপর অতর্কিত হামলা করে। একপর্যায়ে আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ি তখন নাকোল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রাসেদ সাহেব আমাকে উদ্ধার করে। এ হামলায় অংশগ্রহণ করে এরশাদ, মাসুদ ,সোহাগ ও মহব্বতের ছেলে সহ ২০ থেকে ৩০ জন। কি কারণে ধরনের হামলা জানতে চাইলে ইব্রাহিম জানান,আমরা অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও নিরীহ প্রকৃতির জীবন যাপন করি গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান মিয়ার পক্ষে নির্বাচন করাই আমাদের একমাত্র অপরাধ । এছাড়া আমাদের কোন অপরাধ নাই।

এ ব্যাপারে শ্রীপুর থানা অফিসার ইনচার্জ সুকদেব রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, গত ২৮ ডিসেম্বর নাকোল বাজারে দোকান ও বাড়িঘর ভাঙচুর এবং হামলার সাথে জড়িত এরকম ৫-৭ জনকে আমরা গ্রেপ্তার করি। পরবর্তীতে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান হুমাউনু্র রশিদ মুহিত এসে ভবিষ্যতে কোন ধরনের সংঘর্ষ হবে না মর্মে মুচলেকা দিয়ে তাদেরকে ছাড়িয়ে নেন। পুনরায় এ ধরনের সহিংসতায় আমরা বিব্রত। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

ডুমুরিয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীতকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া উপলক্ষ‍্যে বিনা মূল‍্যে চিকিৎসা  সেবা

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে সাব রেজিষ্টারের কাজী নিয়োগে দুর্নীতি: কোটে মামলা

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের সাব রেজিষ্টারের কাজী নিয়োগে দুর্নীতির  অনিয়মের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেছে পৌর মেয়র। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তবতীকালিন নিষেধাজ্ঞা  জারি করেছে আদালত। জানা গেছে রবিবার ( ২ জানুয়ারী) সাবরেজিষ্টার শফি আকরামুজ্জামান বিজ্ঞ আদালতে জবাব দাখিল করেন।

মামলা সূত্রে জানাযায়, রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নে নিকাহ রেজিষ্টার পদটি শূন্য থাকায় ১জন ও পৌরসভায় ২জন কাজী  নিয়োগ হওয়ার কথা । কিন্তু গেজেট অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু না করেই নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব সাবরেজিষ্টার শফি আকরামুজ্জামান দুর্নীতির আশ্রয় গ্রহণ করে গোপনে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। গেজেটে প্রার্থীর  বয়স ৩৫ বছর উল্লেখ থাকলেও গোপন বিজ্ঞপ্তিতে ৪০ বছর উল্লেখ করেছে। নিয়োগ কমিটির উপদেষ্ঠাদের দপ্তরের বিজ্ঞপ্তির নোটিশ দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা তিনি করেননি। নিয়োগ কমিটির উপদেষ্ঠা ইউএনও’র কার্যালয়ে রেজুলেশন দেখানো হলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন স্টিভের স্বাক্ষর নেই রেজুলেশনে। তাছাড়া সেই রেজুলেশনে আরেক উপদেষ্ঠা পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমানেরও স্বাক্ষর নেই সেখানে।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া না করায় কমিটির উপদেষ্ঠা পৌরমেয়র মোস্তাফিজুর রহমান দেওয়ানী কার্যবিধি ৩৯ অর্ডার ১রুল ও ১৫১ ধারামতে ঠাকুরগাঁও সহকারি জজ আদালতে অস্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার চেয়ে মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত ২ দিনের মধ্যে কারণ দর্শনোর জন্য সাব রেজিঃ কে নিদের্শ প্রদান করেন। কিন্তু চতুর সাব রেজিঃ সন্তোষজনক জবাব দাখিল না করে সময়ের আবেদন করেন। ২ জানুয়ারী জবাব দাখিলের জন্য আবারো তারিখ নির্ধারণ করেন।

এদিকে নিকাহ রেজিষ্টার নিয়োগে অনেক প্রর্থী মোটা অংকের অর্থ প্রদান করেছেন মর্মে এলাকায় গুঞ্জন উঠেছে। এ ব্যাপারে মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমার পৌরসভায় নিকাহ রেজিষ্টার নিয়োগ হবে দুর্নীতির আশ্রয়ে এবং অনিয়মভাবে তা মেনে নেওয়ার মতো নয়। তাই আমি আদালতের আশ্রয় নিয়েছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ বলেন, আমার অফিসে নিয়োগ কমিটির সভা দেখানো হলো অথচ আমার স্বাক্ষর নেই, বিষয়টি বুঝে নেন। যে কোন অনিয়ম আল্লাহ সহ্য করবেনা, মেয়রকে সয়ং আল্লাহ আমার হয়ে আদালতে পাঠিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব সাবরেজিষ্টার শফি আকরামুজ্জামান বিপ্লব মুঠোফোনে বলেন, যেহেতু কোটে মামলা হয়েছে এটির নিয়ম অনিয়মের বিষয়টি কোট বুঝবে।

মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি, প্রয়োজনে ক্লাস বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

হঠাৎ দেশে কেন এত করোনা সংক্রমন বাড়ল…

কবরস্থান থেকে ১১ কঙ্কাল চুরি তাও এক রাতে

শেরপুর সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের কবরস্থান থেকে ১১টি কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার ভোরে হালগড়া ফটিয়ামারি পুরাতন পাড়া সার্বজনীন কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে ফজরের নামাজের পর ফটিয়ামারী গ্রামের এক বাসিন্দা তার স্বজনের কবর জিয়ারত করতে যান। এ সময় তিনি খেয়াল করেন, তার স্বজনের কবরসহ মোট ১১টি কবর খোঁড়া। এসব কবর থেকে মরদেহের কঙ্কাল তুলে নেয়া হয়েছে। এবং একটি লাশ পুরোপুরি পচে না যাওয়ায় লাশটি ফেলে রেখে যায়। এরপর তৎক্ষণাৎ তিনি বিষয়টি ওই কবরস্থান ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও সম্পাদককে জানান।

এ বিষয়ে কবরস্থান ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল হাই বলেন, কবর থেকে কঙ্কাল চুরি হওয়ার ঘটনা নিন্দনীয়। এ ঘটনায় আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে শেরপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করব।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মুনসুর আহাম্মদ জানান, কঙ্কাল চুরির বিষয়টি ফোনের মাধ্যমে জেনেছি। এখনও থানায় কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। বাকি কবরগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও স্বজনরা শঙ্কায় রয়েছেন।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

হঠাৎ দেশে কেন এত করোনা সংক্রমন বাড়ল…

পীরগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু

মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে শিবা নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। (২ জানুয়ারি রবিবার) সকালে ভোমরাদহ রেল স্টেশনের উত্তরের লোহাগাড়া বনবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শিবা উপজেলার সেনুয়া গ্রামের বাসিন্দা।এ ব্যাপারে পীরগঞ্জ স্টেশনের সহকারি মাস্টার সোহরার আলী সুজন বলেন , রাজশাহী থেকে পঞ্চগড়গামী বাংলা বান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে এক যুবকের মুত্যু হয়। মৃতের লাস দিনাজপুর রেলওয়ে পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।

 

বাগেরহাটের রামপালে জমিজমার বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত- ৩

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের রামপালে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় গৃহবধূ শিউলী বেগম (৩৫) ও তার স্বামী আলমগীর হোসেন (৪৮) আহত হয়েছেন। আহতদের রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার ঝনঝনিয়া গ্রামের আলমগীরের সাথে তার সৎ ভাইয়ের ছেলেদের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গত বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় তার বাড়িতে দলবদ্ধভাবে প্রবেশ করে হামলা করে। তারা আলমগীরের শিশু কন্যা সাদিয়া খাতুন (৮) কে মারপিট করে।  হামলাকারীরা হলেন, সাইফুল্লাহ শেখ, মো. বাকী বিল্লাহ, মো. ইসমাইল হোসেন স্টাম, শেখ রিয়াদসহ ৮ জন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রতিপক্ষরা তাদের মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে বলে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

পার্লামেন্টের মধ্যেই এমপিদের ঘুসাঘুসি (ভিডিও)

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

অবাক হলেও ঘটনা সত্য, পার্লামেন্টে অধিবেশন চলাকালে সংসদ সদস্যদের মধ্যে ঘুসাঘুসির ঘটনা ঘটেছে। স্পিকার এক সংসদ সদস্যকে (এমপি) পার্লামেন্ট কক্ষ ত্যাগ করতে বলার পর জর্ডারের পার্লামেন্টের সদস্যরা মারামারিতে লিপ্ত হন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

সংসদ অধিবেশনে এমপিদের মধ্যকার ওই হাতাহাতির ঘটনা লাইভে ধরা পড়েছে। ওই ফুটেজে দেখা গেছে, এক এমপি ঘুসি খেয়ে মেঝেতে পড়ে গেছেন। অন্যরা চিৎকার করেছেন। পার্লামেন্টের ওই বিশৃঙ্খল অবস্থা কয়েক মিনিট ধরে চলছিল।

সংবিধানের প্রস্তাবিত সংশোধনী নিয়ে অধিবেশন চলাকালে অযৌক্তিক মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে এক এমপি অস্বীকৃতি জানানোর পর এই মারামারির ঘটনা শুরু হয়। এতে কেউ আহত হননি বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

খলিল আতিয়েহ নামে ওই সময় উপস্থিত এক এমপি জানান, প্রথমে সামান্য কথা কাটাকাটি থেকে শুরু হওয়া এই ঘটনা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।  এই আচরণ আমাদের জনগণের কাছে অগ্রহণযোগ্য। আমাদের দেশের সুনামও এতে ক্ষুণ্ন হয়েছে।

 

বাঁশখালী কদমরসুলে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব ৮পরিবারের পাশে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল

চট্টগ্রামের বাঁশখালী খানখানাবাদ ইউনিয়নের কদমরসুল গ্রামের নোয়াপাড়ায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ৮ পরিবারের  মাঝে শুকনো খাবার সহায়তা ও কম্বল প্রদান করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে বাঁশখালী-১৬ আসন হতে চারচারবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর নির্দেশনায় বাঁশখালী উপজেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হেফাজ উদ্দীন চৌধুরী  ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ওই সহায়তা দেন।

এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ সদস্যদের সান্তনা দিয়ে বলেন, আপনারা ধৈর্য্য হারাবেন না। ধৈর্য্যশীলদের সঙ্গে সৃষ্টিকর্তা আছেন, বাঁশখালীর আপামর জনসাধারণের পরম বন্ধু সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরী  আপনাদের পাশে আছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারদের পুনর্বাসনসহ সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। পরে তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ ৮টি পরিবারক খাদ্য সামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।

এ সময় দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান, বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক পদপ্রার্থী বেলাল মাহমুদ, উপজেলা ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ ইউনুস, মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন, ইকবাল হোসেন রেজা, মোহাম্মদ ফয়সাল, মোহাম্মদ আরাফাত, মোহাম্মদ মিনহাজ, মোহাম্ম সাইফুল সহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ৩নং খানখানাবাদ ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড কদম রসুল  নোয়াপাড়ায় এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৮টিঁ পরিবারের বসতঘরসহ সর্বস্ব পুঁড়ে ছাই হয়ে যায়। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সবাই খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে।

//চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রাণীশংকৈল রাতোর ইউনিয়নে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

ঝালকাঠিতে লঞ্চে আগুন ইঞ্জিনের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে হতেপারে – নৌ পরিবহন মন্ত্রী

ঝালকাঠিতে লঞ্চে আগুন ইঞ্জিনের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে হতেপারে – নৌ পরিবহন মন্ত্রী

//ঝালকাঠি প্রতিনিধি//

ঝালকাঠিতে ‘অভিযান-১০’ নামের লঞ্চে আগুন ক্যানটিন থেকে নয়, ইঞ্জিনের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে হয়েছে বলে মনে করছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য শাজাহান খান।

২৫/১২/২০২১ইং তারিখ শনিবার সকাল ১১টায় আগুনে পুড়ে যাওয়া লঞ্চ পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে সংবাদ গুলো আমরা দেখেছি, সেগুলো আমলে নিয়ে পর্যালোচনা করে এবং লঞ্চটি পরিদর্শনে কাজ করছে তদন্ত কমিটি।

নৌ মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির আহবায়ক যুগ্ম সচিব তোফায়েল হাসান বলেন, ‘যা কিছু দেখেছি, সবই প্রাথমিক তদন্ত। চূড়ান্ত ভাবে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।

ওই সময় নৌমন্ত্রণালয়ের ৭ সদস্য ফায়ার সার্ভিসের ৫ সদস্য এবং জেলা প্রশাসনের ৫ সদস্যে ও তদন্ত কমিটির সদস্যরা লঞ্চটি পরিদর্শন করে।

ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটির প্রধান উপ পরিচালক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন,  লঞ্চের ছয়টি সিলিন্ডারের মধ্যে একটিতে বিস্ফোরণ হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।

তবে ইঞ্জিন রুমের পাশের ক্যানটিনের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে পুরো লঞ্চে আগুন লেগেছে বলে জানিয়ে ছিলেন কেবিন বয় ইয়াসিন।

স্ত্রীকে নিয়ে তিনতলা থেকে লাফ দিয়ে জীবন বাঁচালেন ইউএনও

//সায়েদ রুবেল, ঝালকাঠি//

স্ত্রীকে নিয়ে তিনতলা থেকে লাফ দিয়ে জীবন বাঁচালেন ইউএনও।

ঢাকা থেকে বরগুনাগামী অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ আল মুজাহিদ ও তার স্ত্রী। তবে তার স্ত্রীর পা ভেঙে গেছে।

বর্তমানে তারা ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ইউএনও দম্পতি লঞ্চের ভিআইপি কেবিন নীলগিরির যাত্রী ছিলেন।

ইউএনও জানান, ঢাকা থেকে অফিসিয়াল কাজ সেরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে বরগুনার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। রাত ৩টার দিকে লঞ্চের অন্য যাত্রীদের চিৎকারে তার ঘুম ভাঙে। এ সময় লঞ্চটি সুগন্ধা নদীর মাঝখানে অবস্থান করছিল। অনেকেই নদীতে লাফিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেন। ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন লঞ্চ থেকে তারাও লাফ দিলে তৃতীয় তলা থেকে দোতলায় পড়ে যান। তখন তার স্ত্রী উম্মুল ওয়ারার ডান পা ভেঙে যায় এবং হাতেও প্রচণ্ড আঘাত পান।