৪দিন ধরে সমুদ্রে মূত্রপান : সন্তানদের বাঁচিয়ে নিজের মৃত্যু

 

মহাসমূদ্র।।  যে দিকে দু’চোখ যাচ্ছিল শুধু পানি আর পানি। কিন্তু পান করার মতো এক ফোটা পানিও নেই। সমুদ্রের ঢেউয়ে যেকোনো মুহূর্তে ইয়াটের ভাঙা অংশটা উল্টে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হচ্ছিল মাঝে মধ্যেই। দুই সন্তানকে আঁকড়ে ধরে ওই ভাঙা অংশেই বাঁচার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন ভেনেজুয়েলার মেরিলি চেকন। ক্রমে শরীর অবসন্ন হয়ে আসছিল। তার মধ্যে সূর্যের তাপে ডিহাইড্রেশন হওয়ার ভয় পাচ্ছিলেন। পানীয় ছিল না, খাবার ছিল না। ছেলেমেয়েকে বাঁচাবেন কী করে! এই ভাবনা তাকে ঘিরে ধরছিল নিরন্তর। আর সেটাই যেন তাকে শক্তি জুগিয়ে গিয়েছে ওই ভয়ানক পরিস্থিতিতে।

উপায় না দেখে নিজের প্রস্রাব পান করেছিলেন, যাতে শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে না যায়। আর ছেলেমেয়েকে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচাতে নিজের স্তন্যপান করিয়ে গিয়েছেন। তিন দিন সমুদ্রে এভাবেই কাটিয়েছেন। কিন্তু চতুর্থ দিন আর পারেননি। উদ্ধারকারীরা আসার আগে ডিহাইড্রেশনেই মারা যান মেরিলি। কিন্তু সন্তানদের বাঁচিয়ে গিয়েছেন তিনি। মায়ের নিথর দেহ আঁকড়ে দুই শিশুকে ভাসতে দেখেছিলেন উদ্ধারকারীরা। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর ভেনেজুয়েলা থেকে ক্যারিবীয় দ্বীপ লা তোর্তুগাতে বেড়াতে গিয়েছিলেন মেরিলি। থর দ্য হিগুরেতে নামে একটি ইয়াট ভাড়া করেন তারা। জনমানবহীন দ্বীপে একটা রোমাঞ্চকর ভ্রমণ নিয়ে উৎসাহ আর উদ্দীপনা ছিল মেরিলিদের মধ্যে। তার ছেলেমেয়েসহ মেরিলিরা সংখ্যায় ৯জন ছিলেন। ৫ সেপ্টেম্বর ফিরে আসার কথা ছিল তাদের। কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা বেজে গেলেও ফেরেননি মেরিলিরা। তখন সন্দেহ হওয়ায় ভেনেজুয়েলার ন্যাশনাল মেরিটাইম কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে ওই সংস্থা। তাদের জানানো হয়, গন্তব্যস্থলে ইয়াট পৌঁছয়নি, রওনাস্থলে ফিরেও আসেনি।

৬ সেপ্টেম্বর মেরিলিদের যাত্রাপথে খোঁজ শুরু করে ভেনেজুয়েলার মেরিটাইম কর্তৃপক্ষ। অনুসন্ধানকারী দলটি দেখে লা অর্চিলা দ্বীপের কাছে ইয়াটের ভাঙা অংশ। ৭ সেপ্টেম্বর সকালে ওই দ্বীপ থেকে কিছুটা দূরে তারা দেখতে পান ইয়াটের একটা ভাঙা অংশ ভাসছে সমুদ্রে। তাতে দুই সন্তানসহ মেরিলিকে দেখতে পান তারা। মেরিলিদের উদ্ধার করা গেলেও বাকি সদস্যরা নিখোঁজ। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।

//আন্তর্জাতিক অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নড়াইলে পেড়লী ক্যাম্প পুলিশের অভিযানে ০২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

অপপ্রচার ছড়ানো ‘বাকস্বাধীনতা’ নয়: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

৭হাত লম্বা চিচিঙ্গা হয়েছে খুলনায়….!

 

হ্যাঁ, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, খুলনার পাইকগাছায় একেকটি চিচিঙ্গা সাত হাত লম্বা হয়েছে, যা কুশি নামে এলাকায় পরিচিত। মাত্র দেড় মাস সময়ের মধ্যে গাছে ফলন আসছে।

পাইকগাছা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বৃদ্ধ জয়নাল সানা গাছটি লাগিয়েছেন  । চিচিঙ্গা (কুশি) শীতকালীন সবজি হলেও এ জাতের চিচিঙ্গা সারা বছর হয়। তবে উঁচু ও শুকনা জায়গা এর জন্য উপযুক্ত বলে জানা যায়।

চিচিঙ্গা অধিক লম্বা হওয়ার কারণে অনেক উঁচুতে ফাঁস জাল দিয়ে বান বা মাচান বানানো হয়েছে।

কৃষক জয়নাল সানা জানান, গাছে ৯টা চিচিঙ্গা (কুশি) ধরেছে। গাছটি তেমন মোটাতাজাও নয়। এর পরও গাছ ছাড়া ফল অস্বাভাবিক হওয়ায় উৎসুক মানুষ দেখতে আসে প্রতিদিন। খেতেও মোটামুটি স্বাদ আছে এমনটি জানালেন গাছের মালিক।

তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো সবজি আমাদের এলাকায় আমি নিজেও কোনো দিন দেখিনি। এ চিচিঙ্গার (কুশি) বীজ নেওয়ার জন্য আমার বাড়িতে প্রায় লোক আসে। এটি পাকলে এ আবদার আমাকে রাখতেও হবে।

তিনি আরও বলেন, পাইকগাছার নিলু নামে এক ব্যক্তি গত বছর ভারতের অন্ধপ্রদেশ থেকে ২০টি বীজ নিয়ে আসেন। এর পর তার বাড়িতে লাগান। ফলনও হয়েছিল। তার থেকে বীজ নিয়ে পৌরসভার সরল গ্রামের জয়নাল সানা ও অখিল মণ্ডল চাষ করছেন। ফলনও হয়েছে।

পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর জানান, আমি তো বিশ্বাসই করতে পারিনি একটা চিচিঙ্গা এত বড় হতে পারে। আমি প্রায় সকালে জয়নাল ভাইয়ের বাড়িতে দেখতে যাই। এটা দেখে আমার অনেক ভালো লাগে। আমি বীজ নিয়ে আমার বাড়ির আঙিনায় চাষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, আমি এ ধরনের সবজির কথা শুনেছি। হাইব্রিডজাতীয় এ সবজি চাষ সর্বত্রই ছড়িয়ে দেওয়া যায় কিনা তা উপজেলা কৃষি অফিসারকে বলা হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বীজ সংগ্রহ ও মজুদ করার কথা বলছি। আগামীতে এটা পাইকগাছার বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

//খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অপপ্রচার ছড়ানো ‘বাকস্বাধীনতা’ নয়: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

 

বরিশাল নগরীর ভাটিখানার প্রধান সড়কটির বেহাল দশা: ভোগান্তিতে হাজার হাজার মানুষ

 

বরিশাল নগরীর ভাটিখানা প্রধান সড়কটি বছরের পর বছর যাবৎ মেরামত না করায় এখন সড়কটি মৃত্যু ফাঁদে পরিনত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ মেরামতের কোন উদ্যোগ না নেয়ায় এ সড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

৪ ও ৭ নং ওয়ার্ডের  ভাটিখানা প্রধান সড়কটি বছরের পর বছর মেরামত না করায় গত কয়েক বছর যাবৎ সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে আছে। এতে সাধারন মানুষ ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভাটিখানার প্রায় সড়কই এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃস্টি হয়ে সড়কটি এখন পুকুরে পরিণত হয়েছে। খোদ ৭.৮.৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর নিজ বাসা এল কে ভবনের গেটে মূখে সড়ক যেন পুকুরে পরিণত হয়ে আছে। ঝুঁকি নিয়ে বছরের পর বছর ওই সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে গাড়ি উল্টে যাত্রীরা প্রতিদিনই কোননা কোন দূর্ঘটনার শিকার  হচ্ছে।

উপোরক্ত সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী সহ সাধারন বাসিন্দারা চলাচল করতে গিয়ে চরম বিরাম্বনার মধ্যে পড়েছেন। সড়কগুলো বিসিসি বছরের পর বছর যাবত মেরামত না করায় বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে খানাখন্দে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সত্তার শরীফ, ইমাম আবু হানীফ সায়েস্তাবাদী, ফার্মিসি ব্যবসায়ী রেজাউল সহ ভাটিখানা এলাকার একাধিক ব্যবসায়ী আক্ষেপ করে বলেন। আমাদের ভাটিখানা এলাকায় ক্ষমতাশীন দলের প্রথম সারির ডজন খানেক নেতা থাকা সত্তেও বছরের পর বছর সড়কটির বেহালদশা হলেও এতে তাদের কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই !

আমাদের মহল্লা ভাটিখানায় উপজেলা চেয়ারম্যান, বিসিসি প্যানেল মেয়র, মহানগর আওয়ামীলীগ সম্মানিত সভাপতি, মহানগর আলীগ প্রভাবশালী নেতা শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক , আলীগ দপ্তর সম্পাদক, তিন তিনবার নির্বাচিত ৭.৮.৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর,মহানগর মহিলালীগ সহ ক্ষমতাশীন দলের আরো অনেক নেতৃবৃন্দরা এই ভাটিখানা বসবাস করেন। তাদের কাছে সাধারন মানুষের প্রানের দাবী ভাটিখানা প্রধান সড়কটি মেরামত কবে হবে।

এই দাবীর মূখে বেশ কয়েক মাস পূর্বে সড়কটি নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্হাপন করেন বিসিসির মেয়র যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। ভাটিখানাবাসী আশায় বুক বাধে তাদের  দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবে রুপনিচ্ছে তাদের দূর্ভোগের অবশান ঘটতে যাচ্ছে।  কিন্তু না আজ পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ করার কোন পদক্ষেপ বাস্তবে দেখা যাচ্ছেনা!

ভাটিখানার বেশিরভাগ সড়কের বেহাল দশার কোনই পরিবর্তন আসছেনা! রাস্তা গুলো সংস্কার না করায় কয়েক দিনের ভাড়ি বর্ষার পানিতে রাস্তা এখন পুকুরে পরিনত হয়েছে। বৃস্টির পানি খানাখন্দকে ভরে থাকায় রিকশা- গাড়ি যাতায়াত করতে গিয়ে কোননা কোন দূর্ঘটনার শিকার  হচ্ছে। শহিদ আরজু মনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী তাবিয়া ভূমি জানায়, প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে রেডি হয়ে ভাটিখানা পূজা মন্দিরের পিছনের সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তা দিয়ে একটি গাড়ি যেতে ছিল।

এসময় রাস্তার গর্তে জমে থাকা পানির উপর দিয়ে গাড়িটি গেলে আমার পুরো শরীর রাস্তার নোংরা পানি ছিটে ময়লা হয়ে যায়। স্কুলছাত্রী আরো বলেন প্রাকৃতিক দূর্যোগ করোনার কারনে আমাদের স্কুল কলেজ দির্ঘদিনবন্ধ ছিলো এখন আমাদের স্কুল কলেজ খোলার হয়ছে  আর স্কুল- কলেজে যাতায়াতের জন্য ভাটিখানা মূল সড়কটি আমাদের একমাত্র ভরসা সড়কটি অনতিবিলম্বে মেরামত করা দরকার। স্কুলছাত্রী ভূমিরমত অসংখ্য সাধারন মানুষ প্রতিদিনই রাস্তায় বেড় হয়ে এভাবে অনাকাঙ্খিত ঘটনার শিকার হচ্ছে।

সূত্রে জানা গেছে, বছর খানেক আগে বিসিসির ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র এ্যাড. রফিকুল ইসলাম খোকন নিজের ব্যাক্তিগত অর্থয়ানে সাময়িকভাবে কয়েকটি শাখা  সড়ক সংস্কার করে দিয়ে ছিলেন। তবে বেশ কয়েক দিনের ভারি বর্ষণের ফলে ভাটিখানার প্রায় সড়কই এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যা সংস্কার করা জরুরী হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়দের দাবী।

এবিষয়ে বিসিসি’র জননন্দিত মেয়র যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুলাহর হস্তক্ষেপ   কামনা করেছেন ভাটিখানার বাসিন্দারা। তাদের দাবী দ্রুতই ভাটিখানার সড়কগুলো বিসিসি মেয়র পরিদর্শন করে সংস্কার করার নির্দেশ দিবেন বলে আশায় বুক বেধে রইলাম। এবিষয়ে ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র এ্যাড. রফিকুল ইসলাম খোকনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেয়র মহোদয় যতেষ্ট আন্তরিক ভাবে বিসিসির রাস্তা গুলো টেকসই এবং পাচঁ বছরের গ্যারান্টি নিয়ে ঠিকাদারদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন।

বর্তমানে আমানতগন্জ সোনালি আইসক্রিম মোড় থেকে মহাবাজ ব্রিজ পর্যন্ত শায়েস্তাবাদ সড়কের কাজ নির্মানাদিন। বর্ষা মৌসুম  শেষ হওয়ার পরপরই আমাদের রাস্তাগুলো পূর্ন নির্মান করা হবে। বর্ষা মৌসুমে  জন্য রাস্তার উন্নয়ন কাজ হাতে নেওয়া যাচ্ছে না।

সাময়িক অসুবিধার জন্য ওয়ার্ড বাসীর কাছে দু:খ প্রকাশ করে এ জনপ্রতিনিধি আরও বলেন, প্রাণপ্রিয় ওয়ার্ড বাসির সুখ দু:খের ভাগিদার আমরা বিসিসি প্রতিনিধিরাও  । তাদের কষ্টে আমরাও কষ্ট পাই।

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Dainik Biswa News

মাগুরার কৃতি সন্তান মিরাজুল সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম এর কেন্দ্রীয় সভাপতি

 

ব্যারিস্টার জুবায়ের আকতার ওহীর সাথে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন’র মেয়ে অনামিকা ইসলাম প্রিয়মের বিয়ে সম্পন্ন

 

কুষ্টিয়ার ছেলে ব্যারিস্টার জুবায়ের আকতার ওহীর সাথে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এর ছোট কন্যা অনামিকা ইসলাম প্রিয়মের বিয়ে সম্পন্ন হয়।(১১ সেপ্টেম্বর শনিবার ) ঢাকায় সেনামালঞ্চ কনভেনশন সেন্টারে এই বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

জুবায়ের আকতার ওহী কুষ্টিয়া কোর্ট পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন । তিনি সুপ্রিম কোর্টের এ্যাডভোকেট এবং জামান আকতার বুলবুলের পুত্র তাঁর পিতা মরহুম এম আলাউদ্দিন ছিলেন দৌলতপুর থানার রেফাইতপুর হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠাতা এবং ঐতিহ্যবাহী কুষ্টিয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক । ব্যারিস্টার ওহীর মাতামহ মরহুম নকীব উদ্দিন আহমেদ প্রথিতযশা আইনজীবি এবং কুষ্টিয়া আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের খন্ডকালীন শিক্ষক ছিলেন।

ছাত্র জীবনে সেন্ট জোসেফ স্কুল ও কলেজের লেখা-পড়া শেষে যুক্তরাজ্যের ইউনিভারসিটি অফ লন্ডন থেকে এল.এল.বি অনার্স ডিগ্রী লাভ করেন ওহী । পরে যুক্তরাজ্যের ওয়েলস এ অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ওয়েলস থেকে এল.এল.এম ডিগ্রী লাভ করেন । পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ ইউনিভারসিটিতে বার প্রফেশনাল ডিগ্রী অর্জন করে লন্ডনে অবস্থিত লিংকন ইনস এর সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৯ সালে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে আসেন ।

প্রিয়ম বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে অনার্স এবং ডেভেলপমেন্ট স্টাডিস থেকে মাস্টার্স পাস করেন। তিনি বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপ ওয়াল্টন-এ এসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর অফ এইচ আর হিসেবে কর্মরত ।
উক্ত বিয়ের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ ও দুই পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

//মাহাবুব আলম, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

করোনা চট্টগ্রাম।। আরো ৬ জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ৬৪

 

 

পটুয়াখালী গলাচিপায় তিন সন্তান নিয়ে আশ্রয় পেতে ঘুরছে  দ্বারে দ্বারে

//মোঃ তুহিন শরীফ. নিজস্ব প্রতিনিধি//

পটুয়াখালী গলাচিপা উপজেলার বিধবা রাহিমা তিন সন্তান নিয়ে আশ্রয়ের জন্য ঘুরছে মানুষের দুয়ারে। সরকারি ঘর পাওয়ার জন্য আবেদন করেেও প্রাপ্তির আসায় তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের স্বদইচ্ছার অপেক্ষায়।

জানা গেছে উপজেলার নলুয়াবাগী গ্রামের মোঃ ইদ্রিচ এর মেয়ে রাহিমা।পাশ্ববর্তী মৃত শাহআলম এর সাথে বৈবাহিক সম্পর্কে তিনটি সন্তান লাভ করে এই দম্পতি। স্বামী দুরারোগ্য মৃতের কারনে তিন অনাথ সন্তান নিয়ে আশ্রয় নেওয়ার জন্য মানুষের দারস্থ।অসহায় ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া গৃহহীনদের ঘরের আসায় সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা এম পি এর কাছে আবেদন করেন ১/৭/২০ তারিখে।এই মানবিক আবেদনে গোলখালী ইউ পি চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দীন আহমেদ এর জোরালো সুপারিশ রয়েছে।১৬৯১/২০ স্মারক সূত্রে সরজমিনে পরিদর্শন করা হলেও রাহিমা বঞ্চিত রয়েছেন ঘর প্রাপ্তি থেকে।

এ বিষয় ইউনিয়ন সহকারী(ভূমি) কর্মকর্তা মোঃ সহিদুল ইসলাম জানায়,ঘটনা স্থান পরিদর্শন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে জানানো হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিষ কুমার বলেন, যাদের জমি আছে ঘর নেই তাদের তালিকা করা হয়নি। এক-দুই মাসের মধ্যেই যাচাই-বাছাই করে ঘর দেওয়া হবে।

উদ্যোক্তা সফলতা অদম্য জয়িতা ফারহানা, ‘কৃষি ও আচারে’ মিলেছে সফলতা

উদ্যোক্তা – ফারহানা ইয়াসমিন

যশোর শহরে ফারহানা ইয়াসমিনের বেড়ে ওঠা। প্রকৃতির সাথে সান্নিধ্য তার। নিজেকে অন্যদের চেয়ে আলাদা ভাবতে উপস্থাপন করতে চান। অদম্য মনোভাব। মন খারাপ হলে চলে যান কপোতাক্ষের পাড়ে। যশোর এমএম কলেজে বি এ পাস করেন  তিনি। হঠাৎ করে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়েছিল।বিয়ে করেন  মাগুরার মহম্মদপুরে উমেদপুর গ্রামে। সংসার নামক সুতোয় বাঁধা পড়েন তিনি।

তবুও বিভিন্ন দপ্তরে চাকরির জন্য চেষ্টা চালিয়ে যান। কিন্তু চাকরির জন্য দৌড়াদৌড়ি আর ভালো লাগে না। ভাবলেন নিজে কিছু করবেন। সেই ভাবনা থেকেই কৃষি  চাষের পরিকল্পনা।

২০১২ সালে শুরু করেন ছাদে কৃষি বাগান। মাত্র আড়াই লাখ টাকা নিয়ে শুরু করেন তার ব্যবসা। যশোরে প্রথম নারী কৃষি  চাষী হিসেবে গড়ে তোলেন নিজেকে। নাম দিলেন ফারহানা ফ্রুটস অফ ফ্লোয়ার  গার্ডেন।

যশোরের বিভিন্ন স্থানে তার ফলের চাহিদা বাড়তে থাকে। নিজেও সময় দেন সেখানে। তবে যশোরে চারা না পাওয়ায় তাকে বিভিন্ন স্থান থেকে চারা সংগ্রহ করতে হয়। গাজীপুরের কৃষি ইনস্টিটিউট কেন্দ্র থেকেও চারা সংগ্রহ করেন। বিভিন্ন সংস্থায় তিনি আলোচিত হন। প্রচুর পরিশ্রমী ফারহানা ইয়াসমিন নিজেকে অনেক উঁচু স্থানে দেখতে চান।

জয়িতা ফারহানা ইয়াসমিন  দৈনিক বিশ্ব কে বলেন, প্রতিদিন হিসেবে বিক্রি করেন। করোনার থাবায় আমার ব্যবসায় ধ্বস নামে। বিক্রি কমে যাওয়ায় ঘরেই নষ্ট হলো অনেক টাকার মালটা কমলা পেয়ারা ইত্যাদি। তবুও আমি থেকে থাকিনি। ঘরে বসে আচার বানানো শুরু করলাম। ফেসবুকের মাধ্যমে প্রচার করে চাহিদা বাড়াতে থাকলাম।

কৃষির পাশাপাশি ফারহানার  রান্নাঘরেও মিলল সাড়া। নানান ধরনের মুখরোচক আচারে মুগ্ধ আচার প্রিয়রা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখন অর্ডার আসা শুরু করেছে।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূ জয়িতা   ফারহানা ইয়াসমিন পেয়েছেন ২০১৮ বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক । প্রশিক্ষণ নিয়েছেন নিজ শহর যশোর ঢাকার গাজীপুর সহ দেশের অনেক জেলাতে  তার চাওয়া দেশের মেয়েরা ঘরের কাজের পাশাপাশি যে কোনো কাজের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করতে পারেন।

চাকরির পেছনে না দৌড়ে যদি নিজে উদ্যোক্তা হতে পারেন তাহলে পরিবারের স্বচ্ছলতার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাগেরহাটের রামপালে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামী গ্রেফতার: র‌্যাব-৬

 

শেষ পর্যন্ত নারী ভিক্ষুককে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

 

এক নারী ভিক্ষুককে রাতভর পালাক্রমে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে এ ঘটনা ঘটে।

ভিকটিমের পারিবারিক সূত্র জানায়, উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের কাউকান্দি চতুর্ভুজ গ্রামের বিধবা নারী (৩৫) ছয় বছর বয়সি শিশুসন্তানকে নিয়ে ভিক্ষা করে সংসার চালান।

বর্ষা মৌসুম হওয়ায় হাওর তীরে গ্রামের বাড়িতে যাতায়াতে ঝুঁকির কারণে উপজেলার উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামে বাসা ভাড়া নেন তিনি।

সেখানে বৃহস্পতিবার রাত ২টা থেকে সোয়া ২টার মধ্যে উপজেলার মোল্লাপাড়া গ্রামের দুই ব্যক্তি দরজা ভেঙে বাসায় ঢুকে ঘুমন্ত শিশুকে পাশে রেখে ওই বিধবা নারী ভিক্ষুককে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

এই ঘটনার পর বৃহস্পতিবার ভোররাতে ও শুক্রবার প্রতিবেশী এবং এলাকার মুরব্বিদের বিষয়টি জানানোর পর থানায় অভিযোগ না করার জন্য ভিকটিমকে ভয় দেখায় অভিযুক্তরা।

পরে শনিবার থানা পুলিশকে দলবদ্ধ ধর্ষণের বিষয়ে ভিকিটিম লিখিত অভিযাগ করেন।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানার ডিউটি অফিসার জানান, ভিকটিমের পক্ষ থেকে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

//সুনামগঞ্জে প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

৩৫ টি কচ্ছপ উদ্ধার করেছে যাত্রীবাহি বাস একটি বিআরটিসি থেকে 

 

 

মানবসেবা ও জনকল্যাণমূখী কাজের জন্য সারমিন সালাম পেয়েছেন রিয়েল হিরো আ্যাওয়ার্ড

মানব কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন মানুষের জন্য যে নারী তিনি হলেন সারমিন সালাম। দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এনভয় গ্রুপ-এর পরিচালকের দায়িত্বে পালন করে চলেছেন দক্ষতার সাথে। সফল মানবসেবী ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে অনেক কৃতিত্ব রয়েছে তার।

সকল শ্রেণীর পেশার মানুষের সাথে হাসি দিয়ে কথা বলেন এবং সুন্দর ব্যবহার, সেবামূলক কর্মকান্ড দিয়ে আজ প্রশংসাও কুড়িয়েছেন তিনি। কারো কাছে প্রিয় ভাবী, কারো কাছে শ্রদ্ধেয় চাচিমা। তার মানব সেবায় আকৃষ্ট হয়ে কেউ কেউ তাকে জন ’দরদী মা’ স্বীকৃতি দিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় ভাবেও মানবসেবা ও জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য পেয়েছেন রিয়েল হিরো আ্যওয়ার্ড। পুরস্কারটি হাতে তুলে দিয়েছেন বর্তমান সরকারের মাননীয় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা: মুরাদ হাসান। গত ১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার হোটেল লা মেরিডিয়ান থলে ডটকম এর আয়োজনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও দেশবরেণ্য তারকা ফুটবলার ও বিশিষ্ট শিল্পপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীর সহধর্মীনি। স্বামীর সহযোগিতা, উৎসাহ আর অনুপ্রেরণায় তিনি মানব কল্যাণে নিজেকে আজ মানব সেবাই শীর্ষে রয়েছেন। একজন নারী যে জাতীয় জীবনে, সংসার জীবনে, নারীর কল্যাণে এবং কর্মজীবনে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে সারমিন সালাম তার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত।

মানবসেবা ও জনকল্যাণমূখী কাজের জন্য সারমিন সালাম পেয়েছেন রিয়েল হিরো আ্যাওয়ার্ড

এনভয় গ্রুপের পরিচালক হিসেবে নারী শ্রমিকদের জন্য, মাতৃত্বকালীন ছুটি, দুগ্ধদান মহিলাদের ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার, শিশুদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টারের ব্যবস্থা করে দেন তিনি। যার ফলে এনভয় গ্রুপে সকল শ্রমিকদের কাছে তিনি মানবতার মা হিসেবে পরিচিত লাভ করেছেন। তার অধীনে রয়েছে ১৩টি গার্মেন্টস শিল্প। যেখানে প্রায় বিশ হাজার নারী পুরুষ শ্রমিক কর্মরত আছেন। আর এই বিপুল সংখ্যক নারীদের দক্ষ করে তোলা এবং নারীবান্ধব কর্ম পরিবেশ তৈরিতে এনভয় গ্রুপের পরিচালক হিসেবে সারমিন সালামের অবদান অগ্রগণ্য।সারমিন সালাম মানব সেবার ব্রত নিয়ে নিরলস ছুঁটে চলছেন স্বামীর নির্বাচনী এলাকা খুলনার রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলাসহ খুলনার প্রত্যন্ত এলাকায়। এই তিন উপজেলার সাংবাদিকসহ গরীব, দুঃস্থ, অসহায় মানুষের বিপদে-আপদে সব সময় পাশে দাঁড়ান তিনি।

একজন নারী, মা ও মানবসেবী হিসেবে তার অবস্থান সমানুপাতিক গতিতে বিদ্যমান। সালাম মূর্শেদী ও সারমিন সালাম দাম্পতির এক মেয়ে ও দুই ছেলেসহ তিন সন্তানকে গড়ে তোলার সিংহ ভাগ কৃতিত্বের দাবিদার মা সারমিন সালাম। স্বামী সালাম মূর্শেদী বারবার অকপটে স্বীকার করেন।

বড় মেয়ে শেহরিন সালাম ঐশী যখন লন্ডনে ব্যারিস্টারি পড়তেন তখন মমতা মাখানো হাতে মেয়ের পছন্দের খাবার রান্না করে প্রতি সপ্তাহে ছুঁটে যেতেন সুদূর লন্ডনে মেয়েকে দেখভাল করার জন্য তিনি। এভাবে সন্তানদের সঠিক পরিচালনা, উৎসাহ-অনুপ্রেরণা, আদর-ভালবাসা ও বন্ধুসুলভ আচরণ দিয়ে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে আজ সফল মানুষরূপে গড়ে তুলেছেন। তাইতো শেহরিন সালাম ঐশী দেশের সর্বকনিষ্ঠ ব্যারিস্টার হয়েছেন। কিছু আগে হয়ে যাওয়া ব্যবসায়ী সংগঠনের নির্বাচনে পরিচালক পদে নির্বাচিত হয়ে তরুণ সফল উদ্যোক্তা হিসেবে দেশের ব্যবসায়ী অঙ্গনে সুনাম অর্জন করে যাচ্ছেন। বড় ছেলে ইসমাম সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে আজ সফল একজন ব্যবসায়ী। ছোট ছেলে আইয়ান সালামকে আমেরিকান ইন্টারন্যশনাল স্কুলে দশম গ্রেডে ও পবিত্র কোরআনের হাফেজ করে তুলছেন।

জাতীয় জীবনে অর্থনীতি, রাজনীতির পাশাপাশি নিজের সংসার জীবন ঠিক রেখে, নারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও কল্যাণে নানামুখি পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিশেষ অবদান রেখে চলছেন বহুগুণে গুণান্বিত এই নারী। স্বামীর পাশাপাশি সারমিন সালাম মানবিক অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলছেন। তাইতো সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব স্বামীর সহযোগী হিসেবে সবসময় সকল কাজে সহযোগীতা করে চলছেন। সালাম মূর্শেদীর অর্থ-বিত্ত, নাম, যশ-খ্যাতি তার পিছনে স্ত্রী সারমিন সালামের অবদান কল্পনাতীত।

মানুষকে সেবা দেওয়া জন্য সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘ, সালাম মূর্শেদী ব্লাড ব্যাংক, সারমিন সালাম অক্সিজেন ব্যাংক, সারমিন সালাম মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ও পূর্ণবাসন কেন্দ্র স্থাপন করেছেন । এ সমাজসেবক চক্ষু রোগী এবং ক্যান্সার রোগীসহ বিভিন্ন রোগের কারনে অসুস্থ্য প্রায় ৫শতাধিক মানুষকে নিজ অর্থে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করেছেন। শীতের সময় গভীর রাতে শীতবস্ত্র নিয়ে মানুষের দরজায় দাড়িয়েছে। সারমিন সালাম ছোট বেলা থেকে পর উপকারী ছিলেন। তিনটি উপজেলার দুঃস্থ মহিলাদের বুনিয়াদ সুদৃঢ় করার জন্য ছাগল ও শতাধিক মহিলাকে সেলাই মেশিন প্রদান করেছেন। করোনায় বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘ ঘোষিত রূপসার ‘রিয়েল লাইভ আঁখি’কে তার স্বপ্ন পূরণের জন্য প্রায় ১২ লক্ষাধিক টাকার গার্মেন্টস স্থাপনের মেশিনারিজ দিয়েছেন। অনেক কন্যা দ্বায়গ্রস্থ বিধবা মায়ের মেয়েদের নিজ অর্থায়নে বিবাহের ব্যবস্থা করেছেন এই সারমিন সালাম।

মানব দরদী সারমিন সালাম ১৯৬৯ সালে ২২ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোঃ সালেহিন, মাতা ফিরোজা সালেহিন। তিনি ধানমন্ডি গার্লস স্কুল ঢাকা ১৯৮৪ সালে এসএসসি ও হলিক্রস গার্লস কলেজ হতে ১৯৮৬ সালে এইসএসসি পাস করেন এবং ঢাকা ইডেন কলেজ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। সারমিন সালাম একজন সাহিত্য অনুরাগী। কবিতা পড়তে ও লিখতে তার ভীষণ ভাল লাগে।

সারমিন সালাম বলেন, মানুষ মানুষের জন্য। যতদিন বাচবো নিজেকে মানব সেবাই নিয়োজিত রাখব। মানব সেবার মধ্যে যে আনন্দ রয়েছে তা অন্য কিছু করে সে আনন্দ পাওয়া যায় না। মানুষের ভালবাসা নিয়ে বেচে থাকতে চাই।

//আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসায় জুম কনফারেন্সে এমপি সালাম মূর্শেদীঃ আয়নাল গাজী  দক্ষ ও পরিশ্রমী নেতা ছিলেন

 

একটি বাটন টিপলেই যেকোন অর্থ লেনদেনকারীর তথ্য সরকার পাবে 

মানুষের আর্থিক খাতে জালিয়াতি বন্ধ ও অর্থ লোপাটকারীদের শনাক্তে বহুমুখী তদারকি শুরু হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মিত ও বিশেষ তদন্তের পাশাপাশি প্রযুক্তিকেও কাজে লাগানো হবে। এর আওতায় এক ছাতার নিচে আসবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সব লেনদেন। ফলে একটি বোতাম টিপেই মিলবে জালজালিয়াত বা অর্থ লুটেরাদের লেনদেনের সব তথ্য।

এটি সফল করার লক্ষ্যে গঠন করা হচ্ছে ইন্টার-অপারেবল ডিজিটাল ট্রানজেকশন প্ল্যাটফরম (আইডিটিপি)। যেখানে এক আইডিতে (জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর) গ্রাহকের সব হিসাব ও লেনদেনের তথ্য থাকবে। কেন্দ্রীয় গেটওয়ে দিয়ে হবে সব লেনদেন।

এবিষয় সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এ ধরনের কাঠামো কার্যকর হলে অর্থনৈতিক অপরাধ রোধে যোগ করবে নতুন মাত্রা। লেনদেন সহজ হবে। নগদ টাকার পরিবর্তে গ্রাহকরা অনলাইন লেনদেনে উৎসাহিত হবেন। ভূমিকা রাখবে কাগজের মুদ্রাবিহীন সমাজ (ক্যাশলেস সোসাইটি) গঠনেও, যা উন্নত দেশগুলোয় ইতোমধ্যে গঠিত হয়েছে।

এতে প্রাথমিকভাবে ১৩টি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হলেও অক্টোবরের মধ্যে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর আওতায় আসবে। শুরুতেই যুক্ত হচ্ছে সোনালী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান বিকাশ লিমিটেড এবং তথ্যপ্রযুক্তি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান রিকারশন ফিনটেক লিমিটেড।

যারা প্রতিষ্ঠানগুলো তদারকির জন্য থাকবেন তারা হলেন:  বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক, সিস্টেম এনালিস্ট ও উপপরিচালক পর্যায়ের তিন কর্মকর্তাও নিযুক্ত করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি সামনে রেখে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৫৪ কোটি ৯৫ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৯ টাকা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ব্যাংক আইডিটিপি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বহুমুখী নজরদারির পরও বন্ধ হচ্ছে না অস্বাভাবিক লেনদেন। বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইনে এসব চলছেই। নিয়ন্ত্রণে আসছে না অর্থ জালিয়াতি ও মানি লন্ডারিং।

জঙ্গি অর্থায়ন হচ্ছে, সাইবার অপরাধের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে

এ ধরনের অনিয়ম তদন্তে হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ তদারক সংস্থাগুলো। ফলে উন্নত বিশ্বের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে একই সার্ভারে সব ধরনের লেনদেনের তথ্য না থাকার আক্ষেপ ছিল বহুদিনের। এবার সেই আক্ষেপের কিছুটা হলেও অবসান হতে যাচ্ছে। একই ছাতার নিচে আসছে সব ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান। ব্যাংক, লিজিং কোম্পানি, মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানিসহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর আওতায় পড়বে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্ল্যাটফরমের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) ব্যবহার করবে ফিনটেক (ফিন্যান্সিয়াল টেকনোলজি) প্রতিষ্ঠানগুলো। এই সার্ভিসের আওতায় রেমিট্যান্স আদান-প্রদান, মার্চেন্ট পেমেন্ট, বিল পরিশোধ, ই-কমার্স, এম-কমার্স, মেশিন-টু-মেশিন পেমেন্টসহ অর্থ হস্তান্তর ও লেনদেন করা যাবে।

এটি মূলত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লেনদেনে সেতুবন্ধ তৈরি করবে, যা একদিকে ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশনকে ত্বরান্বিত করবে, অন্যদিকে লেনদেনের যাবতীয় তথ্য একটি আইডিতে সংরক্ষিত থাকবে। ফলে একটি বোতাম টিপেই যে কোনো গ্রাহকের সব ধরনের হিসাব ও লেনদেনের তথ্য পাওয়া যাবে।

এ প্রসঙ্গে সার্টের পরিচালক এবং আইডিটিপি প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট সমন্বয় ও পরীক্ষণ কমিটির সভাপতি তারেক এম বরকতউল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, ডিসেম্বরের আগেই প্রকল্পটি উদ্বোধন হবে। এ সময়ের মধ্যে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে এক ছাতার নিচে আনা হবে। এটির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হলে দেশ ক্যাশলেস সোসাইটির দিকে এগিয়ে যাবে। মূল বিষয়টি হলো-এর মাধ্যমে একটি গেটওয়েতে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান চলে আসবে।

তিনি বলেন, যেহেতু একটি আইডির মাধ্যমে এখানে লেনদেন হবে, তাই যিনি অর্থ পাঠাবেন এবং যিনি গ্রহণ করবেন-প্রত্যেকের তথ্যই ওই আইডিতে থাকবে। ব্যাংকগুলো গ্রাহকের বিস্তারিত জানবে। কেউ যদি জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করে, তাহলে ব্যাংক সহজেই তা শনাক্ত করতে পারবে। জাতীয় পরিচয়পত্রটাই গ্রাহকের আইডি হিসাবে কাজ করবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ভিশনের মধ্যে অন্যতম একটি হলো ক্যাশলেস সোসাইটিতে চলে যাওয়া। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ও বিভিন্ন সময়ে এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন। ফলে এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্যও সেটি।

বিজিডি ই-গভ সার্টের সিনিয়র টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট (ডিজিটাল সিকিউরিটি) তৌহিদুর রহমান বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হবে, যা ক্যাশলেস সোসাইটি গঠনে সহায়ক হবে। ডিজিটাল অর্থনৈতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক বিনিময় যোগ্যতা, কম খরচ, নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের ডিআইজি মো. আবদুল্লাহেল বাকীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়। তিনি বলেন, এখন ব্যাংকিং চ্যানেলে কোনো অর্থনৈতিক অপরাধ নিয়ে কাজ করলে বিএফআইইউ-এর সহায়তা নিতে হয়। অনুরোধ করতে হয় অভিযুক্তদের লেনদেনের হিসাব সংগ্রহ করে দেওয়ার জন্য। তাদের কাছ থেকে তথ্য পেলে সেগুলো নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে প্রত্যেকটি লেনদেন আলাদা আলাদা করে তদন্ত করা হয়। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে তাদের কাছ থেকে তথ্য নিতে হয়। তাদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া বেশ জটিল। এই পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে খুব সহজেই তথ্য পাওয়া যাবে। তদন্তের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে। সূত্র:যুগান্তর

//অনলাইন নিউজ//

Dainik Biswa News

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক টাকার জাল নোটসহ মহিলা গ্রেফতার

 

আমি কি তাহলে ঢাকা ছেড়ে চলে যাব, নাকি দেশ ছেড়ে চলে যাব? পরিমনি

 

নায়িকা পরীমনি  কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে সকালে বাসায় আসেন । বাসায় এসেই জানতে পারেন তাকে ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তার মুক্তির চার দিন আগেই নোটিশ দেওয়া হয়।

ক্ষুব্ধ পরীমনি  বুধবার বিকালে  একটি গণমাধ্যমকে ক্ষুব্ধ পরীমনি বলেন, আমি তো একা থাকি না। আমার বয়স্ক নানুভাই আছেন। হঠাৎ করে এসব কী! হঠাৎ করে কই যাব, সেটা কি কেউ বলতে পারেন?

আলোচিক এ নায়িকা বলেন, এখন এই মুহূর্তে আমাকে কে বাসা খুঁজে দেবে? কারাগার থেকে ঘরে ঢোকার পর বাসা ছাড়ার নোটিশ দেখতে পেলাম। এখন কি তাহলে আমার বসবাসের অধিকারটা পর্যন্ত কেড়ে নিচ্ছে ওরা? ওরা যা চেয়েছিল, তা-ই কি হচ্ছে? আমি কি তাহলে ঢাকা ছেড়ে চলে যাব, নাকি দেশ ছেড়ে চলে যাব?

২৭ দিন পর মাদক মামলায় জামিন মেলে পরীমনির। আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ কারাগার থেকে পরীমনিকে মুক্তি দেওয়া হয়। এর আগে মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ পরীমনির জামিনের আদেশ দেন।

গত ৪ আগস্ট বিকালে পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দামি মদ, মদের বোতলসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। ওই দিন রাত সোয়া ৮টার দিকে বনানীর বাসা থেকে পরীমনিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে তার বিরুদ্ধে বনানী থানায় মাদক মামলা করা হয়। ওই মামলায় গত ৫ আগস্ট পরীমনিকে চার দিন ও ১০ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত।

পরে ১৩ আগস্ট পরীমনির জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ধীমান চন্দ্র মণ্ডল। আদালতের আদেশে ওই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রিজনভ্যানে করে পরীমনিকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এর পর ওই কারাগার থেকে গত ১৯ আগস্ট তৃতীয় দফায় পরীমনিকে একদিনের রিমান্ডে ঢাকায় নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে ২১ আগস্ট পুনরায় পরীমনিকে কারাগারে পাঠানো হয়।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে পৃথক পৃথক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত