আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত আমতলীর খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্স

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী উপজেলার আমড়াগাছিয়া খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্সে আখেরী মোনাজাতে আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত পুরো ময়দান।

তিনদিন ব্যাপী মাহফিলের শেষ দিন শুক্রবার আখেরী মোনাজাতে দেশে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশ গ্রহন করেছেন। আখেরী মোনাজাতে ছারছিনা শরীফের পীর আলহাজ হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ মোহেবুল্লাহ (মাঃ আঃ) দেশ ও মুসলিম উম্মার শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করেছেন। এ সময় লক্ষাধীক মুছুল্লীদের সমবেত কন্ঠে আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয় ছালেহিয়া কমপ্লেক্স ময়দান।

তিনদিন ব্যাপী মসহফিলে আরো বয়ান করেন আলহাজ্ব শাহ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ পীরজাদা ছারছীনা,আলহাজ্ব শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহম্মেদ হোসাইন,মাওলানা ওলিউর রহমান,ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত আলিয়া মাদ্রাসার উপাধাক্ষ আলহাজ মাওলানা মোঃ রুহুল আমিন ছালেহী, মাওলানা রুহুল আমীন  আফসারী,মাওলানা মহিবুল্লাহ আল মাহমুদ,আ.জ.ম ওহিদুল আলম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর ছারছীনা শরীফের কুতবুল আলম হযরত মাওলানা শাহ্ ছুফী নেছারুদ্দীন আহমদ (রহ.)এর ৭২তম ও মুজাদ্দিদে যামান হযরত মাওলানা শাহ্ ছুফী আবু জাফর মোহাম্মদ ছালেহ (রহ.) এর ৩৪তম ইন্তেকাল বার্ষিকী উপলক্ষে ঈছালে ছওয়াব ও ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সরস্বতী পুজা উদযাপিত ঐতিহ্যবাহী মানসা কালীবাড়ী মন্দিরে

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

 রূপসার পাশ্ববর্তী এলাকায় ফকিরহাট, ঐতিহ্যবাহী মানসা কালীবাড়ী মন্দিরে সরস্বতী পুজায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে হিন্দু সম্প্রদয়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা গত ১৪ ফেব্রুয়ারি উদযাপিত হয়েছে।

শাস্ত্রমতে, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রতি বছর মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে শ্বেতশুভ্র সরস্বতী দেবীর আরাধনা করেন। সরস্বতীকে বিদ্যার দেবী বলা হয়ে থাকে। তাই শিক্ষার্থীরা এই পূজায় বেশি মনোযোগী হয়।

সরস্বতী পুজা উদযাপিত ঐতিহ্যবাহী মানসা কালীবাড়ী মন্দিরে

সকাল থেকে মন্দির চত্বরে লুচি তৈরির জন্য ভক্তবৃন্দ নিজ হাতে লুচি তৈরি ও ডাউল রান্না এবং পুজা অর্চনা সহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার কাজ শেষ করে। দপুর ১২ টার পর থেকে মন্দির চত্ত্বরে শিক্ষার্থী সহ হাজার হাজার ভক্তের সমাগম দেখা যায়। মন্দিরের সেচ্ছাসেবীরা নিরলস পরিশ্রম করে সকল ভক্তবৃন্দ কে মন্দির চত্ত্বরে প্রসাধ বিতরণ করেন।

এ ব্যপারে মন্দির কমিটির সভাপতি রবিন্দ্রনাথ হালদার বাটুল বলেন, মানসা কালী মন্দির জাগ্রত মায়ের মন্দির, দুইশত বছরেরও অধিক কাল থেকে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরে কালী পুজা, দুর্গা পুজা, সরস্বতি পুজা সহ সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন হয়ে থাকে।

মন্দির কমিটির সাধারন সম্পাদক বাবলু কুমার আঁশ বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও আমরা ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা আর নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে  মন্দিরে সরস্বতী পুজা উদযাপন করছি। এবারও পাঁচ থেকে ছয় হাজার ভক্ত পুজায় অংশ গ্রহন করেছে।

রমজানে স্কুল কলেজ মাদ্রাসা কার ছুটি কতদিন জেনেনিন

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

রোজার মাসে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেসরকারি মাধ্যমিক-নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে কিছুদিন ক্লাস চলবে। তবে বন্ধ থাকবে সরকারি ও বেসরকারি মাদ্রাসা।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগের উপসচিব হাসিনা আক্তার স্বাক্ষরিত ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের সংশোধিত ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ছুটির তালিকায় ৭ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটির কথা উল্লেখ রয়েছে। সে অনুযায়ী পুরো রমজান ছুটি পাচ্ছেন মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১১ বা ১২ মার্চ পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে।

এর আগে ১১ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত মোট ১৫ দিন মাধ্যমিক স্তরে এবং ১০ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত মোট ১৫ দিন সরকারি ও বেসরকারি কলেজের শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকার কথা জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রমজানের প্রথম ১০ দিন নিয়মিত পাঠদান চলবে বলে জানায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর আগে ২০২৪ সালে দেশের সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকা অনুমোদন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠানপ্রধানের তিন দিনের সংরক্ষিত ছুটিসহ বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে মোট ৭১ দিন বন্ধ থাকবে এসব প্রতিষ্ঠান।

ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, জাতীয় শিশু দিবস, স্বাধীনতা দিবস, ইস্টার সানডেসহ বেশ কয়েকটি সরকারি ছুটির সমন্বয়ে টানা ৩০ দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি থাকবে। এ ছুটি শুরু হবে ১০ মার্চ। চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত।

রূপসায় শ্রী শ্রী তারকব্রক্ষ্ম মহানাম যজ্ঞা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী//

বিশ্বশান্তি ও মানব কল্যাণ কামনায় ১৬তম বার্ষিক শ্রী শ্রী তারকব্রক্ষ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়ন বলটী গ্রামে সার্বজনীন মন্দির প্রাঙ্গনে গত ৮ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে দুর-দুরান্ত থেকে আসা শত-শত নারী ও পুরুষ ভক্তবৃন্দ ধর্মীয় কীর্ত্তন উপভোগ করতে দেখা যায়।

রূপসায় শ্রী শ্রী তারকব্রক্ষ্ম মহানাম যজ্ঞা অনুষ্ঠিত

অনুষ্ঠানের ৩য় দিন পাশ্ববর্তী ফকিরহাট উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী মানসা কালী মন্দিরের পক্ষ থেকে মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠানে অংশগ্রহন ও ধর্মীয় কীর্ত্তন উপভোগ করতে আসেন- মানসা মন্দির কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্য রবীন্দ্রনাথ হালদার বাটুল ও মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবলু কুমার আঁশ, মানসা বাহিরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম ফকির, অজয় চক্রবর্তী, সাবেক ইউপি সদস‍্য লিয়াকত আলী, মানিক পাল, শেখর রায়, অনিমেশ আঁশ, আশ্বাব আলী, অসিম ঘোষ, মিলন সেন, অমিত কুমার আঁশ প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রামমন্দির উদ্বোধন করলেন

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোমবার অযোধ্যায় রামমন্দিরের উদ্বোধন করেছেন। এ সময় মন্দিরের প্রধান কক্ষে রামের মূর্তির চোখের বাঁধন খুলে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বিগ্রহের ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’ সম্পন্ন হয় বলে মনে করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি ও আনন্দবাজার।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রামমন্দির উদ্বোধন করলেন

নরেন্দ্র মোদি এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এ সময় মোদির সঙ্গে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আবন্দীবেন প্যাটেল, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএএস) প্রধান মোহন ভাগবত।

মোদি হাতে পদ্মফুল নিয়ে পূজা করেন বলে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, আরএসএস ভারতের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আদর্শিক পরামর্শদাতা। অনুষ্ঠানে মোদি ও ভাগবত পরস্পর পাশাপাশি বসে থাকার মাধ্যমে (যা গণমাধ্যমে সরাসরি প্রদর্শিত হয়েছে) রামমন্দির বিজেপি-আরএসএসের যৌথ প্রকল্প বলে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিন স্থানীয় সময় সকাল ১০টার পর মোদি অযোধ্যায় পৌঁছান। এ সময় তাকে বহনকারী হেলিকপ্টার থেকে নেওয়া অযোধ্যার একটি ভিডিও শেয়ার করেন মোদি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল পর্ব শেষে রামমন্দির থেকে বের হয়ে মন্দির চত্বরে ১১ দিনের উপোস ভাঙেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। এখানে উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত জানান তিনি।

পাকিস্তানে সর্বপ্রথম হিন্দু নারী নির্বাচনে অংশ নিয়ে ইতিহাস করলেন

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

সাভেরা পারকাশ নামের এক নারী পাকিস্তানের আসন্ন জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি দেশটির ইতিহাসে প্রথম হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো নারী, যিনি প্রত্যক্ষ কোনো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

পেশায় চিকিৎসক সাভেরা লড়ছেন পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বুনেরা জেলা থেকে। পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) টিকিটে তিনি প্রার্থী হয়েছেন; তার নির্বাচনি আসন পিকে-২৫ থেকে।

সাভেরা আগে থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি পিপিপির বুনেরা জেলার মহিলা শাখার সাধারণ সম্পাদক।

সাভেরার বাবা সদ্য অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসক ওম পারকাশ পিপিপির একজন সক্রিয় রাজনীতিক। তিনি ৩৫ বছর ধরে দলটির সঙ্গে রয়েছেন।

সাভেরার ভাষ্য— তিনি তার বাবার পদ অনুসরণ করে রাজনীতির পথে হেঁটেছেন। তিনি এই অঞ্চলের বিশেষ করে নারীদের উন্নয়নে কাজ করতে চান। কারণ সেখানে উন্নয়ন খাতে এখনো নারীদের ‘অপমান-অপদস্থ’ হতে হয়।

তিনি নিজের প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে বলেন, তাকে নির্বাচনে দাঁড় করাতে দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব থেকে তার বাবাকে অনুরোধ করা হয়েছিল।

সাভেরা ২০২২ সালে অ্যাবোটাবাদ ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। গত শুক্রবার তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বিষয়টি সোমবার গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ পায়।

স্থানীয় রাজনীতিক ও কওমি ওয়াতান পার্টির সদস্য সেলিম খান বলেন, বুনেরা জেলা থেকে সাভেরাই প্রথম কোনো নারী, যিনি সাধারণ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে যাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) সাম্প্রতিক এক সংশোধনীতে সাধারণ আসনে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

ফকিরহাট কারামতিয়া ফাযিল মাদ্রাসায় বর্ধিত ভবন উদ্বোধন

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

ফকিরহাট কারামতিয়া ফাযিল মাদ্রাসায় আজ  বুধবার ২২ নভেম্বর সকাল ১১টায় নতুন বর্ধিত ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে।

ভবনের শুভ  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবিএম আঃ মান্নান, প্রভাষক মাওলানা ওবাইদুল্লাহ,মাওলানা মুস্তাকীম বিল্লাহ,সৈয়দ আব্দুর রাকিব,মাওলানা হারুনুর রশীদ,বুরহানুজ্জামান,আবুল মাসুম,আবু জাফর আব্দুল্লাহ আল মামুন,মাওলানা হোসাইন আহমেদ।আরো উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা কমিটির সদস্য মনিরুজ্জামান বাবলু,আঃসামাদ,শেখ হুমায়ন কবির, ফকিরহাট মডেল মসজিদ কমিটির সদস্য শেখ শহিদুল ইসলাম,শেখ খাবির হোসেন,শেখ সৈয়দ আলী প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন গভর্নিং  বডির সহ সভাপতি অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মাওলানা আঃ লতিফ।

ফকিরহাট কারামতিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবিএম আঃ মান্নান এ প্রতিবেদককে জানান-ফকিরহাট উপজেলা চেয়ারম্যান স্বপন কুমার দাশের সার্বিক সহযোগীতায় অবহেলিত মাদ্রাসাটিতে উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে। মাদ্রাসায় নতুন ভবন এবং প্রাচির সহ নানা ধরনের উন্নয়নমুলক দ্রত শুরু হবে বলে নিশ্চিত করেন।

আমতলীতে কেন্দ্রীয় দীপাবলি উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বরগুনার আমতলীতে  জেলার সবচেয়ে বড় শ্মশান দীপাবলি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে শহরের কেন্দ্রীয়  মহাশ্মশানে শনিবার (১১ই  নভেম্বর) সন্ধ্যা সাতটাশ মৃত স্বজনদের আত্মার শান্তি কামনায় মোমবাতি ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।

মহাশ্মশানে স্বজনদের আত্মার শান্তি কামনায় প্রতিবছরের মতো এবারও সমাগম হয়েছেন পূজা-অর্চনার জন্য।

পাশাপাশি এ সময় অনেকেই মৃতদের পছন্দের খাবার সমাধিতে রেখে উৎসর্গ করা হয়। তাই স্বজনদের সমাধিতে কেউ মোমবাতি, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন।

আবার কেউ কেউ মৃত ব্যক্তির পছন্দের খাবার দিয়ে নৈবেদ্য সাজিয়ে স্মরণ ও আত্মার শান্তি কামনা করেন।

এদিকে মৃত ব্যক্তিদের স্বজনরা যারা দেশে থাকেন না।

স্বজনরা মনে করেন প্রয়াতদের পাশাপাশি এ সময় অনেকেই মৃতদের পছন্দের খাবার সমাধিতে রেখে উৎসর্গ করা হয়। তাই স্বজনদের সমাধিতে কেউ মোমবাতি,প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন।

আবার কেউ কেউ মৃত ব্যক্তির পছন্দের খাবার দিয়ে নৈবেদ্য সাজিয়ে স্মরণ ও আত্মার শান্তি কামনা করেন।

এদিকে মৃত ব্যক্তিদের স্বজনরা যারা দেশে থাকেন না। সমাধিতে পূজা-অর্চনা করলে তাদের আত্মা শান্তি পায়।

পাশাপাশি এ সময় অনেকেই মৃতদের পছন্দের খাবার সমাধিতে রেখে উৎসর্গ করা হয়। তাই স্বজনদের সমাধিতে কেউ মোমবাতি, প্রদীপ প্রজ্জ্বলনও করেন।আবার কেউ কেউ মৃত ব্যক্তির পছন্দের খাবার দিয়ে নৈবেদ্য সাজিয়ে স্মরণ ও আত্মার শান্তি কামনা করেন।

এদিকে মৃত ব্যক্তিদের স্বজনরা যারা দেশে থাকেন না।

সেসব মৃত ব্যক্তিদের সমাধিগুলোকে কমিটির পক্ষ থেকে আলাদা রঙ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সমাধিগুলোতে শ্মশান কমিটির উদ্যোগে দীপাবলি উৎসবের দিন সন্ধ্যায় মোমবাতি, ধুপকাঠি ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়।

যদিও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ছাড়াও শশ্মানে অনেকেই দীপাবলির আয়োজন দেখতে আসেন। এদিকে প্রতিবছরের মতো এবারও ভারত, নেপাল থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে স্বজনদের সমাধিতে প্রদীপ ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের জন্য স্বজনরা এসেছেন।

আজ রাতের এই স্মসান  দীপাবলি অত্র কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক বিকাশ পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ,ধর্মীয় শীর্ষ ব্যাক্তিবর্গ,সুশীল সমাজ, সাংবাদিক ও সর্ব শ্রেনী পেশার জনসাধারণ।

ডুমুরিয়ায় মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি //

সারাদেশে ৫৬৪ টি মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মধ্যে ৬ষ্ট পর্যায়ে ৫০ টি মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।

৩০ অক্টোবর  সোমবার বেলা ১১ টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালী সংযুক্ত থেকে মসজিদ গুলো শুভ উদ্বোধন করেন। এসময় উপজেলা পরিষদের আয়োজনে পরিষদ হলরুমে ডুমুরিয়া সদরে নির্মিত মডেল মসজিদটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালী সংযুক্ত থেকে শুভ উদ্বোধন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহম্মেদ , উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ আসিফ রহমান ,  খুলনা গনপুর্ত বিভাগ -২ এর  নির্বাহি প্রকৌশলী মোঃ আসাদুজ্জামান , উপসহকারী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান ,  উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: হাবিবুর রহমান, মসজিদে  নির্মানের ঠিকাদার মো: শফিকুল ইসলাম মধু,  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শারমিনা পারভীন রুমা , ইউপি চেয়ারম্যান গাজী তৌহিদুজ্জামান , শেখ দিদারুল হোসেন দিদার , অধ্যক্ষ সমরেশ মন্ডল , গোপাল চন্দ্র দে , তুহিনুল ইসলাম ,  ইসলামী ফাউন্ডেশনের সুপার ভাইজার আব্দুল গফফার প্রমুখ।

এসময় ফাউন্ডেশনের শিক্ষক মন্ডলী ও মড়েল কেয়ার টেকররা উপস্থিত ছিলেন।

কৈলাসে ফিরলেন দেবী দুর্গা।।। দেবী দূর্গার বিসর্জন

//এম মূরশীদ আলী//

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা এবং কৈলাসে ফিরলেন দেবী দুর্গা। এই দিনেই দেবী মর্ত্য ছেড়ে ফিরে গেলেন স্বামীগৃহ কৈলাসে। মণ্ডপে মণ্ডপে বিষাদের ছায়া। উলুধ্বনি-শঙ্খ ঘণ্টা আর ঢাকঢোলের বাজনায় বাজলো দেবী দুর্গার বিদায়ের সুর।

৫ দিনব্যাপী শারদীয় উৎসবের শেষ দিনে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় এ উৎসব। সারাদেশের ন্যায় রূপসা উপজেলা এলাকায় পূজা মন্ডপে অনুষ্ঠিত হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্বোবৃহৎ দূর্গোৎসব। উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৭৫টি পূজামণ্ডপে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মণ্ডপগুলোতে সকাল থেকে মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিকেলের দিকে এ উপস্থিতি হয় ভিড়ে পরিণত।

উৎসবকে ঘিরে রূপসায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রূপসা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শক্তিপদ বসু। তিনি জানান, দুর্গোৎসব ঘিরে পদচারনায় মুখরিত মণ্ডপে মানুষের মাঝে ছিল বিপুল আনন্দ। দেবী মায়ের কাছে প্রার্থনা, দেশ জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সুখ ও সমৃদ্ধি হোক।

বিজয়ার দিনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে অন্যরকম আবেগ ও মন খারাপ করা এক অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছে। দশমী মানেই দুর্গা মায়ের ফিরে যাওয়া অপেক্ষায় থাকতে হবে আরো একটি বছর। সনাতনী শাস্ত্র অনুযায়ী এবার দেবীদুর্গা জগতের মঙ্গল কামনায় “ঘোটকে এসে দেবী ঘোটকেই চড়ে যান” মর্ত্যলোকে (পৃথিবী) এসেছেন। এতে করে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঝড় বৃষ্টি হবে এবং শস্য ও ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এমনটা মনে করেন হিন্দুধর্মের অনুসারীরা।