ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যশোরের ২ থানায় নৌকা পেলেন যারা

আগামী ৫ জানুয়ারি সারাদেশে   অনুষ্ঠিত হবে ৫ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। উক্ত নির্বাচনে যশোর জেলার সদর উপজেলার ১৫ টি ও বিখ্যাত কবি  মাইকেল মধুসূদন খ্যাত কেশবপুর উপজেলার ৯ ইউনিয়নসহ মোট ২৬ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন চুড়ান্ত করে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যশোরের ২ থানায় নৌকা পেলেন যারা

পঞ্চম দফার এই ভোটে  আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পেয়েছেন- হৈবতপুর ইউনিয়নে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সিদ্দিক, লেবুতলা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলীমুজ্জামান মিলন, ইছালী ইউনিয়নে ফেরদৌসী ইয়াসমিন, নওয়াপাড়া ইউনিয়নে ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রাজিয়া সুলতানা, উপশহর ইউনিয়নে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বর্তমান চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিটু, কাশিমপুর ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, চুড়ামনকাটি ইউনিয়নে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি দাউদ হোসেন দফাদার, দেয়াড়া ইউনিয়নে প্রফেসর লিয়াকত আলী, আরবপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মীর আরশাদ আলী রহমান, চাঁচড়া ইউনিয়নে জেলা শ্রমিকলীগের শ্রম ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সেলিম রেজা পান্নু, ফতেপুর ইউনিয়নে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সোহরাব হোসেন, রামনগর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান নাজনীন নাহার, কচুয়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান ধাবক, নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মোদাচ্ছের আলী ও বসুন্দিয়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম খান রাসেল।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যশোরের ২ থানায় নৌকা পেলেন যারা

কেশবপুর উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নের ত্রিমোহিনীতে শেখ অহিদুজ্জামান, সাগরদাঁড়িতে অলিয়ার রহমান,মজিদপুর মনোজ কুমার তরফদার, বিদ্যানন্দকাটি মোঃ সামছুর রহমান, মঙ্গলকোর্ট মোঃ আব্দুল কাদের বিশ্বাস,  কেশবপুর গৌতম রায়, পাঁজিয়া মোঃ জসীম উদ্দীন, সুফলাকাটি গোলাম কিবরিয়া মনি, গৌরিঘোনা এসএম হাবিবুর রহমান, সাতবাড়িয়া মোছাঃ শামছুন্নাহার বেগম, হাসানপুর মোঃ তৌহিদুজ্জামান।

পঞ্চম দফার এই নির্বাচনে মনোনয়ন জমাদানের শেষ তারিখ ৯ ডিসেম্বর, বাছাই ১২ ডিসেম্বর, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ  ১৯ ডিসেম্বর আর প্রতীক বরাদ্দ ২০ ডিসেম্বর। ভোট অনুষ্ঠিত হবে  ৫ জানুয়ারি।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে আলোচিত বিয়ে: বর সুস্থ্য-সবল: কনের দুই হাতের কনুই পর্যন্ত নেই

 

একনজরে মাগুরা মহম্মদপুরের ৮ ইউপির নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানগন…

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

সর্বশেষ উপজেলা থেকে প্রাপ্ত ঘোষণা অনুযায়ী মহম্মদপুর উপজেলার ৮ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হলেন যাঁরা—

১।বাবুখালী- মীর মোঃ সাজ্জাদ আলী  নৌকা,

২।বিনোদপুর-শিকদার মিজানুর রহমান  নৌকা,

৩।দীঘা–   মোঃ খোকন মিয়া নৌকা,

৪। রাজাপুর–শাকিরুল ইসলাম খাঁন শাকিল ঘোড়া,

৫।বালিদিয়া- মফিজুর রহমান মিনহা নৌকা,

৬।মহম্মদপুর- ইকবাল আক্তার উজ্জ্বল  টেবিলফ্যান,

৭।পলাশবাড়ীয়া–সৈয়দ সিকান্দার আলী ঘোড়া,

৮।নহাটা—তৈয়েবুর রহমান তুরাপ ঘোড়া ।

যশোরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে নির্বাচনী ব্রিফিং

আগামীকাল ২৮ নভেম্বর( রবিবার) যশোর জেলার মনিরামপুর, অভয়নগর, শার্শা ও বেনাপোল পোর্ট থানার ২ টি ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।এই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অবাধ,সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে  ২৭ নভেম্বর (শনিবার) যশোর জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে পৃথক ৩ টি নির্বাচনী ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

সীমান্তবর্তী শার্শা থানায় নির্বাচনী ব্রিফিং- এ সভাপতিত্ব করেন জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন ও অপরাধ),যশোর, মনিরামপুর থানার নির্বাচনী ব্রিফিং- এ সভাপতিত্ব করেন জনাব মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জেলা বিশেষ শাখা ( ডিএসবি), যশোর এবং বাঘারপাড়া থানার নির্বাচনী ব্রিফিং- এ সভাপতিত্ব করেন জনাব মুকিত সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার “খ” সার্কেল,যশোর।

এ সময় জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সকল সদস্য অফিসার ও ফোর্সদের আসন্ন নির্বাচন অবাধ,সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট গ্রহন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

ব্রিফিং প্যারেডে আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, “ক” সার্কেল, যশোর, জনাব জুয়েল ইমরান, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, “নাভারণ” সার্কেল, যশোর, জনাব আশেক সুজা মামুন, সহকারী পুলিশ সুপার, “মনিরামপুর, সার্কেল, যশোর, বিভিন্ন জেলা হতে আগত পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, ডিআইও-১, জেলা বিশেষ শাখা, অফিসার ইনচার্জ শার্শা, মনিরামপুর, বেনাপোল পোর্ট থানা এবং বাঘারপাড়াসহ  জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও নির্বাচনে নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সকল সদস্যবৃন্দ।

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মাগুরায় সেবা প্রার্থীদের জন্য কুইক সার্ভিস ডেলিভারি পয়েন্টের উদ্বোধন

৫ম ধাপের ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

//অনলাইন নিউজ//

৫ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৫ জানুয়ারি ৭০৭ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হবে।

শনিবার সকালে কমিশনের ৯০তম বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তফসিল ঘোষণা করেন ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার।

ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর জানান, তফসিল অনুযায়ী সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৭ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ৯ ডিসেম্বর। আপিল ১০-১২ ডিসেম্বর। আপিল নিষ্পত্তি ১৩ ও  ১৪ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ১৫ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ১৭ ডিসেম্বর।

 

 

 

তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজনের বাবা পেল নৌকা প্রতীক

চলতি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না সিলেট আওয়ামী লীগের। কোম্পানীগঞ্জে শিবির নেতাকে নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান বানানোর পর এবার গোলাপগঞ্জে লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজনের বাবাকে নৌকার প্রার্থী করা হয়েছে। যদিও দলের কাউন্সিলে মনোনীত হয়েছিলেন অন্যজন। এ নিয়ে সিলেটজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার বুধবারীবাজার ইউনিয়নে দলের কাউন্সিলে মাত্র এক ভোট পাওয়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রকিবকে নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে দলের হাইকমান্ড। অথচ তার ছেলে লাহিন আলম যুক্তরাজ্য যুবদলের স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি এবং লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানের খুবই ঘনিষ্ঠজন।

শুধু তাই নয়, লন্ডন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলায়ও লাহিনের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলে জানা গেছে। বুধবারীবাজারে দলের তৃণমূলের মতামতকে উপেক্ষা করে তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজনের বাবার হাতে নৌকা তুলে দেওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। পাশাপাশি উপজেলাজুড়ে বইছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।

জানা গেছে, চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে আগামী ২৬ ডিসেম্বর গোলাপগঞ্জের ১১টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাছাইয়ের লক্ষ্যে গত ১৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তৃণমূলের ভোটের ভিত্তিতে ৫নং বুধবারীবাজারে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হালিমুর রশিদ রাপুকে মনোনীত করা হয়।

কিন্তু কাউন্সিলে মাত্র ১ ভোট পাওয়া আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুর রকিবকে নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত করে দলটির স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ড।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, লাহিন আলম লন্ডনে তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তারেক রহমানের সঙ্গে এবং দলীয় সভা-সমাবেশের একাধিক ছবি পোস্ট দেন। যেগুলো ইতোমধ্যে ভাইরাল করা হয়েছে। এছাড়া আব্দুর রকিবের আরেক ছেলে রাসেল আহমদ লন্ডনে ছাত্রদল করেন ও দেশে থাকা ছেলে সাইফুল আলম শাহিন বুধবারীবাজার ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক।

এমন ছেলেদের বাবা ও তৃণমূলের ভোটে সবার পেছনে থাকা প্রার্থীর হাতে নৌকা তুলে দেওয়া নিয়ে ক্ষোভ সংবরণ করতে পারছেন না নেতাকর্মীরা। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রার্থী বদল করার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

প্রার্থিতার বিষয়ে নৌকার মনোনয়ন পাওয়া আব্দুর রকিব যুগান্তরকে বলেন, রাজনীতি করা সবার গণতান্ত্রিক অধিকার। দুই ছেলে বিদেশে থাকে। ছোটবেলা থেকে তারা সেখানে বড় হয়েছে এবং বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। দেশে থাকলে হয়তো সেটা হতে দিতাম না। অপর ছেলে শাহিন যুবদল করে বলে কোনো প্রমাণ আমি পাইনি, সে সবসময় আমার সঙ্গেই যায়। কিন্তু আমার বাবা ছিলেন আওয়ামী লীগের ত্যাগী কর্মী।

বোধশক্তি হওয়ার পর থেকে আমিও মুজিব আদর্শ লালন করে আওয়ামী লীগ করে আসছি। দলের জন্য আমার অনেক ত্যাগ-তিতীক্ষা রয়েছে। তাই দলের হাইকমান্ড আমাকে বিবেচনায় নিয়ে নৌকার প্রার্থী নির্বাচিত করেছে। কাউন্সিলে এক ভোট পাওয়ার কথা স্বীকার করে রকিব বলেন, তিনজনের নামই কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন নেত্রীকে জিজ্ঞেস করুন।

এ বিষয়ে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান যুগান্তরকে বলেন, তৃণমূলের ভোটে যিনি মনোনীত হন তিনিসহ বাকি প্রার্থীদেরও নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়। প্রত্যেকের নামের ডানপাশে দলে এবং রাজনীতির মাঠে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে উল্লেখ করে দেই আমরা। কেন্দ্রে যাওয়ার পর প্রার্থী বদল করার ক্ষমতা রাখে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ড। সেখানের চূড়ান্ত করা প্রার্থীদের পক্ষেই আমরা মাঠে নামি। এর বাইরে আর কিছু বলার নেই। সূত্র: যুগান্তর

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যুক্তরাজ্য বিএনপির ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে ডেমন্সট্রেশনে এনবিসি ইউকে’র অংশগ্রহণ

 

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে সাংবাদিকদের উপর হামলা

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনঃ  তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে মির্জাগঞ্জ উপজেলার ১নং মাধবখালী ইউনিয়নের আ’ লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রাার্থী মনিরুল ইসলাম তালুকদার।  নৌকার সমার্থক ভেবে সাংবাদিকদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উক্ত হামলায় নোমান ডাকুয়া আমাদের নতুন সময়, মাইনুল বাংলাদেশ বার্তা, জাহিদ হাসান আলোর জগত সহ ৫ সাংবাদিক আহত হয়।

সোমবার (২২ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টায় ১নং মাধবখালী ইউনিয়নের নিউ মার্কেট বাজারে এঘটনা ঘটে। এসময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক মিজান তালুকদারকে দেশী অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে দেখা যায়।

আহত সাংবাদিকরা তাদের বক্তব্যে জানান, উপজেলা মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ভিকাখালী গ্রামের আত্মীয়র বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে ওই বাজারে পৌছালে কিছু লোক হাত নাড়িয়ে গাড়ি থামাতে বলে। গাড়ি থামার সাথে সাথে কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই মনিরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বে লাঠি-সোঁটা দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে তাদের আহত করে এবং তিনটি মটর সাইকেল ভাংচুর করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদের নিকটস্থ হাসপাতালে পাাঠায়।

ওই বাজারে নৌকার সমর্থকরা তাদের আফিসে বসলে তাদের ওপরও দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টা চালায় তারা। পরে পুলিশ এসে উভয় পক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নেয়।

বিদ্রোহী প্রার্থী মনিরুল ইসলাম তালুকদারকে একাধিক বার মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেনি ।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। হামলা কারীদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত আছে।

//পটুয়াখালী প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রোমানিয়ায় করোনার ৪র্থ ঢেউ ভয়াবহ (ভিডিও)

 

জাল ভোট, সংঘর্ষে ও বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে সিলেটের ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহন শেষ হয়েছে

//জগন্নাথপুর প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ//

জাল ভোট, প্রভাব বিস্তার, সংঘর্ষে ও বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে সিলেটের ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহন শেষ হয়েছে।
কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রগুলো নিস্প্রাণ দেখা গেলেও এবারের ইউপি নির্বাচনে কিছুটা প্রান দেখা গেছে । এ চিত্র জাতীয় বা অন্য কোন নির্বাচনে দেখা যায়নি।
গত বৃহস্পতিবার সিলেট জেলার সদর উপজেলার ৪টি, বালাগঞ্জের ৬টি, কোম্পানীগঞ্জে ৫টি, সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ১০টি, দোয়ারাবাজারের ৯টি, হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জের ৫টি, মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় শেষ হয় ।সকাল থেকে প্রতিটি কেন্দ্রে দেখা গেছে ভোটারদের উপচেপড়া ভীড় । বিশেষত নারী ভোটারদের উপস্তিতি ছিল লক্ষনীয় । তবে এ উপস্থিতির মাযে আতংক ও ছিল ।
সিলেটে জেলার সদর উপজেলার মোগলগাও ও কান্দীগাও ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে জাল সরকার দলীয় কর্মীরা জাল ভোট সহ কিছু সংঘর্ষ হয়েছে এতে আহত হয়েছেন কিছু ভোটার।
সুনামগঞ্জে বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার খবর পাওয়া যায়।জেলার দোয়ারা-ছাতকে আগেই সহিংসতার আভাস পাওয়া গিয়েছে। বিশেষ করে চরমহল্লা, জাউয়া ও ছৈলা আফজালাবাদ ইউনিয়নের অনেক কেন্দ্রে সরকার দলীয় লোকেরা ভোটারদের মাযে আতংকের সৃষ্টি করে যাতে করে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে ভয় পায়।
ভোট শেষে চরমহল্লা ইউনিয়নে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত কিছু বাড়িতে ইট-পাতর নিক্ষেপ করে সরকার দলীয় পরাজিত চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী কদর মিয়ার সমর্থকেরা। মৃত ফজলুল হকের ছেলে মোঃআশরাফুল হক,সহ বেশ কয়েক জন।
ছৈলা আফজালাবাদ ইউনিয়নের সরকার দলীয় চেয়ারম্যান গয়াছ আহমদের বিজয় মিছিলের নামে বিরোধী দলীয় কিছু বাড়িতে হামলা চালায়।
বড়চালের মুসলিম খানের বড়িতে এবং পলিরগাও,খিদ্রা,দিঘলী সহ কিছু এলাকায়। দোলায় বাজার ইউনিয়নের মঈনপুর গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে তোফায়েল আহমেদ তুহিনের উপর নৌকার পরাজিত চেয়ারম্যানের সমর্থকর হামলা চালায়।
সব চেয়ে মজার ঘটনা ঘটেছে ছাতক উপজেলার গোবিন্দগন্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ভোট দিতেছেন আলোচিত মৃত দুই ব্যক্তি।বৃহস্পতিবার দুপুরে তকিপুর হাউলি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তারা ভোট দেন।
তবে ভোটের দিনও তাদের পড়তে হল দুই ঘন্টার চরম ভোগান্তিতে।
ভোটার তালিকায় মৃত থাকায় সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার তাদের ভোট প্রদানে বাঁধা দেন ।পরে ছাতক উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তাদের সংশোধনী কাগজপত্র দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে পাঠিয়ে দেয়ার পর তারা ভোট দিতে পারেন । ভোটার তালিকায় মৃত দেখানো ওই দুই ব্যক্তি হলেন ছাতক উপজেলার দিঘলী গ্রামের মো: কমর আলী(৪৩), ও তার চাচাত ভাই আলী আহমদ(৩৯) ।তারা একই ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ।

 

 

খুলনার ২৫ ইউপির মধ্যে ১০টিতে আ’লীগ, ১০টিতে বিদ্রোহী ও ৫টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী

খুলনা জেলার ২৫ টি ইউনিয়নের মধ্যে ১০টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, ১০টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এবং ৫ টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এই ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত, তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রূপসা উপজেলার আইচগাতী ইউপিতে আওয়ামী লীগের আশরাফুজ্জামান বাবুল, শ্রীফলতলায় আওয়ামী লীগের ইসহাক সরদার ও টিএস বাহিরদিয়া ইউপিতে আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর শেখ বিজয়ী হয়েছেন। এর আগে নৈহাটি ইউপিতে আওয়ামী লীগের কামাল হোসেন বুলবুল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

ফুলতলা উপজেলার ফুলতলা সদর ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা শেখ আবুল বাশার, জামিরায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সরদার মনিরুল ইসলাম, দামোদরে আওয়ামী লীগের শরীফ মো. ভূঁইয়া শিপলু, আটরা গিলাতলায় আওয়ামী লীগের শেখ মনিরুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।

ডুমুরিয়া উপজেলার রঘুনাথপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মনোজিত বালা, মাগুরখালীতে আওয়ামী লীগের বিমল কৃষ্ণ সানা, খর্ণিয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা শেখ দিদারুল ইসলাম দিদার, ধামালিয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা জহুরুল হক, আটলিয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা শেখ হেলাল উদ্দিন, ভান্ডারপাড়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী গোপাল চন্দ্র দে, রুদাঘরায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মোঃ তৌহিদুজ্জামান, রংপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সমরেশ মন্ডল, ডুমুরিয়া সদরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী গাজী মোঃ হুমায়ুন কবীর বুলু, শোভনায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্য, শরাফপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী শেখ রবিউল ইসলাম রবি, মাগুরঘোনায় আওয়ামী লীগের মোঃ রফিকুল ইসলাম হেলাল, গুটুদিয়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী শেখ তুহিনুল ইসলাম ও সাহস ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা মোঃ মাহবুবুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন।

বটিয়াঘাটা সদর ইউপিতে আওয়ামী লীগের পল্লব কুমার বিশ^াস, ভান্ডারকোট ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ওবায়দুল্লাহ শেখ ও সুরখালী ইউপিতে আওয়ামী লীগের এস কে জাকির হোসেন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ১১৪ জন প্রার্থী।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রানীগঞ্জ বাজারে ব্রাক ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের শুভ উদ্ধোধন

 

মাগুরায় সদর ইউপি নির্বাচনে আ’লীগ-৯, স্বতন্ত্র-২, ইসলামী আন্দোলন-১ জন নির্বাচিত

//শ্যামল বিশ্বাস,  বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা //

মাগুরায় ১১ নভেম্বর সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগের ১০ প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি তিন জনের মধ্যে দুইজন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র এবং অপরজন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী।

তথ্যমতে, বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগের নির্বাচিতরা হচ্ছেন, রাঘবদাইড় ইউনিয়নে আশরাফুল আলম বাবুল ফকির, কসুন্দি ইউনিয়নে আবুল কাশেম মোল্যা, চাউলিয়া ইউনিয়নে হাফিজার রহমান মোল্যা, আঠারোখাদা ইউনিয়নে সঞ্জিবন বিশ্বাস, জগদল ইউনিয়নে সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, মঘি ইউনিয়নে হাচনা হেনা এবং গোপালগ্রাম ইউনিয়নে নাসিরুল ইসলাম মিলন।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী বেরইল পলিতা ইউনিয়নে এনামুল হক রাজা এবং কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নে জাহিদুল ইসলাম টিপু নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া শত্রুজিতপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান এডভোকেট সঞ্জিত বিশ্বাসকে হারিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি ওসমান গণি।

এর আগে হাজীপুর এবং হাজরাপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী মোজাহারুল ইসলাম আখরোট এবং কবির হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

মাগুরা সদর উপজেলার ১৩ ইউনিয়নের অবশিষ্ট বগিয়া ইউনিয়নের নির্বাচন সীমানা সংক্রান্ত মামলার কারণে বুধবার স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

মাগুরা সদরের বেরইল পলিতা ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতা নৌকা সমর্থক হামলার শিকার

মাগুরায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সদর উপজেলার বেরইল পলিতা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী খন্দকার মহব্বত আলীর প্রচারণায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে ইউনিয়নের বাটাজোড় ঘাটে প্রতিপক্ষের লোকজন নৌকার বহরে এই হামলা চালায়।

এঘটনায় খন্দকার মহব্বত আলী জানান, আসন্ন বেরইল পলিতা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদিন নৌকা প্রতীকের দলীয় প্রচারণা চালানো হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সন্ধ্যায় তার উপস্থিততে প্রচারণার অংশ হিসেবে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রচারণায় সময় ইউনিয়নের বাটাজোড় ঘাটে প্রচারণার বহর পৌছানো মাত্র প্রতিপক্ষের লোকজনদের হাতে নৌকার সমর্থকরা এই হামলার শিকার হয়।

জানা গেছে, হামলায় ইমরান মৃধা লিমন নামে সদর উপজেলা যুবলীগের সদস্য মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া এই হামলার ঘটনায় আহত অন্যান্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এঘটনায় খন্দকার মহব্বত আলী এই প্রতিবেদককে আরো জানান, তার প্রচারণায় প্রতিপক্ষ ঘোড়া প্রতীক ও রাজা গাজীর সমর্থকরা অতর্কিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এবিষয়ে ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী এনামুল হক রাজা এই প্রতিবেদককে মুঠোফোনে জানান, তিনি এবং তার কোনো সমর্থকরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত না। তবে তিনি ঘটনার পরে স্থানীয় রাজা গাজী ও নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা সেখানে ছিলো বলে শুনতে পেরেছেন বলে জানান। এই ঘটনার সঙ্গে তার কোনো লোকজন জড়িত নন বলে দাবি করেন এই চেয়ারম্যান প্রার্থী।

এবিষয়ে স্থানীয় মাগুরার শত্রুজিৎপুর পুলিশ ক্যাম্পের এস আই কামাল হোসেন প্রচারণায় হামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ জনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ, বেরইল পলিতা ইউনিয়নে ১১ নভেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

//মাগুরা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

পটুয়াখালীতে বিআরটিসি বাস ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত