শেখ হাসিনা হেরে গেলে বাংলাদেশ দীর্ঘ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার সম্মুখীন হতে পারে: দ্য হিন্দু

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে শেখ হাসিনা হেরে গেলে বাংলাদেশ দীর্ঘ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রোববার বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য হিন্দু এক নিবন্ধে এ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

সাংবাদিক প্রণয় শর্মার ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতা থেকে বিদায় কেবল ভারতের জন্য উদ্বেগের নয়, এতে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহিংসতা ও অস্থিরতা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

প্রণয় শর্মা লিখেছেন, প্রতিবেশীদের মধ্যে যে ভারতবিরোধী মনোভাব আছে, সেখানে শেখ হাসিনার সরকার খুব সম্ভবত ভারতের সবচেয়ে নির্ভরশীল ও ঘনিষ্ঠ মিত্র। যদিও ভারতকে দক্ষিণ এশিয়ায় ‘বিগ পাওয়ার’ হিসাবে ধরা হয় কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাদের এই অবস্থানে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে চীন। আর দক্ষিণ এশিয়ায় চীন দিনের পর দিন তার অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এতে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে এক গুচ্ছ শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছে এবং জানুয়ারিতে একটি সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাইছেন। এর অংশ হিসাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর নির্বাচনে কারচুপির চেষ্টাকারীদের ভিসা নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) বর্তমান ও সাবেক বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। র‌্যাবের বিরুদ্ধে গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়ে সহায়তা করার অভিযোগ রয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপি এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড গড়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে সবসময় সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে। তবে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সরকারি সংস্থা ও কর্মকর্তাদের লাগাম টেনে ধরতে তার ওপর চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এর প্রমাণ পাওয়া যায় ঢাকার উপনির্বাচনে। যেখানে নির্বাচনে অংশ নেওয়া এক প্রার্থীর ওপর হামলা চালিয়েছিল আওয়ামী লীগের সমর্থকরা। ওই হামলার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) কড়া ভাষায় সরকারের সমালোচনা করে বিবৃতি দিয়েছিল।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত গণতান্ত্রিক সম্মেলন থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিয়েছেন। যেখানে ভারত-পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এছাড়া মে মাসে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ওয়াশিংটন গেলে বাইডেন প্রশাসন তাকে উপেক্ষা করেছে।

শেখ হাসিনাও মনে করেন, বাইডেন বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে রক্ষা ধ্বংস করতে উঠেপড়ে লেগেছেন। সংসদে তিনি একবার বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের যে কোনো দেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে, বিশেষ করে সেটা যদি মুসলিম দেশ হয়।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। দেশের সবচেয়ে বড় বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এখন অবাধে সমাবেশ করে সরকারের কঠোর সমালোচনা করছে।

বিএনপি নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর একটি বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। আমির খসরু বলেছেন, ‘যদি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়, তাহলে আওয়ামী লীগ ধ্বংস হয়ে যাবে।’ প্রকৃতপক্ষে জামায়াত ও তাদের সমমনা দলগুলো নিয়ে বিএনপি বাংলাদেশে শাসন পরিচালনা করবে-এমন সম্ভাবনা ঢাকা ও দিল্লিতে উদ্বেগ ও শঙ্কা তৈরি করেছে।

হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক দশক ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি শক্তিশালী, বিশ্বস্ত এবং নির্ভরতার সম্পর্ক তৈরি করেছেন, যা দুই দেশ এবং এ অঞ্চলের জন্যই মঙ্গলজনক। ভারতের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নেতাদের মুসলিম-বিদ্বেষী এবং বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্যকে শেখ হাসিনা যে পাত্তা দেননি-এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে।

প্রতিবেদনে সংসদ-সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীর একটি বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ থেকে একটি সহযোগিতা এবং নিরাপত্তামূলক সম্পর্কে পরিণত হয়েছে। যেই সম্পর্কে মানুষের সঙ্গে মানুষের সরাসরি যোগাযোগ একটি প্রভাবক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।’ সাবের হোসেন চৌধুরী আরও বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারত সরকার দুই পক্ষের মধ্যে একটি উইন-উইন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে এবং উভয় দেশের সরকারই অগ্রগতি, উন্নতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একে-অপরের ওপর নির্ভরশীল।

দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার এই সম্পর্কের মাধ্যমে দিল্লি এমন একটি উদাহরণ তৈরি করতে সম্মত হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকলে প্রতিবেশীরা কীভাবে সুফল পেতে পারে।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত অগ্রগামী ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু পরবর্তীতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে চিড় ধরে। বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি শাসক গোষ্ঠী সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতবিরোধী তৎপরতায় উৎসাহ দিয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থিতিশীল করেছেন এবং দেশ থেকে ভারতবিরোধী সত্তা উপড়ে ফেলেছেন। তবে নয়াদিল্লি এবং ঢাকা আশঙ্কা করছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নেওয়া বাইডেন প্রশাসনের সম্প্রতিক পদক্ষেপ সেই সম্পর্ককে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

প্রতিবেদনের শেষ দিকে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা যদি নির্বাচনে হেরে যান, তাহলে বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা দীর্ঘায়িত হতে পারে। এমনকি আবারও বাংলাদেশ উগ্রবাদীদের আঁতুড় ঘরে পরিণত হতে পারে। ফলে আওয়ামী লীগের প্রস্থানের বিষয়টি শুধু ভারত নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য দুর্ভাবনার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

Daily World News

এমটিএফই হাতিয়ে নিয়েছে হাজার কোটি টাকা// ফাঁদে পড়েছে হাজারো যুবক

প্রায় ৬ কোটি টাকা পাওয়া গেল পাগলা মসজিদের দানবাক্সে

শেখ হাসিনাকে দুর্বল করলে ক্ষতি সবার : আমেরিকাকে নয়াদিল্লির বার্তা

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

বাংলাদেশে হাসিনা সরকার দুর্বল হলে তা ভারত এবং আমেরিকা কারও পক্ষেই সুখকর হবে না বলে মনে করে নয়াদিল্লি। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, একাধিক স্তরের বৈঠকে নয়াদিল্লি এ কথা জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসনকে। সূত্রের খবর— বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আমেরিকার বর্তমান ভূমিকায় ভারত যে খুশি নয়, ওয়াশিংটনকে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে সেই বার্তাও।

নয়াদিল্লির বক্তব্য, ঢাকায় সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হোক এটা ওয়াশিংটনের মতো ভারতও চায়। কিন্তু যে ভাবে হাসিনা সরকারকে অস্থির করার জন্য আমেরিকার তরফ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে, তা প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসাবে ভারত তথা দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ইতিবাচক নয়।

আর তিন সপ্তাহ পরেই নয়াদিল্লিতে এক মঞ্চে বসবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগে ভারতের এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। সাউথ ব্লক মনে করে, জামাতে ইসলামিকে ‘রাজনৈতিক ছাড়’ দেওয়া হলে অদূর ভবিষ্যতে ঢাকা মৌলবাদের দখলে চলে যাবে। উদার পরিবেশ যেটুকু রয়েছে, তা-ও আর থাকবে না।

কূটনৈতিক শিবিরের বক্তব্য, আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেই গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়েছে। ভারতের উত্তরপূর্ব সীমান্ত অঞ্চল বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে। তালিবান এখন আফগানিস্তানের ক্ষমতার শীর্ষে। মনে করা হচ্ছে, আফগানিস্তানের নারী, শিশু এবং সংখ্যালঘুদের কথা বিবেচনা না করেই আমেরিকা আফগানিস্তান নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে চুক্তি করে নিয়েছিল, এখন যার ফল ভুগতে হচ্ছে। বিদেশ মন্ত্রক মনে করছে কাবুলের পাশাপাশি ভারতের অন্য প্রতিবেশী সম্পর্কে আমেরিকার নীতিও নয়াদিল্লির জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে অস্বস্তি বাড়াচ্ছে। ভারতের সঙ্গে দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের। ফলে সে দেশের যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি ভারতেও প্রভাব ফেলে। সূত্রের মতে, নয়াদিল্লি এ কথাই বাইডেন প্রশাসনকে জানিয়েছে যে জামাতকে আস্কারা দিলে এক দিকে যেমন ভারতের আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস বাড়তে পারে, তেমনই চিনের প্রভাব বাংলাদেশে অনেকটাই বেড়ে যাবে, যা কাঙ্ক্ষিত নয় ওয়াশিংটনেরও। মনে করা হচ্ছে, আমেরিকা জামাতকে বরাবর রাজনৈতিক ইসলামিক সংগঠন হিসাবেই দেখানোর চেষ্টা করে। মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে তাকে তুলনা করে আমেরিকা। কিন্তু বাস্তবে জামাত যে উগ্র মৌলবাদী সংগঠন এবং পাকিস্তানের হাতে তামাক খায়, এ বিষয়ে নিঃসন্দেহ নয়াদিল্লি।

শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য পৃথক একটি ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে বাইডেন প্রশাসন। সূত্রের খবর, এটা আদৌ উচিত বলে মনে করছে না নয়াদিল্লি। এই নয়া ভিসা নীতির ফলে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন যারা বানচাল করার চেষ্টা করবে, তারা আমেরিকায় প্রবেশের অধিকার পাবে না। কূটনৈতিক শিবির মনে করছে আমেরিকার প্রশাসন সরাসরি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নাক গলাতেই নিজের দেশের আইন প্রয়োগ করে সে দেশের জন্য পৃথক ভিসা নীতি গ্রহণ করল।

সম্প্রতি বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল নয়াদিল্লি এসে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব তথা কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে গিয়েছেন। সেখানে তাঁরাও বার্তা দিয়েছেন, আঞ্চলিক স্থিতি বজায় রাখার প্রশ্নে বিএনপি-জামাত জোট বিপজ্জনক। প্রতিনিধি দলের নেতা বাংলাদেশের কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে একটি ইতিবাচক বৈঠক সেরেছেন। ওই বৈঠকের ঠিক পরেই তাঁর বক্তব্য, “আমরা ভারতকে এটাই বলেছি যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা উভয় রাষ্ট্রের জন্যই জরুরি। হাসিনা সরকার এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে বাংলাদেশের মাটিকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।”সূত্র : আনন্দবাজার

Daily World News

দুর্নীতি দমন কমিশনের তথ্য চুরি করে প্রতারণা করা ৪ প্রতারক রিমান্ডে

বাগেরহাটের কচুয়ায় শিখন শিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

//বাচ্চু দাস, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড ভিশন কচুয়া এপির আয়োজনে শিখন শিক্ষণ কর্মশালা-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকাল দশটায়  কচুয়া উপজেলার শেখ তন্মময় মিলনায়তনে কচুয়া এপি ম্যানেজার তপন কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা সারোয়ার।অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সিকদার ফিরোজ আহমেদ। কচুয়া প্রেস কালইরে সহ সভাপতি সমীর বরণ পাইক,এপির কর্মকর্তা পলাশ রঞ্জন সরকার, এপির প্রোগ্রাম অফিসার বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটের কচুয়ায় বঙ্গবন্ধু ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত

//বাচ্চু দাস, কচুয়া, বাগেরহাট//

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যর মধ্য দিয়ে কচুয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রাশাসন,কচুয়া থানা, উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা আওয়ামীলী ও অঙ্গ সংগঠন, কচুয়া প্রেসক্লাব, ফায়ার সার্ভিস, ইউনিয়ন পরিষদ, স্কুল কলেজ সহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান।

এরপর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শেখ তন্ময় অডিটরিয়মে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও মহান কীর্তি সম্পর্কে আলোচনা সভা  উপস্তিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) এম সাইফুল্লা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শিকদার ফিরোজ আজম্মেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাসলিমা বেগম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম,যুগ্ন সাধারন সম্পাদক কামরুল ইসলাম কচি,সদর ইউপি চেয়ারম্যান শিকদার হাদিউজ্জামান হাদিস সহ বিভিন্ন অফিরে কর্মচারী ও কর্মকর্তা বৃন্দ।এর  আগে একটি শোক র্যালী উপজেলা বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে।

বাগেরহাটের কচুয়া প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের সংবাদ সম্মেলন

//বাচ্চু দাস, কচুয়া, বাগেরহাট//

কচুয়া প্রেসক্লাবে পিতা মাতাকে সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে মোঃ খায়রুল ইসলাম  নামে এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।

বুধবার বিকালে কচুয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা সদরে মোঃ খায়রুল ইসলাম  লিখিত বক্তব্যে বলেন,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম নামে জেলা শাখার আহবায়ক ও সদস্য সচিব অনুমোদন কৃত কচুয়া উপজেলা শাখার আহবায়ক কমিটি সোসাল মিডিয়া দেখা যায়। ওই আহবায়ক কমিটির ০৩ নং ক্রমিকে যুগ্ন আহবায়ক খাইরুল শেখ লেখা আছে।

স্থানীয় লোকজন  মনে করছে আমি ওই খাইরুল, আদোও আমি নই, আমি একজন চাকুরি জীবি ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, আমি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের লোক। এসময় তার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হারুন শেখ ও মাতা রোকেয়া বেগম উপস্থিত ছিলেন।

রূপসা  উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে  সন্ধ্যায় ক্লাব কার্যালয়ে  অনুষ্ঠিত হয়।

থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তৃতা শেষে এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন।

ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক শেখের পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন থানার এএসআই মোঃ রোকন, এ এস আই সেলিম রেজা, এ এস আই তরিকুল ইসলাম,  প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম বাবু, কোষাধ্যক্ষ নাহিদ জামান, সংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মজিদ শেখ, নির্বাহী সদস্য মোঃ মারুফ হোসেন, কুরবান শেখ, সুবর্ণ নিউজের প্রকাশক খান শফিকুল ইসলাম,  সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম,  আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফা শেখ, শাহিন খান, সৈয়দ মোস্তানুর রহমান, ব্যবসায়ী মুক্ত, কামরুল ইসলাম,আবু কাজী,মামুন গোলদার, মনিরুল ইসলাম সহ অনেকেই ।

ইসি মো. আলমগীর বলেছেন সংবিধানের বাইরে কিছু করার এখতিয়ার ইসির নেই

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো কিছু করার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নেই। নির্বাচনের সময় কী ধরনের সরকার থাকবে, সেটা রাজনৈতিক বিষয়, সেটা সংবিধানেও উল্লেখ আছে। এ বিষয়ে ইসির কথা বলার সুযোগ নেই।

সোমবার নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ার কারণে নির্বাচন কমিশনের কাজে কোনো প্রভাব পড়ছে কি না- জানতে চাইলে সাংবাদিকদের আলমগীর বলেন, ওই বিষয়ের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কাজের কোনো সম্পর্ক নেই। এটা রাজনীতিবিদদের বিষয়। রাজনীতিবিদদের সঙ্গে আলাপ করছেন। ইসি নিজেদের কাজ করছে।

‘নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব কী, তা সংবিধানে স্পষ্ট করে বলা আছে। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও আসনের সীমানা নির্ধারণ এবং সংসদ যদি আইন করে কোনো দায়িত্ব দেয়, সেটা পালন করা ইসির দায়িত্ব। ’

তিনি বলেন, সংবিধানের বাইরে গিয়ে কিছু করার এখতিয়ার কমিশনের নেই। সেটা অসাংবিধানিক হবে। তারা যখন শপথ নিয়েছেন, তখন বলেছেন, সংবিধান মেনে চলবেন।

এছাড়া নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে, সেটা ইসির বিষয় নয়। সরকারব্যবস্থা কেমন হবে, ইসির দায়িত্ব কী, তা সংবিধানে বলা আছে বলে উল্লেখ করেন এই নির্বাচন কমিশনার।

সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ না নিলে ইসির মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনে সব দল কখনো অংশ নেয় না। অতীতেও নেয়নি। অনেক দল আছে, এর মধ্যে নিবিন্ধত ৪৪টি দল। সবাই অংশগ্রহণ করবে না। কেননা, ভোটে অংশ নিতে অনেক সক্ষমতার বিষয় আছে।

ডুমুরিয়ায় উপজেলা ভূমি কমিটির ত্রৈমাসিক সভা

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি //

অধিকারে প্রান্তিক প্রবেশধিকার নিশ্চিত করন আমার প্রকল্প উদ‍্যেগে ১৪ আগস্ট সোমবার  সকালে ডুমুরিয়া উপজেলা ভূমি আয়োজনে ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উত্তরন গোলনাস্থ ডুমুরিয়া অফিসে অনুষ্ঠিত সভা উপজেলা ভূমি কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেনের সঞ্চালনায় সভায়  সভাপতিত্ব করেন উপজেলা ভূমি কমিটির সভাপতি শেখ সেলিম আকতার স্বপন,প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সাধারণ সম্পাদক এ‍্যাড.পুলিন বিহারী সরকার , বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও ভূমি কমিটির সহ-সভাপতি শোভা রাণী হালদার,  একে এম হযরত আলী,সঞ্জয় বিশ্বাস,উত্তরণ প্রতিনিধি আব্দুল আলীম,কল্যাণী রায়,আনোয়ারা খাতুন সাথী,সাংবাদিক শেখ জাহিদুর রহমান বিপ্লব, সহ সাধারণ সম্পাদক তাসলিমা বেগম, সরদার সেলিম , ইউসুফ আলী,অলিয়ার রহমান খান , সোনিয়া খাতুন,অচিতা রাণী রায়,গীতা রাণী রায়, খান আবু বক্কর, প্রমুখ।।

উল্লেখ্য ‌ উপকারভোগী ভূমিহীন পরিবার, প্রাথমিক সংগঠন,প্রাথমিক সংগঠনের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্যদের নেতৃত্বে ও দক্ষতা বৃদ্ধি, গণ-উন্নয়ন ফেডারেশন উপজেলা ভূমি কমিটি পার্টনার এনজিও এর দক্ষতা বৃদ্ধি, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি,খাস জমির স্থায়ী বন্দোবস্তো ,খাস জমির একসনা,জলমহাল,নারীদের উত্তরাধিকার সম্পত্তি প্রাপ্তি,বয়স্ক ভাতা বিধবা স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা ও প্রতিবন্ধি ভাতা মাতৃত্ব ভাতাসহ ব্যাপক আলোচনা করা হয়।

সয়াবিন তেল ও চিনির দাম কত কমল…..!

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য কমায় দেশের বাজারেও চিনি ও সয়াবিন তেলের দাম কেজি ও লিটারে ৫ টাকা কমানো হয়েছে। রোববার বাংলাদেশ সুগার রিফাইনারি অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে; যা সোমবার থেকে কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে- বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের আমদানি মূল্য কমে যাওয়ায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে লিটারে ৫ টাকা কমিয়ে খোলা সয়াবিন তেল ১৫৪ টাকা, বোতলজাত ১৭৪ ও ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২৩ টাকা কমিয়ে ৮৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ সুগার রিফাইনারি অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেজিতে ৫ টাকা কমিয়ে খোলা চিনির দাম ১৩০ ও প্যাকেটজাত চিনি ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রয়োজনে ডিম আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হতেপারে: বাণিজ্যমন্ত্রী

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

রোববার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারে এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারীর কাছে আগস্ট মাসের চালসহ টিসিবির পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন।

ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ডিমের দাম কত হওয়া উচিত সেটি প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় যদি ডিম আমদানির অনুমতি চায় সে ক্ষেত্রে আমরা ডিম আমদানির অনুমতি দেব।

এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারীদের কাছে আগস্ট মাসের চালসহ টিসিবির পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার থেকে ১০০ টাকা দরে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল, ৩০ টাকায় প্রতিকেজি চাল ও ৬০ টাকায় মসুর ডাল বিক্রি করবে সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

একজন ফ্যামিলি কার্ডধারী ৩০ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি চাল, ৬০ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ দুই কেজি মসুর ডাল ও ১০০ টাকা দরে ২ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে পারবেন। এ বিক্রয় কার্যক্রম শুধু মহানগরীগুলোতে এবং আঞ্চলিক কার্যালয় সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে পরিচালনা করা হবে।

গত বছরের এই সময়ে প্রতি ডজন ডিমের দাম উঠেছিল ১৫৫ টাকা। তবে বর্ষা শেষে তা আবার কমে যায়। গত মাস পর্যন্ত ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি হয় ডিম। এর পর থেকেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে পণ্যটির দাম।