বাংলাদেশের মানুষ একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেই নিরাপদ: জেলা সভাপতি হারুনুর রশিদ

 

আ: রাজ্জাক শেখ:

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ বলেছেন,
দলের জন‍্য যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদের কে শ্রদ্ধা জানায়। সরদার হারুন এর আদর্শকে ধারণ করে আমাদের পথ চলতে হবে। দলের দিবেদীত একজন মানুষ ছিলেন তিনি।

দেশ বিরোধী ও স্বাধীন বিরোধী একটি মহল প্রতিনিয়তই দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করেই চলছে। তবে তারা সফল হবে না। কারণে, বাংলাদেশের মানুষ একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেই নিরাপদ।

জননেত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষকে নিয়ে ভাবেন। ‘গ্রাম হবে শহর’এই চিন্তা নিয়ে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে।

উন্নয়নের সবগুলো সূচক অর্জিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই স্বল্প উন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগসহ সব সূচকে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ছাড়িয়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশকে বাঁচাতে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচন ও আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে এখন থেকেই দলকে সুসংগঠিত ও স্মার্ট করে গড়ে তুলতে হবে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে এক সাথে কাজ করতে হবে।

বৃস্পতিবার (২৩ফেব্রুয়ারী ) সকাল ১০টায় খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সদস‍্য, রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার হারুনার রশিদের শাহাদাত বার্ষিকীতে শ‍্রদ্ধ‍া জানিয়ে নিজ বাড়িতে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন
সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক,মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ‍্যাড: সুজিত অধিকারী, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস‍্য আলহাজ্ব আকতারুজ্জামান বাবু,
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন বাদশা,জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম‍্যান অধ‍্যাপক আশরাফুজামান বাবুল, জেলা সদস‍্য ফ ম আ:সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল,জামিল খান।

ইউপি চেয়ারম‍্যান মো: ইসহাক সরদার এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক অধ‍্যাপক ডা: শ্যামল কুমার দাস’র পরিচালনায় বক্তৃতা করেন
উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আইয়ুব মল্লিক বাবু, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, মোল্লা আরিফুর রহমান, জেলা যুবলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস‍্য চৌধুরী মো: রায়হান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক মো:মাহফুজুর রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা শেখ শহিদুল আলম,

জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো:মোতালেব হোসেন, ভাইস চেয়ারম‍্যান ফারহানা আফরোজ মনা,মো: ইমদাদুল ইসলাম, সরদার ফেরদৌস আহমেদ, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, এমডি রকিব উদ্দীন, স ম জাহাঙ্গীর,নাসির হোসেন সজল,সাবিনা ইয়াসমিন, বাসুদেব রায় চোধুরী, ইউপি সদস‍্য আলম হাওলাদার, কামরুল সরদার, এমপির প্রধান সমন্বয়কারী যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, সামসুল আলম বাবু,সরদার জসিম উদ্দীন, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো: মঈন উদ্দীন, ফরিদ শেখ, রাবেয়া বেগম, ছাত্রলীগের আহবায়ক আশিকুজ্জামান তানভীর, নাজিম মোড়ল, জুয়েল সরদার প্রমূখ।

এছাড়া সকাল ৮টায় পুস্প মাল‍্য অর্পণ করেন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এবং খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দীর পক্ষ থেকে পুস্পমাল‍্য অপর্ন করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা শেষে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বরিশালের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে সেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

রক্তের বিকল্প রক্ত বিশুদ্ধ রক্ত স্বেচ্ছা রক্তদানই যার প্রধান উৎস। স্বেচ্ছা রক্তদানে সর্বস্তরের মানুষের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ যত বাড়বে বিশুদ্ধ রক্তপ্রাপ্তির সম্ভাবনাও তত বাড়বে। আর তাই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বিকেল তিনটায়  কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন বরিশাল শাখার আয়োজনে বরিশালের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে সেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন বরিশাল কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের পরিচালক জনাব ফয়সাল মাহমুদ। এতে বরিশালের বিভিন্ন পেশা শ্রেনীর মানুষের অংশগ্রহণ করেন।

রক্ত দানের পর প্রত্যেক রক্তদাতাকে ডোনার কার্ড ও শুভেচ্ছা উপহার দেয়া হয়। পরবর্তীতে তাদের প্রত্যেককে হেপাটাইটিস -বি,হেপাটাইটিস হেপা সি,এইডস, সিফিলিস এবং ম্যালেরিয়ার স্ক্রিনিং রিপোর্ট বিনামূল্যে দেয়া হবে। এর আগে সকাল ১০ টায় ঝালকাঠি কালেক্টরেট বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। রক্তদান কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন জনপ্রতিনিধি জনাব আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু (এম.পি) ও ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক জনাব ফারাহ্ গুল নিঝুম।

উল্লেখ্য আমাদের দেশে প্রতিবছর প্রায় আট লক্ষ ইউনিট রক্ত প্রয়োজন হয়। একসময় (২০০১ সালের জরিপ অনুযায়ী) প্রয়োজনীয় এ রক্তের একটা বড় অংশই (৪৭%) আসত পেশাদার রক্তবিক্রেতাদের কাছ থেকে কিন্তু এখন এর হার নেমে এসেছে মাত্র ১২% ।

কোয়ান্টাম রক্ত কার্যক্রম প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালে। তখন শুধু ভ্রাম্যমান রক্তদাতাদের সমন্বয়ের কাজটিই কোয়ান্টাম করতো। ২০০০ সালে ঢাকার কাকরাইলে প্রতিষ্ঠিত হয় নিজস্ব ল্যাব। এরপর থেকেই এ কার্যক্রমটিতে গতির সঞ্চার হতে শুরু করে। ২২ বছরের পথ পরিক্রমায় এ পর্যন্ত (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২) কোয়ান্টাম সরবরাহ করেছে ১৪,৩৭,৯২৭ ইউনিট রক্ত ও রক্ত উপাদান। আর সংগ্রহ করেছে মোট ৯,০৪,৩৯৮ ইউনিট রক্ত। তারই ধারাবাহিকতায় বরিশাল কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনেও গড়ে ওঠে কোয়ান্টাম ব্লাড ডোনার পুল।

একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে :সালাম মূশের্দী এমপি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন,
বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাহান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির রক্তিম প্রেরণাময় পথ বেয়ে নানান আন্দোলন ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে এক রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছিল স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।
আসুন, আজ থেকে আমরা সব ভেদাভেদ ও রাজনৈতিক সংকীর্ণতা পরিহার করে ভাষা শহীদদের দেখিয়ে দেয়া পথ ধরে ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনায় বাংলাদেশকে গড়ে তোলার শপথ গ্রহণ করি।

একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ
হতে হবে :সালাম মূশের্দী এমপি

একুশের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ধারণ করে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী দল-মত নির্বিশেষে একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান।

আসুন দল-মত নির্বিশেষে একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখি। সবাই মিলে একটি অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। প্রতিষ্ঠা করি জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।

তিনি আরো বলেন, অমর একুশে আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতীক। একুশের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ধারণ করে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল।
বিশ্বের ২৫ কোটি মানুষের ভাষা বাংলাকে জাতিসংঘের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতিদানের উদ্যোগ নিয়েছি আমরা।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দাবি উত্থাপন করেছি। বিশ্বের সকল ভাষা সংক্রান্ত গবেষণা এবং ভাষা সংরক্ষণের জন্য আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, মহান একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির জীবনে শোক, শক্তি ও গৌরবের প্রতীক। ১৯৫২ সালের এ দিনে ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণ দিয়েছিলেন রফিক, শফিক, সালাম, বরকত ও জব্বারসহ আরও অনেকে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান একুশে ফেব্রুয়ারির সেই রক্তস্নাত গৌরবের সুর বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে আজ বিশ্বের ১৯৩টি দেশের মানুষের প্রাণে অনুরণিত হচ্ছে।

আজ সারা বিশ্বের সব নাগরিকের সত্য ও ন্যায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রেরণার উৎস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ফেব্রুয়ারী সকাল ১০টায় অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে চিত্র অঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ জুবায়ের, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: শেখ শফিকুল ইসলাম।

এসময় আরো বক্তৃতা করেন কৃষি কর্মকর্তা মো: ফরিদুজ্জামান,প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মনোয়ারা খানম, সমবায় কর্মকর্তা প্রশান্ত ব্যানার্জি, শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ আ: রব, নির্বাচন কর্মকর্তা মোল্লা নাসির আহমেদ, আইসিটি কর্মকর্তা মো:রেজাউল করিম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান,
যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান,
সহকারী মাধ‍্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা,থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই আবুল কাইয়ুম,
মুক্তিযোদ্ধা আ: মজিদ ফকির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল ইসলাম, সংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, এমডি রকিব উদ্দিন, ফরিদ শেখ সহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান,মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষার্থী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আমতলী অনলাইন প্রেস ক্লাবের পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী অনলাইন প্রেস ক্লাবের পক্ষ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আজ রাত বারোটা এক মিনিটে আমতলী সরকারি কলেজের শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়েছে।

অনলাইন প্রেস ক্লাব ওপিসি আমতলীর পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এর সময় উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মজিবুর রহমান, আমতলী পৌরসভার মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান সহ অনলাইন প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক বৃন্দ।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে আমতলী অনলাইন প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি প্রনয়ণ করা হয়েছে। অন্যান্ন কর্মসুচীর মধ্যে রয়েছে সুর্যোদয়ের সাথে সাথে সংগঠন কার্যালয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল এগারোটায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ডুমুরিয়ায় বাঁধ কেটে লবন পানি তুলে চিংড়ি চাষ করার প্রতিবাদে সমাবেশ ইঊএন ও কাছে ও লিখিত অভিযোগ

 //জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

ডুমুরিয়ায় কতিপয় প্রভাবশালী  চিংড়ি চাষী অবৈধ্যভাবে বেঁড়ীবাঁধ কেটে  লবণ পানি তুলার  পায়তারার  প্রতিবাদে ২০ ফেব্রুয়ারি  সোমবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাঁশতলা ও লতাবুনিয়া গ্রাম দু’টির শতাধিক এলাকাবাসী   উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লবন পানি  বন্ধের দাবীতে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ এলাকাবাসী  উল্লেখ করেন, আম্পান ঝড়ে গ্রাম দু’টির বেঁড়ি বাঁধ ক্ষতি গ্রস্থ হওয়ায় স্থানীয় সরকার  প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে প্রায় ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মান করে ।  চলতি মৌসুমে ইরি বোরো ধানের চাষাবাদ শুরু করেন  এলাকাবাসী । স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য শংকর গাইন বলেন বিল দুটিতে প্রায় ১১শ বিঘা ধান চাষের যোগ্য জমি রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২শত বিঘা জমিতে ধান রোপন শেষ হয়েছে।

এর মধ্যে একই ইউনিয়নের সাহস গ্রামের চিংড়ি চাষী সবিনয় রায়, আশোক কুমার ভদ্র, মোঃ আব্দুর রশিদ গাজী, মোঃ জাহিদ গাজী ও বরুন মন্ডল, পার্শ্ববতী ঘ্যাংরাইল নদী থেকে খাল খনন করে ও সদ্য নির্মিত বাঁধ  পর্যন্ত লোনা পানি নিয়ে আসে। রাতে আঁধারে বাধ কেটে  লবন পানি তুলে চিংড়ি চাষের পায়তারা করছে।  উপজেলা পরিষদের সামনে  এলাকা বাসী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয। এসময বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য প্রশান্ত মল্লিক, কমলা রায়, বনমালি মল্লিক, শংকর প্রসাদ গাইন, সুশিল কুমার বালা, দীনবন্ধু মন্ডল প্রমুখ।

খুলনার রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি দিলেন ১০ সদস্য

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিলেন ক্লাবের ১০জন সদস্য।গতকাল ১৯ ফেব্রুয়ারি তারা এ অব্যাহতি পত্র ক্লাবের দপ্তর সম্পাদকের নিকট হস্তান্তর করেন। অব্যাহতি প্রদানকারী সদস্যরা হলেন, ক্লাবের সহ-সভাপতি এইচ এম রোকন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক শেখ,কোষাধ্যক্ষ ফ ম আইয়ুব আলী, প্রচার সম্পাদক মোঃ মোশারেফ হোসেন, সদস্য নুর ইসলাম,মারুফ হোসেন, ইউসা মোল্লা, মোছা মোল্লা সবুজ, মামুন শেখ,কুরবান শেখ প্রমূখ।

ডুমুরিয়ায়  ভিলেজ পল্লী চিকিৎসক এস‍োসিয়েশন এর  কমিটি গঠন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//
 ডুমুরিয়ায় ভিলেজ পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশনের ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা গতকাল ডুমুরিয়া বাজারের অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত পল্লী চিকিৎসকদের মতামতের ভিত্তিতে কমিটির সভাপতি  নির্বাচিত হয়েছেন আ;লীগ নেতা ও পল্লী চিকিৎসক মোল্যা জাহিদুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক জাহান আলী মোল্যা, সহ সভ্পাতি হলেন বিএম এ হালিম, এস এম ইমদাদ হোসেন, আনন্দ বিশ্বাস, যুগ্ন সম্পাদক হাবিবুর রহমান(হাবিব) ,সৌতম রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদকা সাবিনা ইয়াসমিন, কোষ্ধাক্ষ সরজিত ঢালী(সরোজ), দপ্তর সম্পাদক রিপন জোর্দ্দার, প্রচার সম্পাদক সাকিব হুসাইন।

ফের চালু হচ্ছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র, ১টি ইউনিটে প্রতিদিন ৫হাজার টন কয়লা প্রয়োজন

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আজ থেকে পুনরায় উৎপাদনে যাচ্ছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। উৎপাদন শুরুর ২৭ দিনের মাথায় কয়লা সংকটে ১৪ জানুয়ারি উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

জানা গেছে, ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ৩০ হাজার টন কয়লা নিয়ে একটি জাহাজ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে আসে। আরেকটি জাহাজ ৫০ হাজার টন কয়লা নিয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি আসার কথা রয়েছে। প্রতিদিন কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালু রাখতে প্রয়োজন পাঁচ হাজার টন কয়লা।

বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ বিনিয়োগে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মিত হয়েছে বাগেরহাটের রামপালে। প্রথম ইউনিটের উৎপাদনক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট। ১৫ আগস্ট প্রথম ইউনিট পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করে।

রাজধানীর বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে ১৭ ডিসেম্বর রাত থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। এলসি জটিলতায় কয়লা আমদানি ব্যাহত হওয়ায় ১৪ জানুয়ারি সকাল ৯টার দিকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

৬৩৮ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে কেন্দ্রটি। জুনে দ্বিতীয় ইউনিট বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানির (বিআইএফপিসিএল) উপমহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম বলেন, কয়লা আসায় বুধবার পুনরায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু হচ্ছে।

আজিম বলেন, ৩০ হাজার টন কয়লা দিয়ে মাত্র ৬ দিন কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালানো যাবে। পরে ৫০ হাজার টন কয়লা এলে তা দিয়ে কেন্দ্রটি আরও ১০ দিন চালানো যাবে। ইন্দোনেশিয়া থেকে একটি জাহাজ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির জেটিতে ভিড়তে ৭ থেকে ১০ দিন সময় লাগে।

সূত্র জানায়, কেন্দ্রটিতে কয়লা মজুতের সক্ষমতা রয়েছে তিন মাসের। নিয়ম অনুযায়ী এক মাসের কয়লা মজুত রাখার বাধ্যবাধকতা থাকলেও ডলার সংকটে এতদিন কেন্দ্রটিতে কয়লার কোনো মজুত ছিল না।

ডুমুরিয়ার প্রতিযশা বংশীবাদক শিল্পী ওস্তাদ আব্দুল হাকিম একুশে পদকে ভূষিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

খুলনার ডুমুরিয়ার উপজেলার চেচুড়ি গ্রামের সন্তান প্রতিযশা বংশীবাদক শিল্পী  ওস্তাদ আব্দুল হাকিম একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন।  । কাদা মাটি জল আর মাঠ ঘাটে বেড়া উঠা  ছোট বেলা থেকে বাশিঁ বাজাতেন। এক সময়ের নিভৃত পল্লীর বেড়ে উঠা টকবুকে তরুন আব্দুল হাকিম ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে ভারতে চলে যান ।

যুদ্ধের সময় বাশিঁ ছাড়তে পারিনি। যুদ্ধের সময়  বাংক্যারে বসে একাকীত্বে বাশির সুর সাধনা করতেন। পরিবার হারানো বেদনা ও ক্লান্ত  মুক্তিযুদ্ধাদের বাশিঁর সুরে বিমোহিত করে রাখতেন। যুদ্ধে যাওয়ার খবর তখনকার  দেশিয় রাজাকরা  জানতে পেরে হাকিমের বাড়িতে প্রতিনিয়ত হানা দিতো। মা সহ পরিবারের লোকজনদের রাজাকাররা  মানষিক ও শারিরীক নির্ষাতন করতো। যুদ্ধ শেষে তিনি বাড়িতে ফিরে আসে। তখন বাশিঁকে ছাড়তে না পেরে মনের গভীরে একটাই স্বপ্ন ও সাধনা নিয়ে বাশিঁ সুরে এলাকার মানুষকে বিমোহিত করেছেন।

এলাকাসহ আশপাশ এলাকায় যেখানে সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান হতো হাকিমের বাশিঁর সুর শুনতে এলাকার মানুষ জড়ো হতো। এভাবে চলতে চলতে ১৯৭৪ সালে শেষ দিকে খুলনা বেতারের সাথে যুক্ত হন । এরপর তিনি  ঢাকায় চলে যান। সঙ্গীত সাধনায় নিজেকে মেলে ধরতে সঙ্গীত শিল্পীদের সাথে কাজে করেছে। লালন ফকিরের জীবন নিয়ে নির্মিত ছায়াছবি মনের মানুষ এর সঙ্গীত্যয়োজনে তাঁর অন্যবদ্য ভূমিকা ছিল।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তার বাশিঁর সুর মুগদ্ধ করেছে সঙ্গীত পিপাষুদের।  তিনি যন্ত্র সঙ্গীত শিল্পী সংস্থার প্রেসিডেন্ট।

আলোকিত মানুষটি একুশে পদক প্রাপ্তির খবর ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশন নামের একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যামে প্রচার করে।

 

২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. সাহাবুদ্দিন। আগামী ২৪ এপ্রিল তাঁর নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করার কথা। বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৩ এপ্রিল।

তার মানে আর দুই মাসের কিছু বেশি সময় পর বঙ্গভবনের নতুন বাসিন্দা হতে যাচ্ছেন মো. সাহাবুদ্দিন।

রাষ্ট্রপতি কী কী ক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা পান, তা বলা আছে দেশের সংবিধান ও দ্য প্রেসিডেন্টস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (সংশোধন) অ্যাক্টে। স্বাভাবিকভাবেই নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিনও এসব ক্ষমতা ও সুযোগ–সুবিধা ভোগ করবেন।

দ্য প্রেসিডেন্টস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (সংশোধন) অ্যাক্ট অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মাসিক বেতন হবে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এই টাকা আয়করমুক্ত। আগে এই বেতন ছিল ৬১ হাজার ২০০ টাকা। সর্বশেষ ২০১৬ সালে তা বাড়ানো হয়। রাষ্ট্রপতি আপ্যায়নের (এন্টারটেইনমেন্ট) জন্য বছরে ভাতা পান। এই টাকার নিরীক্ষা হবে না। রাষ্ট্রপতির জন্য সরকারি বাসভবন (বঙ্গভবন) থাকবে, যার সাজসজ্জা ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ দেবে সরকার। স্বাভাবিকভাবে রাষ্ট্রপতি পরিবহন (গাড়ি) সুবিধা পাবেন। রাষ্ট্রপতি অফিশিয়াল কাজে দেশের বাইরে গেলে সরকার নির্ধারিত ভাতা পাবেন। রাষ্ট্রপতির স্বেচ্ছাধীন তহবিল বছরে দুই কোটি টাকা।

রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা দেশের যেকোনো হাসপাতালে বিনা খরচে চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে দেশের বাইরে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সেই খরচও সরকার দেবে।

রাষ্ট্রপতি বিমানে ভ্রমণ করলে বিমাসুবিধার ব্যবস্থা আছে। এই বিমাসুবিধা এখন বছরে ২৭ লাখ টাকা। ২০১৬ সালের আগে ছিল ১৫ লাখ টাকা। এ রকম আরও বেশ কিছু সুবিধা পান রাষ্ট্রের ১ নম্বর ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সব ব্যক্তির ঊর্ধ্বে। তিনি কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ছাড়া অন্য সব দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী পালন করবেন। তবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোনো পরামর্শ দিয়েছেন কি না এবং দিলে কোনো আদালত সেই সম্পর্কে কোনো প্রশ্নের তদন্ত করতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রনীতি–সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করলে যেকোনো বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করবেন।

কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমা করার অধিকার আছে রাষ্ট্রপতির। কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের দেওয়া দণ্ড মার্জনা, বিলম্ব ও বিরতি করতে পারেন রাষ্ট্রপতি। এ ছাড়া যেকোনো দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা কমানোর ক্ষমতা আছে রাষ্ট্রপতির।

রাষ্ট্রপতির মেয়াদ কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর। তবে রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি নিজ পদে বহাল থাকবেন। একই ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না।