‘জনশুমারী ও গৃহগণনা-২০২২’-  বাংলাদেশের জনসংখ্যা

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বাংলাদেশের জনসংখ্যা বর্তমানে ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এর মধ্যে নারী ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন ও পুরুষ ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রথম ডিজিটাল ‘জনশুমারী ও গৃহগণনা- ২০২২’ বিষয়ক প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিবিএসের প্রকল্প পরিচালক দিলদার হোসেন এসব তথ্য জানান।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জনশুমারী ও গৃহগণনা ২০২২ প্রাথমিক প্রতিবেদনের মোড়ক উন্মোচন করেন।

সারা দেশে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম ১৫ থকে ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. এ. মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম এবং জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. মতিয়ার রহমান অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি রওশন আরা মান্নান এমপি, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বীরেন শিকদার এমপি, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, পরিসংখ্যান ব্যুরোসহ বিভিন্ন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকতা, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জনশুমারী ও গৃহগণনার প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশন ওয়ারী জনসংখ্যা যথাক্রমে বরিশালে ৪ লাখ ১৯ হাজার ৩৫১ জন, চট্টগ্রামে ৩২ লাখ ২৭ হাজার ২৩৬ জন, কুমিল্লায় ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪১৪ জন, ঢাকা উত্তরে ৫৯ লাখ ৭৯, হাজার  ৩৭ জন, ঢাকা দক্ষিণে ৪২ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪৫ জন, গাজীপুরে ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ৬৯৭ জন, খুলনায় ৭ লাখ ১৮ হাজার ৭৩৫ জন, ময়মনসিংহে ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৭২২ জন, নারায়নগঞ্জে ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭২৪ জন, রাজশাহীতে ৫ লাখ ৫২ হাজার ৭৯১ জন, রংপুরে ৭ লাখ ৮ হাজার ৩৮৪ জন এবং সিলেটে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৪২৬ জন।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১ হাজার ১১৯ জন যা ২০১১ সালের জনশুমারিতে ছিল ৯৭৬ জন। সাক্ষরতার শতকরা হার ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ, যা ২০১১ সালে ছিল ৫১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। জনসংখ্যার বার্ষিক গড় বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২২ শতাংশ। ২০১১ সালের জনশুমারিতে গড় জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার ছিল ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৩০ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যায় দেখা গেছে, মুসলমান ৯১ শতাংশ। সনাতন ধর্মাবলম্বী ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। ২০১১ সালের জনশুমারিতে হিন্দু ছিল ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছিল শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ যা আগের শুমারিতে ছিল শূন্য দশমিক ৬২ শতাংশ। দেশে এখন মোট খানার সংখ্যা ৪ কোটি ১০ লাখ। আগের শুমারিতে ছিল ৩ কোটি ২১ লাখ।

 

মৎস্য সপ্তাহে আমতলীতে অবৈধ জাল উচ্ছেদ

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার  আমতলীতে মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ উপলক্ষে অবৈধ জাল উচ্ছেদ অভিযানের চতুর্থ দিনে পায়রা (বুড়িশ্বর) নদীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধ বেহুন্দি জাল ও কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। পরে সেই অবৈধ জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সকাল থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত উপজেলার বুড়িরচর থেকে গুলিশাখালীর জাংগালিয়ার ঠোডা পর্যন্ত পায়রা নদীতে পাতা বিভিন্ন স্থানে অবৈধ ১০০০০ মিটার কারেন্ট জাল,১২ টি বেহুন্দি জাল ও অন্যন্য ২ টি জাল উচ্ছেদ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মেরিন ফিসারিজ অফিসার সায়েদ মোঃ ফারাহ। ফিল্ড ফেসিলিটেটর হিমেল  আহমেদ,নয়ন চন্দ্র,আরিফুর রহমান,দীপংকর পাইক,সাকিব।

উপজেলা মেরিন ফিসারিজ কর্মকর্তা সায়েদ মোঃ ফারাহ জানান, মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে অভিযান চালিয়ে অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। এবং সেই জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডুমুরিয়ায় বোরো ধান বীজ সংগ্রহ’র উদ্বোধন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

ডুমুরিয়ায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা’র আয়োজনে ২৫ জুলাই  সোমবার বিকেলে  কৃষক পর্যায়ে উৎপাদিত বোরো ধান বীজ সংগ্রহ ও বিক্রযের  উদ্বোধন করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে এর উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা’র উপ-পরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমান।এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপ পরিচালক (উদ‍্যান) মহাদেব চন্দ্র সানা, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শশ‍্য) মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন, উপজেলা  কৃষি কর্মকর্তা ইনসাদ ইবনে আমিন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ওয়ালিদ হোসেন, এসওপিপিও সঞ্জয় দেবনাফ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি বিশ্বাস,আশুতোষ দাশ, উল্লেখ্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর  এর মাধ‍্যমে সরাসরি কৃষকের কাছ ৪২ টাকা কেজি দরে ৪ হাজার ৭ শত ২২ মেট্রিক টন বীজ ধান বিএডিসির নিকট বিক্রয করা হয।

 

 

ডুমুরিয়ায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ‍্যে দু:স্থ মহিলাদের হস্ত চালিত তাঁত প্রশিক্ষনে উদ্বোধন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

উপজেলা পরিচালন ও উন্নযন প্রকল্প স্থানীয় সরকার ও  পল্লী উন্নযন মন্ত্রাণালয় কর্তৃক ডুমুরিয়ায়  কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ‍্যে দু:স্থ মহিলাদের হস্ত চালিত তাঁত প্রশিক্ষনে উদ্বোধন করা হযেছে।

উপজেলা মহিলা বিষযক দপ্তরের আয়োজনে পরিচালিত তাঁত প্রশিক্ষন অনুষ্ঠানে  বক্তব‍্য দেন উপজেলা মহিলা ভাইন্স চেয়ারম‍্যান শারমিনা পারভীন রুমা, গাজী আব্দুল হালিম, মহিলা বিষযক কর্মকতা রিনা রানী মজুমদার, জাইকা প্রকল্পের সমন্বযকারী  মো: আব্দুল করিম  প্রমুখ।  ৩০ জন নারী ৬ দিনের প্রশিক্ষনে অংশ গ্রহন করছেন।

বাগেরহাটের রামপালে সাংবাদিকদের সাথে মৎস্য কর্মকর্তার মতবিনিময়

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || 

রামপালে মৎস্য সপ্তাহের কর্মসূচি পালনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অন্জন বিশ্বাস। শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অন্জন বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এইচ, বি, এ সাত্তার, প্রেসক্লাব রামপাল এর সভাপতি এম, এ সবুর রানা, রামপাল প্রেসক্লাবের সভাপতি হাওলাদার আ. হাদি, সাধারণ সম্পাদক ও রামপাল সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাইফুল আলম বক্তিয়ার, সাংবাদিক রবিউল ইসলাম, মো. হাফিজুর রহমান, সুজন মজুমদার, মো. তারিকুল ইসলাম, গোলাম ইয়াছিন রাজু, মেহেদী হাসান প্রমুখ। এ সময় সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনার দুর্যোগের কারণে চিংড়ি উৎপাদন বাঁধাগ্রস্ত হলেও মাছের উৎপাদন বেড়েছে। জানান ২৩ জুলাই থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত নানা কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে। এক পরিসংখ্যানে তিনি জানান রামপালে চিংড়ি উৎপাদন কিছুটা কমেছে। এ বছর গলদা চিংড়ি উৎপাদন লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮২৫ মে. টন, বাগদা উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৯৩০ মে. টন, কার্ফ মাছ ৭ হাজার ৭৮৮ মে. টন, কাকড়া ৬৫৭.৩০ টন ও সাদা মাছ, কুচিয়াসহ অন্যান্য ৪ হাজার ৯৭৭ মে. টনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। তবে তিনি জানান মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে বাগদাদ চিংড়িতে মড়ক লাগায় প্রায় ৬০০ মে. টন উৎপাদন কম হয়েছে তবে সাদা মাছের উৎপাদন বেড়েছে।

এ দপ্তর থেকে মাছ চাষে চাষিদের নানাভাবে সহযোগিতা, উঠান বৈঠক, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। জনবল সংকটের কারণে কাংখিত সেবা প্রদান করা যাচ্ছে না বলে ও জানান সিনিয়র ওই মৎস্য কর্মকর্তা।

ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া’র মৃত্যুতে আমতলী পৌর এর শোক প্রকাশ

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

মহান জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ ফজলে রাব্বী মিয়া ইেিন্তকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

ফজলে রাব্বী মিয়া’র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বরগুনার আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান।

শুক্রবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ডেপুটি স্পিকার দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। প্রয়াত ডেপুটি স্পিকার তিন মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

আওয়ামীলীগ নেতা ও পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া’র বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা সহ শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

ডুমুরিয়ায় মুজিববর্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন ৯০ পরিবারকে জমি ও গৃহপ্রদান

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া, খুলনা//

মুজিববর্ষে ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২১জুলাই) প্রধানমন্ত্রী ৩য় পর্যায়ের ২য় ধাপে দেশের ২৬ হাজার ২২৯ টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের হাতে জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন। এরই অংশ হিসেবে খুলনার ডুমুরিয়া  উপজেলায় ৯০টি পরিবারের মাঝে জমিসহ ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে  সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্থানীয় শহীদ জোবায়েদ আলী  মিলনায়তনে ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানের  আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর জমি ও ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহমেদ,উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শারমিনা পারভীন রুমা,উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ মামুনুর রশীদ,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইনসাদ ইবনে আমিন ,উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রবিউল ইসলাম,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আশরাফ হোসেন,থানা অফিসার ইনচার্জ সেখ কনি মিয়া,উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রীনা মজুমদার,উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক  শাহানেওয়াজ হোসেন জোয়াদ্দার,ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দীন প্রমূখ।

মুজিববর্ষে তিনটি পর্যায়ে এক লাখ ৮৫ হাজার একশত ২৯টি ঘর বরাদ্দ করা হয়। ডুমুরিয়া  উপজেলায় আশ্রায়ন প্রকল্পের আওতায়  ৯০টি পরিবার সহ তিনটি পর্যায়ে মোট ৮০৫ টি ঘর বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে।আরো ৩০০টি ঘর নির্মাণের প্রস্তুুতি চলছে।

অনুষ্ঠানে সুফল ভোগী ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের সদস্য,সরকারি কর্মকর্তা,রাজনৈতিক দলের নেতা, মিডিয়াকর্মী সহ সুধী সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্হিত ছিলেন।

 

 

ডুমুরিয়ায় বিশ্ব জনসংখ‍্যা দিবস পালিত

//ডুমুরিয়া সংবাদদাতা ,খুলনা//

খুলনার ডুমুরিয়ায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে  ২১ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের উদ‍্যেগে র‍্যালী, আলোচনা সভা ও শ্রেষ্টত্ব অর্জনকারী কর্মীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

উপজেলা সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান।  অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহমেদ। বক্তব‍্য দেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শারমিনা পারভীন রুমা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত)ডাঃ সুলতানা জিনাত ফাতেমা,সহকারি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ সামছুজ্জামান, ইউনিয়ন স্বাস্হ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিদর্শক মোঃ নাছির উদ্দীন,মিলন খান,প্রভাত কুমার সরকার,রাজিব মন্ডল প্রমূখ।

শেষে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ ঘোষিত বিভাগীয় পর্যায়ে মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ, রুদাঘরা ইউনিয়ন উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেলঅফিসার(এমওসিএম) নিরুপমা বিশ্বাস,জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্টত্ব অর্জনকারী সাহস ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ সহকারি খাদিজা খাতুন ও গুটুদিয়া ইউনিয়নের এফডব্লিউএ সবিতা মনি কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।আলোচনা সভার পূর্বে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়।

বাগেরহাটের রামপালে ভুমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে ঘর হস্তান্তর

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় ২১ জুলাই ৩য় পর্যায়ের তৃতীয় ধাপের প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমি ও গৃহ প্রদান করা হয়েছে।
বাগেরহাটের রামপালে বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি সংযোগ থেকে আশ্রয়ণের ৩য় পর্যায়ের তৃতীয় ধাপে উপজেলায় মোট ১০৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে কবুলিয়ত দলিল ও নামজারি খতিয়ানসহ নতুন ঘর হস্তান্তর করেছেন। ইতোপূর্বে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ১ম পর্যায়ে রামপালে ১০টি ,২য় পর্যায়ে ৪০ টি এবং ৩য় পর্যায়ের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে ৫০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ গৃহ প্রদান করা হয়। এর মধ্যে সুন্দরবনের জলদস্যু বাহিনীর হান্নান সরদার আত্মসমর্পণকৃত সাভাবিক জীবনে ফিরে পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ঘর। প্রধানমন্ত্রী জলদস্যু ও বনদস্যুদের সাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য তাদের নির্বিগ্নে বসবাসের জন্য সকলকে পর্যায়ক্রমে ঘর প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আরো ১০৩২ টি ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
এসময় অন্যান্যর মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জিল্লুর রহমান, বিভাগীয় ডিআইজি ডাঃ মহিউদ্দিন (বিপিএম বার), অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক আজিজুর রহমান।

৩৩ বছর বয়সী হান্নান সরদার ছিলেন দুর্ধর্ষ জলদস্যু। বর্তমানে স্বাভাবিক জীবন-যাপন করছেন। অস্ত্র ফেলে জঙ্গল ছেড়ে আছেন মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার করা আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাড়িতে। ফেরারি জীবনে ঘর ছিল না, ঠিকানা ছিল না। সেই হান্নান শেখের এখন বাড়ি হয়েছে, স্থায়ী ঠিকানা হয়েছে। এনিয়ে আবেগাপ্লুত হান্নানের এখন জীবনে পরিবর্তন এসেছে।

ভূমিহীনদের ঘর উপহার দেওয়া দেশের মানুষের জন্য বড় উৎসব: প্রধানমন্ত্রী

।।নিজস্ব প্রতিবেদক।।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুজিববর্ষে গৃহহীন ভূমিহীনদের ঘর উপহার দেওয়া বাংলাদেশের মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় উৎসব। আজ আমার আনন্দের দিন। যাদের কিছুই ছিল না, তাদের ঘর দিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিতে পেরেছি।

যখন এই মানুষগুলো এই ঘরে থাকবে, তখন আমার মা-বাবার আত্মা শান্তি পাবে। লাখো শহিদের আত্মা শান্তি পাবে। কারণ, এসব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই তো ছিল আমার বাবার লক্ষ্য।

বাংলাদেশের মানুষের এর চেয়ে বড় উৎসব হতে পারে না। যারা ঘর পেয়েছেন, প্রত্যেককে নিজের ঘরের সামনে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় প্রতিটি পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত দুই শতাংশ জমির মালিকানার কাগজপত্রও তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গৃহহীনদের জন্য নির্মিত আশ্রয়ণ নিবাসের উপকারভোগী মানুষ সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, জাতির পিতা এদেশের মানুষের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন।

বঙ্গবন্ধু নিজের কথা কখনো চিন্তাও করেননি। স্বাধীনতার পর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে তিনি পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন। সেটা বাস্তবায়ন করে যেতে পারলে বাংলাদেশের মানুষ অনেক আগেই উন্নত হতে পারত।

মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সবার জন্য আবাসন নিশ্চিতের দৃঢ়প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা মুজিববর্ষে একটি মানুষও গৃহহীন-ঠিকানাহীন থাকবে না।

২১জুলাই সকালে সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২৬ হাজার ২শত ২৯টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারকে পাকা ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এর পূর্বে খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দী তিন উপজেলার উপকারভোগীদের মাঝে বক্তৃতায় বলেন,

১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নোয়াখালী জেলার (বর্তমানে লক্ষ্মীপুর) চরপোরাগাছা গ্রাম পরিদর্শনকালে ভূমিহীন, গৃহহীন ও অসহায় লোকদের পুনর্বাসনের জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও দেশের জন্য কল্যাণমুখী ও উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু করেন।

তিনি আরো বলেন,সারা দেশে গৃহ ও ভূমিহীন ৮ লাখ ৮২ হাজার ৩৩ পরিবারকে পাকা বাড়ি নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার। মুজিববর্ষে বাংলাদেশে কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন নির্দেশের পর এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো:ইউসুফ আলী,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন বাদশা,

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিম,জাতীয় ক্রীড়া ব‍্যক্তিত্ব আজাদ আবুল কালাম, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ যোবায়ের, ফারহানা ইয়াসমিন মনা, কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরিদুজ্জামান, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, স্বাস্থ ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা: শেখ শফিকুল ইসলাম,

প্রকল্প ও বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন,প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পারভেজ মোল্যা,উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, সমবায় কর্মকর্তা প্রশান্ত মূখার্জী, পল্লীবিদ্যুৎ প্রকৌশলী এ হালিম,

ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান বাবুল, ইসহাক সরদার, মো. কামাল হোসেন বুলবুল, মোল্যা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য আ: মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সৈয়দ সোরশেদুল আলম বাবু,

অধ্যক্ষ মো. মারুফুল হক, তথ্য আপা দীলশান আরা, সাবেক চেয়ারম‍্যান খান শাহজাহান কবির প‍্যারিস, সোনালী ব‍্যাংকের ব‍্যবস্থাপক আসীত রায়, বিনয় কৃষ্ণ হালদারসহ সরকারী কর্মকর্তা ও দলীয় নেতৃবৃন্দ এবং উপকারভোগীরা।