কিছু মানুষের গালেই কেন টোল পরে জানেন কি …?

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

এটি মূলত একটি জিনগত ত্রুটি। জন্মের সময় শারীরিক গঠনের একদম শুরুর দিকে সাবকিউটেনাস কানেক্টিভ টিস্যুর পরিবর্তন ঘটে।সেই অর্থে এটি রিসেসিভ জিন নয়।এই একটি ত্রুটিপূর্ণ জিনই গালে ‘টোল’ এর জন্য দায়ী।

সাবকিউটেনাস কানেক্টিভ(যোজক) টিস্যু–

-যা হাইপোডার্মিস হিসেবে পরিচিত।এটি ত্বকের সবচেয়ে ভিতরের বা নিচের স্তর।

হাইপো(নিচে) +ডার্ম(ত্বক)→হাইপোডার্মিস

-এই স্তর চর্বি ও যোজক টিস্যু দ্বারা গঠিত।

– বৃহৎ রক্তনালী ও স্নায়ুগুলোকে ধারণ করে।

-অন্তরক হিসেবে কাজ করে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

রিসেসিভ জিন(বিরল জিন) হল যে জিন প্রভাবশালী জিনের উপস্থিতিতে প্রকাশিত হয়না।

মূলত হাইপোডার্মিসের সাবকিউটেনাস কানেক্টিভ টিস্যুতে জিনগত ত্রুটির ফলে টোলের সৃষ্টি হয়।যখন একজন ব্যক্তি হাসি দেয় তখন একটি নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।তখন ত্বকের মাংসপেশিতে টান পড়ে।এই মাংসপেশি হলো জাইগোম্যাটিক মেজর।

⭕ কেন টোল পড়ে?

গবেষণায় দেখা গিয়েছে জেনেটিক কারণে হয়।তবে,অনেকে এ মতের বিরোধীতা করেন।

✔️কোন মা-বাবার কারো একজনের টোল থাকলে সন্তানের থাকার সম্ভাবনা প্রায় ২৫-৫০%।এক্ষেত্রে দুজনের একজনের টোল সৃষ্টিকারী জিন সন্তানের মধ্যে থাকলেই চলবে।

✔️মা-বাবা দুজনের-ই থাকলে সন্তানের থাকার সম্ভাবনা ৫০-১০০%

✔️মা-বাবা কারোর-ই না থাকলে সন্তানের থাকার সম্ভাবনা নেই, যদিনা সে কোন জেনেটিক মিউটেশন শিকার হয়।

তাছাড়াও-

-মুখে অতিরিক্ত চর্বি জমে যাওয়ার কারণেও হতে পারে।

-অনেক শিশুদের ছোটবেলায় চর্বির কারণে টোল দেখা যায়।বয়স বৃদ্ধির সাথে সেই টোল আবার অদৃশ্য হয়ে যায়।

English Dainikbiswa

শব্দ দূষণে ঢাকা শহর বিশ্বে ১ম : জাতিসঙ্ঘ

বাগেরহাটের ফকিরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল  নিহত

অভিনেতা অভিষেকের মৃত্যু// ইন্ডাস্ট্রি খোলা// ক্ষোভ শুভাশিসের

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

সদ্যই প্রয়াত হয়েছেন টলি ও টেলি ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা অভিষেক চ্যাটার্জী (Abhishek Chatterjee)। মাত্র ৫৭ বছর বয়সে সকলকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন কিংবদন্তি অভিনেতা। বুধবার রাত ১ টা ৪০ মিনিট নাগাদ নিজ বাসভবনে মৃত্যু হয় তাঁর। হৃদরোগ জনিত কারণেই অকালে প্রাণ হারালেন তিনি। স্বভাবতই তাঁর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছে গোটা টলি ইন্ডাস্ট্রি। কিন্তু তারই মাঝে খানিকটা বেশি ভেঙে পড়তে দেখা গেল অভিনেতা শুভাশিসকে (Subhasish Mukhopadhay)। সহকর্মী ছাড়াও অভিষেকের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল শুভাশিসের।

আর সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আরও বেশি করে কাছের ছিল তাঁরা। অভিনেতার মৃত্যুর পর জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেতা শুভাশিস (Subhasish Mukhopadhay) বলেন যে-কিছুদিন আগে তাপস চলে গেল। আর এবার মিঠু। ভীষণ অভিমানী ছিল। তবে সোজা সাপটা মানুষ ছিল। অভিষেকের কথা বলতে গিয়ে একপ্রকার কান্নায় ধরে আসছিল তাঁর গলা। এমনকি এও বলেছেন যে কত কথা মনে পড়ছে।

নব্বইয়ের দশকের বহু ছবিতে প্রসেনজিৎ, অভিষেক ও শুভাশিসের কেমিস্ট্রি নজর কেড়েছে সকলের। এমনকি তাঁদের তিনজনকে টলিপাড়ার ‘থ্রি মাস্কেটিয়ার্স’ বলা হতো। এদিন শুভাশিস পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণায় অনেক কথাই তুলে ধরেন। এমনাকি অভিষেক কতটা রসিক মানুষ ছিলেন তাও জানান। তবে, সবকিছুর পরেও শুভাশিস (Subhasish Mukhopadhay) আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন একটি বিষয়ে। সাক্ষাৎকারেই অভিনেতা বলেন যে শেষবারের মতো তিনি অভিষেককে দেখতে গিয়েছিলেন।

কিন্তু বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। কারণ তাঁর শ্যুটিং ছিল। আর এই প্রসঙ্গেই অভিনেতা খানিকটা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে-অভিষেকের মৃত্যুর দিনে কি ইন্ডাস্ট্রি এদিনের কাজ বন্ধ করে রাখতে পারতো না? এটুকু সম্মান কি মিঠুর প্রাপ্য ছিল না? এরপরই খানিকটা নিজেকে সামলে নিয়ে বলেন যে ক্ষমা করবেন। আমি আর কোনো কিছু বলতে পারছি না।

English Dainikbiswa

চাঁদপুরের হাইমচরে ৪০০ কেজি জাটকা ও পিকআপ ভ্যানসহ আটক ২

 

খুলনার ডুমুরিয়ায় শিল্প কলায়  দু’দিন ব্যাপি যাত্রা উৎসব শুরু হয়েছে

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া  সংবাদদাতা//
 মানুষের অনেক বিনোদনের মধ‍্যে বাঙ্গালীর সাংষ্কৃতির  ঐতিহ্য  যাত্রা পালা। গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় এ যাত্রা কালের বিবর্তনে টিভি স‍্যাটেলাইট  আধুনিকতার সভ‍্যতায় হারিয়ে যেতে বসেছে।  নুতন প্রজম্মদের কাছে যাত্রার বিনোদন তুচ্ছ ও ত‍্যাচ্ছিলের  মতো। মানুষের জীবন ও বাস্তবতার দিক নির্দেশনা জ্ঞান ধারন উপলব্ধি  শিক্ষণীয় যাত্রার  কদর নেই। বাংলার এ সাষ্কৃতি ধারন ও লালন ধরে রাখতে কিছু মানুষের প্রয়াস  যাত্রা শিল্পটি বেচেঁ আছে। বাংলাদেশ শিল্প কলা একাডেমি যাত্রা শিল্পকে  দেশের দৌড় গৌড়ায় পৌছিয়ে দেয়ার লক্ষ‍্যে ১০০ নতুন যাত্রাপালা মঞ্চায়নের কর্মসূচীর হাতে নিয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতা মঙ্গলবার  ১৫ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় ডুমুরিয়া উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি মঞ্চে খুলনার প্রদীপ কির্ত্তণীয়া যাত্রা দলের পরিবেশনায় পালাকার এম,এ মজিদ এর ‘রক্ত স্নাত স্বাধীনতা’ এবং রাত ৯ টায় আদি রং মহল অপেরা পরিবেশনায়  এবং পালাকার কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন এর ‘স্ত্রী দিচ্ছে স্বামীর বিয়ে’ যাত্রা পালা মঞ্চায়ন করা হয়।

চিরচেনা লুঙ্গি-শার্ট নয় , ফটোশুটে মাম্মিক্কার স্মার্ট লুক (ভিডিও)

//দৈনিক বিশ্ব বিনোদন ডেস্ক//

পেশায় দিনমজুর, বয়স ৬০ বছর। পরনে লুঙ্গি আর শার্ট। নিজের এলাকায় এভাবেই পরিচিত কেরালার কোঝিকোড়ের বাসিন্দা মাম্মিক্কা। কিন্তু আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছেন তিনি।

পেশায় একজন দিনমজুর মাম্মিক্কা সম্প্রতি স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ফটোশুট করেছেন তিনি। তবে সেই চিরচেনা লুঙ্গি-শার্ট নয়, ফটোশুটে মাম্মিক্কা একটি পরেছিলেন স্যুট। তার হাতে ছিল আইপ্যাড। স্যুটেড-বুটেড হয়ে মাম্মিক্কার এই লুক তুমুল সাড়া ফেলে নেটদুনিয়ায়।

দিনমজুর মাম্মিক্কাকে আবিষ্কার করেন শারিক ভায়ালিল নামের এক আলোকচিত্রী। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাম্মিক্কার একটি ছবি পোস্ট করেন। মালয়েলি অভিনেতা বিনয়কানের সঙ্গে তার ওই ছবির দারুণ মিল থাকায় ভাইরাল হয়েছিল ছবিটি। এর পর থেকে মাম্মিক্কার জন্য একের পর এক ফটোশুটের প্রস্তাব আসতে থাকে ।

সম্প্রতি মাম্মিক্কার মডেলিংয়ের একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন আলোকচিত্রী শারিক। এরই মধ্যে হাজার হাজার মানুষ ভিডিওটি দেখেছেন।

মাম্মিক্কার এখন একটি ইনস্টাগ্রাম পেজ রয়েছে।  যেখানে তার সাধারণ পোশাকের পাশাপাশি মডেলিংয়ের ছবিও শেয়ার করা হয়েছে। এই ছবিগুলো বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এখন শুধু নিজের শহরে নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচিত হয়ে উঠেছেন মাম্মিক্কা।

নিজের এই জনপ্রিয়তার ব্যাপারে মাম্মিক্কা বলেন, তিনি তার সাফল্যে আনন্দিত। নিয়মিত কাজের পাশাপাশি সুযোগ এলে মডেলিং চালিয়ে যাবেন বলেও জানান তিনি।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

কাঁচা বাদাম।। আমি এখন সেলিব্রিটি, আর বাদাম বিক্রি করব না

জগন্নাথপুর শহরে অভি মেডিক্যাল হল ফার্মেসিতে শাহনাজ পারভীনের খন্ডিত দেহ

কফিহাউজ গানের জন্মকাহিনী আদ্যপান্ত

কফিহাউজ গানটি নিয়ে মান্না দে সবসময় নিজের চেয়েও বেশি কৃতিত্ব দেন গীতিকার সুরকারকে। তিনি শুধু গানটা গেয়েছিলেন মাত্র।
তার মতে, হেমন্ত গাইলে গানটা সুপারহিট হতো আর শ্যামল মিত্র গাইলে তো হিট। তবে মান্নার কণ্ঠে যে গানটি চিরকালীন পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন গানটির সুরকার সুপর্ণকান্তি।
তবে মান্না দে এ গানটির দ্বিতীয় অংশ হিসেবে ‘স্বপ্নের কফি হাউস’ শীর্ষক একটি গান প্রথম গানটির ঠিক কুড়ি বছর বাদে গেয়েছিলেন। কিন্তু রহস্যময় কারণে সেটি শোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বাঙালি।
কফি হাউসের সেই আড্ডাটা গানটির গীতকার গৌরী প্রসন্ন মজুমদারের কথায় সুর দিয়েছিলেন নচিকেতার পুত্র সুপর্ণকান্তি ঘোষ। মান্না দের মতে, গৌরীবাবু লিখেছিলেন দুর্দান্ত।
সুরকার সুপর্ণকান্তি অসাধারণ কাজ করেছিলেন। এই গানটির জন্ম কাহিনীটি বেশ গল্পের মতো।
সময়টা ১৯৮৩ সাল। গীতিকার গৌরী প্রসন্ন মজুমদার তখন আশা ভোঁসলেকে নিয়ে প্রচুর হিট প্রেমের গান লিখে চলেছেন। কিন্তু পূজার গান মান্না দের জন্য তিনি লিখতে পারছেন না। সবই লিখছেন পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে আক্ষেপ ছিল গৌরী প্রসন্নের মনে। এ সময় একদিন নচিকেতা ঘোষের নিউ আলিপুরের বাড়িতে গিয়েছিলেন গৌরী প্রসন্ন। উদ্দেশ্য ছিল শক্তি ঠাকুরকে দিয়ে একটি গান তোলা।
সেই সময় সেরা জুটি ছিলেন নচিকেতা ও গৌরী প্রসন্ন। সেই সূত্রে নচিকেতার ছেলে সুপর্ণকান্তির সঙ্গেও বেশ ভাল সম্পর্ক। তবে বাড়িতে আসার অনেকক্ষণ পরে সুপর্ণকান্তিকে দেখতে পেয়ে গৌরী প্রসন্ন মজা করেই বলেন, `কী বাইরে আড্ডা মেরে সময় কাটাচ্ছ? এর উত্তরে সুপর্ণকান্তি তার গৌরী কাকাকে বলেন, `কী সব গদগদে প্রেমের গান লিখছো। একটা অন্যরকম গান লিখে দেখাও না। এই আড্ডা নিয়েও তো গান লিখতে পারো। `
এবার গৌরী প্রসন্ন বলেন, তুমি তো অক্সফোর্ডের এমএ হয়ে গিয়েছো। আড্ডা নিয়ে বাংলা গান গাইবে? সুপর্ণ এবার বলে, কেন নয়। কফি হাউসের আড্ডা নিয়েও তো একটা গান লিখতে পারো। গৌরী প্রসন্ন এবার বলেন, তোমার বাবা (নচিকেতা ঘোষ) কি আর সে গান গাইবেন? তর্ক চলছে বটে কিন্তু গৌরী প্রসন্ন এরই মধ্যে মনে মনে তৈরি করে ফেলেন দুটি লাইন।
এরপরেই সুপর্ণকান্তিকে বললেন, লিখে নাও- ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই/ কোথায় হারিয়ে গেল সোনালি বিকেলগুলো সেই। ’ সুপর্ণও সঙ্গে সঙ্গে দুটো লাইনেই সুর দিয়ে শুনিয়ে দেন। উপস্থিত শক্তি ঠাকুর সেবার পূজায় গানটা গাওয়ার জন্য অনুরোধ জানালেও সুপর্ণ রাজি হননি। তিনি সঙ্গে সঙ্গেই ঠিক করে নিয়েছিলেন মান্না দের কথা।
কিন্তু গানের বাকি লাইনগুলো? পরের দিন সকালেই গৌরী প্রসন্নের স্ত্রী সুপর্ণকান্তিকে ফোন দিলেন । সারা রাত জেগে বহুদিন পরে গান লিখেছেন অসুস্থ গৌরী প্রসন্ন। তখনই তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত। দু’দিন পরে গানটা নিয়ে হাজির। কিন্তু শেষ স্তবক যোগ করার পক্ষপাতী ছিলেন না গৌরী প্রসন্ন। সুপর্ণকান্তি চান যোগ করুন একটি স্তবক।
শেষ পর্যন্ত রাজি হন। লেখেন দুর্দান্ত সেই লাইন- ‘সেই সাতজন নেই, তবুও টেবিলটা আজও আছে। ’ কিন্তু শেষ তিনটি লাইন তিনি লিখেছিলেন চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার পথে হাওড়া স্টেশনে বসে একটি সিগারেটের প্যাকেটের উল্টো পিঠে। এক চেনা লোকের মাধ্যমে তা পাঠিয়ে দেন সুপর্ণকান্তির কাছে।
তারপর সুপর্ণকান্তির সুরে মুম্বইয়ে গানটি রেকর্ড করেন মান্না দে। তৈরি হয়ে যায় একটা ইতিহাস। তবে কফি হাউসের দ্বিতীয় অংশ হিসেবে পরবর্তী সময়ে ‘স্বপ্নের কফি হাউস’ নামে একটি গান রেকর্ড করেছিলেন মান্না দে। একটি নতুন রেকর্ড কোম্পানিই রেকর্ড করিয়েছিল গানটি। কিন্তু সুপর্ণকান্তি জানিয়েছেন, সেই গানের অরিজিনাল স্পুলটি পাওয়া যায়নি। ফলে অন্য স্পুল দিয়ে কাজ করতে হয়েছিল। নিখিলেশ, মইদুলদের নিয়ে দ্বিতীয় গানটি লিখেছিলেন শমীন্দ্র রায় চৌধুরী। প্রথম গানের স্কেলেই গানটা করেছিলেন মান্না দে। দ্বিতীয় গানটি প্রথমটির থেকেও সুরের বৈচিত্রের বিচারে অনেক ভাল হয়েছিল। কিন্তু কোথায় গেল সেই স্বপ্নের কফি হাউস কেউ জানে না। মান্না দেও হতাশ। তিনি শুধু বলেছেন, বাঙালি তো জানতেই পারল না সেই গানের কথা।
কফি হাউজ নিয়ে মান্না দের দুটি গান আছে।
দুটি গান এখানে তুলে ধরা হল বাংলানিউজ পাঠকদের জন্য…
শিল্পী- মান্না দে
কথা- গৌরী প্রসন্ন মজুমদার
সুর- সুপর্ণ কান্তি ঘোষ
কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই
কোথায় হারিয়ে গেল সোনালী বিকেল গুলো সেই
আজ আর নেই………………………। ।
নিখিলেশ প্যারিসে মইদুল ঢাকাতে নেই তারা আজ কোন খবরে
গ্র্যান্ড এর গীটারিষ্ট গোয়ানিস ডি সুজা ঘুমিয়ে আছে যে আজ কবরে
কাকে যেন ভালবেসে আঘাত পেয়ে যে শেষে পাগলা গারদে আছে রমা রায়
অমলটা ধুক্ছে দুরন্ত ক্যান্সারে জীবন করেনি তাকে ক্ষমা হায়। ।
সুজাতাই আজ শুধু সবচেয়ে সুখে আছে শুনেছি তো লাখপতি স্বামী তার
হীরে আর জহরতে আগা গোড়া মোড়া সে গাড়ী বাড়ি সব কিছু দামি তার
আর্ট কলেজের ছেলে নিখিলেশ সান্যাল বিজ্ঞাপনের ছবি আঁকতো
আর চোখ ভরা কথা নিয়ে নির্বাক শ্রোতা হয়ে ডি সুজাটা বসে শুধু থাকতো। ।
একটা টেবিলে সেই তিন চার ঘণ্টা চারমিনার ঠোঁটে জ্বলতো
কখনো বিষ্ণুদে কখনো যামিনী রায় এই নিয়ে তর্কটা চলতো
রোদ ঝড় বৃষ্টিতে যেখানেই যে থাকুক কাজ সেরে ঠিক এসে জুট্তাম
চারটেতে শুরু করে জমিয়ে আড্ডা মেরে সাড়ে সাতটায় ঠিক উঠতাম। ।
কবি কবি চেহারা কাঁধেতে ঝোলানো ব্যাগ মুছে যাবে অমলের নামটা
একটা কবিতা তার কোথাও হলোনা ছাপা পেলো না সে প্রতিভার দামটা
অফিসের সোসালে এমেচার নাটকে রমা রায় অভিনয় করতো
কাগজের রিপোর্টার মইদুল এসে রোজ কি লিখেছে তাই শুধু পড়তো। ।
সেই সাতজন নেই আজ টেবিলটা তবু আছে সাতটা পেয়ালা আজো খালি নেই
একই সে বাগানে আজ এসেছে নতুন কুঁড়ি শুধু সেই সেদিনের মালী নেই
কত স্বপ্নের রোদ ওঠে এই কফি হাউজে কত স্বপ্ন মেঘে ঢেকে যায়
কতজন এলো গেলো কতজনই আসবে, কফি হাউজটা শুধু থেকে যায়। ।
কফি হাউজ-২
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
নিখিলেশ লিখেছে প্যারিসের বদলে
এখানেই পুজোটা কাটাবে
কী এক জরুরি কাজে ঢাকার অফিস থেকে
মইদুলকেও নাকি পাঠাবে
একটা ফোনেই জানি রাজি হবে সুজাতা
আসবেনা অমল আর রমা রায়
আমাদের ফাঁকি দিয়ে কবেই তো চলে গেছে
ওদের কখনো কি ভোলা যায়?
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
ওরা যেন ভালো থাকে একটু দেখিস তোরা
শেষ অনুরোধ ছিল ডিসুজার
তেরো তলা বাড়িতে সবকিছু আছে তবু
কিসের অভাব যেন সুজাতার
একটাও তার লেখা হয়নি কোথাও ছাপা
অভিমান ছিল খুব অমলের
ভালো লাগে দেখে তাই সেই সব কবিতাই
মুখে মুখে ফেরে আজ সকলের
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
নাম যশ খ্যাতি আর অনেক পুরস্কার
নিখিলেশ হ্যাপি থেকে গিয়েছে
একটা মেয়ে বলে সুজাতা বিয়েতে তার
দুহাত উজার করে দিয়েছে
সবকিছু অগোছালো ডিসুজার বেলাতে
নিজেদের অপরাধী মনে হয়
পার্ক স্ট্রীটে মাঝরাতে ওর মেয়ে নাচে গায়
ইচ্ছে বা তার কোন শখে নয়
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
কার দোষে ভাঙলো যে মইদুল বলেনি
জানি ওরা একসাথে থাকেনা
ছেলে নিয়ে মারিয়ম কোথায় হারিয়ে গেছে
কেউ আর কারো খোঁজ রাখেনা
নাটকে যেমন হয় জীবন তেমন নয়
রমা রয় পারেনি তা বুঝতে
পাগলা গারদে তার কেটে গেছে শেষ দিন
হারালো সে চেনা মুখ খুঁজতে
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
দেওয়ালের রঙ আর আলোচনা পোস্টার
বদলে গিয়েছে সব এখানে
তবুও প্রশ্ন নেই,
যে আসে বন্ধু সেই
আড্ডা তর্ক চলে সমানে
সেই স্বপ্নের দিনগুলো বাতাসে উড়িয়ে ধুলো
হয়ত আসছে ফিরে আজ আবার
অমলের ছেলেটার হাতে উঠে এসেছে
ডিসুজার ফেলে যাওয়া সে গীটার
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই।।
সূত্র:  Facebook/ white politics

অবসট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় মারা গেলেন বাপ্পি লাহিড়ি, কী এই রোগ

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

বিভিন্ন ধরনের স্লিপ অ্যাপনিয়া রয়েছে, তবে সবচেয়ে বেশি যেটি দেখা যায় সেটি হল অবসট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া।

মঙ্গলবার মধ্যরাতে অবসট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অন্য শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন সুরকার ও গায়ক বাপ্পি লাহিড়ি। জানেন কি, কাকে বলে অবসট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া?

অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া হল ঘুম-সম্পর্কিত শ্বাস-প্রশ্বাসের একটি ব্যাধি। এই রোগে ঘুমানোর সময়ে শ্বাস-প্রশ্বাস অনিয়মিত হয়ে যায়। অর্থাৎ শ্বাস কখনও শুরু হয়, কখনও আচমকা বন্ধ হয়ে আসে। বিভিন্ন ধরনের স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, তবে সবচেয়ে বেশি যা দেখা যায়, তা হল অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া। এই রোগে আক্রান্তের গলার পেশি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি শিথিল হয়ে আসে। এই পেশি মুখগহ্বরের টাকরা, আল জিভ, জিহ্বা ও টনসিলের মতো অংশগুলিকে ধরে রাখে। ফলে এই পেশির শিথিলতায় শ্বাস নেওয়ার পথটি রুদ্ধ হয়ে আসে ও ঘুমের সময় আচমকা শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়।

এই রোগের একটি লক্ষণীয় উপসর্গ হল সশব্দে নাক ডাকা। এ ছাড়াও ঘুমের মধ্যেই দম বন্ধ হয়ে আসা, আচমকা ঘুম ভেঙে যাওয়া ও মুখ শুকিয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণও দেখা যায় এই রোগে। বিশেষজ্ঞদের মতে ১০ সেকেন্ডের বেশি এমন অবস্থা থাকলে দেহে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশ কমে যেতে পারে। অতিরিক্ত ওজন, বার্ধক্য উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, শ্বাসনালীর সমস্যা এই রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় অনেকটাই। একটি গবেষণা বলছে, অবসট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ঘুমের মধ্যে মৃত্যু হওয়ার আশঙ্কা সাধারণ মানুষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এই রোগের ফলে ঘুমের মধ্যে হ্রদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায় বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

প্রাণিসম্পদ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, জাতি গঠনে ভূমিকা রাখছে: সালাম মূশের্দী এমপি

বাপ্পী লাহিড়ী সোনার গহনার প্রতি ছিল প্রেম ও ভালবাসা

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

বাপ্পি লাহিড়ির প্রথম ভালোবাসা গান হলেও তার অন্যতম প্রেম সোনার গয়না। গয়নার প্রতি তাঁর ভালোবাসা নজরকাড়া। তার জুয়েলারি কালেকশন যেকোনও গয়নাপ্রেমীর কাছে ঈর্ষণীয়। তবে কেন এতো গয়না পরতে ভালোবাসেন তিনি।

একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন তার গয়নার প্রতি ভালোবাসার কারণ। হলিউডের মিউজিশিয়ান এলভিস প্রেসলির দ্বারা তিনি অনুপ্রাণিত।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘এলভিস প্রেসলি সোনার চেন পরতেন। আমি সেটা খুবই পছন্দ করতাম। সেইসময় আমি ভাবতাম, যখন আমি প্রতিষ্ঠিত হব তখন আমি নিজের একটা আলাদা ইমেজ তৈরি করব। এরপর যখন আমি সফল হই। সোনার কেনার আর্থিক ক্ষমতা অর্জন করি। তখন আমি একের পর এক গয়না কিনি। সোনা আমার জন্য খুবই লাকি।’

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ৬৯ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অসংখ্য বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দেয়া বাপ্পি লাহিড়ি একাধারে ছিলেন গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক ও গায়ক। সংগীতাঙ্গনে তিনি বাপ্পি-দা নামেও সমধিক পরিচিত ছিলেন।

১৯৫২ সালের ২৭ নভেম্বর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে সমৃদ্ধ এক পরিবারে জন্ম বাপ্পি লাহিড়ির। তার ডাক নাম ছিল আলোকেশ বাপ্পী লাহিড়ি। বাবা অপরেশ লাহিড়ি ছিলেন বাংলা সঙ্গীতের জনপ্রিয় গায়ক এবং মা বাঁশরী লাহিড়ি ছিলেন একজন সঙ্গীতজ্ঞ ও গায়িকা। বাবা-মায়ের সান্নিধ্যে থেকেই সংগীতকলায় হাতেখড়ি বাপ্পির।

কয়েকদশক ধরে ভারতীয় সিনেমার সংগীত জগতে রাজ করছেন লেজেন্ডারি সংগীত পরিচালক বাপ্পি লাহিড়ী। বলিউডের রক ও ডিস্কো মিউজিকের প্রবর্তক তিনিই।

১৯৭২ সালে বাংলা ছবিতে হাতেখড়ি হয় বাপ্পি লাহিড়ির। ঠিক তার পরের বছরই বলিউডে ডেবিউ করেন তিনি। তবে বাপ্পির গান নজরে আসে তাহির হুসেন পরিচালিত জখমি ছবিতে। বাকিটা ইতিহাস। ডিস্কো ডান্সার, শরাবি, নমক হালাল, ডান্স ডান্সসহ একাধিক ছবিতে শ্রোতাদের মন জয় করেছেন তিনি।

কিংবদন্তি গায়ক ও সুরকার বাপ্পি লাহিড আর নেই

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

মঙ্গলবার রাতে মুম্বাইয়ের ক্রিটি কেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। খবর জিনিউজের।

খবরে বলা হয়, বেশ কিছুদিন ধরেই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। গত বছর তিনি করোনা আক্রান্ত হন। যদিও সেই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি।

তিনি ১৯৭০-৮০ দশকের শেষের দিকে চলতে চলতে, ডিস্কো ডান্সার এবং শারাবির মতো বেশ কয়েকটি ছবিতে আইকনিক গান পরিবেশনের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তার শেষ বলিউড গান ছিল ২০২০ সালের বাঘি ৩ ভঙ্কাস।

সঙ্গীত জগতে একের পর এক তারকা পতন, লতা মঙ্গেশকরের পরই সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, সেই শোক কাটতে না কাটতেই প্রয়াত সুরকার, গীতিকার বাপ্পি লাহিড়ী। হিন্দি গান থেকে শুরু করে বাংলা গানের জগতে একের পর এক হিট গান উপহার দিয়ে সাধারণের মনে যার সদা উপস্থিতি।

চিকিৎসারত ডাক্তার দীপক নমজোশির বলেন, তিনি এক মাস হাসপাতালে চিকিৎসারত ছিলেন। সোমবাারই দেওয়া হয়েছিল হাসপাতালের পক্ষ থেকে ছুটি। তবে মঙ্গলবারই শারীরিক অবস্থার অবনতী ঘটে, পরিবারের তরফ থেকে ডাক্তারকে বাড়িতেই ডেকে পাঠানো হয়। ডাক্তারের পরামর্শ তৎক্ষণাত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবার। বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সমস্যা থাকায় দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হয়। অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়াতে মৃত্যু ঘটে বাপ্পি লাহিড়ীর। মধ্যরাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় মারা গেছেন

সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের শেষকৃত্যে উপস্থিত থাকবেন মোদি

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ হবে নাকি হবেনা কি বললেন পুতিন

বিএফডিসি নিয়ে সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনের পরিকল্পনা কি…

//বিনোদন প্রতিবেদক//

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন বলেছেন, ‘যদি প্রযোজকদের ফিরিয়ে আনতে না পারি, তা হলে আমার মুখ থাকবে না।’

শনিবার রাতে রাজধানী একটি পাঁচতারকা হোটেলে মিউজিক ভিডিওর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

অনন্য মামুনের পরিচালনায় ‘মায়ায় বেঁধেছ’ শিরোনামে মিউজিক ভিডিওর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন।  এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক নিরব ও প্রযোজক সমিতির সাবেক নেতা কামাল মোহাম্মদ কিবরিয়া।

‘বেদের মেয়ে জোছনা’ খ্যাত তারকা বলেন, ‘আমাদের একসময়ের নামিদামি প্রযোজকরা সিনেমা ছেড়ে চলে গেছেন। শিল্পী সমিতির নির্বাচনের আগে আমি বলেছিলাম— আমরা সবাই মিলে এই জায়গাটাকে এগিয়ে নেব। এখন নির্বাচিত হয়েছি, এখন যদি সেসব প্রযোজককে ফিরিয়ে আনতে না পারি, অন্তত একটি করে সিনেমাও যদি তারা তৈরি না করেন, তা হলে আমার মুখ থাকবে না।’

এ কথা বলেই নির্মাতা অনন্য মামুনকে নতুন কোনো সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিতে আহ্বান জানান এ চিত্রনায়ক।

ইলিয়াস কাঞ্চনের আহ্বানে সাড়াও দেন অনন্য মামুন। জানান, শিগগিরই তার এই নতুন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান তিনটি ছবির ঘোষণা দেবে।

এ সময় নতুন অভিনয়শিল্পীদের প্রতি গুরুত্ব দিতে বলেন ইলিয়াস কাঞ্চন।  বলিউড, টালিউডের উদাহরণ টানেন। বলেন, ‘আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে নতুন নতুন তারকাদের যেভাবে সিনেমায় উপস্থাপন করা হয়, তারা কিন্তু হারিয়ে যান না। সেভাবেই আমাদের চলচ্চিত্রে নতুনদের নিয়ে কাজ করতে হবে। তা হলে আমাদের ভালো ভালো শিল্পী তৈরি হবে, তৈরি হবে ভালো চলচ্চিত্র।’

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

খুবিতে ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সুলতানা কামাল জিমনেশিয়াম নির্মাণের উদ্বোধন

 

জায়েদ খানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন।। বাড়ি ও ক্লিনিক দখলের অভিযোগ 

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে এবার বাড়ি ও ক্লিনিক দখলের অভিযোগ উঠেছে।

সিনেমার শুটিংয়ের কথা বলে হিন্দু পরিবারের বাড়ি ও ক্লিনিক দখল করেছেন জায়েদ খান, এমন অভিযোগ করেছেন পিরোজপুরের সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ গীতা রানী মজুমদার।

জায়েদ খানকে ভূমিদস্যু উল্লেখ করে গীতা রানী ও তার মেয়ে অনন্যার অভিযোগ, সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বিভিন্ন কক্ষে ঢুকে যাবতীয় অর্থ সম্পদ লুটপাট করেন। বর্তমানে তারা পিরোজপুরের সেই বাড়িতে উঠতে না পেরে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব অভিযোগ জানান গীতা রানী মজুমদার।

মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্যে গীতা রানী বলেন, ‘আমার স্বামী ডা. বিজয় কৃষ্ণ হাওলাদার পিরোজপুর জেলা সদরের মাছিমপুর বাইপাস সড়কের পাশে ডায়াগন‌স্টিক সেন্টার আছে। স্বামী সারা জীবনের উপার্জিত অর্থ ও পরিশ্রমে ৪০ শয্যা বিশিষ্ট সার্জিকেয়ার ক্লিনিক অ‌্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি পরিচালনা করে আসছেন। ২০১৬ সালের ২১ মার্চে গভীর রাতে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ওবায়দুল হক পিন্টু, জহিরুল হক মনু ওরফে জায়েদ খান এবং শহীদুল হক মিন্টু আমাদের ভবনে আসেন।  ৫ম তলায় আমরা যেখানে থাকি সেখানে ‌’অন্তরজ্বালা’ সিনেমা শুটিংয়ের কথা বলে জায়েদ খান ও তার ভাইয়েরা আমাদের বিভিন্ন কক্ষে অনধিকার প্রবেশ করে। সেখানে আমাদের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বিভিন্ন কক্ষে ঢুকে যাবতীয় অর্থ সম্পদ লুটপাট করে। অন্যদিকে আমাদের সার্জিকেয়ার ক্লিনিক অ‌্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার জোর করে দখল করে। আমার স্বামীকে আমাদের ক্লিনিকের অ‌্যাম্বুলেন্সে তুলে গুমের উদ্দেশ্যে ঝাটকাঠী গ্রামের এক পুরাতন ভবনে আটক রাখে। পরে তাকে ঝিনাইদহ জেলায় রেললাইনে নির্যাতন করে ফেলে দিয়ে আসে।’

এই ঘটনার চারদিন পর (২৬ মার্চ) পিরোজপুর সদর থানায় এজাহার দায়ের করেন গীতা রানী। যার নাম্বার ২২/৭২।

গীতা রানী বলেন, ‘এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে জায়েদ খান গং আমাকে ও আমার কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে পিস্তল দেখিয়ে ভারতে চলে যেতে হুমকি দেয়। না গেলে আমাদের খুন করা হবে বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ লাইন কেটে দেয়।’

গীতা রানী মজুমদার আরও বলেন, এসব ঘটনায় ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্টমন্ত্রী ও আইজিপি বরাবর বিচার চেয়ে আবেদন করি। বিষয়টি গণমাধ্যমের নজরে আসলে পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশ হলে স্বপ্রণোদিত হয়ে মহামান্য হাইকোর্ট আমাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেন। আমরা এসময় ঢাকায় অবস্থান করি। ঢাকা থেকে পিরোজপুর বাসায় ফিরে দেখি আমাদের ঘর-বাড়ি ভাংচুর করে জায়েদ খান গং সবকিছু ডাকাতি করে নিয়ে গে‌ছে। এ বিষয়ে ২০১৮ সালের ৬ জুন পিরোজপুর সদর থানায় আরেকটা মামলা দায়ের করি, যার নাম্বার ১৮৫/০৮।

গীতা রানী মজুমদারের মেয়ে অন্যান্য হাওলদার বলেন, ‘উনি (জায়েদ খান) এখনও আমাদের বিরক্ত করছেন। কোন আত্মীয় স্বজনকে আমাদের বাড়িতে আসতে দেন না। খারাপ আচরণ করে। তাই আজকে প্রতিকার চেয়ে এই মানববন্ধন।’

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

চাঁদপুরের ফরক্কাবাদ ডিগ্রী কলেজের সন্তোষজনক ফলাফলে প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সুজিত রায় নন্দীর অভিন্দন