Category: সরকারী/বেসরকারী সহযোগীতা
Public / private collaboration
এমপি সালাম মূশের্দী অসুস্থ রোগীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান
//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের সুগন্ধী গ্রামের রাব্বু শেখ এর এক মাত্র মেয়ে জান্নাতী। টাকার অভাবে রাব্বু শেখ তার মেয়ের টিউমার অপারেশন করতে পারছিলেন না।
ডাক্তার বলেছেন, টিউমার অপারেশনটি দ্রুত না করালে পরবর্তীতে ক্যানসার হতে পারে। কোন কুল-কিনারা না পেয়ে, ‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’র কাছে আসলে, তারা বিষয়টি খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী ও তার সহধর্মিণী এনভয় গ্রুপের পরিচালক মিসেস সারমিন সালামকে জানালে, তাৎক্ষণিক ‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’র সদস্যদের মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা প্রদান করেন এবং টিউমার অপারেশনের সকল ব্যয়ভার বহনের আশ্বাস দেন।
বাঁশখালীতে ছনুয়ায় ১৭৮১ পরিবারে ঈদুল আযহার চাল বিতরণ
বাঁশখালীতে ছনুয়ায় ১৭৮১ পরিবারে ঈদুল আযহার চাল বিতরণ
বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হচ্ছে ।
বাঁশখালীর ১৪ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ২৯,০৯৩টি কার্ডের বিপরীতে ২৯০.৯৩ মে.ট. চাল (পরিবার প্রতি ১০কেজি) ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৪ টি ইউনিয়নে ৪৫৬৯টি পরিবারের জন্য ৪৫ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা (পরিবার প্রতি ১০০০) করে প্রদান করা হচ্ছে।
তারই ধারাবাহিকতায় পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে অতি দরিদ্র পরিবারের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ কার্যক্রম বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম.হারুনুর রশিদের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্টিত হয়। এ সময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ট্যাগ অফিসার উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা এম. শহীদ উল্লাহ সিকদার, ইউপি সচিব অরুন জয় ধর, সহ সকল ইউপি সদস্য ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা প্রমুখ।
ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায়চাউল বিতরণকালে চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশীদ বলেন, ‘বর্তমান সরকার গরীব অসহায় লোকজনদের বিভিন্নভাবে সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় ছনুয়া ইউনিয়নে করোনা সহ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থও অসহায় ১৭৮১ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাউল বিতরণ করা হচ্ছে।’ বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় বাঁশখালীতেও প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ভিজিএফ চাউল ও নগদ অর্থ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।
এ কার্যক্রমের আওতায় উপজেলার পৌরসভা ও ১৪ টি ইউনিয়নে ২৯,০৯৩টি কার্ডের বিপরীতে ২৯০.৯৩ মে.ট. চাল (পরিবার প্রতি ১০কেজি) ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৪ টি ইউনিয়নে ৪৫৬৯টি পরিবারের জন্য ৪৫ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা (পরিবার প্রতি ১০০০) করে প্রদান করা হবে।
এদিকে একইভাবে সরল ইউনিয়ন,পৌরসভা, পুঁইছড়ি ইউনিয়ন, শেখেরখীল ইউনিয়ন. চাম্বল ইউনিয়ন, গন্ডামারা ইউনিয়ন, শীলকুপ ইউনিয়ন, বৈঁলছড়ি ইউনিয়ন, কাথরিয়া ইউনিয়ন, কালীপুর ইউনিয়ন, বাহারছড়া ইউনিয়ন,সাধনপুর ইউনিয়ন, খানখানাবাদ ইউনিয়ন,পুকুরিয়া ইউনিয়নে এ সহায়তা প্রদান করা হবে।
।। চট্রগ্রাম প্রতিনিধি।।
ইমামপুর ইউনিয়ন পরিষদে গভার্নমেন্ট রিলিফ (জি.আর) অর্থ বিতরন
ইমামপুর ইউনিয়ন পরিষদে গভার্নমেন্ট রিলিফ (জি.আর) অর্থ বিতরন
মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় ইমামপুর ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ত্রান সহায়তায় গভার্নমেন্ট রিলিফ (জি.আর) প্রকল্পের আওতায় ইউনিয়নটির সরকারি তালিকাভুক্ত মোট ৩৫৪ জন অসহায় ও দুস্থ ব্যাক্তির মাঝে পাঁচশত টাকা করে নগদ অর্থ বিতরন করা হয়।
আজ ১৫ জুলাই দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায় ইমামপুর ইউনিয়ন পরিষদ ৩৩নং সঃ প্রাঃ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। ইউ.পি. সদস্য মো. সেলিম মেম্বার বলেন ইমামপুর ইউ.পি সুযোগ্য চেয়ারম্যান মনসুর আহৃমদ খাঁন জিন্নাহ্’র সরাসরি তত্বাবধায়নে ইউ.পি সচিব হযরত আলী, ইউ.পি সদস্য মান্নান মেম্বার ও শাহ্ আলম মেম্বারের উপস্থিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবিক সহয়তা (জি.আর) প্রকৃত শ্রেনীর মধ্যেই বাস্তবায়ন হচ্ছে। সরকারি সহায়তায় উপকার ভোগি রহিমা বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে জানাই ঈদ মোবারক, আমার পরিবারে দুই জন সদস্য সরকারের দুইটি আলাদা সুবিধা পেয়েছি।আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
//সৈয়দ মোহাম্মদ শাকিল, মুন্সীগঞ্জ//
রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পরিদর্শনে অতি: জেলা প্রশাসক
//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
রূপসা উপজেলায় ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে প্রদত্ত ঘর পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), খুলনা মোছাঃ শাহানাজ পারভীন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রূপসার উপকারভোগীদের সাথে কথা বলেন। উপকারভোগীরা এরকম ঘর পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা আরো জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ঘর পেয়ে তাদের শুধু আবাসস্থলই নিশ্চিত হয়নি বরং তারা খুব স্বাচ্ছন্দে ও নিরাপদে এসব ঘরে বসবাস করছেন। পরিদর্শনকালে ঘরে কোনরূপ ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়নি।
পরিদর্শনকালে রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিম ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আরিফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পেলেন চারশত মানুষ
খুলনার রূপসায় করোনায় কর্মহীন ৪১৬ জন শ্রমিক, মুদি দোকান, অসহায় সহ বিভিন্ন শ্রেণির মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণ বুধবার বেলা ১১টায় রূপসার নৈহাটি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী ভিডিও কনফারান্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে খাদ্যসামগ্রী বিতরণে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনায় অসহায়, দুস্থ, বেকার, শ্রমিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে বিভিন্ন সহায়তা করে যাচ্ছেন। সরকার গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে সবসময় আছে এবং থাকবে।
দেশের কোন জনগণ না খেয়ে থাকবে না। দেশে খাদ্য সংকটের কোন কারণ নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যসামগ্রী মজুদ রয়েছে। করোনা প্রতিরোধে মাস্ক পরিধান, শারীরিক দূরত্ব বজায় এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান। তিনি আর ও বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে সরকার কর্তৃক ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্নআয়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রান্তিক মানুষের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। লকডাউন চলাকালে উপজেলাসমূহে এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মিস্টার বাংলাদেশ আজাদ আবুল কালাম, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল,ফরিদ শেখ, প্রশান্ত দে, ইউপি সদস্য আব্দুল গফুর খান, আলমগীর হোসেন, আশরাফুর রহমান, রিনা পারভীন, রেশমা বেগম, যুবলীগ নেতা বাদশা মিয়া, সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের তরিকুল ইসলাম, আবদুল্লাহ, আরাফাত,খলিলুর রহমান,জাহিদুল, হৃদয়,রিয়াজ,সজল প্রমুখ।
//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
স্বপ্নেও ভাবিনি পাকা ঘর পাব, এখন শান্তিতে আছি’
“আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার” মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশের ন্যায় খুলনার রূপসায় ১ম ও ২য় পর্যায়ে মোট ২৮৭ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য বরাদ্দ করা হয় একটি করে ঘর। দেশের বিভিন্ন জায়গায় যখন আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ নিয়ে চলছে তোলপাড়। সেখানে রূপসায় সেই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর যেন একটা রোল মডেল। গৃহহীনদের জন্য যা স্বপ্নের বাড়ি। চারপাশে ইটের দেয়াল এবং ছাদে লাল, সবুজ ও নীল রঙের টিনের ছাউনি। ভূমিহীনরা কখনো স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি যে তারা জীবনের একটা পর্যায়ে এসে এখন একটি পরিপূর্ণ নতুন ঘর পাবেন। দীর্ঘদিন তারা অন্যের বাড়িতে দুঃখে কষ্টে আশ্রিত ছিলেন। এখন তারা প্রত্যেকে উঠেছেন নিজেদের স্বপ্নের নীড়ে।
সরেজমিন সোমবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘাটভোগ ইউনিয়নের শিয়ালি, আলাইপুর, পুটিমারী ,শ্রীফলতলা ইউনিয়নের পালেরবাজার,আইচগাতি ইউনিয়নের দেয়াড়া ও নৈহাটি ইউনিয়নরে নেহালপুর এলাকায় প্রকল্পের ঘর পরিদর্শন করে দেখা গেছে, দেশের অন্যান্য জেলা-উপজেলার তুলনায় রূপসায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মিত ঘরে এখন পর্যন্ত কোনো অনিয়ম বা সমস্যা দেখা দেয়নি। ঘরে ফাটল কিংবা মেঝের সিমেন্ট উঠে যাওয়ার মতো ঘটনা পরিলক্ষিত তেমন হয়নি। এমনকি ঘর নির্মাণের জন্য বরাদ্দকৃত স্থান নির্ধারণে বেশ রুচির পরিচয় দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। দুই রুম বিশিষ্ট ঘরে রয়েছে একটি রান্নাঘর, টয়লেট। কেউ কেউ শোভাবর্ধনের জন্য ঘরের আঙ্গিনায় লাগিয়েছেন ফুল ও ফলের গাছ। এদিকে অনেক উপকারভোগীরা জানালেন, ঘর পেলেও তারা এখনো বিদ্যুৎ ও পানির সমস্যা রয়েছেন। তারা অতি দ্রুত এই সমস্যা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন। গত ১২ জুলাই প্রকল্পের ঘরের কাজ সরেজমিন পরিদর্শন করে খুলনা জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার। এ সময় তিনি স্থানীয় উপকারভোগীদের সাথে কথা বলে তাদের সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
প্রতিবন্ধী নারগিজ খাতুন বাড়ি রূপসার স্বল্পবাহিরদিয়া গ্রামে। পিতা মাতা মারা যাবার পর ভাইদের অবহেলার পাত্র হয়ে পড়েন নারগিজ। বাড়ি থেকে বের করেদেন তাকে। বঞ্চিত করে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে। হাসপাতাল ছিল তার বাড়ি ।বিধবা বোনের বাড়িতে থাকাবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ঘর উপহারপান। ঘর পেয়ে নারগিজ কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমি প্রতিবন্ধী মানুষ। হাসপাতাল আমার বাড়ি ছিল। আমাকে ঘর দিয়ে মমতাময়ী মা (প্রধানমন্ত্রী) ঋণী করে দিলেন। আমি কখনও ভাবীনি পাকা ঘরে বসবাস করব।
তিনি বলেন, ‘স্বপ্নও দেখেনি কখনও পাকা ঘরে থাকতে পারবো। বড় স্যার আমারে একটা পাকা ঘর দিয়েছে। এখন রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারবো।’
আইচগাতি ইউনিয়নের দেয়াড়া গ্রামের বাসিন্দা শাহানা বেগম। স্বামী মারা যাবার পর ২১ বছর ধরে ৩ কন্যা সন্তান নিয়ে বাবার মাটির ঘরে বসবাস করতে থাকে। অবশেষে ঘর পেলেন শাহানা। ঘর পেয়ে শাহানা আতœহারা।স্বামী হারা নারী কখনও ভাবতে পারেনি মৃত্যুর আগে পাকা ঘরে ঘুমাবে। আজ সে প্রধানমন্ত্রীকে অনেক দোয়া করেন। এছাড়া নৈহাটি ইউনিয়নের বাসিন্দা খুশিনা বেগম বয়স (৫০)। অসুস্থ স্বামী, ২ পুত্র ৪কন্যা নিয়ে তার সংসার। বিবাহের পর শশুর বাড়ির সাথে সর্ম্পক নষ্ট হওয়ার পর রূপসায় বাসা ভাড়া থাকেন।বর্তমানে স্বামী স্ত্রী দুই জনই অসুস্থ। দুইটি মেয়েরা মাছ কম্পানিতে কাজ করেন। ২টা ছেলে ছোট ও ২টা মেয়ে পড়াশুনা করে। আয়ের তেমন কোন লোক নেই। প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাওয়ার খবর পেয়ে খুশিনা বেগম অসুস্থ অবস্থায় বলেন, আল্লাহ শেখ হাসিনাকে তুমি হায়াতদান করুন। আমাদের মত লোকদের পাকা জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তুমি তাকে রক্ষা করিও।তিনি আরও বলেন, খাই বা না খাই,পাকা জায়গাই ত থাকতে পারব। ভাড়ার টাকা ও গুনতে হবে না মাসে।
এসকল মানুষের মত অনেক পরিবার পেয়েছে স্বপ্নের ঘর।এতোদিন সবাই গৃহহীন হয়ে অন্যের বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দিনাতিপাত করে আশ্রিত ছিলেন। এখন তারা প্রত্যেকে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে বেজায় খুশি। তাদের চোখে মুখে যেন হাসির ঝিলিক। মুজিববর্ষে তাদের সকলের ভাগ্যে বদল হয়েছে। স্বপ্নের নতুন ঘর পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তারা প্রত্যেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি একটি পাকা ঘর পাব। কিন্তু শেখের বেটির কারণে আমাদের সেই কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এখন মরার আগে কিছুদিন শান্তিতে বাঁচতে পারব।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ২১৫টি পাকা ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিটি ঘরের খরচ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। প্রথম পর্যায়ে ৭২ ভূমিহীন পরিবার পেয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর এই উপহার। প্রতিটি ঘরের খরচ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। এ ছাড়া প্রতি ১০টি ঘরের জন্য দেওয়া হবে একটি করে টিউবওয়েল এবং বিদ্যুতায়নও করা হবে ঘরগুলো।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গুণগতমান বজায় রেখে গৃহহীনদের একটা মানসম্মত ও টেকসই ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। উপজেলার ২৮৭টি ঘর তৈরী করা হয়েছে। ঘর তৈরিতে কোন অনিয়ম হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গুনগতমান বজায় রেখে ভূমিহীন, গৃহহীন, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের ঘর তৈরি করে দেয়া হচ্ছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে উপহার হিসেবে ইতিমধ্যে সেসব ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। বেশিরভাগ ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। পানিরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে যেসব ঘরে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা এখনো হয়নি তা বাস্তবায়ন করার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের সাথে আলোচনা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তা কার্যকর করা হবে। তাছাড়া উপজেলায় মোট ২৮৭ টি ঘর তৈরী করা হয়েছে। তৈরীকৃত ঘরগুলোতে এখনও পর্যন্ত কোন সমস্যা হয়নি।
//আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
খুলনায় সেনা প্রধান দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন
খুলনায় সেনা প্রধান দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন
খুলনায় সেনা প্রধান দুঃস্থদের ও অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) দুপুরে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে তিনি এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
এ সময় সেনাপ্রধান করোনার এই সংকটময় অবস্থায় সকলকে সরকারের বিধি নিষেধ যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবেলা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান। পরে সেনা প্রধান মহানগরীর শিববাড়ী মোড়ে সেনাবাহিনীর টহল কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরে খুলনা সার্কিট হাউজে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।
এ সময় সেনাপ্রধানের সাথে উপস্থিত ছিলেন ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোঃ নুরুল আনোয়ার, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন, খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাসুদুর রহমান ভূঞাসহসহ স্থানীয় অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকতারা।
দায়িত্ব গ্রহনের পর খুলনা অঞ্চলে নবনিযুক্ত সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের প্রথম সফর এটি।
উল্লেখ্য, সেনাবাহিনীর সদস্যরা খুলনা ও ঢাকা বিভাগের ১১টি জেলায় সাধারণ জনগণের মাঝে কোভিড প্রটোকল নিশ্চিতকল্পে নিয়মিত টহল ও লকডাউন সম্পর্কিত নির্দেশাবলী যখাযথভাবে প্রয়োগে অসামিরিক প্রশাসনের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন কাযক্রম পরিচালনা করছে। ইতিমধ্যে ৫৫ পদাতিক ডিভিশন পাঁচটি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ত্রাণ বিতরণ করেছে।
//আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
বরিশাল জেনারেল হাসপাতালেও করোনা ওয়ার্ড চালু
এমপি সালাম মূর্শেদী তেরখাদায় ৩শত পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
রাণীশংকৈলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে হোসেনগাঁও ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণ
এমপি সালাম মূর্শেদী তেরখাদায় ৩শত পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়ায় গরিব দুঃখী মানুষ যাতে কষ্টে না থাকে তার জন্য সরকার সহযোগিতা অব্যহত রেখেছে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব যতদিন থাকবে, ততদিন আমি তাদের পাশে থেকে সাহায্য সহযোগিতা করে যাব।
কোভিডে যারা ঘর থেকে বের হতে পারছেন না তাদের ঘরে ঘরে খাদ্যসহায়তা সরকার পৌঁছে দিচ্ছে। খাদ্যসামগ্রী স্বচ্ছতার সাথে জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের সমন্বয়ের মাধ্যমে বিতরণ করা করতে হবে।
এই দুর্যোগে কোন অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র পরিবার যেন বাদ না যায় সেদিকে আমাদের নজর রয়েছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও মাস্ক পরিধানে তিনি সকলকে অনুরোধ করেন। এছাড়া তিনি আর ও বলেন, অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।
‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’র মাধ্যমে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ১২ জুলাই তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে ৩ শতাধিক অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

ছাগলাদাহ ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি এস এম দীন ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শারাফাত হোসেন মুক্তির পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, তেরখাদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্চাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক মো: মোতালেব হোসেন, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান এফ এম অহিদুজ্জামান, সাধারন সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান কে এম আলমগীর হোসেন, থানার ওসি তদন্ত মোঃ মোশাররফ হোসেন, ছাগলাদাহ ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খান সেলিম আহমেদ, আ’লীগ নেতা বাছিতুল হাবিব প্রিন্স, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার শামসুল আলম বাবু, যুবলীগ নেতা এস এম বায়জিদ ইসলাম, স্বেচ্চাসেবক লীগ নেতা মঈন উদ্দিন শেখ, এমপির প্রতিনিধি দ্বয় মোঃ বাদশা মল্লিক, মোল্যা ওয়াহিদুজ্জামান ফরিদ, আরিফ হাসান, শেখ মোঃ আনিসুল হক, মোঃ জাহিদুল মৃধা, মোঃ বাদশা মীর, খান ফরাদুজ্জামান সুমন, শেখ হুসাইন আহমেদ, শেখ মোঃ আনারুল ইসলাম প্রমুখ।
//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
’’মানব সেবায় নিজেকে সর্বক্ষণ নিয়োজিত রাখব’’- সালাম মূশের্দী এমপি
