রামপালে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও টিকা গ্রহণে ব্যপক সাড়া

 এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনি ||

রামপালে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে ও সফলভাবে কোভিড টিকা দান কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এ উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে মোট ৬ হাজার টিকা প্রদানের টার্গেট প্রায় পূরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডাক্তার সুকান্ত কুমার পাল।

তিনি জানান, উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের ৭ টি তে ৬০০ টি করে মোট ৪ হাজার ২০০ জনকে, সদর ইউনিয়নে ৫৯০ জনকে, হুড়কা ইউনিয়নে ৪৯০ জনকে এবং বাইনতলা ইউনিয়নে ৫৬৬ জনসহ মোট ৫ হাজার ৮৩২ জনকে কোভিড টিকার ১ম ডোজ প্রদান সম্পন্ন হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে ও মানুষ সতঃস্ফূর্তভাবে টিকা গ্রহন করতে আসেন। সকলের সহযোগিতায় আমরা টিকার ১ম ডোজ সম্পন্ন করতে পেরেছি।

বিশেষ করে স্বাস্থ্য বিভাগ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য /সদস্যাসহ সকলের সহযোগিতার কথা স্মরণ করে তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানান।

টাঙ্গাইলে করোনাভাইরাসের গণটিকা কার্যক্রম শুরু

 //মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি//

সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলে কোভিড-১৯ এর গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার (৭ আগস্ট) সকাল ৯ টায় জেলার ১১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯৮টি ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভার মধ্যে ৩টি পৌর এলাকায় একযোগে এ টিকা কার্যক্রম শুরু করা হয়।

সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে, মুখে মাস্ক পড়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেন্দ্রগুলোতে টিকা নিতে আগ্রহী বয়স্ক নারী-পুরুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। হাতের কাছে টিকা পেয়ে খুশি গ্রামের সাধারণ মানুষ। তবে অনেকেই টিকা নিতে এসে টিকা দিতে না পেরে হতাশা প্রকাশ করছেন। এই টিকা কার্যক্রম চালু রাখার দাবি ও জানান তারা।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা আবুল ফজল মো: সাহাবুদ্দিন জানান, জেলার ১১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯৮টি ইউনিয়নে টিকা দেয়া হচ্ছে। বাকি ১৭টিতে আজ শিশুদের রুটিন টিকা দেয়ার কার্যক্রম থাকায় আগামীকাল সেখানে কোভিড- এর টিকা দেয়া হবে। প্রতিটি ইউনিয়নে আর ১১ টি পৌর সভার মধ্যে টাঙ্গাইল, মধুপুর ও গোপালপুর পৌরসভা এলাকায় কোভিড টিকা দেয়া হচ্ছে।

আজ থেকে শুরু গনটিকা: বরিশালে ১৫১কেন্দ্রে গনটিকা কার্যক্রম

আজ বরিশাল নগরী ও বরিশাল জেলায় ১৫১ কেন্দ্রে গনটিকা কার্যক্রম সকাল ৯ টায় শুরু হয়। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ৬৪ টি কেন্দ্রে ও জেলার ১০টি উপজেলায় ৮৭টি কেন্দ্রে এ টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ২০০ জনকে করোনা টিকা দেওয়া হবে বলে বরিশাল স্বাস্থ্যবিভাগ সূত্রে জানা যায়।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেডিকেল শাখা সূত্রে জানা যায় বরিশাল নগরীর ৬৪ কেন্দ্রের মাধ্যমে ১৮ হাজার নাগরিককে করোনা টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ কার্যক্রম পরিচালনায় স্বাস্থ্যকর্মী সহ২৫০জন সেচ্ছাসেবক নিয়োজিত আছেন।

অপরদিকে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায় আজ থেকে বরিশাল জেলার সকলউপজেলায় মোট ৮৭ টি কেন্দ্রে২৬১টি বুথের মাধ্যমেএকার্যক্রমপরিচালিত হচ্ছে। প্রতিটি বুথে২জনকরে টিকাদান কর্মী নিয়োজিতআছেন এবংতাদের মাধ্যমে প্রতিদিন ২০০ জন নাগরিককে করোনা টিকা দেওয়া হবে।

এজেলায় সিটি কর্পোরেশন ব্যতীত ৫২ হাজার ২০০ জনকে করোনা টিকাদেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে গত ২৪ ঘন্টায় ফের মৃত্যু ও সংক্রমণ বৃদ্ধি

 

রূপসা স্বাস্থ‍্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীদের জন্য ‘বেড’ প্রদান করলেন সালাম মূর্শেদী এমপি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

করোনাকালীন এই সময়ে খুলনা জেলার রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’র মাধ্যমে বুধবার (৪ আগস্ট) কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য ১৬টি ‘

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: শেখ সফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রূবাইয়া তাছনিম, থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম,জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, আজাদ আবুল কালাম।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ডা:সঙ্গিতা চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা আ:মজিদ ফকির,সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, আকতার ফারুক, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, আজিজুল হক কাজল, আজমল ফকির,নাজির শেখ, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার শামসুল আলম বাবু, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখ,যুবলীগ নেতা আশিষ রায়, আবুল কালাম আজাদ, ছাত্রলীগের এস এম রিয়াজ প্রমূখ

 

বিবর্তন যশোর।। হরিজনপল্লীতে বিনামূল্যে টীকা রেজিষ্ট্রেশন

হিন্দু সমাজের জাতিভেদ প্রথার বলির পাঠা হিসাবে খ্যাত দলিত সম্প্রদায়। সামাজিক বিভাজনের কারণে সৃষ্ট দলিত সম্প্রদায় একাবিংশ শতাব্দীর বৈজ্ঞানিক বিপ্লবী সমাজে আজও বিষবৃক্ষের ন্যায় বিরাট মহীরুহ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা আজও সমাজের মূল স্রোতধারায় মিশতে পারেনি। ফলে তাদের জীবনযাপন অতিনিম্নমানের হয়ে থাকে।একজন মানুষ হিসাবে রাষ্ট্রের নিকট থেকে খাদ্য,বস্ত্র,বাসস্থান, শিক্ষা,চিকিৎসা, চিত্তবিনোদনসহ সকল প্রকার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকে। তাদের জীবনটা কাটে অন্ধকার যুগের মানুষের মতো কলোনির করিডরে।

সমাজে প্রচলিত জাতি-ধর্ম-বর্ণ ভেদ প্রথার জন্য দেশের সাধারণ মানুষের থেকে আলাদা হয়ে গেছে দলিত সম্প্রদায়। শুধু সামাজিক কারণে গড়ে উঠা জাতিভেদ প্রথা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন শাসকগোষ্ঠী রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করেছেন। ফলে সামাজিক বর্ণপ্রথার যাতাকল রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যবহার করায় সমাজে তাদের অস্তিত্ব সংকটে ফেলে দেয়।

জাতিভেদাভেদের এই কালো অধ্যায় ইতিহাসের পাতায় দলিত সম্প্রদায়ের চোখের জলের বন্যায় পদ্মা,মেঘনা,যমুনার ফল্গুধারার ন্যায় প্রবাহিত হয়ে যাবে। সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা মহাত্মা গান্ধী দলিতদের মেথর, সুইপার না বলে হরিজন বলার অমোঘ বাণী শুনিয়ে গেলেও সমাজ ও সামাজিকতার স্বীকৃতি দিয়ে যায়নি বলে তারা সমাজের মূলস্রোতধারার সাথে আজও নিজদের অভিযোজিত করে নিতে পারেনি। ফলে দলিতকে মেথর বা সুইপার না বলে হরিজন বলার প্রচলনটা আমাদের সমাজে আজও সোনার হরিণের ন্যায় অধরাই থেকে গেছে।

আর তাই আজও সারাদেশে দোকানে চা, পানি ও খাবার খেতে গেলে আলাদা গ্লাস ও প্লেট নিয়ে যেতে হয় এবং দোকানের বাইরের কোন এক জায়গায় বসে খাবারটা খেয়ে নিতে হয়।

এছাড়াও দক্ষিণ বঙ্গ ও উত্তর বঙ্গে সুইপাররা কোন বাড়ি খাবার খেতে গেলে কলাপাতায় খেতে দেওয়া হয়। সুইপার বা হরিজন সম্প্রদায় সম্পর্কে সমাজের এধরণের অবস্থান পরিবর্তন অতি জরুরি। আর তা না হলে দেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠী যারা আমাদের আশেপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখে তাদের এই অবদানকে শুধু অস্বীকার করাই হবে না বরং একটা পেশাকে অসম্মান করা হবে। আর তাই তাদের সমাজের মূলস্রোতধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহন করা অতীব জরুরি। তারা যদি রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ সুবিধা না পায় তাহলে সরকারের মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জন অনেকাংশে অপূর্ণ থেকে যাবে।

নাটক জীবনের কথা বলে, নাটক সমাজের বিভিন্ন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অসঙ্গতি পরিবর্তনের কথা বলে। আর তাই সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে বিবর্তন যশোরের নাট্যকর্মীরা করোনার এই ক্রান্তিকালে যশোরের রেলস্টেশন এলাকায় গড়ে উঠা সুইপার কলোনিতে বসবাসরত পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য করোনা সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করার সর্বাপেক্ষা বড় হাতিয়ার টীকা নেওয়ার জন্য বিনামূল্যে টীকা নিবন্ধনের কাজ আজ ৩ আগষ্ট-২০২১ রোজ মঙ্গলবার বিকাল থেকে অনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছেন।তারা আজ অর্ধশতাধিক হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষকে টীকার আওতায় আনার জন্যে রেজিস্ট্রেশনভুক্ত করেছেন।

বিবর্তন যশোরের এই কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকবে। উল্লেখ্য ১৫ দিন পূর্বেই বিবর্তন যশোরের কর্মীরা বিনামূল্যে টীকা রেজিষ্ট্রেশনের কাজ নিজস্ব কার্যালয় থেকে শুরু করে চাঁচড়ার রূপদিয়া বিলপাড়া মোড় পর্যন্ত সম্প্রসারিত করেন এবং আগামীকাল সকাল ১১ ঘটিকায় আরও একটি অনাগ্রসর আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল যশোর শহরের বেজপাড়া মেইন রোডস্থ বুনোপাড়ায় বিনামূল্যে করোনা টীকার রেজিস্ট্রেন কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

এছাড়া বিবর্তন যশোর গতবছর করোনা মহামারীর শুরু থেকে সামাজিক সচেতনতা, মাস্ক ও স্যানিটাইজার, খাদ্য ও শিশু বস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজের সাথে নিজেদের সম্পৃক্ত রেখেছেন এবং ২০২১ সালের ২৮ জুন থেকে যখন যশোরের চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল এবং অক্সিজেনের স্বল্পতা দেখা দিয়েছিল তখন করোনা আক্রান্ত রোগীদের বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করে যশোর শহরের বুকে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World

অভয়নগরে কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিনেশনের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

অভয়নগরে পানি নিষ্কাশণের পোল আটকে মাছ চাষ: পানি বন্দি শতাধিক পরিবার

অভয়নগরে কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিনেশনের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

  যশোরের অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিনেশনের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে অভয়নগর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এই আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুর রহমান রিজভী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নারায়ন চন্দ্র পাল, অভয়নগর থানার ওসি একেএম শামীম হাসান, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নজরুল ইসলাম মল্লিক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম ছামদানি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মাসুদ করিম এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিকাশ রায় কপিল, মোহাম্মদ আলী, বিষ্ণুপদ দত্ত ও বাবুল আক্তার, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ তাজ, আইসিটি সম্পাদক তারিম আহমেদ ইমন প্রমুখ।
সভায় স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়- আগামী ৭ আগস্ট তারিখ থেকে একযোগে উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকার দেয়ার কার্যক্রম শুরু হবে এবং নওয়াপাড়া পৌরবাসীর জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা প্রদান করা হবে।
তাছাড়া সুরক্ষা এ্যাপের মাধ্যমে অথবা ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি জমা দিয়ে ১৮বছরের পর থেকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ব্যক্তিরা এই টিকার ডোজ গ্রহণ করতে পারবেন।
 //মোঃ শফিকুল ইসলামপিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

বরিশাল শেবাচিমের অক্সিজেন সংকট: নিরসনের দাবিতে বাসদের বিক্ষোভ

//পলাশ চন্দ্র দাসঃবরিশাল প্রতিনিধি //

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) করোনা ওয়ার্ডে অক্সিজেন সংকট নিরসন করে নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বরিশাল জেলা শাখার উদ্যোগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ডের সামনে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা বাসদ আহ্বায়ক ইমরান হাবিব রুমানের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সদস্য সচিব ডা. মনিষা চক্রবর্তী সহ করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন কয়েকজন রোগীর স্বজনরা। বক্তারা করোনা ওয়ার্ডে অক্সিজেনের ভয়াবহ সংকটের কথা তুলে ধরেন। অক্সিজেনের অভাবে রোগী মারা যাওয়ার অভিযোগ করেন তারা।

বক্তারা অক্সিজেন সংকট সমাধান করে করোনা ওয়ার্ডে নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান। এদিকে করোনা ওয়ার্ডে অক্সিজেন ব্যবস্থাপনায় সংকটের কথা স্বীকার করে হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন

করোনার আতঙ্কের মধ্যে শেবাচিমে ছয়জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি

 //পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল //

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ছয়জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। রবিবার সকালে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ এইচএম সাইফুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসাধীন রোগীরা হলেন একই হাসপাতালে সিনিয়র স্টাফ নার্স নাসিমা বেগমের কন্যা তন্নী আক্তার (২৫), নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের মোকসেদ আলীর পুত্র সাব্বির হোসেন (২১), স্বরূপকাঠি উপজেলার নেছারাবাদ গ্রামের মোঃ আলী (১৯), মুলাদী উপজেলার বালিয়াতলি গ্রামের রহিম হাওলাদারের পুত্র আসাদুজ্জামান (২৪), বানারীপাড়া উপজেলার ধারালিয়া গ্রামের আলী সরদারের পুত্র আব্দুল হাই (৩৭) ও রাজাপুর উপজেলার সন্দীপ মিস্ত্রীর পুত্র সুব্রত মিস্ত্রী। সূত্রমতে, গত ২০ জুলাই সর্বপ্রথম সাদিয়া আফরিন তন্নী জ্বর নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালের মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়। পরীক্ষা- নিরীক্ষা শেষে তন্নী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়। তন্নী ঢাকার মিরপুরে থাকতেন। গত ১৭ জুলাই তন্নী মিরপুর থেকে বরিশালে আসার পর রাতেই সে জ্বরে আক্রান্ত হয়। পরবর্তীতে গত ২২ জুলাই দপদপিয়া গ্রামের সাব্বির হোসেন, ২৪ জুলাই নেছারাবাদ গ্রামের মোঃ আলী ও ২৫ জুলাই বালিয়াতলি গ্রামের আসাদুজ্জামান, ২৮ জুলাই আব্দুল হাই ও সুব্রত মিস্ত্রী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।

আজ থেকে বরিশাল নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ৩০টি কেন্দ্রে গনটিকা কার্যক্রম শুরু

 

করোনা সংক্রামনের হাত থেকে দেশের সকল মানুষকে কক্ষাকল্পে গনতন্ত্রের মানসকন্যা,মানবতার মা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ করোনা টিকা সকল জনগনের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়া।

এই পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নের অভুতপুর্ব নির্দশন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের মাননীয় মেয়র নগর পিতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর দিক নির্দেশনায় গনটিকা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

টিকা সকলের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার লক্ষে পুর্বের ৬ টি কেন্দ্রের পাশাপাশি বরিশাল নগরীর ৩০ টি ওয়ার্ডে ৩০ টি কেন্দ্রের মাধ্যমে করোনা টিকা কার্যক্রম শুরু হয়। সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করে এ টিকা ওয়ার্ড কেন্দ্রে গিয়ে নেওয়া যাবে বলে জানা যায়।

নগর ভবন সূত্রে জানা যায় বরিশাল নগরের কেন্দ্র গুলো হলো, নগর মাতৃসদন, কাউনিয়া বাশেঁর হাট,হলিং বেবী রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল আমানগঞ্জ, সৈয়দ আনোয়ারা প্রবীণ হাসপাতাল কাউনিয়া ব্রাঞ্চ রোড, এনেক্স ভবন, বিসিসি, ডায়াবেটিক হাসপাতাল, রাহাত আনোয়ার হাসপাতাল, ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র, জমির খান সড়ক আালাকান্দা, বরিশাল পুলিশ হাসপাতাল, এফপি এবি,বটতলা, রয়েল ক্লিনিক,ব্রাউন্ড কম্পাউন্ড,সূর্যের হাসি ক্লিনিক,মেজর এম এ জলিল সড়ক, মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র, বিএম স্কুলের সামনে, কালিবাড়ী রোড,আরিফ মেমোরিয়াল হসপাতাল,সেইন্ট এন্স টিকা কেন্দ্র, অক্সফোর্ড মিশন রোড,সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ জাগুয়া,নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বারুজ্জার হাট,বরিশাল ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল কাশিপুর,কাশিপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র।

এ কার্যক্রম সফল বাস্তবায়নে নগর পিতা বরিশালের মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুলাহ নগরের সকলের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন এখন আমাদের উচিত হবে গনতন্ত্রের মানসকন্যা মানবতার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মেনে টিকা গ্রহনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত দুই শিশুকে সিরাজুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের অর্থ সাহায্য

 

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত দুই শিশুকে সিরাজুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের অর্থ সাহায্য

 

ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগত থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত দুই শিশুকে )দুই বোর ) রাহা আক্তার মরিয়ম(৫) ও আরফিন রোজা(৩) এর পাশে আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম ফাউন্ডেশন। (৩০ জুলাই শুক্রবার) বিকেলে রোড কাজীপাড়া এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মরহুমের ভাগিনা জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নাজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো অসহায় সেই পরিবারের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মরহুমের বড় মেয়ে সিনথিয়া বিনতে সিরাজ লুনা, কাতার থেকে এই সহযোগিতা করেন বলে জানান জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নাজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো। বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পঞ্চগড় জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রথম আন্তজার্তিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তিনি ১৯৭০ এর দিকে পঞ্চগড়ের দুই দুই বারের এমপি ছিলেন।

এছাড়াও তিনি বর্তমান রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের বড় ভাই। সিরাজুল ইসলাম ফাউন্ডেশন ও সাংবাকিদের ধন্যবাদ জানিয়ে ওই দুই শিশুর বাবা রাজু ইসলাম বলেন,আমার দুই মেয়ের বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকরা একটি সংবাদ প্রকাশ করে। এরপর সেই সংবাদের মাধ্যমে আজ আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে সিরাজুল ইসলাম ফাউন্ডেশন পরিবারের সদস্যরা।

আমি ধন্যবাদ জানাই তাদের। আজ তাদের দেয়া এই সহযোগিতায় আমার বাঁচ্চাদের চিকিৎসার অনেকটাই এগিয়ে যাবে। নগত অর্থ বিতরণে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াফু তপু,সাংগঠনিক সম্পদক মিঠুন রানা, রহিমানপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক নূর আলম প্রমূখ। মরহুম সিরাজুল ইসলাম এমপির ভাগিনা এ্যাপোলো বলেন,“সাহায্য না পেলে রাহা-রোজাকে বাঁচাতে নিজের কিডনি বেঁচবে বাবা” এমন সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশের পর তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়।

পরে এই সংবাদটি মামা মরহুম সিরাজুল ইসলাম এমপির বড় মেয়ে সিনথিয়া বিনতে সিরাজ লুনাকে অবগত করি। পরে সে আমাদের পারিবারিক ফাউন্ডেশন “বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম ফাউন্ডেশন”এর পক্ষ থেকে ২০ হাজার টাকা সেই পরিবারটিকে দেবার উদ্যোগ গ্রহন করে।

আমি আজ সেটি দিতে এসেছি তাদের মাঝে। সেই সাথে এই শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য যদি পরবর্তীতে কোন সহযোগিতার প্রয়োজন হয় সেটিও করার আশ্বাস দিয়েছি।

 //মাহাবুব আলম,  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নলছিটির বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব আব্দুল কাদের মোল্লা আর নেই