নওয়াপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে আবারো মেয়র নির্বাচিত হলেন-আ’লীগ প্রার্থী সুশান্তকুমার দাস

 

যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সুশান্ত কুমার দাস (শান্ত) ২২হাজার ৯শত ১৮ ভোট পেয়ে বে-সরকারি ভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ৷ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ইসলামী আন্দোলনের হাত পাখা প্রতীকের মো. মহসিন আলী পান-৭হাজার ৮শত ২৭ ভোট ৷ নওয়াপাড়া পৌরসভার মোট ভোটার ৫০,৫০৭জন ৷ ২০১০ ইং- সালের তালিকা অনুযায়ী পুরুষ ভোটার ২৪,৮১৩ জন এবং নারী ভোটার ২৫,৬৯৪ জন ৷ সকাল-৮টা থেকে বিকাল-৪টা পর্যন্ত ৯টি ওয়ার্ডে ইভিএম মেশিনের মাধ্যমে ভোট গ্রহন করা হয় ৷

প্রথমবার ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট নেওয়ায় অনেক ভোটারকে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে ৷ ৯টি ওয়ার্ডে ৩০টি কেন্দ্রে  ৩০জন ইভিএম মেশিনের টেকনোশিয়ান সার্বক্ষণিক কর্মরত ছিলেন ৷ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সুশান্ত কুমার দাস(শান্ত) ছাড়াও মেয়র পদে আরো দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করেছেন ৷

৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে নির্বাচিত কাউন্সিলর হলেন, ১নং ওয়ার্ডের তানভীর হোসেন(তানু) টেবিল ল্যাম্প প্রতীকে পেয়েছেন ১,৪৪১ ভোট, ২নং ওয়ার্ডের মোস্তফা কামাল উট পাখি প্রতীকে ১,২৩৮ ভোট, ৩নং ওয়ার্ডের মো.তালিম হোসেন ডালিম প্রতীকে ২.১১৪ ভোট, ৪নং ওয়ার্ডের আব্দুস সালাম শেখ উট পাখি প্রতীকে ১.৭৩৩ ভোট, ৫নং মিজানুর রহমান মোল্যা উট পাখি প্রতীকে ২,৩২০ ভোট, ৬নং ওয়ার্ডের মো.জাহাঙ্গীর হোসেন বিশ্বাস ডালিম প্রতীকে ১,২২০ ভোট, ৭নং ওয়ার্ডের মো. রেজাউল ইসলাম ফারাজী উট পাখি প্রতীকে ১,২৮৭ ভোট , ৮নং ওয়ার্ডের মো.বিপুল শেখ উট পাখি প্রতীকে ১,৫৭৩ ভোট ও ৯নং ওয়ার্ডের আলহাজ্ব মিজানুর রহমান টেবিল ল্যাম্প প্রতীকে ১,২০৪ভোট ৷

সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ১,২,৩, এর রোকেয়া বেগম বাস প্রতীকে ৪,৫৬৬ ভোট , ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডে শিরিনা বেগম আনারস প্রতিকে ৫,১৬৮ ভোট এবং ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডে রাশিদা খাতুন লিপি চশমা প্রতীকে ৩,৫১৭ ভোট পেয়ে তারা নির্বাচিত হয়েছেন ৷
নয়টি ওয়ার্ডের নির্বাচন কেন্দ্রে আইন শৃৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিল ৷ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এবিষয়ে অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী ও রিটার্নিং অফিসার,মোঃ আমিনুর রহমান বলেন, কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি ভোট খুবই শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

প্রসঙ্গ ভবদহঃ একদিনের বৃষ্টিতে যশোরের বিস্তীর্ণ এ জনপদ আবারও স্থায়ী পানিবিন্দ