এলএসডি : আসক্ত কিনা কীভাবে বুঝবেন, কোনো লক্ষণ আছে কী?

 

এলএসডি : আসক্ত কিনা ? বাংলাদেশে সম্প্রতি এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের জের ধরে সামনে আসে তরুণদের মধ্যে এলএসডি বা লাইসার্জিক অ্যাসিড ডায়েথিলামাইড ব্যবহারের প্রবণতার খবর।

 

পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই শিক্ষার্থী বন্ধুদের সাথে মাদক এলএসডি সেবন করে একজন ডাব বিক্রেতার দা নিয়ে নিজেই নিজের গলায় আঘাত করেন।

 

এই ঘটনার তদন্তের জেরে পুলিশ আরো যেসব তথ্য দেয় তা হচ্ছে, বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি চক্র এই মাদক কেনাবেচার সাথে জড়িত। এছাড়া অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এই মাদক বিক্রির তথ্যও জানানো হয়।

 

 

এদিকে মাদক বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলএসডি গ্রহণ করে ভুল রাস্তা দেখে দুর্ঘটনার শিকার হওয়া, বাড়ির জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়া বা অহেতুক আতঙ্কিত হয়ে দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার বেশ কিছু ঘটনা নথিবদ্ধ রয়েছে।

 

এলএসডি কী?

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনস্থ মাদক বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ড্রাগ অ্যাবিউজের তথ্য অনুযায়ী, ডি-লাইসার্জিক অ্যাসিড ডায়েথিলামাইড বা এলএসডি রাসায়নিক সংশ্লেষণের মাধ্যমে তৈরি একটি পদার্থ যা রাই এবং বিভিন্ন ধরনের শস্যের গায়ে জন্মানো এক বিশেষ ধরনের ছত্রাকের শরীরের লাইসার্জিক অ্যাসিড থেকে তৈরি করা হয়।

 

এটি স্বচ্ছ, গন্ধহীন একটি পদার্থ। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের মতে এটি পাউডার, তরল, ট্যাবলেট বা ক্যাপসুলের আকারে পাওয়া যায়।

 

সংস্থাটির মতে, এটি মানুষের মস্তিষ্কের সেরোটোনিন নামক রাসায়নিকের কার্যক্রম প্রভাবিত করে ব্যবহার, অনুভূতি ও পারিপার্শ্বিকতা সম্পর্কে ধারণা পরিবর্তন করে।

 

এলএসডি নেয়ার পর সাধারণত মানুষ ‘হ্যালুসিনেট’ করে বা এমন দৃশ্য দেখে যা বাস্তবে নেই। অনেক সময় অলীক দৃশ্য দেখার কারণে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে থাকে মানুষ।

 

তবে কেউ এলএসডি ব্যবহার করছে কিনা তা বোঝার উপায় সম্পর্কে নানা ধরনের মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা: মেখলা সরকার বলেন, ইয়াবা বা হেরোইনের মতো মাদক দ্রব্যের তুলনায় এলএসডিতে আসক্তিকর উপাদান (অ্যাডিক্টিভ প্রোপার্টি) কম থাকে। তবে তার মানে এই না যে, এতে আসক্তি তৈরি হয় না। একাধিকবার বা দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করতে থাকলে এলএসডির প্রতিও আসক্তি তৈরি হয়।

 

তবে ব্যক্তিভেদে এই আসক্তির মাত্রা বা এলএসডির প্রতিক্রিয়া আলাদা হয়।

 

তিনি মনে করেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যারা মাদক হিসেবে এলএসডি গ্রহণ করেন তারা একক মাদক হিসেবে একে গ্রহণ করেন না। বরং অন্য মাদকের সাথে সাথে এলএসডিও গ্রহণ করে থাকেন। তাই অন্য মাদকদ্রব্যে আসক্তির কারণে যে ধরনের বৈশিষ্ট্য ব্যবহারকারীর মধ্যে দেখা যায় এলএসডির ক্ষেত্রেও বৈশিষ্ট্য অনেকটা একই রকম হয়।

 

আবার অনেকেই নিয়মিত গ্রহণ না করে বরং মাঝে মাঝে বা কৌতূহলবশত এলএসডি ব্যবহার করে থাকেন। সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে আলাদা করে কোনো বৈশিষ্ট্য তৈরি হয় না।

 

তিনি বলেন, মানুষ মাদক গ্রহণ করতে থাকলে তার শরীরে এক ধরনের সহনশীলতা তৈরি হয়। অর্থাৎ আগে কোনো মাদক যে পরিমাণ গ্রহণ করলে যতটা নেশা হতো পরবর্তীতে হয়তো ওই একই মাদকে আর সেই আগের মতো নেশা হচ্ছে না। তখন আসক্ত ব্যক্তি অন্য মাদক দ্রব্যের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। এলএসডিও ওই ধরনের মাদকদ্রব্য বলে মনে করেন তিনি।

 

তিনি বলেন, যারা এলএসডি ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে নানা ধরনের হ্যালুসিনেশন হয়ে থাকে। তার হয়তো মনে হয় যে সে এমন কোনো রং বা ঘটনা দেখছেন যা আসলে বাস্তবে নেই। এছাড়া নানা ধরনের শব্দও শুনতে পান বলে জানান তিনি।

 

তবে কেউ যদি অন্য মাদকের পাশাপাশি এলএসডি’র আসক্তিতেও ভোগেন তাহলে তার মধ্যে নানা ধরনের বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-

 

১. অস্বাভাবিক আচরণ

জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ উপদেষ্টা কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. অরুপরতন চৌধুরী বলেন, এলএসডি গ্রহণের পর এর কার্যকারিতা সাধারণত ৩-৪ ঘণ্টা পর্যন্ত থাকে। তবে অনেক সময় এটি ২০ ঘণ্টা পর্যন্তও কার্যকর হতে পারে।

 

তিনি বলেন, এই সময়ে ব্যবহারকারীরা নানা ধরনের অস্বাভাবিক আচরণ করে থাকে। অনেক সময় মানুষ আত্মঘাতীও হয়ে উঠতে পারে। এ ধরণের বৈশিষ্ট্য যদি পরিবারের কারো মধ্যে দেখা যায় তাহলে সেক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে এবং প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

 

তিনি বলেন, যারা এলএসডিতে আসক্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের মধ্যে আক্রমণাত্মক হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে খুব ছোট ঘটনায়ও সহিংস হয়ে উঠতে পারেন তারা।

 

২. ক্ষুধামন্দা

এলএসডিতে আসক্ত হলে তাদের মধ্যে ক্ষুধামন্দা দেখা দেয় বলে জানান অরুপরতন চৌধুরী।

 

৩. ঘুমের সমস্যা

ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন এর তথ্য অনুযায়ী, এলএসডিতে আসক্তদের মধ্যে ঘুম নিয়ে ব্যক্তিভেদে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। অনেকের মধ্যে চরম মাত্রায় অনিদ্রা দেখা দেয়। তবে অরুপরতন চৌধুরী জানান, অনেকের মধ্যে অতিরিক্ত ঘুমের বৈশিষ্ট্যও দেখা দেয়। কোনো ধরনের কারণ ছাড়াই ঘুমাতে থাকেন অনেকে।

 

ডা: মেখলা সরকার বলেন, যারা আসক্তিতে ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, রাতের বেলা তারা না ঘুমিয়ে জেগে থাকেন আবার দিনের বেলা ঘুমিয়ে থাকেন।

 

৪. শারীরিক পরিবর্তন

অরুপরতন চৌধুরী বলেন, এলএসডিতে আসক্তদের যেসব শারীরিক পরিবর্তন ঘটে তার মধ্যে রয়েছে, চোখের মণিতে পরিবর্তন বিশেষ করে বড় হয়ে যাওয়া, শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হওয়া, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।

 

এছাড়া এলএসডি সেবনের পর অনেক ব্যবহারকারীর শ্রবণ এবং দর্শন ইন্দ্রিয় বেশি সক্রিয় হয়ে যায় বলেও জানান তিনি। এ কারণেই অনেক সময় যারা দীর্ঘক্ষণ ধরে গান করেন তারা এই মাদক গ্রহণ করে থাকেন বলে জানান তিনি।

 

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের তথ্য মতে, এলএসডি গ্রহণের কারণে দেহে অতিরিক্ত ঘামও হয়ে থাকে।

 

৫. জীবনযাত্রায় পরিবর্তন

ডা: মেখলা সরকার বলেন, মাদকে আসক্তির ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, ব্যবহারকারীর জীবনযাত্রায় নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে। তিনি হয়তো কারো সাথে মিশতে চাইছেন না বা বন্ধু বান্ধবের পরিমাণ কমে যেতে দেখা যায়।

 

অনেক সময় আবার এর বিপরীতও দেখা যায়। আগের বন্ধুদের সাথে না মিশলেও নতুন করে বন্ধুও তৈরি হতে পারে। আর্থিক চাহিদা আগের তুলনায় বেড়ে যেতে পারে। নিজের প্রতি যত্ন নেয়ার বিষয়ে উদাসীনতা দেখা দেয়া, ক্লাসে ফাঁকি দেয়ার মতো বৈশিষ্ট্য দেখা যেতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।

 

মাদকাসক্তি বিষয়ক গবেষক ও ঢাকার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. এম ইমদাদুল হক বলেন, অনেক সময় দেখা যায় যে, সন্তানরা বাবা-মা থেকে আলাদা হয়ে পড়ছে বা তারা জীবন যাপনের ক্ষেত্রে ইচ্ছে করেই একাকী হয়ে পড়ছে। সে ক্ষেত্রে এলএসডির মতো আসক্তি ধরাটা কঠিন। সেক্ষেত্রে বাবা-মাকে সন্তানের সাথে দূরত্ব কমিয়ে আনতে হবে।

 

তিনি মনে করেন, ঘুমের সমস্যা বা খাবারের অরুচি, নতুন বন্ধু তৈরি মানেই কেউ মাদকাসক্ত নয়। সন্তানদের প্রতি যাতে বাবা-মা অযাচিতভাবে সন্দেহের আওতায় নিয়ে না আসে সেদিকেও লক্ষ্য রাখাটা জরুরি। আর এ কারণেই বাবা-মা এবং পরিবারের সদস্যদের সচেতন থাকতে হবে।

সূত্র : বিবিসি

 

//অনলাইন নিউজ//

Dainik Biswa

যুবসমাজের শারীরিক-মানসিক বিকাশে খেলার বিকল্প নাই : সালাম মূর্শেদী

 

কুমিল্লায় ২৯ কেজি গাঁজা, ১ টি প্রাইভেটকারসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

কুমিল্লায় ২৯ কেজি গাঁজা এন এর একটি বড় গ্যাং আটক হয়েছে। সারাদেশে মাদকদ্রব্য চোরাচালানের যে ভয়াবহতা লক্ষ করা যাচ্ছে তাতে মনে হয় আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকই গিলে খাবে। প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও মাদকদ্রব্যসহ মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের কাছে গ্রেফতার হচ্ছে কিন্তু মনে হচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীরা যেন চক্রাকারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আজও কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি বিশেষ টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন বিভিন্ন জায়গায় ৩ টি বিশেষ পরিচালনা করে-

১. ১ টি পুরাতন সাদা প্রাইভেটকারসহ পলাতক আসামি জাকির হোসেন/বাইট্টা জাকির(৪৮) ও ঢাকা মেট্রো- খ-১১-৪৩৬৩ এর ড্রাইভার ও অজ্ঞাতনামা আরো ২ জনের ফেলে যাওয়া ২৫ কেজি গাঁজা,

২. মোঃ বশির(৪৮) ও মোঃ সোহেল (১৯) -এর নিকট থেকে ২ কেজি গাঁজা এবং

৩. আব্দুল হক সাগর(৩৫) এর নিকট হতে ২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করেন।

উক্ত অভিযান পরিচালনা করে সর্বমোট ২৯ কেজি গাঁজাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করে ব্রাহ্মণ পাড়া থানায় মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় পৃথকভাবে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে শুধু পুলিশ প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলল হবে।মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে হবে আর তা হলে হয়তো মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।আর তা-না হলে এই ধরনের মাদকের চালান আসতেই থাকবে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুরের কাজল বাহিনী জমি দখল বানিজ্য বহাল : গ্রামের লোকজন জিম্মি

২০ কেজি গাঁজা, ফেনসিডিল ও একটি Axio কারসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

 বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সুনামি পূর্বের থেকে কিছুটা নিম্নমূখী হলেও সারা বাংলাদেশে যেন বইছে মাদকের বাঁধ ভাঙা জোয়ার।

অপ্রতিরোধ্য মাদকের জোয়ারের বিরুদ্ধে সারাদেশে করোনা যুদ্ধের সাথে সাথে সমান তাল মিলিয়ে চালানো হচ্ছে মাদকের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান।

তারই ধারাবাহিকতায় আজ কুমিল্লা জেলার গোয়েন্দা শাখা ০২ টি পৃথক অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী ১.রৌছমত আলী ও ২.মোহম্মদ রাসেলকে। কোতোয়ালি মডেল থানার উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের বরদৈন গ্রাম থেকে ও ৫০ বোতল ফেনসিডিল ও একটি Axioকারসহ মাদকব্যবসায়ী ৩. সাইফুল ইসলাম, ৪. জাকারিয়া হোসেন ও ৫. মারুফ হোসেনকে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানাধীন আলেখারচর বিশ্বরোডস্থ নিউ মিয়ামি হোটেলের সামনে থেকে গ্রেফতার করেন।

অব্যাহত অভিযানে উদ্ধার করা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ও গ্রেফতার হচ্ছে মাদক ব্যবসায়ী।সাথে সাথে থানায় হচ্ছে মাদকব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে আইনে পৃথক পৃথক মামলা তবুই যেন বাঁধ মানছে না মাদক চোরাচালানি।

//নিজস্ব প্রতিবেদক।স্বীকৃতি বিশ্বাস//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

স্বর্নের বার সহ আটক…

 

৪ কেজি গাঁজা সহ রূপসার মহিলা মাদক ব্যবসায়ী শার্শায় আটক

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামি মোকাবেলায় যশোর জেলা পুলিশের টীম যেমন কাজ করছে ঠিক একই সাথে যশোর জেলাকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছে পুলিশের বিশেষ টীম।

তারই ধারাবাহিকতায় ৫ এপ্রিল-২০২১ রোজ বুধবার ২ঃ৪৫ ঘটিকায় যশোরের পুলিশের একটি চৌকস টীম শার্শা থানার রামচন্দ্রপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে আসামি মোছাঃ নাজমা খাতুন পিতা/ স্বামী- মোঃ ফারুক মোল্যা, গ্রাম- রাজাপুর, থানা- রূপসা,  ৪ কেজি গাঁজা যার বাজার মূল্য ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকাসহ গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় শার্শা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

এস.এম.মাহফুজুর রহমান মারা গেছেন…

১০ কেজি গাঁজা ও ১ টি ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক সহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 সারাদেশে বৈশ্বিক মহামারী করোনার বিরুদ্ধে ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে জেলা ও পুলিশ প্রশাসন।

কিন্তু এই লকডাউনের মধ্যেও থেমে নেই মাদক ব্যবসায়ীদের চোরাচালান। মাদক ব্যবসায়ীরা লকডাউনকে পুঁজি করে মাদকদ্রব্য চোরাচালান করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাদের এই সুযোগকে সুচারুভাবে প্রতিহত করার জন্য সমগ্র দেশের জেলা পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় অব্যাহতভাবে চালু আছে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান।

তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা আজ কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানার আমড়াতলী ইউনিয়নের পেয়ারতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজা ও ১ টি ব্যাটারি চালিত ইজিবাইকসহ মাদক ব্যবসায়ী ১. চারু মিয়া ২. পুতুল আক্তার ও ৩. চামেলি বেগমকে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আরও পড়ুন…

৯২ বোতল ফেনসিডিল, ৪০০ পিচ ইয়াবা ও ১২ ক্যান বিয়ারসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

দেশে বৈশ্বিক মহামারী করোনার সুপার পাওয়ার সুনামির মধ্যে থেমে নেই মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক চোরাচালানের কারবারি। মাদক ব্যবসায়ীরা যেন হিংস্র দানবের ন্যায় মাদকদ্রব্য চোরাচালান করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

আটক কৃত মাদকদ্রব্য

কিন্তু তাদের এই অপ্রতিরোধ্য গতিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে থামিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। আজ ২৫ এপ্রিল -২০২১ রোজ রবিবার কুমিল্লা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় দাউদকান্দি সার্কেল ও দাউদকান্দি মডেল থানার ইনচার্জসহ পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ এলাকা হতে – ১. মোঃ আশিকুর রহমান ভূইয়া আশিক(৩২) পিতা- এনামুল হক ভূইয়া, শাসনগাছা মহাজনপাড়া,কোতোয়ালি, কুমিল্লা ও ২. রমযান প্রকাশ রানা(৩১), পিতা- ফজলুল হক, সাতরা, কোতোয়ালি, কুমিল্লা।

এই দুই জন চিহ্নিত কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীকে ৯২ বোতল ফেনসিডিল, ৪০০ পিচ ইয়াবা ও ১২ ক্যান কিংফিশার বিয়ারসহ আটক করেন। উল্লেখ থাকে যে, আটককৃত আশিকের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও ডাকাতির প্রস্তুতিসহ মোট ০৪ টি ও রানার বিরুদ্ধে মাদকের দুটি মামলা রয়েছে।

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আরও পড়ুন…

বিশুদ্ধ পানির জন্য যোগাযোগ করুন..

মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে ৪৩ কেজি গাঁজাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

করোনার বৈশ্বিক মহামারী নিয়ন্ত্রণে সমগ্র বাংলাদেশে কঠোর লকডাউন পরিচালিত হচ্ছে। তেমনি সাথে সাথে সারাদেশে মাদকের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালিত করে দেশকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে অব্যাহত অভিযান চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ২১ এপ্রিল-২০২১ রোজ বুধবার কুমিল্লা জেলার গোয়েন্দা শাখা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী-০১.আমিনুর রহমান সজীব(২০) পিতা- বাবুল মিয়া,গ্রাম- জিরুইন( পশ্চিম পাড়া),থানা- ব্রাহ্মণপাড়া,জেলা- কুমিল্লা ও ০২. মোঃ শরীফ মিয়া(২৩) পিতা- চারু মিয়া,গ্রাম- লড়িবাগ,থানা- বুড়িচং,জেলা- কুমিল্লাদ্বয়কে ৪৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করে যার বাজার মূল্য ০৪ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। উল্লেখ করোনার বিরুদ্ধে যেমন সম্মিলিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে ঠিক একইভাবে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

// নিজস্ব প্রতিবেদক//

ফেনসিডিল ও একটি প্রাইভেটকারসহ গ্রেফতার ০২

 

সমগ্র দেশের জনগণ যখন করোনার সাইক্লোনে জর্জরিত হয়ে লকডাউনের কারণে গৃহবন্দী তখনও একটি অসাধু মাদক ব্যবসায়ী সুযোগের সমূহ সম্ভাবনা মনে করে মাদকদ্রব্য চোরাচালানে ব্যস্ত।

কিন্তু হিতে বিপরীত। বাংলাদেশ পুলিশ একদিকে যেমন করোনার কারণে লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছে ঠিক একইভাবে মাদক ও চোরাচালান মুক্ত রাখারও কাজ করছে।

আজ ১৭ এপ্রিল-২০২১ রোজ শনিবার বিকাল ২ঃ৩০ মিনিটে নাভারণ সার্কেল ও শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে শার্শা থানার শার্শা গ্রামের পল্লীবিদ্যুত অফিসের সামনে অভিযান পরিচালনা করে ১. মোছাঃ রোকসানা বেগম (২৮) স্বামী – মোঃ মাসুদ মোল্ল্যা( ড্রাইভার পাড়া,বৌবাজার) ও ২. মোঃ বিল্লাল হোসেন (৩২) পিতা- মৃত শহীদুল্লাহ খান গ্রাম-গুয়াখোলা থানা- অভয়নগর, জেলা – যশোরদ্বয়কে ৭৫ বোতল ফেনসিডিল ও একটি প্রাইভেটকারসহ গ্রেফতার করেন।

উক্ত বিষয়ে শার্শা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

// নিজস্ব প্রতিবেদক //

র‍্যাব-৬ ফেন্সিডিলসহ ১ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে

 

‍র‍্যাব -৬  সাতক্ষীরা ক্যাম্প এর একটি  দল গোপন সংবাদে অভিযান চালিয়ে ১৫ এপ্রিল সন্ধ‍্যায় ২৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে।

র‍্যাব-৬জানায়, সাতক্ষীরা জেলার সদর থানাধীন ভাদরা গোডাউনমোড় এলাকায় কতিপয় ব্যক্তি মাদক দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে আভিযানিক দলটি বৈকারী  ইউনিয়ন এর  মিরগীডাঙ্গা বাজারস্থ ফারাবী সেন্টার এন্ড হার্ডওয়ার দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে।

তারা  র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে জনৈক ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টাকালে সাতক্ষীরা জেলার ঘোনা গ্রামের মৃত জালাল গাইনের ছেলে  মোঃ জাহিদুল ইসলাম (২২) কে গ্রেফতার করে।

তার নিকট থেকে ২৭ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক বিক্রির নগদ ৫০০/ টাকা উদ্ধার  করা হয়।

পরে তাকে সাতক্ষীরা জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করতঃ তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়।

 //আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

বাগেরহাট মোল্লাহাটে ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক -র‍্যাব -০৬

 

বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাটের মোল্লাহাটে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-০৬, খুলনা।

মোল্লাহাট উপজেলার মাদারতলী এলাকার সপ্তপল্লী সার্বজনিন রক্ষাকালী দূর্গামন্দিরের দক্ষিন পাশে অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়।

এসময় আটককৃতদের কাছ থেকে ২৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে র‌্যাব সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) দুপুরে র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল রওশোনুল ফিরোজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

আটককৃতরা হলেন: মোল্লাহাট উপজেলার বড়গাওলা গ্রামের মোঃ ইসাহাক ফকিরের ছেলে আঃ রহিম ফকির(৩১) এবং মাদারতলী গ্রামের মোঃ জাবেদ ফকিরের ছেলে আঃ আলীম (৩৫)। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের পূর্বক মোল্লাহাট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

// এ এইচ নান্টু,  স্টাফ রিপোর্টার //