পীরগঞ্জে ইএসডিও মাইক্রোফিন্যান্স কর্মসূচির উদ্যোগে অক্সিজেন কনসেনট্রেট হস্তান্তর

মাহাবুব আলম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জে ২৪ জুলাই শনিবার বেলা ১২ টার দিকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সভা কক্ষে ইএসডিও মাইক্রোফিন্যান্স কর্মসূচির উদ্যোগে কোভিড- -১৯ মোকাবেলায় ১ লক্ষাধিক টাকা মূল্যমানের ১টি অক্সিজেন কনসেনট্রেট, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আক্তারুল ইসলামক, নিবার্হী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স টি এইচ ডাঃ আব্দুল জব্বার, ইএসডিও সিনিয়র কোডঅর্ডিনেটর আমিনুল ইসলাম, ইএসডিও মাইক্রোফিন্যান্স অফিসার, মামুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নান্নু। এছাড়াও ইএসডিওর কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুুুষ্ঠান পরিচালনা মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন(ইএসডিও) কোডঅর্ডিনেটর মাহবুব হোসেন,এসময় বক্তারা বলেন, অন্যান্য সামাজিক সংগঠন এবং সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিরাও করোনা প্রতিরোধে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিবেন বলে আশা করা যায়।

গাজীপুরে পোশাক কারখানা চালু রাখায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায়

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

মহামারী করোনার দ্বিতীয় টেউ মোকাবিলা করতে সারাদেশে ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগষ্ট পর্যন্ত কঠোরতম লকডাউন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে গাজীপুর জেলা প্রশাসন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ২৪ জুলাই-২০২১ রোজ শনিবার কঠোরতম লকডাউন বাস্তবায়নে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অনুমোদন বিহীন যানবাহন বাহন চলাচল করতে না দেওয়া,বিধিনিষেধ পালনে অনীহাকারীদের অর্থদন্ড ও গাজীপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

একই সময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে কাশিমপুর এলাকার “ নরবান কমটেক্স লিমিটেড ” পোশাক কারখানায় গিয়ে দেখতে পান বাইরে থেকে তালা দিয়ে কারখানাটির কয়েকটি ইউনিটে পোশাক উৎপাদনের কাজ চলছে। আর তাই সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কারখানা চালু রাখায় দায়ে কারখানার মালিককে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায়সহ কারখানাটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য যতদিন কঠোরতম লকডাউন চলমান থাকবে ততোদিন এধরণের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

 

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

লঘুচাপের প্রভাবে রামপালের নদীতে ২১ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি

চট্টগ্রামে গত ৪ দিনে করোনায় ১৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৯৭০

চট্টগ্রামে গত ৪ দিনে  মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরো ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরো ১৯৭০ জন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত বরণকারীর সংখ্যা হচ্ছে ৮৭৪ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭৪ হাজার ৫৬২ জন। গত চার দিনে (বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন হতে এ তথ্য পাওয়া যায়।

প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, গত চার দিনে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ল্যাবে ৭ হাজার ৫৫২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ১৯৭০ জনের দেহে নতুন করে করোনা সনাক্ত হয়। তৎমধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ৫৪১ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২১৫ জন, বিআইটিআইডি ল্যাবে ৩৪৫৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫১৫ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ল্যাবে ৮২২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৪১ জন, সিভাসু ল্যাবে ৩১১ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৮৭ জনের দেহে করোনার জীবাণু সনাক্ত হয়েছে।
তা ছাড়া কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে চট্টগ্রামের ২৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জন, এন্টিজেন টেস্টে ৩২৮ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৩১ জন, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৪৪০ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬৭ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৯২ জন, জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল ল্যাবে ৬১ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৩ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল সেন্টার ল্যাবে ১৮৪ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫৮ জন, ইপিক হেলথ কেয়ার ল্যাবে ১৪৯ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮৫ জন, সেভরন হাসপাতাল ল্যাবে ৯৮০ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৪৩ জনের দেহের করোনা সনাক্ত হয়েছে।

আক্রান্তদের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে সংখ্যা হচ্ছে রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ৯ জন, রাউজানে ৯৬ জন, ফটিকছড়িতে ১০৬ জন, হাটহাজারীতে ১৫৩ জন, সীতাকুন্ডে ৪১ জন, মিরসরাইতে ২৯ জন, সন্দ্বীপে ১৯ জন, লোহাগড়ায় ২২ জন, সাতকানিয়ায় ২০ জন, বাঁশখালীতে ১০ জন, আনোয়ারায় ২৪ জন, চন্দনাইশে ৩১ জন, পটিয়ায় ১৭ জন এবং বোয়ালখালীতে ৩৪ জন রয়েছেন।
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, চার দিনে চট্টগ্রামে ৭ হাজার ৫৫২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৯৭০ জনের দেহে করোনা সনাক্ত হয়েছে।

চট্টগ্রামে মোট সনাক্তের পরিমান ৭৪ হাজার ৫৬২ জন, গত চার দিনে চট্টগ্রামে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৮৭৪ জন করোনায় আক্রান্ত রোগি মৃত্যুবরণ করেছেন।
// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা প্রদান

 

বরিশালে পালিত হচ্ছে সাদা-মাটা লকডাউন

বরিশালে লকডাউনের দ্বীতিয় দিনে সাদা মাটা ভাবে পালিত হচ্ছে লগডাউন। একমাত্র দূরপাল্লার যাত্রীবাহি বাস ও লঞ্চ ছাড়া বরিশাল – ঢাকা মহাসড়কে বিভিন্ন পণবাহি যানবাহনে ও মোটর সাইকেলে চড়ে ঢাকাগামি বিভিন্ন কর্মস্থলের চাকুরীজীবীরা বিকল্প পথে ছুটতে দেখা গেছে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন সড়কে সাধারন মানুষের চলাচল ছিল চোখে পড়ার মত। প্রশাসনের জিজ্ঞাসা বাদের মুখে তাদের খোড়া অজুহাত ছিল মুখস্থ করা কথা একশাসে বলে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনিটি ভ্রাম্যমান মোবাইল টিম বিভিন্ন দোকান খোলার কারনে জরিমানা করা অব্যাহত রয়েছে। বরিশাল- ঢাকা মহাসড়কে সেনাবাহিনী ও বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক বিভাগের সদস্যরা ছিল তৎপর। তারা বিভিন্ন যানবাহন, মোটর সাইকেল ও রিক্সায় অতিরিক্ত যাত্রী থাকলে নামিয়ে দিতে দেখা যায়। শনিবার (২৪) জুলাই সকালের দিকে নগরীর বিভিন্ন সড়কে হালকা- পাতলা মানুষের চলাচল থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে নগরীর বিভিন্ন সড়কে সাধারন মানুষের চলাচলা বৃদ্ধি পেতে থাকে।

এসময় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান মোবাইল টিম নগরীরর বিভিন্নস্থানে বিনা কারনে দোকান খোলায় তাদেরকে আর্থিক জরিমানা করে দোকান বন্ধ করে দেওয়ার কার্যক্রম চোখে পড়েছে। অপরদিকে সেনা বাহিনীর সদস্যরা বরিশাল – ঢাকা মহা সড়কের কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় বিভিন্ন পন্যবাহি যানবাহন ও মোটর সাইকেল নিয়ে বেড় হওয়ার কারন জানতে চায় এসময় বেশ কিছু মোটর সাইকেলে ভূয়া স্টিাকার লাগানো তা উঠিয়ে ফেলেন তারা।

অপর দিকে নগরীর কাশিপুর এলাকা বরিশাল- ঢাকা মহাসড়কের শিক্ষা বোর্ড অফিসের সামনে একদল মোটর সাইকেল বাহিনী বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের স্টিকার সামনে লাগিয়ে ঢাকাগামি বিভিন্ন কর্মস্থলের যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে তাদের নিয়ে মাওয়া দিকে ছুটতে দেখা যায়। এসময় বিভিন্ন সংবাদ কর্মীদের দেখলে তারা যাত্রীদের দুরে সরিয়ে দেয়। সংবাদ কর্মীরা সরে গেলেই তারা পুনরায় যাত্রী নিয়ে যাত্রা করেন।

এছাড়া এসময় বেশ কিছু পন্যবাহি পিকাপ ও পথে পথে বিনা বাধায় যাত্রী উঠাতে দেখে গেছে।এক পর্যায়ে পিকাপ চালককে যাত্রী উঠাবার কারন জানতে চাইলে তারাও বিভিন্ন অজুহাত দেখায়।

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মহামারীতে অসহায়ের পাশে থাকাই আমাদের বড় কর্তব্য- এমপি সালাম মূশের্দী

যশোরে আজ করোনায় মৃত্যু ৬ ও সংক্রমণ কমে ১৬.৩২ শতাংশ

মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাত ইদের পরে কিছুটা স্তিমিত মনে হচ্ছে। গত ২ দিন করোনায় মৃতের সংখ্যা স্থিতিশীল থাকলেও যশোরে আজ করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ অনেকাংশে কমেছে। তবে এক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে করোনার নমুনা পরীক্ষা খুবই কম ।

বিধায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ যে সীমান্তবর্তী যশোর জেলা থেকে বিদায় নিতে চলেছে তা বলার কোন অবকাশ নেই ।

আজ ২৪ জুলাই -২০২১ রোজ শনিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী যশোর করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬ জন মৃত্যু বরণ করেছেন।

তবে আশার কথা করোনার উপসর্গ নিয়ে কেউ মৃত্যু বরণ করেননি। এনিয়ে আজ পর্যন্ত যশোর জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩০৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১০৫ জন। আজ পর্যন্ত যশোর জেলায় করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে ১৭৬১২ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২৩৯৭ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় যশোর জেলায় ১৪৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৪ জন করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে। সনাক্তের হার কমে ১৬.৩২ শতাংশ যা কিছুটা হলেও স্বত্বির কারণ। সনাক্ত করোনা পজেটিভ ২৪ জনের মধ্যে যশোর সদর উপজেলায় ১৪ জন, শার্শায় ৫ জন,ঝিকরগাছায় ৩ জন ও কেশবপুরে ২ জন রয়েছে।

এছাড়া যশোর জেলার বাকি ৪ টি উপজেলা মনিরামপুর, অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও চৌগাছায় আজ কোন করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়নি।

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নতুন প্রতারক চক্র: করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রতারকও বৃদ্ধি

 

নতুন প্রতারক চক্র: করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রতারকও বৃদ্ধি

 

নতুন প্রতারক চক্র: করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রতারকরা নতুন করে স্বাস্থ্যখাতকে মাধ্যম বানিয়ে প্রতারনার সুযোগ করতে চাচ্ছে । স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘিরে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রতারক চক্র। জেকেজি ও রিজেন্টের পর টিকেএস হেলথ কেয়ার নামের একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক উপসচিবের স্বাক্ষর জাল করে দুই প্রতারক ভুয়া পরিপত্র তৈরি করে। এরপর করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণের কথা বলে দৈনিক আড়াই হাজার টাকা বেতনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে তারা টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।

তবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসায় প্রতারকদের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে কোভিড-১৯ মহামারি শুরুর দিকে জেকেজি হেলথ কেয়ার নামে একটি প্রতিষ্ঠান রোগীদের নমুনা সংগ্রহে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন পায়। কিন্তু সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা না করে তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো রিপোর্ট দিতে শুরু করে। পরবর্তী সময় এ প্রতারণা ফাঁস হলে এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়। একইভাবে প্রতারণার দায়ে রিজেট হাসপাতালের মালিককে গ্রেফতার করেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

জানা গেছে, ১৯ জুলাই টিকেএস হেলথকেয়ার লিমিটেড নামের একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান কোভিড-১৯ সরঞ্জাম ক্রয় ও জনবল নিয়োগে অনুমোদন পেয়েছে-এমন একটি পরিপত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব জাকিয়া পারভীনের স্বাক্ষর কপি পেস্ট করে একটি পরিপত্র প্রতারকরা নিজেরা তৈরি করে। মন্ত্রণালয় থেকে পরিপত্রটি জারি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয়। কিন্তু স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের (অননুমোদিত) পরিপত্রটি ছিল ভুয়া।

ভুয়া পরিপত্রে বলা হয়-‘১১ জুলাইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশব্যাপী কোভিড-১৯ র? ্যাপিড টেস্টের  সব সরঞ্জাম (ডিভাইস) আসার পর এবং দক্ষ জনবল নিয়োগ দিয়ে প্রাথমিকভাবে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন কিট দিয়ে টিকেএস হেলথকেয়ার লিমিটেডকে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে কাজ শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হলো।’

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পরিপত্রের তথ্য সর্বাংশে মিথ্যা ও গুজব বলে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া।

এ বিষয়ে ২০ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) এক চিঠিতে বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তে যে ৭৮টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে সেখানে এই প্রতিষ্ঠানের (টিকেএস) নাম নেই। এ নামের কোনো প্রতিষ্ঠানকে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। ওই দিন অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার কর্মকর্তা ডা. মো. মাহামুদ উল্লাহ এ প্রতিষ্ঠানে তদন্তে যান। ওই ভুয়া পরিপত্রে উল্লিখিত ঠিকানায় (১৬৬-১৬৭ দ্বিতীয় তলা, আল রাজি কমপ্লেক্স, কাজী নজরুল ইসলাম সরণি) গিয়ে তিনি দেখেন এ ধরনের কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই। এমনকি ওই ভবনের কেউ এ নামের কোনো প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানেন বলে তিনি তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন।

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া জানান, কোভিডের মহামারিকালে জাতি যখন প্রতিরোধে নিরলস লড়াই করে যাচ্ছে তখন এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে ফায়দা লুটে নেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত। এসব অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে দৈনিক আড়াই হাজার টাকা বেতনে ৫১০ জনের চাকরির বিজ্ঞাপন ফেসবুকে দিয়েছে তপু ও মিলন নামে দু’জন।

চাকরি পেতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যোগাযোগের ঠিকানা হিসাবে তাদের ফেসবুক আইডি এবং দুটি মোবাইল নম্বরও দেওয়া হয়।

এ দুজনের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কোভিড-১৯ র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের জন্য সারা দেশে কিছু সংখ্যক লোক প্রয়োজন। প্রজেক্টের মেয়াদ ৯০ দিন। এ কাজ করার সুযোগ আমাদের হাতে থাকায় গ্রুপে এটি পোস্ট করা।

আমরা চাচ্ছি আপনাদের ব্যাচ মেট বন্ধুরা কাজটা করার সুযোগ গ্রহণ করুক। এখন কথা হলো-যাদের কাজটা খুবই প্রয়োজন, শুধু তারাই আমাদের নক করবেন। বরিশাল বিভাগ বাদে বাকি বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় একজন করে মোট ৫২০ জন লোক প্রয়োজন। বেতন ২৫০০ টাকা প্রতিদিন।

আগ্রহী বন্ধুরা নিচের ফ্রমের মাধ্যমে অ্যাপ্লিকেশন করতে হবে। প্রার্থীকে অবশ্যই নিজ জেলা, উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। তোমরা কেউ আগ্রহী হলে জানাও।

ঈদের পর শুরু হবে প্রজেক্ট। শিক্ষাগত যোগ্যতা : অনার্স ফাইনাল ইয়ার বা শেষবর্ষ অথবা ডিগ্রি পাস, ডিগ্রি রানিং, যোগাযোগ মিলন-০১৭৭৩৭৯২৭৬৭ ফেসবুক আইডি-https://www.facebook.com/ mehidi.milon191 তপু-০১৭৭৫৬৬৬৩৩৮ ফেসবুক আইডি- https://www.facebook.com/to.pu.7161.

পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক, অধিদপ্তরে এক কর্মকর্তা বলেন, ভুয়া পরিপত্র তৈরিকারী এবং ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়া একই সূত্রে গাঁথা।

কারণ একটির সঙ্গে অন্যটির যোগসূত্র রয়েছে। প্রথমে তারা ভুয়া পরিপত্র তৈরি করে নিজেদের বৈধতা দেখানোর চেষ্টা করেছে। এরপর লোক নিয়োগের ফাঁদ পেতেছে। তাদের ধরতে পারলে পুরো চক্রটি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে।

এ চাকরির বিষয়ে জানতে শুক্রবার দুপুরে কথা হয় তপুর সঙ্গে। তিনি প্রথমে এ প্রতিবেদকের কাছে জানতে চান আমি কোন ব্যাচের। এরপর তিনি বলেন, অধিদপ্তরে এ বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রয়োজন। তবে লোক নেওয়া হবে তাদের মাধ্যমে। তাদের এ দায়িত্ব কে দিয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা বলা যাবে না।

তবে চাকরি পেতে হলে তাদের সঙ্গেই যোগাযোগ করতে হবে। পরে পত্রিকার পরিচয় প্রকাশ করলে তিনি বলেন, অন্যদের সঙ্গে আলোচনা করে বিস্তারিত জানাবেন। তবে এরপর তাকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

লকডাউন।। রূপসায় ইউএনও, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে

 

পেগাসাস স্পাইওয়ার ।। নিজের ফোনকে যেভাবে সুরক্ষিত রাখবেন

পেগাসাস স্পাইওয়ার ।।  ইসরায়েলি সংস্থা এনএসও গ্রুপের তৈরি পেগাসাস স্পাইওয়্যার নিয়ে এখন একরাশ অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, গোটা বিশ্বের কয়েক হাজার সরকারি কর্মী, সাংবাদিক, বড় রাজনীতিবিদের ফোনে আড়ি পেতেছে পেগাসাস স্পাইওয়্যার। ফাঁস হয়েছে নানা ব্যক্তিগত তথ্য। শুধু ভারত নয়, গোটা বিশ্বে এখন একটাই চর্চা- কী এই পেগাসাস স্পাইওয়্যার!

এটি নিয়ে এখন অনেকে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন যে তাদের ফোনও কি পেগাসাস নিজের দখলে নিয়েছে? সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়াম ফোন পেগাসাসে আক্রান্ত হওয়ার কিছু লক্ষণ প্রকাশ করেছে। এছাড়াও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের গবেষকরা একটি টুলকিট তৈরি করেছেন যার দ্বারা কোনও ফোন পেগাসাসের নজরে রয়েছে কি না বোঝা যাবে, অন্তত এমনটাই দাবি করেছেন গবেষকরা।

এই স্পাইওয়ার থেকে ফোনকে কিভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়, চলুন তা জেনে নেই।

১. ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। কারণ ফ্রি ওয়াইফাই এ অনেক ধরনের ম্যালওয়ার থাকে। যা আপনার ফোনকে অনিরাপদ করতে তুলতে পারে এবং সাইবার দুর্বৃত্তরা অনেক সময় ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহারকৃত ফোনকে টার্গেট করে থাকে।

২. ফোনে আড়ি পাতার জন্য অনেক সময় ভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য দুর্বৃত্তরা বিভিন্ন ধরনের লিংক ব্যবহার করে। ফোনে যদি এ ধরনের অপরিচিত সাইটের লিংক আসে তাহলে তাতে প্রবেশ করবেন না।

৩. আপনার ফোন যেন অন্য কেউ ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য সব ধরনের লক চালু করে দিন।

৪. ফোনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলোকে এনক্রিপ্ট করে রাখুন। যাতে ফোন সাইবার হামলার স্বীকার হলেও দুর্বৃত্তরা আপনার তথ্য চুরি করতে না পারে।

৫. এছাড়া ফোনের অ্যাপস আপডেট করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। ফোনের নির্ধারিত ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোনো ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপস আপডেট করবেন না।

সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

// আন্তর্জাতিক অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাগেরহাটের রামপালে লকডাউন বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী

 

বাগেরহাটের ফকিরহাটে পিকআপের ধাক্কায় ইজিবাইকের ৬ যাত্রী নিহত

আজ সকালে বাগেরহাটের ফকিরহাটে মিনি পিকআপের ধাক্কায় ইজিবাইকের ৬ যাত্রী নিহত । ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়। বাগেরহাট থেকে ৭জন যাত্রী নিয়ে ফকিরহাট আসার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা পিক আপের ধাক্কায় ৬ যাত্রী ঘটনা স্থলে মারা যায় আহত একজনকে খুলনা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে ।

বিস্তারিত আসছে…..

 

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাগেরহাটে ঈদের দিন আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হয়ে গেল দিনমজুরের বাঁচার স্বপ্ন

বাগেরহাটে ঈদের দিন আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হয়ে গেল দিনমজুরের বাঁচার স্বপ্ন

 

বাগেরহাট জেলার সদর থানাধীন কাড়াপাড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত ওই কাড়াপাড়া গ্রামেরই  শওকত হোসেন নামক এক ব্যক্তির বসত ঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

জানা যায় ঈদের দিন দুপুর বেলা তার বসত ঘরে আগুন লাগে। আগুনের লেলিহান তাণ্ডবে ভষ্মীভূত হয়েছে দিন মজুর শওকত হোসেনের তিলে তিলে গড়া স্বপ্ন মাথা গোজাঁর ঠাঁই এবং অনেক কষ্ট করে সে গরু পুষেছিলেন, গরু লালন পালন করে এই কোরবানির হাটে বিক্রয় করে,সেই বিক্রয়লব্দ প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকা তার ঘরের ভিতরে ছিল। শুধু তাই নয় ঘরের চাউল,ধান ,গোয়ালের গরুও বাদ পড়েনি আগুনের এই নৃশংশতা থেকে।এ সময় তাদের পরিবারের কেউই বাড়িতে ছিলেন না।

এলাকার লোকজন খবর পেয়ে ছুটে যেয়ে পাশের পুকুর থেকে পানি দিয়ে ১ ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্ত এর ভিতরই সক কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কিছু টাকা অবশিষ্ট আছে যার আংশিক পুড়া এবং আংশিক ভালো। শওকত হোসেন জ্ঞান হারিয়ে পাশে পড়ে আছে।

এ অবস্থায় এলাকাবাসীর সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি, অন্তত যে টাকাগুলি আংশিক পুড়ে গেছে কিন্তু সিরিয়াল নম্বর বিদ্যমান আছে  সেই টাকাগুলির  বিনিময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগাযোগের মাধ্যমে টাকা গুলো যাতে পেতে পারে সেই বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগীতা করে, এই নিঃস্ব পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাউফলে প্রবাসী স্বামীর অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় স্ত্রী শ্রীঘরে

 

বাউফলে প্রবাসী স্বামীর অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় স্ত্রী শ্রীঘরে

পটুয়াখালীর বাউফলে অর্থ-সম্পদ, স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাতের অভিযোগে প্রবাসী স্বামীর দায়ের করা মামলায় স্ত্রীকে শ্রীঘরে পাঠিয়েছে পুলিশ। উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের সৌদি প্রবাসী মো. করিম মৃধা পটুয়াখালী জেলা আদালতে ওই মামলা দায়ের করেন।বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) তাকে পটুয়াখালী কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বুধবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জাানায় পুলিশ।মামলা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের আ. কাদের মৃধার ছেলে আ. করিম মৃধার (৪০) সাথে কেশবপুর ইউনিয়নের মো. মোসারেফ মৃধার মেয়ে মোসা. শাহরিয়া আক্তারের (২৬) বিয়ে হয়ে।

দীর্ঘ সময় স্বামীর দেশে না থাকার সুযোগে শাহরিয়া আক্তার বেপরোয়া হয়ে উঠে। খালাতো ভাই নাহিদ খাঁ (৪০) এর সাথে অবৈধ সর্ম্পকে জড়িয়ে পড়ে।স্বামীর পাঠানো প্রায় ৩৬ লাখ টাকা, প্রায় ১০লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার ও বাড়ি ভাড়ার ৬ লাখ টাকা টাকা নাহিদকে নিয়ে আত্মসাৎ করেন শাহরিয়া।এদিকে স্ত্রীর কথাবার্তায় সন্দেহ হলে সৌদি থেকে দেশে ফিরে আসেন প্রবাসী করিম মৃধা। স্বামী আসার খবর পেয়ে দুই সন্তান রেখে বাবার বাড়িতে চলে যায় শাহরিয়া।

এনিয়ে সালিস বৈঠক হলে আত্মসাৎকৃত টাকা নাহিদের কাছ থেকে উত্তোলন করে দিবেন বলেন স্বীকার করে। কিন্তু যথাসময় টাকা না দিলে শাহরিয়া আক্তার ও নাহিদকে আসামী পটুয়াখালী আদালতে মামলা আ. করিম মৃধা। এ মামলা পুলিশ শাহরিয়াকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়।

মো. করিম মৃধা বলেন, সৌদিতে আমি একটা কোম্পানীতে চাকুরি করতাম। আমার আয় করা সকল টাকা শাহরিয়ার একাউন্টে পাঠানো হয়েছে। যার ব্যাংক বিবারণী আমার কাছে রয়েছে। এছাড়াও স্বর্ণালঙ্কার ও বাড়ি ভাড়ার টাকা আত্মসাত করে আমার সাথে ঘর সংসার করবে না বলে জানায়।

দুই শিশু সন্তানকে রেখে বাবার বাড়িতে চলে যায়। নাবালক ওই দুই সন্তানেরও খোঁজ নেয় না।তিনি আরও বলেন,‘ সালিস বৈঠকে আমার আত্মসাতকৃত টাকা ফেরত দিলে বলে জানালেও ১মাস অতিবাহিত হলেও টাকা নিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেয়।

এবিষয়ে বাউফল থানা ওসি আল মামুন বলেন, ‘শাহরিয়া ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী। তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

 //ইমাম হোসেন মনা, বাউফল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে আবাসিক হোটেলে যুবককে আটকে নারী লেলিয়ে টাকা ছিনতাই