মগবাজারে রহস্যজনক বিস্ফোরনে ৬ জন নিহত, আহত অর্ধশতাধিক

//ডেস্ক রিপোর্ট//

রাজধানী ঢাকার মগবাজারে বিস্ফোরণে ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অর্ধ শতাধিক মানুষ। এর মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুলিশ বলছে, বিস্ফোরণের সময় মুহূর্তেই চুরমার কয়েকটি ভবনের গ্লাস।

রোববার সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের দিকে মগবাজারের অয়্যারলেস এলাকায় একটি ভবনে বিস্ফোরণটি ঘটে।

রমনা ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার ফয়সালুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, তিন তলা ভবনে বিস্ফোরণটি ঘটে। ভবনটির একাংশ ধসে গেছে। এখন ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের উপকমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান জানিয়েছেন, শর্মা হাউজ নামের একটি রেস্তোরাঁর ভবনে প্রথম ও দ্বিতীয় তলা ধসে গেছে। বিস্ফোরণের সড়কে থাকা দুটি বাসের গ্লাস ভেঙে গেছে। এতে যাত্রীরা আহত হয়েছেন। এছাড়া শর্মা হাউজের বিপরীতের সাতটি ভবনের গ্লাসের ভবন ভেঙে গেছে।

দৈনিক জন্মভূমির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ূন কবির বালু’র শাহাদাত বার্ষিকী

 

দৈনিক জন্মভূমির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ূন কবির বালু খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি, দৈনিক জন্মভূমির সম্পাদক ও প্রকাশক, ষাটের দশকের ছাত্রনেতা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শহীদ সাংবাদিক হুমায়ূন কবির বালু’র ১৭তম শাহাদাত বার্ষিকীর আলোচনা সভা দুপুরে খুনা প্রেসক্রাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন। প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শ্যামল সিংহ রায়,খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আলমগীর কবির, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন কেইউজে সভাপতি মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগসহ গনমাধ্যমগণ উপস্থিত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা।

সকালে দৈনিক জন্মভূমি ও রাজপথের দাবী পরিবার এবং মরহুমের পরিবারের পক্ষ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিনের প্রথম প্রহরে দৈনিক জন্মভূমি ভবনে শহিদ হুমায়ূন কবীর বালুর ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন। সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর বসুপাড়া কবরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারত ও বাদ আছর দোয়া মাহফিল। খুলনা প্রেসক্লাবে বেলা পৌনে ১১টায় শহিদ সাংবাদিক স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ এবং ১১টায় ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ ২০০৪ সালের ২৭ জুন দুপুরে দৈনিক জন্মভূমি ভবনের প্রধান ফটকের সামনে সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় সাংবাদিক হুমায়ূন কবীর বালু গুরুতর আহত হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

‘‘প্রভাস’’ দক্ষিণ ভারতের সুপারস্টার : সিনেমা প্রতি আয় কত..?

 

‘‘প্রভাস’’ দক্ষিণ ভারতের সুপারস্টার : সিনেমা প্রতি আয় কত..?

 

‘‘প্রভাস’’ দক্ষিণ ভারতের সুপারস্টার তথা ভারতের সুপারস্টার যাকে পছন্দ করে ৯৯% মানুষ। দক্ষিণের সুপারস্টার প্রভাসকে অনেকেই ‘রেবেল’ নামে চিনতেন। এখন তাকে ‘বাহুবলী’ নামেই ডাকে সবাই।

সেটিই স্বাভাবিক। ভারতের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যবসা সফল সিনেমা ‘বাহুবলী’। সিনেমায় মূল চরিত্রে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই তেলেগু অভিনেতা।

প্রথমটি সুপার-ডুপার হিট হওয়ার পর বিগ বাজেট নিয়ে দ্বিতীয় কিস্তিতে হাত দেন পরিচালক এসএস রাজমৌলি। সে সিনেমাও ব্লকবাস্টারে বিস্ফোরণ ঘটায়। হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে এ সিনেমার দুটি কিস্তির আয়।

এদিকে ‘বাহুবলী’তে অভিনয়ের পর দেশ-বিদেশে প্রশংসার কুড়ানোর পাশাপাশি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেও অমূল্য রতনে পরিণত হন প্রভাস।

প্রাসঙ্গিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে— বাহুবলীর ব্যবসা সফলতার পর প্রতি সিনেমায় কত টাকা আয় করেন প্রভাস? ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে এই কৌতূহল থাকতেই পারে।

ভারতীয় গণমাধ্যমসূত্রে খবর— প্রতি সিনেমায় ১০০ কোটি টাকার বেশি পারিশ্রমিক নেন প্রভাস। সঙ্গে নেন সিনেমার লাভের ১০ শতাংশও। অর্থাৎ কোনো সিনেমা ১০০ কোটি টাকা লাভ করতে পারলে প্রভাস নেন ১০ কোটি!

জানা গেছে, বক্স অফিসে ইতিহাস গড়া বাহুবলী সিরিজের প্রথম সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য ২৫ কোটি রুপি নিয়েছিলেন প্রভাস। বাহুবলী ২-এ তা বাড়িয়ে হয় ৮০ কোটি রুপি। এর পরই পারিশ্রমিকের ঘোড়ার লাগাম ছেড়ে দেন তিনি।

২০১৯-এ মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সাহো’ সিনেমার জন্য যে পারিশ্রমিক নিয়েছেন প্রভাস, তা দিয়ে নাকি একটি বলিউড ছবি অনায়াসে নির্মাণ করা যাবে। বিটাউনে জোর গুঞ্জন— প্রভাসকে ‘সাহো’ ছবির জন্য ১০০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছে।

শোনা যাচ্ছে, মুক্তির অপেক্ষায় ‘রাধে শ্যাম’ সিনেমার জন্য ৮০ কোটি টাকার পারিশ্রমিক নিয়েছেন প্রভাস।

‘রাধে শ্যাম’ ছাড়াও এ তেলেগু অভিনেতার আরও দুটি বিগ বাজেটের সিনেমা আসছে। সেগুলো হলো— ‘সালার’ ও ‘আদিপুরুষ’। এ দুটি সিনেমার জন্য আকাশছোঁয়া পারিশ্রমিক দাবি করেছেন পর্দার বাহুবলী। সেটি ১৫০ কোটিরও বেশি হতে পারে।

বাহুবলী সিরিজের আগে প্রভাসের ‘ছাত্রপতি’, ‘মিস্টার পারফেক্ট’, ‘ডার্লিং’, ‘মির্চি’ সিনেমা ব্যবসা সফল হয় প্রভাসের।

//দৈনিক বিশ্ব বিনোদন ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীতে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১

 

 

বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীতে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১

 মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীতে দুই ট্রাকের মুখামুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও পাঁচ জন।

রোববার (২৭ জুন) ভোরে বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের পাথাইলকান্দি ২নং ব্রীজের কাছে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ফায়ারম্যান রুবেল রানা জানান, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহ গামী একটি আম বোঝাই ট্রাক বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের পাথাইলকান্দি ২নং ব্রীজের কাছে পৌছালে উত্তরবঙ্গগামী উপর একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এতে ময়মনসিংহগামী ট্রাকটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। ট্রাকে থাকা হেলপার ঘটনস্থলেই মারা যান। গরুতর আহত ট্রাকচালকসহ ৫ জনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতারে পাঠানো হয়েছে।

১.৫ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার জন্য হাজার মানুষের জনদূর্ভোগ

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার খলিষখালী ইউনিয়নের দিক অভিমুখে শুক্তিয়া গ্রাম সংলগ্ন শুক্তিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় দেড় কিঃ মিঃ এই চিত্র । পথচারীরা জানান এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন তিন চার হাজার মানুষ চলাচল করে ।

এছাড়াও কয়েক শত কোমলমতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই রাস্তা দিয়ে চলতে গিয়ে কাঁদায় পড়ে স্কুলে যাওয়া যেমন বন্ধ হয় তেমনি একইভাবে অনেক অভিভাবক বর্ষাকালে চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় শিক্ষার্থীদের স্কুলে পাঠাতে চায় না।

ফলে শিশুদের লেখাপড়ার ক্ষতি হয়। এছাড়া হঠাৎ করে কেউ অসুস্থ হলে ডাক্তারের কাছে রোগীকে নিতে গেলে কোন যানবাহন না পাওয়ায় বিকল্পভাবে বাঁশ কাঠ দিয়ে মাচান তৈরি করে কাঁধে করে রোগীকে ডাক্তারের কাছে নেওয়ার প্রয়োজন হয়।

অনেক সময় যোগাযোগের সমস্যার জন্য রোগীকে ডাক্তারের কাছে নেওয়ার পূর্বেই পথে মৃত্যু বরণ করেন। জনদূর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে রাস্তাটি সংস্কারের জন্য স্থানীয় জনপ্রশাসনসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

দিঘলিয়া উপজেলায় অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেন সালাম মূর্শেদী এমপি

 

দিঘলিয়া উপজেলায় অসহায় পরিবারের পাশে দাড়িয়েছেন এমপি সালাম মূর্শেদেী।  খুলনা জেলায় ২২ জুন থেকে সাত দিনের লকডাউন দেওয়া বিপাকে পড়েছেন গরিব অসহা ও খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের কথা চিন্তা করে বরাবরের মত গরিব-অসহায়, ও দলিত সম্প্রদায়ের পরিবারের পাশে দাড়িয়েছেন, খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আব্দুস সালাম মূর্শেদী।

শনিবার (২৬ জুন ) বিকেলে ৩ টায় দিঘলিয়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে ‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’র আয়োজনে আড়াইশো সুবিধাবঞ্চিত দলিত সম্প্রদায় ও কর্মহীন চা বিক্রেতার পরিবারের মাঝে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপি। এসময় তিনি বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কবল থেকে বাঁচতে আমাদের আরো সচেতন হতে হবে। একমাত্র সচেতনতাই পারে করোনা থেকে রক্ষা করতে।

এ জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। লকডাউনের এই সময়ে যারা গরিব অসহায় ও কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, তাদের কথা চিন্তা করে আমার নিজস্ব অর্থায়নে ‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’র মাধ্যমে আবারও আমি খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শুরু করে দিয়েছি। পাশাপাশি গরিব-অসহায় মানুষের সহযোগিতার জন্য আমি সমাজের বৃত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানাচ্ছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মোল্লা আকরাম হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ফ ম আব্দুস সালাম, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও উপজেলা মহিলালীগের সভাপতি মোসাম্মাদ সামসুন নাহার, উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সহ-সভাপতি এস এম গোলাম রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক খান হাবিবুর রহমান বিপুল, দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আনসার আলী, সেনহাটী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান, সাধারন সম্পাদক শাহ আলম খান, বারাকপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গাজী আঃ রউফ,সাধারন সম্পাদক মোঃ ওয়াদুদ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা মোঃ নজরুল মোল্লা,গাজী জাকির হোসেন,কে এম আসাদুজ্জামান, এম পির প্রধান সমন্বয়ক মোঃ নোমান ওসমানী রিচি, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক খান আবু সাইদ, জেলা যুলীগ নেতা মোঃ সসেলিম মমল্লিক, এমপি প্রতিনিধি মোঃ হাবিবুর রহমান তারেক, সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম,ইয়াদুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সহ- সভাপতি শেখ রিয়াজ হোসেন, সহ সম্পাদক মোঃ রাকিব মোড়ল,সদর ইউনিয়ম যুবলীগের আহবায়ক শেখ শাহাবুদ্দিন,ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক পরাগ পারভেজ রুবেল,উপজেলা দলিত সম্পদায়ের সভাপতি জয়দেব দাস, ইউনিয়ন মহিলালীগের সভাপতি পাখি বেগম, নয়নতার,ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুন্ম- আহবায়ক শেখ মোঃ আলামিন, যুব মহিলালীগ নেত্রী স্বর্নালী খাতুন, রাজিব,রাসেল, রেজোয়ান সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা মেডিকেল কলেজ ও জেনারেল হাসপাতালে ২০টি হাই-ফ্লো ন্যাজল ক্যানোলা হস্তান্তর

 

খুলনা মেডিকেল কলেজ ও জেনারেল হাসপাতালে ২০টি হাই-ফ্লো ন্যাজল ক্যানোলা হস্তান্তর

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার উদ্যোগে এবং এস আলম গ্রুপের সৌজন্যে জাতীয় দুর্যোগ করোনা মহামারী মোকাবেলায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে যথাক্রমে ১৫টি ও পাঁচটি মোট ২০টি হাই-ফ্লো ন্যাজল ক্যানোলা হস্তান্তর শনিবার বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে এই হাই-ফ্লো ন্যাজল ক্যানোলা হস্তান্তর করেন। এসময় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ আব্দুর রশিদ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ রবিউল হাসান, খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ, খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিনিধি, প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

টাঙ্গাইলে করোনায় ১ জনের মৃত্যু, নতুন করে আক্রান্ত ১০১

 

 

টাঙ্গাইলে করোনায় ১ জনের মৃত্যু, নতুন করে আক্রান্ত ১০১

গত ২৪ ঘন্টায় টাঙ্গাইলে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১ জন মারা গেছে। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায়। নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ১০১ জন। ২৯৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার শতকরা ৩৪ দশমিক ৪৭ ভাগ।

আক্রান্তদের মধ্যে, টাঙ্গাইল সদর ২৩, নাগরপুরে ১, দেলদুয়ার ৯, সখীপুরে ৩, কালিহাতী ১৭, ঘাটাইল ২৩, মধুপুর ৯, ভূঞাপুর ৪ ও গোপালপুর ১২ নিয়ে মোট ১০১ জন। জেলায় মোট করোনায় আক্রান্ত ৭ হাজার ৩৩ জন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে ৪ হাজার ৫৫৬জন। মোট মৃত্যু বরন করেছেন ১০৮ জন। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোঃ শাহাবুদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ৪৪৪ জন রোগী ভর্তি হয়। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১৯ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে ৬৬ জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনালে হাসপাতালে আইসিইউ বেডে ৫ ও জেনারেল বেডে ২৩ জন। অন্যদিকে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে ৫, মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ সহ জেলায় সর্বমোট ৩৬ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।

 মোঃ আল-আমিন শেখ টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ইউএনও’র ভয়াবহ দুর্ণীতি প্রমাণিত

 

প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ইউএনও’র ভয়াবহ দুর্ণীতি প্রমাণিত

 

প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ইউএনও’র তত্বাবধানে থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারমূলক জনগুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে ভূমিহীনদের জন্য ঘর নির্মাণ প্রকল্পেও ভয়াবহ দুর্নীতির থাবা আঘাত হেনেছে। তাও আবার সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরাসরি এই অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি এ সংক্রান্ত সরকার নির্ধারিত কমিটির ধার ধারেননি। ২১৭টি ঘর নির্মাণ প্রকল্পে নিজস্ব রাজমিস্ত্রি নিয়োগ দেওয়াসহ সব কেনাকাটা একাই করেছেন। বিধিবহির্ভূতভাবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে কোনো কিছু অবহিত না করে ব্যাংক লেনদেনও করেছেন নিজেই। আবার কাজ শেষ না করেই তুলে নিয়েছেন পুরো বিল। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলায়। অভিযুক্ত কর্মকর্তার নাম মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি প্রশাসন ক্যাডারের ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। উপসচিব পদমর্যাদার এ কর্মকর্তা বর্তমানে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত।

সাবেক ইউএনও শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত বেশকিছু গুরুতর অভিযোগ তদন্তে গত জানুয়ারিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিভাগীয় মামলা দায়ের করে। এরপর ১৮ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীরকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়। কমিটি ২৭ জানুয়ারি তদন্তকাজ শুরু করে ২০ জুন শেষ করে। ২১ জুন জনপ্রশাসন সচিবের কাছে ১০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। যেখানে অভিযুক্ত উপসচিব শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সন্দেহাতীতভাবে অসদাচরণ ও দুর্নীতিপরায়ণতার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, শফিকুল ইসলাম ২০১৬ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ২০১৮ সালের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন। আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর অধীন এলাকার ভূমিহীনদের জন্য ২১৭টি ঘর নির্মাণে সরকার অর্থ বরাদ্দ করে। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ১ লাখ টাকা খরচ ধরে প্রকল্পে মোট ব্যয় হয় ২ কোটি ১৭ লাখ।

 

অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে রয়েছে-১. আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জন্য উপজেলা পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কমিটি থাকা সত্ত্বেও তিনি নিজে লাভবান হওয়ার জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার করে এককভাবে কাজটি করেন। এমনকি কাজ তদারকি করার জন্য কমিটির কাউকে সংযুক্ত করেননি। ২. নিকটাত্মীয় পরিচয়ে সৈয়দপুর এলাকার জনৈক হামিদুল হক মিস্ত্রিকে মৌখিকভাবে কাজের ঠিকাদার নিয়োগ করেন। ৩. প্রকল্পের কাজে কাঠ সরবরাহকারী সোহরাব আলীর বকেয়া প্রায় ৩৫ লাখ টাকা পরিশোধ করেননি। ৪. তারা মেম্বার নামে আরও একজন কাঠ সরবরাহকারীর পাওনা ১ লাখ টাকা পরিশোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেননি। ৫. আব্দুস সালাম মিস্ত্রিকে মোট ২৮টি ঘরের কাজ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১২টি ঘরের মজুরি পরিশোধ করা হলেও বাকি ১৬টি ঘরের মজুরি বাবদ ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করেননি। ৬. কামরুল ইসলাম নামে আরও একজন মিস্ত্রির পাওনা রয়েছে ৫০ হাজার টাকা। ৭. খুঁটির ফর্মা তৈরির মজুরি ও রড সরবরাহ বাবদ ১ লাখ ১১ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে নুরুন্নবী সরকার নামে একজন সাব-ঠিকাদারের। ৮. পাওনাদার হিসাবে অভিযোগকারীদের সঙ্গে মৌখিকভাবে কাজের চুক্তি করেন ইউএনওর নিয়োগকৃত ঠিকাদার হামিদুল হক মিস্ত্রি। হামিদুল হক ইউএনওর পূর্বপরিচিত এবং আত্মীয় হওয়ায় পাওনাদাররা বাকিতে মালামাল সরবরাহসহ কাজ করেন। ফলে এর দায়দায়িত্ব ইউএনওর ওপর বর্তায়। ৯. বর্তমান ইউএনও জাহিদ হোসেন যোগ দেওয়ার পর জানতে পারেন বেশকিছু কাজ অসম্পন্ন রয়েছে। ১০টি ঘরের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। ৬৭টি ঘরের কাজও অসম্পন্ন ছিল। কোনোটির দরজা, কোনটির জানালা এবং কোনোটির চালা ছিল না। এসব কাজ বর্তমান ইউএনও সম্পন্ন করেন। এজন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে অভিযুক্ত ইউএনও অর্থ জোগান দিলেও এখনো তার কাছে লক্ষাধিক টাকা পাওনা রয়েছেন বর্তমান ইউএনও। কিন্তু অদ্যাবধি তা পরিশোধ করেননি। ১০. ইউএনওর নিয়োগকৃত আত্মীয় কাম ঠিকাদার হামিদুল হক মিস্ত্রি কাজের একটা পর্যায়ে সাব-কন্ট্রাক্টরদের পাওনা পরিশোধ না করে পালিয়ে যান। কিন্তু এ বিষয়ে ইউএনও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি। ১১. প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে শেষ না হওয়া সত্ত্বেও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমকে দিয়ে তড়িঘড়ি করে প্রকল্পের ঘরগুলো উদ্বোধন করেন। অথচ প্রকল্পের বিপরীতে সমুদয় অর্থ তিনি তুলে নিয়েছেন, যা আর্থিক শৃঙ্খলার লঙ্ঘন।

 

তদন্ত প্রতিবেদনে সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করে বলা হয়েছে, গৃহ নির্মাণের জন্য নির্ধারিত কমিটি থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্ত কর্মকর্তা এককভাবে ঘর নির্মাণ করে নীতিমালা লঙ্ঘন করেছেন। তদন্ত কমিটি গৃহ নির্মাণ কমিটির কার্যবিবরণীর কপি দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। অফিস সুপার নিজাম উদ্দিন তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তা কর্মরত থাকাকালীন তিনি এ সংক্রান্ত বরাদ্দের বিষয়ে জানেন না।

 

আশ্রয়ণ প্রকল্পের গৃহ নির্মাণ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব হচ্ছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা একেএম শাহ আলম মোল্লা তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২১৭টি ঘর নির্মাণের বরাদ্দ আসে। কিন্তু ঘর নির্মাণের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

 

তদন্ত কমিটি এ সংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে দেখতে পায়, বরাদ্দপ্রাপ্ত অর্থ বিলের মাধ্যমে উত্তোলনের জন্য সোনালী ব্যাংক কাজীপুর শাখায় একটি চলতি হিসাব খোলা হয়। হিসাব খোলার সময় অফিস সুপার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং ইউএনও স্বাক্ষর করলেও পরে টাকা উত্তোলনের সময় উচ্চমান সহকারী নথিটি সরাসরি ইউএনও বরাবর উপস্থাপন করেন এবং তার (ইউএনও) স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এখানে টাকা উত্তোলনের বিষয়টি তিনি নিজে একাই করেছেন, যা গুরুতর আর্থিক অনিয়মের শামিল।

 

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে বেশ কয়েকজন সাব-ঠিকাদারি ও মিস্ত্রির টাকা পাওনার বিষয়টি সত্য। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট উপজেলার একজন সম্মানিত ব্যক্তি। ফলে তার এমন ভূমিকা খুবই অনভিপ্রেত। তদন্ত কমিটি মনে করে, ইউএনও যদি সংশ্লিষ্ট কমিটিকে যথাযথভাবে এ কাজে সম্পৃক্ত করতেন, তাহলে এ ধরনের ত্রুটি-বিচ্যুতি এড়ানো সম্ভব হতো। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা পর্যায়ে সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কর্মকর্তা। তাই তার কোনো অনৈতিক কাজের কারণে উপজেলা প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তিনি কমিটিকে পাশ কাটিয়ে এককভাবে কাজ করে এবং নিরীহ শ্রমিকদের টাকা পরিশোধ না করে অন্যায় করেছেন। এছাড়া তিনি এককভাবে কাজ করে সরকারের আর্থিক শৃঙ্খলা ও নীতি লঙ্ঘন করেছেন।

 

সূত্র জানায়, বিভাগীয় মামলার তদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা করে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ প্রতিনিধি হিসাবে এখন বিষয়টি নিষ্পত্তি করবেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কেএম আলী আজম। অর্থাৎ তিনি সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে শাস্তি বা দণ্ডের পরিমাণ নির্ধারণ করবেন। সূত্র: যুগান্তর

//দৈনিক বিশ্ব অনলাইন ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাঁশখালীতে প্রিয় শেখেরখীল ব্লাড ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

 

বাঁশখালীতে প্রিয় শেখেরখীল ব্লাড ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

 

বাঁশখালীতে জাতীয় পরিবেশ দিবস উপলক্ষে প্রিয় শেখেরখীল ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুন) সকালে শেখেরখীলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন জায়গায় এই বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সহযোগিতায়ঃ বাঁশখালী নির্বাহী অফিসার জনাব সাইদুজ্জামান চৌধুরী, প্রিয় শেখেরখীল ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আমিরুল ইসলাম শুভ এর সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেখেরখীল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইয়াছিন তালুকদার।

এতে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের এডমিন আরাফাত ফারুকী, এস এম আব্দুল্লাহ, আকমল হোছাইন, রিয়াদ চৌধুরী, জিএম সাইফুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম সাইদ, অ্যাডভোকেট শওকতুল ইসলাম, রাকিব ইসলাম, বীর বাহদুর খান, এখলাছুর রহমান, আব্দুর রহমান, মিনহাজ উদ্দিন প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান ইয়াছিন তালুকদার বলেন, গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।

আমরা যেই পরিবেশে বাস করি, সেই পরিবেশকে বাঁচাতে হলে গাছ লাগাতে হবে। গাছ পরিবেশকে শান্ত ও আরামদায়ক রাখে। গাছ নিধন না করে এই বর্ষা মৌসুমে সবাই বেশি বেশি গাছ রোপণ করুন।

//বাঁশখালী প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …