বিনা অপরাধে জেল খাটছেন ক্রিকেটার হতে আসা আবু ইউসুফ লিমন

 

বিনা অপরাধে জেল খাটছেন  আসামি না হয়েও একটি খুনের মামলায় চাঁদপুরের কচুয়ার যুবক আবু ইউসুফ লিমন। ২০২০ সালে অনেক স্বপ্ন নিয়ে ক্রিকেটার হতে ঢাকায় এসেছিলেন কচুয়া উপজেলার আবু ইউসুফ ওরফে লিমন (২১)।

 

মিরপুরের সিটি ক্লাব মাঠে প্রশিক্ষণ নিতেন তিনি। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে নিখোঁজ হন তিনি। খোঁজ না পেয়ে গত ২০২১ সালের ১৪ জানুয়ারি কচুয়া থানায় ডায়েরি করেন তার বাবা। কিছুদিন পর জানতে পারেন একটি হত্যা মামলায় তার ছেলে লিমন কাশিমপুর কারাগারে জেল খাটছেন।

 

লিমনের বাবা নুরুজ্জামান জানান, গত বছর রবিউল ইসলাম আপন নামের এক ব্যক্তি আমার নাম্বারে ফোন দিয়ে বলেন- আপনার ছেলে বিকেএসপিতে আছে। আপনারা চিন্তা করবেন না, আপনার ছেলে ডিসেম্বরের মধ্যে বাড়িতে চলে আসবে।

 

কিছুদিন পর ছেলে কারাগারে থাকার খবর পেয়ে তার সঙ্গে কাশিমপুর কারাগারে দেখা করি। তার কাছ থেকে জানতে পারি- আমার ছেলেকে হত্যার হুমকি ও টাকার লোভ দেখিয়ে কোর্টে পাঠায় রবিউল ইসলাম ওরফে আপন।

 

আদালতে আমার ছেলে নিজেকে রবিউল হিসেবে পরিচয় দেয়। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠান। ছেলের মুক্তি চেয়ে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করি। আদালত আবেদনটি আমলে নিয়ে গত ২ মার্চ ডিবি পুলিশকে তদন্ত করার দায়িত্ব দেন।

 

বিষয়টি তদন্ত করে ডিবি পুলিশ গত ২ মে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। ওই প্রতিবেদনে ঘটনার সত্যতা মিলেছে। তদন্তে বেরিয়ে আসে বদলি সাজা খাটার চাঞ্চল্যকর এ তথ্য।

 

ইমরান খান হত্যা মামলার ৬ নম্বর আসামি শেখ হৃদয় ওরফে রবিউল ইসলামের স্থলে লিমনকে তার পরিচয় দিয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করায়।

 

এ অবস্থায় রবিউলের আইনজীবীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ। এ আবেদনের ওপর আগামী ২ জুন ঢাকার ১ নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আদেশের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামি রবিউল ইসলাম গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া উপজেলার আসুতিয়া গ্রামের মতিউর রহমান মোল্লার ছেলে। নারীদের টোপ হিসেবে ব্যবহার করে বিত্তশালীদের ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নিত রবিউল ও তার সহযোগীরা।

 

তাদের কবলে পড়েন সিআইডি পুলিশের এসআই মো. মামুন ইমরান খান। এরপর তাকে ধরে নিয়ে হত্যার পর পেট্রল ঢেলে লাশ পুড়িয়ে গাজীপুর বনে ফেলে দেয় হত্যাকারীরা।

 

এ ঘটনায় নিহত এসআইয়ের ভাই বাদী হয়ে ঢাকার বনানী থানায় ২০১৮ সালের ১০ জুলাই মামলা করেন। এই মামলায় ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এরপর ঢাকার ১ নম্বর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচার শুরু হয় মামলার। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।

 

একই মামলার ৬ নম্বর আসামি হলেন রবিউল ইসলাম ওরফে আপন, সোহাগ, হৃদয়। তিনি পলাতক রয়েছেন। কিন্তু তার পরিবর্তে চাঁদপুরের কচুয়ার এক দরিদ্র পরিবারের সন্তান লিমন গত ২০ অক্টোবর ঢাকার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। রবিউলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। সেসব মামলাও বর্তমানে বিচারাধীন।

 

লিমনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শামীম সরদার জানান, লিমনের বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আইনপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মো. নুরুজ্জামান। এক ভাই এক বোনের মধ্যে সে বড়। পিতা নুরুজ্জামান কচুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। ছোটবেলা থেকেই তার ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন ছিল।

 

সেই সূত্র ধরেই ইউসুফ রাজধানীর মিরপুর-২ নম্বর সেকশনে এক মেসে ভাড়া থাকতেন। ছোটখাটো কাজ করে যা আয় করতেন তা দিয়ে সিটি ক্লাবে কোচ সবুজের অধীনে ক্রিকেট খেলা শিখতেন। সেখান থেকে আসামি রবিউলের সঙ্গে পরিচয় ঘটে লিমনের। লিমন আসামি রবিউল ইসলামের জায়গায় আত্মসমর্পণ করেছে। তাকে তারা রবিউলের জায়গায় না গেলে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার মতো হত্যা করে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেবে- এমন ভয়ভীতি দেখিয়ে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করায় বলে জানান আইনজীবী।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ব্যাংক কর্মকর্তা মোরশেদ আত্মহত্যা প্ররোচনা: আরাফাতের জামিন না মঞ্জুর

নোয়াখালীর ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা ১৪ রোহিঙ্গা সন্দ্বীপে আটক

নোয়াখালীর ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা ১৪ রোহিঙ্গাকে আটক করেছে সন্দ্বীপ থানা পুলিশ। আজ (রবিবার) সকালে সন্দ্বীপ উপজেলার মাইটভাঙ্গা ইউনিয়নের চৌধুরী বাজার এলাকা থেকে এসব রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। 
সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বশির আহমেদ খান জানান, রবিবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পশ্চিম মাইটভাঙ্গা চৌধুরী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৪ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে আটজন নারী, চারজন শিশু ও দুইজন পুরুষ রয়েছে। 
আটক রোহিঙ্গারা হলেন আয়াতুল করিম (৩০), আশ্রাফ উল্লা (৮), নজিম উল্ল্যাহ (৭), ইয়াসমিন আরা (২৯), সালেখা বেগম (১৪), তাছলিমা (১৬), উম্মে (১৭), মুশফিকা (১৬), মো. সাফায়েত (১৬), অলি উল্লা (১২), মো. আনস (১০), রোজিনা (১৫), শুকতারা (১৫) ও মো.ইমতিয়াজ (১৮)।
আটককৃত রোহিঙ্গারা নোয়াখালীর ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে নৌকায় করে সন্দ্বীপ এসেছিল। তারা সন্দ্বীপ থেকে কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাওয়ার পরিকল্পনায় ছিল। তাদের বিরোদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উলে­খ্য গত ১৮ মে ১১ রোহিঙ্গাকে সন্দ্বীপের রহমতপুর এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে।
// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //

ব্যাংক কর্মকর্তা মোরশেদ আত্মহত্যা প্ররোচনা: আরাফাতের জামিন না মঞ্জুর

ব্যাংক কর্মকর্তা মোরশেদ চৌধুরীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় গ্রেফতার মো: আরাফাত হোসেনের (২৭) জামিন না মঞ্জুর করেছে বিজ্ঞ আদালত। আজ (রবিবার) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের ভাচুর্য়াল আদালতে এ মামলার জামিন শুনানী অনুষ্টিত হয়। গ্রেফতারকৃত মো: আরাফাত হোসেন নগরীর মধ্যম হালিশহর এলাকার মাইজ পাড়ার মৃত মো: সেলিমের পুত্র।
মহানগর পিপি এডভোকেট মো: ফখরুদ্দিন চৌধুরী জানান, ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুল মোরশেদ চৌধুরীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় গ্রেফতার আরাফাত হোসেন নামের এক আসামী মিস কেইস মূলে জামিনের আবেদন করেন। বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শুনে জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেছেন।
উলে­খ্য, ৭ এপ্রিল নগরীর পাচঁলাইশ থানার  হিলভিউ এলাকার নাহার ভিলা থেকে বেসরকারী ব্যাংক কর্মকর্তা মোরশেদ চৌধুরীর ঝুলন্- মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ক্রমাগত ভাবে মানসিক চাপ প্রয়োগ করে ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুল মোরশেদ চৌধুরীকে আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয়েছে বলে তার স্ত্রী ইশরাত জাহান চৌধুরী ৮ এপ্রিল পাচলাইশ থানায় আত্মহত্যায় প্ররাচনার একটি মামলা দায়ের করেন।
২৭ এপ্রিল মো: আরাফাত হোসেনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠান পুলিশ। ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুল মোরশেদ চৌধুরীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলাটি পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে পিবিআইকে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার তদন্ত- কর্মকর্তা হিসাবে পরিদর্শক কামরুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।  
এর আগে ৪ মে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হোসেন মোহাম্মদ রেজার ভার্চুয়াল আদালত মো: আরাফাত হোসেনের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ৩ মে মামলার তৎকালীন তদন্- কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) গোয়েন্দা উত্তর বিভাগের পরিদর্শক মো: মইনুর রহমান আসামী মো: আরাফাত হোসেনের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন।
// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //

৫ কেজি গাঁজা ও ৫০ বোতল স্কাপ সিরাপসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

 

“একটি গ্রাম হতে একটি দেশ, মাদক মুক্ত হবে সমগ্র বাংলাদেশ”- এই স্লোগান সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লা জেলাও গত কয়েক মাস যাবৎ মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে।

তারই ধারাবাহিকতায় বুড়িচং থানা পুলিশের একটি বিশেষ টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে বুড়িচং থানাধীন বাকশিমুল ইউনিয়নের আজ্ঞাপুর সামনে বাগড়া হতে কুমিল্লাগামী সড়কের পাশ থেকে মোঃ মেহেদী হাসান হৃদয় (২০) কে ৫ কেজি গাঁজা ও ৫০ বোতল স্কাপ সিরাপসহ গ্রেফতার করেন।

উল্লেখিত বিষয়ে বুড়িচং থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 //নিজস্ব প্রতিবেদক//

 

 

কালিয়ার পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারি মাহমুদ মোল্যা দুর্ণীতির বরপুত্র!

 

কালিয়ার পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারি মাহমুদ মোল্যার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্ণীতি ও নারী কেলেংকারির বিস্তর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সেবা প্রার্থীরা ১৬ মার্চ ওই কর্মকর্তার দূর্ণীতির চিত্র তুলে ধরে নড়াইল জেলা প্রশাসাক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। পহরডাঙ্গা ইউনিয়নবাসী ওই কর্মকর্তার অপসারন দাবি করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অত্র ইউনিয়ন ভুমি অফিসের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ মাহামুদ মোল্যার অনিয়ম, দুর্ণীতি ও অনৈতিক কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ ইউনিয়নবাসী। তিনি প্রায় এক বছরের অধিককাল পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন ভুমি অফিসে যোগদান করেছেন। ওই কর্মকর্তা ভুমি অফিসে আসার পর ভুমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে গেলে তাকে অফিসে পাওয়া যায়না।

 

মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি এখন বাহিরে আছি আপনি সন্ধার পর মিরাজের বাড়িতে আসেন। সাক্ষাতের পর পূর্বের দাখিলা দেখালে তিনি তার কোন মুল্যায়ন না করে বলেন, এ দাখিলা সঠিক নিয়মে কাঁটা হয়নি এবং পূর্বের উপ-সহকারী কর্মকর্তার প্রসঙ্গ তুললে তিনি বলেন, পূর্বের উপ-সহকারী কর্মকর্তা কিভাবে দিয়েছে সেটা তার ব্যাপার। আমার কাছ থেকে নিতে হলে গোড়া থেকে খাজনা পরিশোধ করতে হবে বলে অতিরিক্ত টাকার হিসাব দেন এবং ওই টাকার আংশিক দাখিলায় তুলে বাকীটা নিজেই আত্মসাৎ করেন।

 

দাখিলায় কম টাকা উঠানোর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারকে ফাঁকি দিয়ে আপনাকে অল্পের ভিতরে হিসাব দিয়েছি, অতিরিক্ত টাকা অডিট খরচ বাবদ রাখছি। এছাড়া ভুমি দস্যুদের সাথে আতাৎ করে সরকারী জমির মাটি বিক্রির অভিযোগও রয়েছে তার নামে। জমির নামজারী করার নিয়ম জানতে গেলে ওই কর্মকর্তা ভূমি মালিকদের তার সাথে চুক্তিতে আসতে বাধ্য করেন এবং বলেন আমার তদন্ত রিপোর্ট ছাড়া নামজারী হবেনা। এভাবে ভূমি মালিকদের জিম্মি করে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচের হিসাব চাপিয়ে দেন।

 

অবশেষে সেবা প্রার্থীরা জমি ঠিক করার জন্য ওই টাকা দিতে বাধ্য হয়। স্থানীয় কিছু অসাধু প্রভাবশালী ব্যাবসায়ীরা উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ মাহামুদ মোল্যার যোগসাজসে সরকারী গাছ কেঁটে সাবাড় করছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দকৃত গৃহহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ওই উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ মাহামুদ মোল্যা ৪০/৫০ হাজার টাকা দাবী করে এবং বিধবা মহিলাদের ঘর পাইয়ে দেওয়ার জন্য শারীরিক মেলামেশার প্রস্তাব দেয়।

 

নারীলোভী, ঘুষখোর, দুর্ণীতিবাজ উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ মাহামুদ মোল্যার এহেন কর্মকান্ডে ইউনিয়নবাসী সরকারী সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের ভিডিও ও অডিও রেকর্ড প্রমান স্বরুপ সংরক্ষিত আছে বলে তারা জানান। পাশাপশি তার কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে যে কোন মুহুর্তে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ইউনিয়নবাসী মন্তব্য করেন।

 

পূর্বে ও ওই উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ মাহামুদ মোল্যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনিয়ম ও দূর্নীতির সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী, বাগুডাঙ্গা গ্রামের মোস্তফা শিকদার (৭৫) বলেন, আমার ও শরিকদের নামীয় পর্চার ৭ শতক জমির দাখিলা কাটতে আমি দেড় মাস যাবৎ ঘুরতেছি। নায়েব সাহেব বলেছেন ২১শত টাকা লাগবে নতুবা হবেনা। অনেক অনুরোধ করে ৪৫০ টাকায় রাজি করিয়েছি তাও শুধু ঘুরাচ্ছে। অথচ আগের নায়েব এই জমির দাখিলায় ১৫০ টাকা নিয়েছিল। আমি বৃদ্ধ মানুষ এভাবে আসা যাওয়ায় খুব কষ্ট হয়।

 

এই ঘটনা সাংবাদিকদের বলায় নায়েব আমাকে জালিয়াত বলেছে। কেন আমায় উনি জালিয়াত বললেন, এর যথাযথ প্রমান উনি সাংবাদিকদের দেখাতে পারেননি। আমি আমার এ অপমানের সুষ্ঠ বিচার চাই। সাংবাদিকের উপস্থিতি জানতে পেরে অনেক ভুক্তভোগী তাদের অভিযোগ তুলে ধরেন।

 

চরসিংগাতী গ্রামের মুরসালিন, জানান, তিন/চার মাস আগে ৫০০ টাকা নিয়ে তাকে একটি ভুয়া দাখিলা দিয়েছেন, বল্লাহাটি গ্রামের মামুন মোল্যা, জানান, বাসায় বসে আমায় দাখিলা কেটে দিয়েছে ২৭০০ টাকা লেখা কিন্তু নিয়েছে ৫৫০০ টাকা, পাখিমারা গ্রামের ডাঃ বোরহান জানান, দাখিলায় লেখা ৩৬০০ টাকা কিন্তু নিয়েছে ৯৫০০ টাকা, এভাবে পহরডাঙ্গা গ্রামের হাবিবুর রহমান, মেহেদী হাসান, ও লাভলু শেখ, সরসপুরের সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর আলম, বল্লাহাটির মুরাদ মোল্যা প্রমুখ অভিযোগ করেন।

 

ভুক্তভোগীরা এর উপযুক্ত বিচারসহ ওই নায়েবের অপসারন দাবী করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারি মাহমুদ মোল্যা প্রথমে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দোহাই দিয়ে বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং পরবর্তীতে তিনি আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেন।

 

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ জহুরুল ইসলাম বলেন, পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারি মাহমুদ মোল্যার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের কপি আমি পেয়েছি এবং তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

এ ব্যাপারে নড়াইল জেলা প্রশাসক জনাব মো: হাবিবুর রহমান বলেন, আমি অভিযোগটি পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ততাধীন আছে। তদন্তে দোষী প্রমান হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

//মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল জেলা//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাম মূর্শেদী

 

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাম মূর্শেদী

 

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের উদ্দেশ্যে খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, যে কোনো মূল্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সুষ্ঠু পরিবেশ ধরে রাখতে হবে, কোন প্রতারে তাদের অসৎ উদ্দ্যেশ্য চরিতার্থ করতে দেওয়া যাবেনা । আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নকারী সে যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও বলেন, আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

এদিকে খুলনা-৪ আসনের রূপসা ও দিঘলিয়ায় শতভাগ ভাতা অনুমোদন দেয়ায় বঙ্গবন্ধু কন্যা ও বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান তিনি। সম্প্রতি চিত্রা নদীর বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় আগামী তিন দিনের মধ্যে বাধঁ বেধে দেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি অবহেলিত তেরখাদাকে ডিজিটাল তেরখাদায় রূপান্তরিত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

আজ সকাল সাড়ে ১০ টায় খুলনার তেরখাদা উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবিদা সুলতানা এর সভাপতিত্বে, বিশেষ অতিথির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ শহিদুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইসচেয়ারম্যান মোঃ মোঃ শারাফাত হোসেন মুক্তি।

আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা খান, থানার ওসি তদন্ত মোঃ মোশাররফ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী সভাপতি এফ এম অহিদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক কে এম আলমগীর হোসেন, অধ্যক্ষ এস এম মিজানুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার চৌধুরী আবুল খায়ের, কৃষি অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা বদরুল আলম বাদশা, পুজা পরিষদের সভাপতি অরবিন্দ প্রসাদ সাহা সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু : সালাম মূর্শেদী

 

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বিদেশী মদসহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার

 

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে গত (২৮) মে শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযানে চালিয়ে পাঁচ বতল বিদেশি মদ দুটি হ্যান্ড সেট মোবাইল ফোনসহ এক জনকে আটক করেছে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, আটক কৃত ব্যাক্তি হলেন উপজেলার উপদইল গ্রামের হাবিবর রহমানের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী উজ্জ্বল হোসেন (৩৫) কে তার নিজ বাড়ি থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতে নাতে আটক করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পীরগঞ্জ থানার ওসি প্রদিপ কুমার রায় বলেন আসামি উজ্জ্বল কে তার নিজ বাড়ি থেকে হাতে নাতে আটক করা হয়েছে। এবং তার বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

//মাহাবুব আলম,  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু : সালাম মূর্শেদী

 

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২১ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী অনুষ্ঠিত

 

 আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস আজ ২৯ মে ২০২১ উপলক্ষে মাননীয় পুলিশ কমিশনার বিএমপি মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার মহোদয়ের নেতৃত্বে সকাল ১১ ঘটিকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ বরিশালে, বেলুন ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে, কেন্দ্রীয় শহীদমিনার থেকে পুলিশ লাইন্স পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত হয়।

 

্যালীতে অংশগ্রহণ করেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সদরদপ্তর বিএমপি প্রলয় চিসিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিএমপি ক্রাইম অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন মোঃ এনামুল হক, অতিরিক্ত ডিআইজি বরিশাল রেঞ্জ একেএম এহসান উল্লাহ। উপ-পুলিশ কমিশনার সদর-দপ্তর বিএমপি মোহাম্মদ নজরুল হোসেন, উপপুলিশ কমিশনার সাপ্লাই এন্ড লজিস্টিকস মোঃ জুলফিকার আলি হায়দার, উপ-পুলিশ কমিশনার দক্ষিণ বিএমপি মোঃ মোকতার হোসেন পিপিএম সেবা, উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক বিএমপি মোঃ জাকির হোসেন মজুমদার পিপিএম।

 

উপ-পুলিশ কমিশনার নগর বিশেষ শাখা বিএমপি এসএম তানভীর আরাফাত বিপিএম-বার, পুলিশ সুপার ট্যুরিস্ট পুলিশ বরিশাল মোঃ রেজাউল করিম, পুলিশ সুপার নৌ পুলিশ বরিশাল মোঃ কফিল উদ্দিন, চিফ ইউনিসেফ এ এইচ তৌফিক আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক আভাস বরিশাল রহিমা সুলতানা কাজল, ডিডি(এলজি) উপ-সচিব মোঃ শহিদুল ইসলাম, বরিশাল বিভাগের সর্বস্তরের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ সহ এনজিও প্রতিনিধিগণ।

// পলাশ চন্দ্র দাস :: বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো জনপ্রিয় দুই গেম বন্ধ হচ্ছে বাংলাদেশে

কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু : সালাম মূর্শেদী

কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে একটি দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব তা বঙ্গবন্ধু সম্মক উপলব্ধি করেছিলেন। খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেন, বঙ্গবন্ধু কৃষক ও কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন দেখেছিলেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে প্রকৃতিকন্যা নামে স্বীকৃত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘আজ থেকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারদের মতো কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণির মর্যাদা দেয়া হল।’ পবর্তীতে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে কৃষিতে ভর্তুকি প্রদান ও গবেষণাকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে দেশের মানচিত্র বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছেন।

আজ শনিবার মহাখালী, ডিওএইচএস অফিসে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ সিন্ডিকেট সভায় সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে অংশগ্রহন করে তিনি এ বক্তব্য রাখেন।

এছাড়াও তিনি খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামী দিনের পথ চলার জন্য বেশ কিছু দিক নির্দেশনা দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও সিন্ডিকেট সদস্যরা।

 //আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো জনপ্রিয় দুই গেম বন্ধ হচ্ছে বাংলাদেশে

পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো জনপ্রিয় দুই গেম বন্ধ হচ্ছে বাংলাদেশে

 

পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো জনপ্রিয় দুই গেম বন্ধ হচ্ছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে এরইমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সুপারিশ করেছে শিক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। 

দুই মন্ত্রণালয় থেকে এমন সুপারিশ পেয়ে এ নিয়ে আলোচনা করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

আলোচনায় ওই দুই গেমের আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়। 

এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম দুটি বন্ধে দুই মন্ত্রণালয় থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।  এটি সত্য যে ওই দুটি গেম কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করেছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই দুটি গেম কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করেছে।  কিন্তু হঠাৎ করে বন্ধ করতে গেলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে। তাই ধীরে সুস্থে বিকল্প পদ্ধতিতে গেম দুটি বন্ধের উদ্যোগ নেয়া হবে।

বন্ধ করলেও তরুণরা ভিপিএন দিয়ে গেমটি খেলবে এমন প্রশ্নে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হ্যা, যারা এ ধরনের গেমে আসক্ত তারা ভিপিএনসহ নানা বিকল্প উপায়ে গেমটি খেলতে পারে। আমরা সেসবও বন্ধে পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টা করব।

করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সম্প্রতি গেম দুটিতে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি বেড়েছে  শিক্ষার্থীদের।

এমন মন্তব্য জানিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গেম দুটির ব্যাপারে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

গত বুধবার এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনা মহামারিতে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার ফলে অনলাইনভিত্তিক ক্লাসের জন্য অভিভাবকরা সন্তানদের হাতে ল্যাপটপ, মোবাইল ডিভাইস তুলে দিতে বাধ্য হচ্ছে। এ সুযোগে তরুণ প্রজন্ম এ গেম দুটির প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে।

ফ্রি ফায়ার ও পাবজি আসক্তির ভয়াবহতা তুলে ধরতে উদাহরণ দেন মহিউদ্দিন আহমেদ, গত ২১ মে চাঁদপুরে মামুন (১৪) নামে এক তরুণ মোবাইলের ডেটা কেনার টাকা না পেয়ে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করে।

তিনি বলেন, আমরা যখন আগামীর তরুণ প্রজন্মকে সহজলভ্য দ্রুতগতির ইন্টারনেট প্রাপ্তির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি, ঠিক তখন আগামী তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বিপথগামী হয়েছে, যা আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং নিয়ন্ত্রক কমিশনকে দ্রুত এবং দ্রুততার সহিত এ গেমগুলোর অপব্যবহার বন্ধ এবং প্রযুক্তির ভালো দিক তুলে ধরতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি জনসচেতনতা গড়তে আহ্বান জানাচ্ছি।

এছাড়াও আরো কিছু কারণ দেখানো হয়েছে গেম দুটি বন্ধের বিষয়ে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের গেম খেলার ফলে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে। অনলাইনে গেম খেলার পাশাপাশি ভার্চ্যুয়ালে অর্থ লেনদেন হচ্ছে এমএমএস প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। আর এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাষ্ট্র, সমাজ, ব্যক্তি ও পরিবার।

সম্প্রতি নেপালে পাবজি নিষিদ্ধ করে দেশটির আদালত। একই কারণে ভারতের গুজরাটেও এ গেম খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিল। এমনকি গেমটি খেলার জন্য কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।  বাংলাদেশেও পাবজি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছিল, পরে আবার চালু করা হয়।

প্রসঙ্গত, চীনা প্রতিষ্ঠানের ২০১৯ সালে তৈরি করা যুদ্ধ গেম ফ্রি ফায়ার ২০১৭ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার গেম ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ব্লু হোয়েলের অনলাইন ভিডিও গেমটির মতোই। ২০১৯ সালে এটি বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক ডাউনলোড করা মোবাইল গেম ।

গেমটি অন্য খেলোয়াড়কে হত্যা করার জন্য অস্ত্র এবং সরঞ্জামের সন্ধানে একটি দ্বীপে প্যারাসুট থেকে পড়ে আসা ৫০ জন ও তার অধিক খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

বর্তমানে ফ্রি ফায়ারের উন্নত সংস্করণে কাজ চলছে যা ফ্রি ফায়ার ম্যাক্স নামে পরিচিত।

অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে বন্দুক দিয়ে মসজিদে মুসলমানদের হত্যা এবং সেই দৃশ্য ফেসবুক লাইভের বিষয়টি অনেকেই পাবজির সঙ্গে তুলনা করেন।

এসব গেম কোমলমতিদের ওপর মনস্তাত্বিক প্রভাব ফেলছে এবং তরুণদের আগ্রাসী করে তুলছে বলে মত দিয়েছেন মন বিজ্ঞানীরা।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মধুপুরের উৎপাদিত রপ্তানী যোগ্য সবজি বিদেশে রপ্তানী হয়েছে