Author: দৈনিক বিশ্ব
কুমিল্লায় ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
সারা বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য চোরাচালানি ছোঁয়াচে রোগের ন্যায় বেড়ে গিয়েছে যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ টীম।কুমিল্লা জেলাকেও মাদকমুক্ত করার জন্য গত কয়েকমাস যাবত ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।
তারই ধারাবাহিকতায় আজ কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি চৌকস টীম কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানাধীন নিশ্চিতপুর এলাকার ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী রয়েল কোচে অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রিয়াদ ও মোঃ সাগরকে ৭ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
//নিজস্ব প্রতিবেদক//
ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ইউএনও’র মোবাইল ক্লোন: মেয়রের কাছে টাকা দাবি
ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ইউএনও’র মোবাইল ক্লোন: মেয়রের কাছে টাকা দাবি
ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির ষ্টিভের মোবাইল ফোন ক্লোন করে পৌর মেয়রের কাছে টাকা দাবি করে একটি প্রতারক চক্র।
তবে এ ঘটনায় মেয়র প্রতারণার শিকার হয়নি। গত মঙ্গলবার ২৫ মে আনুমানিক ১২ টার সময় ইউএনও’র মোবাইল নাম্বার (০১৭০৮৩৬৮৬৬৬) থেকে পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমানের মোবাইলে (০১৭১৬৬২৮৩৯৭) ফোন করে টাকা দাবি করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইউএনও স্টিভ কবির নিজেই। এ ব্যাপারে ইউএনও পরদিন বুধবার ২৬ মে রাণীশংকৈল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন বলে জানান।
এ বিষয়ে মেয়রের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘গতকাল দুপুরে ইউএনও’র নাম্বার থেকে আমার কাছে একটি ফোন আসে। ফোনে বলা হয় আমি ঢাকায় আছি, কিছু টাকার প্রয়োজন। এরই মধ্যে ইউএন’র কন্ঠ বুঝতে পেরে আমি তাকে বলি আপনি কে বলছেন? এ কথা শুনা মাত্র ফোনটি কেটে দেয়। সাথে সাথে ঐ নাম্বারে আবারও ফোন দিলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।
পরে বিষয়টি ইউএনওকে অবহিত করি।’ রাণীশংকৈল থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম জাহিদ ইকবাল জানান, এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গতঃ একইভাবে গত ১৯ মে রাণীশংকৈল ইউএনও স্টিভ করিরের নামে ভ’য়া পরিচয়ে রতন কুমার নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সম্মানী ভাতা পাইয়ে দেয়ার নাম করে ৪২ হাজার ২০০ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
//মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//
ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ এর ফলে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাদ ভেঙে লোকালয়ে পানি
ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ এর ফলে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাদ ভেঙে লোকালয়ে পানি
ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ এর প্রভাবে বাংলাদেশের দক্ষিণ- পশ্চিমের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর,আশাশুনি,তালা,কয়রাসহ কয়েকটি উপজেলা বুধবার ভোর থেকে দমকা বাতাসসহ ঝড়ো হওয়া বইছে এবং সাথে সাথে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে।
ইয়াস ও চলমান পূর্ণিমার জন্য নদী ও সমূদ্রের পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩/৪ ফুট উপরে দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কয়েকটি স্থানের বেড়িবাঁধ ভেঙে সমূদ্রের নোনাপানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।

এর মধ্যে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা,কৈখালী, মুন্সিগঞ্জ,পদ্মপুকুর ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের ১৫ স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি জনগণের বাড়িঘরে ঢুকে পড়েছে।
এছাড়া, কপিলমুনি,তালা ও কয়রার অনেক জায়গায় জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গেছে।তবে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে সাতক্ষীরা, আশাশুনি ও শ্যামনগরের ৫৫ টি স্থানকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বুধবার সকাল ০৭ টা থেকে শুরু করে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত জোয়ার থাকায় এবং গতবারের ঘূর্ণিঝড়ের পর বাঁধের অনেক জায়গায় সংস্কার না হওয়ায় এবারের জলোচ্ছ্বাসে সাতক্ষীরা জেলার উপকূলবর্তী গ্রামগুলিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছে স্থানীয় জনগণ।

এসব এলাকার স্থানীয় জনগণ নিজেদের রক্ষা করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাতদিন বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ করছেন। সাতক্ষীরায় ১৪৫ টি আশ্রয় কেন্দ্র ও ১ হাজার ৫ শত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে মানুষের আশ্রয়ের জন্য। এর মধ্যে শ্যামনগর উপজেলার ১০৩ টি আশ্রয়কেন্দ্রের ধারণ ক্ষমতা ৭৫ হাজার বলে জানিয়েছেন শ্যামনগর উপজেলার নির্বাহী অফিসার আ ন ম আবু জার গিফারি।
কিন্তু ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে গুলি পূর্ব থেকে প্রস্তুত রাখা ও মাইকিং করা হলেও সাধারণ জনগণ বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে উঠছে না।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
খুলনার কয়রায় ইয়াসের প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত, খোলা হয়েছে সহস্রাধিক সাইক্লোন সেল্টার
খুলনার কয়রায় ইয়াসের প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত, খোলা হয়েছে সহস্রাধিক সাইক্লোন সেল্টার
খুলনার কয়রায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াস’র প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে গ্রামে পানি প্রবেশ, খোলা হয়েছে সহস্রাধিক সাইক্লোন সেল্টার।
সিডর, আইলা, বুলবুল, আম্পানের ক্ষত এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি উপকূলের মানুষ। এখন নতুন করে এসেছে ইয়াস। ইয়াসের প্রভাবে খুলনার কয়রা, দাকোপ ও পাইকগাছার বিভিন্ন এলাকায় বাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে।
খুলনার কয়রায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াস’র প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। কয়রার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের আংটিহারা এলাকার শ্রীপদ মন্ডলের বাড়ির সামনে বুধবার (২৬ মে) দুপুরের প্রবল জোয়ারে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে।

এছাড়া মহারাজপুর ইউনিয়নের দশালিয়ায় কপোতাক্ষ নদের পাউবোর বেড়িবাঁধে প্রায় ১০ স্থানে ভেঙে লোনা পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে। মঠবাড়ি বেড়িবাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। মহারাজপুর গ্রামের বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, দশালিয়ায় পাউবোর বেড়িবাঁধ ১০টি স্থানে প্রায় ১শ হাত জায়গায় প্রবল জোয়ারের পানিতে ভেঙে গেছে। এতে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে। ডুবে গেছে মাছের ঘের, বিশাল ফসলি জমি। এ এলাকার ৩১/৩২টি পরিবারের মধ্যে ৭/৮টি পরিবারের বসত বাড়ির মধ্যে পানি ঢুকে গেছে। শত চেষ্টা করেও বেড়িবাঁধ রক্ষা করা যায়নি।
কয়রার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বাধীন সমাজকল্যাণ যুব সংস্থার সভাপতি মো. আবু সাঈদ খান বলেন, কয়রার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের আংটিহারা এলাকার শ্রীপদ ন্ডলের বাড়ির সামনে দুপুরের জোয়ারে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। পূর্ণিমার প্রভাবে কপোতাক্ষ নদের পানি বেড়ে বেড়িবাঁধ উপচেও অনেক স্থানে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। এ নিয়ে এলাকার হাজারো মানুষ আতঙ্কে আছেন।

স্থায়ীদের অভিযোগ, বার বার বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হলেও টেকসই বাঁধ নির্মাণে কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। কখনো কখনো দায়সারা কাজ হয়েছে। এলাকার জনপ্রতিনিধিরা মানুষের কষ্টের কথা কখনোই বিবেচনায় নেয়নি। যে কারণে আম্পানের এক বছর পার হতে না হতেই আবার ইয়াস’র প্রভাবে পানিতে ডুবতে হচ্ছে।
এছাড়া মঙ্গলবার দিনব্যাপী চলে রোদ-মেঘের লুকোচুরি খেলা। থেমে থেমে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। খুলে রাখা হয়েছে সহস্রাধিক সাইক্লোন শেল্টার।
এদিকে সিপিপি, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবীর পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলয়া এবং নিরাপত্তায় কাজ করছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও।
খুলনার আঞ্চলিক আবহাওয়া কার্যালয়ের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ আমিরূল আজাদ বলেন, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ইয়াস সর্বশেষ বুলেটিন অনুসারে মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে ভারতের উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। দুই দিনে খুলনায় ২১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ৯ মিলিমিটার এবং সোমবার ১২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আজিজুল হক জোয়াদ্দার বলেন, খুলনার ৯ উপজেলার ১ হাজার ৪৮টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যমান ৩২৪টি। এ ছাড়া স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা মিলিয়ে আরও ৭২৪টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। এখানে ধারণক্ষমতা প্রায় চার লাখ। প্রস্তুত রয়েছে ১১৬টি মেডিকেল টিম। নির্দেশনা পাওয়ামাত্র স্থানীয়দের আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হবে।
পুলিশ প্রশাসন, সিপিপি, রেড ক্রিসেন্ট স্বেচ্ছাসেবীরা প্রস্তুত রয়েছেন। আশ্রয় নেওয়া মানুষের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
খুলনার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ হলো কয়রা। উপজেলায় ১৫৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে, যার প্রায় অর্ধেক ঝুঁকিপূর্ণ।
পাউবো সাতক্ষীরা বিভাগ-২-এর পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশিদুর রহমান বলেন, কয়রা উপজেলার ২৪টি স্থানের বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ। ইয়াসের প্রভাব থেকে কয়রাবাসীকে বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে সেই স্থানগুলোতে কাজ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের তুলনায় ৪ থেকে ৫ ফুট বেড়ে যায়। জোয়ারের পানি এমন থাকলে খুব বেশি সমস্যা হবে না। তবে যদি পানির উচ্চতা ৮ থেকে ১০ ফুট হয়, ও বাতাসের তীব্রতা বাড়ে, তাহলে বাঁধ টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।
খুলনার কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, জোয়ারের পানি বেড়েছে। দু-একটি স্থানে বেড়িবাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করেছে। এসব স্থানে চেয়ারম্যান, স্বেচ্ছাসবক, স্থানীয় জনগণ বাঁধ রক্ষায় কাজ করছেন। উপজেলায় ১১৮টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে একটি ঝুঁকিপূর্ণ। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ৬৫ থেকে ৭০ হাজার মানুষের ব্যবস্থা রয়েছে।
পাইকগাছা ইউএনও এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলার ১০৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫৯ হাজার মানুষ থাকতে পারবে। ৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতত রয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা মানুষের জন্য শুকনা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৩০ হাজার বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট রাখা হয়েছে। চিকিৎসাসেবায় ১১টি মেডিকেল টিম রয়েছে। একটি অ্যাম্বুলেন্স, পাঁচটি মাইক্রোবাস প্রস্তুত রয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে দুইটি নসিমন প্রস্তুত রাখা হয়েছে অতি জরুরি উদ্ধারকাজের জন্য। ঘূর্ণিঝড় বিষয়ে সচেতনতার জন্য মাইকিং করা হয়েছে।
তিনি বলেন, উপজেলার গড়ইখালী উত্তর পুংখালী এবং দেলুটির একটি বেঁড়িবাধ ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। সেখানে বালুর বস্তা ফেলা হয়েছে। সোলাদানা ইউনিয়নের একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের অবস্থা নাজুক। অতিজোয়ারে কী অবস্থা হবে বোঝা যাচ্ছে না। প্রচুর জোয়ারের চাপ। দুশ্চিন্তার অন্যতম কারণ জোয়ারের পানি উপচে পড়া।
দাকোপ ইউএনও মিন্টু বিশ্বাস বলেন, উপজেলায় ১২৩টি আশ্রয়কেন্দ্র ৮০ হাজারের বেশি মানুষ থাকতে পারবে। ইতোমধ্যে খাবারের ব্যবস্থাসহ সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
খুলনার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলয়া জেলার প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের সাথে মতবিনিময় করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের কোন ছুটি নেই। কয়রা, পাইকগাছা, দাকোপ ও বটিয়াঘাটা থানা এলাকায় সহস্রাধিক পুলিশ সদস্য কাজ করছেন। প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপত্তায় পুলিশ সদস্যরা কাজ করবেন। মানুষের নিরাপত্তাকে মাথায় রেখে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, সাইক্লোন শেল্টারসহ সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে উপকূলীয় কয়রা, দাকোপ, পাইকগাছা ও বটিয়াঘাটা উপজেলাকে। বেড়িবাঁধকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। মেডিকেল টিম, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও পর্যাপ্ত শুকনা খাবার প্রন্তুত রাখা হয়েছে।
//আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
ঘূর্নিঝড় ‘ইয়াস’ মোকাবেলায় সবাইকে প্রস্তুত থাকতে বললেন এমপি সালাম মূর্শেদী
শুনতে অবাক লাগলেও এবার পাখির বাসার ‘ভাড়া’ পেলেন বাগান মালিকরা
শুনতে অবাক লাগলেও ২৫মে,২০২১ইং মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানার কার্যালয়ে বাগান মালিক ও ইজারাদারদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই অর্থের চেক তুলে দেওয়া হয়।
জানা যায়, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন-২ শাখার উপসচিব দীপক কুমার চক্রবর্তী ২০২০ সালের ১ নভেম্বর স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।
সেই মোতাবেক ৩৮টি আমগাছের পাঁচ মালিককে বন অধিদপ্তরের অনুন্নয়ন খাত হতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তাদের ডেকে বার্ষিক তিন লাখ ১৩ হাজার টাকা প্রদান করেন।
টাকা প্রদানের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আমবাগানের শামুকখোল পাখি বিগত তিন বছর ধরে আসছে। প্রাকৃতিক কারণে বা যে কোনো সময় পাখি ওই স্থান ত্যাগ করে অন্য কোনো নতুন স্থানে চলে যেতে পারে।
সেহেতু আগামী কয়েক বছর পর্যবেক্ষণে রেখে এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে যে বছর পাখি বসবে না, সে বছর কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না। ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন বাগান মালিক মঞ্জুরুল হক মুকুল সানার উদ্দীন, সাহাদত হোসেন, শফিকুল ইসলাম মুকুট ও ফারুক হোসেন।
বাগান মালিক শফিকুল ইসলাম মুকুট বলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে টাকা প্রদানের অনুমতির চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে টাকা হাতে পেয়েছি।
মালিকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, গত তিন বছর ধরে পাখিরা বাগানে আসছে। এর আগের দুই বছরের টাকা মালিকরা যদি পায়, তা হলে ক্ষতিটা অনেক পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব। অপরদিকে গাছগুলো ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য নিয়মিত পরিচর্যার দাবি জানান।
পাখি সুরক্ষায় এটি সরকারের একটি মহৎ উদ্যোগ। বাগান মালিকদের জন্য সরকারি এমন একটি প্রকল্পের ব্যবস্থা গ্রহণ করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আরেক বাগান মালিক সাহাদত হোসেন বলেন, এই পাখি প্রজননে অতীত কোনো ইতিহাস না থাকলেও খোর্দ্দ বাউসা গ্রামটি খাল-বিলের পাশে হওয়ায় প্রজনন সম্ভব হচ্ছিল। কিন্তু বাগান পরিচর্যা করতে গিয়ে কয়েকটি আমগাছের ডাল কেটে পাখির বাসা ভেঙে দেন আম ব্যবসায়ী। ফলে হুমকির মুখে পড়ে হাজারও শামুকখোল পাখি।
স্থানীয় পাখিপ্রেমিক কিছু মানুষ বাধা দিলে ১৫ দিনের সময় বেঁধে দেন আমবাগান মালিকরা। এই খবর যুগান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছাপা হলে পাখি সুরক্ষায় পাশে দাঁড়ায় র্যা ব।
সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী প্রজ্ঞা পারমিতা রায় পাখির অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করার জন্য আদালতে রিট পিটিশন করেন। পাখির বাসা ভাঙা যাবে না বলে হাইকোর্ট নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কি পরিমাণ ক্ষতি হবে তা জানতে চেয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
তার পরে আমবাগানের ক্ষতির বিষয়ে জরিপ করে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, ৩৮টি আমগাছে পাখি বাসা বেঁধে আছে। সেই আমগাছের সম্ভাব্য দাম ও পরিচর্যার ব্যয় নিরূপণ করে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দেওয়া হয়। সেই মোতাবেক বাগান মালিকরা টাকা হাতে পেয়েছেন।
রাজশাহী বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বন সংরক্ষণ (সিসিএফ) কর্মকর্তার দপ্তর থেকে নির্দেশনায় চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা জানান, গত চার বছর থেকে স্বেচ্ছায় পাখি পাহারা দিয়ে আগলে রেখেছেন খোর্দ্দ বাউসা গ্রামের রফিকুল ইসলাম, শাহাদত হোসেন, বিচ্ছাদ আলী, নাসিম আঞ্জুম, সাইফুল ইসলামসহ গ্রামবাসী। সেই মোতাবেক আমবাগানের ক্ষতি বাবদ টাকা সরকারিভাবে দেওয়া হয়েছে।
আনুষ্ঠানিকভাবে বাগান মালিকদের চেক বিতরণ করা হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট লায়েব উদ্দিন লাভলু, রাজশাহী বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা রাহাত হোসেন, বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান, ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম, চারঘাট বন কর্মকর্তা এবিএম আবদুল্লাহ, বাঘা বন কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।
// স্টাফ রিপোর্টার //
কুমিল্লায় ১০ হাজার পিচ ইয়াবা, ১ টি ট্রাকসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
অতি প্রবল তান্ডবে উড়িষ্যা উপড় বইছে ঘুর্নিঝড় ইয়াস (ভিডিও)
অতি প্রবল তান্ডবে ঘূর্ণিঘঝড় ‘ইয়াস’ ভারতের উড়িষ্যায় আঘাত হেনেছে।
রাজ্যের বালেশ্বরের কাছে ধামরায় ঘণ্টায় ১৫৫ কি.মি বেগে আছড়ে পড়তে শুরু করেছে এটি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের বুলেটিনে জানিয়েছে, উড়িষ্যার বালেশ্বরের দক্ষিণে ইয়াস-এর স্থলভাগে আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার, সর্বোচ্চ ১৫৫ কিলোমিটার। আগামী ৩ ঘণ্টা ধরে এই প্রক্রিয়া চলবে।
এই মুহূর্তে ধামরা থেকে ৪৫ কিলোমিটার পূর্ব উত্তর-পূর্ব, দিঘা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিম ও বালেশ্বর থেকে ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে ইয়াস-এর চোখ।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উড়িষ্যার বালেশ্বরের কাছে ধামরায় আছড়ে পড়তে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। ঝড়ের বেগ ঘণ্টায় ১৩০-১৪০ কি.মি। সর্বোচ্চ বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৫৫ কিমি।
পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে ঝড়ের মুখে সবচেয়ে বেশি পড়বে পূর্ব মেদিনীপুর। আজ সকাল থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরে ঝড়ের বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৯০-১০০ কি.মি। সর্বোচ্চ বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৪৫ কিমি।
তবে কলকাতায় ঝড়ের দাপট তুলনায় কম হবে। কলকাতায় আমপানের মতো পরিস্থিতি হবে না বলে জানিয়েছেন পূর্বাঞ্চলীয় কর্মকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ঝড় মোকাবিলায় তৎপর রয়েছে প্রশাসন। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে আজ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে।
।। আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক ।।
ঘূর্নিঝড় ‘ইয়াস’ মোকাবেলায় সবাইকে প্রস্তুত থাকতে বললেন এমপি সালাম মূর্শেদী
Rain and gusty winds hit Odisha's Bhadrak district; visuals from Dhamara coastal area #CycloneYaas pic.twitter.com/A63Sn3iCvZ
— ANI (@ANI) May 26, 2021
কুমিল্লায় ১০ হাজার পিচ ইয়াবা, ১ টি ট্রাকসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো মাদক চোরাচালানের ট্রানজিট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।ফলে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে মাদক গ্রহন ও বিক্রির পরিমাণ যেমন বেশি থাকে তেমনি মাদকদ্রব্য ব্যবসার আখড়ায় পরিবর্তন হয়।মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজকে রক্ষা করার জন্য ও চোরাচালান বন্ধের জন্য সবসময় সচেতন থাকে পুলিশের একটি বিশেষ টীম।
আজ ২৫ মে-২০২১ রোজ মতো কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি চৌকস টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানাধীন আলেখারচর মায়ামি রিসোর্টের সামনে অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী১. জুয়েল মিয়া, ২. সাইফুল ইসলামকে ১০ হাজার পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১ টি ট্রাকসহ গ্রেফতার করেন। উক্ত বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
১০ টি হেলিকপ্টার সংযুক্ত হলো বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে
গাড়ি, ঘোড়া আর মান্ধাতা আমলের বন্দুক ছিল পুলিশ বাহিনীর অতীত সম্বল। কালের বিবর্তনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীতে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী যেন সেই কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধ্যান ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে পারছিল না।
কিন্তু সেই প্রাচীন ধ্যান ধারণা থেকে বের হয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর বহরে সংযুক্ত হলো ১০ টি হেলিকপ্টার। পুলিশ বাহিনীর এই হেলিকপ্টার সংযোজনে বাংলাদেশী হিসাবে উন্নত হলো মম শির।
বুকটা উঁচিয়ে বলতে ইচ্ছে করে বাংলাদেশীরাও পারে তাদের পুলিশ বাহিনীকে উন্নয়নের চরম শিখরে উঠাতে। সারা দেশের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে খুশির বন্যা বইছে।
বিপদ মুহূর্তে আর কারো কাছে হাত পাততে হবে না, জীবনের শেষ সময়ে সুচিকিৎসার জন্য নিজেদের হেলিকপ্টারে করে ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশেষায়িত পুলিশ হাসপাতালে যেতে পারবে।এই বিশ্বাস কাজ করছে সমগ্র পুলিশ বাহিনীতে। সৃজনশীল কাজ সর্বদা অমরত্ব পায়।কিন্তু তখন দেখা যায় সেই সৃজনশীল ব্যক্তিরা থাকেন না।
স্মৃতিময় হয়ে স্বর্ণযুগ স্মরণ করবে এই হেলিকপ্টার সংযোজনের উদ্যোগতা মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন, কামাল ও বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি জনাব বেনজির আহম্মদ- এর নাম।
//নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বীকৃতি বিশ্বাস//
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী পালিত রাণীশংকৈলে
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২২ তম জন্মজয়ন্তী পালিত হয় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ১১ জ্যৈষ্ঠ, ২৫ মে মঙ্গলবার ।
এ উপলক্ষে এদিন বিকেলে পৌর শহরের নেপচুন বিদ্যালয়ে ষড়জ শিল্পি গোষ্ঠি এক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। শিল্পি গোষ্টির সভাপতি প্রভাষক রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন কবি-গীতিকার অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি ও আলোচক ছিলেন মহিলা ডিগ্রি কলেজ উপাধ্যক্ষ মহাদেব বসাক, হরিপুর মুসলিমউদ্দিন কলেজের অধ্যাপক ফেরদৌস বাহার চৌধুরী, গাজীরহাট ডিগ্রি কলেজের সহ-অধ্যাপক বিল্লাল হোসেন।
এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, গোষ্ঠির সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, শিক্ষক অমল রায়, তৌহিদুল ইসলাম ও মাজহারুল ইসলাম বকুল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন, মনসুরা বেগম কাজল, শাহিনা আকতার, পূর্বাশা মজুমদার ও মোজাফফর হোসেন।
তবলাবাদনে ছিলেন পল্লব মহন্ত। কবিতা আবৃত্তি করেন, ফেরদৌস বাহার চৌধুরী, আফরা আনজুম আভা, প্রভাষক মনিরুজ্জামান মনি। সঞ্চালনা করেন গোষ্ঠির প্রচার সম্পাদক আশরাফ আলী।
//মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//
রাজশাহীর বাঘায় চুরি হওয়া ১২টি মহিষ পুঠিয়ায় উদ্ধার আটক-১
