৭২০০পিচ ইয়াবা ও ইয়াবা বিক্রির ২ লক্ষ টাকাসহ গ্রেফতার-০৩

 

“একটি গ্রাম হতে একটি দেশ, মাদক মুক্ত হবে বাংলাদেশ” – এই প্রত্যয় নিয়ে কুমিল্লা জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে পুলিশ সুপার কুমিল্লা যে দৃঢ়তা দেখিয়েছেন তারই  দিক নির্দেশনায় সার্কেল এপিএস দাউদকান্দি ও অফিসার ইনচার্জ দাউদকান্দির সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী  অদ্য ১২ এপ্রিল -২০২১ তারিখ দিবাগত আনুমানিক ৩:৩০ দাউদকান্দি থানার সবজিকান্দির বাগান বাড়িতে অবৈধ ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়- বিক্রয়ের সময় ১. নাসির, ২. সুমন ও ৩. জেসমিনকে ৭২০০( সাত হাজার দুইশত)  পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ইয়াবা বিক্রয়ের ১,৯৭,০০০/-( এক লক্ষ সাতানব্বই হাজার)  টাকা উদ্ধার করেন।

উল্লেখ্য গ্রেফতারকৃত আসামীরা এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এবং ইতিপূর্বে তাদের নামে একাধিক মামলাও রয়েছে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

নলজুর একটা নদী, হয়েগেল খাল..! সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ :  সর্বস্তরে চরম ক্ষোভের সঞ্চার 

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার নলজুর নদীর  খনন কাজে নানা অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নলজুর নদী যেন এখন খালে পরিণত হয়েছে ? এমনটাই দাবি করছেন নদী পাড়ের মানুষ।

বার বার পাউবোর কর্মকর্তা হাসান গাজীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও তিনি থাকছেন ধরাছোয়ার বাইরে। দীর্ঘ দিন যাবৎ একই কর্মস্থলে থাকার সুবাদে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা।

তবে নদী খননের অজুহাতে নামে মাত্র কাজ দেখিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা হাসান গাজীর নেতৃত্বে চলছে সরকার কতৃক বরাদ্দকৃত অর্থ লুটপাট, এমনটাই অভিযোগ এলাকাবাসীর।

জানা গেছে, শুকনো মৌসুমে নদীর  পানি সংরক্ষণ ও কৃষি জমিতে পানি সেচের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধীনে এই খনন কাজ চলমান রয়েছে।

কাজের সময় শেষ পর্যায়ে হলেও এখনো কাজের কাজই হয়নি বরং অতি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা পরিষদের সামনে ও জগন্নাথপুর বাজার এলাকায় নদীর কাজ এখনো সমাপ্ত হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, শুরু থেকে পাউবোর কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে নদীর নীচু প্রকৃতির জায়গা দিয়ে খননের জন্য নকশা তৈরী করে নিজেদের পকেট ভারী করার পায়তারায় লিপ্ত থাকে। কাজ শুরু হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশেনটেক এর যোগসাজশে  শুরু হয় নানা কৌশলে লুটপাট। নদীর নীচু জায়গায় নামে মাত্র খনন এবং উচ্চতা ও প্রস্থ দেখিয়ে সঠিক মানের নদী খনন না করে জনস্বার্থে সরকার কতৃক বরাদ্দকৃত অর্থ লুটপাটে ব্যস্ত রয়েছে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের দায়ীত্বে থাকা ঠিকাদার কামরুজ্জামান খান ও সুপার ভাইজার খায়রুল ইসলামের বিরুদ্ধে নদীর সরকারি মাটি বিক্রি সহ নানা অভিযোগ রয়েছে। যে কোন সময় বৃষ্টির কারণে অকাল  বন্যা সহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু জনসার্থে সরকারি  কাজের প্রতি তোয়াক্কা না করে নদী পাড়ের কিছু সুবিধাভোগী মানুষের কাছ থেকে এক্সিবেটর মিশিন দিয়ে ঘন্টা হিসেবে বাড়ির ভিট তৈরী করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। তাছাড়া অকারণে হাওর পাড়ের মানুষ ও বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বাড়ী ও দোকান উচ্ছেদের নামে চালিয়ে যাচ্ছে নীরব চাঁদাবাজি।

আর এসব অপকর্মে জড়িত স্থানীয় স্বার্থানেষী একটি প্রভাবশালী মহল। তবে তাদের সংখ্যা একেবারে নঘন্য।

নকশা অনুযায়ী যেভাবে পরিকল্পিত নদী খনন হবার কথা সেভাবে হচ্ছেনা খনন, যত্রতত্র স্থানে মাটি স্তুপ আকারে রাখার কারণে স্থানীয়দের  মধ্যে সৃষ্টি  হয়েছে চরম ভোগান্তির।

অন্যদিকে নদী খনন করে মাটিগুলো নিয়ম মাফিক যেভাবে স্লোপ দেয়ার কথা, সেভাবে না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই মাটি ধ্বসে বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যে বিশাল আকারের ফাটল দেখা দিয়েছে।

নদী খনন কাজে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে গত কয়েক দিন যাবত জনপ্রতিনিধি, এলাকার সচেতন নাগরিক ও স্থানীয় কৃষকেরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে সরব করে তুলেছেন।

প্রতিবাদ করেছেন  কতৃপক্ষের নানা অনিয়ম দূর্নীতির।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দায়সারা ভাবে কাজ করে নদীতে পানি  ছেড়ে দেয়ায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ক্ষোভর সৃষ্টি হয়েছে।

খননের শুরুতেই নদীর পাড়ে মাটি এলোমেলো ভাবে ফেলে রাখায় সামান্য বৃষ্টিতেই মাটি ধ্বসে পূনরায় নদী ভরাটের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

তড়িঘড়ি করে নামে মাত্র খনন কাজ সম্পন্ন করে নদীর পানি ছেড়ে দেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন। খনন কাজে এমন অনিয়মের ফলে সরকারের এই মহতি উদ্যোগের সফলতা যেমন বিনষ্ট হচ্ছে, তেমন বঞ্চিত হচ্ছে জনগণও,  জনগন তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) সূত্রে জানা যায়, ৬৪ জেলার অভ্যন্তরস্থ্য ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্পের (প্রথম পর্যায়) আওতায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বাদাউড়া থেকে এরালিয়া বাজার পর্যন্ত নলজুর নদী  খনন কাজ শুরু করে।

খনন কাজ বাস্তবায়ন করছেন ঢাকার ন্যাশনটেক কমিউনিকেশন লিমিটেড। এই কাজের জন্য সরকার  বরাদ্দ দিয়েছে ৫কোটি  ২৫লাখ টাকা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিয়ম অনুযায়ী খনন কাজ করছে না এই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) এর লোকজন সঠিক সময়ে তা পরিদর্শন করছেন না। তাদের যেন কোন মাথাব্যাথা নেই। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান সঠিক মানের নদী খননের জন্য চালিয়ে যাচ্ছেন অভিরাম চেষ্টা। তিনি প্রতিদিন নদী খনন কাজ পরিদর্শন করে যাচ্ছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সরেজমিন পরিদর্শনকালে জগন্নাথপুর  গ্রামের কৃষক ও স্থানীয় জনসাধারণ গনমাধ্যমকে জানান, শুরু থেকেই খনন কাজে অনিয়ম- দূর্ণীতি করে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও কাজ ভাগিয়ে নেয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যারা কাজ করছে তারা প্রথমে বলেছিলো পাড়ের মাটি দূরে সরিয়ে আরো গভীর করা হবে। কিন্ত তা না করে তড়িগড়ি করে খনন করে নদীর পানি  ছেড়ে দিয়েছে।

কোন কোন স্থানে  খনন কাজ করেনি শুধু দু-পাড়ে নাম মাত্র মাটি দিয়েছে । তাছাড়া সরকারি কাজ রেখে টাকার বিনিময়ে কিছু মানুষের ভিটবাড়ী করে দিচ্ছে তারা । টাকা না দেয়ায় অনেকের বাড়ীর উপর মাটি ফেলে ক্ষতি সাধন করা হয়েছে। অনেকের কাছে কোন প্রকার সরকারী রয়েল্যাটি ছাড়া মাটি বিক্রয় করা হয়েছে এবং পাশ্ববর্তী ফসলী জমিতে মাটি ফেলে ফসল নষ্ট করা হয়েছে।  তাদের মনগড়া খনন কাজ উপকারের চেয়ে বেশি ক্ষতিই হচ্ছে ।

 

জগন্নাথপুর পৌরসভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল হক শফিক বলেন, নদী খনন করতে গিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা হাসান গাজীর সহায়তায়  পিংলার হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ ও শশ্মানঘাটের রাস্তা কেটে মাটি বিক্রয় করছেন   ঠিকাদার কামরুজ্জামান খানের লোকজন। তাদের এমন দুর্নীতি মেনে নেয়া যায়না।

 

তার এধরণের কর্মকান্ডের ফলে উক্ত রাস্তা ও  ফসল রক্ষা বাঁধ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত ও হুমকির মধ্যে পড়েছে। এসব অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনগন সোচ্চার।

অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুহাম্মদ হাসান গাজী বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের  নির্বাহী প্রকৌশলী  জানান, খনন কাজে অনিয়ম হওয়ার কথা নয় ,আমার লোক প্রতিদিন  কাজের তদারকি করছে। কোন অনিয়ম হলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

//মোঃ রনি মিয়া, সুনামগঞ্জ//

খুলনা তেরখাদায় সড়ক দুর্ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা নিহত

 

খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার আজগড়া ইউনিয়নে ট্রলি-ইজিবাইক সংঘর্ষে সালাম সরদার (৮০) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধা নিহত হয়েছে। তিনি উপজেলা সদরের দক্ষিনপাড়া এলাকার মৃত জিতু সরদারের ছেলে।  ১২ এপ্রিল দুপুরে তেরখাদা-খুলনা সড়কের বিরি আজগড়া গাউস বাড়ীর মোড় এলাকায়  এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, খুলনা থেকে ইজিবাইকে করে বাড়ি ফিরছিল সালাম সরদার। এ সময় বিরি আজগড়া এলাকার গাউসবাড়ী মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রলির সঙ্গে ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এতে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে ঘটনাস্থলেই মারা যায় মুক্তিযোদ্ধা সালাম সরদার। তেরখাদা থানার এস আই মাজরিয়া এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

 

 

 

আবুল কালাম আজাদ ছিলেন দেশ প্রেমিক ও ভাষা সৈনিক

 

গাছবাড়ীয়া এন জি সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক, আবুল কালাম আজাদ ছিলেন, সত্যিকার দেশ প্রেমিক ও ভাষা সৈনিক, চন্দনাইশের কৃতি সন্তান ঢাকা বাংলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও ভাষা সৈনিক, প্রিন্সিপ্যাল আবুল কাশেমের উত্তরসূরী তামাদ্দুন মজলীস ও মুকুল ফৌজ সংগঠন ৫২ ভাষা আন্দলনের সংগঠক ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নেতা,  চট্টগ্রাম সরকারী কলেজের (১৯৪৯-৫০) সাবেক জি এস, ৫২ ভাষা আন্দলনের লড়াকু সৈনিক, মাতৃভাষাকে বাংলার জমিনে বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষাবিদ আবুল কালাম আজাদের ভূমিকা ছিল অপরিসীম।

গত ১১ এপ্রিল গাছবাড়ীয়া নিত্যানন্দ গৌরচন্দ্র সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে ভাষা সৈনিক, আবুল কালাম আজাদ এডুকেশন সোসাইটির উদ্যোগে সভাপতি উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শাহজাহান আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা উপরোক্ত কথা গুলো বলেন। প্রেস-ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ভাষা আন্দলনের গবেষক, বিশিষ্ট কলামিষ্ট মাহমুদ বিন কাসেম।

প্রধান আলোচক ছিলেন, পটিয়া ছালেহ নূর ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ তৈয়বুর রহমান্। বিশেষ অতিথি ছিলেন, চন্দনাইশ প্রেস-ক্লাবের সভাপতি, এড. দেলোয়ার হোসেন, প্রেস-ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সহ-সভাপতি মাওঃ মোজাহেরুল কাদের ফারুকী, গাছবাড়ীয়া এনজি সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ মতিন, জোয়ারা বি.চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, প্রমোদ রঞ্জন বড়–য়া, পিপি এস এর নির্বাহী পরিচালক, নুরুল হক চৌধুরী, সাংবাদিক শিবলী সাদেক কফিল, প্রেস-ক্লাবের সহ-সভাপতি আবু তালেব আনসারী, সাবেক প্রধান শিক্ষক, বিজয় কৃষ্ন ধর, গাছবাড়ীয়া এনজি সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক, সরোয়ার আহসান, চট্টগ্রাম বন্দর কলেজের প্রভাষক, গাজী মোঃ আকবর হোসেন, সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, গাজী মোঃ বোরহান উদ্দিন, সাংবাদিক এম এ হামিদ, সাংবাদিক কামরুল ইসলাম, শৈকত দাস ইমন, মাঈন উদ্দিন প্রমুখ।

সভা শেষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাংলাদেশ সরকার ও জাতীর কল্যাণে সর্বপোরী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান রব্বুল আলামীনের দরবারে মুনাজাত করা হয়।

//আবুল হাশেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

লোহাগাড়ায় ৭ হোটেলকে জরিমানা

চট্ট্রগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমান আদালত পচিালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) খোরশেদ আলম চৌধুরী, গত ১০ এপ্রিল পরিচালিত অভিযানে মুখে  মাকস না পরার অপরাধে ২৪ জনকে ৭হাজার ৮শ ৪০ টাকা ও স্বাস্থ্যবিধি লংগনে ৭ হোটেলকে ৭হাজার ৮শ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

//মোঃ হামিদুর রহমান, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি //

স্বাস্থ্য বিধি লংঘনে চট্টগ্রামের  চন্দনাইশে জরিমানা

 

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গতকাল (১১ এপ্রিল)দুপুরে ৫জনকে  ৬শ টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন, চন্দনাইশ উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট  মাহফুজা জেরিন,অভিযানে সহযোগিতা করেন,চন্দনাইশ থানার এস আই আরিফুল ইসলাম ও  একদল পুলিশ।

জরিমানা কালে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বলেন, বড় বড় বাজারে ধারাবাহিকভাবে পরিদর্শন অব্যাহত রেখে বল প্রয়োগ না করে ব্যবসায়ী ও সর্বসাধারনকে সচেতনতা আনতে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে, অভিযানকালে বিনা মুল্যে মাস্ক বিতরন করা হয়।

//মোঃ হামিদুর রহমান, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি //

সর্বাত্মক লকডাউন ১৪ এপ্রিল – ২১ এপ্রিল-২০২১ পর্যন্ত: সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি

 

করোনার বৈশ্বিক মহামারী টর্ণেডোর গতিতে ছড়িয়ে পড়ায় সর্বাত্মক লকডাউন কার্যকরের জন্য আজ ১২ এপ্রিল -২০২১ রোজ সোমবার কিছুক্ষণ আগে একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়ঃ

পূর্বের জারিকৃত লকডাউনের বিধিনিষেধের সাথে কিছু কিছু নতুন বিষয় সংযুক্ত হয়েছেঃ

১. সব সরকারি – আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি অফিস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা- কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন তবে বিমান সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো নিষেধাজ্ঞার আওতা মুক্ত থাকবে।

২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৩. সব ধরনের পরিবহন ( সড়ক, নৌ,অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

৪.শিল্প কলকারখানাসমূহ স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ পূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।তবে শ্রমিকদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের পরিবহনে আনা নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

৫. আইন- শৃঙ্খলা ও জরুরি পরিষেবা যেমন – কৃষি উপকরণ ( সার,বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি) খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিট-১৯ টীকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/ জ্বালানি, ফায়ারসার্ভিস, বন্দরগুলোর ( স্থল,নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ইন্টারনেট ( সরকারি – বেসরকারি), গণমাধ্যম ( প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা,ডাক সেবাসমূহসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ,তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে।

৬ অতি জরুরী প্রয়োজন ( ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রবাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন ও সৎকার ইত্যাদি) কোনভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টীকাকার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টীকা গ্রহনের জন্য যাতায়াত করা যাবে,

৭. খাবার দোকান ও হোটেল – রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা এবং রাত ১২ টা থেকে ভোর ৬ টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয় ও সরবরাহ করা যাবে। শপিং মলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে।

৮. কাঁচাবাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবাদি সকাল ০৯ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত উন্মুক্তস্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়- বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

০৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে।

১০. সারাদেশের জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করবে এবং আাইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহল নিয়মিত জোরদার করবে।

১১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবির নামাজে জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

১৩. উপরোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/ বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস//

বর্তমান সরকার কৃষকসহ সকল মানুষের জীবন- মান উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে: সালাম মূর্শেদী

 

খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য  আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন,  বঙ্গবন্ধু কন‍্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার কৃষি বান্ধব সরকার।

খাদ‍্যের সয়ংসম্পুর্ণতা অর্জন বর্তমান সরকারের এক অনন‍্যা উধারণ।

কৃষিতে ভতূর্কি দিয়ে সরকার যে উদরতার প্রমান দিয়েছেন তা আমাদের স্বরণ রাখতে হবে।

 

তাছাড়া এই করোনা কালীন সময়ে সরকার কৃষকদের প্রনোদনা দিয়ে উজ্জিবিত করে রেখেছেন।

তিনি আর ও বলেন, কৃষি ও কৃষকের উন্ন য়নে সরকার সর্বাত্মক সহায়তা অব‍্যহত রাখার অব‍্যহত রাখার ঢ়ড় প্রত‍্যায় ব‍্যক্ত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকসহ এদেশের আপামর মানুষের জীবন মান উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

সোমবার বেলা ১১ টায় রূপসা উপজেলা  অফিসার্স ক্লাব  সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিসের বাস্তবায়নে ২০২০-২১ অর্থবছরে উফসী আউশ ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে কৃষকদের কৃষি পৃর্ণবাসন কর্মসূচির  ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত খান মাসুম বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান কামাল উদ্দীন বাদশা,থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, অধ‍্যক্ষ ফ ম আ;সালাম, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ যোবায়ের, ফারহানা আফরোজ মনা।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুজ্জামান, মেডিকেল অফিসার সঙ্গিতা চৌধুরী, মৎস‍্য কর্মকর্তা বাপ্পী কুমার দাস,সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান,মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহিরা খাতুন,  প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন,বন কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান,সহকারী ম‍্যাধমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো:মতিয়ার রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান অধ‍্যাপক আশরাফুজ্জামান, আলহাজ্ব ইসহাক সরদার, সাধন অধিকার, আওয়ামীলীগ নেতা এস এম হাবিব, রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখসহ  উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

এর পূর্বে উপজেলা আইন শৃংখলা ও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

//আ: রাজ্জাক সেখ, খুলনা ব্যুরো//

মাওলানা ইকবাল সহ হেফাজতের ৪ শীর্ষ নেতাকে রয়েল রিসোর্ট হালায় গ্রেফতার করেছে র্যা ব

 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে রয়েল রিসোর্টে হামলা, ভাঙচুর ও ঢাকা – চট্রগ্রাম মহাসড়কে নাশকতা মামলার প্রধান আসামি মাওলানা ইকবাল হোসেনসহ (৫২) হেফাজতের চার নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তাদেরকে রাজধানী ঢাকার জুরাইন থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

তাদের মধ্যে মাওলানা ইকবাল হোসেন সোনারগাঁও উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সহ-সভাপতি।

সোমবার বেলা ১১টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীতে অবস্থানরত র‌্যাব ১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন চৌধুরী (পিপিএম)।

এছাড়াও গ্রেফতার হওয়া বাকিরা হলেন – সোনারগাঁও উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি হাফেজ মাওলানা মহিউদ্দিন খান (৫২), সহ-সভাপতি হাফেজ মোয়াজ্জেম হোসেন (৫২) ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শাজাহান শিবলী (৪৩)।

অনলাইন ডেস্ক।।

হেফাজতে ইসলামের ওয়াসিক বিল্লাহ নোমানী গ্রেফতার (ভিডিও)

 

রাষ্ট্রবিরোধী ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার’ অভিযোগে হেফাজতে ইসলামের অনুসারী ও বক্তা ওয়াসেক বিল্লাহ নোমানীকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রোববার বিকালে তাকে ময়মনসিংহ নগরীর সানকিপাড়া এলাকার সেনবাড়ি রোড থেকে যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করে কোতোয়ালি জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

নোমানীর বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে জেলা গোয়েন্দা শাখার হেফাজতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

নোমানী নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার মনোরঞ্জন দাসের ছেলে। তিনি সেনবাড়ি রোড একটি মাদ্রাসার শিক্ষক বলে পুলিশ জানিয়েছে। তিনি হিন্দু থেকে ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হন। তার আগের নাম ছিল চয়ন কুমার দাস।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার নোমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে যুগান্তরকে জানান, নগরীর সেনবাড়ি রোডস্থ মসজিদের সামনে ধর্মীয় ও রাষ্ট্রবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদানের সময় রবিবার বিকাল ৪টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

জেলা শ্রমিক লীগ নেতা ও জেলা সিএনজি-মাহেন্দ্র মালিক সমিতির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম শাহীন বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেছেন।

এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে ওসি জানিয়েছেন।

।।অনলাইন ডেস্ক।।